কুরআন কারীমের দু‘আসমূহ

কুরআন কারীমের দু‘আসমূহ। কতক্ষণই-বা লাগবে? এই দুই মিনিট? প্রতিদিন একবার পড়তে পারি না? মন খারাপ থাকলে, পেরেশানি লাগলে, ফেসবুকটা বেশি গিলে খেতে চাইলে, আল্লাহ তা‘আলার সাথে কথা বলতে চাইলে, একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারি না?

আচ্ছা, হাত উঠালে কারো কি দু‘আগুলো মুখস্থ একসাথে আসে? শুকরিয়াতান বলছি, আমার আসে। আলহামদুলিল্লাহ। প্রতিদিন অন্তত একবার পড়ারও তাওফীক হয়। ভোররাতে। মাদরাসার নিয়ম হিশেবে, বাধ্য হয়েই পড়তে হয়। আলহামদুলিল্লাহ।

أدعية من القرآن الكريم:

কুরআন কারীমের দু‘আসমূহ:

رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا ۖ إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ، وَتُبْ عَلَيْنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ

রব্বানা তাক্বব্বাল মিন্না ইন্নাকা আনতাছ-ছামীঊল আলীম,ওয়া-তুব আলাইনা ইন্নাকা আনতাত-তাওয়্যাবুর-রহীম।

(তারা দোয়া করেছিলঃ পরওয়ারদেগার! আমাদের থেকে কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ।)

[আল বাকারা-১২৭,১২৮]

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

রব্বানা আতিনা ফিদ-দুনইয়া হাছানাহ ওয়া-ফিল-আখিরতি হাছানাহ ওয়া-ক্বিনা আযাবন-নার।

(হে পরওয়ারদেগার! আমাদিগকে দুনয়াতেও কল্যাণ দান কর এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাদিগকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর।)

[আল বাকারা-২০১]

رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

রব্বানা আফরিগ্ব আলাইনা সবরাও ওয়া-ছাব্বিত আক্বদামানা ওয়ানসুরনা আলাল-ক্বওমিল কাফিরীন।

(হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের মনে ধৈর্য্য সৃষ্টি করে দাও এবং আমাদেরকে দৃঢ়পদ রাখ-আর আমাদের সাহায্য কর সে কাফের জাতির বিরুদ্ধে।)

[আল বাকারা-২৫০]

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ ۖ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا ۚ أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

রব্বানা লা তুআখিযনা ইন্না সীরা আও আখত’না, রব্বানা ওয়ালা তাহমিল আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহূ আলাল-লাযীনা মিন ক্ববলিনা,রব্বানা ওয়ালা-তুহাম্মিলনা মা লা তাক্বতা লানা বিহ,ওয়া’ফু আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা, আনতা মাওলানা ফানসুরনা আলাল-ক্বওমিল কাফিরীন।

(হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ, হে আমাদের প্রভূ! এবং আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের প্রভু। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কে সাহায্যে কর।)

[আল বাকারা-২৮৬]

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ

রব্বানা লা তুঝিগ ক্বুলূবানা বা’দা ইয হাদায়তানা ওয়া-হাবলানা মিন লাদুনকা র’হামাহ, ইন্নাকা আনতাল ওয়্যাহ-হাব।

(হে আমাদের পালনকর্তা! সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্যলংঘনে প্রবৃত্ত করোনা এবং তোমার নিকট থেকে আমাদিগকে অনুগ্রহ দান কর। তুমিই সব কিছুর দাতা।)

[আলি ইমরান-৮]

رَبَّنَا إِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوْمٍ لَّا رَيْبَ فِيهِ ۚ إِنَّ اللَّـهَ لَا يُخْلِفُ الْمِيعَادَ

রব্বানা ইন্নাকা জামিঊন-নাসি লিইয়াওমিল-লা রয়বাফীহ, ইন্নাল্লাহা লা ইউখলিফুল মী’আদ।

