buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort

নবী (সা) কর্তৃক সফরে খাদ্যবৃদ্ধির আরেকটি হাদীস

আল্লাহ্র কসম ! একশ ত্রিশ জনের প্রত্যেককেই আল্লাহ্র রাসুল সেই বকরীর তুনা যকৃত থেকে
অংশ দিয়েছিলেন ৷ যে উপস্থিত জ্জিা, তাকে তৎক্ষণাৎ দিলেন আর যে অনুপস্থিত ছিল তার জন্য
পৃথক করে তুলে রাখলেন ৷ আব্দুর রহমান বলেন, আর তিনি এই বকরীর গােশত দুটি খড়াঞ্চায়
রাখলেন ৷ তারপর আমরা সকলে পেট তবে তা পেলাম এবং উভয় খাঞ্চায় খাবার অবশিষ্ট
রইলো ৷ তখন আমরা তা আমাদের উটের হাওদায় নিয়ে রাখলাম ৷ আর বুখারী ও মুসলিম

মু-’তামির ইবন সৃলায়মানের হাদীস সংগ্রহ থেকে তা রিওয়ায়াত করেছেন ৷

নবী (সা) কর্তৃক সফরে খাদ্য বৃদ্ধির আরেকটি হাদীস

ইমাম আহমদ, ফাযারা ইবন উমর আবু হুরায়রা (বা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি
বলেছেন, একবার রাসুলুল্পাহ্ (সা) কোন এক যুদ্ধাভিযানে বের হলেন ৷ পথে তাদের পাখেয়
নিঃশেষ হয়ে গেল এবং খাদ্যভাব দেখা দিল ৷ তখন তারা আল্লাহর রাসুলের কাছে উট
জবইিয়ের অনুমতি চাইলে তিনি তাদেরকে অনুমতি দিলেন ৷ এ খবর যখন হযরত উমরের
কাছে পৌজ্জ, তখন তিনি এসে বললেন, ইয়া রাসুলাল্পাহ্! যে উটপাল তাদেরকে বহন করে
শত্রু পর্যন্ত পৌছাবে তাদেরকেই তারা জবাই করবে ৷ ইয়া রাসুলাল্লাহ্! আপনি দুআ করুন,
আল্লাহ্ যেন তাদের অবশিষ্ট পাখেয়ের মাঝে বরকত দান করেন ৷ তিনি বললেন, অবশ্যই তখন
তিনি অবশিষ্ট পাখেয় নিয়ে আসতে বললেন ৷ ফলে লোকেরা তাদের সাথে থাকা অবশিষ্ট
পাখেয় নিয়ে আসল ৷ তিনি তখন সেগুলি একত্র করে তাতে বরকতের জন্য আল্লাহর কাছে
দৃআ করলেন ৷ তাদেরকে তাদের পাত্রসমুহ নিয়ে আসতে বললেন ৷ তারপর সেগুলি ভরে
দিলেন এবং অনেক খাবার অবশিষ্ট রয়ে গেল ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, আমি সাক্ষ্য
দিচ্ছি, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আল্লাহ্র বান্দা ও
তার রাসুল ৷ আর এ দু’টি বিষয়ে নিঃসংশয় হয়ে যে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে সে জান্নাতে
প্রবেশ করবে ৷ এছাড়া জাফর আলৰুফারয়াবী আবু মুসআব আয্যুহরী আবুহাষিম সুহায়ল
সুত্রে (এই সনদে) তা রিওয়ায়াত করেছেন ৷ আর মুসলিম ও নাসাঈ উভয়ে আবু বকর ইবন
আবুন নয্র ; আবু হুরায়রা সুত্রে বর্ণনা করেছেন ৷

