রাজী’র লোমহর্ষক ঘটনা

রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর জন্য একটি ক্রীতদাস এবং বিধিমুতাবিক মোট সম্পদের এক-পঞ্চমাংশ
রেখে দেওয়া হয় ৷ অবশিষ্ট মালামাল অভিযানে অংশ গ্রহণকারী মুজাহিদদের মধ্যে বন্টন করে
দেওয়া হয় ৷ তারপর তারা মদীনায় ফিরে এলেন ৷

উমর ইবন উছমান বলেন, আবদুল মালিক উমর ইবন আবু সালাম৷ (র৷ ) থেকে বর্ণিত যে,
তিনি বলেছেন, উহুদ যুদ্ধে যে কাফিৱ আমার পিতাকে যখন করেছিল যে ছিল আবু উসমাে
জাশামী ৷ প্রায় এক মাস যাবত আমার পিতা ওই যখমের চিকিৎসা করল ৷ তারপর তিনি সুস্থ হয়ে
উঠলে রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাকে কতোন এলাকায় প্রেরণ করেন ৷ সময়টি জ্জি ৪র্থ হিজরীর মুহাররাম
মাস ৷ সফর উপলক্ষে দশ দিনের অধিরুহ্মাল তিনি মদীনায় বাহিরে ছিলেন ৷ মদীনায় প্রুত্যাবর্তনের
পর তার ক্ষতস্থান আবার দগদাগ হয়ে উঠে ৷ অবশেষে জুমদোল উলা মাসের তিনদিন অবশিষ্ট
থাকতে তার ইনতিকাল হয় ৷ উমর ইবন আবুসালামা বলেন আমার পিতার মৃত্যুতে আমার যা
যথারীতি ইদ্দত পালন করেন ৷ : মাস ১০ দিন ইদ্দত পালন্ণ্নর পর রাসুলুল্লাহ্-র সঙ্গে পরিণয়
সুত্রে আবদ্ধ হন ৷ শাওয়াল মাসের শেষ দিকে তাদের বাসর হয় ৷ এ প্রেক্ষিতে আমার মা বলভেন
“শাওয়াল সালে বিয়ে অনুষ্ঠান এবং বাসর উদযাপনে কোন দোষ নেই ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমাকে
বিয়ে করেছেন শাওয়াল মাসে এবং ঐ মাসেই আমাদের বাসর হয় ৷ বর্ণনকােরী বলেন, ৫৯ হিজ্জী
সনের যিলকদ-মাসে উম্মু সালমো (রা)-এর ওফাত হয় ৷ বায়হাকী (র) এটি বর্ণনা করেহ্নে৷ ৷ আমি
বলি, ৪র্থ হিজরী সনের শেষের দিকের ঘটনাবলী উল্লেখ করার সময় শাওয়াল মাসে উম্মু সালামার
সাথে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর বিবাহ এবং এতদৃসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় যেমন মায়ের বিয়েতে পুক্রো
অভিভাবকভু, এ বিষয়ে উলামা-ই কিরামের মতভেদ ইত্যাদি উল্লেখ করব ইনশাআল্লাহ্ ৷

রাজীর লোমহর্ষক ঘটনা

ওয়াকিদী বলেন, এই ঘটনাটি ঘটেছিল : র্থ হিজরী সনের সফর মাসে ৷ রাসুলল্লাহ্ (সা) ওই
জামাআতকে প্রেরণ করেছিলেন মক্কাৰাসীদের প্রতি ৷ রাব্জী হল উছফান থেকে ৮ ম্াইলের
ব্যবধানে অবস্থিত একটি কুয়াে ৷ ইমাম বুখারী (র) বলেন, ইবরাহীম আবু হুরায়রা (রা)
সুত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) একদল গুপ্ত-চর পাঠিয়েছিলেন ৷ তাদের নেতা
মনোনীত করেছিলেন আসিম ইবন ছাৰিতকে ৷ আসিম ইবন ছাবিত ছিলেন আসিম ইবন উমার

বদৃযায়ল গোত্রের এক উপগােত্র বনু লাহয়ান তাদের উপস্থিতি সম্পর্কে অবগত হয় ৷ ফলে ঐ
গোত্রের প্রায় একশ’ তীরন্দাজ ব্যক্তি ঐ ঘুসলিম জামাআতাক আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে বের হয় ৷
তাদের পদচিহ্ন অনুসরণ করে শত্রুপক্ষ অগ্রসর হয় ৷ এক জায়গায় এসে তারা যাত্রা বিরতি করে ৷
সেখানে তারা কতক খেজুর বীঢি দেখতে পায় ৷ তারা বল্মবলি করতে লাগলো ওগুলে৷ তো
দেখছি মদীনায় খেজুর ৷ সফরের খাদ্য হিসেবে আসিম (বা ) ও তার সাথীরা সেগুলো সঙ্গে
এসেছিলেন ৷ দ্রুত বো:গ তারা ঐ জামলোতের পশ্চাদ্ধাবন করে ৷ তারা তাদের কাছে পৌছে
পেল ৷ আসিম ও তার সাথিগণ উপায়ান্তর না দেখে ফদ ফদ নামক একটি উচু টিলায় উঠে যায় ৷
শত্রুপক্ষ তাদেরকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলে ৷ ওরা বলল, আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে তোমরা
যদি আমাদের নিকট আত্মসমর্পণ কর ৷ তার আমরা তোমাণ্দর কাউকে হত্যা করব না ৷ ষ্লেনেতা

