রাসূলূল্লাহ্ (সা) সকাশে “আযদ গোত্রীয় প্রতিনিধিদলসমূহের আগমন প্রসঙ্গ

এছাড়াও রয়েছে আঘৃদ, খাসৃসান, হাবিছ ইবন কড়াব, হামাদান, সাদুল আশীরা, কায়স,
দাবী, যাহাবী, বনু আমির, মাসজি, বাজীলা খাছআম ও হড়াদরামাওত প্রতিনিধিদলসমুহ ৷ এসব
দলের সদস্যের মাঝে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব ছিলেন ওয়াইল ইবন হুজ্বর-এর চারজন সামত
রাজা হুমায়দ, মুখড়াওওয়াস, যুশারদ্বুরজে ও আবৃযাআহ ৷ মুসনাদে আহমদ গ্রন্থে এদের ভাই আল
গামরসহ এদের বর্ণনা রয়েছে ৷ ওয়াকিদী (তার কিতাবুল মাগাযীতে) এদের বিষয় দীর্ঘ
আলোচনা করেছেন ৷

ওয়ড়াকিদী আরও যে সব প্রতিনিধি দলের উল্লে খ করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছে
আমদই আম্মান, গাফিক , বড়াবিক , দাউস ছুমালা , আল হিদার , আসলাম , জুমাম ,
যুহর৷ , হিময়ার , নাজরান ও হড়ায়সান প্রতিনিধিদলসমুহ ৷ তিনি এসব গোত্রের বিশদ
অল্ডেলাচনা করেছেন ৷ এর আৎশিক আলোচনা আমরা য়থাস্থানে করে এসেছি এবং
তাই যথেষ্ট ৷ ওয়াকিদীর পরবর্তী আলোচ্য বিষয় ৷

আল সিবা প্রতিনিধি প্রসঙ্গ (ণ্নকড়ে বাঘের প্রতিনিধিত্ব প্রসঙ্গ)

শুআয়ব ইবন উবড়াদাআবদুল মুত্তালিব ইবন আবদৃল্লাহ ইবন হানতাব থেকে বর্ণনা
করেন, তিনি র ণে ছেণ , রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনায় তীর সাহাবীপণের মাঝে উপবিষ্ট ছিলেন ৷
একটি নেকড়ে বাম এসে তার সামনে দাড়িয়ে আওয়ড়ায দিল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন,

াট্র;১

“এ হচ্ছে তোমাদের কাছে ইিংস্র প্রাণীকুলের প্রতিনিধি ৷ এখন তোমরা পসন্দ করলে তার
জন্য কোন কিছু বরাদ্দ করে দিতে পার, তাহলে তার অতিরিক্ত কোথাও সে হলো দেবে না ৷ আর
ইচ্ছা করলে তাকে তার অবস্থায় ছেড়ে দিয়ে তোমরা (তেমােদের পশুপাল রক্ষার বপোরে)
সতর্কতা অবলম্বন করে লেবে ৷ তখন যে যা ধরে নিতে পারবে তাই তার বিবিক হবে ৷

তারা বললো , ইয়া রড়াসুলাল্পাহ্ ! আমরা মনের থুশীতে তার জন্য কিছু বরাদ্দ করতে
সম্মত নই ! নবী করীম (সা ) তখন নেকড়েটির দিকে তিনটি আব্দুল উচু করে ইঙ্গিত
করলেন অর্থাৎ সুযোগ বুঝে ছিনিয়ে নাও ৷ তখন (নকড়েটি মাথা দুলিয়ে হোল-দুলে
চলে ণ্পল ৷ এ সুত্রে হাদীসটি মুরসাল’ পর্যায়ের ৷ অবশ্য ইমাম আহমদ (র) বর্ণিত
হড়াদীসের নেকড়েব সাথে এ নেকড়ের সাদৃশ্য বিদ্যমান ৷

ইয়ড়াযীদ ইবন হারুন (র)আবু সাঈদ আল-খুদরী (বা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি
বলেছেন, একটি নেকড়ে একটি ছাপলের উপর আক্রমণ করে তাকে ধরে নিয়ে যেতে লাগল ৷
রড়াখাল তার পিছনে ধাওয়ড়া করে ছাপলটি তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিল ৷ নেকড়ে তার লেজে
জা করে দাড়িয়ে (রড়াখালকে) বলতে লাগল ৷ (তামার মনে আল্লাহ্র ভয় (নই যে , আল্লাহ্
আমার জন্য যে বিবিক পাঠিয়েছেন তা তুমি ছিনিয়ে রেখে দিচছ? রড়াখাল (বিস্ময়ে হতবুদ্ধি
হয়ে) বলতে লাগল, হা! বিস্ময়৷ এ যে লেজে ভর করে আমার সাথে মানুষের ভাষায় কথা
বলছে ! নেকড়েটি বলল, এর চেয়েও আশ্চর্য খবর আমার কাছে আছে, তোমাকে বলব কি?
মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ্ ইয়াছবিবে’ মানুষের কাছে বিগত দিনের খবরাদি বর্ণনা করেন !
বর্পনাকড়াবী আবু সাঈদ (বা) বলেন, রাখাল তার বকরীপালকে হীকিয়ে নিয়ে মদীনা অভিমুখে

