ইবলীসের অন্যতম বংশ ধরের আগমন প্রসঙ্গ

আমানত যথাযথ পৌছিয়ে দিলে সে জন্য যে হলোঃ তোমার প্ৰতিও সালাম!” হাম৷ বলল, ইয়া
রাসুলাল্লাহ্ৰু ঘুস৷ (আ) যেমন করেছিলেন আপনিও আমার সাথে তেমন সদয় আচরণ করুন !
তিনি আমাকে তাওরাতের কিছু অং শ গ্রি ৷খিয়ে দিয়েছিলেন ৷

বর্ণনাকারী (উমর রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) তখন তাকে সুরা আল ওয়াকিয়া, আল
ঘুরসালড়াত, আনন্নাবা (আশা ইয়াতাসাআলুন) , আত তাকৰীর, সুরা ফালাক ও সুরা মাস এবং
সুরা ইখলাস শিখিয়ে দিলেন ৷

তারপর বললেন, হে হামা তোমার প্রয়োজনপ্তালার কথা আমাকে জানাবে এবং আমাদের
সাথে সাক্ষাত করতে ভুলবে না ৷ উমর (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর ওফাত পর্যন্ত যে আর
দ্বিতীয়বার আমাদের কাছে আসে নি ৷ এখনও সে বেচে আছে কিৎবা মারা গেছে তা আমরা
জানি না ৷

রিওয়ায়াত শেরে বায়হাকী (র) মন্তব্য করেছেন, (এ হাদীসের মধবেঃর্তী) রাৰী মুহাম্মদ ইবন
আবু মাশারষ্এর নিকট হতে শীর্ষস্থানীয় ইমামগণ রিওয়ড়ায়াত গ্রহণ করেছেন ৷ তবে হাদীসধেত্তাপণ
র্ভাকে দৃর্বল’ সাব্যস্ত করে থাকেন ৷ এ হাদীস তুলনামুলক অন্য একটি সরল সুত্রেও বর্ণিত হয়েছে ৷
অ্যাংাহ্ই সমধিক অবগত

দশম হিজরী সাল

খালিদ ইবনুল ওলীদ (বা) এর নড়াজরান অভিযান

ইবন ইসহাক বলেন, দশম হিজরীর রৰিউছণ্ছানী কি০ না জুমড়াদাল উলা মাসে রাসুলুল্লাহ্
(না) খালিদ ইবনুল ওলীদ (রা)-কে নাজরানের বনুল হারিছ ইবন কা ব-এর বিরুদ্ধে অভিযানে
পাঠালেন ৷ তিনি তাকে এ মর্মে নির্দেশ দিলেন যে, যুদ্ধ শুরু করার আগে তুমি তিন দিন
তাদেরকে ইসলামের প্ৰতি আহ্বান জানালে; তাতে তারা সাড়া দিলে তুমি তা গ্রহণ করবে;
অন্যথায় তাদের সাথে লড়াই করবে ৷ খালিদ (রা) বাহিনী সহকারে রওনা করে মন্তব্য পৌছে
গেলেন ৷ সেখানে পৌছে তিনি একদল সওয়ার পাঠিয়ে দিলেন, যায়৷ চারদিক ঘুরে ঘুরে এ
মর্মে ঘোষণা দিতে লাগল ৷ ৷ গ্লুা :১ ৷গ্লুপ্রুৰু৷ প্রুা৷ ৷গ্লুপ্রু ৷ লোক সকল! মুসলমান হয়ে যাও ,
শান্তি ও নিরড়াপদে থাকবে ৷ লোকেরা তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দিয়ে মুসলমান হতে লাগল ৷
ডারা যুদ্ধ না করে মুসলমান হয়ে গেলে সে ক্ষেত্রে প্রদত্ত রাসুলুল্লাহ্ (সা) এ র আদেশ
যুতাৰিক খ ৷লিদ (রা ) সেখানে অবস্থান করে তাদেরকে ইসলাম ণ্ার্স, আল্লাহ্র কিতাব ও তার
নবীর সুন্নাফ্তে তর শিক্ষা দিতে লাপলেন ৷

