রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আতিকার কবিতা

আতিকার কবিতা

সেই সাফরা এলাকার একজন হচ্ছেন উবায়দা, তুমি তার জন্যে র্কাদো যিনি ছিলেন
যেহমান মুসাফিরের জন্যে নিবেদিত এবং বিপদকালে দুঃস্থ বিধবারা তার কাছে আসতাে ৷ তিনি
ছিলেন অসহড়ায়দের জন্যে বৃক্ষ স্বরুপ ৷

তুমি র্কার্দো সে সব লোকের উদ্দেশ্যে যারা প্রতেব্রক শীতের মওসুমে দুর্ভিক্ষের কারণে
দিগন্তরেখা লাল হয়ে যাওয়ার সময় তার নিকট আসতাে ৷

আর তুমি ইয়াডীমদের স্মরণে র্কাদো যারা ঝঞাবায়ু প্রবাহিত হলে তার কাছে এসে
আশ্রয় নিত ৷ আরও র্কড়াদো ডেগের নীচে আগুন জ্বালানাের জন্যে, যা দীর্ঘ দিন যাবত টগবগ
করে ফুটতেড়া ৷

এরপর যদি কখনও আগুনের তেজ কমে যেত, তখন তিনি মোটা মোটা কাঠ দিয়ে সে
আগুন আবার প্ৰজ্বলিত করে দিতেন ৷

এই ব্যবস্থা তিনি করতেন রাত্রিকালে আগমনকারী পথিক কিৎবা আপ্যায়নের প্ৰত্যাশী
লোকদের জন্যে এবং সেসব পথহারা পথিকদের জন্যে যারা কুকুরের আওয়াজ শুনে সেদিকে
অগ্রসর হয়ে তার কাছে উপস্থিত হত ৷

আতিকার কবিতা

উমাবী তার মাপাযী গ্রন্থে সাঈদ ইবন কুতৃন থেকে বর্ণনা করেন : আতিকা বিনত আবদুল
ঘুত্তালিব পুর্বে এক স্বপ্ন দেখেছিলেন ৷ বদর যুদ্ধের পর স্বপ্নের সাথে মিলে যাওয়ায় নিম্নোক্ত
কবিতা আবৃত্তি করেন :
অর্থ : আমার স্বপ্ন কি বাস্তবে পরিণত হয়নি এবং তার ব্যাখ্যা কি তোমাদের সামনে
আসেনি ? যখন সম্প্রদায়ের একদল লোক পলায়ন করল ৷

যে ব্যক্তি স্বচক্ষে দেখেছে যে, ধারাল তরবারি কী ভাবে সঞ্চালিত হয়েছে, তখন তােমাংদর
কাছে আমার যে স্বপ্ন বিশ্বাসযেগ্যে হয়েছে ৷

আমি তোমাদের নিকট সত্য কথা বলেছিলড়াম, মিথ্যা কথা বলি নাই ৷ বন্তুত আমাকে
মিথ্যাবাদী ঠাওরিয়েছে সে, যে নিজে,মিথুক্লক ৷

হাকীম তাে এমনিতে পালায়নি বরং মৃত্যুর ভয়ে সে পালিয়েছে ৷ অবশ্য পালিয়ে যাওয়ার
সকল পথই তার রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল ৷

সে দিন তোমাদের মাথার উপরে ছিল ভারতীয় তরবারি এবং বাহরায়নের খৎ গোত্রে
নির্মিত বর্শা যা দেখতে চকমকে ও প্রতিপক্ষের উপর বিজয় নিশ্চিত করে ৷

সে তরবারির ধারাল অংশটি উজ্জ্বলতায় এমন ঝলমল করে যে, যদি কোন গর্জনকান্নী
সিংহরুপ বীরের হাতে পড়ে, তবে তা অগ্লিস্ফুলিঙ্গের ন্যায় মনে হয় ৷

হায় ! আমার পিতার কসম! সেদিন কি অবস্থাই না হয়েছিল, যে দিন মুহাম্মদের সাথে
মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় ৷ যে দিন তুমুল যুদ্ধের সময় গর্দানসমুহ কর্তিত হয়েছিল ৷

