তায় গোত্রের প্রতিনিধি রূপে যায়দ আল-খায়ল (রা)-এর আগমন

আমার কাছে নিয়ে আর ৷ গোলাম সেগুলিকে কাছে নিয়ে আসলে আমি আমার পরিবার ও
সন্তানদের নিয়ে সেগুলির পিঠে চড়ে বসলার এবং গোলামকে বললাম শাম <’দা;শ
(তৎকালীন বৃহত্তর সিরিয়া তথা আরবের উত্তরাঞ্চল, আমার স্বধর্ষী খৃষ্টানদের কাছে
আমাদেরকে নিয়ে চল ৷ আমি ৰিজন (প্রাভরের) পথ ধরে চললার ৷ আর হাতিমের এক কন্যা
(আমার বোন)-কে ঐ জনপদেই রেখে গেলাম ৷ সিরিয়ার উপনীত হয়ে আমি সেখানে অবস্থান
করতে লাপলার ৷ আমার প্রস্থানের পর পরই রাসৃলুল্লাহ্ (সা) এর ঘোড়সওয়ার বাহিনী গোত্রের
উপর চড়াও হল এবং অন্যান্যদের মাঝে হাতির কন্যাও তাদের হাতে বন্দী হলো এবং তাঈ
গোত্রের বন্দীদের সাথে সেও রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর দরবারে নীত হল ৷ আমার সিরিয়ার পালিয়ে
যাওয়ার সংবাদ রাসুলুল্লাহ (সা) এর কাছে পৌছে গিয়েছিল ৷ বণ্নািকারী (আদী (রা)) বলেন,
হাতির কন্যাকেও মসজিদের দরজার কাছে বন্দীদের আটকে রাখার জন্য তৈরী রেষ্টনীর মভৈধ্য
রেখে দেয়া হল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) সেখান থেকে য়েতে লাগলে হাতির কন্যা তার উদ্দেশ্য
দাড়িয়ে বলল, যে ছিল স্থির প্রতিজ্ঞ ও অকুতােভয় এক নারী-হ্নে আল্লাহ রাসুল আমার পিতার
মৃত্যু হয়েছে, অনড়াথের ভরসা হারিয়ে গিয়েছে ৷ আমাকে অনুকম্পা করুন, আল্লাহ আপনাকে
অনৃকস্পা করবেন ৷ নবী কবীর (সা) বললেন, তোমার আমার পাত্র কে?
হাতির কন্যা বললো “আদী ইবন হাতির (আমার ভাই) ৷ তিনি বললেন, রা৷ আল্লাহ্ ও তার রড়াসুলের কাছ থেকে পালায়নকারী ৷ বন্দিনী বলেন, রাসুলুল্লাহ্
(না) আর কিছু না বলে চলে গেলেন ৷

পরের দিন আমার কাছ দিয়ে তিনি যেতে লাগলে আমি আগের দিনের কথার পুনরাবৃত্তি
করলাম; তিনিও আগের দিনের মত জবাব দিলেন ৷ বন্দিনী বলেন, তৃতীয় দিলে তিনি আমার
পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন ৷ তখন নিরালা আমাকে পেয়ে বলেছে ৷ কিন্তু তার পিছনের এক লোক
আমাকে ইংপিত করল, যেন আমি দাড়িয়ে তার সাথে কথা বলি ৷ হাতির কন্যা বলল, আমি
তখন তার উদ্দেশ্য ড়ান্া৷ড়িৰে৷ বললার, ইয়া রাসুলুল্লাহ্৷ বাপ মরে গিয়েছে, ভরসা হারিয়ে
গিয়েছে ৷ এখন আমাকে দ্যা৷ করুন অল্লোহ্ আপনাকে দয়া করবেন ৷ নবী কবীর (সা)

আমি তাই করলাম (তোমাকে মুক্তি দিলাম) ভরে চলে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ো না ;
তোমাকে তোমার দেশে পৌছিয়ে সেরে তোমার গোত্রের এমন নির্ভরয়েগ্যে লোক পাওয়া গেলে
আমাকে জানাভ্রুব ৷ আমি তখন নবী কবীর (সা)এর সাথে কথা বলার জন্য ইংগিত প্রদানকারী
ল্যেকটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম ৷ আমাকে বলা হল তিনি হচেছন আলী ইবন আবু তালিব
(রা) ৷ আমি সফরের প্রস্তুতি নিলাম ৷ তখন বন্বলী বা কুযাআ গোত্রের কিছু লোকের আগমন
ঘটল ৷ আমার ইচ্ছা ছিল সিরিয়ার আমার ভাইয়ের কাছে চলে যাবো ৷ আমি রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর কাছে গিয়ে বললার, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ৰু আমার গোত্রের একটি কাকেল৷ এসেছে,
যাদের উপরে ভরসা করে আমি আমার গম্ভব্যে পৌছতে পারি ৷ হাতির কন্যা বলেন, তিনি
আমাকে পোষাক, বাহন ও প্রয়োজনীয় পাথের দিলেন এবং আমি তাদের সাথে বের হয়ে

