রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

খালিদ ইবন সুফিয়ান হুযালনী হত্যার ঘটনা

খালিদ ইবন সুফিয়ান হুযালনী হত্যার ঘটনা

আমি বলি, হতে পারে আবন্মোহ্ ইবন আতীক যখন সিড়ি থেকে পড়ে যান তখন তার পায়ের
জোড়া স্থানচ্যুত হয় , গোড়ালি ভেঙ্গে যায় এবং পায়েও মােচড় লাগে; কিন্তু যখন তা বেধে দেয়া
হয় তখন ব্যথা দুর হয়ে যায় এবং চলাচলে আর কোন কষ্ট অবশিষ্ট থাকেনি ৷ কারণ , ব্যাপারটি
খুবই স্বাভাবিক এবং অতি স্পষ্ট ৷ তিনি যখন হীটা-চলার অভিপ্রায় করেন তখন এজন্য তাকে
সাহায্য করা হয় ৷ কারণ, এর মধ্যে নিহিত রয়েছে কল্যাণকর জিহাদ ৷ তারপর তিনি যখন রাসুল
করীম (না)-এর নিকট পৌছেন এবং তিনি স্বস্থি ফিরে পান তখন পুনরায় ব্যথা ফিরে আসে এবং
তিনি পা ছড়িয়ে দিলে রাসুল করীম (না) তাতে হাত বুলিয়ে দেন ৷ ফলে অসুবিধা দুর হয়ে যায়
এবং ভবিষ্যতে দেখা দিতে পারে এমন বথােও আর অবশিষ্ট জ্জি না ৷ এভা৷:ব উভয় বর্ণনার মধ্যে
সামঞ্জস্য সাধিত হয় ৷ আল্লাহ-ই ভাল জানেন ৷ মুসা ইবন উক্বা তদীয় মগাষী’ গ্রান্থ ইবন
ইসহাক অনুরুপ বর্ণনা করেছেন এবং ইব্রাহীম ও আবু উবায়দের মড়াতা তিনিও তাদের এ
অভিযানে অংশ গ্রহণকারী সাহাবীগা;ণর নাম উল্লেখ করেছেন ৷

খালিদ ইবন সুফিরান হুযালনী হত্যার ঘটনা

হাফিয বায়হাকী (র) দালাইল গ্রন্থে আবু রাফি এর হত্যার ঘটনা উল্লেখ করার পর ইমাম
আহমদ (র)-এর বরাতে ইয়াকুব আবদুল্লাহ ইবন উনাইস তদীয় পিতা সুত্রে বর্ণনা করে
বলেন

রাসুল করীম (সা) আমাকে ডেকে বললেন : আমি জানতে পেয়েছি যে, খালিদ ইবন
সুফিয়ান ইবন নাবীহ্ হুযালী আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হওয়ার জন্য লোকজনকে সমবেত
করেছে ৷ এখন সে উরানা’ নামক স্থানে অবস্থান করছে ৷ তুমি সেখানে গিয়ে তাকে হত্যা কর ৷
তিনি নিবেদন করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ! আমার জন্য তার কিছু বৈৰিষ্ট্য উল্লেখ করুন যাতে আমি
তাকে চিনতে পারি ৷ তিনি বললেন, তুমি যখন তাকে দেখবে, তখন লক্ষ্য করবে যে, সে কম্পন
ব্যাধিতে আক্রান্ত আছে ৷ তিনি বলেন, আমি তলওয়ার কােষবদ্ধ করে উরানায় তার কাছে গিয়ে
পৌছি ৷ তখন ছিল আসরের নামায়ের সময় ৷ রাসুল (না) তার কম্পনের যে বর্ণনা দেন, আমি
তাকে তেমনটিই পেলাম ৷ তখন যে স্তীদেরকে নিয়ে বাসন্থানের সন্ধানে ছুটাছুটি করছিল ৷ আমি
তার দিকে এগিয়ে যাই ৷ আমার আশংকা হয় যে, আমার এবং তার মধ্যে ধস্তাধ্স্তি হতে পারে ৷
যা আমাকে যথাসময়ে সালাত আদায় থেকে বিরত রাখতে পারে ৷ তাই আমি তার দিকে হাটতে
হাটতে ইশাৱায় সালাত আদায় করলাম ৷ মাথার ইশাৱায় আমি রুকু সিজদা আদায় করছিলাম ৷
আমি তার কাছে পৌছলে সে জিজ্ঞেস করলো কে ৷ আমি বললাম, আমি একজন আরব ৷ এ
ব্যক্তির উপর হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে আপনার লোকজন সমবেত করার কথা শুনতে পেয়ে এ
উদ্দেশ্যে আপনার কাছে এসেছি ৷ সে বললো, হ্যা, আমিতো সে চেষ্টায় প্রবৃত্ত আছি ৷ আমি কিছু
দুর তার সঙ্গে অগ্রসর হই ৷ সুযোগ বুঝে আমি তরবারি চালিয়ে তাকে হত্যা করি এবং তার
ত্রীদেরকে সেখানে ফেলে রেখে বেরিয়ে আসি ৷ তার ত্রীরা তার জন্য বিলাপ করছিল ৷ আমি রাসুল
করীম (সা)এর নিকট এগিয়ে গেলে আমাকে দেখে তিনি বলেন : চেহারা এতো
দেখছি সফল হোক ৷ কর্ম সিদ্ধ হয়েছেত ? তিনি বলেন, আমি বললাম , ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ৷ আমি
তাকে হত্যা করেছি ৷ তিনি বললেন, সত্য বলছ ৷ এরপর রাসুলুল্লাহ্ আমার পাশে দাড়ালেন এবং

আমাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গৃহে প্রবেশ করলেন ৷ আমার হাতে একটা লাঠি দিয়ে বললেন : হে
আবদুল্লাহ্ ইবন উনাইস! এটি তোমার কাছে রাখবে ৷ তিনি বলেন, লাঠিটি নিয়ে জনসমক্ষে
উপস্থিত হলে লোকজন জিজ্ঞেস করে , এ লাঠির ব্যাপারটি কি ? আমি বললাম : রাসুল (সা)
আমাকে এটি দিয়ে বলেছেন যে, এটি তোমার কাছে রাখবে তারা বললো : তুমি কি রাসুল
করীম (না)-এর কাছে ফিরে নিয়ে এ সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করবে না ? তিনি বলেন, আমি
রাসুল করীম (সা)-এর নিকট ফিরে গিয়ে আরয করলাম : ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ! আমাকে কেন এটি
দিয়েছেন ? তিনি বললেন, কিয়ামতের দিন এ লাঠি তোমার আর আমার মধ্যে নিদর্শন হবে,
সেদিন খুব কম লোকই এমন সৌভাগ্য লাভ করবে ৷ যারা এরুপ লহৃঠির উপর ভর করে আসবে ৷
তিনি বলেন, আবদুল্লাহ এ লাঠিটি আমৃভ্যু তার তরবারির সঙ্গে রাখেন ৷ এটি কাফনের সঙ্গে যুক্ত
করা হয় এবং একই সাথে দুটিই দাফন করা হয় ৷ ইমাম আহমদ (র) ইয়াহ্ইয়া ইবন আদম —
আবদুল্লাহ ইবন উনাইস সুত্রে হাদীছটি বনাি করেছেন ঞান্; ইমাম আবু দাউদ (র) আবুমামার
আবদুল্লাহ ইবন উমাইস তদীয় পিতার সুত্রে অনুরুপভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ৷
অনুরুপভাবে হাকিম বায়হাকী (র) ও মুহাম্মাদ ইবন সালামা আবদুল্লাহ ইবন উনইিস সুত্রে
হাদীছটি বর্ণনা করেন ৷ উপরন্তু উরওয়া ইবন যুবায়র এবং মুসা ইবন উকবাও তদীয় মাগাযী গ্রন্থে
মুরসালভাবে ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন ৷ আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷

ইবন হিশামের বর্ণনা মতে আবদুল্লাহ্ ইবন উনাইস খালিদ ইবন সুফিয়ানের হত্যা সম্পর্কে
নিম্নোক্ত কবিতা আবৃত্তি করেন :

আমি ইবন ছাওরকে উদ্রী শাবকের ন্যায় পতিত ছেড়ে এসেছি, আর তার চার পাশে

বিলাপরতা নারীরা বস্ত্র বিদীর্ণ করছিল ৷

আমি তার উপর হামলা চালাই হিন্দুস্তানী চকচকে তরবারি দ্বারা তার আর আমার পশ্চাতে

ছিল রমণীকুল ৷

আমি তাকে বলছিলাম যখন তরবারি তার মস্তক চুর্ণ করছিল, আমি হলাম উনাইস তনয়,

অশ্বারোহী কুলীন বংশের সন্তান ৷

আমি এমন লোকের সন্তান, যাকে মর্যাদা দানে কালের প্রবাহ কোন কার্পণ্য করেনি, আমি

প্রশস্ত আঙ্গিনা বিশিষ্ট ঘরের সন্তান আমি নই কৃপণ ৷

আমি তাকে বললাম, মর্যাদাবানেৱ আঘাত গ্রহণ কর ৷

যে নবী মুহাম্মাদ (না)-এর দীনের জন্য সদা প্রন্তুত ৷

নবী যখন কোন কাফিরকে হত্যার সং কল্প করেন;

