রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

রাসূলুল্লাহ (সা) -এর প্রথম যুদ্ধাভিযান

রাসূলুল্লাহ (সা) -এর প্রথম যুদ্ধাভিযান

তারা মদীনায় ফিরে এসে জানতে পারেন যে ঐ দিনই রিফাঅ আর মৃত্যু হয়েছিল ৷ আরো
হল সিলসিলা ইবন বারহাম এবং কিনানা ইবন সুরিয়া ৷ ইয়াহুদী মুনাফিকদের মধ্যে এরা
ইসলাম গ্রহণ করেছিল ৷ এসব মুনাফিক মসজিদে উপস্থিত হতো, মুসলমানদের কথাবার্তা
শুনভো এবং তাদেরকে নিয়ে উপহাস করবু তা ৷ একদিন তাদের কিছু লোক মসজিদে উপস্থিত
হয় ৷ রাসুলুল্লাহ্ (না) দেখতে পান যে তারা একে অপরের সঙ্গে নিচু স্বরে কথা বলছে ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর নির্দোশ তাদেরকে মসজিদ থেকেতাড়িয়ে দেয়া হয় ৷ আবু আইউব৷ দ ৷ড়িয়ে
বনু নাজ্জারের সদস্য আম্র ইবন কায়সের পা ধরে টেনে হেচড়ে তাকে বের করেন ৷ এ
ল্যেকটি ছিল জাহিলী য়ুগে৩ তাদের প্রতিমার৩ তত্তুাবধায়ক ৷ এ সময় সে বলছিল হে আবু
আইউব, তুমি আমাকে বনু ছ৷ লাবার খােয়াড় থেকে বের কাৰু৷ দিচ্ছন্ এরপর আবু আইউব
রাফি ইবন ওয়াদীআ নাজ্জারীর দিকে এগিয়ে যান এবং কাপড়ে পেচিয়ে সজোরে টান দেন,
মুখে কিল-ঘুষি দিয়ে তাকে মসজিদ থেকে এই বলতে বলতে বের করে দেন ধিক তোমায়,
পাপিষ্ঠ মুনাফিক ৷ আর যায়দ ইবন আমরের দিকে এপিংণ্ন্’ ধ্ ম ন অ ৷ম্মারা ইবন হায্ম ৷ লে৷ ৷কটি
ছিল দীর্ঘ দাড়িধারী ৷ দাড়ি ধরে টেনে হেচড়ে৩ তাকে মসজিদ থেকে বের করেন ৷ এরপর আম্মারা
তার দু হাত একত্র করে তা র বুকে প্রচণ্ড ঘুষি যাবেন, যাতে সে মাটিতে পড়ে যায় ৷ তখন সে
বলছিল, হে আম্মারা৷ তুমি আমার বুকে আঘাত করলে ? তখন আম্মারা বললেন যে,
মুনাফিক ! আল্লাহ তােকে দুর করুন, আল্পাহ্ তোর জন্য যে আমার প্রস্তুত করে রেখেছেন , তা
এর চাইতেও কঠোর ৷ আর কখনো রাসুলের মসজিদের কাছেও আসবি না ৷ আবু মুহাম্মদ
মাসউদ ইবন আওস ইবন যায়দ ইবন আসরাম ইবন যায়দ ইবন ছালাবা ইবন পানাম ইবন
মালিক ইবন নাজ্জার ইনি ছিলেন বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবী ৷ তিনি কায়স ইবন
আমর ইবন সাহলের দিকে এগুলেন ৷ সে ছিল যুবক এবং সে ছাড়া মুনাফিকদের মধ্যে আর
কোন যুবক ছিল না ৷ গলা ধাক্কা দিয়ে তিনি তাকে বের করে দেন ৷ বনু খাদ্রার জনৈক ব্যক্তি
হারিছ ইবন আমরের দিকে অগ্রসর হন ৷ এ লোকটি ছিল দীর্ঘকেশী ৷ তিনি তার চুল ধরে তাকে
টেনে হেচড়ে একেবারে ধরাশায়ী করে বের করেছেন ৷ এ সময় সে মুনাফিকঢি বলছিল, হে
আবুল হারিছ ৷ তুমি বড় কঠোর আচরণ করলে ৷ তখন তিনি বললেন, এটা তেব পাওনা ছিল
যে আল্লাহ্র দুশমনাক কারণ আল্লাহ ভোর সম্পর্কে আয়াত নাযিল করেছেন ৷ আর কখনো
রাসুলুল্লাহ্র মসজিদের নিকটেও আসবি না, কারণ তুই অপবিত্র ৷ বনী আসর ইবন আওফের
জনৈক ব্যক্তি তার ভাই যাবী ইবন হ বিছেব দিকে অগ্রসর হন এবং শক্তভাবে তাকে মসজিদ
থেকে বের করতে করতে নাকে হাত দিয়ে বলেন ভোর উপর শয়তান সওয়ার হয়েছে ৷ এরপর
ইমাম ইবন ইসহাক এ ব্যাপারে সুরা বাকারা ও সুরা৩ তাওবার যেসব আয়াত নাযিল হয়েছে
সেসবের উল্লেখ করে এর ব্যাথ্যায় ফলপ্রসু ও কল্যাণকর আলোচনা করেছেন ৷ আল্লাহ্ তার
প্রতি রহম করুন ৷

রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর প্রথম যুদ্ধাডিযান

আবওয়৷ বা ওয়াদ্দানের যুদ্ধ হাময৷ ইবন আবদুল মুত্তালিব বা উবায়দা ইবন হারিছের
বাহিনীর অভিযানের বিবরণ মাগাযী পর্যায়ে আলোচিত হবে ৷ বুখারী ইবন ইসহাকের বরাতে

কিত তাবুল মাণাযীতে বলেন০ ং রাসুলুল্লাহ্ (সা) সর্বপ্রথম যে যুদ্ধাভিযান বা গাবওয়ায় অংশ নেন
তা হল আবৃওয়া যুদ্ধ, এরপর বুয়ড়াত, তারপর আশীরাব যুদ্ধ ৷৩ তারপর রাবী বলেন, যায়দ ইবন
আরকাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) কয়ঢি
গাযওয়ায় অং ×শগ্রহং করেছেন ? তিনি বললেন : ১৯টিতে ৷ তবে মতাম্ভরে তিনি ১ ৭টিতে
উপস্থিত ছিলেন ৷ এর মধ্যে প্রথমটা হলো আসীর৷ বা আশীরাব যুদ্ধ ৷ গাণ্ঘুওয়৷ আশীরাব বর্ণনায়
সনদ ও মুল পাঠসহ এ বিষয়ে আলোচনা পরে আসছে ৷ আর সহীহ্ বুখারীতে বুরায়দা সুত্রে
বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) ১৬টি গাযওযায় যোগদান করেন ৷ আর মুসলিম শরীফে একই
রাবী থেকে বর্ণিত আছে, যে, তিনি রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সঙ্গে ১৬ট৷ গাযওয়ায় অংশ গ্রহণ
করেন ৷ একই রাবী সুত্রে মুসলিমের বর্ণনায় আছে যে, রা-সুলুল্লাহ্ (স) ১৯টা গায্ওয়ায়
যোগদান করেন ৷ আর এগুলোর মধ্যে যুদ্ধ করেন ৮টায় ৷ হুসাইন ইবন ওয়াকিদ বুরায়দা
থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (না) ১ ৭টা গাযওয়ায় অংশ গ্রহণ করেন এবং যুদ্ধ করেন
৮টাতে বদর, উহুদ, আহযাব, মুরায়সী, কাদীদ, খায়বর, মক্কা ও নায়ন ৷ ২৪ টা মারিয়া
তথা বাহিনী প্রেরণ করেন ৷ আর ইয়াকুব ইবন সুফিয়ান মাক্হুল সুত্রে বর্ণনা করেন যে,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) ১৮টা গাযওয়ায় অংশ গ্রহণ করেন, যুদ্ধ করেন ৮টিতে ৷ এগুলোর প্রথম হলো
বদর, পরে উহুদ, তারপর আহযাব, তারপর কুরায়যা, তারপর ৰিরে মাউনা, এরপর খুযাআ
গোত্রের বনু মুস্তালিক, এরপর গাযওয়৷ খায়বর, তারপর গাযওয়৷ মক্কা, তারপর হুনায়ন এবং

