রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

এক নজরে নবম হিজ়রীর ঘটনাবলী

এক নজরে নবম হিজ়রীর ঘটনাবলী

উপলব্ধি হল যে, সমাৰেশে (মিনা-মুযদালিফায় সমবেত) সকলেই আরাফাতে প্রদত্ত আবু
বকর (রা)-এর অতিতাষণে উপস্থিত ছিল না ৷ তাই আমি যে আয়াতগুলো নিয়ে প্রতিটি র্তাবুতে
ঘুরে ঘুরে তা তাদের পড়ে গোনাতে লাখলাম ৷ তারপর আলী (রা) বললেন, (শেষের) এ
ঘটনার কারাণ আমার মনে হয় তোমাদের ধারণা জন্মেছে যে, এ ঘোষণা দেয়া হয়েছিল
দশই জিলহজ কুরবানীর দিনে; কিন্তু আসলে তা ছিল আরাফা দিবস ৯ই জিলহজ তারিখ ৷
আত্-তড়াফসীর এ পর্যায়ে চুড়ান্ত বিশ্নেবণধর্ষী আলোচনা করা হয়েছে এবং সেখানে হাদীস ও
আছারসমুহের (বাণীমালার) সনদ নিয়েও বিশদ আলোচনা করা হয়েছে ৷ সমস্ত প্রশংসা ও
অনুগ্রহ আল্পাহ্রই ৷

ওয়াকিদী (র) বলেন, মদীনা থেকে আবু বকর (রা)-এর সাথে তিনশ সাহাবীর একটি
জামাআত এ সফরে গিয়েছিলেন ৷ এদের মাঝে আবদুর রহমান ইবন আওফ (রা)-ও ছিলেন ৷
আবু বকর (রা) নিজে পড়াচঢি কুরবানীর উট নিয়েছিলেন; রাসুলুল্লাহ্ (সা) তীর হাতে
পাঠিয়েছিলেন ৰিশটি এবং পরে আলী (রা)-কে তীর পশ্চাতে পাঠালে আরজ’ নামক স্থানে
আলী (রা)এর সাথে মিলিত হলেন এবং হজ উপলক্ষে সমবেত জনতার সামনে (আরাফাতে)
সুরা তাওবার ঘোষণা প্রদান করলেন ৷

এক নজরে নবম হিজরীর ঘটনাবলী

এ বছর অর্থাৎ হিজরী নবম সালের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীর মাঝে রয়েছে তাবুক অভিযান
রজব মাসে; যার বিবরণ ৰিবৃত হয়েছে ৷ ওয়াক্কিদী (র)এর মতে এ বছরেই রজব মাসেই
আবিসিনীর রাজ (বর্তমান ইথিশুপিরা) নজ্যেশী (রা)-এর মৃত্যু হয় এবং রাসুলুল্লাহ্ (সা)
সাহাৰীগণের কাছে তার মৃত্যু সংবাদ পরিবেশন করেন ৷ এ বছরেরই শাবন্ন মাসে রাসুলুল্লাহ্
(সা) দৃহিতা উম্মু শো (বা) ইস্তিকাল করেন ৷ আসমা বিনৃত উমারস ও সাফিয়্যা ৰিনৃত
অৰেদুণ মুত্তালিব তাকে গোসল দেন ৷ মতান্তরে কতিপয় আনসারী মহিলা তাকে গোসল
দিয়েছিলেন; উম্মু আতিয়্যা (মা) ছিলেন যাদের অন্যতমা ৷

মন্তব্য : শেষোক্ত ঘটনাটি সহীহ্ গ্রন্থদ্বয় বুখারী, মুসলিম থেকেই প্রমাণিত ৷ এছাড়া
হাদীসে এ কথাও প্রড়ামাণ্যরুপে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী আলায়হিস সালাম যখন কন্যার জানাযার
নামায আদায় করে তাকে দাফন করতে মনস্থ করলেন, তখন বললেন, “আজ রাতে ত্রী
সহবাস করেছে এমন কেউ কবরে অবতরণ করবে না ৷ ফলে তার স্বামী উছমান (বা)
উল্লিখিত কারণে বিরত রইলেন এবং আবু তালহা আল-আনসারী (বা) তাকে কবরে নামালেন ৷
রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর এ বক্তব্যের লক্ষো উছমান (বা) না হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা বিদ্যমান,
বরং এ বক্তব্যের লক্ষ্য হবেন সাহাবী জামাআত্তের সে লোকেরা র্ষার৷ কবর খনন ও দাকনর্দ্ধ
কাফন ইত্যাদি কাজে অগ্রণী স্বেচ্ছাসেবকের ভুমিকা পালন করতেন ৷ যেমন আবু উবারদা,
আবু তালহা (রা) প্রমুখ ও র্তীদের সহযােগীবৃন্দ ৷ কাজেই রাসুল (সা)এর বক্তব্যের অন্তর্নিহিত
উদ্যেশ্য হল (মারা দাফন-কাফনের কাজে স্বেচ্ছাসেবা করে থাকে) সে লোকদের মাঝে যে
অন্য রাত্রিডে শ্রী সহবাস করে নি এমন নােকই কবরে অবতরণ করবে ৷ অতএব, উছমান (বা)
এ বক্তব্যের লক্ষ্য উপলক্ষ্য কিছুই নন এবং তীর বিরত থাকাকে উপরিউক্ত কারণে সাব্যস্ত করা

