রমল প্রসৎগে বিশদ আলোচনা

তার কাছে সােরুক্য অধিক সমাগম হয়ে গেলে তিনি সওয়ারীতে আরোহণ করলেন ৷ ইবন
আব্বাস (বা) আরো বললেন, তবে পায়ে ইটি৷ ও সাঈ করা উত্তম ৷ এ হচ্ছে মুসলিম শরীফের
ভাষ্য এবং এর দাবী হল যে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যবর্তী কোন সময় তিনি সওয়ারীতে
আরোহণ করেছিলেন এবং এভাবে সব হাদীসের মাঝে সমন্বয় সাধিত হতে পারে ৷ আল্লাহই
সমাধিক অবগত ৷

তবে সহীহ মুসলিমের বিওয়ায়াত যাতে তিনি বলেছেন, মুহাম্মাদ ইবন রাফি (ব)
আবুৎ তুফায়ল (বা) হতে, তিনি বলেন, আমি ইবন আব্বাস (রা) কে বললাম, আমার যতদুর
মনে হয় রাসুলুল্লাহ (না)-কে (সাফা মারওয়ায়) আমি দেখেছি ৷ তিনি বললেন, তবে আমাকে
তীর বিবরণ দাও তো দেখি ! আমি বাংলার, তাকে আমি দেখেছি মারওয়া-র কাছে একটি
উটের পিঠে, তখন তার ওখানে লোকের তিড় হয়ে গিয়েছিল ৷ তখন ইবন আব্বাস (রা)
বললেন, (হী) ইনি-ই রাসুলুল্লাহ (না); তার নিকট হতে লোকদের হটে যেতে বাধ্য করা হত
না ৷ (মন্তব্য) এ বিওয়ায়াত একাকী মুসলিম (র)-এর এবং এতে সাফ৷ মারওয়ায় রাসুলুল্লাহ
(সা) এর আরোহী হয়ে সাঈ করার বিশেষ কোন প্রমাণ নেই ৷ কারণ, ঘটনাঢিকে বিদায় হজ্জ
বা অন্য উপলক্ষের সাথে বিশেষভাবে সম্পৃক্ত করা হয়নি ৷ আর বিদায় হজে হওয়ার কথা ধরে
নিলেও এরুপ সম্ভাবনা বিদ্যমান যে, নবী করীম (সা) তার সাঈ ও আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি তথা
মারওয়ায় উপবেশন, সেখানে খুতব৷ প্রদান, মারা হাদী-র পশু নিয়ে আসে নি তাদের হজে
(এর ইহরাম আপাততঃ) ণ্ভ গ করে উমরায় পরিণত করার আদেশ দান এবং সেখানে মারা
হাদী আনয়নকারী নয় তাদের হালাল হয়ে যাওয়া যেভাবে জাবির (রা) এর হাদীসে বিবৃত
হয়েছে এ সব কিহ্ব পরে তার উটনী নিয়ে আসা হলে তিনি তাতে আরোহণ করলেন এবং
আবতাহ’ এ তার অবস্থান ক্ষেত্রের দিকে চলে গেলেন ৷ আলোচনা পরে আসছে ৷ এ সময়ই
আবুৎ তুকারল আনির ইবন ওয়াছিণা : আল বিকৰী (রা) তাকে দেবে থাকবেন ৷ এ আমির
(রা) শিশু সাহাৰীদের মধ্যে গণ্য হয়ে থাকেন ৷

গ্রস্থুকারের মন্তব্য : ইরাকী ফকীহ্দের একদল-যেমন আবু হানীফা (র) ও তীর সহচরবৃন্দ
এবং ছাওরী (র) এ অভিমত পোষণ করেছেন যে, কিরান হজ্জ আদায়কাবী দুটি তাওরাক এবং
দুটি সাঈ (অর্থাৎ হজ্জ ও উমরায় জন্য পৃথক পৃথক) পালন করবে ৷ এবং এ অভিমত আলী,
ইবন মাসউদ (রা) , মুজাহিদ ও শাবী (র) প্রমুখ হতে বর্ণিত হয়েছে ৷ র্তার৷ জাবির (না)-এর
দীর্ঘতম হাদীস দিয়েও প্রমাণ পেশ করতে পারেন ৷ সে হাদীসে সাফা-মারওয়ায় হেটে হেটে
সাঈ করার কথা আর এ হাদীসের ভাষ্য নবী করীম (না) ঐ দুই স্থানের মাঝে সওয়াবীতে
আরোহী হয়ে সাঈ করেছেন এ দৃই হাদীসের সমন্বিত ভাষ্য নির্দেশনা প্রতীয়মান করে যে,
তাওয়াক (ও সাঈ) দৃৰার করে হয়েছিল ৷ একবার হেটে হেটে এবং একবার সওয়ারীতে
আরোহী হয়ে ৷

