রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

এ সনের অন্যান্য ঘটনা

এ সনের অন্যান্য ঘটনা

অনেকগুণে ভাল ৷ আর যদি কুরায়শরা জয়লাভ করে, তাহলে আমরা যে তাদের সংগে আছি এটা
তো তারা জানেই ৷ তারা সমস্বরে বলল, এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত ৷ আমি আবার বললাম, চল
যাওয়ার কালে নাজ্জার্শীর দরবারে আমাদের দেশ হতে কিছু উপচৌকন নিয়ে যাই ৷ আমাদের দেশ
থেকে যেসব হাদিয়া সাধারণত ঐ দেশে যায় এগুলোর মধ্যে চামড়াই হল প্রধান ও তার কাছে
অতিপ্রিয় ৷ এই সিদ্ধান্ত মৃত তাবিক আমরা বহু চা ৷মড়৷ সংগ্রহ করলাম এবং বের হয়ে পড়লাম ও
নাজ্জাশীর ওখানেগ্ গিয়ে পৌছলাম ৷ আল্লাহর শপথ, আমরা যখন তার কাছে পৌছলাম, তখন
সেখানে ছিল আমর ইবন উমাইয়া আদ দিমারী ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)ত তাকে একটি পত্র সহকারে
নাজ্জাশীর নিকট প্রেরণ করেছিলেন তাতে আবু সুফিয়ান (রা) এর কন্যা উম্মে হাবীবার বিয়ের
প্রভাব ছিল ৷ তারপর তিনি নাজ্জাশীর কাছে গেলেন এবং পরে বের হয়ে আসলেন ৷ আমি আমার
সাথীদেরকে বললাম, ইনি হচ্ছেন আমর ইবন উমাইয়া আদ-দিমারী ৷ যদি আমি কিছুক্ষণ পুর্বে
নাজ্জাশীর কাছে প্রবেশ করতে পারতাম এবং তাকে বলতে পারতাম তাহলে তিনি তাকে আমার
হাতে সােপর্দ করতেন এবং আমি তাকে হত্যা করতে পারতাম ৷ যদি আমি তা করতে পারতাম ৷
তাহলে কুরায়শরা আমাদের প্রতি প্রসন্ন হত ৷ আমি তাদের থেকে বাহব৷ পেতাম এবং মুহাম্মাদের
দুতকে হত্যা করতে পারতাম ৷ এরপর আমি নাজ্জাশীর কাছে প্রবেশ করলাম এবং আমাদের প্রথা
অনুযায়ী তাকে সিজদা করলাম ৷ তিনি বললেন স্বাগতম স্বাগতম হে আমার বন্ধু ! তোমার দেশ
হতে কি কোন হাদিয়া নিয়ে এসেছ ? আমি বললাম, জী হ্যা রাজন ! আপনার জন্য অনেকগুলো
চামড়া হাদিয়া স্বরুপ নিয়ে এসেছি ৷ত তারপর এগুলো আমি তার কাছে পেশ করলাম ৷ তিনি
এগুলো খুবই পসন্দ করলেন এবং তার সভাসদদের মধ্যেও কিছুটা ভাগ করে দিলেন ৷ আর
বাকীগুলাে একটি স্থানে রাখতে বলেন এবং তালিকাভুক্ত করে সংরক্ষণের জন্যে নির্দেশ দিলেন ৷
যখন আমি তাকে পােশ মেজাষে দেখতে পেলাম তখন বললাম, রাজন ! আমি একটি লোককে
দেখতে পেলাম আপনার কাছ থেকে বের হয়ে গেল ৷ যে আমাদের শত্রুর দুত ৷ সেই শত্রু
আমাদের উপর যুলুম করেছে এবং আমাদের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গকে হত্যা করেছে ৷ তাই
লোকটাকে আমার হাতে তুলে দিন যাতে করে আমি তাকে হত্যা করতে পারি ৷ এ কথা শুনে
নাজ্জাশী রেগে গেলেন এবং আমার উপর হাত উঠালেন ৷ তিনি আমার নাকে এত জোরে আঘাত
করলেন যে, আমার মনে হয়েছিল যেন তা তে ঙ্গে গেছে ৷ নাক দিয়ে জোরে রক্ত পড়তে লাপল ৷
আর আমি আমার কাপড় দ্বারা তা মুছতে লাগলাম ৷ আমি এত অপমানিত বোধ করলাম যে, যদি
আমার জরু ন ভুমি বিদীর্ণ হয়ে যেত তাহলে আমি মাটির ভিতর ঢুকে পড়তাম ৷ এরপর আমি
বললাম, হে রাজন ! যদি আমি ধারণা করতে পারতাম যে, আমি যা “বলেছি তাতে আপনি ক্ষুদ্ধ
হবেন, তাহলে আমি কোনদিনও এ কথা মুখে উচ্চারণ করতাম না ৷ নাজ্জাশী তাতে একটু লজ্জিত
হলেন এবং বললেন, হে আমর ! তুমি আমার কাছে আবেদন করছ এমন লোকের দুতকে হত্যা
করার জন্যে, তোমার হাতে তুলে দেয়ার জন্যে যার কাছে নামুসে-আকবর’ আসা যাওয়া করেন ৷
যেমন৩ তিনি আসা যাওয়া করতেন হযরত মুসা (আ) এর কাছে এবং যিনি হযরত ৩ঈসা (আ) এর
কাছেও আসতেন ৷ আমর বলেন এরপর আল্লাহ তা মালা আমার অন্তরে যা কিছু ছিল তা
পরিবর্তন করে দিলেন ৷ আমি আমার নিজেকে সম্বোধন করে বলতে লাপলাম আরব ও অনারব
সকলেই যে সত্যটি উপলব্ধি করেছে তুমি তার বিরোধিতা করহু ৷ এরপর আমি বাদশাকে

