রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

নবী করীম (সা) কিরান হজ্জ পালন করেছিলেন অভিমত পােষণকাবীদের যুক্তি প্রমাণ

নবী করীম (সা) কিরান হজ্জ পালন করেছিলেন অভিমত পােষণকাবীদের যুক্তি প্রমাণ

রয়েছে ৷ অনুরুপ ওণদার (র)আবু ওয়াইল (র) সুত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, সাৰী ইবন
মাবাদ (র) বলেন, আমি খৃস্ট ধমৰিলম্বী এক ব্যক্তি ছিলাম; আমি ইসলাম গ্রহণ এবং (এক
সময়) আমি হজ্জ ও উমরার ইহরাম ৰীধলাম ৷ যায়দ ইবন সাওহান ও সালমান ইবন রাৰীআ
আমাকে ঐ দৃকাজেব্ল জন্য তালৰিয়া উচ্চারণ করতে শুনলেন ৷ তখন তারা বললেন, এ
ণ্লাকটি তার বাড়িওয়ালার উটের চইিতেও বিভ্রান্ত ৷ তাদের দুজানর কথায় আমার মাথায় যেন
পাহাড় ভেঙ্গে পড়ল ৷ আমি উমর(রা)এর কাছে ট্রপাছলে তাকে এ বিষয় অবগত করলাম ৷
তিনি ঐ দৃ’জনের কাছে এগিয়ে গেলেন এবং তাদের তিরস্কার করলেন এবং আমার কাছে
এসে বললেন, “তুমি নবী করীম (না)-এর সৃন্নতের প্ৰতি হিদায়াত প্রাপ্ত হরেহ ৷

আবদা (র) বলেন, আবু ওরইিল (র) বলেছেন, আমি এবং মড়াসরাক এ হাদীস সম্পর্কে
জিজ্ঞেস করার জন্য অনেক সময় সাবী ইবন মাবাদ (র)-এর কাছে ষেতাম ৷

উল্লিখিত সনদগুলো সহীহ্ (বুখারী)এর শর্তানুরুপ বেশ উত্তম ৷ আবু দাউদ, নাসাঈ ও
ইবন মাজা ও আবু ওয়াইস লার্কীকইবন সালাম৷ (র) হতে উল্লিখিত সনদের বিজ্যি সুত্রে এ
হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন ৷ নাসাঈ (র) তার সুনানের কিতাবুল হজ্জ-এ বলেছেন ৷ মুহাম্মদ
ইবন আলী ইবনুল হাসান ইবন শাকীক (এ শাকীকই হলেন আবু ওয়ইিল) উমর (রা) সুত্রে এ
মর্মে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আল্লাহর কসম ! আমি তোমাদের যুতআ
করতে নিষেধ করছি; অথচ তা অবশ্যই আল্লাহ্র কিতাৰেও রয়েছে এবং নবী করীম (সা)ও
তা অবশ্যই করেছেন (তবুও একটি বিশেষ কারণে আমি নিষেধ করছি) ৷ এ হাদীসের সনদ
জামািদ বেশ উত্তম ৷

আযীরম্স মৃমিনীন উদ্যান ও আমীরম্স মৃমিনীন আলী (বা) হতে আগত রিঅ্যাংত ষ্ক ইমাম
আহমদ (র) বলেন, মুহাম্মদ ইবন জাফর (র)সাঈদ ইবনুল মুসায়িাব (র) সুত্রে বর্ণনা
করেন, তিনি বলেন, (মক্কার) উসফানে আলী ও উছমান (রা) একত্রিত হলেন ৷ উছমান (বা)
যুতআ (তামাত্তু) কিংবা (বর্ণনা সন্দেহ, হজ্যের সাথে) উমরা করতে নিষেধ করতেন ৷ আলী
(বা) বললেন, রাসুলুল্লাহ্ (না) যে কাজ করেছেন সে ব্যাপারে আপনার এ কেমন ইচ্ছা যে, তা
নিষেধ করছেন ! উছমান (বা) বললেন, এ ব্যাপারে আপনি আমাকে আমার মত করতে দিন !
ইমাম আহমদ এভাবে সংক্ষিপ্ত আকারেই রিওয়ায়াত করেছেন ৷ বুবরীি-মুসলিমে ইমামদ্বয় এ
হাদীস আহরণ করেছেন তারা (র)সাঈদ ইবনুল মুসায়িব (র)-এর বরাতে, তিনি বলেন,
আলী ও উছমান (বা) তামাত্তুর ব্যাপারে মত ভৈদ্বধতায় লিপ্ত হলেন, তখন র্তারা উসফ্যা:ন
অবস্থান করেছিলেন ৷ আলী (বা) বললেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) করে গিয়েস্ফো এমন এক কাজে
আপনি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চান?আলী (বা) এ পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করে একত্রে দৃটির
(হজ্জ ও উমরা) ইহরাম ৰীধলেন ৷ বুখারী (র)-এর ভাষ্য-শব্দ অনুরুপ ৷

বুখারী (র) আরো বলেছেন, মুহাম্মদ ইবন ইয়াসার (র) ;মারওয়ান ইবনুল হাকাম (র)
হতে, তিনি বলেন, আমি উছমান ও আলী (না)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম, যখন উছমান (বা)
তামাত্তু এবং (হজ্জ ও উমরা এ) দুটি একত্রিত করা নিষেধ করছিলেন ৷ আলী (বা) অবস্থা
দেখে দৃটির তন্যে ইহরাম তালৰিয়া উচ্চারণ করে বললেন , “আপনার
সকাশে হাষির ৷ উমরা ও হজ্জ সহ ! তিনি বললেন, “কারো কথার আমি নবী কয়ীম (না)-এর

সুন্নত ণ্াপরিভ্যাগক রী হতে প৷ ৷রি না ৷” নাসা ৷ঈ (র) এ হাদীস একাধিক সুত্রে রিওয়ায়াত
করেছেন ৷