তাইফ ৷ কুরায়য৷ র পর বি রে মা ৷উনা ৷র উল্লেখ তর্কাতীত নয় ৷ আর বিশুদ্ধ কথা এই যে, তা ছিল
উহুদ যুদ্ধের পর, যে সম্পর্কে পরে আলোচনা আসছে ৷ ইয়াকুব বলেন ৪ সাঈদ ইবন ঘুসায্যব
বলেছেন৪ রাসুলুল্পাহ্ (সা) ১৮টা গাযওয়ায় অংশ্যাহণ করেন ৷ আরেকবার আমি তাকে বলতে
শুনেছি, তিনি চব্বিশটিতে অং ×শগ্রহণ করেছেন ৷ আমি জানি না, এটা তার অনুমান, নাকি পরে
তিনি শুনে বলেছেন ৷৩ তাবারানী যুহ্রী থেকে বর্ণনা করে বলেন৪ রাসুলুল্লাহ্ (সা) ২৪টা
গাযওয়ায় অং ×শগ্নহণ করেন ৷ আবদুর রহমান ইবন হুমায়দ৩ তার মুসনাদ গ্রন্থে জাবির (রা) এর
বরাতে বলেন৪ রাসুলুল্লাহ্ (সা) ২১টি গাঘৃওয়ায় অ ×শ গ্রহণ করেন ৷ আর হাকিম হিশাম সুত্রে
কাতাদার বরাতে বর্ণনা করেনং রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর মাগাযী এবং সারিয়ার মোট সং ×থ্যা ছিল
৪৩টি ৷ অতঃপর হাকিম বলেনঃ হয়তো৩ তিনি গাযওয়া১ ও সারিয়৷ উভয় প্ৰক৷ র অভিযান বুঝাতে
চেয়েছেন ৷ >

আল ইকলীল গ্রন্থে আমি বা রা৷বাহিকভ৷ ৷বে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর প্রেরিত অভিযানসমুহের
উল্লেখ করেছি, যেগুলোর সংখ্যা শতাধিক ৷ হাকিম বলেন আমাদের একজন বিশ্বস্ত সঙ্গী
বুখারড়ায় আমাকে জানান যে,৩ তিনি আবু আবদ্ল্লাহ্ মুহাম্মদ ইবন নাসরশ্এর গ্রন্থে যুদ্ধ ছাড়া
সত্তরটির অধিক সারিয়৷ ও অভিযাত্রী বাহিনীর নাম পড়েছেন ৷ হাকিমের এই বর্ণনা রীতিমভাে
বিস্ময়কর আর কা৩ তাদার উক্তির যে ব্যাখ্যা তিনি দিয়েছেন, তাও সন্দেহাভীত নয় ৷ ইমাম
আহমদ আযহ৷ র ইবন কাসিম বা ৷সিবী সুত্রে কা ৷তাদ৷ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর

১ গড়ায়ওয়৷ হচ্ছে ঐ সব যুদ্ধাতিযান, যেণ্ডলোতে স্বয়ং× নবী করীম (সা) উপস্থিত ছিলেন ৷ পক্ষান্তার সারিয়৷ বলা
হয় তার প্রেরিত বাহিনীগুলির অভিযানসমুহকে ৷

পায্ওয়া ও সারিয়ার মোট সংখ্যা ৪৩টি ৷ ২৪টি মারিয়া আর ১৯টি গাযুওয়া ৷ এর মধ্যে ৮টিতে
যুদ্ধ হয়েছে ৷ সেগুলো হলো : বদর, উহুদ, আহযাব, মুরায়সী, খায়বর, মক্কা বিজয় এবং
হুনায়ন ৷ আর মুসা ইবন উকবা যুহ্রী সুত্রে বলেন : এগুলো হলো রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর গায্ওয়া ,
যেগুলােতে তিনি শরীক ছিলেন এবং যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে ৷ দ্বিতীয় সনে বদরের যুদ্ধ রমাযান
মাসে ৷ এরপর তৃতীয় সনে শাওয়াল মাসে উহুদে তিনি লড়াই করেন ৷ এরপর তিনি লড়াই
করেন খন্দকের যুদ্ধে ৷ এটাকে আহযাবের যুদ্ধও বলা হয় ৷ ইিজরী ৪র্থ সনের শাওয়াল মাসে
বনী কুরায়যা, এরপর ৫ম সনে শাবান মাসে তিনি বনী মুসৃতালিক ও বনী লিহ্ইয়ানের যুদ্ধে
অংশ্যাহণ করেন ৷ ষষ্ঠ সনে তিনি খায়বর যুদ্ধে অংশ্যাহণ করেন, ৮ম সনে (মক্কা) বিজয়কালে
রমাযান মাসে তিনি অভিযান পরিচালনা করেন ৷ এরপর ৷:-ম সনে শাওয়াল মাসে তিনি
হুনায়নের যুদ্ধ লড়েন ও তারপর তাইফ অবরোধ করেন ৷ আর নবম সনে আবু বকর (রা)-এর
নেতৃত্বে হজ্জ পালিত হয় ৷ আর দশম সনে রাসুলুল্লাহ্ (সা ) বিদায় হজ্জ করেন ৷ আর রাসুলুল্লাহ্
(না) ১ ২টা পায্ওয়ায় অংশগ্রহণ করেন, যেগুলোতে কোন যুদ্ধ হয়নি ৷ প্রথম যে পায্ওয়ায়
রাসুলুল্লাহ্ (সা) অংশ্যাহণ করেন, তা ছিল আবওয়ার অভিযান ৷