হাফিয আবু ইয়ালা মাওসিলী যুহায়র সুত্রে আবু সালিহ সাঈদ কিত্বা আবু হুরায়রা
(রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, গয্ওয়ায়ে তাবুক যখন সংঘটিত হল তখন লোকদের
খাদ্যাভাব দেখা দিল ৷ তখন তারা এসে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ্! যদি আপনি অনুমতি দিতেন
তাহলে আমরা আমাদের পানিবাহী উটগুলিকে জবাই করে খাবার গোশত ও ব্যবহারের ,
তেল-চর্বি পেতাম ৷ তখন তিনি বললেন, তোমরা তা কর ৷ একথা শুনে উমর এসে বললেন,
ইয়া রাসুলাল্পাহ্! এ কাজ করলে তো আমাদের বাহন কমে যাবে ৷ তার চেয়ে বরং আপনি
তাদের অবশিষ্ট পাখেয় আনতে বলুন, তারপর তাদের জন্য সেগুলিতে বরকতের দুআ করুন ৷
তাহলে আল্লাহ্ তাতে বরকত দান করবেন ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নির্দেশে একটি চামড়ার
দস্তরখান বিছানাে হল এবং তিনি সকলকে তাদের অবশিষ্ট পাখেয় (খাদ্য) এনে তাতে রাখতে
বললেন ৷ রাবী বলেন, তখন কেউ এক মুঠাে খেজুর কেউ বা রুটির টুকরা আনতে লাগল,
এভাবে চামড়ার উপর সামান্য কিছু খাদ্যসামগ্রী সংগৃহীত হল ৷ তখন তিনি তাদের জন্য
বরকতের দুআ করে বললেন, এবার তোমরা এখান থেকে তোমাদের নিজ নিজ পাত্রে নিয়ে

যাও ৷ তখন তারা তা নিয়ে গিয়ে তাদের পাত্রে ভরতে লাগল, এমনকি গোটা ফৌজের একটি
পাত্রও অপুর্ণ থাকলা না ৷ এরপর তারা পেট ভরে থেল এবং আরও খাবার বেচে থাকল ৷ তখন
রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি
আল্লাহ্র রাসুল ৷ এই বিশ্বাস নিয়ে সন্দেহমুক্ত অবস্থায় যে কোন বান্দা আল্লাহ্র সাথে মিলিত
হয়ে তার জন্য জান্নাত উন্মুক্ত থাকবে ৷ ইমাম মুসলিমও এভাবে সাহ্ল ইবন উছমান এবং আবু
ফুরায়ব আবু সাঈদ ও আবু হুরায়রা (রা) সুত্রে হাদীসখানি রিওয়ায়াত করেছেন ৷ এবং
অনুরুপ বিষয় উল্লেখ করেছেন ৷

এই ঘটনা প্রসঙ্গে আরেকটি হাদীস

ইমাম আহমদ, আলী ইবন ইসহাক আবু উমরা আনসারী সুত্রে বর্ণনা করেন যে,
তিনি বলেছেন, ক্লোন এক যুদ্ধাডিযানে আমরা রাসুলুল্পাহ্ (সা)-এর সাথে ছিলাম, এ সময়
লোকদের খাদ্যাভাব দেখা দিল ৷ তখন লোকেরা তাদের কতক বাহন উট জবইি করার জন্য
রাসুলুল্লাহ্ (সা) অনুমতি চেয়ে বলল, এদ্বারাই আল্লাহ্ আমাদের চালিয়ে দেবেন ৷