আসিম (রা) বললেন আমি কখনো কাফিরের হাতে অব্লেসমর্পণ করব না ৷ হে আল্লাহ্ ৷ আমাদের
এই সংকটপুর্ণ অবস্থা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে অবগত করিয়ে দিন ৷ এরপর তারা কাফিরদের
সাথে যুদ্ধ শুরু করেন ৷ দলনেতা আসিম (রা)সহ ৭ জন সাহাৰী কাফিরদের হাতে ৩হনি ত হন ৷
খুবায়ব, যায়দ ও অন্য একজন ৷লাক বেচে গেলেন ৷ তারা কাফিরদের প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে
আত্মসমর্পণ করেন ৷ কাফিরেরা যখন সাহাবী তিনজনফে পুর্ণ কাবুতে পেয়ে পেল তখন তারা
তাদের ধনুকের ছিলা দিয়ে তাদেরকে বেধে ;ফলে ৷ তখন তৃতীয় ব্যক্তি বললেন, এটি হচ্ছে প্রথম
বিশ্বাস ঘাত কতা ৷ তিনি ওদের সাথে যেতে ৩অস্বীকার করেন ৷ ওরা জোর জবরদস্তি করে নিয়ে
যেতে চায় ৷ তিনি যেতে অস্বীকার করেন ৷ শেষ পর্যন্ত তারা তাকে শহীদ করে দেয় ৷ যায়দ (রা)
ও খুবায়ব (রা)-কে নিয়ে তারা যাত্রা করে ৷ মক্কায় পৌছে তারা তাদের দু’জনকে বিক্রি করে
দেয় ৷ হারিছ ইবন আমিরের পুত্রেরা হযরত খুবায়ব (রা) কে কিনে নেয় ৷ বদর দিবসে তিনি
হারিছকে হত্যা করেছিলেন ৷ বন্দী অবস্থায় খুবায়ব (রা) তাদের নিকট রইলেন ৷ শেষ পহন্তি তারা
যখন তাকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিল তখন হারিছের এক মহিলার নিকট থেকে তিনি ন্বেচীর কর্ম
সম্পাদনের জন্যে একটি ক্ষুর চেয়ে নেন ৷ মইিলাঢি তাকে একটি ক্ষুর দেয় ৷ মহিলাটির অসতর্ক
মহুর্তে তার এক শিশু পুত্র খুবায়বের (রা) কাছে পৌছে যায় ৷ তিনি শিংটিকে কোলে তুলে নেন ৷
মহিলাটি বলে শিশুর এই অবস্থান দেখে আমি খুবই বিচলিত হয়ে পড়ি, খৃরায়ব (বা) তা আচ
করতে পারলেন ৷ তখনও তার হাতে ক্ষুর ৷ তিনি বললেন, তুমি কি ভয় পচ্ছে যে, আমি ওকে খুন
করব ? আমি ইনশাআল্লাহ্ তা করব না ৷ হারিছের কন্যা প্রায়ই বলত যে, খুবায়ব (রা)এব চাইতে
ভদ্র কোন বন্দী আমি কখনো দেখিনি ৷ আমি তাকে দেখেছি যে তিনি আঙ্গুর ছড়া থেকে আঙ্গুর
খাচ্ছেন অথচ তখন মক্কায় আঙ্গুরের মওসুম ছিল না ৷৩ তদুপরি তিনি লোহার শিকলে বাধা, ছিলেন ৷
নিশ্চয়ই ওই আঙ্গুর ছিল তার জন্যে আল্পাহ্র পাঠানো বিশেষ রিবৃক স্বরুপ ৷ হত্যার উদ্দে;শ্য তারা
তাকে হারাম শরীফের বাইরে নিয়ে যায় ৷ তিনি বললেন, আমাকে দু’ রাকআত নামায আদায়
করার সুযোগ দাও ৷ পরে তিনি তাদের নিকট ফিরে এলেন ৷ তিনি বললেন, তোমরা ধারণা করবে
যে, আমি মৃত্যুর ভয়ে দীর্ঘ নামায আদায় করছি এরুপ আশংকা না থাকলে আমি নামায আরও
দীর্ঘ্যয়িত করত আম ৷ নতুবা নিহত হওয়ার পুর্বে দৃ ’রাকআত নামায আদায় করার রীতি সর্ব প্রথম
তিনিই চালু করেন ৷ তিনি বললেন :

হে আল্লাহু! আপনি ওদেরকে জান জান গুণে রাখুন এবং ওদের প্রতোককে ধ্বংস করুন
তারপর তিনি বললেন :

যখন মুসলিম অবস্থায় আমি নিহত হচ্ছি তখন আমার কোন পভ্রুরায়া নেই যে, কোন পাশে
কাত থাকা অবস্থায় আমার মৃত্যু হলো ৷

আমার মৃত্যুভাে হচ্ছে আল্লাহ্ তাআলার সন্তুষ্টি লাভের জন্যে ৷ তিনি চাইলে আমার খণ্ড
বিখণ্ড দেহের প্রতিটি জোড়ায় জোড়ায় প্রতিটি সংযোগ স্থলে বরকত দিবেন ৷ এরপর উকবা ইবন
হারিছ তার দিকে এগিয়ে যায় এবং তাকে হত্যা করে ৷ বর্ণিত আছে যে কুরায়শের লোকেরা
প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল যাতে তারা চিনতে পারে আসিমের (বা) শরীরের এমন কোন অংশ নিয়ে
আসার জন্যে ৷ কারণ হযরত আসিম (রা) ওদের খ্যাতিমান এক বেতাকে বদর দিবসে হত্যা
করেছিলেন ৷ এখন তার শরীরের অংশের অবমাননা করে তার প্রতিশোধ নেয়া ছিল তাদের
উদ্দেশ্য ৷ জ্যি তার পবিত্র দেহকে ওদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্যে আল্লাহ্ তাআলা মেঘের
ন্যায় এক ঝাক মৌমাছি পাঠিয়ে দিলেন ৷ মৌমাছি গুলো চারিদিক থেকে তাকে ঘিরে রেখে
ওদের হাত থেকে তার দেহকে রক্ষা করে ৷ তারা তার দেহ স্পর্শ-ই করতে পারেনি ৷

বুখারী বলেন, আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ সুত্রে বর্ণনা করেন যে, জাবির ইবন আবদৃল্লাহ্ (রা)
বলতেন যে, খুবায়ব (না)-কে হত্যা করেছিল কাফির আবু সারােআ ৷ আমি বলি, তার নাম
উকবা ৷ সে হারিছের পুত্র ৷ অবশ্য পরে সে ইসলাম গ্রহণ করেছিল ৷ “দুধ পান বিষয়ে তার
বর্ণিত একটি হাদীছও রয়েছে ৷ কেউ কেউ বলেছেন যে, আবু সাষ্করাআ আর উকবা দুজন সহােদর
ভইি ছিলেন ৷ আল্লাহ্ ভাল জানেন ৷ বুখারী (র) তার সহীহগ্রন্থে মাগাযী অধ্যায়ে রাব্জী এর ঘটনা
এভাবে উল্লেখ করেছেন ৷ তিনি এই ঘটনাটি তাওহীদ অধ্যায়ে এবং জিহাদ অধ্যায়ে যুহ্রী জ্যি
ভিন্ন সুত্রে উল্লেখ করেছেন ৷ তার একটি ভাষ্য এই : রাসুলুল্লাহ্ (সা) ১০ জনের একটি গুপ্তচর
দল প্রেরণ করেছিলেন ৷ তাদের নেতা মনোনীত করেছিলেন আসিম ইবন ছাবিত ইবন আবু
আফ্ফাহ্বহ্কে ৷ অবশিষ্ট বর্ণনা পুংর্বর ন্যায় ৷ বর্ণনার কোন কোন অংশে মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক, মুসা
ইবন উক্বা এবং উরওয়া ইবন যুৰায়র দ্বিমত পোষণ করেছেন ৷ উভয় প্রকারের বর্ণনার মধ্যে
কতটুকু তারতম্য ও ব্যবধান রয়েছে তা স্পষ্ট করার জন্যে আমরা ইবন ইসহাকের বর্ণনাটিও
উল্লেখ করব ৷ কারণ, ইতিহাস বিষয়ে ইবন ইসহাক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি এবং অপ্রতিদ্বন্দী ৷ যেমন
ইমাম শাফিঈ (র) বলেছেন, মাগাযী বা যুদ্ধ শাগ্রে যে পযাপ্ত জ্ঞান অর্জন করতে চায় সে নিশ্চয়ই
মুহাম্মাদ ইবন ইসহাকের মুখাপেক্ষী ৷

মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক বলেছেন, আসিম ইবন উমার ইবন কাতাদা আমাদের নিকট বলেছেন
যে উহুদ যুদ্ধের পর আমল ও কারাহ গোত্রদ্বয়ের কতক লোক রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নিকট আগমন
করে ৷ তারা বলে, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ষ্ আমরা ইসলাম গ্রহণ করেছি ৷ আপনি আপনার সাহাবীদের
মধ্য থেকে একলে লোক আমাদের সাথে পাঠিয়ে দিন যারা আমাদেরকে দীনের জ্ঞান দান করবে,
কুরআন শিক্ষা দেবেন এবং ইসলামের বিধানাবলী সম্পর্কে আমাদেরকে অবহিত করবেন ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার ছয়জন সাহাৰী (রা)ণ্কে তাদের সাথে প্রেরণ করলেন ৷ তারা হলেন (১)
মারছাদ ইবন আবু মারছাদ পানাবী (রা), ইনি হামযা ইবন আবদুল মুত্তালিবের মিত্র ছিলেন ; ইবন
ইসহাকের মতে ইনি ছিলেন দলনেতা ৷ (২) খালিদ ইবন বৃকায়র লইিহী (রা), তিনি বনু আদী
গোত্রের মিত্র ৷ (৩) আদিম ইবন ছাবিত ইবন আবুল আফলাহ (রা) ৷ ইনি বনু আমর ইবন আওফ
গোত্রের ণ্লাক ছিলেন ৷ (৪) খুবায়ব ইবন আদী (রা), ইনি বনু আহ্জাবাঈ ইবন কালফা ইবন
আমর ইবন আওফ গোত্রের লোক ছিলেন ৷ (৫) যায়দ ইবন দাছিন্ন৷ (বা), তিনি বনু বিয়াদা ইবন

আমির গোত্রের লোক ছিলেন ৷ (৬) আবদুল্লাহ্ ইবন তারিক (বা) ইাৰুন যাফর ৷গাংত্রর মিত্র
ছিলেন ৷ ইবন ইসহাক এরুপই বলেছেন যে, তারা ছিলেন ছয় জন, মুসা ইবন উক্বা ও তাই

বলেছেন ইবন ইসহাক যে নামগুলো উল্লেখ করেছেন মুসা ইবন উকবাও সেগুলো উল্লেখ
করেছেন ৷ বুখ্যরীর (র) ম তানুসারে প্রতিনিধি দলে ছিলেন ১০ জন ৷ তিনি আরো বলেছেন যে

তাদের দল নেতা ছিলেন আসিম ইবন ছাবিত ইবন আবুল আফলন্বহ ৷ আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷

ইবন ইনহাক বলেন আগত লোকদের সাথে যাত্রা করলেন এই প্রতি নিধি দল ৷৩ তারা গিয়ে

পৌছলেন রাজী এলাকায় ৷ রাব্জী হল হাদ আ থেকে ণ্ফরার পথে হিল্পাম প্রান্তের একটি কুয়াে ৷
হুযায়ল গোত্রের তত্ত্বাবধানে ছিল এ কুয়ােটি ৷ সেখানে পৌছার পর ঐ ৷লকজন বিশ্বাসঘাতকতা
করে ৷ মুসলিম জামাতঢির উপর হামলা করার জন্যে তারা হুযায়ল দ্বো৷ত্রকে তা৷হ্বান জানায় ৷ কিন্তু

তাদের হাতে তরৰারি থাকায় স্থানীয় লোকজন সে সাহস করেনি ৷ অথচ তারা ঐ জামাত গ্ক ঘিরে
রেখেছিল ৷ নুসলমানগণ শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্যে তরৰারগুলে৷ হাতে নিয়ে প্রস্তুত হয়ে
যান ৷ তখন তারা বলে যে , আল্লাহর কসম ৷ আমরা আপনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আসিনি ৷
আমরা বরং এটি চেয়েছিলাম যে, আপ্যাদেরঝে মক্কাবাসীর নিকট প্রেরণ করে বিনিময়ে কিছু
আর্থিক সুবিধা আদায় করব ৷ আপনাদের সাথে আমরা অঙ্গীকার করছি যে, আমরা আপনাদেরকে
হত্যা করব না ৷ হযরত মারছাদ (রা), খালিদ ইবন বুকায়র (বা) এবং আসিম ইবন ছাবিত (রা)
বললেন, আল্লাহর কলম, মুশব্রিকদের কোন অঙ্গীকার আমরা বিশ্বাস করব না এবং ওদ্যে৷ সাথে
কোন চুক্তিতে আমরা আবদ্ধ হব না, এ প্রসংপে আসিম ইবন ছাবিত (রা) বললেন :

আমার কোন ওমর ও দুর্বলতা নেই ৷ আমি একজন শক্তৰুসামর্থ র্তীরন্দাজ যুবক ৷ আমার
ধনুকে রয়েছে মযবুত হ্নিা৷ ৷
সেটির পিঠ থেকে তুনীর পড়ে যায় ৷ মৃত্যু চির সত্য আর জীবন হল অনার ৷
যা নাযিল হবে বলে আল্পাহ্৩ তা জানা স্থির করেছেন তা মানুষের উপর নাযিল হলেই ৷ মানুষ
যে দিকে আসৰেই ৷
৷ ণ্া
আমি যদি তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করি তবে আমার যা অপ্রকৃতিস্থ বলে গণা হবেন ৷
হযরত আসিম (বা) আরো বলেন চ

আবুসুলায়মান সীমালৎঘনকারী ও পথভ্রষ্ট যেন জ্বলত্ত অগ্নিকুণ্ড ৷

শোক প্রকাশকাবিণী মহিলাগণ যখন তাদের শয্যা পেতে কাদতে থাকে তখনও আমি কোন
ভয় পাইনা; বরং ষাড়ের চামড়ার তৈরী ঢাল নিয়ে সম্মুখে অগ্নসর হই ৷
আর আমি মুহাম্মাদ (সা ) এর প্ৰতি পরিপুর্ণ আস্থুাশীল, তিনি আরো বলেন, :

আবু সুলাযমান ও আমার দৃষ্টান্ত এই যে, আমরা দুজন ৩ রদ জ ও বশা নি৫ক্ষপে পারদর্শী ৷
আর আম রগোত্র হল সম্মানিত গোত্র ৷