ইমাম আহমদ (র) আরো বলেন, মুহাম্মদ ইবন জা ফর (র)আবদুল্পাহ্ ইবন শার্কীক
(র) বলেন, উছমান (বা) তামাভু নিষেধ করতেন আর আলী (বা) তা করতে বলতেন ৷ এ সুত্রে
উছমান (রা) আলী (রা)-কে বললেন, আপনি শুধু এমন এমন ! (ঝামেলা লাগান); পরে আলী
(বা) বললেন, আপনি তো নিশ্চিতই জানেন যে, আমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে তামাভু
করেছিলাম ৷ উছমান (রা) বললেন, ছুা, তাই ৷ তবে আমরা তখন নিরাপত্তার ব্যাপারে শংকিত
ছিলাম ৷ মুসলিম (র) এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন তারা (র) সুত্রে ৷ মোট কথা, এতে আলী
(রা) এর বর্ণনার প্রতি উছমান (রা) এর স্পষ্ট স্বীকৃতি রয়েছে ৷ আর এ কথা তো বিদিত
হয়েছে যে, বিদায় হজের বছর আ ৷লী (রা) নবী করীম (সা) এর ইহ্রামের ন্যায় ইহ্রাম একথা
উচ্চারণ করে ইহরাম করেছিলেন এবং সাথে হাদী নিয়ে এসেছিলেন ৷ নবী কবীম (মা) তাকে
ইহ্রাম অবস্থায় থাকা র নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং নবী করীম (সা) তার হ দীতেও র্তা চেক শরীক
করে নিয়েছিলেন ৷ বর্ণনা পরে আসছে ৷

ইমাম মা ৷লিক (র) তার মুঅ ৷ত্তার বিওয়ায়াত করেছেন ৷ জাফর ইবন মুহাম্মদ (র) তার
পিতা হতে এ মর্মে যে, মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ (বা) সুকয়ায় হযরত আ ৷লী ইবন আবু
তালিব (না)-এর কাছে গেলেন, তখন তিনি উটের বাচ্চাদের পাত৷ ও আট৷ যেশানো খাবার
তৈরি করে দিচ্ছিলেন ৷ মিকদাদ (বা) বললেন, এই যে, উছমান ইবন আফ্ফান (রা) হজ্জ ও
উমরা একত্রিত করতে নিষেধ করছেন ৷ তখন আলী (রা) বেরিয়ে এলেন, তার হাতে মাখানাে
আট৷ ও পাতায় চিহ্ন লেগেছিল; তার দু বাহুতে লেগে থাকা পাতা ও আটার চিহ্নের কথা আমি
ভুলে যাব না ৷ তিনি এসে উন্ছমান (রা) এর কাছে প্রবেশ করে বললেন, হজ্জ ও উমরা
একত্রিত করতে আপনি নিষেধ করছেন? উছমান (রা) বললেন, ওটা আমার (ব্যক্তিগত)
অভিমত ৷ আলী (বা) তখন রাপান্বিত হয়ে বেরিয়ে এলেন এবং বলতে লাগলেন, “লাব্বায়কা
আল্পাহুম্মা লাব্বায়কা হাষির ইয়৷ আল্লাহ! হাযির এক সঙ্গে হজ্জ ও উমরার নিয়তে ৷ আবু
দউিদ (র) তার সুনানে বলেছেন, ইয়াহ্য়৷ ইবন মাঈন (র) বার৷ ইবন আযিব (রা) সুত্রে
বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (না) যখন আলী (রা)-কে ইয়ামানেয় প্রশাসক নিয়োগ
করলেন তখন আমি তার সঙ্গে ছিলাম ৷ আলী (রা)-এর হাজ্জ আগমন সম্পর্কিত হাদীসের
বর্ণনা দিয়েছেন ৷ আলী (রা) বললেন, রাসুলুল্পাহ্ (সা) আমাকে বললেন,
কেমন ইহ্রাম বেধেছো? আলী (রা) বলেন আমি বললাম, “আমি (তা নবী করীম (না)-এর
ইহ্রামের ন্যায় ইহ্রাম করেছি ৷ রাসুল কবীম (সা) বললেন
তো হাদী নিয়ে এসেছি এবং (হজ্জ ও উমরা একত্রিত করে) কিরান করেছি ৷”

নাসাঈ (র)ও এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন ইয়াহ্য়া ইবন মাঈন (র) হতে উল্লিখিত

সনদে ৷ এ সনদ বুখারী-মুসলিমের শর্তানুরুপ ৷ তবে হাফিজ বায়হাকী (র) এ কথা বলে এ
হাদীসের সমালোচনা করেছেন যে, জাবির (রা) বর্ণিত হাদীসে এ (কিরান) শব্দটি উল্লিখিত হয়

১ মক্কাগামী পথে একটি সংযোগবস্তি ও কাফেলোর সুকয়৷ বা পানি উঠানাের স্থান ৷

নি ৷ কিন্তু এ সমালোচনার দ্বিমতের অবকাশ রয়েছে ৷ কেননা, জাৰির ইবন আবদুল্লাহ (রা)-এর
হাদীসেও কিরান’ বর্ণিত হয়েছে ৷ ইনশাআল্লাহ্ ! একটু পরেই তা উল্লেখ করছি ৷ ইবন হ্নিা৷ম
(র) তার সহীহ্’ গ্রন্থে আলী ইবন আবু তালিব (বা) হতে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তিনি বলেন,
রাসুলুল্লাহ (সা) মদীনা হতে সফর করলেন ৷ আমি সফর শুরু করলাম ইয়ামান হতে ৷ আমি
ইহ্রামের সময় বললাম, লাব্বায়ক আমি হাঘির আপনার সকাশে ৷ নবী কয়ীম (সা) ইহ্রামের
ন্যায় ইহ্রামের সাথে ৷ তখন বললেন ৷,,ওএে আমি তো হজ্জ ও
উমরার জন্য একত্রিত ইহ্রাম ণ্বধেছি ৷