(হে আমাদের পালনকর্তা! তুমি মানুষকে একদিন অবশ্যই একত্রিত করবেঃ এতে কোনই সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর ওয়াদার অন্যথা করেন না।)

[আলি ইমরান-৯]

رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

রব্বানা ইন্নানা আমান্না ফাগ্বফি লানা যুনূবানা ওয়া ক্বিনা আযাবান্নার।

(হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের গোনাহ ক্ষমা করে দাও আর আমাদেরকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা কর।)

[আলি ইমরান-১৬]

رَبِّ هَبْ لِي مِن لَّدُنكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً ۖ إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاءِ

রব্বি হাবলী মিন লাদুনকা যুর্‌রিয়্যাতান তয়্যিবাহ,ইন্নাকা ছামীঊদ-দু’আ-।

(হে, আমার পালনকর্তা! তোমার নিকট থেকে আমাকে পুত-পবিত্র সন্তান দান কর-নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা শ্রবণকারী।)

[আলি ইমরান-৩৮]

رَبَّنَا آمَنَّا بِمَا أَنزَلْتَ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُولَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ

রব্বানা আমান্না বিমা আনঝালতা ওয়াত-তাবা’নার-রসূলা ফাকতুবনা মা’আশ্‌শাহিদীন।

(হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা সে বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি যা তুমি নাযিল করেছ, আমরা রসূলের অনুগত হয়েছি। অতএব, আমাদিগকে মান্যকারীদের তালিকাভুক্ত করে নাও।)

[আলি ইমরান-৫৩]

رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِي أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

রব্বানাগ্বফির লানা যুনূবানা ওয়া ইসরাফানা ফী আমরিনা ওয়া-ছাব্বিত আক্বদামানা ওয়ানসুরনা আলার-ক্বওমিল কাফিরীন।

(হে আমাদের পালনকর্তা! মোচন করে দাও আমাদের পাপ এবং যা কিছু বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে আমাদের কাজে। আর আমাদিগকে দৃঢ় রাখ এবং কাফেরদের উপর আমাদিগকে সাহায্য কর।)

[আলি ইমরান-১৪৭]

رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هَـذَا بَاطِلًا سُبْحَانَكَ فَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

রব্বানা মা খ্বলাক্বতা হাযা বাতিলান সুবহানাকা ফাক্বিনা আযাবান-নার।

(হে আমাদের পরওয়ারদেগার! এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করনি। সকল পবিত্রতা তোমারই, আমাদিগকে তুমি দোযখের শাস্তি থেকে বাঁচাও।)

[আলি ইমরান-১৯১]

رَبَّنَا إِنَّكَ مَن تُدْخِلِ النَّارَ فَقَدْ أَخْزَيْتَهُ ۖ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنصَارٍ

রব্বানা ইন্নাকা মান তুদখ্বিলান-নারা ফাক্বদ আখ্বযায়তাহ, ওয়ামা লিয-যালিমীনা মিন আনছ্বার।

(হে আমাদের পালনকর্তা! নিশ্চয় তুমি যাকে দোযখে নিক্ষেপ করলে তাকে সবসময়ে অপমানিত করলে; আর জালেমদের জন্যে তো সাহায্যকারী নেই।)

[আলি ইমরান-১৯২]

رَّبَّنَا إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي لِلْإِيمَانِ أَنْ آمِنُوا بِرَبِّكُمْ فَآمَنَّا ۚ رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الْأَبْرَارِ

রব্বানা ইন্নানা সামি’না মুনাদিয়াই-ইউনাদী লিল-ঈমানি আন আ-মিনূ বিরব্বিকুম ফাআ-মান্না, রব্বানা ফাগ্বফির লানা ওয়া কাফ্ফির আন্না সাইয়িআ-তিনা ওয়া তাওয়াফ্ফানা মাআল-আবরার।

(হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিশ্চিতরূপে শুনেছি একজন আহবানকারীকে ঈমানের প্রতি আহবান করতে যে, তোমাদের পালনকর্তার প্রতি ঈমান আন; তাই আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের পালনকর্তা! অতঃপর আমাদের সকল গোনাহ মাফ কর এবং আমাদের সকল দোষত্রুটি দুর করে দাও, আর আমাদের মৃত্যু দাও নেক লোকদের সাথে।)

[আলি ইমরান-১৯৩]

رَبَّنَا وَآتِنَا مَا وَعَدتَّنَا عَلَىٰ رُسُلِكَ وَلَا تُخْزِنَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ ۗ إِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيعَادَ

রব্বানা ওয়া আ-তিনা মা ওয়া’আত্তানা আলা রুসুলিকা ওয়া লা তুখ্বঝিনা ইয়াওমাল-ক্বিয়ামাহ, ইন্নাকা লা- তুখ্বলিফুল-মী’আদ।

(হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে দাও, যা তুমি ওয়াদা করেছ তোমার রসূলগণের মাধ্যমে এবং কিয়ামতের দিন আমাদিগকে তুমি অপমানিত করো না। নিশ্চয় তুমি ওয়াদা খেলাফ করো না।)

[আলি ইমরান-১৯৪]

رَبَّنَا أَخْرِجْنَا مِنْ هَـذِهِ الْقَرْيَةِ الظَّالِمِ أَهْلُهَا وَاجْعَل لَّنَا مِن لَّدُنكَ وَلِيًّا وَاجْعَل لَّنَا مِن لَّدُنكَ نَصِيرًا

রব্বানা আখ্বরিজনা মিন হাযিহিল-ক্বরইয়াতিয-যালিমি আহলুহা ওয়াজ’আল লানা মিন লাদুনকা ওয়া লিয়্যাও ওয়াজ’আল লানা মিন লাদুনকা নাসীরা।

(হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদিগকে এই জনপদ থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে, অত্যাচারী! আর তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও।)

[আন নিসা-৭৫]

رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ

রব্বানা যলামনা আনঁফুসানা ওয়া ইন লাম তাগ্বফির লানা ওয়া তার’হামনা লা-নাকূনান্না মিনাল-খ্বাসিরীন।

(হে আমাদের পালনকর্তা আমরা নিজেদের প্রতি জুলম করেছি। যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন, তবে আমরা অবশ্যই অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যাব।)

[আল আ’রাফ-২৩]

ۚ رَبَّنَا افْتَحْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ قَوْمِنَا بِالْحَقِّ وَأَنتَ خَيْرُ الْفَاتِحِينَ

রব্বানাফ-তা’হ বাইনানা ওয়া বাইনা ক্বওমিনা বিল-’হাক্ব্বি ওয়া আনতা খ্বইরুল-ফাতি’হীন।

(হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের ও আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে ফয়সালা করে ছিল যথার্থ ফয়সালা। আপনিই শ্রেষ্টতম ফসলা ফয়সালাকারী।)

[আল আ’রাফ-৮৯]

رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَتَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ،

أَنتَ وَلِيُّنَا فَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا ۖ وَأَنتَ خَيْرُ الْغَافِرِينَ

রব্বানা আফরিগ্ব আলাইনা স্ববরাওঁ ওয়া তাওয়াফ্ফানা মুসলিমীন, আনতা ওয়ালিয়্যুনা ফাগ্বফির লানা ওয়ার-’হামনা, ওয়া আনতা খ্বইরুল-গ্বাফিরীন।

(হে আমাদের পরওয়ারদেগার আমাদের জন্য ধৈর্য্যের দ্বার খুলে দাও এবং আমাদেরকে মুসলমান হিসাবে মৃত্যু দান কর।

তুমি যে আমাদের রক্ষক-সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও এবং আমাদের উপর করুনা কর। তাছাড়া তুমিই তো সর্বাধিক ক্ষমাকারী।)

[আল আ’রাফা-১২৬,১৫৫]