রর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি নড ই অব্যাহত রাখেন ৷ শেষ পর্যন্ত তিনি এবং৩ তার সাথীদ্বয়
শহীদ হন ৷ তাি ন নিহত হওয়ার পর হুযায়ল গোত্রের লোকেরা ৫চ৫হ্ ৷ছিল তার মাথা কেটে নিয়ে
মকী মহিলা সুলাফা ৷বিন ত স দ ইবন সুহাযলের নিকট বিক্রি করতে ৷ কারণ উহুদ দিবসে হযরত
আসিম (রা) ওই মহিলার দু’ পুত্র৫ক হত্যা ক৫রাছলেন ৷ মহি ৷৷টি মানত করেছিল যে, সে যদি
কোন দিন আসি৫মর মাথার খুলি হাতে পরে তবে তাতে করে সে শরাব পান করবে ৷ একদল
মৌমাছি এসে হযরত আসিম (রা)-এর পবিত্র লাশ ঘিরে ফেলে এবং ওদের ইচ্ছা পুর৫ণ বাধা সৃষ্টি
করে ৷ নিরুপায় হয়ে তারা বলে যে আপাতত থাকুক সন্ধ্য৷ হলে মৌমাছিগুলাে নিজ নিজ
মৌচাকে ফিরে যাবে ৷ আমরা তখন তার মাথা কেটে ৫নব ৷ সন্ধ্যাবেল৷ আল্লাহ তা আলার
নিদের্শে উপত্যকায় ঢল নামে এবং হযরত আসিমকে ভাসিয়ে নিয়ে ৫গল হযরত আসিম (বা)
আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করেছিলেন যে, তাকে যেন কোন ঘৃশবিক স্পর্শ করতে না পারে
এবং তাকেও যেন কোন মুশবিককে স্পার্ণকরতে ৩ন৷ হয় ৷ কেননা, মুশবিকর৷ নাপাক ৷ মৌমাছি
এসে হযরত আসিম (রা) কে রক্ষা করেছে এই সংবাদ শুনে হযরত উম৷ ৷র (রা ) বলতেন, আল্লাহ
তাআলা তার মু’মিন বান্দা৫দরকে রক্ষা করে থাকেন ৷ আসিম (বা) মানত করেছিলেন যে,
কখনো তিনি কোন মুশবিক৫ক স্পর্শ করবেন না এবং তাকেও যেন কোন মুশবিক জীবনে স্পর্শ
করতে না পারে ৷ বন্তুতঃ আল্লাহ তা আল জীবন কালে যেমন আসিমকে মুশরিক লোকের স্পর্শ
থেকে রক্ষা করেছেন মৃত্যুর পরও ৫৩ মন রক্ষা করেছেন ৷

ইবন ইসহাক বলেন, হযরত থুরায়ব (রা ) যায়দ ইবন দাছন্ন৷ এবং আবদুল্লাহ ইবন তারিক

কিছুটা নম্রতা ৫দখা৫৫৷ ন এবং জীবন রাচ৷ তে চাইলেন ৷ তারা ওদের নিকট আত্মসমর্পণ করলেন ৷

তারা তাদেরকে বন্দী করে ৫ফলল এবং মক্কায় নিয়ে বেচে দেয়ার জন্যে মক্কা অভিমুখে যাত্রা

করল ৷ মাররুয যাহ্রান পৌছার পর আবদুল্লাহ ইবন তারিক কৌশলে তার হাত মুক্ত করে

নিলেন ৷ তারপর তার তরবাবি হাতে ৩নিয়ে শদের উপর আক্রমণ করতে উদ্যত হলেন ৷ তারা

সকলে তার কাছ থেকে দুরে সরে পেল ৷ এরপর সকলে মিলে৩ তাকে লক্ষ্য করে পাথর নি৫ক্ষপে
র বাতাকে হত্যা করল ৷ তার কবর মাররুয যাহরানে অবস্থিত ৷

তারা খুবায়ব ইবন আদী (বা) এবং যায়দ ইবন দাচ্ছিন্ন৷ (রা)-৫ক মক্কায় নিয়ে আসে ৷ তারপর
কুরায়শ৫দর হাতে বন্দী দুজন হুযায়লী লোকের মুক্তির বিনিময়ে তাদেরকে কুরায়শ৫দর হাতে তুলে
দেয় ৷ ইবন ইসহাক বলেন, হুজাযর ইবন আবু ইহার তামীযী হযরত খুবায়ব (রা) ৫ক কিনে
নেয় ৷ হুজায়র ছিল বনু নাওফিন গোত্রের মিত্র ৷ তার পিতা আবুহ ইহার হল হাবিছ ইবন আমি৫রর

ভৈবপিত্রীয় তাই ৷ হুজয়র হযরত খুবয়র (রা) কে কিনেছিল উক্ব ইবন হরিছের নিকট হস্তা ম্ভর
করার জন্যে যাতে সে থুরয়ব (রা) কে হত্যা করে তার পিতার হত্যার প্রা তশোধ নিতে পারে
যায়দ ইবন দছিন্নহ (র) কে ক্রয় করেছিল সাফওয়ান ইবন উমর্শা হয় সে ৩কে ক্রয় করেছিল
তাকে হত্যা করে তার পতৃহত্যার প্ৰতিশোধ নিতে ৷ হত্যার নির্দেশ দিয়ে সে তার ক্রীত দাস
নসতাস কে যায়দ ইবন দ ছিন্ন সহকারে হরম শরীফের বহিরে ;নঈম নামক স্থানে প ঠয়
সেখানে কতক কুরয়শী লোক একত্রিত হয় ৩ তাদের মধ্যে আবু সুফয়ান ইবন হারবও ছিল ৷
মৃত্যুর মুখোমুখি যায়দ ইবন দছিন্ন (রা ) কে সে বলেছিল “হে যায়দ ! এ খ;;ণ্ তোমার যে অবস্থান
মুহাম্মাদকে ধরে এনে সে অবস্থানে রেখে আমরা যদি তাকে হত্যা করি দিচানময়ে তোমাকে মুক্তি
দিই, তুমি তোমার পরিবার পরিজনের মধ্যে থ ক তা কি তুমি পসন্দ করবে ? হযরত যায়দ (বা)
বললেন, আল্লাহর কলম! মুহাম্মাদ (না) এখন যে অবস্থানে আছেন সেখানে যদি তার পবিত্র দেহে
একটি কটি র ৫খচ লপে আ র আ মি আমার পরিবারের মধ্যে থাকর হৃণ্ আমি কখনও পসন্দ করব
ন ৷ আবু সুফিয়ান বলল, মুহাম্মদের (সা) সাহাবীগণ ত কে যেমন দৃঢ়তা ণ্ তালবসে কোন মানুষ
অন্যকে তেমন ভালবসতে আ মি দেখিনি ৷৩ তারপর নসতাম কাফির এসে তাকে হত্যা করে

