রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

দোভাষী প্রসংগ :

দোভাষী প্রসংগ :

হিলাল ইবন ইয়াসাফ (র) বলেছেন সালামা ইবন কড়ায়স আলু আশজাঈ (বা) হতে তিনি
বলেন, বিদায় হজ্যে রাসুলুল্লাহ্ (রা) বললেন,

“গুরুতৃপুর্ণ বিষয় চারটি “( ১ ) আল্লাহ্র সাথে কোন কিছু শরীক করবে না ; (২) আল্লাহ্ যে
প্রাণ (বর করা) হারাম করেছেন তা ন্যায়সংপত কারণ ছাড়া বধ করবে না ; (ও) ব্যাতিচার
করবে না এবং (৪) চুরি করবে না ৷” বর্ণনক্যেরী বলেন, “যে দিন আমি রড়াসুলুল্লাহ্ (সা)এর
কাছে এ কথাগুলি ওভ্রুনছিলাম সে দিনের চাইতে আজও এ সবের প্রতি অধিক আগ্রহী নই ৷
আহমদ ও নসােঈ (র) এ হাদীসটি বিওয়ায়াত করেছেন মানসুর (র) সুত্রে এবং অনুরুপ,
সুফিয়ান ইবন উয়ারনা ও সুফিয়ান ছাওয়ী (র) ও মড়ানসুর (র)হতে ৷

ইবন হাঘৃম বিদায় হজ্জ সম্পর্কে বলেন, আহমদ ইবন উমর ইবন আনাস আলু “আরবী
(র)উসামা ইবন শায়ীক (বা) হতে তিনি বলেন, বিদায় হরুজ্জ আমি রড়াসুলুল্লাহ্ (সা)কে
দেখেছি যখন তিনি ভাষণ দিচ্ছিলেন; তিনি বলেছিলেন এএে ণ্ও ণ্গু ১এ এওহ্ধ্ঙু গ্রামধ্ঙু ঞা
গ্রাশ্১ “(সেবা ও সদাচরণ করবে) তোমার মার প্রতি, তোমার বড়াপের প্রতি, তোমার বোনের
প্রতি, তোমার ভাইয়ের প্ৰতি, তারপর ক্রমান্বয়ে নিকট আত্মীয়দের প্রতি ৷

বর্ণনক্যেরী বলেন, তখন একদল লোক এসে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ! আমাদের পুর্বেকড়ার বনু
ইয়ারবুদের কী হবে ? তিনি বললেন, ম কোন ব্যক্তি অন্যের
অপরাধের দায় ভোগ করবে না ৷ তখন জাম্রড়ায় কৎকর মারতে ভুলে গিয়েছে এমন এক ব্যক্তি
র্তীকে (এ বিষয়) জিজ্ঞাসা করল, তিনি বললেন,“(এখন) কৎকর মেরে নাও ,
কোন অসুবিধা নেই! তখন অন্য এক ব্যক্তি এসে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ্দ্ভ আমি (যথা-সময়ে)
তাওয়ড়াফ করতে ভুলে গি;য়ম্বীষ্টু ৷ তিনি বললেন,তাওয়ত্ত্বক করে নাও,
কোন অসুবিধা নেই !” তখন আর এক ব্যক্তি এল যে জবাই (কুরবড়ানী) করার আগেই মাথা
কামিয়ে ফেলেছে ৷ নবী করীম (সা) বললেন, গ্লু) (এখন) জবাই করে নাও, কোন
সমস্যা নেই !” যেটিকথা, এ সময় তাদের যে কোন বিষয় জিজ্ঞাসার জবাবে তিনি বললেন,

“আল্লাহ্ সব সংকট দুর করে দিয়েছেন; তার যে ব্যক্তি কোন ঘুসলিমের গীবত করল সেশ্ই
ত্কটাপন্ন ও ধ্বংস হল ৷ তিনি আরো বললেন ম্বা ণ্ন্
“আল্লাহ্ যত রোগ অবতীর্ণ করেছেন, তীর চিকিৎসাও তিনি অবতীর্ণ করেছেন, তার
বড়ার্ধক্য এর ব্যতিক্রম ৷ ইমাম আহমদ (র) এবং সুনান গ্রন্থসমুহের সংকলকবৃন্দ এ সুত্রে এ
হড়াদীসের আৎশিক বিবরণ উদ্ধৃত করেছেন ! তিরমিযী (র) মন্তব্য করেছেন, “হাসানসহীহ্ ৷ ’