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلْقَوْمِ الظَّالِمِينَ

وَنَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

রব্বানা লা তাজ’আলনা ফিতনাতাল-লিল-ক্বওমিয-যালিমীন ওয়া নাজ্জিনা বির’হমাতিকা মিনাল-ক্বওমিল-কাফিরীন।

(হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের উপর এ জালেম কওমের শক্তি পরীক্ষা করিও না।

আর আমাদেরকে অনুগ্রহ করে ছাড়িয়ে দাও এই কাফেরদের কবল থেকে।)

[ইউনুছ-৮৫,৮৬]

رَبَّنَا إِنَّكَ آتَيْتَ فِرْعَوْنَ وَمَلأهُ زِينَةً وَأَمْوَالاً فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا رَبَّنَا لِيُضِلُّواْ عَن سَبِيلِكَ رَبَّنَا اطْمِسْ عَلَى أَمْوَالِهِمْ وَاشْدُدْ عَلَى قُلُوبِهِمْ فَلاَ يُؤْمِنُواْ حَتَّى يَرَوُاْ الْعَذَابَ الأَلِيمَ

রব্বানা ইন্নাকা আতাইতা ফির’আউনা ওয়া-মালাআহূ ঝীনাতাওঁ-ওয়াআমওয়ালান ফিল-হায়াতিদ্দুনইয়া, রব্বানা লি-ইউদ্বিল্লূ ‘আনঁ সাবীলিকা রব্বানাত্বমিস ‘আলা আমওয়ালিহিম ওয়া-শদুদ ‘আলা ক্বুলূবিহিম ফা-লা ইউ’মিনূ ‘হাত্তা ইয়ারাওল ‘আযাবাল আলীম।

(হে আমার পরওয়ারদেগার, এ জন্যই যে তারা তোমার পথ থেকে বিপথগামী করব! হে আমার পরওয়ারদেগার, তাদের ধন-সম্পদ ধ্বংস করে দাও এবং তাদের অন্তরগুলোকে কাঠোর করে দাও যাতে করে তারা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমান না আনে যতক্ষণ না বেদনাদায়ক আযাব প্রত্যক্ষ করে নেয়।)

[ইউনুছ-৮৮]

رَبِّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أَسْأَلَكَ مَا لَيْسَ لِي بِهِ عِلْمٌ ۖ وَإِلَّا تَغْفِرْ لِي وَتَرْحَمْنِي أَكُن مِّنَ الْخَاسِرِينَ

রব্বি ইন্নী আ’ঊযু বিকা আন আসআলাকা মা লাইসা লী বিহী ‘ইল্‌ম্, ওয়া ইল্লা তাগ্বফিরলী ওয়া তার’হামনী আকুমঁ মিনার-খ্বাসিরীন।

(হে আমার পালনকর্তা আমার যা জানা নেই এমন কোন দরখাস্ত করা হতে আমি আপনার কাছেই আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আপনি যদি আমাকে ক্ষমা না করেন, দয়া না করেন, তাহলে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হব।)

[হূদ-৪৭]

رَبِّ أَنتَ وَلِيِّي فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ ۖ تَوَفَّنِي مُسْلِمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ

রব্বি আনঁতা ওয়া লিয়্যী ফিদ-দুনইয়া ওয়াল-আখ্বিরাহ, তাওয়াফ্ফানী মুসলিমাওঁ ওয়া আল’হিক্বনী বিস্ব-স্বালি’হীন।

(হে পালনকর্তা আপনি আমাকে রাষ্ট্রক্ষমতাও দান করেছেন এবং আমাকে বিভিন্ন তাৎপর্য সহ ব্যাখ্যা করার বিদ্যা শিখিয়ে দিয়েছেন। হে নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলের স্রষ্টা, আপনিই আমার কার্যনির্বাহী ইহকাল ও পরকালে। আমাকে ইসলামের উপর মৃত্যুদান করুন এবং আমাকে স্বজনদের সাথে মিলিত করুন।)

[ইউছুফ-১০১]

