মুআবিয়া ইবন আবু মুআবিয়া (রা) এর জ জানাযা প্রসংগ

গ্রহণ করে ৷ দৃর্ডাগা সে , যে মাতৃপর্ভেহ দুর্তাগা ৷ তোমাদের প্ৰভ্রুতাকের ণ্শব পতব্য তার হাত’
আসল বিচার্য হচ্ছে আথেরাত (অর্থাৎ আখিরৰ্তের মুক্তি বা শাস্তি) ৷ আমলের মানদণ্ড তাহৃ
সমাপ্তিস্তর ৷ নিকৃষ্টতন বিবৃতি হচ্ছে মিথ্যা বিবৃতি ৷ মা আসবেই, তা নিকটবর্তী ৷ ঈমানদারয়ে
গালগােলি করা ফালেকী কাজ ৷ ঈমানদারের সাথে হানড়াহানি কুফরী কাজ ৷ (গীবত করে
ঈমানদারের থেম্পোত খাওয়া আল্লাহর অবাধ্যতদ্যেরুপ ৷ ঈমানদারের সম্পদের মর্যাদা তাহ্
রক্তের মর্যাদাতুল্য ৷ অহেতুক আল্লাহ্র নামে কসম করার দুঃসাহসীকে আল্লাহ্ মিথ্যাবড়ার্দ
প্রতিপন্ন করেন ৷ তার কাছে মাপফিরাত কড়ামনাকত্বৰীকে তিনি ক্ষমা করেন ৷ মার্জনাকাৰীৰে
আল্লাহ্ও মার্জনড়া করেন ৷ ত্রেণর সম্বরনকাৰীকে আল্লাহ্ তার বিনিময় দেন ৷ বিপয়ুঢ
ধৈর্যধারনকড়ারীকে আল্লাহ্ গ্রতিদান দেন ৷ খ্যাতি সন্ধানীকে আল্লাহ্ (পার্থিব) খ্যাতি দিয়ে দেন
সবরকত্ত্ববীকে আল্লাহ্ দ্বিগুণ দেন ৷ যে আল্লাহর নাফরমানী করে, আল্লাহ্ তাকে আমার দেন
ইয়া আল্লাহ্! আমাকে এবং আমার উম্মতকে মাফ করুন ৷ ইর৷ আল্লাহ্৷ আমাকে এবং আমাহৃ
উনতেকে ক্ষমা করুন ৷ ইয়া আল্লাহ্শু আমাকে এবং আমার উম্মতকে মাণফিরাত করুন ৷ ( কথাটি তিনি :িনরার বললেন ৷ ৩ারপর বললেন, “আমি আমার জন্য এবদ্ব
ৰুতামাদের জন্য মাপফিরাত কামনা করছি ৷ ” এ হাদীসখড়ানি পরীব পর্যায়ের এবং এটা কিছুট
মুনকার পর্যায়ের ৷ এবং এর সনদে দুর্বলতড়া বিদ্যমান ৷ অড়াল্লাহ্ই সমধিক অবগত ৷

আবু দাউদ (র) বলেন, আহমাদ ইবন সাঈদ আল হামদানী ও সুলারমান ইবন দাউদ (রট্রু
সাঈদ ইবন পাযাওয়ান (বা) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি হত্রুজ্জর সফরে তাবুবে
অবতরণ করলেন ৷ সেখানে জনৈক পংগু ব্যক্তিকে দেখতে পেয়ে তাকে তার পংগুত্নের ব্যাপারুহৃ
জিজ্ঞাসা করলেন ৷ সে বলল, আমি এখনই তোমাকে একখানি হাদীস শুনাচ্ছিছু আমাহৃ
অনুরোধ , যতদিন তুমি শুনরে যে, আমি জীবিত রয়েছি, ততদিন তুমি তা কারো কাছে বত্তে
করবে না ৷ “রাসুলুল্লাহ (সা) তাবুকে একটি খেজুর গাছের কাছে অবতরণ করলেন এবৰু
বললেন, “এ দিকেই আমাদের কিবলা ৷ তারপর সে পাছটির দিকে মুখ করে দাড়িয়ে সালাত্
শুরু করলেন ৷ বচ্নািকারী বলেন, আমি যে দিকে দ্রুত এগিয়ে আসছিলাম ৷ তখন আমি উচ্ছভ্রু
তরুণ ৷ আমি রাসুল (না) ও জর খেজুর গাছের মাঝ দিয়ে চলে থেললাে ৷ তিনি বললেন, হে
আমাদের সালাত কর্তন করেছে, আল্লাহ্ তার পদচারণা কর্তন করুন ৷” (বর্ণনাকারী বলেন, সে
দিন থেকে আজ পর্যন্ত আমি আর আমার এ পায়ে ভর দিয়ে র্দড়াড়াতে পারি না ৷) তারপর আৰু
দাউদ (র) সাঈদ ইবন অড়াযীয অড়াত্-তড়ানুথী (র)ইয়ড়াযীদ ইবন নামিরান (বা ) থেকে অৰুরুণ্
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ ইয়াষীদ (র) বলেনঃ, তাবুকে আমি এক পংগুকে দেখলাম ৷ (স রলল
আমি একটি মাধ্যম আরােহী হয়ে রাসুলুল্লাহ (সা) এর সম্মুখ থেকে পথ অতিক্রম করলাম
তিনি তখন সড়ালড়াত আদায় করছিলেন ৷ তিনি বললেন, ইয়া আল্লাহ্৷ তার পদচারণা রহিত কভ্রুন্
দিন ৷ তারপর থেকে আমি আর পা দিয়ে হাটতে পারি না ৷ অন্য এক বিওয়ফ্লোতে রয়েছে “৫:
আমাদের সল্যেত কর্তন করেছে, আল্লাহ; তার পদচারণা কর্তন করুন ৷ ”