অনুরুপ, সাঈদ ইবন মানসুর (র) হযরত আলী (রা)-র বরাতে বিওয়ায়াত করেছেন যে,
তিনি ৷ণ্ষ্ওকাধারে হজ্জ ও উমরায় ইহ্রাম করেছিলেন ৷ মক্কা শরীফে উপনীত হয়ে তিনি তার
উমরার জন্য বায়তুল্পাহ তাওয়াফ করলেন এবং সাফা মারওয়ায় সাঈ করলেন ৷ তারপর
পুনরায়ণ্-আরস্তু করে তার হজের জন্য বায়তুল্লাহ তাওরাফ ও সাফা-মাৰ্ওয়ায় সাঈ করলেন ৷

নাহর দিবস ন্(শ্প্দশতারিখ)ন্ পর্যর্ন্ত ইহরাম অবস্থায় অবস্থান করলেন (এ হচ্ছে ইবন
ৰুমানসুরের ভার্য্য) ৷ আর ^আর্বুৰুরর আলু হারণ্ডভী (র) তার “মানাসিক’ অধ্যায়ে আলী (রা) হতে
রিওগ্নায়াদ্ভ করেছেন যে, তিনি হজ্জ ওন্ৰু ওমরাপ্“এবর্চত্রে করেছেন এবং হল দৃ’টির জন্য পৃথক পৃথক
:-তাওয়াফ্ ও সাঈ ? পালন ন্ররেণ্ৰুন্ বলেছেন, “রাসুলুল্লাহ” (না)-হক এভাবেই করতে হন্দখেছি ৷ ”
অনুরুপ, বায়হাকী, দারা কুতনী ও নাসাঈ (র)-ও “আলী (রা)-এর বৈশিষ্ট্যসমুহ-এরবিবরণে
তান্রি ওয়য়ােত করেছেন ৷র ৰু য়হাকী (র) তার সুনাহন বলেছেন, ফর্কীহ আবু বকর ইবনুল হারিছ
ন্(র);গুন্আবু নাসৃররু (র) হতে, তিনি বলেন, আমি আলী ণ্ (রা)- র সাথে শ্সাক্ষাত বস্মলাম, আমি
উমরা: উভয়ের ইহরাম বেহধজ্জিান ৷ আমি বললায,
আপনি যেমন করেছেন আমার করার হতমন কো ন উপায় :আহছ কি ? তিনি বললেন, তা তুমি
যদি উমর৷ দিয়ে শুরু করতে ৷ আমি বললাম, তবে আমি (কখনো) এমন করতে চইি, তা
হলে কিরুহপ করব তিনি “পানির একটি (ছোট) পাত্র নিয়ে তা হতামার গাহয় ঢেলে হদহব ৷
তারপর দুটোর জন্য একত্রে ইহরাম , তা ৷রপর ভিন্ন ভিন্নতা ৷বে তাওরাক ও সাঈ করবে