আনাস ইবন মালিক (রা)-এর রিওয়ায়াত : তাবিঈদের একটি দল আনাস (বা) হতে এ
বিষয় রিওয়ায়াত করেছেন ৷

বর্ণনা বিন্যাসের স্বার্থে আমর৷ (আরবী) বর্ণ ক্রমিক অনুসারে রিওয়ায়াতগুলো উদ্ধৃত করছি ৷

(১) বকর ইবন আবদুল্লাহ আল-সুমানী (র) বলেন, ত্া৷ নাস ইবন মালিক (রা)ৰুকে আমি
বর্ণনা দিতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা)শ্দ্বুক একত্রে হজ্জ ও উমরার তালৰিয়া
উচ্চারণ করতে শুনেছি ৷ ইবন উমর (রা)-এর কাছে আমি এ হাদীস বর্ণনা করলে তিনি
বললেন, তিনি কেবল হব্লুজ্জর তালৰিয়া ইহরাম করেছেন ৷ আমি আসলে (রা)এর সাথে
সক্ষোত করে তার কাছে ইবন উমর (রা) এর উক্তি ৰিবৃত করলাম ৷ তিনি বললেন, (ইা)
আমাদের ক্লেব্ল শিশু ঠাওরানো হচ্ছে ৷ আমি রাসুলুল্লাহ (সা) কে বলতে শ্যুনছি এ-ম
এষ্ঠ “হাযির আপনার কাছে উমর৷ ও হজ্জ সহকারে ৷”

বুখারী (র) ও মুসলিম (র) এ হাদীসখান৷ বিভিন্ন সনলে ৰিওরারাত করেছেন ৷
(২) ছাবিত আল-বুনানী (র) আনাস (রা) সুত্রে ইমাম আহমদ (র) বলেন, ওয়ার্কী (র)
(ইবন আবু ছাবিত) আনাস (বা) থেকে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সা) বলেছেন-

-ম৷ হাঘির আপনার সকাগাে এক সঙ্গে উমরা ও হজ্জ নিয়ে ! এ সুত্রে
আনাস (বা) থেকে হাসান নসরী (র) একাকী বৰ্ন্নি৷ করেছেন৷ ইমাম আহমদ (র) আরো
বলেছেন, রাওহ (র) আনাস ইবন মালিক (র) সুত্রে এ মর্মেবর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্পাহ্ (না)
ও তার সাহাৰীগণ মক্কায় উপনীত হলেন, এ অবস্থায় যে, র্তারা হজ্জ ও উমরার তালৰিয়া
উচ্চারণ কঃরছিলেন ৷ র্তার৷ বায়তৃল্লাহ্ব তাওয়াফ ও সফো-মারওয়ায় সাঈ করার পরে
রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাদেরকে হালাল হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন এবং একে উমরা সাব্যস্ত করতে

বললেন ৷ মনে হল যেন সব লোক এতে ৰিব্রত হল ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন
“আমি যদি হাদী নিয়ে না আসতাম, তবে অবশ্যই হালাল হয়ে
যেতাম ৷”

তখন লোকেরা হালাল৷ হল এবং তামাত্তু (উমরার সমাপ্তিতে নতুন ইহরামে হজ্জ) করল ৷
হাফিজ আবু বকর আলবায্যার (র) বলেন, হাসান ইবন কাঘৃ আ (র) (হাসান) আনাস
(রা) সুত্রে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সা) নিজে এবং তার সাহা-র্বীগপ হজ্জ ও
উমরার ইহরাম তালৰিয়া করেছেন ৷ র্তারা মক্কায় উপনীত হয়ে বায়ভুল্লাহ্র তাওয়াফ এবং
সাফা-মারওয়ায় সাঈ করলে, রাসুলুল্পাহ্ (সা) র্তাদের হালাল হয়ে যাওয়ার হুকুম দিলেন; এতে

তারা রুিবত হলেন ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন
তোমরা হালাল হয়ে যাও; আমার সাথে যদি হাদী না থাকত, তবে আমিও হালাল হয়ে
যেতাম ৷ তখন র্তারা হালাল হলেন এমনকি শ্রী গমন পর্যন্ত করলেন ৷ রিওয়ায়াত করার পরে
বাঘৃযার (র) মন্তব্য করেছেন, আনাস (রা)-এর শাগরিদ হাসান (র) হতে আশআছ ইবন
আবদুল মালিক ব্যতীত অন্য কেউ এ হাদীসখান৷ রিওয়ায়াত করেছেন বলে আমাদের জানা
(৩) হুমায়দ ইবন তীরুয়া আততাবীল (র) আনাস (বা) সুত্রে ইমাম আহমদ (র) বলেন,
ইয়াহ্য়া (র) হুমায়দ (র) হতে (তিনি বলেন) আমার (রা)-ফে বলতে শুনেছি (যে, তিনি বলেন,)
রাসুলুল্লাহ্ (সা) কে বরত্তে শ্যুনছি “আপনার সক্যাশ হাযির হাযির ৷
হজ্জ উমরা ও হজ্জ নিঃর !” এ সনদটি একটি ন্হ্রলাহী (তিন সুত্রীয়) সনদ১ এবং এটা দুই প্রধান
ইমাম (বুখাৰী-মুসলিম)-এর শর্তানুকুল ৷ তবে তারা দুজন এবং ছয় গ্রন্থমালার সংকলকদের
কেউ এ সুত্রে হাদীসটি উদ্ধৃত করেন নি ৷ তবে মুসলিম (র) হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন
ইয়াহ্য়া ইবন ইয়াহ্য়া (র),হুমায়দ (র) ও অন্য দুজন ওনেছেন আনাস ইবনমালিক (রা)-
কে “তিনি বলেন, ; আমি: রা সু লুল্লাহ্ (না)-কে ঐ দুটি একত্রিত করে ইহরাম করতে শুনেছি
“আপনার সকাশে হাযিবা উমরাও হস্তজ্জা জন্য; আপনার সকাশে হাষির হাষির! উমরা ও
হরুজ্জর জন্য ! ইমাম আহমদ (র) আরো বলেন, ইয়ামুর ইবন ষুসৃর (র)আনাস ইবন মালিক
(বা) সুত্রে তিনি বলেন, “রাসুলুল্লাহ্ (সা) অনেকগুলো উটহাদীরুপে সাথে নিলেন এবং বললেন,
“আপনার সকাশে হাযির! উমর৷ ও হজ্জ সহকারে ৷ ” তখন আমি তার (বাহন) ণ্উটনীয় বাম উরুর
কাছে ছিলাম (এ সুত্রেও আহমদ (র) একাকী এ হাদীস বর্ণনা করেছেন) ৷