ৰু সে দিন সামনা-সামনি যুদ্ধে পাতলা ধারাল তরবারিগুলাে তোমাদের উপর দিয়ে এমন ভাবে
অতিক্রম করে গেল, যেমন দক্ষিণের যেঘমালা আকাশ পথ অতিক্রম করে যায় ৷

এরপর তার অনেক তরবারি কর্ম সম্পাদন করে শীতল হয়ে যায় এবং যে সেগুলোকে
দুঢ়তর করতো, যে ওগুলো ওলট-পালট করে রেখে দেয় ৷

কী দশা আজ সে সব নিহত লোকদের যাদের লাশ বদরের পুরনো নােৎরা কুপে নিক্ষিপ্ত
হয়েছে ৷ আর তড়াদেরই বা কী দুর্দশা, যারা যুদ্ধ করতে এসে আমার ভাইপোর কাছে বন্দী
অবস্থায় আছে ৷

এরা কী দুর্বল নারী ছিল ? নাকি আল্লাহ্র পক্ষ থেকে মৃত্যু এসে তাদেরকে সেখানে হীকিয়ে
নিয়ে গিয়েছিল ? আর মৃত্যু তো একটা র্ফড়াদ হিসাবেই গণ্য হয়ে থাকে ক্ষ্

তাহলে রণাঙ্গনে মুকাবিলার সময় মুহাম্মদকে তার চাচাত ভাইয়েরা কী প্রকৃতিতে
দেখেছিল ? আর অভিজ্ঞতার পরীক্ষা তো যুদ্ধের ময়দানেই হয়ে থাকে ৷

তরবারির প্রচণ্ড আঘাত ণ্তামাদেরকে কি এমন ভাবে সংকীর্ণ করে ফেলেনি, যা প্রত্যক্ষ

করে কাপুরুষরা ঘাবড়ে যায় এবং দিনের বেলায়ই (তরবারির ঝিলিকে) চোখে আকাশের তারা
দেখা যায় ৷

আমি কসম করে বলছি তারা যদি প্রত্যাবর্ত্য৷ করে, তা হলে তুমি তাদেরকে সমুদ্রে
নিক্ষেপ করবে, তারা সেখানে গিয়ে পড়বে ৷ অশ্ববাহিনী যা পরীক্ষা করে অভিজ্ঞতা অর্জন
করেছে ৷

এ যুদ্ধে ব্যবহৃত তরবারির উজ্জ্বলতা যেন সুর্যের কিরণ ৷ সে তরবারির আলোর শিখায় যেন
প্রভাতকালীন সুর্যের লালিমা প্রস্ফুঢিত হচ্ছে ৷

উমাবী তার কিভাবে নিম্নের কবিতাটিও আতিকার বলে উল্লেখ করেছেন ৷
অে

অর্থ : বদর যুদ্ধে নবী মুহাম্মদের জন্যে কেন তোমরা ধৈর্য প্রদর্শন করনি ? আর যুদ্ধে যে
জড়িয়ে যায় ধৈর্যশীল হওয়া তার জন্যে অপরিহার্য ৷ তোমরা সেই তীক্ষ্ণ ধারাল তরবারির আঘাত
থেকে কেন ফিরে এলে না, যে তরবারি বহনকারী মু’মিনদের হাতে ঝলসে উঠছিল ৷

সেই শুভ্র তরবারির সামনে কেন তোমরা সহনশীল হতে পারলে না, যায় ফলে চিহ্নিত স্বল্প
ৎখ্যক মু’মিনের হাতে তোমরা বন্দী হয়ে গেলে ৷

আর তোমরা যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে এলে ৷ সেই লোক কখনও বীর হতে পারে না,
যে অস্ত্র নিয়ে লড়াই করতে গিয়ে পলায়ন করে ৷