বংনািকয়ী বলেন, থুবয়র ইবন আদী (বা ) সম্পর্কে আবদুল্লাহ ইবন আবুনজীহ্ হুজায়র ইবন
আবু ইহারের ক্রী৩ দসী ম বিষ থেকে বর্ণনা করেন পরবর্তীতে মারিয়া ইসলাম গ্রহণ করেন ৷
বস্তুত মারিয়া বলেছেন যে, খুবয়ব (র ) বন্দী অবস্থায় আমার নিকট আমার গৃহে অবস্থান
করছিলেন একদিন হঠাৎ আমি গুর দিকে উকি মরে দেখি তার হাতে আঙ্গুরের থােক
মানুষের মাথার মত বড় ছিল ওই আঙ্গুরগুলাে ৷ তিনি ওই থােক থেকে আব্দুর খচ্ছিলেন তখন
পৃথিবীর কোথাও আব্দুর পাওয়া যায় বলে আমার জানা ছিল না ৷

ইবন ইসহক বলেন, আসিম ইবন উমার ইবন কাতাদ এবং আবদুল্লাহ ইবন আবু নজীহ্
দুজনেই আমাকে জানিয়েছেন, যে মারিয়া বলেছেন, খুবয়ব র) এর মৃভ্যুক্ষণ ঘনিয়ে আমার
তিনি আমাকে বলেছিলেন, আমাকে একটি ক্ষুর দও ৷ আমি যেন মৃত্যুকে বরণ করার জন্যে পাক
পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন হয়ে নিতে পারি ৷ মারিয়া বলেন, এরপর ক্ষুর সহ ছোট্ট একটি বলককে আমি
তার নিকট পাঠাই এই বলে যে, তুমি ক্ষুরটি নিয়ে গৃহে আবদ্ধ সােকটির নিকট যাও ৷ ক্ষুর নিয়ে
বলকটি সেদিকে যাত্রা করার পরই আমার বোধ উদয় হল যে, আমি যা করলাম তাতে তো
থুবয়রের প্ৰতিশোধ নেয়ার সুযোগ তৈরী করে দিলাম ৷ প্ৰতিশোধ স্বরুপ তিনি বলকটিকে হত্য
করে ফেলতে পারেন ৷ তাহলে ১ জন মুসলিমের প্ৰতিশোধরুপে ১জন কাফিরকে হত্যা করা
হয়ে বলকটি ক্ষুর নিয়ে৩ তার নিকট পৌছর পরও তিনি সেটি নিজ হাতে ৩নিলেন এবং বললেন
হায়, তোমার না যখন ক্ষুর সহ তোমাকে আমার নিকট পঠিয়েছে তখন সে কি ৩য় পয়নি ?
এরপর তিনি শিশুটিকে বিদায় দিয়ে দিলেন

ইবন হিশাম বলেন, শিওটি ছিল ওই মহিলারই পুত্র সন্তান ৷ ইবন ইসহক বলেন যে, আসিম
বলেছেন, এরপর কফিরেরা হযরত খুবয়ব (র)-কে নিয়ে বের হল তাকে গুলিতে চড়ানোর
জন্যে ৷ তারা “তানঈম” এসে পৌছল তিনি বললেন, তোমরা যদি আমাকে দু’ রকআত নামায
আদায়ের অবকাশ দিতে রযী হও তার ভাই কর ৷৩ তারা বলল, ঠিক অছে৩ তুমি নামায আদায়

করে নাও ৷ তিনি অত্যন্ত সুন্দরতা রে ও পুর্ণতার সাথে দু’ রাকআত নামায আদায় করলেন ৷
তারপর শত্রুদের মুখোমুখি দাড়িয়ে বললেন, তোমরা যদি এ সন্দেহ পোষণ না করতে যে মৃত্যু
ভয়ে ভীত হয়ে আমি দীর্ঘক্ষণ নামায পড়ছিত তবে আমি তা আরো দীর্ঘায়িত করতাম ৷ হযরত
খুবায়ব (রা) প্রথম ব্যক্তি যিনি মুসলমানদের জন্যে নিহত হওয়ার পুর্বেদু দু’ রাকআত নামায
আদায়ের সুন্নত প্রবর্তন করে গেলেন ৷ এরপর তারা থুবায়ব (রা)-কে সংশ্লিষ্ট কাঠে চড়িয়ে
মযবুতভাবে বেধে ফেলল ৷ খুবায়ব এই দুঅ৷ পাঠ করলেন-

হে আল্লাহ! আমরা আপনার রাসুলের রিসালাচুতর রাণী পৌছিয়েছি ৷ এখন আমাদেরকে নিয়ে
যা যা করা হচ্ছে তার সং বাদ আপনি বাসুলুল্লাহ্ (সা ) এর নিকট ভোরেই পৌছিয়ে দিন ৷ তারপর
তিনি বললেন ৷ হে আল্লাহ !
ওদের সবাইকে আপনি ওণে নিন ৷ তাদের সকলকে ধ্বং স করুন ৷ ওদের কাউকেই অবশিষ্ট

রাখবেন না ৷) এরপর তারা তাকে হত্যা করল ৷

মুআবিয়৷ ইবন আবু সুফিয়ান বলতেন “ সেদিন আবু সুফিয়ানের সাথে অন্যান্যসহ আমিও
ছিলাম ৷ আমি দেখেছি যে, হযরত খুবায়ব (রা)-এর বদ দুআয় ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে আমরে পিতা আবু
সুফিয়ান আমাকে মাটিতে শুইয়ে দিচ্ছিলেন ৷ তারা মনে করত যে, কারো জন্যে বদ দুঅ৷ করা
হলে সে যদি মাটিতে শুয়ে যায় বা কাত হয়ে পড়ে তবে ওই বদ দুঅ৷ তার উপর থেকে টলে
যায় ৷

মুসা ইবন উকবার মাগাযী গ্রন্থে আছে যে, হযরত খুবায়ব (রা) এবং যায়দ ইবন দাচ্ছিন্ন৷ (রা)
নিহত হয়েছিলেন একই দিনে ৷ যেদিন তারা নিহত হয়েছিলেন রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনায় অবস্থান
করে তাদের আর্জি শুনতে পাচ্ছিলেন ৷ তাদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছিলেন, “তোমাদের
দুজনের প্রতি সালাম ৷ অথবা একথা বলেছিলেন, হে খুবায়ব তোমার প্রতি সালাম ৷ কুরায়শগণ
থুবায়বকে হত্যা করে ফেলল” বর্ণিত আছে যে, শত্রুরা হযরত ইবন দাচ্ছিন্ন৷ (রা) কে গুলিতে
চড়িয়ে তার প্ৰতি তীর নিক্ষেপ করছিলত ৷ তাদের উদ্দেশ্যে ছিল তিনি দীন ত্যাগ করুন কুফরীতে
ফিরে আসুন ৷ কিভু তাতে তার ঈমান ও আত্মনিবেদন আরো সুদৃঢ় হল ৷

