buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort

আবু বকরের (রা) বাড়ির ঘটনা

অবশিষ্টাত্শ তার সকল প্রতিবেশীদের কাছে পাঠিয়ে দিলেন ৷ এভাবে আল্লাহ্ তাতে প্রভুত
বরকত ও কল্যাণ দান করলেন ৷ সনদ ও পাঠ বিবেচনায় এ হাদীসখড়ানিও গরীব পর্যায়ের ৷ আর
ইতিপুর্বে আমরা নবৃওয়াতের সুচনাকালের আলোচনা প্রসঙ্গে যখন এই আয়াত নাযিল হয়
আর আপনি আপনার নিকট আত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দিন ৷
হযরত আলীর সুত্রে ৱাবীআ ইবন মাজ্যিদর হাদীস উল্লেখ করেছি ৷ সে হাদীসের বিষয়বস্তু হল,
নবী করীম (সা) বনু হাশিমের চল্লিশ জনকে দাওয়াত করলেন ৷ তারপর একমুঠ পরিমাণ যব
থেকে প্রস্তুত খাবার তাদেরকে পরিবেশন করলেন ৷ তখন তারা খেয়ে তৃপ্ত হল এবং খাবারের
পরিমাণ পুর্বের মতই রয়ে গেল ৷ তিনি তাদেরকে একটি বড় পেয়ালা থেকে পান করালেন
তখন তারা তৃপ্ত হল এবং পেয়ালার পানি যেমন ছিল তেমনি রয়ে গেল ৷ এভাবে পর পর
তিনদিন করলেন এরপর তাদেরকে আল্লাহ্র দিকে আহ্বান করলেন, যেমনটি পুর্বে বিগত
হয়েছে ৷

নবী গৃহে সংঘটিত আরেকটি ঘটনা

ইমাম আহমাদ আলী ইবন আদিম সামুরা ইবন জুনদৃব (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে,
তিনি বলেছেন, একবার আমরা নবী করীম (না)-এর কাছে অবস্থান করছিলাম ৷ তখন তার
কাছে ছারীদপুর্ণ একটি খাঞ্চা আসল ৷ সামুরা (রা) বলেন, তখন তিনি খেলেন এবং তার সাথে
উপস্থিত সকলেই খেলেন ৷ এরপর তারা প্রায় যুহর নামায পর্যন্ত তা হাত বদল করতে
থাকলেন ৷ একদল খেয়ে উঠে যান তারপর আরেক দল এসে একের পর এক নিয়ে খেতে
থাকেন ৷ তখন এক ব্যক্তি সামুরা (রা)কে জিজ্ঞেস করল, তাতে কি (নতুন) খাবার সরবরাহ
করা হচ্ছিল ? তিনি বললেন, নিশ্চয়ই আসমান থেকে হচ্ছিল ৷ তারপর ইমাম আহমাদ ইয়াযীদ
ইবন হারুন সামুরা সুত্রে বর্ণনা করেন যে, একবার রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর কাছে ছারীদপুর্ণ
একটি খাঞ্চা আসল ৷ তখন ণ্লাকেবা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে তা খেতে লাগল ৷
একদল উঠে যায়, আরেক দল খেতে বসে ৷ তখন একব্যক্তি সামুরাকে বলল, তাকে কি
(নতুন) খাবার সরবরাহ করা হচ্ছিল ? তখন তিনি বললেন, তা হলে আর আশ্চর্য হওয়ার কী
আছে ? ওখান থেকেই তা সরবরাহ করা হচ্ছিল, একথা বলে তিনি আকাশের দিকে ইঙ্গিত
করলেন ৷ এছাড়া তিরমিযী ও নাসাঈও মু’তামির ইবন সুলায়মানের হাদীস সংগ্রহ থেকে
হযরত সামুরার বরাতে হাদীসখানি রিওয়ায়াত করেছেন ৷

আবু বকরের (রা) বাড়ির ঘটনা

সম্ভবত এটা হযরত সামুরার হাদীসে উল্লেখিত ঘটনড়াটিই ৷ আর আল্লাহ্ই সর্বাধিক জানেন ৷
বুখারী, মুসা ইবন ইসমাঈল আবদুর রহমান ইবন আবু বকর সুত্রে বর্ণনা করেন যে,
সুফ্ফাবাসীরা ছিলেন নিঃস্ব ও দজ্জি ৷ একবার নবী করীম (সা) বললেন, যার ঘরে দু’জনের
খাবার আছে, সে যেন তৃতীয়জনকে সাথে নিয়ে খায়, আর যার কাছে চারজনের খাবার আছে
সে যেন পঞ্চম বা ষষ্ঠত্তনেকে নিয়ে খায়, অথবা তিনি যেমন বলেছেন ৷ আর এডাবেআবু বকর
তিনজনকে নিয়ে আসলেন, আর নবী করীম (সা) দশজনকে নিয়ে ণ্গ্যলন ৷ আর আবু বকর
পরিবার ছিল তিনজনের তা হল আমি, আমার পিতা (আবু বকর) এবং আমার মাতা, আবু
উছমান বলেন, আমি জানিনা তিনি একথা বলেছেন কিনা আমাদের গৃহ এবং আবু বকরের
গুহ থেকে আমার শ্রী ও আমার দাসী ৷

