আবদুর রহমান ইবন আবূ উকায়ল (রা) ও তাঁর গোত্রের প্রতিনিধিত্ব প্রসঙ্গ

ন্যায্য মুল্য না ৷রেখেই তাকে যেতে দিলাম ? তারিক (রা) বলেন, কাফেলার যেয়ে লোকটি
বলতে লাগল, “আল্লাহর কসম ! আমি তো এমন একজন লোক দেখলাম, তার চেহারা যেন
পুর্ণিমার রাতের চাদের টুকরো ৷ আমি তোমাদের উটের মুল্যের দায়-দায়িতু নিচ্ছি ৷ ’
ইংত্৩ ত্ত্বমধ্যে লোকটি ফিরে আসতে দেখা গেল ৷ সে এসে বলল, আমিণ্ আমাদের কাছে আল্লাহর রাসুল ও প্রেরিত পুরুষ! এই নাও তোমাদের খুরমা ৷
(আগে ) খেয়ে নাও এবং পরি৩ ট্রুপ্তির সাথে খাও, তারপর পুরোপুরি ও পুর্ণাঙ্গ পরিমাপ করে নিয়ে
নাও ৷’ আমরা পেট পুরে খেলাম এবং পুরোপুরি মােপ নিলাম ৷ তারপর আমরা মদীনাশ ত্বহরে
ঢুকে মসজিদে (নবৰীতে ৩) গেলাম ৷ দেখি কী সেই লোকটি যিম্বায়ে দাড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছেন ৷
আমরা তার ভাবণের এ অংশ তাকে বলতে শুনলাম-ণ্

“দান সাদাকা করতে থাক, সাদাকা করা তোমাদের জন্য উত্তম ৷ দাতা হাত গ্রহীতা হাতের
চাইতে উত্তম ৷ মা-বম্পো , বোন, ভাই এবং ক্রমান্বয়ে নিকটজন এর প্রতি দান করবে ৷

এসময় বনু ইয়ারবু কিৎরা আনসাৰী এক ব্যক্তি এগিয়ে গিয়ে বলল, ইয়া রাসুলড়াল্লাহ্ৰু এ
গোত্রের কাছে জাহিলী যুগের আমাদের খৃনের বদলা (রক্তপণ ) প্রাপ্ত রয়েছে ৷ তিনি বললেন,
“বাঘের অপরাধের দায়দায়িতৃ সন্তানের উপরে বর্তায় না ৷ কথাটি তিনি তিনবার বললেন ৷

মাসাঈ (র) ইউসুফ ইবন ঈসা (র)তারিক ইবন আবদুল্লাহ আল সৃহারিবী (র) সুত্রে এ
হাদীসের সাদাকড়ার কষীলত অংশ বিশেষ রিওয়ারাত করেছেন ৷ হাফিজ বায়হাকী (র)
হড়াদীসখানি বিশদতাবে রিওরারাত করেছেন ৷ এ রিওরায়াতে মহিলার উক্তি উদ্ধৃত করা হয়েছে
এভাবে “ পবস্পা ভভুসনায় লিপ্ত হয়াে না আমি তো এমন এক লোকের চেহারা দেখেছি, যে
কখনো বিশ্বাস তম করতে পারে না ৷ পুর্ণিমা রাতের সাথে র্তার মুখাবয়বের চেয়ে অধিকতর
সাদৃশ্যপুর্ণ আর কোন চেহারা আমি দেখিনি ৷
ফারওয়া ইবন আমর আল জুযামী মআেন অঞ্চলের শাসক এর দুত-এর আগমন

ইবন ইসহাক (র) বলেন, ক ড়ারওরা ইবন আমর ইবনুন না ড়াফিরা আল জুযামী আননুফাহী
তার ইসলাম গ্রহণের স বাদ জা ড়ানিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সা) সকাশে একজন দুত পাঠালেন ৷ সাথে
হাদিয়াস্বরুপ একটি সাদা খচ্চরও পাঠালেন ৷ ফারওরা তার পার্শ্ববর্তী আরব অঞ্চলের জন্য
রোম সম্রাটের মনোনীত শাসক ছিলেন ৷ তার শাসন কেন্দ্র ছিল ম আেন এ ৷ মাআন ও
পার্শ্ববর্তী সিরীয় অঞ্চল ছিল তার শাসিত এলাকা ৷ রোমানদের কাছে তার ইসলাম গ্রহণের
হুবাদ পৌছলে তারা র্তীকে তলর করে পাঠান এবং তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে নিজেদের
এলাকায় কারারংদ্ধ করে রাখল ৷ বন্দী অবস্থায় রচিত তার কবিতা

“বন্ধু ও সঙ্গীদের চোখ এড়িয়ে গভীর রাতে সুলায়মার কাছে যাচ্ছিলাম ৷ রােমানরা ওত্
পেতে ছিল দরজা ও পুকুরের মাঝের আঙ্গিনড়ায় ৷ দৃশ্য দেখে মন এল্যেমােলা হয়ে গেল ৷