(৪) হুমায়দ ইবন হিলাল আল-আদাবী আল-বসৃয়ী (র) আনাস (রা) সুত্রে হাফিজ আবু
বকর আন-বায্যার (র) তার র্মুসনাদে বলেছেন, মুহাম্মদ ইবনুল শ্মুছান্ন৷ (র):আনাস ইবন
মালিক(রা) সুত্রে, তিনি বলেন, আমি আবু তালহ৷ (রা)-এর (উটে) সহ-আরোহী ছিলাম, আর
তার ছুাট্রু রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) এর ছুাটু স্পর্শ করছিল ৷ আর তিনি হজ্জ ও উমরার তালৰিয়া
উচ্চারণ করছিলেন ৷ এ সনদটি সহীহ্-এর শত ৷র্তানুরুপ বেশ উত্তম ও মজবুত সনদ, তবে সিহাহ্
গ্রন্থকারগণ এটি উদ্ধৃত করেন নি ৷ ওদিকে বায্যার (র) ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে, যিনি হজ্জ ও
উমরার তা ৷লবিয়৷ উচ্চারণ করছিলেন তিনি আবু তালহ৷ (রাসুল সা নন), তবে নবী কৰীম
(না) তাতে আপত্তি করেন নি ৷ করে বায্য৷ র (র) এর এ ব্যাখ্যার দ্বিমতের অবকাশ রয়েছে ৷
বরং এটি অপ্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ৷ কেননা, আনাস (বা) হতে অনব্রুান্য সুত্রেও (রাসুল সা এর
রুিরালের) বিষয়টি সাব্যন্ন্তু হয়েছে ৷ (পুর্বাপর বর্ণনা দ্রষ্টব্য) তাছা ৷ড়৷ তিনি ( ঙু১) সর্বনড়ামটি তার
পুর্বে উল্লিখিত দুই শব্দ এর নিকটবর্তী শব্দ (রাসুলুরাহ্) এর সাথে

১ রাসুলুরাহ (সা) হতে মাত্র তিন সুত্র মাধ্যহ্ম আহরিত হাদীছক্কক হ্রনাহী তিন সুত্রীয় হড়াদীছ বলা হয় ৷
এ ধরনের সনদ ও হাদীছ ৰিৰুল্ ও বিংশ ৷ষ মর্যাদা সম্পন্ন ৷ অ্নুবাদক
২ অর্থাৎ বামৃষার (র)-এর মতে এ হাদীছে আবু৷ তা লহার কিরান হজ্জ এবং তাতে রাসুলুল্লাহ্ (সা)এর
নিরর অনুমোদন সাবন্তে হলেও খােদ নবী করীম (সা) এর কিরান হজ্জ করা সাব্যস্তহয় না ৷-অনুবাদক

সম্পৃক্ত হওয়াই অধিক উপযোগী এবং সে ক্ষেত্রে বত্তল্যটি সুস্পষ্ট অর্থ নির্দেশক হবে ৷ আল্পাহ্ই
সমধিক অবগত ৷ আনাস (রা) থেকে বর্ণিত সালিম ইবন আবুল জাদ (র)-এর রিওয়ায়াত
উল্লিখিত ব্যাখ্যার সরাসরি প্রত্যাখ্যান রয়েছে ৷

যায়দ ইবন আসলাম (র) আনাস (বা) হতে হাফিজ আবু বকর আলৰুবাবৃযার (র) আনাস
(রা) সুত্রে রিওয়ায়াত করেছেন যে, নবী করীম (না) হজ্জ ও উমরার ইহরাম করেছিলেন ৷
হাসান ইবন আবদুল আযীয আল-জ্বাবারী ও মুহাম্মদ ইবন মিসকীন (ব) আনাস (রা) সুত্রে
অনুরুপ বর্ণনা করেছেন ৷

মন্তব্য : এটি সহীহ্ বুখারীর শর্তানুরুপ একটি বিশুদ্ধ সনদ, তবে এ সুত্রে সিহাহ্
গ্রস্থাকারগণ হাদীসটি উদ্ধৃত করেন নি ৷ তবে হাফিজ আবু বকর বায়হাকী (র) এ বর্ণনার চেয়ে
ৰিশদভাবে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তিনি বলেছেন, আবু আবদৃল্লাহ্ আল-হাফিজ ও
আবু বকর আহমদ ইবনুলহাসান আলকাযী (ব)যায়দ ইবন আসলাম (র) প্রুযুখ্ সুত্রে এ
মর্মে বর্ণনা করেন যে, একবাক্তিৰুইবন উমর (রা)-এর কাছে এসে বলল, রাসুলুল্পাহ্ (সা) কী
বলে ইহরাম বেধেছিলেন? ইবন উমর (রা) বললেন, “হজ্যের ইহরাম বেধেছিলেন ৷” লোকটি
চলে গেল এবং পরের বছর আমার তার কাছে এসে বলল, রাসুলুল্লাহ্ (সা) কী বলে ইহরাম
করেছিলেন? ইবন উমর (রা) বললেন, তৃযি গত বছর আমার কাছে এসে ছিলে না ? সে
বলল, জী হী, তবে আনাস ইবন মালিক (রা) বলে থাকেন যে, তিনি কিরান করেছিলেন ৷ ইবন
উমর (রা) বললেন, আনাস ইবন মালিক “তো নারীদের মাঝে আসা-যাওয়া করতেন, যখন
তাদের মাথা খোলা থাকত (অর্থাৎ তখন তীর বয়স কম ছিল) ৷ আর আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর
উটনীর ছায়াতলে ছিলাম, তার উটনীটির লালা আমার গায়ে লাগছিল, আমি তাকে (শুধু)
হাজ্জর ইহরাম করতে শ্যুনছি ৷