رَبَّنَا إِنَّكَ تَعْلَمُ مَا نُخْفِي وَمَا نُعْلِنُ ۗ وَمَا يَخْفَىٰ عَلَى اللَّـهِ مِن شَيْءٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ

রব্বানা ইন্নাঁকা তা’লামু মা নুখ্বফী ওয়া মা নু’লিন, ওয়া ইয়াখ্বফা ‘আলা-ল্লাহি মিন শাইইন ফিল-আরদ্বি ওয়া লা ফিস্সামা।

(হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি তো জানেন আমরা যা কিছু গোপনে করি এবং যা কিছু প্রকাশ্য করি। আল্লাহর কাছে পৃথিবীতে ও আকাশে কোন কিছুই গোপন নয়।)

[ইব্‌রাহীম-৩৮]

رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ،

رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ

রব্বিজ’আলনী মুক্বীমাস্ব-স্বালাতি ওয়া মিন যুররিয়্যাদী, রব্বানা ওয়া তাক্বব্বাল দু’আ, রব্বানাগ্বফিরলী ওয়া লিওয়া-লিদাইয়া ওয়া-লিল মু’মিনীনা ইয়াওমা ইয়াক্বূমুল-’হিসাব।

(হে আমার পালনকর্তা, আমাকে নামায কায়েমকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্যে থেকেও। হে আমাদের পালনকর্তা, এবং কবুল করুন আমাদের দোয়া।

হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করুন, যেদিন হিসাব কায়েম হবে।)

[ইব্‌রাহীম-৪০,৪১]

رَّبِّ أَدْخِلْنِي مُدْخَلَ صِدْقٍ وَأَخْرِجْنِي مُخْرَجَ صِدْقٍ وَاجْعَل لِّي مِن لَّدُنكَ سُلْطَانًا نَّصِيرًا

রব্বি আদখ্বিলনী মুদখ্বলা স্বিদক্বিওঁ ওয়া আখ্বরিজনী মুখ্বরজা স্বিদক্বিওঁ ওয়াজ’আললী মিন লাদুনঁকা সুলতানান-নাস্বীরা।

(হে পালনকর্তা! আমাকে দাখিল করুন সত্যরূপে এবং আমাকে বের করুন সত্যরূপে এবং দান করুন আমাকে নিজের কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় সাহায্য।)

[আল-ইসরা/বানী ইসরাঈল-৮০]

رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا،

রব্বানা আ-তিনা মিন লাদুনঁকা র’হমাতাওঁ ওয়া হাইয়ি’ লানা মিন আমরিনা রশাদা।

(হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে নিজের কাছ থেকে রহমত দান করুন এবং আমাদের জন্যে আমাদের কাজ সঠিকভাবে পূর্ণ করুন।)

[আল কাহ্‌ফ্-১০]

رَبِّ إِنِّي وَهَنَ الْعَظْمُ مِنِّي وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ شَيْبًا وَلَمْ أَكُن بِدُعَائِكَ رَبِّ شَقِيًّا

রব্বি ইন্নী ওয়াহানাল-’আয্বমু মিন্নী ওয়াশ-তা’আলার-রা’সু শাইবাওঁ ওয়া লাম আকুমঁ বিদা’আইকা রব্বি শাক্বিয়্যা।

(হে আমার পালনকর্তা! আপনাকে ডেকে আমি কখনও বিফলমনোরথ হইনি।)

[মারইয়াম-৪]

رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي ﴿٢٥﴾

وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي ﴿٢٦﴾

وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِّن لِّسَانِي ﴿٢٧﴾ يَفْقَهُوا قَوْلِي،

رَبُّنَا الَّذِي أَعْطَى كُلَّ شَيْءٍ خَلْقَهُ ثُمَّ هَدَى

رَّبِّ زِدْنِي عِلْمًا

রব্বিশ-র’হলী স্বদরী, ওয়া ইয়াস্সিরলী আমরী, ওয়া’হলুল ‘উক্বদাতামাঁ মিল্লিসানী, ইয়াফক্বহূ ক্বওলী, রব্বি ঝিদনী ‘ইলা।

