রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আবদুর রহমান ইবন আবূ উকায়ল (রা) ও তাঁর গোত্রের প্রতিনিধিত্ব প্রসঙ্গ

আবদুর রহমান ইবন আবূ উকায়ল (রা) ও তাঁর গোত্রের প্রতিনিধিত্ব প্রসঙ্গ

ন্যায্য মুল্য না ৷রেখেই তাকে যেতে দিলাম ? তারিক (রা) বলেন, কাফেলার যেয়ে লোকটি
বলতে লাগল, “আল্লাহর কসম ! আমি তো এমন একজন লোক দেখলাম, তার চেহারা যেন
পুর্ণিমার রাতের চাদের টুকরো ৷ আমি তোমাদের উটের মুল্যের দায়-দায়িতু নিচ্ছি ৷ ’
ইংত্৩ ত্ত্বমধ্যে লোকটি ফিরে আসতে দেখা গেল ৷ সে এসে বলল, আমিণ্ আমাদের কাছে আল্লাহর রাসুল ও প্রেরিত পুরুষ! এই নাও তোমাদের খুরমা ৷
(আগে ) খেয়ে নাও এবং পরি৩ ট্রুপ্তির সাথে খাও, তারপর পুরোপুরি ও পুর্ণাঙ্গ পরিমাপ করে নিয়ে
নাও ৷’ আমরা পেট পুরে খেলাম এবং পুরোপুরি মােপ নিলাম ৷ তারপর আমরা মদীনাশ ত্বহরে
ঢুকে মসজিদে (নবৰীতে ৩) গেলাম ৷ দেখি কী সেই লোকটি যিম্বায়ে দাড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছেন ৷
আমরা তার ভাবণের এ অংশ তাকে বলতে শুনলাম-ণ্

“দান সাদাকা করতে থাক, সাদাকা করা তোমাদের জন্য উত্তম ৷ দাতা হাত গ্রহীতা হাতের
চাইতে উত্তম ৷ মা-বম্পো , বোন, ভাই এবং ক্রমান্বয়ে নিকটজন এর প্রতি দান করবে ৷

এসময় বনু ইয়ারবু কিৎরা আনসাৰী এক ব্যক্তি এগিয়ে গিয়ে বলল, ইয়া রাসুলড়াল্লাহ্ৰু এ
গোত্রের কাছে জাহিলী যুগের আমাদের খৃনের বদলা (রক্তপণ ) প্রাপ্ত রয়েছে ৷ তিনি বললেন,
“বাঘের অপরাধের দায়দায়িতৃ সন্তানের উপরে বর্তায় না ৷ কথাটি তিনি তিনবার বললেন ৷

মাসাঈ (র) ইউসুফ ইবন ঈসা (র)তারিক ইবন আবদুল্লাহ আল সৃহারিবী (র) সুত্রে এ
হাদীসের সাদাকড়ার কষীলত অংশ বিশেষ রিওয়ারাত করেছেন ৷ হাফিজ বায়হাকী (র)
হড়াদীসখানি বিশদতাবে রিওরারাত করেছেন ৷ এ রিওরায়াতে মহিলার উক্তি উদ্ধৃত করা হয়েছে
এভাবে “ পবস্পা ভভুসনায় লিপ্ত হয়াে না আমি তো এমন এক লোকের চেহারা দেখেছি, যে
কখনো বিশ্বাস তম করতে পারে না ৷ পুর্ণিমা রাতের সাথে র্তার মুখাবয়বের চেয়ে অধিকতর
সাদৃশ্যপুর্ণ আর কোন চেহারা আমি দেখিনি ৷
ফারওয়া ইবন আমর আল জুযামী মআেন অঞ্চলের শাসক এর দুত-এর আগমন

ইবন ইসহাক (র) বলেন, ক ড়ারওরা ইবন আমর ইবনুন না ড়াফিরা আল জুযামী আননুফাহী
তার ইসলাম গ্রহণের স বাদ জা ড়ানিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সা) সকাশে একজন দুত পাঠালেন ৷ সাথে
হাদিয়াস্বরুপ একটি সাদা খচ্চরও পাঠালেন ৷ ফারওরা তার পার্শ্ববর্তী আরব অঞ্চলের জন্য
রোম সম্রাটের মনোনীত শাসক ছিলেন ৷ তার শাসন কেন্দ্র ছিল ম আেন এ ৷ মাআন ও
পার্শ্ববর্তী সিরীয় অঞ্চল ছিল তার শাসিত এলাকা ৷ রোমানদের কাছে তার ইসলাম গ্রহণের
হুবাদ পৌছলে তারা র্তীকে তলর করে পাঠান এবং তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে নিজেদের
এলাকায় কারারংদ্ধ করে রাখল ৷ বন্দী অবস্থায় রচিত তার কবিতা