১ মাআন ( :ভৈ) জর্দানের একটি গুরুত্বপুর্ণ প্ৰশাসকি ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র ৷

আঙ্গিনায় খড়কুটো বিছিয়ে ঘুমানাের ইচ্ছা করলাম ৷ পরিস্থিতি আমাকে র্কাদিয়ে দিল ৷ সুলায়মা
আমার অনুপস্থিতিতে চোখে সুরমা মেখো না কারো আগমনের অপেক্ষায় থেকাে না ৷ ”

আবু কুবায়শা ! তুমি (তা জান,আমি অভিজাতদের সেরা, আমার জিহ্বা রুখে রাখা যায় না ৷
যদি শেষ হয়ে যাই, তবে তোমাদের এক সহকর্মীকে হারালে, আর বেচে থাকলে আমার
অবস্থান তোমাদের অজ্ঞাত থাকবে না ৷ এক উচ্চাভিলড়াষী তরুণ যা কিছু সঞ্চয় করে তা আমি
আহরণ করেছিলাম বীরত্, কানাডা ও বাগািত৷ ৷ ”

রেড়ামানরা তাকে শুলিৰিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিলে র্তাকে ফিলিসতীনের আফাররা জলাশয়ের
পাড়ে নিয়ে গেল ৷ সে সময় রচিত ফারওয়ার কবিতা-

“ও হার! সালমা কি খবর পেল যে, তার জীবন সাথী আফাররা জলড়াশয়ের পাড়ে এক
বিশেষ বাহনের আরোহী ৷ এমন এক উয়ী যার মাঝে কোন নর উট সঙ্গম করে নি ৷ (অর্থাৎ
শুলি) তাকে তথায় বেধে দেয়া হয়েছে অষ্ঠে পৃষ্ঠে ৷

ইবনু ইসহাক (র) বলেন, যুহরী বলেছেন, তারা তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ঠেলে দিলে
তিনি বললেন,

মুসলমান নেতা সরদারদের সংবাদ পৌছে দিও , আমি আমার অস্থি-মজ্জা, আমার স্থান-
অবস্থান আমার প্রতিপালক সকাশে সমর্থিত ও নিবেদিত

বংনািকারী বলেন, রােমানরা তীর গর্দান বিচ্ছিন্ন করে তাকে সে জলড়াশয়ের কাছে শুলি বিদ্ধ
করে রেখে দিল ৷ আল্লাহ্ র্তার প্রতি রাজী থাকুন, তাকে জান্নাতরাসী করে তীর মনের তুষ্টি দান
করুন ৷

তামীম আদৃ-দারী (রা)-এর আগমন প্রসঙ্গ

আবু আবদুল্লাহ্ সাহ্ল ইবন মুহাম্মদ ইবন নাসরুযেহ্ আল মারওয়াষী (র) ফাতিমা ৰিনৃত
কারস (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তামীম আদ্-দাবী (রা) রাসুলুল্লাহ্ (সা) সকাশে
উপস্থিত হয়ে তীকে এ মর্মে খবর দিলেন যে, তিনি সামুদ্রিক সফরে গিয়েছিলেন ৷ জদের
মোঃ পথ হারিয়ে ফেলল ৷ তারা একটি দ্বীপে উপনীত হলেন ৷ দ্বীপে নেমে জরা খাবার
৷ সন্বান করতে লাগলেন ৷ সেখানে বিশেষ আকৃতির একটা মানুষ দেখতে পেলেন; সে
ফ্রীর্ঘ কেশরাশি মাটিতে টেনে চলছিল ৷ তামীম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কে? সে
আসৃসাসাহ্’-গোপন তথ্য সন্ধানী ও গোয়েন্দা ৷ তারা বললেন, তবে আমাদের
স্থিব্ক্তষ্ যে বলল, আমি তোমাদের কিছু বলব না, তবে তোমরা দ্বীপের অভ্যন্তরে যাও !
মোঃ ৷ সেখানে দেখতে পেলাম, একজন বন্দী লোক রয়েছে ৷ সে বলল,
— ত্মম্ব৷ ৰললাম, আমরা আরব দেশীয় একদল লোক ৷ সে বলল, তোমাদের
ঐ ন্সীর খবর কী? আমরা ৰললাম, লোকেরা তার প্ৰতি ঈমান এসেছে, তড়াকে
তার! আনুগত্য ব্বহে ৷ সে বলল, তাই তাদের জন্য কল্যাণকর ৷ তারপর
আমরা তাকে তার খবর ৰললাম (যে তার পানি দিয়ে এখন
—! আ যে মন এমন জোরে লক্ষে দিল যে মনে হল যেন, দেয়াল টপকে

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.