বংনাহ্র দিবসের আগে তুমি হ লাল হয়ে না ৷” মনসুর (র) বলেন, আমি মুজাহিদ (র) এর
কাছে এ বিষয়টি আলোচনা করলে তিনি বললেন, “আমরা হত৷ একটি তাওয়াফ নিয়েই ফিরে
হযতাম ৷ তবে এখন আর তা করব না ৷” হাফিয বায়হার্কী (র) আরো বলেছেন যে, সুফিয়ান
ইবন উয়ারনা; সুফিরান ছাওরী ও শুবা (র) ও এ হাদীস মনসুর (র) সুত্রে রিওয়ায়াত করেছেন ৷
তবে তারা: সাঈ ,প্ৰরঙ্গ উল্লেখ করেন নি ৷ তিনি আরো বলেছেন, এ আবু নাসৃর অজ্ঞাত পরিচয়
ব্যক্তি ৷ আর ব্লিওয়ারাত বিশুদ্ধ সাব ঙ্কুহ হলে: এতে ন্,দৃই তাওয়াফ বহল তাওয়াফে কুদুম ও
তাওরাফেশু যিরারাত বুঝিয়ে থা,বনবন ৷ব বারহাকী (র) আহর৷ বলেন, এ হাদীস আরো একাধিক
সনহদ আলী (রা) হহত মারকুৰু ও মাওকৃফ রুপে বর্ণিত হয়েছে ৷ তবে সে সব সনদের হকন্দ্র
বিন্দুতে রহয়ছেহাসান ইবন ৰুউমারা, হাফ্স ইবন আবু দাৰুউদ, ঈসা, ইবন আবদুল্লাহ এবং হাম্মাদ
ইবন আবদুর রহমান প্রমুখ ৷ এদের প্রত্যেকেই দুর্বলতার জন্যে অভিযুক্ত সুতরাং এ (বিতর্কিত)
বিষয় তাদের রিওয়ায়াত প্রম্াংারুহপ গ্রহণহযাগ্য নয় ৷ আল্পা হই সমাধিক অবগত ৷ ,

গ্রস্থুকাহরর জ্যে : নহীহ্;৷ হ ৷দীসসমুহহ উদ্ধৃত বিষয়-বস্তু এর পরিপন্থি ৷ সহীহ্ বুখারীতে উদ্ধৃত
ইবন উমর (রা) সুত্রে বর্ণিত হাদীহস আমরা উল্লেখ করে এসেছি হয়, তিনি প্রথমে উমরা-র
ইহরাম করে তার ,লাহথ হজ্জ অনৃপ্ররিৰুষ্ট করে কির৷ ণ পালনক৷ ৷রী হয়েছিলেন, হজ্জ ও উমরার জন্য
লম্মিলিভরুপে রুএকটি তাওয়াক করে বলেছিলেন,; “রাসৃলুল্লাহ (না) এ , ভাবেই করেছেন ৷”
ড়িরযিযী, ইবন মজোব্রওণ্ বয়েহার্কী (র) দারাওয়ারদী (র)-এর বরাতে উবায়দুল্লাহ (-নাফি-) ইবন
উমর (রা)ণ্দসনহদৰুরিওরায়াত করেছেন ৷ তিনি বহল্ন,১রাসুলুল্পাহ (সা) বহলহছা, যার৷ হজ্জ ও
উমরাএকত্রে তারা করবে দুটির জন্য “একটি তাওয়াফ করবে এবং দুটির জন্য একটি সাঈ
করবে ৷ ” তিরমিযী (র) মন্তব্য করেছেন, এটি হাসান গরীব (একক সুত্রীয় উত্তম) হাদীস এবং
এর সনদ মুসলিহলর শ ৷র্তানুরুপ ৷

চউম্মুল মু মিনীন অইিশ৷ (বা) এর ঘটনাও অনুরুপ ৷ তিনি শুধু উমরা-র জন্য ইহ্রামকায়ী
দলভুক্ত ছিলেন ৷ যেহেতু তার সাথে কুরবানীর পশু ছিল না ৷ পরে র্তার ঋতুস্রাব শুরু হয়ে
রাসুলুরড়াহ (না) তাকে গোসল করায়পরে তার উমরায় সাথে হহজর ইহরাম ৰীধার

তাদের প্রত্যাবর্তন কালে তিনি হজের পরে র্তীকে উমর৷ করাবার বায়ন৷ ধরলে নবী কবীম (সা) ণ্
তার মহুনারঞ্জব্লুনর জন্য তাকে উমর৷ করিয়ে আনব্লুলনৰুাৰু যেমনটিৰুৰুহ্াদীহুসন্পবিকারভাব্লুবৃন্বর্ণিত
রয়েছে ৷ এ প্রসঙ্গে ইমাম আবু আবদুল্পাহ৷ শা ফিঈ (র) বলেন, মুসলিম (র) , আকা’
এ মব্লুম বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) আইশ৷ ৷(না) ক্লে রললেন