হাম্বল ইবন হিলাল যুহ্রীর বরাতে বলেন : যুদ্ধ সম্পর্কে প্রথম যে আয়াতটি নাযিল হয়
তা হলো

“যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হয়, তাদেরকে অনুমতি দেয়া হল, কারণ, তারা মজলুম”-
আঘাতের শেষ পর্যন্ত ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনায় আগমনের পর এ আয়াত নাযিল হয় ৷ আর
সর্বপ্রথম যে যুদ্ধে রাসুলুল্লাহ্ (সা) শরীক হন, তা ছিল বদর য়ুদ্ধ ১ ৭ রমাযান শুক্রবার ৷ তিনি
বলেন, এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) বনী নাযীরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন ৷ এরপর শাওয়াল মাসে উহুদ
যুদ্ধ করেন অর্থাৎ তৃতীয় সনে ৷ এরপর ৪র্থ সনে শাওয়াল মাসে খন্দক যুদ্ধ করেন ৷ পরে ৫ম
সনে শা’বান মাসে বনী লিহ্ইয়ানের যুদ্ধে অংশ্যাহণ করেন ৷ ৬ষ্ঠ সনে খায়বর যুদ্ধ এবং ৮ম
সনে শাবান মাংস মক্কা বিজয়ের অভিযানে নেতৃতৃ দেন ৷ ৮ম সনে রমাযান মাসে হুনায়নের যুদ্ধ
হয় ৷ আর রাসুলুল্লাহ্ (সা) ১১টি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন, যেগুলোতে কোন সংঘর্ষ হয়নি ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) সর্বপ্রথম যে গায্ওয়ায় অংশ নেন, তা হলো আবওয়া, এরপর আল-আশীরা,
তারপর গায্ওয়া গাতফান, তারপর পায্ওয়া বনী সুলায়ম, এরপর পায্ওয়া আল-আবৃওয়া,
এরপর পায্ওয়া বদর আল-উলা (প্রথম বদর যুদ্ধ) , তারপর গাঘৃওয়া তাইফ, তারপর গাঘৃওয়া
হুদায়বিয়া, তারপর পায্ওয়া সাফরা, এরপর গায্ওয়া তাবুক ছিল তার শেষ অভিযান ৷ এরপর
তিনি সারিয়াসমুহের উল্লেখ করেন ৷ হাফিয ইবন আসাকির-এর ইতিহাস গ্রন্থ থেকে নিয়ে আমি
এটি লিপিবদ্ধ করেছি ৷ তবে এটি একটি বিরল বর্ণনা ৷ পরে আমরা ধারাবাহিকভাবে যা লিখবাে,
তা-ই সঠিক ও বিশুদ্ধ ৷

আর সিয়ার ও মাপাযীর বিষয়টা অত্তীব গুরুত্বপুর্ণ ৷ এর প্রতি গুরুতৃ আরোপ করা, এ
থেকে শিক্ষা গ্রহণ এবং এর জন্যে প্রস্তুতি গ্রহণ আবশ্যক ৷ যেমন মুহাম্মদ ইবন উমর
আল-ওয়ড়াকিদী আলী ইবন হুসাইন সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন আমরা কুরআন

মজীদের সুরা যেভাবে শিখভাম , সে ভাবে রাসুল (সা)-এর যুদ্ধের বিববণসমুহ সম্পর্কে শিক্ষা
লাভ করি ৷ ওয়াকিদী বলেন : আমি মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ্কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন,
আমি আমার চাচা যুহ্রীকে বলতে শুনেছি : ইলমুল মাগাযী হচ্ছে এমনি এক ইল্ম, যাতে
নিহিত রয়েছে দুনিয়া ও আখিরাতের জ্ঞান ৷

