রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

নববী দরবারের ‘আমীন’ (একান্ত সচিববৃন্দ)

নববী দরবারের ‘আমীন’ (একান্ত সচিববৃন্দ)

নিয়েড়াগের ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ্ (না) জিববীল (আ)-এর সঙ্গে পরামর্শ করলেন ৷ জিববীল (আ)
বললেন, তাকে কাতিব নিয়েপে করতে পারেন ৷ কেননা, সে বিশ্বস্ত ৷ এ বিবরণটি বিরল
প্রকৃতির; বরং মুনকার (প্রত্যাখ্যাত) ৷ কেননা অন্যতম রাবী সরীি ইবন আসিম ও তার
উর্ধ্বতন রাবীদের সম্পর্কে মুহাদ্দিছগণ বিরুপ মন্তব্য করেছেন ৷

মোটকথা, এ বর্ণনাটি প্রড়ামাণ্য নয় এবং তা দিয়ে প্রভাবিত হওয়ার অবকাশ নেই ৷ কিন্তু
বিস্ময়ের ব্যাপার হল হাফিয ইবন আসাকির (র)-এর আচরণ ৷ তার অৰিস্মরণীয় মাহাত্ম্য ও
বিদ্যাবত্তা এবং সমকালীন হাদীস বিশারদবর্গষ্ববং তার পুর্বসুবী অনেকের তৃলনায়ও হাদীস
শাস্তে তার অভিজ্ঞতার বিশাল পরিধি সত্বেও কিভাবে তিনি তার তারীখ (ইতিহাস) গ্রন্থে এ
হাদীসটি এবং এ প্রকৃতির আরো অনেক হাদীস আহরণ করেছেন; অথচ সেগুলোর দৃর্বলতার
বিবরণ প্রদান জরুরী মনে করেন নি ৷ তার মত বিগ্রিষ্টি মনীষীর এ ধরনের আচরণ
সমালোচনাযোগ্য এবং তা সমর্থনয্যেগ্য নয় ৷-অল্লোহ্ সম্যক অবগত ৷

বইিশ : কড়াতিব তালিকায় অন্যতম রয়েছেন বিগ্রিষ্টি সাহাবী ঘুগীরা ইবন শুবা আছ ছাকাফী
(রা) ৷ নবী কবীম (না)-এর মাওলা নন তার এমন সাহাবী খাদিমগণের তালিকায় তার সংক্ষিপ্ত
জীবনী আলোচনা করে এসেছি ৷ (সেখানে উল্লিখিত হয়েছে যে) তিনি ছিলেন রাসুলুল্লাহ্ (সা)-
এর মাথার নিকটে উন্মুক্ত তরবাবি হাতে দণ্ডায়মান অতন্দ্র দেহরক্ষী প্রহরী ৷ ইতোপুর্বে
একাধিকবার উল্লিখিত আতীক ইবন ইয়াকুব (র)এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সনদে ইবন আসাকাি
(র) রিওয়ায়াত করেছেন যে, রাসুলুল্পাহ্ (সা) হুসায়ন ইবন ন্যযলা আল-অস্যেদী (রা)-ন্নে
জায়গীর প্রদান করেছিলেন তার দলীলপত্রটি নবী কবীম (না)-এর হুকুমে মুগীরা ইবন ণ্ডবা
(রা)-ই লিখে দিয়েছিলেন ৷

এরা হলেন নবী কবীম (না)-এর কতিব ও সচিববৃন্দ মারা তীর দফতরে তীর সকাশে তীর
নির্দোশ বিভিন্ন সনদপত্র ও দলীল-দন্তাবেজ লিখনের কর্তব্য পালন করতেন ৷

নববী দরবারের আমীন’ (একান্ত সচিংবৃন্দ)

নবী কবীম (না)-এর আমীন’ (বিশ্বাসভাজন ব্যক্তিগত ও একান্ত সচিব) তালিকায় ইবন
আসাকির (র) উল্লেখ করেছেন (প্রথমত) আল আশরাতুল ঘুবাশশারা’ (জান্নাতের আগাম
সুসংবাদ প্রাপ্ত দশ জন)-এর অন্যতম (এক) আবু উবায়দা আমির ইবন আবদুল্লাহ ইবনুল
জারুরাহ কুরায়শী ফিহরী (মা) ও (দুই) আবদুর রহমান ইবন আওফ ঘুহরী (রা)এর নাম ৷
আবু উবায়দা (রা) আনাস (বা) থেকে আবু কিলাবা (র)-এর হাদীস সুত্রে বুখাবী (র)
রিওয়ায়াত করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (যা) বলেছেন,