বললাম, হে বাদশা, আপনি কি এটার সত্যতা সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছেন ? তিনি বললেন, “হীা, হে
আমর আমি এটা সম্পর্কে আল্লাহর কাছে সাক্ষ্য দিচ্ছি ৷ সুতরাং তুমি আমার অনুকরণ কর এবং
তার আনুগত্য স্বীকার করে নাও ৷ কেননা, আল্লাহ্র শপথ ! তিনি সত্যের উপর রয়েছেন ৷ আর
যারা তীর বিরোধিতা করছে তাদের উপর তিনি জয়লাভ করবেন ৷ যেমন মুসা (আ) ফিরআওন ও
তার সৈন্যদলের উপর জয়লাভ করেছিলেন ৷ আমি বললাম, আপনি কি আমার ইসলামের বায়আত
গ্রহণ করবেন ? তিনি বললেন, “হ্যা, এবং এ বলে তীর হ স্ত প্রসারিত করেন ৷ আর আমাকে
ইসলামের বাইয়াত গ্রহণ করান ৷ এরপর তিনি একটি চিলিমচী চেয়ে পাঠালেন এবং আমার রক্ত
ধুয়ে দিলেন ৷ আর আমাকে উত্তম জামা-কাপড় পরতে দিলেন ৷ আমার কাপড়গুলো রক্তে রঞ্জিত
হয়ে গিয়েছিল ৷ আমি সেগুলো ফেলে দিলাম ৷ এরপর আমি আমার সাথীদের কাছে ফিরে
আসলাম ৷ তারা আমার পরনে নাজ্জাশী প্রদত্ত জামাকাপড় দেখতে পেয়ে খুশী হলো এবং বললাে,
তুমি কি তোমার বন্ধুর নিকট কাত্তিক্ষত বন্তুটি হাসিল করতে পেরেছ ? উত্তরে আমি তাদেরকে
বললাম, “প্রথমবারে তীর কাছে এ ব্যাপারে কথা বলাটা ভাল মনে করিনি ৷ পুনরায় তার কাছে
যাব ৷” তারা বলল, “তুমি যা ভাল মনে করে তইি করবে ৷ এরপর আমি তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন
হয়ে পড়লাম ৷ মনে হচ্ছে যেন আমি অন্য কোন দরকাবে কােথায়ও যাচ্ছি ৷ সুতরাং আমি জাহাজ
ঘাটের দিকে অগ্নসর হলাম, লক্ষ্য করলাম একটি জাহাজ যাত্রীতে পুর্ণ হয়ে গেছে ও ছেড়ে
যাচ্ছে ৷ আমি যাত্রীদের সাথে জাহাজে উঠলাম ৷ মাল্লারা জাহাজ ছেড়ে দিল ৷ যখন তারা
দু’পাহাড়ের মধ্যবর্তী একটি অবতরণস্থলে পৌছলো তখন আমি জাহাজ থেকে অবতরণ করলাম ৷