“বায়তুনাহহুএ ব্লুতামা ন (একবা হুরর) তাওযাফ এবং সাফা ৷বওযায ণ্৩ামাব (একবাব্লুবব)
সাঈ ব্লুতামায় হজ্জ ও উমরা দুটির জন্যে যথেষ্ট ৷ এ হাদীস বাহ্যত ঘুরস লে (বিয়ুক্ত সনব্লুদব)
হলেও প্রকৃত বিচ৷ ৷হুর এটি মুসন৷ দ (স যুক্ত সনদ) ৷ এ দ৷ ৷বীর প্রমাণ হচ্ছে শাফিঈ (ব) এন অন
একটি বিওয়ায়া ত ৷ আর তা হলো ইবন উয়ায়ন৷ (র) আইশ্ ৷ ৷ (বা) হতে তিনি নবী কবীম (স৷ )
থেকে শা ৷ফিঈ (র) বলেন, সুফিয়া ন (র) কখব্লুন৷ বলেছেন আতা’ অইিশ্া) ৷৷(না) হতে আবার
কখনো বলেছেন আত৷ (র) হতে এ মর্মে যে, নবী করীম (সা) আইশ৷ (রা)- বলেছেন ৷

হাফিজ বায়হাকী (র) বলেছেন ইবন আবু উমর (ন) এ হাদীস সৃফিযান ইবন উযাযন ৷(র)
সুত্রে সৎযুক্ত সনব্লুদ বিওযায তৃ করেছেন ৷ মুসলিম (ন) এ হাদীস বিওযায ৷৩ করেছেন উহাযব
( র)-এর বরা তে (ইবন আব্ব ৷সতার গিতাসুত্রে আইশ্৷ ৷৷ (যা) থেকে অনুরুপ বচ্নাি করেছেন ন্
র্মুসলিয় (রা) এর অন্য একটি রিওযাযাত ইবন জুরায়জ (ন) জ৷ ৷বির (বা) বলেন, র ৷সুলুল্ল৷ হ (স৷ )
আইশ৷ (রা)-র কাছে গিয়ে র্ত ৷ব্লুক কান্নারত ব্লুদখব্লুত পেয়ে বললেন, ব্লুতাম৷ ৷র কি হয়েছে, কাদহু
কেন? তিনি বললেন, র্কা ৷দছি এজন্য যে, ব্লুলাকের৷ হালাল হয়ে গেল, অ৷ ৷মি৷ হলে লাল হব্লুত পারলাম
না; তারা ৰায়তুল্লা হ্ তাওয়াফ্ করা, কিন্তু আ ৷মি ত ওযাফ করব্লুত পারলাম না; ওদিব্লুক হজ্জ (এর
সময) তো এসেই পডল ৷ নবী ৰুম্বীম্ (সা) বললেন ’

“এটি এমন ব্যপার য৷ আল্লাহ পারু আদম সন্তুাব্লুনর নাবীকুলেব ড্ডা ৷ নিধাবিত কব্লুর
দিয়েছেন, তা ৷,ই তুমি গোসল করে নাও

বলেন, অ৷ ৷মি ত ইি করলাম ৷ আমি (ঋভু হতে) পবিত্র হলে তিনি বললেন

“তুমি ৰ্র্দুয়ভুল্লাহ্ তাওয়াক কর, সাফা মারওয়ায় সাঈ কর, তারপর তুমি তোমার হজ্জ ও
উমর৷ (উভয়টি) হতে হালাল হয়ে যাবে ৷” তখন আইশা (রা) বললেন, ::ইয়া৷ র ৷সুলুল্পাহও (না)
আমার উমরার বিষয় আমি মনের মাঝে অতপ্তিৱ ;ভাব অনুভব করছি, ফ্লোহতৃ হলোঃ (জন্য
তাওয়াফ কঃা৷র) আগে আমি (উমরার জন্য) তাওয়াফ করতে পাবিনি ; তিনি বললেন; হে:

আবদুর রহমান ! র্তাকে নিয়ে গিয়ে তান ঈম থেকে উমর৷ কবিব্লুয় আন ৷

মুসলিম (র) ইবন জুরায়জ সুত্রের আরো একটি হাদীস উদ্ধৃত কয়রছেন-জ জানির (না)
বলেন, “নবী করীম (না) এবং তার সাহাৰীগণ সাফা-মারওয়ায় একটির অধিক তাওয়াফ
(সাঈ) করেন নি ৷ আর আবু হানীফ৷ (র) এর অনুসারীদের সব্লুত ব্লুতা নবী করীম (সা) এবং :
র্তান সাহাবীপব্লুণর মাঝে যারা কুরবানীর পশু নিয়ে এসেছিলেন তারা একত্রে হজ্জ ও উময়৷ করে

কিরান পালন করেছিলেন ৷ যেমনটি পুঝোল্পিখিত হাদীসসমুহ থেকে প্রমাণিত ৷ আল্লাহই
সমাধিক অবগত ৷

শাফিঈ (র) বলেন, ইব্রাহীম ইব ন মুহাম্মদ (র)আলী (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন ৷ তিনি
কিরান হজ্জ আদায়কারী সম্পর্কে বলেন, দুটি করে তাওয়াফ ও সাঈ করবে ৷” শাফিঈ (র)
বলেছেন, কেউ কেউ “দুই তাওয়াফ এবং দুই নাই এবং এ বিষয় আলী (রা)-এর নামে বর্ণিত
একটি দুর্বল রিওয়ায়াত প্ৰমাণস্বরাপ উপস্থাপন করেছেন ৷ জাফর (র) বলেছেন, আলী (রা) হতে
আমাদের মাযহাব বর্ণিত হয়েছে ৷ আমরা তা নবী কয়ীম (যা) হতে রিওয়ায়াত করেছি ৷ নিস্তু
আবু দাউদ (র) বলেছেন, হারুন ইবন আবদৃল্লাহ্ ও মুহাম্মদ ইবন রাফি (র), আবৃত তৃফায়ল
(বা) সুত্রে বলেন, তিনি বলেছেন, আমি নবী কায়ীম (না)-কে তার বাহ্নে করে বায়তুল্লাহ্
তাওয়াফ করতে দেখেছি; তিনি একটি ৰীক৷ লাঠি দিয়ে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করে সে লাঠিটি
চুম্বন করেছিলেন ৷ এ সনদের অন্যতম রাবী মুহাম্মদ ইবন রাফি অতিরিক্ত এটুকু বলেছেন ৷
এরপর সাফা-মারওয়া অভিমুখে বের হয়ে গিয়ে তার বাহনে করে তিনি সাতবার সাঈ করলেন ৷
মুসলিম (র) তার গ্রন্থে এ হাদীসখানি রিওয়ায়াত করেছেন ৷

আবু দাউদ আত তায়ালিসী (র) সুত্রে উল্লেখিত সনদে মুহাম্মদ ইবন রাফি (র)-এর
পরিবেশিত অতিরিক্ত অংশ্ট্রিকু ব্যতিরেকে ৷ হাফিজ বায়হাকী (র)-ও আবু সাঈদ ইবন আবু
আমর (র)ৰুআবুৎ তুফায়ল (রা) সুত্রে এ হাদীস অতিরিক্ত অংশ ব্যতিরেকে রিওয়ায়াত
করেছেন ৷ আল্লাহই সমধিক অবগত ৷

হাফিজ বায়হাকী (র) বলেন, আবু বকর ইবনুল হাসান ও আবু যাকারিরা৷ ইবন আবু ইসহাক
(র)(আয়যান) কুদামা ইবন আবদুল্লাহ ইবন আম্মার (রা) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন,
আমি রাসুলুল্পাহ (না)-কে একটি উটেরন্ পিঠে সাফা-মারওয়ার সাঈ করতে দেখেছি; (কাউকে)
প্রহার করা সেই, তাড়ানাে নেই, হটো হটোও নেই ৷ বায়হাকী বলেন, রাবীদ্বয় এভাবেই
বলেছেন ৷ আয়মান (র) ব্যতীত একদল বর্ণনাকরীি এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন, তারা
বলেছেন, দশ তারিখে জামরায় কংকর নিক্ষেপ করেছিলেন (উটের পিঠে) বারহাকী (র)
বলেন, উভয় বর্ণনা বিশুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বিদ্যমান ৷