বর্ণনাকারীর নিজস্ব অভিমত মাত্রণ্ষ্ যার সম্ভাবনা ক্ষীণ (কেননা, সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী উছমান
(রা) এর কবরে অবতরণের প্রশ্নই নেই) ৷

কেননা, রাসুলদৃহিতা উম্মু কুলছুম ব্যতীত উছমান (রা)-এর অন্য কোন শ্রী থাকার তেমন
সম্ভাবনা নেই ৷ এ বছরই আয়লার রাজা, জারব৷ আর রুহবড়াসীরা এবং দুমাতুল জানদাল-এর
অধিকর্তারা সন্ধিবদ্ধ হয়, যথাস্থানে এ সরের বিবরণ প্রদত্ত হয়েছে ৷ এ বছরই একটি যুনাফিক
উপদলের নির্মিত মসজিদরুপী ষড়যস্তের আখড়া বিরার মসজিদ ধ্বংস করে দেয়া হয় এবং
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর নির্দেশে তা ভশ্মীতুত করা হয় ৷ এ বছরের রমযানে ছার্কীফের প্রতিনিধি
দল এসে স্বগােত্রের পক্ষে সন্ধিপত্র সাক্ষর করে নিরাপত্তার সনদ নিয়ে ফিরে যায় এবং লাত’
বিগহ ভেঙ্গে চুরমড়ার করা হয় ৷ একটু আগেই এর বিবরণ দেয়া হয়েছে ৷ এ বছরের শেষ ভাগে
ধরাপৃষ্ঠ থেকে বিদায় নেয় মুনাফিক প্রধান অতিশপ্ত’ আবদুল্লাহ ইবন উবাই ৷ এর কয়েক মাস
আগে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর তাবুক অবস্থানকালে (এ বিষয় সম্পৃক্ত হাদীস ও বর্ণনার প্রামাণ্যতা
সাপেক্ষে) মৃত্যুবরণ করেন ৷ মুআবিয়া ইবন মুআবিয়া আললায়হী কিৎবা আল ঘৃযানী (বা)
এবং রাসুলুল্লাহ্ (না) তার জানাযার ইমড়ামতি করেন ৷ এ বছরই আবু বকর (বা) রাসুল (সা)-
এর নির্দেশে মুসলিম জনতাকে নিয়ে (প্রথমবারের মত নিয়মিত) হল সম্পাদন করেন ৷

আর এ বছরই আরবের বিভিন্ন £গাত্রউপগােত্রের প্রতিনিধি দলসমুহের ব্যাপক আগমন
ঘটে ৷ যে কারণে “প্রতিনিধি দল বর্ষ’ নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে ৷ আমরা ইমাম বুখাৰী
(র) প্রমুখ-এর পদাঙ্ক অনুসরণে তাই এখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের আলোচনার জন্য একটি পুর্ণাঙ্গ ও
স্বতন্ত্র অধ্যায় সন্নিবেশিত করছি ৷

রাসুলুল্লাহ্ (না) সকাশে প্রতিনিধি দলসমুহের আগমন

মুহাম্মদ ইবন ইসহাক (র) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) মক্কা বিজয় সম্পন্ন করলেন, তাবুক
অভিযান থেকে অবসর হলেন, ছাকীফ গোত্রীয়রা আনুগত্যের বায়আত করল; তারপর শুরু হল
চারদিক থেকে আরবীয় প্রতিনিধি দলের আগমন ৷ ইবন হিশাম (র) বলেন, আবু উরায়দা
আমাকে বলেছেন যে, এসব ছিল নবম বর্ষে এবং এ বছরটিকে সানাতুল উফুদ’ বা
প্রতিনিধিদল বর্ষ’ নামে অভিহিত করা হয় ৷ ইবন ইসহাক (র) বলেন, আরব জাতি তাদের
ইসলামে দীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে এ কুরায়শ গোত্রটির পটপরিবর্তানর প্রতীক্ষায় ছিল ৷ কেননা,
কৃরড়ায়শই ছিল সকল গোত্রের পুরােধাও নিয়ন্ত্রক, হারাম শরীফ ও বায়তুল্লাহর সান্নিধ্যে
বসবাসকারী ইসমাঈল ইবন ইবরাহীম (আ)-এর প্রত্যক্ষ বংশধর ৷ আরব নেতৃত্বের এ
সত্যটিকে অস্বীকার করার জো ছিল না ৷ ওদিকে কৃরায়শীরাই রাসুলুল্লাহ (সা) এর বিকদ্ধাচরণ
ও তার সাথে লাগাতার সংঘর্ষের সুচনা করেছিল ৷ সুতরাং মক্কা বিজয় ও কুরায়শীদের জর
নিকট আত্মসমর্থ্যণর ফলে ও মক্কাবড়াসীরা ইসলামের পদানত হলে অন্যান্য আরবর৷ উপলব্ধি
করলো যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা)ন্এর সাথে শত্রুতা পোষণ এবং ৎঘাত ও যুদ্ধ জিইয়ে রাখার
সামর্থ্য আর তাদের নেই ৷ ফলে তারা দলে দলে (যেমন মহীয়ান আল্লাহ স্বয়ং ইরশাদ
করেছেন) আল্লাহর দীনে দাখিল হতে লাগল এবং চতুল্কি থেকে এ দীনের কেন্দ্রাতিমুখে
কাফেলাসমুহের আগমন শুরু হলো ৷ যেমনটি আল্লাহ তাআলা তার নবীর কাছে বিষয়টির
অবতারণা করেছেন-

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.