(মূসা বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন।

এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।

এবং আমার জিহবা থেকে জড়তা দূর করে দিন। যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।

আমাদের পালনকর্তা তিনি, যিনি প্রত্যেক বস্তুকে তার যোগ্য আকৃতি দান করেছেন, অতঃপর পথপ্রদর্শন করেছেন।

হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।)

[ত্বাহা-২৫…২৮,৫০,১১৪]

لا إلهَ إلا أنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظّالِمِيْنَ

লা ইলাহা ইল্লা আনঁতা সুব’হানাকা ইন্নী কুনঁতু মিনায-যালিমীন।

(তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তুমি নির্দোষ আমি গুনাহগার।)

[আন্মঁবিয়া-৮৭]

رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ

রব্বি লা তাযারনী ফারদাওঁ ওয়া আনতা খ্বইরুল-ওয়ারিছীন।

(হে আমার পালনকর্তা আমাকে একা রেখো না। তুমি তো উত্তম ওয়ারিস।)

[আন্মঁবিয়া-৮৯]

أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ

ইন্নী মাস্সানিয়াদ-দ্বুর্রু ওয়া আনঁতা আর’হামুর-রা’হিমীন।

(আমি দুঃখকষ্টে পতিত হয়েছি এবং আপনি দয়াবানদের চাইতেও সর্বশ্রেষ্ট দয়াবান।)

[আন্মঁবিয়া-৮৩]

رَّبِّ أَنزِلْنِي مُنزَلًا مُّبَارَكًا وَأَنتَ خَيْرُ الْمُنزِلِينَ

রব্বি আনঁঝিলনী মুনঁজালাম-মুবারকাওঁ ওয়া আনঁতা খ্বইরুল-মুনঝিলীন।

(হে আমার পালনকর্তা, আমাকে কল্যাণকর ভাবে নামিয়ে দাও, তুমি শ্রেষ্ঠ অবতারণকারী।)

[আল মু’মিনূন-২৯]

رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ

وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ

রব্বি আ’ঊযু বিকা মিন হামাঝাতিশ-শায়তানি ওয়া আ’ঊযু বিকা রব্বি আনঁ ইয়া’হদ্বুরূন।

(হে আমার পালনকর্তা! আমি শয়তানের প্ররোচনা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি

এবং হে আমার পালনকর্তা! আমার নিকট তাদের উপস্থিতি থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি।)

[আল মু’মিনূন-৯৭,৯৮]

رَبَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ

রব্বানা আ-মান্না ফাগ্বফির লানা ওয়ার’হামনা ওয়া আনঁতা খ্বইরুল-রা’হিমীন।

(হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। অতএব তুমি আমাদেরকে ক্ষমা কর ও আমাদের প্রতি রহম কর। তুমি তো দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু।)

[আল মু’মিনূন-১০৯]

رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ ۖ إِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا

রব্বানাস্বরিফ ‘আন্না ‘আযাবা জাহান্নাম, ইন্নাঁ ‘আযাবাহা কানা গ্বরামা।

(হে আমার পালনকর্তা, আমাদের কাছথেকে জাহান্নামের শাস্তি হটিয়ে দাও। নিশ্চয় এর শাস্তি নিশ্চিত বিনাশ😉

[আল ফুরক্বান-৬৫]

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

রব্বানা হাব লানা মিন আঝওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা ক্বুর্রতা আ’য়ুনিওঁ ওয়াজ’আলনা লিল-মুত্তাক্বীনা ইমামা।

(হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর।)

[আল ফুরক্বান-৭৪]