গ্রস্থুকারের মন্তব্য : ইমাম আহমদ (র) তীর মুসনাদে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন, ওয়াকী
প্রমুখ একদল রাৰী আবু ইমরান মার্কী আয়মান ইবন নাযিল হাবাসী (র) থেকে যিনি বুখারীর
রাবী তালিকাভুক্ত মহান ও নির্ভরযোগ্য রাবী তিনি কুদাম৷ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আম্মার আল
কিলাবী (রা) থেকে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, তিনি (জিলহাজ্জর) দশ তারিখে রাসুলুল্পাহ (সা)-
কে একটি লাল-সাদা উটনীর পিঠে উপত্যকার নিন্নভুমি হতে জামরায় কংকর নিক্ষেপ করতে
দেখেছেন কাউকে প্রহার করা সেই, তাড়ানাে নেই এবং হটো হটোও ণ্নই ৷ তিরমিষী (র) ও
আহম্মদ ইবন সামী (র) হতে অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন ৷

নাসাঈ (র) এ হাদীস আহরণ করেছেন ইসহাক ইবন রাহ্ওয়ায়হ (র) হতে এক ইবন
মাজা (র) আবু বকর ইবন শায়ৰা (র) হতে সব সনদ আয়মান ইবন নাবিল সুত্রে কুদামা
(রা) থেকে যেমনটি ইমাম আহম্মদ (র) এর রিওয়ায়াতে রয়েছে ৷ তিরমিষী (র) তা হাসান
সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন ৷

অনুচ্ছেদ : সাঈর সংখ্যা ও তার সমাপ্তি ক্ষেত্র প্রসৎগ

জাৰির (রা) এর হড়াদীসে রয়েছে অবশেষে যখন মারওয়ার তার <শষ চক্কর সমাপ্ত হল তখন
তিনি ইরশ্াড়াদ করলেন

আমার যে ব্যাপারটি আমি পরে বুঝতে পেয়েছি তা আগে উপলব্ধি করলে আমি কুরবানীর
পশু নিয়ে জানতাম না (মুসলিম) ৷ এ বর্ণনা তাদের বিপক্ষে প্রমাণ হয়ে যারা বলেছেন যে
সাফা মারওয়ার সাঈ হবে চৌদ্দ যায় আশা যাওয়ায় ৷ প্ৰতি বারের যাওয়া এবং আসা মিলিয়ে
এক চক্কর হিসাবে ৷ সাফিঈ মতাবলম্বী একটি প্রবীণ দল এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন ৷ এ হাদীস
তাদের অভিমত খওন করে ৷ কেননা, তাদের মতানুসারে সাঈর শেষ প্রান্ত হওয়ার কথা সাফা-
মারওয়ার নয় ৷ এ কারণেই জাৰির (রা) এর হাদীস বর্ণনা ক্ষেত্রে আহমদ (ব) বলেছেন, যখন
মারওয়ার কাছে সপ্তম বার (সমাপ্ত) হল তখন নবী করীম (সা) বললেন, লোক সকল ! আমি
যা পরে বুঝেছি তা আগে অনুধাবন করলে আমি কুরবানীর পশু নিয়ে জানতাম না এবং এটিকে
উমরায় পরিণত করতাম ৷ সুতরাং যাদের সাথে কুরবানীর পশু নেই, তারা হালাল হয়ে যাবে
এবং এ (তাওয়াফ সাঈ)-কে উমরা সাব্যস্ত করবে ৷ ফলে সকল লোক ৰু হলোল হয়ে গেল ৷ আর
মুসলিম (র)-এৱ রিওয়ায়াতে সকল লোক হালাল হয়ে গেল এবং চুল হেটে নিল; তবে নবী
করীম (না) এবং যাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল তারা ইহরাম অবস্থায় রয়ে গেলেন ৷