এদিকে আবু বকর নবীর্জীর কাছে রাতের খাবার খেলেন ৷ তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে
ইশার নামায পড়ে ফিরে আসলেন ৷ এরপর ৱাসুলুল্লাহ্(সা)-এর রাতের খাবার খাওয়া পর্যন্ত
সেখানে অবস্থান করলেন ৷ অবণ্যেষ রাতের অনেকখানি অতিবাহিত হওয়ার পর নিজ বাড়িতে
ফিরে আসলেন ৷ তখন তার শ্রী বললেন, কিসে আপনাকে আপনার অতিথিদের অথবা অতিথি
থেকে আটকে ব্লেখেজ্জি ? তিনি বললেন, তুমি কি তাদেরকে এখনও রাতের খাবার দাওনি ?
তার শ্রী বললেন, আপনার আসার পুর্বে তারা খাবার গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ৷ সকলে
তাদের সামনে খাবার পেশ করেছে কিন্তু তারা তা গ্রহণ করেনি ৷ (আব্দুর রহমান বলেন) তখন
আমি গিয়ে লুকিয়ে থাকলাম ৷ তখন তিনি বললেন, হে পাজি! এছাড়া তিনি রাগারাগি ও
বকাবকি করলেন, এরপর তিনি অতিথিদের উদ্দেশ্যে বললেন, আপনারা খেয়ে নিন ৷ (অন্য
রিওয়ায়াতে আছে আপনারা অপেক্ষা করে ভাল করেননি) আরও বললেন, আমি আর খাব না,
আল্লাহ্র কসম৷ আমরা (সেই খাবার থেকে) যখনই একলােকমা নিচ্ছিলাম তখনই তার নিচ
থেকে তার চেয়ে বেশি পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছিল এমনকি তারা সকলে খেয়ে তৃপ্ত হলেন এবং
খাবার পুর্বের তুলনায় আরো বৃদ্ধি পেল ৷ তখন আবু বকর তাকিয়ে দেখলেন যে, তা পুর্বের
মতই কিৎবা তার চেয়ে অধিক ৷ তখন তিনি তার ত্রীকে বললেন, হে বানু ফিরাস গোত্রের
যেয়ে , এটা কী ? তিনি বললেন, আমার চোখের শপথ, এখন তাে তা পুর্বের চেয়ে তিন গুণ ৷
তখন আবু বকর (বা) তা থেকে খেয়ে বললেন,? আসলে তা (আমার শপথ) ছিল শয়তানের
প্ররোচনায় ৷ তারপর তিনি তা থেকে আরেক লোকমা খেয়ে তা নবী করীম (না)-এর কাছে
নিয়ে গেলেন ৷ তখন তা তার কাছে থাকল ৷ আমাদের ও এক গোত্রের মাঝে অনাক্রমণ চুক্তি
ছিল, তখন তার মেয়াদ শেষ হল ৷ তইি আমরা বারজনকে নেতা নির্ধারণ করলাম, যাদের
প্রত্যেকের সাথে কয়েকজন করে লোক ছিল প্রত্যেকের সাথে কতজন করে লোক ছিল তা
আল্লাহ্ই ভাল জানেন তবে তিনি তাদের সাথে এদেরকেও পাঠালেন ৷ আবদুর রহমান বলেন,
এরা সকলেই সেই খাবার থেকে (পেট ভরে) খেলেন এবং অন্যরাও খেলেন ৷ এরপর আমরা
বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলাম ৷ এটা বুখারীর পাঠ, তিনি তার সহীহ্ গ্রন্থের একাধিক স্থানে এটা উল্লেখ
করেছেন ৷ এছাড়া মুসলিম ও আবু উছমান আবদুর রহমান ইবন মুল সুত্রে আবদুর রহমান
ইবন আবু বকর থেকে তা রিওয়ায়াত করেছেন ৷

আবদুর রহমান ইবন আবু বকর সুত্রে পুর্বের সমার্থক আরেকটি হাদীস

ইমাম আহমদ, হাযিম আব্দুর রহমান ইবন আবু বকর সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি
বলেছেন, (একবার) আমরা একশ’ তিরিশ জন (লোক রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে ছিলাম ৷
তখন নবী করীম (সা) বললেন, তোমাদের কারো কাছে কি কোন খাবার আছে ? তখন দেখা
গেল, এক ব্যক্তির কাছে এক সা’ বা অনুরুপ পরিমাণ গমের আটা রয়েছে ৷ তখন তা দ্বারা
খামীর প্রস্তুত করা হল ৷ তারপর উসকো খুশকো চুলওয়ালা দীর্ঘকায় এক ঘুশরিক একপাল
মেষ হাকিয়ে নিয়ে উপস্থিত হল ৷ তখন নবী করীম (না) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এগুলি কি
বিক্রির জন্য না কি দান (অথবা তিনি বলেনহাদিয়া) সে বলল, বিক্রির জন্য ৷ তখন তিনি
তার নিকট থেকে একটি বকরী ক্রয় করলেন ৷ তারপর জবাই করে তা রান্নার ক্রা৷ প্রস্তুত করা
হল ৷ আর নবী করীষ্ম (সা) বকরীটির যকৃত ভুনা করার নির্দেশ দিলেন ৷ আব্দুর রহমান বলেন,

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It on Pinterest