চলল এবং মদীনার চৌহদ্দীতে প্রবেশ করে তার কোন এক প্রান্তে তার বকরী পাল জড়ো করে
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে এসে নেকড়ের সাথে তার কথোপকথন বিষয় তাকে অবহিত করল ৷
তখন ঘোষণা দেয়া হল সালাতের জামাঅড়াতে হাযির হও ৷” তারপর রাসুল
(সা) বেরিয়ে এসেরড়াখালকে বললেন, উপস্থিত লোকদের তোমার ঘটনা অবহিত কর ৷ রথোল
তাদের অবহিত করলে রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন,

“সে সত্য বলেছে; কসম সে সভার যার অধিকারে মুহাম্মদের জীবন ! কিয়ামত সংঘটিত
হয়ে না যতক্ষণ না হিংস্র প্রাণীরা মানুষদের সাথে কথা বলবে, আর যতক্ষণ না মানুষের
(হাতের) চাবুক ঝুলাবার রশি তার সাথে কথা বলবে, জুতাব ফিতা মানুষের সাথে কথা
বলবে এবং যতক্ষর্ণ না মানুষের উক তার অনুপন্থিতিকালে তার ত্রীর কৃতকর্ম বিষয় তাকে
অবহিত করবে ৷ ”

তিরমিযী (র) এ হাদীস সুফিয়ান ইবন ওয়াকী ইবনুল জাররড়াহ (র)কড়াসিম ইবনৃ
ফায্ল সুত্রে উল্লিখিত সনদে রিওয়ায়ড়াত করে মন্তব্য করেছেন “এটি একক সুত্রীয় উত্তম
বিশুদ্ধ বর্ণনা ৷ (প্লুন্ন্ -এ ধ্ৰুল্গু)ও ;ন্ ) কারণ, কাসিম ইবনুল ফায্ল ব্যতীত অন্য কারো
সুত্রে আমরা এ হাদীসের পরিচিতি লাভ কবিনি ৷ তবে হাদীস বিশাবদগণেব মতে কাসিম
বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য রাবী ৷ বিশিষ্ট ইমাম ইয়াহয়া ও ইবন মাহদী (র) তাকে নির্ভরযােগ্য’
বলেছেন ৷

গ্রন্থকারের মন্তব্য ঘ্র ইমাম আহমদ (র)-এর আবুল ইয়ামান (র)আবু সাঈদ আল থুদরী
(বা) সনদেও হাদীসখ্যনি বিওয়ায়ড়াত করেছেন এবং তাতে আরো বিশদ বর্ণনা রয়েছে ৷ আহমদ
(র)-এর আরো একটি রিওয়ায়ড়াত রয়েছে আবুন নাবৃর (র) , শাহ্র (বা) এবং আবু সাঈদ
(রা) থেকে ৷ এ বর্ণনা অধিকতর যুক্তিযুক্ত ৷ আল্লাহ্ই সমধিক অবগত এবং এ সনদ সুনান
গ্রন্থসঘুহেব শর্তানুরুপ ; তবে সুনানা ত্কলকগণ এ হাদীস উদ্ধৃত করেননি ৷

জীনদের প্রতিনিধি দল প্রসঙ্গ

হিজরতেব আগে মক্কা শরীফে জীন জাতির প্রতিনিধিত্ব বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে ৷
সুরড়াতৃল আহকড়াফএর “স্মরণ কর, আমি
তোমার প্রতি ধাবিত করেছিলাম এক দল জিনকে, মারা কুরআন তিলড়াওয়াত শুনছিল ( ৪৬ ষ্ক
২৯) ৷ এ আয়াতে প্রসঙ্গে এ বিষয় সুবিন্তুত পরিঘিতে আলোচনা পর্যালোচনা করেছি এবং
প্রাসঙ্গিক হাদীস ও আছারসমুহও উল্লেখ করেছি ৷

বিশেষত সাওয়াদ ইবন কারিব (রড়া)-এর হাদীস ও ঘটনা যিনি জ্যেড়াতিষী ও গণক ছিলেন
এবং ইসলাম গ্রহণের সময় তার বশীতুত জীন তাকে যে কবিতা বলেছিল-

জীব জাতি ও তাদের অপবিত্র (কাফির)-দেব অবস্থা দেখে এবং তড়িঘড়ি সাদা-কাল
উটের পিঠে গদি জাটা দেখে আমি বিস্ময়াভিতুত হয়েছি;

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.