মুহাম্মদ তো তোমাদের নিকট সেই বাণী-ই নিয়ে এসেছেন ৷ যে বাণী নিয়ে এসেছিলেন
পুর্ববর্তী নবীগণ ৷ আর আমার ডাইপাে (মুহাম্মদ) একজন পুণ্যবান ও সত্যবাদী ৷ তিনি কোন
করি নন ৷

তোমরা তোমাদের নবীর যে ক্ষতি সাধন করেছ, তা অচিরেই পুষিয়ে যাবে এবং বনু আমর
ও বনু আমির উভয় গোত্রই তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে ৷

আবু তালিব পুত্র তালিবের কবিতা
আবু তালিবের পুত্র তালিব রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর প্ৰশংসায় নিম্নোক্ত কবিতা রচনা করেন ৷
এর মধ্যে তিনি বদর যুদ্ধে নিহত ও কুপে নিক্ষেপ্ত কুরায়শদের জন্যে শোক প্রকাশ করেছেন ৷ এ
সময় তিনি তার স্ব-সম্প্রদায়ের ধর্মের উপরই প্রতিষ্ঠিত ছিলেন ৷
অর্থ : শুনে রাখ! আমার চোখ বনু কাআবের জ্যন্য কেদে কেদে অশ্রুশুন্য হয়ে পড়েছে ৷
কিন্তু বনুকাআবকে সে চোখে দেখেনি ৷

জেনে রাখ ! বনু কাআব যুদ্ধ-বিগ্রহে পারস্পরিক সহযোগিতা পরিত্যাগ করেছে এবং
অপরাধে জড়িত হয়ে পড়েছে ৷ ফলে কালের করলে প্রাসে তারা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে ৷

আর বনু আমিরের অবস্থা এই যে, প্রত্যুষে বিপদ এসে পড়লে তারা কাদতে থাকে ৷ হায় ,
যদি আমি জানতাম যে, এ উভয় গোত্রের লোকদেরকে কখন নিকট থেকে দেখার সুযোগ হবে ?

সুতরাং হে আমার ভাইয়েরাৰু হে বনু আবদে শামস ও বনু নাওফিল ৷ আমি তোমাদের
জন্যে নিজেকে উৎসর্গ করে বলছি, তোমরা আমাদের মধ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে দিয়ো না ৷

আর পারস্পরিক ঐক্য ও সংহতি গড়ে ওঠার পর এমন কোন ঘটনা সৃষ্টি করে উপাখ্যানে
পরিণত হয়ে যেয়ো না যে , বিপদগ্রস্ত হওয়ার জন্যে একে অপরকে দােষারোপ করতে থাকবে ৷

তোমাদের কি জানা নেই যে, দাহিস’ যুদ্ধের পরিণতি কী হয়েছিল ৷ আর আবু ইয়াকসুমের
যুদ্ধের কথাও কি স্মরণ নেই যখন তারা ভৈসন্যবাহিনী দিয়ে গিরিপথ ভরে ফেলেছিল ?

যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রতিহত করা না হত যিনি ব্যতীত অন্য কিছুই নেই, তাহলে
বীচার জন্যে তোমরা মাটির নীচে কোন সুড়ৎগও খুজে পেতে না ৷

কুরায়শদের মধ্যে আমরা বড় ধরনের কোন অপরাধ করিনি ৷ শুধু এই কাজটি ব্যতীত যেৰু
ভু-পৃষ্ঠে বিচরণকারীদের মধ্যে সর্বোত্তম লোকটিকে আমরা হিফাযত করেছি ৷

তিনি নির্ভরযোগ্য, বিপদের বন্ধু, তার গুণাবলী মাহাত্ম্যপুর্ণ ৷ তিনি কৃপণ নন এবং
ঝগড়াটেও নন ৷

কল্যাণপ্রাথীরা তার শরণাপন্ন হয় ৷ তারা সর্বক্ষণ তার দৃয়ারে ভীড় করে থাকে ৷ তারা এমন
একটি নহরের কাছে আসে, যার পানি কখনওহ্রড়াস পায় না এবং শুকিয়েও যায় না ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.