(৬) সালিম ইবন আবুল জা দ আল-গাতফানী আল কুফী (র) আনাস (রা) সুত্রে ইমাম
আহমদ (র) বলেন, য়াহ্য়া ইবন আদম (র),-আনাস (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন, তিনি (সনদটি)
নবী করীম (সা) পর্যন্ত উন্নীত করে বলেছেন যে, তিনি (নবী করীম সা) হজ্জ ও উমরা
একত্রিত করে বললেন, আপনার সকাশে বারংবার হাযির,এক সাথে হজ্জ ও উমরা নিয়ে ৷ এর
সনদ হাসান উত্তম, তবে তারা (বিশিষ্ট হয় হাদীস গ্রন্থকার) তা উদ্ধৃত করেন নি ৷ ইমাম
আহমদ (র) আরো বলেন, আফ্কান (ব)হাসান ইবন আলীর আযাদকৃত গোলাম সাদ (ব)
থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমরা আলী (রা)-এর সাথে বের হলাম ৷ আমরা খুল-
হুলায়ফায় পৌছলে আলী (বা) বললেন, আমি হজ্জ ও উমরা একত্রিত করার ইরাদা করছি,
সুতরাং যারা তা ইচ্ছা করবে তারা যেন তেমনি বলে যেমনটি আমি বলছি ৷ এ কথা বলার পর
তিনি এই বলে তালৰিয়া উচ্চারণ করলেন, “আপনার সকাশে হায়ির, এক
সাথে হজ্জ ও উমরা নিম্নে ! বর্ণনাকারী বলেন, সালিম (র) বলেছেন, আনাস ইবন মালিক (রা)
আমাকে অবগত করেন ৷ তিনি বলেছেন, আল্লাহ্র কসম৷ আমার পা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর পা
স্পর্শ করছিল (প্রায়) ৷ তিনি অবশ্যই ঐ দুটি একত্রিত করে ইহরামের তালৰিয়া উচ্চারণ
করছিলেন ৷ এ সুত্রেও এটি জায়িাদ, বেশ উত্তম সনদ ৷ তবে সিহাহ্ গ্রহুকারগণ তা উদ্ধৃত
করেন নি ৷ এ বর্ণনা আনাস (রা) থেকে গৃহীত হুমায়দ ইবন হিলাল (র)-এর হাদীস সংক্রান্ত

বায্যার (র) এর প্রদত্ত ব্যাখ্যা খণ্ডন করে (পুর্বে আলোচিত হয়েছে) ৷ আল্পাহই সমধিক
অবগত ৷

(৭) সুলায়মান ইবন তারখান আততায়মী (র) আনাস (বা) হতে হাফিজ আবু বকর
আল-বাঘৃযড়ার (র) বলেন, ইয়াহ্য়া ইবন হাবীব ইবন আৱাবী (র)আনাস ইবন মানিক (বা)
সুত্রে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, আমি নবী করীম (না)-কে ঐ দু’টি একত্রিত করে তালবিয়া
উচ্চারণ করতে শুনেছি ৷ তারপর বাঘৃযার (র) বলেছেন, (সুলায়মান) তায়মী (র) হতে তার
ছেলে মুতা ৷মির (র) ব্যতীত আ র কেউ হাদীস শুনে নি ৷ আর তার নিকট হতে ইয়াহ্য়া ইবন
হাবীব আল-আরাবী (র) ব্যর্তীত আর কেউ শ্যুন নি (অর্থাৎ সনদঢি আস্বা৷ গোড়া একক
সুত্রীয়) ৷ আমার মস্তব্যং হাদীসটি সহীহ্-এর শতানুরুপ, যদিও সহীহ গ্রন্থক৷ ৷রগণ তা উদ্ধৃত
করেন নি ৷

(৮) সুওয়ায়দ ইবন হুজ্যয়র (র) আনাস (রা) সুত্রে ইমাম আহমদ (র) বলেন, মুহাম্মদ
ইবন জাফর (র)(সুওয়ায়দ আবু কাযাআ) আনাস ইবন মালিক (রা) সুত্রে তিনি বলেন,
আমি আবু তালহা (রা) এর সহ-আরোহী ছিলাম ৷ (চলার সময়) আবু তালহা (র) এর হীটু
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর হাটুর সাথে লেগে যাচ্ছিল প্রায় ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর হজ্জ ও উমরার কথা
উল্লেখ করে ত ৷লবিয়৷ পাঠ করছিলেন ৷ এটি একটি জা ৷ব্যিদ, বেশ উত্তম সনদ যা আহমদ (র)
একা ৷কী গ্রহণ করেছেন; তবে তা সহীহ গ্রন্থক৷ রাগণ উদ্ধৃত করেন নি ৷ এ বর্ণনায় হ ফিজ
বাঘৃযার (র) এর ব্যাখ্যা র স্পষ্ট খণ্ডন রয়েছে ৷