উরওয়৷ এবং মুসা ইবন উক্ব৷ ৷উল্লেখ করেছেন যে, তারা হযরত থুবায়ব (রা )-কে গুলির
কাঠের সাথে বেধে ডেকে ডেকে বলছিল, তুমি কি এটা চাও যে, তোমার স্থানে মুহাম্মাদ থাকুক ,
তুমি মুক্তি পাও ? তিনি বলছিলেন না, না , কখনো নয় ৷ মহান আল্লাহর কসম ! আমার মুক্তির
বিনিময়ে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর পবিত্র পারে একটি কাটা ৰিধুক তাও আমি পসন্দ করি না ৷ তার
উত্তর শুনে তারা সকলে হাসাহাসি করছিল ৷ যায়দ ইবন দা ৷চ্ছিন্ন৷ (রা) সম্পর্কেও ইবন ইসহাক
এরুপ বর্ণনা করেছেন ৷ অ ৷ল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷

মুসা ইবন উক্ব৷ বলেন, লোকদের ধারণা যে, আমর ইবন উমাইয়৷ হযরত খুবায়ব (রা)-কে
দাফন করেছেন ৷ ইবন ইসহাক বলেন, ইয়াহয়৷ ইবন আববাদ উক্ব৷ ইবন হারিছ সুত্রে বলেছেন,
উক্ব৷ বলেছেন, আল্লাহর কসম ! থুবায়ব (রা) কে হত্যা করা আমার জন্যে সম্ভব ছিল না ৷ আমি

তখন একান্তই ছোট ছিলাম ৷ কিন্তু বনু আবদৃদৃ দার গোত্রের আবু মায়সারা একটি বশা নিয়ে
আমার হাতে ধরিয়ে দিল ৷ এরপর সে আমার হাতে থাকা বশা এবং আমার হাত এক সাথে ধরে
ওই বশা দ্বারা খুরায়ব (রা) কে আঘাত করে ৷ শেষ পর্যন্ত আঘাতে আঘাদ্রুত তার মৃত্যু হয় ৷

ইবন ইসহাক বলেন, আমার র্জ্যনক সাথী আমাকে বলেছেন যে, হযরত উমাব (রা) সিরিয়ার
একটি স্থানে প্রশাসক নিযুক্ত করেছিলেন সাঈদ ইবন আমির ইবন হুযায়ম জুমাহীকে , কোন কোন
সময় এমনও হত যে, লোকজনের সম্মুখেই তিনি যেহুশ হয়ে যেতেন ৷ হযরত উমারের (রা)
নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করা হল যে, প্রশাসক সাঈদ ইবন আমির একজন অসুস্থ
মানুষ ৷ কোন এক কাজে সাঈদ (রা) এসেছিলেন খলীফা হযরত উমরের (বা) নিকট ৷ তিনি
জিজ্ঞেস করলেন, হে সাঈদ ! তোমার যে, এ অবস্থা হয় তা কী জনো ? সাঈদ বললেন, হে
আমীরুল মু’মিনীন! মুলত আমার মধ্যে কোন রোগ নেই ৷ তবে হযরত থুবায়বকে হত্যা করার
সময় যারা সেখানে উপ ত ছিল আমি তাদের একজন ৷ তার দুআটি আমি নিজ কানেই
শুনেছিলাম ৷ মে থেকে কোন মজলিসে বসলে ওই বদ দুআর কথা স্মরণ হলেই আমি রেহুশ হয়ে
যাই ৷ এরপর থেকে হযরত উমরের (রা) নিকট তার মযদাি আরো বেড়ে যায় ৷

উমাভী — — ইবন ইসহাক সুত্রে বলেছেন যে, হযরত উামর (রা ) বলেছিলেন, যদি কেউ
তুলনাহীন ও অনন্য ব্যক্তিকে দেখতে চায় সে যেন সাঈদ ইবন আমির (রা)-কে দেখে ৷

ইধৃন হিশাম ব লে ন , হযরত খুরাযর (বা ) তাদের হাতে বন্দী ছিলেন ৷ নিষিদ্ধ মড়াসগুলাে শেষ
হবার পর তারা তাকে হত্যা করে ৷

বায়হাকী (র) আমর ইবন উমাইয়া থেকে বংনাি করেন যে , রাসুলুল্লাহ্ (সা ) একদা
তাকে গুপ্তচর রুপে প্রেরণ করেন ৷ বর্ণনাকারী বলেন, যে কাঠে বেধে হযরত খুবায়ব (রা)-কে
হত্যা করা হয়েছিল আমি চুপি চুপি ওখানে গেলাম ৷ সেটিতে উঠলাম ৷ ওদের পাহারাদারগণ
আমাকে দেখে ফেলে নাকি ভয় পাচ্ছিলাম ৷ আমি তার বা ধন খুলে দিলাম ৷ তার লাশ মাটিতে
পড়ে গেল ৷ আমিও লাফ দিয়ে নীচে পড়ে গেলাম ৷ আমি একপাশে গিয়ে একটুখানি বসলাম ৷
তারপর তাকিয়ে দেখি কিছু নেই ৷ খুবায়বের (বা) কোন চিহ্ন নেই ৷ যেন মাটি তাকে গিলে
ফেলেছে ৷ সেই থেকে এখন পর্যন্ত হযরত খুবায়রে (রা ) লাশের এমনকি তার কোন হাড়ের

ৎবাদ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি ৷

ইবন ইসহাক — — — ইবন আব্বাস (রা ) থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেছেন, রাজী-এর
ঘটনায় যারা শহীদ হলেন মুনাফিকরা তাদের সম্পর্কে কটুক্তি করে বলেছিল আহ্! এরা শুধু শুধু
মারা গেল ৷ না তারা নিজেদের পরিবার-পরিজনের মধ্যে থাকতে পারল আর না তারা রাসুলের
রিসালাতের বাণী পৌছাতে পারল ৷ মুনাফিকদের এই আচরণ উপলক্ষে আল্লাহ তাআলা নিম্নোক্ত
আয়াত ও তার পরবর্তী আয়াত নাযিল করলেন :

মানুষের মধ্যে এমন ব্যক্তি আছে পার্থিব জীবন সম্পর্কে তার কথাবাতা তোমাকে চমৎকৃত
করে এবং তার অন্তরে যা আছে সে সম্বন্ধে সে আল্লাহ্কে সাক্ষী রাখে ৷ প্রকৃতপক্ষে সে কিন্তু
প্রচন্ড ঝগড়াটে ৷ (২-বাকার৷ : ২০৪) ৷ রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর পক্ষ থেকে প্রেরিত মুসলিম দল
সম্পর্কে আল্লাহ তাআল৷ নাষিল করলেন ও

মানুষের মধ্যে অনেকেই আল্লাহ্র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে আ ত্মন্বিক্রয় করে থাকে ৷ আল্লাহ
তার বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু ৷ ( ২-বাকার৷ : ২০ ৭) ৷