আমার সাথে আমার পথ-খরচের অর্থরুসম্পদ ছিল ৷ আমি একটি উট খরিদ করলাম এবং মদীনায়
উদ্দেশ্যে বের হয়ে পড়লাম ৷ মার্কয যাহ্ৱান নামক স্থানে গিয়ে আমি পৌছলাম ৷ তারপরেও
চলতে লাগলাম ৷ যখন আল-হুদা নামক স্থানে পৌছলাম তখন দেখি দুই ব্যক্তি আমার কিছুক্ষণ
পুর্বে সেখানে পৌছেছে এবং সেখানে অবতরণের ইচ্ছা পোষণ করছে ৷ তাদের একজন তাবুর
ভিতরে প্রবেশ করেছে এবং অন্য একজন দুইটি যান বাহনকে ধরে রয়েছে ৷ এরপর আমি
তাকিয়ে দেখি খালিদ ইবন ওয়ালীদকে ৷ তীকে বললাম, “কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছ ?
সে বলল, “মুহাম্মাদের কাছে লোকজন ইসলাম গ্রহণ করে চলছে ৷ সুরুচিপুর্ণ কেউ একটা বাকী
নেই ৷ আল্লাহর শপথ ! যদি আমি নিক্রিয় থাকি তাহলে মুহাম্মাদ (সা) আমাদেরকে এমনভাবে
ধরবে, যেমন হায়েনাকে তার গুহায় আটক করা হয় ৷” আমি বললাম , আল্লাহ্র শপথ ! আমিও
মুহাম্মাদ (না)-এর উদ্দেশ্যে যেতে এবং ইসলাম গ্রহণ করতে চাই ৷ উছমান ইবন তালহা (রা)
তাবু থেকে বের হয়ে আমাকে স্বাগত জানালেন ৷ আমরা সকলেই এ মানযিলে অবতরণ ও
অবস্থান করলাম ৷ এরপর আমরা একত্রে মদীনায় আগমন করলাম ৷ মদীনায় আমরা যত লোকের
সাথে সাক্ষাত করেছি আবু উতবা এর ন্যায় আর কেউ আমাদেরকে এত উচ্চস্বরে স্বাগত
জানায়নি ৷ দেখামাত্র তিনি উচ্চস্বরে ইয়া রাবাহ ! ইয়া রাবাহ ! ইয়া রাবাহ ! স্বাগতঃ ধ্বনি বলতে
লাগলেন ৷ তীর কথায় আমরা শুভ লক্ষণ মনে করলাম এবং অত্যন্ত খুশী হলাম ৷ এরপর তিনি
আমাদের দিকে তাকালেন এবং তাকে বলতে শুনলাম ৷ তিনি বলছিলেন, “এ দুজনের ইসলাম
গ্রহণের পর নেতৃত্ব মক্কায় চলে যাচ্ছে ৷ এ দুজন দ্বারা আমাকে এবং খালিদ ইবন ওয়ালিদকে
বুঝাতে চেয়েছিলেন ৷ তখন তিনি দৌড়িয়ে মসজিদে চলে গেলেন ৷ আমি ধারণা করলাম যে,

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.