তখন আমি আর যবান তথা কাজেও কথায় তার দিকে এগিয়ে যাই ৷

আমি বলি, আবদুল্লাহ ইবন উনইিস ইবন হারাম আবু ইয়াহ্ইয়া আল-জুহানী ছিলেন মহান
মর্যাদার অধিকারী মশহুর সাহাবী ৷ যেসব সাহাবী আকাবার বায়আত, উহুদ খন্দক ও পরবর্তী
যুদ্ধসমুহে অংশ গ্রহণ করেছিলেন, ইনি ছিলেন তাদের অন্যত তম ৷ প্রসিদ্ধ উক্তি অনুযায়ী ৮০
হিজরীতে সিরিয়ার তিনি ইনতিকাল করেন ৷ অবশ্য কারো কারো মতে তিনি ৫৪ হিজরীতে
ইনতিকাল করেন ৷ আল্লাহ্ তাআলাই ভাল জানেন ৷ আলী ইবন যুবায়র এবং খলীফা ইবন
খাইয়্যাত পুর্বোক্ত আবদুল্লাহ ইবন উনইিস আবু ইয়াহ্ইয়া এবং আবদুল্লাহ ইবন উনইিস আবু ঈসা
আনসারীর মধ্যে পার্থক্য করেছেন ৷ আর এই আবুঈসা আনসারী সেই সাহাবী যিনি রাসুল (সা)
থেকে এ মর্মে হাদীছ বর্ণনা করেন যে, রাসুল করীম (সা) উহুদ যুদ্ধের দিন একটি পাত্রে পানি
আনতে বলেন ৷ তিনি পাত্রের মুখ খুলে পানি পান করেন ৷ ইমাম আবু দাউদ (র) এবং ইমাম
তিরমিযী (র) হাদীছটি আবল্লোহ্ আল উমরী সুত্রে ঈসা ইবন আবদুল্লাহ ইবন উনইিস তদীয় পিতার
বরাতে বর্ণনা করেছেন ৷ অবশ্য ইমাম তিরমিষীর মতে এ হাদীছের সনদ বিশুদ্ধ নয় এবং
আবদুল্লাহ আল-উমরী স্মৃতি তশক্তির দিক থেকে একজন দুর্বল রাবী ৷

হাবশা অধিপতি নাজাশীর সঙ্গে আমর ইবনুল আসের ঘটনা

আবু রাফি ইয়াহুদীর হত্যার ঘটনার পর মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আমর ইবন আস এর
য়বানীতে উদ্ধৃত ৩করে বলেন : খন্দক যুদ্ধের দিন আমরা যখন প্রতাবর্তন করি তখন আমি
কুর৷ ৷ইশের কতিপয় সমমনা ব্যক্তিকে সমবেত করে বললাম , আল্লাহর শপথ, তোমরা জানলে,
মুহাম্মাদের অনাকা ৷গ্রিত উন্নতি লাভ করছে ৷ আর এ ব্যাপারে আমি একটা বিষয় স্থির করেছি: যে
বিষয়ে ওে ৷মাদের মতামত কী ? তারা জা নতে চাইলো; তৃমি কী স্থির করেছ ? তিনি বললেন যে,
আমরা নাজাশীর কাছে গিয়ে সেখানে অবস্থান করবো, মুহাম্মাদ (সা) আমাদের জাতির উপর
জয়লাভ করলে আমরা নাজাশীর নিকটেই থেকে যাবো ৷ আর আমাদের জন্য মুহাম্মাদের অধীনে
থাকার চেয়ে নাজাশীর অধীনে থাকা অধিকতর প্রিয় আর যদি আমাদের জাতি জয়ী হয় তবেতাে
সকলেই জানবে যে, আমরা কারা ৷ এমতাবস্থায় তাদের পক্ষ থেকে আমাদের কল্যাণ ছাড়া
অকল্যাণ হবেন৷ ৷ একথা শুনে সকলেই বলে উঠলো; এটা হলো একটা কথার মত কথা ৷ আমি
বাংলায় : তাহলে নাজাশীকে উপচৌকন সামগ্রী সংগ্নহ কর ! আমাদের দেশ থেকে সবচেয়ে প্রিয়
যে বন্তুটা উপহার হিসাবে দেয়৷ যায়, তা হলো চামড়া, আমরা তার জন্য অনেক চামড়া সংগ্রহ
করলাম ৷ আমরা এসব উপহার সামগ্রী নিয়ে যখন তার দরবারে পৌছি যেমন সেখানে উপস্থিত
ছিলেন আমর ইবন উমাইয়৷ দিসারী ৷ রাসুল (সা) জাফর এবং তীর সঙ্গীদের ব্যাপারে একে
নাজাশীর দরবারে প্রেরণ করেন ৷ তিনি দরবারে প্রবেশ করে বেরিয়ে গেলে আ ৷মি আমার সঙ্গীদের
বললামচ এ হচ্ছেন আমর ইবন উমাইয়৷ ৷ আ ৷মি যদি নাজ৷ ৷শীব দরবারে উপস্থিত হয়েও তার নিকট
চেয়ে নেই ৷ আর তিনি তাকে আমার হাতে অর্পণ করেন তাহলে আমি তার গ্বার্দান উড়িয়ে দোবা ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.