সিরিয়ার উপনীত হলাম ৷ “আদী (বা) বর্ণনা করেন, আল্লাহর কসম ! আমি (সিরিয়ার) আমার
পরিবারের মাঝে বসা ছিলাম ৷ দুরে দৃষ্টি দিয়ে দেখলাম এক মহিলা আরােহী আমাদের বসতির
দিকে ঢালু পথে নেমে আসছে ৷ “আদী (রা) বলেন, হাতিম কন্যা? “আদী বলেন, একটু পরেই
দেখি কি সে তো সেই ৷ সে আমার সামনে এসে র্দাড়ানাে মাএই কোন প্রকার ভুমিকার আশ্রয়
না নিয়ে মুখের উপর বলতে লাগল, নিমকহারাম , জ্যলিম ৷ নিজের বউ ছেলে মেয়েদের নিয়ে
আসতে (পরেছো আর তোমার জন্মদাতার শেষ স্মৃতি এক অবলাকে দুশমনের দরা-মায়ার
উপর ছেড়ে আসতে তোমার বাধল্যে না ? আমি বললাম দোমটি আমার , মন্দ কথা উচ্চারণ
করে মুখ খারাপ কর না ; আল্লাহর কলম, আমার বলার মত সৎপত কোন যুক্তি নেই, তোমার
অভিযোগে সত্যিই আমি অভিযুক্ত ৷ আদী বলেন তখন সে বাহন থেকে নামল এবং আমার
সাথে অবস্থান করতে লাগল ৷

একদিন আমি তাকে বললাম, যে ছিল স্থির বিচার বুদ্ধি সম্পন্ন নারী এ ল্যেকটি সম্পর্কে
তোমার অভিমত কী? যে বলল, আমার অভিমত হল আল্লাহর কলম ৷ তুমি অবিলম্বে তার
সাথে মিলিত হয়ে ৷ কেননা, ব াম্ভবে সে যদি নবী হয় তা হলে তার কাছে আগে পমনকারী হবে
বিশেষ মাহাতোরে অধিকারী ৷ আর যদি ল্যেকটি রাজা-বাদশাহ্ হয় ৷ তবে তোমার বর্তমান
মর্যাদার কোন হানি না হয়ে বরং তা বৃদ্ধি পাবে, তু তো যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান ৷ আমি
বললাম , অড়াল্লাহর কলম! এটাই যুক্তিযুক্ত কথা ৷ আদী (বা) বলেন, তখন আমি বেরিয়ে
পড়লাম এবং মদীনায় রা”সুলুল্লাহ্ (সা)এর কাছে উপনীত হলাম ৷ তারপর আমি মসজিদে তার
সাথে সাক্ষাত করে তাকে সালাম করলাম ৷ তিনি বললেন, আগন্তুকের পরিচয় কী ? আমি
বললাম, আদী ইবন হাতিম ৷ রড়াসুলুল্পাহ্ (সা) উঠে র্দাড়ালেন এবং আমাকে নিয়ে তার ঘরের
দিকে রওয়ানা হলেন ৷ আল্লাহর কসম৷ তিনি আমাকে তার সাথে নিয়ে চলতে উদতি হওয়ার
মুহুর্তে অতি দুর্বল এক বৃদ্ধা নারী তার সাথে সাক্ষাত করতে এসে তাকে র্দাড়াতে বলল ৷ তিনি
দীর্ঘক্ষণ র্দাড়িয়ে দাড়িয়ে তার সাথে তার প্রয়োজন সম্পর্কে আলোচনা করলেন ৷ আদী বলেন,
তখন আমি মনে মনে বললাম, ল্যেকটি রাজা বাদশাহ; তো নয় ৷ আদী বলেন, তারপর
রাসুলুল্লাহ (সা) আমাকে সাথে নিয়ে বয়ে প্রবেশ করলেন এবং থেজুরের ছাল ভর্তি একটা
চামড়ার আসন এসে আমার পাশে রেখে দিয়ে বললেন, রস এটিতে ৷ আদী বলেন, আমি
বললাম ববং আপনিই বসুন ৷ তিনি বললেন, না তুমিই ৷ আমি নদীতে বললাম আর
রাসুলুল্লাহ্ (সা) মাটিতেই বসে পড়লেন ৷ আদী বলেন , আমি মনে মনে বললাম , এটাও কোন
রাজার আচরণ হতে পারে না ৷ তারপর আলোচনা শুরু করে তিনি বললেন, অড়াদী ইবন হাতিম, তুমি না রাকুসী১ ধর্যমতের অনুপড়ামী-ছিলে ? আমি বললাম
জী হী , তাই ৷ তিনি বললেন, তুমি কি লুষ্ঠিত সম্পদের
চৌথ (চতু ৎা) উসুল করার জন্য গোত্র মাঝে ঘুরে বেড়াতে না ? আদী বললেন, আমি
বললাম জী হী , তাই ৷ তিনি বললেন, এে কিন্তু, তোমার
বর্মমত অনুসারে তা তো ভৈবধ ছিল না ৷ আদী বলেন, আমি বললাম , ঠিক তাই ৷ আল্লাহর
কলম! “আদী বলেন, তখন আমি উপলব্ধি করলাম যে, তিনি প্রেরি৩ অড্ডা৩
ৰিমরই তার জানা ৷ একটু পরে বললেন

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.