অনুচ্ছেদ : ইহরাম তংগের নির্দেশের গুরুত্ব

কুরবানীর পশু সাথে না নিয়ে আসা লোকদের প্ৰতি হজ্জ (এর ইহরাম ) বাতিল করে উমরায়
পরিণত করা সম্পর্কিত নবী করীম (না)-এর নির্দেশটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাহাবী
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তইি তাদের সকলের বিশদ ৰিবরণের জন্য উপযোগী নয় ৷ তার পুণঙ্গি
বিবরণ আল-আহকামুল কাবীর গ্রন্থে পাওয়া যাবে, ইনশাআল্লাহ্ ! এ ব্যাপারে আলিমপণের
মতপড়ার্থক্য রয়েছে ৷ ইমাম মালিক, আবু হানিফা ও শাফিঈ (র) বলেছেন ৷ বিষয়টি উপস্থিত
সাহাবীপণের জন্যে খাস ছিল ৷ হজ্জ-এর ইহরাম বাতিল করে উমরায় পরিণত করার বৈধতা
অন্যদের জন্য পরবর্তীতে রহিত করা হয়েছে ৷ এ বিষয় তাদের দলীল হল আবু যার (রা)-এর
উক্তি হজ্জ ভৎগ করে উমরায় পরিণত করার বিধান মুহাম্মদ (সা) এর সাহাবীগণ ব্যতীত অন্য
কারো জন্য প্রাযাজ্য ছিল না (মুসলিম) ৷

কিন্তু ইমাম আহম্মদ (র) এ অভিমত প্রত্যাখ্যান করেছেন ৷ তার বক্তব্য হল অন্তত এগার
জন সাহাবী বিষয়টি রিওয়ায়াত করেছেন, তা হল ঐ অভিমতের বিপরীতে এতগুলি রিওয়ায়াতের
কী হবে ? তাই তিনি সাহাবী ব্যতীত অন্যান্যদের জন্যেও (হজ্জ) বাতিল করা বৈধ হওয়ার
অভিমত পোষণ করেছেন ৷ আর ইবন আব্বাস (বা) তাে কুরবানীর পশু সাথে না নিয়ে আসা
লোকদের জন্য হস্কজ্জর ইহরাম রহিত করে উমরায় পরিণত করাকে ওযাজিব সাব্যস্ত করেছেন ৷
বরং তিনি আরো অগ্রবর্তী হয়ে বলেছেন যে, যারা হড়াদী নিয়ে আসে নি তারা শবীআতের ৰিধানে
হালাল হয়ে যাবে এবং বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ (ও সাফা-মারওয়ায় সাঈ) সম্পাদন করা মাত্র
এমনিতেই হালাল হয়ে যাবে ৷ মুলত তার মতে হজ্জ দুটি পন্থায় কেবল হতে পারেন্ (এক) হড়াদী

সংগে নিয়ে তা ৷স৷ লোকদের জন্য ক্কিৱান এবং (দুই) হাদীবিহীন হুলাকহুদর জন্য তামাত্তু ৷
াল্পাহই সমধিক অবগত ৷

এ প্ৰসং গে ইমাম বুখাবী (র) বলেন, জ৷ ৷বির (র) ও ইবন আব্বাস (রা)-এর বরাহুত বলেন
যে, তারা বলেছেন, নবী করীম (সা) এবং তার সাহাবীগণ জিলহহুজ্জব চার তা ৷রিখে মক্কায়
পৌছহুলন, তার৷ হহুজ্জর ইহরাম বেহুধ ছিলেন, তার সাথে অন্য কিছু (উমরা) মিশ্রিত ছিলনা ৷
আমরা পৌছে তাওরাফ স ঈ শেষ করলে রাসুলুল্পা হ্ (সা) এর হুকুহুম আমরা সেটিকে উমরা
পরিণত করলাম ৷ তিনি আমাদের ত্রী গমহুনরও অনুমতি দিলেন ৷ একথা টি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ল ৷