মুআবিয়া ইবন আবু মুআবিয়া (বা) — এর জানাযা প্রসংণ

বায়হাকী (র) ইয়াঘীদ ইবন হারুন (র)আনাস ইবন মালিক (বা ) সুত্রে বলেন, আমহ
রড়াসুলুল্লাহ (না)-এর সাথে তাবুকে অবস্থান করছিলাম ৷ সুর্য পরিচ্ছন্ন ঔজ্জ্বল্য নিয়ে উদিত হল

তেমন উজ্জ্বল কিরণ ও দ্যুতির বাহার উদীয়মান সুর্যে আমি আর কখনো দেখিনি ৷ জিবরীল (আ)
রাসুলুল্লাহ (না)-এর কাছে আসলে তিনি বললেন, হে জিববীল ! এমন কি ব্যাপার মটল যে, আজ
সুর্য এত ঐজ্জ্বল্য নিয়ে উদীত হল ৷ উদীয়মান সুর্যের এমন কিরণ ও দ্যুতি ইতােপুর্বে দেখা যায়
নি তো ৷ তিনি বললেন, এর কারণ হল এই যে, মুআবিয়া ইবন আবু মুআৰিয়া আল লায়হী (বা)
আজ মদীনায় ইনতিকাল করেছেন ৷ আল্লাহ পাক তার জ্যনাযার সালাতের জন্য সত্তর হাজার

ফেরেশতা পাঠিয়ে দিয়েছেন ৷ রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন-

“সে এমন মর্যাদা পেলকি কারণে ?” জিবরীল (আ) বললেন, দিনে-রাতে, হাটতে-চলতে,
উঠতে-বসতে বেশী বেশী কুল হুওয়াল্লাহ্ (সুরা ইখলাস) তিলাওয়াতের কারণে ৷

ইয়ড়া রাসুলাল্লাহ ! আপনার মন কি এমন চায় যে, আমি আপনার জন্য যমীনের দুরতু
ৎকুচিত করে দিই ৷ যাতে করে আপনি এখানে থেকেই তার জানাযা প ৬৫৩ প ৷এে ন ? তিনি
বললেন, হী ৷ বণ্টা“াকাবী বলেন, তখন তিনি তার জানাযা আদায় করলেন ৷ তবে হাদীস

বিশরদগণ এ হাদীসের সনদের সমালোচনা করেছেন ৷

পরবর্তী বর্ণনায় বায়হার্কী (র) বলেছেন, আলী ইবন আহমাদ ইবন আবদান (র)আনাস
(রা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, জিবরীল (আ) এসে বললেন, হে মুহাম্মদ! মুআবিয়া
ইবন আবু ঘুআবিয়া আল যুযানী (বা) ইনতিকাল করেছেন, আপনি কি তার জানাযার সালাত
আদায় করা পসন্দ করেন ? তিনি বললেন, হী ৷ জিবরীল (আ) তখন তার পাখা দিয়ে আঘাত
করলেন ৷ ফলে গাছপালা ও টিলা-পাহাড় সমতলে মিশে পেল ৷ বর্ণনাকাবী বলেন, রাসুলুল্লাহ ,
(সা) জড়ানাযার সালাত আদায় করলেন এবং প্ৰতি কাতারে সত্তর হাজার ফেরেশতার দু’টি কাতার
তার পিছনে সালাত আদায় করলেন ৷ বর্ণনাকারী বলেন, নবী কয়ীম (সা) বললেন, হে জিবরীল !

আল্লাহর কাছে সে এত মর্যাদা পেল কি করে ? তিনি বললেন-

সুরা ইখলাস (কুল হুওয়াল্লাহ) এর প্রতি তার অনুরাণের কারণে ? যা সে উঠতেবসরুত,
চলতে-ফিরতে তথা সর্বাবস্থায় তিলাওয়াত করত ৷ (সনদেব মধ্যবর্তী রাবী) উসমান (র)
বলেন, আমি আমার পিতা আল হায়ছাম (র)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তখন তিনি (নবী সা )
কোথায় ছিলেন ? তিনি বললেন, শাম (বৃহত্তর সিরিয়া) দেশে তাবুক অভিযানে ৷ আর ঘুআৰিয়া
(বা) ইনতিকাল করেছিলেন মদীনায় ৷ তার জানাযার খাটিয়া তার দৃষ্টি সীমায় তুলে ধরা
হয়েছিল ৷ এমন কি তিনি তা দেথছিলেন এবং সালাত আদায় করেছিলেন (এ সুত্রে
রিওয়ড়ায়াতটি অসমর্থিত) ৷

তাবুকে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সমীণে কায়সার

(সিজার) এর দুতের আগমন প্রসংগ

ইমাম আহমাদ (র) বলেন, ইসহাক ইবন ঈসা (র) সাঈদ ইবন আবু রাশিদ (র) সুত্রে
বলেন যে, তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা) এর কাছে প্রেরিত হিরাফ্লিয়াসের দুত আত্-তানৃখী-
এর সাথে আমি হিমস’ নগরীতে সাক্ষাত করলাম ৷ তিনি ছিলেন আমার প্রতিবেশী এবং
রার্ধকেব্রুর শেষ সীমার উপনীত ৷ সম্ভবত তার বয়স তখন নব্বই পার হয়ে শতকের ঘর ছু ছুই

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.