হযরত উমর যখন দেখলেন যে আল্পাহ্র রাসুল তাদেরকে অনুমতি দিতে উদ্যত হয়ােছা
তখন তিনি বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ! আমাদের কী অবস্থা হবে আপামীকাল আমরা যদি
ক্ষুধার্ত ও পদাতিক অবস্থায় শত্রুর মুখোমুখি হই ? ইয়া রাসুলাল্লাহ্৷ আপনি বরং আমাদের যার
যা পাথেয় অবশিষ্ট রয়েছে সেগুলো আনতে বলুন, তারপর তা একত্র করে তাতে বরকত
প্রদানের জন্য আল্লাহ্র কাছে দৃআ করুন ৷ কেননা, আপনার দৃআ দ্বারা আল্লাহ্ আমাদের
অভাবটা চালিয়ে দেবেন ৷ অথবা (রাবীর সন্দেহ) আপনার দৃআ দ্বারা তিনি আমাদেরকে বরকত
দান করবেন ৷ তখন নবী করীম (সা) তাদের অবশিষ্ট পাথেয় নিয়ে আসতে বললেন, এবং
লোকেরা অল্প আর খাবার নিয়ে আসতে লাগল ৷ সর্বোচ্চ পরিমাণ আনয়নকারী এক সা পরিমাণ
খেজুর আনলেন ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) এসবগুলো একত্র করলেন ৷ তারপর আল্লাহ্র মর্জি
মাফিক দুআ করলেন ৷ তারপর সবলেকে তাদের নিজ নিজ পাত্র এনে তা থেকে তবে নিতে
বললেন ৷ তখন তারা ফৌজের সকল পাত্র পুর্ণ করে ফেলল এবং সমপরিমাণ অবশিষ্ট থাকল ৷
তখন রাসুলুল্পাহ্ (সা) এ অবস্থা দেখে হেসে ফেললেন, এমনকি তার মাড়ির দাতও প্রকাশ
পেয়ে গেল ৷ এরপর তিনি বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া কােন উপাস্য নেই
এবং আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আল্লাহ্র রাসুল ৷ যে কোন বান্দা এ দুটি কথার ঈমান নিয়ে
আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাত করবে, কিয়ামতের দিন তাকে জাহান্নাম থেকে দুরে রাখা হবে ৷ এছাড়া
নাসাঈ আবদুল্লাহ ইবন মুবারকের হাদীস সংগ্রহ থেকে তার সনদে হাদীসখানি রিওয়ায়াত
করেছেন ৷

এই ঘটনা প্রসঙ্গে আরেকটি হাদীস

হাফিয আবু বকর আল-বায্যার আহমদ ইবনুল মুআল্পা ইব্রাহীম ইবন আবদুর
রহমান ইবন আবু রাবীআ সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবু হানীস আলগিফারীকে (বলতে)
শ্যুনছেন যে, তিনি তিহামা অভিযানে রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে ছিলেন ৷ (তিনি বলেন)
অবশেষে আমরা যখন উসফান এলাকায় পৌছিলাম তখন তার সফর সঙ্গীগণ এসে বললেন,