رَبِّ هَبْ لِي حُكْمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ

وَاجْعَل لِّي لِسَانَ صِدْقٍ فِي الْآخِرِينَ

وَاجْعَلْنِي مِن وَرَثَةِ جَنَّةِ النَّعِيمِ

وَلَا تُخْزِنِي يَوْمَ يُبْعَثُونَ

يَوْمَ لَا يَنفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ

الَّا مَنْ أَتَى اللَّـهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ

রব্বি হাবলী ‘হুকমাওঁ ওয়া আল’হিক্বনী বিস্ব-স্বালি’হীন

ওয়াজ’আললী লিসানা স্বিদক্বিন ফিলআ-খিরীনা

ওয়াজ’আনী মিনওঁ ওয়ারছাতি জান্নাতিনঁ-নাঈম

ওয়া লা তুখ্বঝিনী ইয়াও ইউব’আছূনা

ইয়াওমা লা ইয়ানঁফা’উ মালুওঁ ওয়া লা বানূন

ইল্লা মান আতাল্লাহা বিক্বলবিন সালীম।

(হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রজ্ঞা দান কর এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত কর

এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর।

এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর।

এবং পূনরুত্থান দিবসে আমাকে লাঞ্ছিত করো না,

যে দিবসে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন উপকারে আসবে না;

কিন্তু যে সুস্থ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে।)

[আশ শু’আরা-৮৩,৮৪,৮৫,৮৭,৮৮,৮৯]

رَّبَّنَا اكْشِفْ عَنَّا الْعَذَابَ إِنَّا مُؤْمِنُونَ

রব্বানাকশিফ ‘আন্নাল-’আযাবা ইন্নাঁ মু’মিনূন।

(হে আমাদের পালনকর্তা আমাদের উপর থেকে শাস্তি প্রত্যাহার করুন, আমরা বিশ্বাস স্থাপন করছি।)

[আদ-দুখান-১২]

رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِي أَنْعَمْتَ عَلَيَّ وَعَلَىٰ وَالِدَيَّ وَأَنْ أَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضَاهُ وَأَصْلِحْ لِي فِي ذُرِّيَّتِي ۖ إِنِّي تُبْتُ إِلَيْكَ وَإِنِّي مِنَ الْمُسْلِمِينَ

রব্বি আওঝি’নী আন আশকুরা নি’মাতাকাল্লাতী আন’আমতা ‘আলাইয়া ওয়া ‘আলা ওয়ালিদাইয়া ওয়া আন আ’মালা স্বালি’হান তারদ্বাহু ওয়া আস্বলি’হ লী ফী যুররিয়্যাতী, ইন্নীঁ তুবতু ইলাইকা ওয়া ইন্নীঁ মিনাল-মুসলিমীন।

(হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এরূপ ভাগ্য দান কর, যাতে আমি তোমার নেয়ামতের শোকর করি, যা তুমি দান করেছ আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীয় সৎকাজ করি। আমার সন্তানদেরকে সৎকর্মপরায়ণ কর, আমি তোমার প্রতি তওবা করলাম এবং আমি আজ্ঞাবহদের অন্যতম।)

[আল আ’হক্বাফ-১৫]

رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْإِيمَانِ وَلَا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلًّا لِّلَّذِينَ آمَنُوا رَبَّنَا إِنَّكَ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ

রব্বানাগ্বফির লানা ওয়া লি ইখ্বওয়ানিনা-ল্লাযীনা সাবাক্বূনা বির-ঈমানি ওয়া লা তাজ’আলনা ফী ক্বুলুবিনা গ্বিল্লাল লিল্লাযীনা আমানূ রব্বানা ইন্নাঁকা রঊফুর-র’হীম।

(হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে এবং ঈমানে আগ্রহী আমাদের ভ্রাতাগণকে ক্ষমা কর এবং ঈমানদারদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রেখো না। হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি দয়ালু, পরম করুণাময়।)

[আল ‘হাশ্‌র্-১০]

رَّبَّنَا عَلَيْكَ تَوَكَّلْنَا وَإِلَيْكَ أَنَبْنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ،

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلَّذِينَ كَفَرُوا وَاغْفِرْ لَنَا رَبَّنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