আত্বা (র) বহুলন, জা ৷বির (বা) বললেন, ফলে আম৷ দের কেউ কেউ মিন৷ অভিমুখে যেতে
লাগহুলা, অথচ তখন তারা সলমও করছিল ৷ এ ক্ষেত্রে জা ৷বির (বা) তার হাহুতর ইংগিহুত বিষয়টি
ব্যক্ত করছিলেন ৷ এ আলোচনা নবী করীম (সা) এর কাছে পৌছহুল তিনি বললেন–

আমার কাছে ণ্ খবর পৌহুছহুছ যে, একদল লোক এমন কথা বলছে ৷ আল্লাহর কলম! আমি
আল্লাহর তহুয়তাদেরচেয়ে অধিক ভীত (মুত্তার্কী) এবং তাদের হুচহুয় অধিক পুণ্য প্রত্যাশী আর
আমি আমার ব্যাপারে পরে যা বুঝেছি তা যদি আহুগ্ বুঝতামতহুব আমি হাদী নিয়ে আসতাম
না ৷ আর যদি
সুরড়াক৷ ইবন জুওম (রা) দাড়িয়ে বললেন, ইয়া রাসুলুল্পা হ ’ এ ব্যবস্থা শুধু আমাদের জন্য নাকি
সরকাহুলর জন্য ষ্ জবাবে তিনি বললেন, বরং সর্বকালের জন্য ৷ , ,

ইমাম মুসলিম (র) বলেন, কুতায়ব৷ (র)জ জাবির (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন,
আমরা ইফরাদন্ হহুজ্জ্বর ইহরাম করে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে এগিয়ে চললাম আ ৷ইশা (রা)
রওরনো হলেন,: উ;মরার ণ্ইহন্নাম করে: ৷ আমরা; সাবিফ’ন্এ উপনীত হলে তার রজঃস্রাব দেখা
দিল;৷ আমরা মক্কায়: পৌছে এবং সাফাশ্মারওয়া প্রদক্ষিণ ন্ করলাম ৷ রাসুলুল্লাহ্
(না) আমাদের মাঝে যারমার;;সাহুথ হাদী ছিল না তাদের হলােল হয়ে যাওয়ার নির্দেশ
দিলেন ৷ ন্ জাবির ন্ বহুলন, আমরা বললাম কি ধরনের হালাল হওয়া? তিনি বললেন, পুর্ণাৎগ
হালাল ৷ তখন :আমর৷ করলাম , ৷ সুগন্ধিৰু ব্যবহার করলাম“ এবং (ইহরাম কালে
নিষিদ্ধ) পােশাক৷ ৷দি পরিধান করলাম ৷ অথচ তখন আমাদের এবৎঅ আরাফ৷ দিবসের মাঝে চার
রাহুতর অবিক ব্যবধান ছিল না ৷ এ হাদীসদহুয়র স্পষ্ট ভাষ্য হল নবী করীম (সা) বিদায়
হহুজ্জ্বর, সময় জিলহজ্জ মাসের চার ত৷ ৷বিখ সকা লে মক্কায় উপনীত হয়েছিলেন এবং তা ছিল
হুরাববার সুর্য পুর্ব দিগস্তে উচু হওয়ার পরে চাশ্াত এর সময় ৷ ৫কন না, ৷বুখারী, মুসলিম সহীহ্
গ্রঢুন্থদ্বহুয় উদ্ধৃত উমার ইবনৃল থাত্তাব (রা)-এর হাদীহুলর ভাষ্য মহুত যা পরে আসবে, আরাফা
দিবস (নয় তারিখ) হ্নিব্ ওক্রার এবং এ বিষয়টি সর্ব সম্মত ৷ সুতরাং সে বছরের জিলহহুজ্জর
মাস পহেলা ছিল নিশ্চিতরুহুপ বৃহস্পতিবার (অতএব হিসাব মহুত চার ত ৷ ৷বিথ হহুর রবিবার) ৷

, সুতরাং মাহুসরঢ়ার তারিখ রবিবার নবী কয়ীম (সা) আগমন বল্মার পরের তাওয়াফ
ও:সাফামারওয়ায় সাঈ:দিহুয় :সুচন৷ বললেন, যেমনটি পুর্বে বহুল এসেছি ৷ মারওয়ায় তার তাওয়াফ

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It on Pinterest