রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

ইসমাঈল যাবীহুল্লাহ (আ)-এর ঘটনা

ইসমাঈল যাবীহুল্লাহ (আ)-এর ঘটনা

ইসমাঈল যড়াবীহুল্লাহ (আ) এর ঘটনা

আল্লাহর বাণীষ্ক
এবং সে বলল, আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চললাম, তিনি আমাকে অবশ্যই সৎপথে
পরিচালিত করবেন; হে আমার প্রতিপালর্ক ! আমাকে এক সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান কর ৷ ’
তারপর আমি তাকে এক স্থির-বুদ্ধি পুত্রের সুসংবাদ দিলাম ৷ অতঃপর সে যখন তার পিতার
সঙ্গে কাজ করার মত বয়সে উপনীত হল, তখন ইবরাহীম্ (আ) বলল, বৎস ! আমি স্বপ্নে দেখি
যে, তোমাকে যবেহ্ করছি; এখন তোমার অভিমত কি বল ? সে বলল, পিতা ! আপনি যাতে
আদিষ্ট হয়েছেন তাই করুন ৷ আল্লাহ ইচ্ছা করলে আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন ৷ ’ যখন
তারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করল এবং ইব্রাহীম তার পুত্রকে কাত করে শায়িত করল, তখন
আমি তাকে আহ্বান করে বললড়াম, ৫হ ইব্রাহীম! তুমি তো স্বপ্নড়াদেশ সত্যই পালন করলে!
এভ৷ ৷বেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি ৷ ’নিশ্চয়ই এ ছিল এক সুস্পষ্ট পরীক্ষা ৷
আমি তাকে মুক্ত করলাম এক মহান কুরবানীর বিনিময়ে ৷ আমি এটা পরবর্তীদের স্মরণে
রেখেছি ৷ ইবরাহীমের উপর শান্তি বর্ষিত হোক ৷ এভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত
করে থাকি ৷ সে ছিল আমার মুমিন বান্দাদের অন্যতম ! আমি তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলড়াম
ইসহাকের, সে ছিল এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম ৷ আমি তাকে বরকত দান করেছিলাম
এবং ইসহড়াককেও, তাদের বং শধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক নিজেদের প্রতি
স্পষ্ট অত্যাচারী ৷ (সুরা৪ সাফ্ফাতষ্ক ৯৯ ১১৩)

এখানে আল্লাহ বলছেন যে, তার একনিষ্ঠ বন্ধু নবী ইবরাহীম (আ) যখন নিজ সম্প্রদায় ও
জন্মভুমি ত্যাগ করে যান, তখন তিনি আল্লাহর নিকট একটি নেককার পুত্র সন্তান প্রার্থনা
করেন ৷ আল্লাহ তাকে একজন ধৈর্যশীল পুত্রের সুসংবাদ দান করেন ৷ তিনি হলেন ইসমাঈল
(আ) ৷ কেননা, তিনিই হলেন প্রথম পুত্র ৷ হযরত ইবরাহীম (আ) এর ছিয়াশি ৷রছর বয়সে তার
জন্ম হয় ৷ এ ব্যাপারে কোন মতভেদ নেই ৷ গ্যে র্ধ;হু র্দুৰুদ্ মোঃ (সে যখন তার পিতার
সাথে কাজ করার মত বয়সে উপনীত হল) অর্থাৎ যখন যুবক হল ও পিতার ন্যায় নিজের
কাজকর্ম করার বয়সে পৌছল ৷ ’ মুজাহিদ এর অর্থ করেছেন : সে যখন যুবক হল, স্বাধীনভাবে
পিতার ন্যায় চেষ্টা-সংপ্রাম ও কাজকর্ম করার উপযোগী হল ৷ যখন ইবরাহীম (আ) তার স্বপ্ন
থেকে বুঝতে পারলেন যে, আল্লাহ তার পুত্রকে যবেহ্ করার হুকুম দিয়েছেন ৷ হযরত ইবন
আব্বাস (রা) থেকে এক মারকু হাদীসে বর্ণিত হয়েছেশু ং ষ্১, ন্ড্রু১ ১৷ ! ৷ , , (নবীদের
স্বপ্ন ওহী) ৷ উবায়দ ইবন উমায়রও এ অভিমত ৩ব্যক্ত করেছেন ৷ এ নির্দেশ ছিল আল্লাহর পক্ষ
থেকে ইবরাহীম খলীলের প্রতি এক বিরাট পরীক্ষা ৷ কেননা, তিনি এই প্রিয় পুত্রটি পেয়েছিলেন

