Register Now

Login

Lost Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

ফরয তাওয়াফের আগে সাধারণ পোশাক পরিধান ও সুগন্ধি ব্যবহার প্রসংগ

ফরয তাওয়াফের আগে সাধারণ পোশাক পরিধান ও সুগন্ধি ব্যবহার প্রসংগ

রাসুলুল্লাহ (না)-কে দেখেছি যখন ফৌরকার তার মাথা মুওন করে দিচ্ছিল! এবং তার
সাহাবীগণ তাকে ঘিরে রেখেছিলেন ৷ এ উদ্দেশ্যে যে, প্রতি গাছি কোণ যেন কারো না কারো
হাতে পড়ে ৷ ” এ রিওয়ায়াত একাকী আহমদ (র)-এর ৷

ফরয তাওয়াফের আগে সাধারণ পোশাক পরিধান ও সুগন্ধি ব্যবহার প্রসংগ

তারপর, নবী করীম (সা) জামরাতৃল আকাবায় কংকর মারা ও কুরবানী করার পরে এবং
বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করার আগে স্বাভাবিক পোষাক পরলেন এবং সুগন্ধি ব্যবহার করলেন ৷
উম্মুল মু’নিনীন আইশা (রা) র্তীকে সুগন্ধি মাখিয়ে দিয়েছিলেন ৷ এ প্রসৎগে বুখারী (র) বলেন,
আলী ইবন আবদুল্লাহ ইবনুল মাদীনী (র) হতে এ মর্মে যে, তিনি আইশা (রা)কে বলতে
শুনেছেন, আমি আমার এ দু’হাত দিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা)-কে সুগন্ধি মাখিয়ে দিয়েছি তার ইহরাম
করার সময় এবং তাওয়াফ করার আগে, হালাল হওয়ার সময় তার হালাল হওয়ার উদ্দেশ্যে ৷
এ সময় আইশা (বা) তার দু’হাত প্রসারিত করে দেখলেন ৷ মুসলিম (র) বলেন, ইয়াকুব আদ-
দাওরার্কী ও আহ্মদ ইবন মানী (র) আইশা (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি
রাসুলুল্লাহ (না)-কে তার ইহরাম করার আগে এবং দশ তারিখ তাওয়াফ করার আগে তার
হালাল হওয়ার পুর্বে সুগন্ধি মাখিয়ে দিতাম তাতে মিশকও থাকতো ৷ নাসাঈ, শাফেরী ও
আবদুর রাজ্জাক (র)-ও অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেনসহীহ্ গ্রন্থদ্বয়ে ইবন জুরায়ক (র) হতে
(উরওয়া ও কাসিম) আইশা (রা) সুত্রে এমর্মে যে তিনি বলেছেন, বিদায় হরুজ্জ হালাল হওয়ার
সময় এবং ইহরাম বীধার সময় রাসুলুল্লাহ (সা) কে আমার দুহাত দিয়ে যড়ারীরাহ্’ সুগন্ধি রেনু
মাখিয়ে দিয়েছি ৷ মুসলিম (র)ও ভিন্ন সুত্রে এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷

সুফিয়ান ছাওরী (র) বলেছেন, সালামা ইবন কুহায়ল (র) ইবন আব্বাস (রা) হতে, তিনি
বলেছেন, “তোমরা যখন জামরায় কংকর মারলে তখন তোমাদের উপরে হারাম কৃত সব কিছু
হালাল হয়ে গেল, তবে নারী সন্তোগ ছাড়া-যতক্ষণ না বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করো ৷ যা তখন
এক ব্যক্তি বলল, আর সুগন্ধি? হে আবুল আব্বাস ! তিনি বললেন, “রাসুলুল্লাহ (না)-কে তার
মাথায় (মিশক মাখড়াতে আমি দেখেছি; তা কি সুগন্ধি নয়?

মুহাম্মদ ইবন ইসহাক (র) বলেন, আবু উবায়দা (র) উম্মু সালাম৷ (বা) হতে বর্ণনা করেন
তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (না) যে রাত যাপনের ক্ষেত্রে পালা করে ঘুরে আসতেন তাতে দশ
তারিখের (পুর্বে) রাত্রে রাসুলুল্লাহ ছিলেন আমার ঘরে ৷ তখন ওয়াহ্ব ইবন যামআ (রা) ও আবু
উমায়্যা গোত্রের এক ব্যক্তি জামা পরিহিত অবস্থায় এলে রাসুলুল্পাহ (সা) তাদের দু’জনকে
বললেন, তোমরা কি ইসাযা’ ফরম তাওয়াফ করেছে? তারা বললেন জী না ৷ রাসুলুল্লাহ (সা)
বললেন, তা হলে তোমাদের জামা খুলে ফেল, তারা জামা খুলে ফেললেন ৷ তখন ওয়াহ্ব (রা)
তাকে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা) এটা কেন? নবী কৰীম (সা) বললেন, “এ দিনটিতে
তোমাদের জন্য এতটুকু সুযোগ দেয়া হয়েছে যে, তোমরা জামরায় কংকর মেরে ফেললে এবং
কুররানী করে ফেললে যদি তা তোমাদের সাথে থাকে, তখন তোমাদের জন্য হারাম হয়ে
যাওয়া সব কিছু হতে হালাল হতে পারবেনারী সস্তোগ ব্যতীত ৷ যতক্ষণ না বায়তুল্লাহ্র
ফরয তাওয়াফ করে নাও ৷ আর যদি কংকর যেরে ফেললে কিন্তু ইফাযা’ করনি, তবে তোমরা

বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ না করা পর্যন্ত পুর্বের ন্যায় ইহরাম অবস্থায়ই রয়ে যাবে ৷” আবু দাউদ (র)
ও আহমদ ইবন হাবল ও ইয়াহ্য়৷ ইবন মাঈন (র) ইবন ইসহাক (র) সনদে হাদীসটি
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ বায়হাকী (বা) হাদীসটি ভিন্ন সুত্রে উদ্ধৃত করেছেন ৷ তবে তাতে
অতিরিক্ত রয়েছে আবু উবায়দা (র) বলেছেন, এবং কায়স বিনৃত মিহ্সান (রা) আমাকে হাদীস
শুনিঃযছেন, তিনি বলেছেন, দশতারিখের বিকেলে (আমার ভ ই) উকাশা ইবন মিহসান বনু
আমাদের একটি দলের সাথে সকলে জামা-কামীস পরে আমার এখান হতে বেরিয়ে গেলেন ৷
পরে রাতের বেলা (ইশার সময়) তারা ফিরে এলেন যার জামা হাতে বহন করে ৷ তখন উন্মু
কায়স তাদের কারণ জিজ্ঞাসা করলে তারা তাকে অবহিত করলেন ৷ যেমন রাসুলুল্লাহ (সা)
ওয়াহ্ব ইবন যামআ (রা) ও তার সংগীকে বলেছিলেন ৷

এ হাদীসটি অতি বিরল ও অসমর্থিত ৷ আলিমপণের কেউ অভিমত গ্রহণ করেছেন বলে
আমাদের জানা নেই ৷

নবী কয়ীম (সা) কর্জ্য বায়তুল্পাহ্ব ফরয তাওয়ড়াফ প্রসৎগ

জাবির (রা) বলেছেন, তারপর রাসুলুল্লাহ সওয়ারীতে আরোহণ করে বায়তুল্লাহ অভিমুখে
চললেন এবং মক্কায় যুহ্র সালাত আদায় করে বনু আবদুল ঘুত্ত৷ ৷লিরের কাছে গিয়ে যারা তখন
যামযম পাড়ে (লোকদের পানি পান করাচ্ছিলেন তাদেরকে বললেন, “হে বনু আছেল মুত্তালিব ৷
পানি তুলতে থাক, তোমাদের পান করানোর কাজে লোকদের প্রভাব ও ঝামেলা সৃষ্টির আশংকা
না থাকলে অবশ্যই আমিও তোমাদের সাথে পানি তুলতাম ৷ তখন তারা তাকে একটি রালতি
এগিয়ে দিলে তিনি তা থেকে পান করলেন (-ঘুসলিম) ৷ এ বর্ণনায় এমন তথ্য রয়েছে যা
প্রতীয়মান করে যে, নবী করীম (সা) দৃপুরের আগেই সওয়ারীতে চড়ে মক্কা শরীফ পৌছে
ছিলেন এবং বাযতুল্লাহ্ তাওয়াফ করছিলেন ৷
তারপর তওয়াফ শেষে সেখানেই যুহ্র সালাত আদায় করলেন ৷ আবার মুসলিম (র)-এর অন্য
একটি বংনাি-মুহাম্মদ ইবন বা ফ্রি (র) (নাফি ) ইবন উমার (রা) সুত্রে এমর্মে রয়েছে যে, রাসুলুল্লাহ
(সা) দশ তা ৷রিখে ইফ৷ যা-ফরয তাওয়াফ করার বপরে মিনায় ফিরে এসে যুহ্র সাচ্ন্ ৷ত আদায়
করলেন ৷” এ হাদীসটি জা ৷বির (রা) এর হাদীসের পরিপন্থী এবং উভয় রিওয়ায়৷ ত-ই মুসলিমের ৷

এখন এ দুই হাদীসের মধ্যে সমন্বয় এভাবে হতে পারে যে, নবী কবীম (সা) মক্কায় যুহ্র
সালাত আদায় করার পরে মিনায় ফিরে এসে লোকদের তীর জন্য প্রর্তীক্ষারত দেখতে পেয়ে
তাদের নিয়ে (আবার) সালাত আদায় করলেন ৷-আল্লাহই সমধিক অবগত ৷ আর যুহ্রের
ওয়াক্ত বিদ্যমান থাকা কালে নবী করীম (সা)এর মিনার ফিরে আসা সম্ভব ছিল ৷ কেননা,
সময়টি গ্রীষ্মকাল ছিল বিধায় দিন ছিল দীর্ঘ ৷

যদিও এ দিনটির প্রথম ভাগে নবী করীম (সা) অনেকগুলি কর্ম-সম্পাদন করেছিলেন ৷
যেমন, ফসা হওয়ার পরে তিনি মুঘৃদালিফ৷ হতে প্রস্থান করেছিলেন, তবে তা ছিল সুঘেদািয়ের
আগে ৷ এরপর মিনায় পৌছে প্রথমে জামরাতুল আকাবায় সাতটি কংকর মারলেন ৷ পরে ফিরে
এসে নিজ হাতে ৩(তষট্টিটি উট কুরবানী করলেন এবং এক শ ৷য়ুত র অবশিষ্ট গুলি হযরত আলী
(রা) জবা ৷ই করলেন ৷ পরে প্রতিটি উটের এক এক টুকর৷ নিয়ে তা একটি ডেগৃচীতে রেখে

Leave a reply