(৯) আবদুল্লাহ ইবন যারদ আবু কিলাবা আল-জারমী (র), আনাস (রা) সুত্রে ইমাম
আহমদ (র) বলেন, আবদুর রাঘৃযাক (র)(আবু কিলাবা) আনাস (বা) সুত্রে তিনি বলেন,
আমি আবু তালহা (রা’)-এর সহ-আরােহী ছিলাম তখন নবী করীম (না)-এর পাশাপাশি পথ
চলছিলেন ৷ তিনিশুরলেন, (অবস্থা এমন ছিল) যে, আমার পা নবী ন্করীম (না)-“এর (বাহনের)
পাদানী স্পর্শ করছিল; আমি তখন তাকে এক সাথে হজ্জ ও উমরার তালবিয়া ন্ন্ পাঠ করতে
শুনলাম ৷ বুখারী (র)ন্ও এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন আয়ুাব (র) (আবু কিলাবা) আনাস
হতে একাধিক সুত্রে তিনি (আবাস) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (না) যুহ্র সালাত মদীনায় চার
রাকআত আদায় করলেন এবং আসর আদায় করলেন যুল-হুলায়ফায় দুই রাকআত আদায়
করলেন ৷ তারপর সকাল পর্যন্ত সেখানে রাত কটিালেন ৷ তারপর তার শ্বাহনে আরোহণ
করলেন ৷ তারপর বাহন তাকে নিয়ে প্রাম্ভরে সোজা হয়ে র্দাড়ালে আল্পাহ্র হাৰুমৃদ, তাসৰীহ্ ও
তাকৰীর (আলহ্যমদু লিল্লাহ্ সুবহানাল্লাহ্ ও আল্লাহ আকবার) উচ্চারণ করলেন এবং হজ্জ ও
উমরার ইহরাম বীধলেন ৷ সােকেরাও ঐ দু’ঢির একত্রিত ইহরাম র্বীধলো ৷ তার অন্য একটি
রিওয়ায়াতে রয়েছে “আমি আবু তালহা (রা) এর সহ-আরােহী ছিলাম, , লোকেরা একত্রে ঐ
দুটির, হজ্জ ও উমরার কথা উট্চ্চ৪স্বরে বলছিল” ৷ আয়ুাব (র) আনাস (রা) সুত্রে বুখ৷ ৷রীর
(র)-এর অন্য একটি রিওয়ায়াতে রয়েছে তিনি (জানান) বলেন তারপর রাত যাপন
করলেন, অবশেষে সকাল হলে ফজর সালাত আদায় করার পর তার বাহনে আরোহণ
করলেন ৷ অবশেষে তা তাকে নিয়ে প্রম্ভেরে স্থির হলে উমরা ও হহ্বজ্জর ইহরাম-তান্সবিয়া পাঠ
করলেন ৷

(১০) আবদুল আযীয ইবন সুহড়ায়ব (র) আনাস (রা)সুত্রে হুমায়দ আত-তারীল (ক)-এর
রিওয়ায়াত মুসলিম (র) আহরিত-এর সাথে র্তার রিওয়ায়াত পুর্বে উল্লিখিত হয়েছে ৷

(১১) আলী ইবন যড়ায়দ ইবন জাদআন (র) আনাস (বা) সুত্রে হাফিজ আবু বকর আল-
বাঘৃযার (র) বলেন, ইব্রাহীম ইবন সাঈদ (র) (আলী ইবন যড়ায়দ) আনাস (রা) সুত্রে এ মর্মে
বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (না) যে দুটি একত্রিত করে র্তালবিয়া পাঠ করলেন ৷ এ সুত্রে এটি
গরীব বিরল ৷ সুনান গ্রন্থকারদের কেউ এটি উদ্ধৃত করেন নি, তবে এটি তাদের শর্ত পুরণ করে ৷

(১২) কড়াতাদা ইবন দি আনা আস-সাদুসী (র) আনাস (রা) সুত্রে ইমাম আহমম (র)
বলেন, বাহ্য (র) ও অড়াবদৃসন্সড়ামড়াদ (র)কাতাদা (র) সুত্রে বলেন, আমি আনাস ইবন
মালিক (রা) কে প্রশ্ন করলাম বললাম, নবী কৰীম (সা) কতবার হজ্জ করেছেন? তিনি
বললেন, একবার হজ্জ করেছেন;অ আর চারবার উমরা করেছেন ৷ (১) হুদায়বিয়ার সময়; (২)
যিলকা ৰুদ মাসে মদীনা হতে তার উমরাতুল কাযা; (৩) যিলকাদ মাসে জিইররানা থেকে তার
উমরা, যেখানে হুনায়ভ্রুনর পনীমত বৃউন করেছিলেন এবং (৪) হরুজ্জর সাথে তার উমরা ৷
বুখাবী-মুললিম্ (র) তাদের গ্রন্থদ্বয়ে এ হাদীস উদ্ধৃত করেছেন ৷

(১৩) যুস আব ইবন সুলায়ম আবৃযুবায়রী (র) (যুবায়রীদের আযাদকৃত গোলাম) আনাস
(বা) হতে ইমাম আহমদ (র) বলেন, ওয়াকী (র) (মুসআব বলেন, আমি শুনেছি,) আনাস
(বা) বলেছেন, “রাসুলুল্লাহ্ (সা) হজ্জ ও উমরার তঙ্কুলৰিয়া উচ্চারণ করেছেন ৷ এ হাদীস
আহমদ (র) এক কী বর্ণনা করেছেন ৷

(১৪) ইয়াহয়া ইবন ইসহড়াক আল-হাযরামী (র) আনাস সুত্রে ইমাম আহমদ (র) বলেন,
হুশায়ম (র) (ইয়াহ্য়া ইবন ইসহাক, আবদুল আযীয ইবন সুহায়ব ও হুমায়দ আততাবীল র
সকলে) আনাস (বা) হতে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, এরা তাকে বলতে শুন্যেছন, আমি
রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে হজ্জ ও উমরা একত্রিত করে “আপনার সকাশে হাষির! আপনার
সকাশে হাযির ! বলে তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি ৷” পুর্বে উল্লিখিত হয়েছে যে, মুসলিম (র)-
ও এ হাদীস ইয়াহ্য়া ইবন ইয়াহ্য়া (র) হুশায়ম সনদে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ ইমাম আহমদ
(র) আরো বলেছেন, আবদুল আ লীে (র) (ইয়াহ্য়া) আনাস (রা) সুত্রে তিনি বলেন, আমরা