তার বৃদ্ধ বয়সে ৷ তাছাড়া এ শিশুপুত্র ও তার মাকে এক জনমানবহীন শুন্য প্রাম্ভরে রেখে
এসেছিলেন, যেখানে না ছিল কোন কৃষি ফসল, না ছিল তরুলতা ৷ ইবরাহীম খলীল (আ)
আল্লাহর নির্দেশ ৷পালন করলেন ৷ আল্লাহর উপর ভরসা রেখে তাদেরকে সেখানে রেখে আসেন ৷
আল্লাহ তাদেরকে মুক্তির ব্যবস্থা করলেন ৷ এমন উপায়ে পানাহারের ব্যবস্থা করে দিলেন, যা
ছিল তাদের ধারণাতীত ৷ এরপর যখন আল্লাহ এই একমাত্র পুত্রধনকে যবেহ্ করার নির্দেশ দেন,
তখন তিনি দ্রুত সে নির্দেশ পালনে এগিয়ে আসেন ৷ ইবরাহীম (আ ) এ প্রস্তাব তার পুত্রের
সামনে পেশ করেন ৷ যাতে এ কঠিন কাজ সহজভাবে ও প্রশান্ত চিত্তে করতে পারেন ৷ চাপ
প্রয়োগ করে ও বাধ্য করে যবেহ্ করার চাইতে এটা ছিল সহজ উপায় ৷

ইবরাহীম বলল, বৎ স ! আমি স্বপ্নে দেখি যে, তোমাকে আমি যবেহ্ করছি ৷ এখন

তোমার অভিমত কি বল ৷ ’ ধৈর্যশীল পুত্র পিতার নির্দেশ পালন করার জন্যে খুশী মনে প্রস্তাব
গ্রহণ করেন ৷ তিনি বললেন, হে আমার পিতা ! আপনি যে ব্যাপারে আদিষ্ট হয়েছেন তা-ই
করুন ৷ আল্লাহর ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীলই পাবেন ৷ এ জবাব ছিল চুড়ান্ত পর্যায়ের
আন্তরিকতার পরিচায়ক ৷ তিনি পিতার আনুগত্য ও আল্লাহর হুকুম পালনের পরাকাষ্ঠ৷ প্রদশ্নি
করেন ৷
আল্লাহ্ তা আলা বলেনং ,১১১১১ ধ্র্দুদ্বু, ৷১১৷ ৷শুএরু (যখন তারা ৷উভয়ে আনুগত্য

প্রকাশ করল এবং তার পুত্রকে কাত করে শুইয়ে দিল) ৷ এ আয়ড়াতাং শের কয়েকটি অর্থ বলা
হয়েছে; ( ১ ) তা বাউভয়ে আল্লাহর হুকুম পালনের উদ্দেশ্যে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন ও মনােবল
দৃঢ় করেন ৷ (২) এখানে পুর্বের কাজ পরে ও পরের কাজ পুর্বে বলা হয়ছে ৷ অর্থাৎ পিতা
ইবরাহীম (আ) পুত্র ইসমাঈল (আ) কে উপুড় করে শোয়ালেন ৷ (৩) ইবরাহীম (আ ) পুত্রকে
উপুড় করে শোয়ান এ জন্যে যে, যবেহ্ করার সময়ত তার চেহারার উপর যাতে দৃষ্টি না পড়ে ৷
ইবন আব্বাস (বা) , মুজ৷ ৷হিদ, সাঈদ ইবন জুবায়র, কাতাদা ও যাহ্হাক (র) এই মত পোষণ
করেন ৷ (৪) লম্বা ৷ভ৷ ৷বে চিত করে শায়িত করান, যেমন পশু যবেহ্ করার সময় শায়িত করান
হয় ৷ এ অবস্থায় কপালের এক অং শ মাটির সাথে লেগে থাকে ৷ ৷১া১৷ অর্থ ইবরাহীম (অ)
যবেহ্ করার জন্যে বিসমিল্লাহ্ ও আল্লাহু আকবর বলেন ৷ আর পুত্র মৃত্যুর জন্যে কলেমায়ে
শাহাদাত পাঠ করেন ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.