আর মুহাম্মদ ইবন ইসহাক (র ) ইয়ড়াহুদী মুনাফিকদের বড় বড় কাফিব সম্পর্কে আলোচনা
করার পর বলেন : রাসুলুল্লাহ্ (সা) যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করলেন দুশমনের সঙ্গে জিহাদের
জন্য আল্পাহ্র নির্দেশ অনুযায়ী ৷ আশপাশের মুশরিকদের সঙ্গে লড়াই করার জন্য আল্লাহ্ র্তাকে
নির্দেশ দেন ৷ তিনি বলেন : রাসুলুল্লাহ্ (সা) ১ ২ই রবিউল আউয়াল সোমবার দুপুরের দিকে
মদীনায় আগমন করেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর বয়স তখন ছিল ৫৩ বছর ৷ এটা ছিল
নুবুওয়াতপ্রাপ্তির ১৩ বছর পরের ঘটনা ৷ রবিউল আউয়াল মাসের অবশিষ্ট দিনগুলো, রবিউছ
ছানী, জুমদােল উলা ও জুমাদাছ ছানী, রজব, শাবান, রমড়াযান, শাওয়াল , যিলকাদ ও যিলহাজ্জ
অর্থাৎ বছরের শেষাবধি তিনি মদীনায় অবস্থান করেন ৷ এ বছর হজ্ঞেৰুর কর্তৃতু মুশরিকদের হাতে
ছিল ৷ মুহাররম মাসও তিনি এভাবে কাটালেন ৷ মদীনায় আগমনের ১২ মাসের মাথায় সফর
মাসে তিনি মুজাহিদের বেশে বের হন ৷ ইবন হিশাম বলেন : এ সময় তিনি সাআদ ইবন
উবাদাকে মদীনায় তার স্থলাভিষিক্ত করে যান ৷ ইবন ইসহাক বলেন, তিনি ওয়াদ্দান পর্যন্ত
পৌছেন; এটাকে আব্ওয়ার যুদ্ধ বলা হয়ে থাকে ৷ ইবন জারীর বলেন : এটাকে ওয়াদ্দানের
যুদ্ধও বলা হয় ৷ তিনি কুরায়শ এবং বনী যামরা ইবন বকর ইবন আবদ মানাত ইবন কিনানার
উদ্দেশ্যে বহির্গত হন ৷ এখানে তিনি বনী যামরার সাথে সমঝোতা করেন এবং বনী যামরার পক্ষ
থেকে মাখৃশী ইবন আম্র যামরী উভয় পক্ষের মধ্যে মধ্যন্থতা করেন ৷ সে সময় ইনিই ছিলেন
তাদের নেতা ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনায় ফিরে আসেন, কোন সংঘাতের মুখোমুখি হননি ৷ সফর
মাসের অবশিষ্ট দিনগুলাে এবং রবিউল আউয়ালের প্রাথমিক দিনগুলাে তিনি মদীনায় অবস্থান
করেন ৷ ইবন হিশাম বলেন : এটা ছিল রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর প্রথম গায্ওয়া ৷ আর ওয়াকিদী
বলেন ;; তার পতাকা ছিল চাচা হড়ামযার হাতে এবং তীর পতাকা ছিল সাদা বঙ্গের ৷

উবায়দা ইবন হাবিছের অভিযান

ইবন ইসহাক বলেন : রাসুলুল্পাহ্ (সা) মদীনায় অবস্থানকালে উবায়দা ইবন হারিছ ইবন
মুত্তালিব ইবন আবদ্ মানাফ ইবন কুসাইকে ৬০ জন যা ৮০ জনের বাহিনীসহ প্রেরণ করেন ৷ এ
বাহিনীর সকলেই ছিলেন অশ্বারোহী এবং মুহাজির ৷ তাদের মধ্যে কোন আনসরীি ছিলেন না ৷ এ
বাহিনী রওনা হয়ে চলতে চলতে ছানিয়ড়াতুল মুররার’ নিস্নাঞ্চলে একটা কৃয়াের নিকট পৌছে ৷
সেখানে কুরায়শের এক বিশাল দলের মুখোমুখি হয় ৷ তবে সেখানে কোন সংঘর্ষ হয়নি ৷ অবশ্য
সাআদ ইবন আবু ওয়াক্কাস এ সময় একটা তীর নিক্ষেপ করেন ৷ আর এটা ছিল ইসলামের
ইতিহাসে আল্লাহর রাস্তায় নিক্ষিপ্ত প্রথম তীর ৷ এরপর সকলে সেখান থেকে ফিরে আসেন ৷
মুসলমানরা তখন ছিলেন হর্যোৎফুল্ল ৷ এ সময় বনু যুহ্রার মিত্র মিকদাদ ইবন আমর
আল-বাহরানী এবং বনু নাওফিল ইবন আবদ মড়ানাফের মিত্র উতবা ইবন গায্ওয়ান ইবন জাবির
আল-মাযিনী মুশরিকদের দল থেকে পলায়ন করে মুসলমানদের দলে যোগ দেন ৷ এরা উভয়েই

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.