দোভাষী প্রসংগ : ইমাম আহমদ (র) বলেন, হাজ্জাজ (র)জারীর (রা) হতে বর্ণনা
করেন যে, নবী করীম (সা) বিদায় হরুজ্জ বললেন, “হে জাবীর ! লোকদের নিরব হতে বল ৷

তারপর তার ভাষণে তিনি বললেন, “আমার পরে তোমরা এমনভাবে কাফির দলে পরিণত
হয়ে যেয়াে না, যে, তোমাদের একে অন্যের ণদান উড়াতে শুরু করবে ৷” আহমদ (র) এ
হড়াদীসখানা গুনদার ও ইবন মাহ্দী (র) হতেও ঐ সনদে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ ৰুখারী ও
মুসলিমও হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন ৷ আহমদ (র) আরো বলেন, ইবন ৰুমায়র (র)
জাবীর (রা) সুত্রে বলেছেন, রাসুলুল্পাহ্ (সা) বললেন, সােকদের নিরব থাকতে বল’ এর পরে
ষ্ এখন যা
দেখতে পাচ্ছি তারপরে যেন আমাকে এমন অবগত হতে না হয় যে, তোমরা কাফির দলরুপে
প্রত্যাবর্তীত হয়ে একে অন্যের গদান উড়াতে শুরু করেছ ৷ নাসাঈ (র) ও আবদুলাহ্ ইবন
নুমায়র (র)-এর বরাতে এটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷ নাসাঈ (র) আরো বলেছেন, হানৃনাদ
ইবনৃস সারী (র)সুলায়মান ইবন আমৃর (র) তীর পিতা (আমৃর) হতে, তিনি বলেন,
বিদায় হচ্ছে আমি নবী করীম (সা) কে বলতে শুনেছি, লোক সকল ! (তিনবার) “এটি কোন
দিন ? র্তারা বললেন, প্রধান হব্বজ্জ্বর দিন ৷ নবী করীম (না) বললেন, “সুতরাং তোমাদের জান-
মাল ও ইজ্জত তোমাদের পরস্পরের জন্য হারাম ও পবিত্র, যেমন তোমাদের এ দিনটি পবিত্র
তোমাদের এ নগরীতে ৷

“কোন অপরাধী পিতার অপরাধে তার পুত্র অপরাধী হবে না ৷ ণ্শান ! শয়তান তোমাদের
এ নগরে পুজা পাওয়ার ব্যাপারে নিরাশ হয়ে গিয়েছে ; তবে অচিরেই এমন কিছু কিছু আমলে
তার আনুগত্য হয়ে যাবে, যেগুলিকে তোমরা তুচ্ছ মনে করবে, তাতে তার মনস্তুষ্টি হবে ৷
শোনা জাহিলী যুগের সব সুদ রহিত করা হচ্ছে ; তোমরা তোমাদের মুলধন পেয়ে যাবে,

তোমরা যুলুম করবে না, আবার যুলুমের শিকারও হবে না ৷ হাদীসটি তিনি আনুপুর্বিক বর্ণনা
করেন ৷

আবু দাউদ (র)ৰুএর অনুচ্ছেদ : যারা দশ তারিখে খুতবা ও ভাষণ দেয়ার মত ঘোষণা
করেছেন হারুন ইবন আবদুল্লাহ (র) হিরসাম ইবন যিরাদ আল-বাহিলী (র) সুত্রে বলেন,
কুরবানীর দিন মিনার আমি রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে তার আয্বা’ উটনীর উপরে লোকদের
উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে দেখেছি ৷” আহমদ ও নাসাঈ (র)-ওৰিভিন্ন সুত্রে অনুরুপ রিওয়ড়ায়াত
করেছেন তিনি বলেন, “আমার পিতা আমাকে সহ-আরোহী করেছিলেন ৷ তখন আমি রাসুলুল্লাহ্
(সা) কে দেখলাম কুরবানী দিবসে মিনার তার আযবা’ উটনীর উপরে লোকদের উদ্দেশ্যে
ভাষণ দিতে ৷ ”-এ ভাষ্য আহমদ (র)-এর এবং এটি র্তার মুসনাদ’-এর ছুলাহী’ (তিন
মাধ্যমযুক্ত) হাদীস ৷

যাবতীয় হড়াম্দ আল্লাহ্রই জন্য ৷ তারপর আবু দাউদ (র) বলেন, সৃআম্মাল ইবনুল ফাযল
আল্ হাবৃরানী (র)আবু উমামা (বা) সুত্রে বালাছন,আমি দশ তারিখে মিনার রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর অজ্যিাষণ শুনেছি ৷ ইমাম আহমদ (র) বলেন, আবদুর রহমান (র)আবু উমামা

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.