“বন্ধু ও সঙ্গীদের চোখ এড়িয়ে গভীর রাতে সুলায়মার কাছে যাচ্ছিলাম ৷ রােমানরা ওত্
পেতে ছিল দরজা ও পুকুরের মাঝের আঙ্গিনড়ায় ৷ দৃশ্য দেখে মন এল্যেমােলা হয়ে গেল ৷

১ মাআন ( :ভৈ) জর্দানের একটি গুরুত্বপুর্ণ প্ৰশাসকি ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র ৷

আঙ্গিনায় খড়কুটো বিছিয়ে ঘুমানাের ইচ্ছা করলাম ৷ পরিস্থিতি আমাকে র্কাদিয়ে দিল ৷ সুলায়মা
আমার অনুপস্থিতিতে চোখে সুরমা মেখো না কারো আগমনের অপেক্ষায় থেকাে না ৷ ”

আবু কুবায়শা ! তুমি (তা জান,আমি অভিজাতদের সেরা, আমার জিহ্বা রুখে রাখা যায় না ৷
যদি শেষ হয়ে যাই, তবে তোমাদের এক সহকর্মীকে হারালে, আর বেচে থাকলে আমার
অবস্থান তোমাদের অজ্ঞাত থাকবে না ৷ এক উচ্চাভিলড়াষী তরুণ যা কিছু সঞ্চয় করে তা আমি
আহরণ করেছিলাম বীরত্, কানাডা ও বাগািত৷ ৷ ”

রেড়ামানরা তাকে শুলিৰিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিলে র্তাকে ফিলিসতীনের আফাররা জলাশয়ের
পাড়ে নিয়ে গেল ৷ সে সময় রচিত ফারওয়ার কবিতা-

“ও হার! সালমা কি খবর পেল যে, তার জীবন সাথী আফাররা জলড়াশয়ের পাড়ে এক
বিশেষ বাহনের আরোহী ৷ এমন এক উয়ী যার মাঝে কোন নর উট সঙ্গম করে নি ৷ (অর্থাৎ
শুলি) তাকে তথায় বেধে দেয়া হয়েছে অষ্ঠে পৃষ্ঠে ৷

ইবনু ইসহাক (র) বলেন, যুহরী বলেছেন, তারা তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ঠেলে দিলে
তিনি বললেন,

মুসলমান নেতা সরদারদের সংবাদ পৌছে দিও , আমি আমার অস্থি-মজ্জা, আমার স্থান-
অবস্থান আমার প্রতিপালক সকাশে সমর্থিত ও নিবেদিত

বংনািকারী বলেন, রােমানরা তীর গর্দান বিচ্ছিন্ন করে তাকে সে জলড়াশয়ের কাছে শুলি বিদ্ধ
করে রেখে দিল ৷ আল্লাহ্ র্তার প্রতি রাজী থাকুন, তাকে জান্নাতরাসী করে তীর মনের তুষ্টি দান
করুন ৷

তামীম আদৃ-দারী (রা)-এর আগমন প্রসঙ্গ

আবু আবদুল্লাহ্ সাহ্ল ইবন মুহাম্মদ ইবন নাসরুযেহ্ আল মারওয়াষী (র) ফাতিমা ৰিনৃত
কারস (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তামীম আদ্-দাবী (রা) রাসুলুল্লাহ্ (সা) সকাশে
উপস্থিত হয়ে তীকে এ মর্মে খবর দিলেন যে, তিনি সামুদ্রিক সফরে গিয়েছিলেন ৷ জদের
মোঃ পথ হারিয়ে ফেলল ৷ তারা একটি দ্বীপে উপনীত হলেন ৷ দ্বীপে নেমে জরা খাবার
৷ সন্বান করতে লাগলেন ৷ সেখানে বিশেষ আকৃতির একটা মানুষ দেখতে পেলেন; সে
ফ্রীর্ঘ কেশরাশি মাটিতে টেনে চলছিল ৷ তামীম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কে? সে
আসৃসাসাহ্’-গোপন তথ্য সন্ধানী ও গোয়েন্দা ৷ তারা বললেন, তবে আমাদের
স্থিব্ক্তষ্ যে বলল, আমি তোমাদের কিছু বলব না, তবে তোমরা দ্বীপের অভ্যন্তরে যাও !
মোঃ ৷ সেখানে দেখতে পেলাম, একজন বন্দী লোক রয়েছে ৷ সে বলল,
— ত্মম্ব৷ ৰললাম, আমরা আরব দেশীয় একদল লোক ৷ সে বলল, তোমাদের
ঐ ন্সীর খবর কী? আমরা ৰললাম, লোকেরা তার প্ৰতি ঈমান এসেছে, তড়াকে
তার! আনুগত্য ব্বহে ৷ সে বলল, তাই তাদের জন্য কল্যাণকর ৷ তারপর
আমরা তাকে তার খবর ৰললাম (যে তার পানি দিয়ে এখন
—! আ যে মন এমন জোরে লক্ষে দিল যে মনে হল যেন, দেয়াল টপকে

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.