রাসৃলুল্পাহ্ (সা) এর সাথে মক্কার উদ্দেশ্যে বের হলাম; (তিনি বলেন) আমি তাকে বলতে
ওনলাম আপনার লক বেশ হাযির উমরা ও হস্তুজ্জর উদ্দেশ্যে ৷ ন্

(১৫) আবুস সড়ায়কড়া ড়াল (র) আনাস (রা) থেকে ইমড়াম অ হমদ (র) বলেন, হাসান (র) ও
আহমদ ইবন আবদুল-মালিক (র)(আবু আসমা আস-সায়কা ন্ল) আন স ইবন মালিক (বা)

হতে, তিনি বলেন, আমরা বের হলাম তখন আমরা সশ ব্দে হভৈজ্জর তালবিয়া উচ্চারণ
করছিলাম; যখন আমরা মক্কায় পৌছলাম তখন রাসুলুল্পাহ্ (সা) সেটিকে উমরায় পরিণত

করতে আমাদের নির্দেশ দিলেন এবং মললেনষ্-

“বা আমি পরে বুঝেছি, তা যদি আগে বুঝতে পারতাম তাহলে অবশ্যই আমি এটিকে
উমরায় পরিণত করতাম; জ্যি আমি হাদী নিয়ে এসেছি এবং হজ্জ ও উমরা একত্রিত করেছি ৷
আর নাসাঈ (র) এ হাদীসখান৷ রিওয়ায়াত করেছেন, আবুল আহওয়াস (র) (আবু আসমা
আস-সায়কাল) আনাস ইিবৃন মালিক (রা) সুত্রে, তিনি বলেন, “আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা) কে ঐ
দু টির তালৰিয়া উচ্চারণ করতে ওনেছি ৷

(১৬) আবু কুদাম৷ আল হ্ানাফী (মুহাম্মদ ইবন উবায়দ) (র) আনাস (রা) সুত্রে ইমাম
আহমদ (র) বলেন, রাওহ ইবন উবাদ৷ (র)আবু কুদাম৷ আল-হানাকী (র) সুত্রে তিনি
বলেন, আমি আনাস (রা)ন্ণ্ক লোঃ রাসুলুল্লাহ্ (সা)রুি দিয়ে তালৰিয়া পড়ছিলেন? তিনি
বললেন, আমি তাকে সাতবার (দশ-বিশ অর্থাৎ একাধিকবার) শুনেছি যে, উমরা ও হজ্জ-এর
তালবিয়৷ পাঠ করছেন ৷ ইমাম আহমদ (ব) একাকী এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ৷ তবে এটি
একটি সুদৃঢ় ও বেশ উত্তম সনদ ৷ (মার প্রাপ্তিতে) আল্লাহ্বই জন্য যাবতীয় হামৃদ; তাবই সব
অনুকম্পা এবং তিনিই তাওফীক দাতা ও হিফাজতকারী ৷

ইবন হাব্বান (র) তায় সহীহ্ গ্রন্থে আনাস ইবন মালিক (বা) সুত্রে রিওয়ায়াত করেছেন ৷
তিনি বলেন, রাসুলুল্পাহ্ ,(সা) হুজ্জ ও উমরা একত্রে মিলিয়ে করেছিলেন, উার সাথের
লোকেরাও একত্রে মিলিয়ে করেছিলেন ৷

হাফিজ বায়হাকী (র) আনাস ইবন মালিক (রা) সুত্রে বিন্তুতভ্যন্নে এ সব সুত্রের কোন
া:কানটি উপস্থাপন করেছেন ৷ তারপর তিনি এগুলোর সমালোচনা পর্যালোচনার এমন কিছু মত
বা করেছেন যাতে ভিন্নমত রয়েছে ৷ তার বক্তব্যের সার কথা হল এক্ষেত্রে থােদ আনাস (রা)-
ই তালগােল পাকিয়ে ফেলেছেন ৷ তার পরবর্তী রাৰীগণ নয় ৷ অন্য একটি সম্ভাবনা হতে পারে
যে, রাসুলুল্লাহ্ (না) অন্য কাউকে কিরান পদ্ধতির ইহরাম ও তালৰিয়া শিক্ষা দিচ্ছিলেন তখন
আনাস (বা) তা শুনতে পেয়েছিলেন এবং াসেটিকে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর ইহরাম মনে
করেছিলেন ৷ অথচ নবী করীম (সা) নিজের হজ্জ ও উমরার ইহরাম করেন নি ৷ আল্লাহ্ই
সমধিক অবগত ৷ তিনি আরো বলেছেন যে, আনাস ইবন মালিক (রা) ব্যতিরেকে অন্যান্যরা এ
বিষয়টি রিওয়ায়াত করেছেন, তবে সেগুলোর গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত নয় ৷

গ্রহুকারের মন্তব্য : এ মন্তব্যে যে বাহ্যতই দ্বিমত (পাষণের অবকাশ রয়েছে, যে কেউ ণ্
একটু চিন্তা করলেই তা তার কাছে স্পষ্ট প্রতিভাত হবে ৷ বরং এ ধরনের বক্তব্য উপস্থাপন না
করাই যে ইমাম বায়হাকীর জন্য উত্তম ছিল, এ কথা নির্থিধায় বলা যায় ৷ কেননা, এতে একজন
মহান সাহাবীর স্মরণ শজাি ব্যাপারে প্রশ্ন তোলায় অবকাশ সৃষ্টি হয়েছে অথচ যেমন আমরা
বর্ণনা করে এলাম, বিষয়টি তার কাছ থেকে উপর্বুপরি বহু সুত্রে বর্ণিত হয়েছে ৷ এছাড়া কোন
সাহাবী সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য একটি বড় ধরনের গর্হিত বিষয় এবং তা হটকারিত৷ ও
অন্যায় সমালোচনার দুয়ার খুলে দিতে পারে ৷ আল্পাহ্ তা আলাই সমধিক অবগত ৷