পরে খালিদ (রা) রাসুলুল্লাহৃ (না)-এর বরাবরে চিঠি লিখে পাঠালেনশ্ “বিসমিল্লাহির
রাহমানির রাহীম” আল্লাহ্র রাসুল নবী মুহাম্মদ (সা ) এর ররা র ক্ষুর খালিদ ইবনুল ওয়ালীদের
পক্ষ থেকে আসসালাঘু আলায়ক৷ ইয়৷ রাসুলুল্লাহ্ ওয়৷ বাহমাভুল্লাইি ওয়৷ রারাকাণ্ডু ৷ হ্৷ আমি
আপনার কাছে প্রশং স৷ করছি যে আল্লাহ্র যিনি ব্যতীত আর ণ্:ফা ৷ন ইলাহ্ নেই ৷৩ তারপর ইয়া
রাসুলুল্লাহ্৷ আল্লাহ্ আপনার প্রতি রহমত বর্যণ করুন ৷ আপনি আমাকে বনুল হা ৷রিছ ইবন কড়া র
এর উদ্দেশ্যে অভিযানে পাঠিয়েছিলেন এবং নির্দেশ দিয়েছিলেন ণ্ব্ানঃ আমি এখানে উপনীত
হয়ে প্রথমেই ৩ ৷ শে র ৩৷ ৷ এন্ম ণ না করে ণ্ডিগাদিণ য়াবত তাংদর ইসন্মি গ্রহণের দাওয়াত দেই

৫০ ৷ড়

এবং তারা মুসলমান হয়ে গেলে তা যেন আমি মেনে নেই এবং তাদেরকে ইসলামের মৌলিক
বিষয়াদি ও আল্লাহ্র কিতাব ও তার নবীর ঙ্গুব্লতের তালীম দেই; আর তারা ইসলাম গ্রহণে
অস্বীকৃতি হলে যেন তাদের সাথে যুদ্ধ করি ৷ সে মর্মে আমি এখানে উপনীত হয়ে আল্লাহ্ব
রাসুল (না)-এর নির্দেশ সৃতাৰিক তিনদিন যাবত তাদেরকে ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দেয়ার
ব্যবস্থা করেছি ৷ এ উদ্দেশ্যে আমি তাদ্যে৷ যাবে এ মর্মে ঘোষণা দেয়ার জন্য সওয়ড়ার দল
পাঠিয়েছি যে, হে হারিছ সম্প্রদায় ! তোমরা মুসলমান হয়ে যাও, শান্তি ও নিরাপত্তা পারে !
ফলে তারা প্রতিরোধ লড়াই না করে মুসলমান হয়ে গিয়েছে ৷ আমি এখন তাদের মাঝে
অবস্থান করে আল্লাহ্ তাদের জন্য যা যা আদেশ করেছেন আর আদেশ দিচ্ছি, আর আল্লাহ্
তাদের জন্য যা যা নিষেধ করেছেন তা থেকে তাদেরকে রাবণ করছি ৷ তাদেরকে ইসলামের
মৌলিক বিষয়াদি ও নবী করীম (না)-এর সুন্নাহ্ শিক্ষা দিচ্ছি ৷ যতক্ষণ না রাসুলুল্লাহ্ (সা)
আমাকে নতুন কোন কিছু লিখে পাঠাচ্ছেন ৷ ওয়াসুসালড়াঘু আলায়কা ইয়া রাসুলুল্লাহি ওয়া

রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারড়াকাতুহু ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এ চিঠির জবাবে তাকে লিখলেন

“ৰিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, আল্পাহ্র রাসুল নবী মুহাম্মদের পক্ষ থেকে ৰালিদ ইবনুল
ওয়ালীদের প্রতি, সালাযুন আলারকা, আমি তোমার কাছে সে আল্লাহ্র প্রশংসা কান্থি যিনি
ব্যতীত আর কোন ইলাহ্ সেই ৷ তারপর তোমার চিঠিসহ তোমার দুত এ মর্মে খবর নিয়ে
এসেছে যে, বনুল হারিছ ইবন কাবের সাথে তোমার যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তারা
ইসলাম গ্রহণ করেছে তথা ইসলাম গ্রহণের উদ্দেশ্যে তোমার দেয়া আহ্বক্রো তারা সাড়া
দিয়েছে এবং এ কথার সাক্ষ্য স্বীকৃতি দিয়েছে যে, এক আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন ইলাহ্ নেই
এবং মুহাম্মদ (সা) আল্লাহ্র ৰান্দা ও রাসুল ৷ অ্যাং আল্লাহ তীর হিদাব্লাত দিয়ে তাদের সুপথে
এসেছেন ৷ এখন তুমি তাদের (ভাল কাজে শুভ পরিণামের) সৃসত্বাদ দিতে থাক এবং ( মন্দ
পরিণাংমর ব্যাপারে) সতর্ক করতে থাক! আর (মথাসমর) তুমি চলে আসবে ও তোমার সাথে
তাদের প্রতিনিধি দল (নিয়ে) আসবে ৷ ওয়াসৃসালাযু আলারক৷ ওরা রাহমাভ্যুাহি ওয়া
বারাকাতুহু ৷ ”

সে মতে খালিদ (রা) রাসুলুল্লাহ্ (সা) সকাশে ফিরে এলেন ৷ তীর সাথে এলো বনুল হারিছ

ইবন কড়াব গোত্রের প্রতিনিধি দল ৷ দলের উল্লেখঘেগ্যে সদস্য ছিলেন কায়স ইবনুল হুসায়ন
যুল গুসৃসাহ্, ইয়াযীদ ইবন আবদুল মড়াদান১ , ইয়াযীদ ইবনুল সৃহাজ্জাল, আবদুল্লাহ্ ইবন কুরাদ