ইবন ইসহাক বলেন, এই যুদ্ধে যে সব কবিতা আবৃত্তি কর ৷হয়েছিল তার অন্যতম হল
হযরত খুবায়ব (রা)এর নিম্নে ৷ক্ত কবিতা, শএ৩ পক্ষ যখন তাকে হত্যা করার জন্যে পুর্ণ প্রস্তুত
তখন তিনি এ কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন ৷ (ইবন হিশাম ব র্কেন্বন, এ কবিতা খুবায়ব (রা)-এর
একথা কেউ কেউ মানতে রাযী নন ৷)
সকল দল আমার চারদিকে একত্রিত হয়েছে ৷ তারা সবগুলো গোত্রকে ডেকে এনেছে এবং
পরিপুর্ণতাবে জমায়েত হয়ে রয়েছে ৷

ওদের সকলে আমার প্ৰতি শত্রুত৷ প্রকাশ করছে, আমাকে কষ্ট দেয়ার জন্যে যথাসাধ্য চেষ্টা
করছে ৷ কারণ, আমি এখন চামড়া কাটার যস্তে আবদ্ধ ৷

তারা তাদের পুত্র কন্যা এবং ব্রীদেরকে একত্রিত করেছে ৷ আমাকে একটি সুদীর্ঘও তমযবুত
কাঠের নিকট নিয়ে আসা হয়েছে ৷

আমার এই এক ৷কীত্বের কথা, আমার এই দুঃ খদুদর্শার কথা এবং আমার মৃত্যুর জন্যে শত্রু
পক্ষ যে যে ব্যবস্থা অবলম্বন করেছে এ বিষয়ে আমি তা ৷ল্লাহ্ তা আলার নিকট ফরিয়াদ করছি ৷

হে আরশ অধিপতি৷ ওরা যা করতে চাইছে তার মুখে আপনি আমাকে ধৈর্য ধারণ করার

তাওফীক দান করুন ৷ ওরা আমার গোশত কেটে ফেলেছে এখন আমার বাচ৷ র সকল আশা শেষ
হয়ে গিয়েছে ৷
আমার এই অবস্থুাণ্ডে তামহান আল্লাহর পথে ৷ তিনি চাইলে আমার কর্তিত প্রতিটি অন্সের
জোড়ায় জোড়ায় বরকত প্রদান করবেন ৷

ওরা আমাকে কুফরী অবলম্বনের অন্যথায় নৃভ্যুকে অ ৷লিঙ্গণের প্রস্তাব দিয়েছে ৷ মৃত্যু নিশ্চিত
জেনে নীরবে ও শাম্ভচিত্তে আমার দৃ চোখ অশ্রুপাত করছে ৷

মৃভ্যুভয় আমার নেই ৷ কারণ, আমার মৃত্যু হবে তা নিশ্চিত ৷ তবে আমি ভয় কবি সর্বগ্নাসী
ললিহান জাহান্নামের আগুনকে ৷

আল্লাহর কসম ৷ আমি যখন মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করছি ৩দ্ ন আমার মৃত্যু কোন
কাতে হচ্ছে তার ভাবনা কিসের ?

আমি শত্রুদের প্ৰতি বিনয় বা অন্থিরত৷ কিছুই প্রকাশ করছি না, কারণ, আমি নিশ্চিত যে
মহান অ ৷ল্লাহ্র দিকেই আমি প্রত্যাবর্তন করছি ৷

এই কাসীদার দুটো পংক্তি সহীহ্ বুথারীতে উল্লেখ করা হয়েছে ৷ যা ইতে৷ পুর্বে উল্লিখিত
হয়েছে সে দুটো হল :

তামার চোখের কী হল ? অশ্রুপাত করছে না কেন ? বিক্ষিপ্ত মুক্তোর ন্যায় অশ্রু ঝরছে না
কেন বুকের উপর ?

অশ্রু ঝরছেন৷ কেন থুবায়বের জন্যে ? তিনি তো এক ন ওকৃজাযান টগবগে যুবক ৷ তার
সাক্ষাতে তারা জেনে ফেলেছে যে তিনি কাপুরুষও নন, দৃর্বলও নন ৷

হে থুবায়র ! তুমি চলে যাও ৷ আল্লাহ তা আল৷ বিনিময়ে তোমাকে উত্তম পুরস্কার দিবেন এবং
দিবেন চিরস্থায়ী জান্নাত যেখানে থাকবে বন্ধুদের মধ্যে হুর-গিলমান ৷

তার সম্পর্কে তোমরা আর কী বলবে যেখানে ওে তামাদের নবী (সা) বলেছেন যে তার
সম্মানে ফেরেশতাগণ চা ৷রিদিক থেকে তার নিকটে এসে পৌছোছ ৷

পক্ষ ৷ আল্লাহ্র পথে শহীদ এই লোকঢির তোমরা কেন খুন করলে? তোমরা তাকে
খুন করেছ এমন এক লোকের হত্যার প্ৰতিশোধ হিসেবে যে ছিল শহরে নগরে এবং বন্ধু
বান্ধবদের মধ্যে একজন থােদাদ্রে ৷হী ব্যক্তি ৷
ইবন হিশাম বলেন আমরা কবিতার কিছু কিছু অমাজিত ত৷ :শ্৷ ছেড়ে দিয়েছি ৷ বনু লিহয়ান
গোত্রের যারা রাজী এর ঘটনায় প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছিল তাদ্দে৷ নিন্দায় হযরত হাসসান ইবন
ছাবিত বলেন :
তোমার অন্তর নিখাদ গাদ্দারীন্ত ৩র্তি ৷ (সেখানে প্রতিশ্রুাবনপ্ালনের (লশমাত্রও (নই)তুমি
রাজী অঞ্চলে যাও এবং লিহ্য়ান গোত্র সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর ৷

ওরা এমন এক সম্প্রদায় যে নিজেদের প্রতিবেশীকে খাওয়ার জন্যে একে অন্যকে ডেকে
এসেছে ৷ মুলতঃ কুকুর, বানর এবং ওই মানুষগুলাে একই পর্যায়ের ৷

বন্য ( পাঠা) যদি কখনো কথা বলতে পারত তবে সে দাড়িয়ে তাদেরকে বক্তৃতা শুনতে এবং
ওই ছাগল৩ তাদের মধ্যে মযাদাবান ও সম্মান যোগ্য হত ৷
রাজী অঞ্চলে প্রেরিত সাহারা ই কিরামের (বা ) প্ৰতি হুযায়ল ও লিহ্য়ান গোত্র যে
বিশ্বাসঘাতকতা করেছে৩ তার নিন্দায় হযরত হাস্সান ইবন ছাবিত (বা ) বলেনং :

হয়রত থুবায়ব ও আসিম (রা) এর ব্যাপারে হুযায়ল গোত্র যে দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে তার
আলোচনা ও ইতিহাস গো ৷ত্রপতি ৩হুযায়ল ইবন মুদরিকের সুনাম ভুলুষ্ঠিত করে দিয়েছে :