কিরান সম্পর্কে বারা ইবন আযিব (রা) এর হাদীস

হাফিজ আবু বকর আল বায়হাকী (র) বলেন, আবুল হুনায়ন ইবন বুশরান (র);;বাৱা
ইবন আযিব (বা) সুত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসৃলুল্পাহ্ (সা) তিনবার উমরা করেছেন
যার সবগুলোই ছিল যিলকদ মাসে ৷ তখন অইিশা (রা) বললেন, তিনি তো ভাল করেই জানেন

যে, তিনি তবে যে উমর ৷টির সাথে হজ্জ করেছিলেন সেটিকে সহ চা ৷রবার উমরা করেছেন ৷
বায়হাকী (র) বলেন, এ হাদীসটি সুরক্ষিত নয় ৷ আমার মতে (এটি সং রক্ষিত, কেননা)
আইশ ৷৷ (রা) এর সাথে সংযুক্ত বিশুদ্ধ সনদে এর অনুরুপ হাদীস একটু পরেই উল্লিখিত হবে ৷

জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রা)-এৱ রিওয়ায়াত : হাফিজ আবুল হাসান দার৷ কুতনী (র)
বলেন, আবু বকর ইবন আবু দাউদ ও মুহাম্মদ ইবন জাফর ইবন রামীস, আবু উবায়দ কাসিম
ইবন ইসমাঈল ও উছমান ইবন জাফর আল লাব্বান (র) প্রমুখ(সৃফয়ান ছাওরী র)

জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রা) সুত্রে, তিনি বলেন, নবী করীম (সা) তিনবার হজ্জ করেছেন;
দৃবার হিজরত করার আগে আর একবার হাজ্জর সাথে উমরা সৎ যুক্ত করেছেন ৷ তিরমিষী ও
ইবন মাজা (র) ও এ হাদীস সুফিয়ান ইবন সাঈদ আছ-ছাওরী (র) সুত্রে উল্লিখিত সনদে
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তবে তিরমিষী (র) রিওয়ায়াত করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আবু যিয়াদ
(র) যায়দ ইবন হবার মাধ্যমে, সুফিয়ান (র) সুত্রে ৷ তারপর তিনি বলেছেন, সুফিয়ান (র) এর
হাদীস বিরল পর্যায়ের ৷ কেননা, যায়দ ইবনুল হ্বাব (র) ব্যতীত অন্য কো ন সুত্রে আমরা
হাদীসটির পরিচিতি লাভ করি নি ৷ আর আবদুল্লাহ্ ইবন আবদুর রহমান, রাযী (র) কে আ ৷মি
দেখেছি যে, তার পাণ্ডুলিপিাত তিনি আবদুল্লাহ ইবন আবু যিয়াদ (র) সুত্রেই হাদীসটি
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ আমি মুহাম্মদ (বুখারী)কে এ হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি এর
পরিচিতি স্বীকার করলেন না এবং র্তাকে আ ৷মি দেখেছি যে, তিনি এটিকে সৎরক্ষিত পর্যায়ের
মনে করছেন না ৷ তিনি বলেছেন যে, ছাওরী (র) মৃজা ৷হিদ (র) সনদে মুরসাল (সাহাবীর
সাথে সং যুক্ত নয়) রুপে বর্ণিত হয়েছে ৷ বায়হাকী (র) কৃত আস-সুনানুল কাৰীর এ রয়েছে ৷
আবু ঈসা তিরমিষী (র) বলেছেন, আমি মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (র) কে এ হ দীস
সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, এটি একটি ত্রুটিপুর্ণ (সনদের) হাদীস; প্রকৃতপক্ষে
এটি ছাওরী (র) সুত্রে মুরসাল’রুাপ রিওয়ায়াত হয়েছে ৷ বুখারী (র) আরো বলেছেন, যায়দ
ইবনুল হুবাব (র) যখন ক্রটিপুর্ণ (সনদে) রিওয়ায়াত করতেন, তখন তার কোন কিছুাত ভ্রাস্তির
শিকার হাতন ৷ অবশ্য ইবন মাজা (র) এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন কাসিম ইবন মুহাম্মদ
ইবন আব্বাস আল-ষুহাল্পাবী (র) সুত্রে সুফিয়ান ছাওরী (র) হতে, উল্লিখিত সনদে (অর্থাৎ এ
সনদে যায়দ ইবনুল হুবাৰ্ (র) যেই ৷ অনুবাদক) ৷ এটি এমন একটি সুত্র যার অবনতি
তিরমিষী ও বায়হাকী (র) লাভ করতে পারেন নি এবং এমনকি সম্ভবত বুখারী (র)-ও নয় ৷
যেহেতু তিনি যায়দ ইবনুল হুবাব (র) কে এ হাদীসের একক বর্ণনাক৷ রী ধারণা করে তার
ব্যাপারে বিরুপ মন্তব্য করেছেন ৷ অথচ বাস্তবে তিনি একক নন ৷ এ হাদীসের শ্া৷হিদ
(সমর্থক) রিওয়ায়াত রয়েছে ৷ আল্লাহ্ই সমধিক অবগ্াত ৷

জাবির (বা) হতে অন্য একটি সুত্র ও আবু ঈসা তিরমিষী (র)ষ্বলেন, ইবন আবু উমর
(আবুয-যুবায়র) জাবির (রা) সুত্রে, এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) হজ্জ ও উমরা
মিলিয়ে করলেন এবং সে দৃটির জন্য অভিন্ন তাওয়াফ করলেন ৷ তারপর তিরমিষী (র)
বলেছেন, এটি একটি উত্তম হাদীস (তিরমিষীর কোন কোন সংস্করণে হাসান (উত্তম) স্থলে
সহীহ্ (বিশুদ্ধ) শব্দ রয়েছে) ৷ ইবন হিব্বান (র) তার সহীহ্ গ্রন্থে এ হাদীসটি জাবিব (রা) সুত্রে
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তিনি বলেন, নবী করীম (সা) তার হজ্জ ও উমরার জন্য একটি মাত্র

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.