নবী কবীম (সা) এর সেবায় আত্মনিয়ােজিত তার সাহাবী খাদিমগণ (যারা গোলামও মাওলাও নয়)

করলাম ৷ তিনি এক হড়াবশী কিশোরী (দাসী)-কে দেখিয়ে বললেন, এটি রড়াসুলুল্লাহ (না)-এর
পরিচারিকা , একে জিজ্ঞেস কর ৷ তখন সে বীদীটি বলল, আমি বিকেলে রাসুলুল্লাহ (সা) এর
জন্য একটি পড়াত্রে (মশকে) থুরমা তিজিয়ে সেটির মুখ বেধে রাখতাম ৷ সকাল হলে তিনি তা
থেকে গান করতেন ৷ মুসলিম ও নাসাঈ (র) হাদীসটি রিওয়ড়ায়াত করেছেন ৷ করেছেন কাসিম
ইবনৃল কাঘৃল (র) এর বরড়াতে, ঐ সনদে ৷ বংনািকারীগণ হাদীসটি এভাবে আইশা (রা)-এর
মুসনাদে’ উল্লেখ করেছেন ৷ কিন্তু তা নবী করীম (সা) এর খিদমতকারিণী অন্যতমা হড়াবশী
বীদীর মুসমাদরুগে উল্লেখিত হওয়াই অধিক সমীচীন ৷ তবে সে বীদী আমাদের উল্লেখিত
বীদীদের একজনও হতে পারেন ৷ আবার তাদের অতিরিক্ত অন্য কউও হতে পারেন ৷
আল্লাহই সর্বাধিক অবগত ৷

নবী করীম (না)-এর সেবার আত্মনিয়োজিত তার সাহাবী খাদিমপণ
(যারা পালড়ামও মাওলাও নয়)

এক : এ তালিকার শীর্ষে রয়েছেন আনড়াস ইবন মালিক (বা) ৷ তার বংশ সুত্র আনাস ইবন
মালিক ইবনৃয নড়ামর ইবন যমযম ইবন যায়দ ইবন হড়ারাম ইবন জুনদাব ইবন আসিম
ইবন পনম ইবন আদী ইবনুন নড়াজ্জার-নড়াজ্জার গোত্রের আনসাবী ৷ তার কুনিয়াত ছিল আবু
হামযা , বাসস্থান মদীনায়, পরে বসরায় বসতি স্থাপন করেন ৷ রাসুলুল্লাহ (সা)-এর মদীনায়
অবস্থানকাল দীর্ঘ দশ বছর পর্যন্ত তার খিদমত করেন ৷ এ ধীর্ঘ দিন নবী করীম (সা) কখনো
তাকে ভভুসনা করেননি এবং তিনি করেছেন এমন কোন কাজের ব্যাপারে বলেননি, তা
করলে কেন ? এবং তিনি করেননি এমন কোন বিষয়ে তিনি বলেননি, এটা করলে না কেন ?
তার মা হলেন উম্মু সুলায়ম বিনত মিলহান ইবন খালিদ ইবন মায়দ ইবন হারড়াম ৷ এ মা-ই
তাকে রড়াসুলুল্লাহ (সা ) এর হাতে তুলে দিয়েছিলেন এবং তিনি তা কবুল করেছিলেন ৷ যা তার
এ সন্তানের জন্য নবী করীম (না)-এর কাছে দুআর আবেদন করলে নবী করীম (সা)
বলেছিলেন,

“হে আল্লাহ ৷ তার বন-দৌলত ও সন্তান-সওতি বাড়িয়ে দিন এবং তাকে দীর্ঘ্যয়ু করুন এবং
তাকে জান্নড়াতে দাখিল করুন ৷” আনাস (বা) বলেন, এর দুটি ৰিবয় আমি দেখেছি এবং
ভৃভীয়টির (জান্নড়াতে প্রবেশ) প্ৰর্তীক্ষায় রয়েছি ৷ আল্লাহর কসমৰু আমার রয়েছে অবশ্যই অধিক
সম্পদ এবং আমার সন্তান ও সন্তানের সন্তান-সম্ভতির সংখ্যা একশ ছাড়িয়ে গেছে ৷ ’ অন্য একটি
র্যণনড়ায় রয়েছেষ্আমার আৎগুর বাগান বছরে দদুবার করে ফল দেয় ৷ আর আমার ঔরবজাত
সন্তানের সংখ্যা একশ ছয় জন ৷

তার বদরে অংশ্যাহণ সসম্পর্কে মতানৈক্য রয়েছে ৷ আনসাবী (র) তার পিতা সুত্রে ছুমামা
(র) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তিনি বলেন, আনড়াস (রা)-কে বলা হল, আপনি কি বদরে
উপস্থিত ছিলেন ? তিনি বললেন, মা-মরা কােথাকার, বদর হতে অনুপস্থিত থেকে আমি
কোথায় যাব ? তার প্রসিদ্ধ মতে তিনি বয়সের স্বল্পতার কারণে বদরে অংশ্যাহণ করেন নি
এবং একই কারণে উহুদেও অংশ্যাহণ করেননি ৷ তবে হুদড়ায়বিয়া, খ্যয়বর, উমরাতুল কাযা ,
মক্কা বিজয়, হুনায়ন ও তাঈফ এবং এর পরবর্তী অভিযান সমুহে অংশ্যাহণ করেছিলেন ৷

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.