লিহয়ান গোত্রের ঘটনা তাদেরকে নিকৃষ্ট ও হীনতর স্তরে না ৷মিয়ে দিয়েছে ৷ লিহয়ান গোত্রের
লোকেরা অপর৷ ৷ধী জঘন অপরাধী ৷

যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তারা ওই গোত্রের প্রকৃত বীরদের তুলনায় খুব নীচ ও নিকৃষ্ট স্তরের
লোক ৷ অগ্নবর্তী ও নেতৃস্থানীয় লোকদের মুকাবিলায় এরা একেবারেই পেছনের সারির লোক ৷

রাজী দিবসে তারা রিশ্বাসঘাতকতা করেছে ৷ তার তত্মারধানে থাকা পুতঃপবিত্র সৃম্ভাম্ভ ও
মহান চরিত্রের অধিকারী লোক গুলোকে তারা শত্রুর হাতে সমর্পণ করেছে ৷

ওরা বিশ্বাসঘাতকত৷ করে হস্তাম্ভরিত করে দিয়েছে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর প্রেরিত দুতদেরকে ৷
হুযায়ল গোত্র মন্দ ও নিষিদ্ধ কাজ থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করেনি ৷
অতিসতুর তারা তাদের পরাজয় দেখতে পাবে ৷ তারা পরাজিত হবে ভব্বদের উপর অন্যরা

জয়ী হবে ৷ এজন্যে যে, তারা এমন এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে যার ৷;ম্বোহ্ রক্ষা করার জন্যে
এগিয়ে এসেছিল ভীমরুলের দল ৷
বোলতা ও মৌমাছির একটি বিরাট দল ৷ তারা তার পবিত্র লাশের চারিদিকে সমবেত
হয়েছিল ৷ তারা রক্ষা করেছে এমন এক ব্যক্তির দেহকে যিনি ছিলেন সত্যের অন্যতম সাক্ষ্য দাতা
যুদ্ধের প্রখ্যাত সেনাপতি ৷

হত্যাকাডের স্থান ৷ যেখানে মরে পড়ে থাকবে তাদের লোকজন অথবা তারা দেখতে পারে
দুঃখজনক পরিণতি ৷

এই অপরাধের কারণে আমি তাদের উপর একটি প্রচণ্ড আক্রমণের আশা করছি ৷ হজ্জ
মওসুমের অশ্বারোহিগণ ওই আক্রমণের মাধ্যমে এই অপকর্মের সমুচিত জবাব দিবে ৷
মুসলমানদের এই দল তে৷ ওখানে গিয়েছিল রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর নির্দেশে ৷ রাসুলুল্লাহ্
(সা) এর দুত তো একজন বুদ্ধিমান ও চতুর লোকের ন্যায় কাজ করেছেন ৷ তিনি লিহয়ান গোত্র
সম্পর্কে অবগত ছিলেন ৷

ওরা এমন এক গোত্রের লোক যারা প্রতিশ্রুতি পালনের কোন গুরুতৃ দেয় না ৷ ফলে ওরা
যখন নিযাতিত হয় তখন তারা যালিমের হাত থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারে না ৷

ন্ সব মানুষ সমতল ভুমিতে অবস্থান নিলে তুমি ওদেরকে দেখবে যে , ওরা খাড়া পর্বতের ঝর্ণা
ধারায় অবস্থান করে পানির স্রোতের সাথে তলিয়ে যাচ্ছে ৷

আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১৩৭
ওদের বাসস্থান হল ধ্বংসের আখড়া ৷ সংকটময় মুহুার্ত৩ ততাদের মনোভাব ও অভিমত হয়
জন্তু জানােয়ারের মনোভাবের ন্যায়

ইবন ইসহাক বর্ণনা করেছেন যে, রাজী“ এর ঘটনায় যারা শহীদ হয়েছিলেন তাদের প্রশংসা
করে এবং কবিতায় তাদের নাম উল্লেখ করে হযরত হাসসান ইবন চ্যাযিত (বা) বলেন০ ং

রাজী এর ঘটনায় যারা নবী (না)-এর নির্দেশ পালন করেছেন ম া আল্লাহ তাদের প্ৰতি ৩দয়া
করুন ৷ বস্তুতঃ তারা সম্মানিত হয়েছেন এবং পুরস্কৃত হয়েছেন ৷

ওই অভিযানের প্রধান ও আমীর ছিলেন মারছাদ (রা) ৷ তা ণের ইমাম ৷ছলেন ইবন বুকায়র
(রা) ও খুবায়ব (রা ) ৷

ইবন তারিক এবং ইবন দাছিন্না ওই দলে ছিলেন ৷ নির্ধারিত মৃত্যু সেখানে তাকে পেয়ে বসে ৷
গ্রএে
ওই রাজীর ঘটনায় নিহত হয়েছেন আসিম (রা) , তিনি বহু উচ্চ মযাদা অর্জন করেছেন ৷
নিঃসন্দেহে তিনি মর্যাদা অর্জাকা রী ৷

প্ৰতিশোধ গ্রহণকারীদেরকে তিনি তারাপিঠ স্পর্শ করা থেকে বিরত রেখেছিলেন ৷ শে যে পর্যন্ত
তিনি তরবারি পরিচালনা করেছেন ৷ নিঃসন্দেহে তিনি ছিলেন এক অভিজাত পুরুষ ৷

ইবন হিশাম বলেন, উপরোক্ত কবিতাযে হযরত হাসৃসান (বা ) এর অনেকেই৩ তাীকার
করেন না ৷

আমর ইবন উমাইয়া দিমারীর (বা) অভিযান

ওয়াকিদী বলেন, ইব্রাহীম ইবন জাফর আবদুল ওয়াহিদ ইবন আবু আওফ থেকে বণ্নাি
করেন ৷ তিনি বলেন , মক্কায় আবু সুফিয়ান ইবন হারব কুরায়শী কতক লোককে ডেকে বলেছিল ,
এমন কেউ কি নেই যে কুট কৌশলে মুহাম্মাদকে হত্যা করতে পারে ? মুহাম্মাদ তোা৩াবিক-
ভাবে হাটে বাজারে চলাফেরা করেন ৷ত তা হলে আমাদের প্রতিশোাধ (নয়৷ হয়ে যেতো ৷ জনৈক
বেদুইন তার এ ঘোষণা শুনে তার বাড়ীতে এলো ৷ সে তাকে বলল আপনি যদি আমার পাথেয় ও
প্রয়োজনীয় বাহনের ব্যবস্থা করেন তবে আমি ঘুহাম্মাদ্দের উদ্দেশ্যে বের হব এবং কুট কৌশলে
তাকে হত্যা করব ৷ পথঘ ট আমার নখ দর্পনে ৷ আমার সাথে আছে শকুনের চঞ্চুর মত একটি
খঞ্জর ৷ আবু সৃফিয়ান বলল, তুমি আমাদের কাৎখিত বন্ধু বটে ৷ সেত তাকে একটি উট এবং পর্যাপ্ত

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.