(কুযাদ) আম যিয়াদী, শাদ্দাদ ইবন উবায়দুল্লাহ্ আল কান্নানী ও আম্র ইব ন আবদৃল্লাহ্ আঘৃ
যাবাৰী প্রমুখ ৷ তারা রাসুলুল্লাহ্ (সা)এর সামনে উপস্থিত হলে তিনি তাদের দেখে বললেন-
এরা কােথাকার লোক ? মনে হয় যেন ভারতীয়
মানুষ! কেউ একজন বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ্! এরা বনৃল হারিছ ইবন কাব সম্প্রদায়ের লোক ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সামনে দাড়িয়ে তার তাকে সালাম করে বলল, আপনি আল্লাহর রাসুল
এবং এক আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন ইলাহ্ নেই ৷ ’ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন “আমিও সাক্ষ্য দেই যে, এক আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন ইলাহ্
নেই এবং আমি অড়াল্লাহ্র রাসুল ৷ পরে তিনি বললেন, ৷
তোমরা তো যে ধরনের লোক যাদের উত্তেজিত করা হলে তারা দুঃসাহসী হয়ে উঠে ৷ ’ এ
কথার জবাবে তারা নিরবতা অবলম্বন করল এবং তাদের কেউই তাকে জবাব দিল না ৷ তিনি
দ্বিতীয়বার কথাটির পুনরাবৃত্তি করলেন এবং তভীয়বার করার পরেও তাদের কেউ জবাব দিল
না ৷ তিনি চতুর্থবার কথাটির পুনরাবৃত্তি করলে ইয়াযীদ ইবন আবদুল মদোন বলল, জী হা, ইয়া
রাসুলাল্লাহ্! আমরা সে ধরনের লোকই যাদের উত্তেজিত করা হলে তারা দুঃসাহসী হয়ে এগিয়ে
যায় ৷ ইয়াযীদ৷ চ ৷রবার বলল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন-

খালিদ যদি আমাকে না লিখত যে তোমরা লড় ই না করেই ইসলাম গ্রহণ করেছ, তবে
তোমাদের মাথাওলেড়া তোমাদের পায়ের তলায় ফেলে দি৩ ৷ম ৷ ইয়াযীদ ইবন আবদুল মাদান
বলল, আল্লাহর কলম! আমরা আপনার ম্ভতি করি নি; খালিদেরও স্তুতি করি নি ৷ নবী করীম
(সা) বললেন, তবে ৫তড়ামরা কার স্তুতি করেছ? তারা বলল, ইয়া রাসুলুল্লাহ্!
আমরা তো আল্লাহ্র হামৃদ করেছি, যিনি আপনার মাধ্যমে আমাদের হিদায়াত করেছেন ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, ১ ণ্তামরা যথার্থ বলেছ ৷ তারপর বললেন,১ জাহিলী যুগে
’ তোমাদের সাথে লড়াই করতে আপমনকদ্বয়ীদের উপর তোমরা কিভাবে বিজয়ী হতে ? তারা
বলল, “আমরা তো কারো উপরে বিজয়ী হতাম না ৷” তিনি বললেন,২ অবশ্যই; তোমাদের
উপর আক্রমপকড়া রীদের উপর তোমরা অবশ্যই বিজয়ী হতে ৷ তারা বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ষ্
আমাদের সাথে যুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে আপ৩ তদের উপরে আমাদের বিজয়ী হওয়ার কা ৷রণ ছিল
এই যে, আমরা যুথবদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতাম, বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছিন্ন হতাম না এবং আমরা কখনো
কারো উপরে জুলুমের সুচনা করতাম না ৷ নবী করীম (সা) বললেন,সত্য বলেছ ৷
পরে তিনি কায়স ইবনুল হুসায়ন (রা)-কে তাদের আমীর ও গোত্রপতি মনোনীত করলেন ৷

ইব ন ইসহাক (র) বলেন, প্রতিনিধি দলটি শাওয়ালের শেষ ভাগে কিংবা যিলকদ মাসের
প্রথম ভাগে স্বগােত্রে ফিরে গেল ৷ তাদের চলে যাওয়ার পরে রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাদেরকে দীন ও
ঈমানের তালীম, সৃন্নাহ্ ও ধর্মীয় বিষয়াদিরশিক্ষাদান ও তাদের যাকাত উসুল করার উদ্দেশ্যে
অড়ামৃর ইবন হড়ায্ম (রা)কে সেখানে পড়াঠালেন ৷ তার সাথে একখানি লিপিকা দিলেন এবং

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.