“প্রতিটি উম্মাহ্র একজন আযীন (বিশ্বাসভাজন) থাকে; এ উম্মাহ্র আযীন হচ্ছেন আবু
উবায়দা ইৰ্নুল জাবৃরাহ (রা) ৷ অন্য একটি ভাষ্য রয়েছে যে, নাজরড়ান থােক আগত আবদুল
কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দলকে রাসুলুল্লাহ্ (সা) বলেছিলেন
“অবশ্যই তোমাদের মাঝে পাঠাচ্ছি একজ্যা আমীন’ (বিশ্বস্ত)-কে; যিনি যথার্থই আযীন ৷ ”
পরে তাদের সঙ্গে আবুউবায়দা (রা)-কে নিয়োগ দিয়ে পাঠালেন ৷

ইবন আসাকির (র) বলেন, এ তালিকায় অন্যতম যুআয়কিব ইবন আবু ফাতিমা আদ
দাওসী (বা) আবদ শামস গোত্রের মাওলা ৷ তিনি ছিলেন নবী করীম (না)-এর আৎটি (সীল-
মােহর)-এর তত্ত্বাবধায়ক ৷ কেউ কেউ তাকে পাদিম তালিকাভুক্ত করেছেন ৷ অন্যদের বর্ণনায়
রয়েছে, প্রথম দিকে ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্যতম ৷ হড়াবশাপামী মুহাজির দলের সাথে
হিজ্যাত করেন ৷ পরে মদীনায় হিজরত করে আসেন ৷

বদর ও তার পরের অভিযানসমুহে অংশ গ্রহণ করেন ৷ তিনি ছিলেন সীল মােহরের
তত্ত্ববধায়ক এবং আবু বকর ও উমর (রা) তাকে বায়তৃল মাল’১-এর কর্মাধ্যক্ষ নিয়োগ
করেছিলেন ৷ বর্ণনাকারীগণ বলেছেন যে, তিনি কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৷ তখন উমর
ইবন পাতায় (বা) আদেশ করলে তাকে মাকাল জাতীয় ফল দিয়ে চিকিৎসা করা হলে ব্লোগ
বৃদ্ধি রুদ্ধ হয়ে গেল ৷ তিনি ইনতিকাল করেছিলেন উছমান (রড়া)-এর খিলাফত যুগে মতাতরে
চল্লিশ হিজরী সালে ৷-আল্পাহ্ই সমধিক অবগত ৷

ইমাম আহমদ (র) বলেন, ইরাহয়া ইবন আবী বুকায়র (র) মুআয়কীব (রা) সুত্রে বর্ণনা
করেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) বলেছেন, সিজদা করার স্থানে যুসল্লীর মাটি (উচু-নিচু বা কংকর)
সমান করা প্রসঙ্গে একান্তই যদি তোমাকে তা করতে হয়, তবে
তা একবার (করবে) ৷

সহীহ গ্রন্থদ্বয়ের সংকলকদ্বয় হাদীসটি আহরণ করেছেন (উল্লিখিত সনদের) শায়বান নাহবী
(র)-এর বরাতে ৷ মুসলিম (র) তিরমিযী, নসােঈ, ইবন মাজা হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন ৷
তিরিমিষী (র) মন্তব্য করেস্ফো হাদীসটি হাসান সহীহ ৷

ইমাম আহমদ (র) আরো বলেন, খালাক ইবনুল ওলীদ (র) মুআয়কীব (বা) থেকে
বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) বলেছেন, ধ্বংস উযুর
সময় না ভেজানাে) পায়ের গোড়ালীর জন্য ৷

এ বর্ণনা একাকী ইমাম আহমদ (র)-এর ৷ আবু দাউদ ও নসােঈ (র) আবু আত্তাব সাহল
ইবন হড়াম্মাদ দাল্পাল (র)-এর বরাতে মুআয়কীব থেকে বর্ণনা করেন যে, যিনি নবী করীম
(না)-এর সীল মােহরের যিম্মাদার ছিলেন ৷ তিনি বলেন, নবী করীম (না)-এর আৎটি (মােহর)
ছিল লোহার তৈরী; যার উপরে রুপার আস্তরণ দেয়া হয়েছিল ৷ তিনি আরো বলেন, অনেক
সময় সেটি আমার হাতেও থাকত ৷

গ্রস্থকারর মন্তব্য : নবী করীম (না)-এর নীল মােহর ও আংটির ব্যাপারে প্রামাণ্য তথ্য হল-তা
ছিল রুপার তৈরী এবং তার মণি’ অংশও ছিল রুপার পাতের তৈরী (সহীহ গ্রন্থদ্বয় বরাতে
পরবর্তীতে বিষয়টি আলোচিত হবে) ৷ ইভােপুর্বে তিনি (সা) সোনা দিয়ে একটি আংটি তৈরী
করেছিলেন এবং তা কিছু সময় ব্যবহার করেছিলেন ৷