ইয়৷ রাসুলাল্লাহ! ক্ষুধা ও অনাহাব্রে আমরা কাহিল হয়ে পড়েছি ৷ সুতরাং আপনি আমাদেরকে
বাহনের উট জবাই করে খাওয়ার অনুমতি দিন ৷ তখন তিনি তাদেরকে, ই৷ বলে অনুমতি
দিলেন ৷ উমর (রা) যখন তা অবহিত হলেন, তখন তিনি আল্লাহর রাসুলের কাছে এসে
বললেন, হে আল্লাহর নবী ! এ আপনি কী করেছেন ? ণ্লাকাদৰাক বাহন জবাইয়ের নির্দেশ
দিয়েছেন, তাহলে তারা আরোহণ করবে কিসে ? তখন নবী করীম(সা) বলেন, হে খাত্তারপুত্রা
তোমার অভিমত কী ? জবাবে তিনি বললেন, আমার মত হল, আপনি তাদেরকে তাদের
অবশিষ্ট পাথেয় নিয়ে আমার নিভ্রু র্দশ দেবেন ৷ তারপর সেগুলো একটি কাপড়ে একত্র করে
তাদের জন্য দু আ করবেন ৷ তখন তিনি তাদেরকে সেরুপ নির্দেশ দিলেন ৷ তারা তাদের
অবশিষ্ট পাখেয় একটি কাপড়ে একত্র করলেন এবং তিনি তাদের জন্য (বরকতের) দু আ
করলেন ৷ তারপর তিনি বললেন, তোমরা তোমাদের পাত্রসমুহ নিয়ে এসো ৷ তখন প্রত্যেকে
নিজ নিজ পাত্র পুর্ণ করে নিল ৷ তারপর তিনি রওয়ান৷ হওয়ার ঘোষণা দিলেন ৷ তারপর তারা
যখন সে স্থান অতিক্রম করলেন তখন বৃষ্টিসিক্ত হলেন ৷ ফলে তিনি বাহন থেকে অবতরণ
করলেন এবং তার সফরসঙ্গীগণও অবতরণ করলেন ৷ তার৷ সকলে আসমানী পানি পান
করলেন ৷
এ সময় তিন ব্যক্তির আগমন বটল ৷ তাদের দু জন আল্লাহর রাসুলের সাথে বসল আর
তভীয়জন উপেক্ষা করে চলে গেল ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, আমি কি তােমাদেরকে
তিন ব্যক্তির অবস্থা অবহিত করব না ? একজন আল্লাহ থেকে লজ্জাবাে ধ করেছে তাই আল্লাহ্ও
তার থেকে লজ্জাবােধ করেছেন ৷ আর অন্য জন তওবা করে এগিয়ে এস্যেছ তাই আল্লাহ্ও
তার তওবা কবুল করেছেন ৷ তভীয়জন উপেক্ষা করেছে, তাই আল্লাহ্ও তাকে উপেক্ষা
করেছেন ৷ এরপর বায্যাৱ বলেন, আবু হানীস এই সনদে এই হাদীস ব্যতীত কোন হাদীস
ব্লিওয়ায়াত করেছেন বলে আমাদের জানা নেই ৷ অবশ্য, বায়হাকী হুসায়ন ইবন বুশরান
ইব্রাহীম ইবন আবদুর রহমান ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবু রাবী’ আ সুত্রে হাদীসখানি রিওয়ায়াত
করেছেন যে, তিনি (রাবী আ) আবু হানীস আল গিফারী থেকে শুনেছেন ৷ তারপর তিনি তা
উল্লেখ করেহ্নে৷ ৷

এ ঘটনা প্ৰস্ত্ত্বঙ্গ হযরত উমর সুত্রে আরেকটি হাদীস

হাফিয আবু ইয়ালা, ইবন হিশাম অর্থাৎ মুহাম্মদ ইবন যায়দ উমর (রা) সুত্রে বর্ণনা
করেন যে, তিনি বলেছেন, একবার আমরা কোন এক যুদ্ধাভিযানে রাসুলুল্পাহ্ (না)-এর সাথে
ছিলাম ৷ (শত্রুর কাছাকাছি পৌছার পর) আমরা তাকে রললাম, ই য়া রাসুলাল্লাহ্৷ শত্রু তাে
প্রায় পৌছে গেল অথচ তার৷ পানাহারে তৃপ্ত আর আমাদের লোকজন ক্ষুধার্ত ৷ তখন
আনসারগণ বললেন, আমরা কি আমাদের পানিবাহী উটগুলি জবা ই করে লোকদের খাওয়াতে
পারি না ? তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, যার কাছে বাড়তি খাবার আছে যে তা নিয়ে
আসুক ৷ তখন একেক জন মুদৃপরিমাণ, সা’ পরিমাণ এবং তার কমবেশি আনতে লাগল ৷
এভাবে গোটা ফৌজ থেকে বিশ সা’র অধিক পরিমাণ খাদ্য সংগৃহীত হল ৷ এরপর আল্লাহর
নবী তার পাশে বসে ররকতেবুদুআ করলেন এবং বললেন তোমরা এখান থেকে নিতে থাক,
তবে নিতে গিয়ে কেউ তাড়াহুড়া বা হৈ-হল্লা করবে না ৷ তখন একেকজন তার থলে ও বস্তায়
তা নিতে লাগল এবং তাদের অন্যান্য পাত্রেও নিল ৷ এমনকি কেউ কেউ তাদের আমার আস্তিন

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It on Pinterest