রব্বানা ‘আলাইকা তাওয়াক্কালনা ওয়া ইলাইকা আনাবনা ওয়া ইলাইকাল-মাস্বীন, রব্বানা লা তাজ’আলনা ফিতনাতাল-লিল্লাযীনা কাফারূ ওয়াগ্বফির লানা রব্বানা, ইন্নাঁকা আনঁতাল ‘আঝীঝুল-’হাকীম।

(হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা তোমারই উপর ভরসা করেছি, তোমারই দিকে মুখ করেছি এবং তোমারই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তন।

হে আমাদের পালনকর্তা! তুমি আমাদেরকে কাফেরদের জন্য পরীক্ষার পাত্র করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের ক্ষমা কর। নিশ্চয় তুমি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।)

[আল মুমতা’হিনা-৪,৫]

رَبَّنَا أَتْمِمْ لَنَا نُورَنَا وَاغْفِرْ لَنَا ۖ إِنَّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ،

رَبِّ ابْنِ لِي عِندَكَ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ وَنَجِّنِي مِن فِرْعَوْنَ وَعَمَلِهِ وَنَجِّنِي مِنَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ

রব্বা আতমিম লানা নূরনা ওয়াগ্বফির লানা,ইন্নাঁকা ‘আলা কুললি শাইইন ক্বদীর,রব্বিবনি লী ‘ইনদাকা বাইতানা ফিল-জান্নাঁতি ওয়া নাজ্জিনী মিন ফির’আউনা ওয়া ‘আমালিহী ওয়া নাজ্জিনী মিনাল-ক্বওমিয-য্বালিমীন।

(হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের নূরকে পূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি সবকিছুর উপর সর্ব শক্তিমান।

হে আমার পালনকর্তা! আপনার সন্নিকটে জান্নাতে আমার জন্যে একটি গৃহ নির্মাণ করুন, আমাকে ফেরাউন ও তার দুস্কর্ম থেকে উদ্ধার করুন এবং আমাকে যালেম সম্প্রদায় থেকে মুক্তি দিন।)

[আত-তা’হরীম-৮,১১]

رَّبِّ لَا تَذَرْ عَلَى الْأَرْضِ مِنَ الْكَافِرِينَ دَيَّارًا

إِنَّكَ إِن تَذَرْهُمْ يُضِلُّوا عِبَادَكَ وَلَا يَلِدُوا إِلَّا فَاجِرًا كَفَّارًا

রব্বি লা তাযার ‘আলাল-আরদ্বি মিনাল-কাফিরীনা দাইয়ারা, ইন্নাকা ইনঁ তাযারহুম ইউদ্বিল্লূনা ’ইবাদাকা ওয়া লা ইয়ালিদূনা ইল্লা ফাজিরানঁ কাফ্ফারা।

(হে আমার পালনকর্তা, আপনি পৃথিবীতে কোন কাফের গৃহবাসীকে রেহাই দিবেন না।

যদি আপনি তাদেরকে রেহাই দেন, তবে তারা আপনার বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করবে এবং জন্ম দিতে থাকবে কেবল পাপাচারী, কাফের।)

[নূ’হ-২৬,২৭]

رَّبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِيَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَلَا تَزِدِ الظَّالِمِينَ إِلَّا تَبَارًا

রব্বিগ্বফির লী ওয়া লিওয়ালিদাইয়া ওয়া লিমান দাখ্বালা বাইতী ওয়া লিল-মু’মিনীনা ওয়া-মু’মিনাতি ওয়া লা তাঝিদিয্বয্বালিমীনা ইল্লা তাবারা-।

(হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যারা মুমিন হয়ে আমার গৃহে প্রবেশ করে-তাদেরকে এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে ক্ষমা করুন এবং যালেমদের কেবল ধ্বংসই বৃদ্ধি করুন।)

[নূ’হ-২৮]

নোটিশ: আপনি কি ব্লগ কিংবা ফেসবুকে ইসলাম এবং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করতে আগ্রহী? তাহলে আপনার লেখা পাঠিয়ে দিন আমাদের কাছে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজে মেসেজ দিন। ধন্যবাদ

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It on Pinterest

Share This