পরে তা ছুড়ে ফেলে লে এবং বলেন আ শ্ব প্মাড্রু “আল্লাহর কসম ! ওটি আমি আর পরব
না ৷” পরে রুপার এ অংটিটি জৌ বল্পান, যার পাত (মণি)-ও ছিল রুপারই এবং তাতে অংকিত

ছিল মোঃ (মুহাম্মাদৃর ৱাসৃলুল্লাহ্) (তিন লাইনে) ৷ ’ এক লইিনে মোঃ এক লইিনে
এশ্যে এবৎ অপর লইিনে ঘ্র৷ ৷ এ আৎটি নবী কবীম (না)-এর পবিত্র হাতে ছিল এবৎ তার পরে
ছিল আবু ববন্ম (রা)-এর হাতে; তার পরে উমর (রা)-এর হাতে এবৎ তার পরে উছমান (রা)এর
হাতে ৷ তীর হাতে ছয় বছর পর্যন্ত থাকার পরে তীর নিকট হতে (মতাতরে তার সচিবের নিকট
হতে) আবীস’ কুপে পড়ে যায় ৷ তিনি তা খুজে পাওয়ার ব্যাপারে যথাসাধ্য চেষ্টা করার পরেও তা
পুনরুদ্ধারে সমর্থ হলেন না ৷

আবু দাউদ (র) তীর সুনান গ্রন্থে ওধু খাতাম (আংটি ও নীল মােহর) প্রসঙ্গে একটি স্বতন্ত্র
অধ্যায় সংযোজন করেছেন ৷ তার প্রয়োজনীয় অং ×শ আমরা একটু পরেই (সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ে)
উপস্থাপন করব ইনশাআল্পাহ্, আল্লাহ সহায় ৷

তবে মুআয়কীব (রা) কর্তৃক এ আংটি হাতে পরার বিষয়টি তার কুষ্ঠ আক্রান্ত হওয়ার
বর্ণনাটি দুর্বলতা নির্দেশ করে ৷ যেমন-ইবন আবদুল বাবুর (র) প্রমুখ উল্লেখ করেছেন ৷ ৰিস্তু
বর্ণনাটি প্রসিদ্ধি পেয়েছে ৷ অতএব, সম্ভবত তা হয়েছিল নবী করীম (সা) এর ওফাতের পরে ৷
কিংবা আগে থেবেইি তা ছিল, তবে তা সং ×ক্রমিত হচ্ছিল না ৷ কিংবা তা ছিল আল্লাহর প্ৰতি
নবী বত্রীম (সা) এর অবিচল তাওয়কেফুল্ ও একনিষ্ঠ ভরসার কারণে তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য
(যে, এ সং ×ক্রামক ব্যধি তার সং ×ত্রুমিত হচ্ছিল না) ৷ যেমন তিনি সে কুষ্ঠ রােপীকে-যে তার
হাত খাবার পাত্রে প্রবিষ্ট করেছিল তাকে বলেছিলেন “যাও,
আল্লাহর মির্জা করে এবং তার উপরে ভরসা করে ৷” এ রিওয়ড়ায়াত আবু দাউদ (র)-এর ৷
পক্ষাতরে, সহীহ মুসলিম শরীফে প্রামাণ্য উদ্ধৃতি রয়েছে যে, রাসৃলুল্লাহ্ (সা) বলেছেন,
“কুষ্ঠ রােগী হতে পলায়ন কর সিংহ হতে তোমার পলায়নের
মত ৷ ”-আল্পাহৃই সমধিক অবগত ৷

নবী বল্পীম (না)-এর নিযুক্ত আমীর ও সেনাপতিবৃন্দ

বিভিন্ন অভিযানের বিবরণ প্রদানের ক্ষেত্রে যে সনের জন্য নবী করীম (সা) এর নিযুক্ত
সেনাপতি ও আমীরগণের নাম-ধামসহ্ স্পষ্ট বিবরণ আমরা দিয়ে এদুসছি ৷-আল্লাহৃইি ড্ডা!
হামৃদ এবৎ তারই অনুকম্পা ৷

সর্বমেটি সাহাবী সংখ্যা এবং হাদীস বণনিকােরী রাবী সাহাবীপণের সংখ্যা

সাহাবীদের (রা) সর্বমোট সং ×খ্যা নির্ণয়ে মনীষীদের মাঝে মতপার্থক্য রয়েছে ৷ আবু যুরআ
(র) হতে উদ্ধৃত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন, তাদের সংখ্যা এক লাখ বিশ হাজার পর্যন্ত
পৌছবে ৷ শাফিঈ (র) থেকে উদ্ধৃত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন, রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) এর
ইনতিকালের সময় তার বাণী শুনেছেন এবং তাকে দেখেছেন এমন মুসলমানের স ×খ্যা ছিল
প্রায় ষাট হাজার ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.