সাফা-মারওয়ায় পুন : সাঈ প্রসংগ

“কার যাও তোমরা একটা ভাল ও কল্যাণের কাজে
ওয়েছো ৷ পরে বললেন :“তোমরা
অন্যায় হস্তক্ষেপ ও ঝামেলার শিকার হওয়ার আশংকা না থাকলে আমি ও (পানি) তুলতাম
এবং সে জন্য এর উপরে রশি তুলে নিতাম ৷ ” বলে তিনি নিজের র্কাধের দিকে ইংগিত
করলেন ৷ বুখারী শরীভ্রুফ আরো রয়েছে আসিম (র) ইবন আব্বাস (বা) হতে তিনি বলেন, নবী
করীম (না)-কে আমি যমযমের পানি পান করিরেছি, তিনি দাড়িয়ে দাড়িয়ে পান করলেন ৷
“আসিম (র) বলেন, ইকরিমা (র) হলফ করে বলেছেন যে, “ঐ দিন তিনি উটের পিঠেই’
ছিলেন ৷ অন্য একটি বর্ণনা মতে উটনীর পিঠে ৷

ইমাম আহমদ (র) বলেন, হুশায়ম (র) ইবন আব্বাস (বা) হতে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে,
রাসুলুল্লাহ (সা) বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করলেন, তিনি তখন একটি উটের উপরে ছিলেন ৷ তিনি
নিজের কাছের একটি বীকা লাঠি দিয়ে হাজারে আসওয়ড়াদ স্পর্শ করছিলেন ৷ বর্ণনাকারী বলেন,
তিনি পানকেদ্রে এসে বললেন, “আমাকে পানীয় দাও! তখন তারা বলল, এ তে তেড়া
লোকজন তাদের হাত ঢুকিয়ে দেয়, বরং আমরা ঘর থেকে আপনার জন্য তা নিয়ে আসছি ৷
তিনি বললেন, আমার জন্য তার কোন প্রয়োজন নেই; সাধারন লোকেরা না পান করে আমাকে
তা হতে পান করাও ৷ আবু দাউদ (র)-ও প্রায় অনুরুপ বর্ণনা করেছেন ৷ তিনি ইমাম আহমদ
(র) বলেন, রাওহ্ র আফ্ফান (র) ইবন আব্বাস (বা) হতে , তিনি ব লে ন , নবী করীম (না)
যমৃযম-এর কাছে এলে আমরা তার জন্য এক বালতি (পানি) তুললাম, তিনি পান করলেন
এবং বালতিতে কুলি ফেললেন ৷ পরে আমরা তা যম্যমে ঢেলে দিলাম ৷ পরে তিনি বললেন,
“তোমাদের পরাভুত হওয়ার আশংকা না থাকলে আমি নিজ হাতে (পানি) তুলতাম ৷ ” এ
রিওয়ায়াত একাকী আহমদ (র)-এর সনদ মুসলিম (র)-এর শর্তানৃরুপ ৷

সাফা-মারওয়ায় পুনঃ সাঈ প্রসংগ

তারপর নবী করীম (সা) সাফা-মারওয়ায় পুনঃ সাঈ করলেন না; বরং প্রথম বারের সাঈকে
যথেষ্ট মনে করলেন ৷ যেমন মুসলিম (র) তার সহীহ্তে রিওয়ায়াত করেছেনষ্ ইবন জুরায়জ
(র) জাৰির ইবন আবদুল্লাহ (বা) সুত্রে ৷ তিনি বলেন, নবী করীম (সা) এবং তার সাহাবীগণ
সাফা-মারওয়ড়ায় একবার মাত্র প্রদক্ষিণ করেছেন ৷ অর্থাৎ এখানে সাহাবী বলতে যে সকল
সাহাবী বুঝিয়েছেন যারা কুরবানীর পশু নিয়ে এসেছিলেন এবং (যেহেতু) কিরান হজ্জ
পালনকারী হয়েছিলেন ৷ যেমন মুসলিম শরীফের অন্য একটি রিওয়ায়াত মতে রাসুলুল্লাহ
(না) আইশা (রা)-কে বললেন, যখন তিনি উমর) (পুর্ণ না করতে পাের তা)-এর সাথে হজ্জ
অনুপ্ৰবিষ্ট কিরান হজ্জ পালন কারিনী হয়ে গিয়েছিলেন নবী কবীম (সা) বললেন

বায়তুল্লাহ্ এবং সাফা-মারওয়ড়ায় তোমার (এক বারের) তাওয়ড়াফ (ওসাঈ) তোমার হজ্জ ও
উমরা (উভয়ের)-এর জন্য যথেষ্ট ৷ ”

ইমাম আহমদ (র)-এর অনুগামীদের অভিমত হল যে, জাৰির (রা)-এর তার সহযােগীদের
এ অভিমত কিরান ও তামাত্তু এ উভয় প্রকার হজ্জ পালনকারীদের জন্য প্রযোজ্য ৷ এ জন্যই

ওেতাে

ইমাম আহমদ (র)-এর অভিমত হলো এই যে, তামাত্তু হজ্জ পালনকারীর জন্যও একটি
তাওয়াফ তার হজ্জ ও উমরা আদায়ে যথেষ্ট হবে, যদিও এ ক্ষেত্রে উভয় আমলের মাঝে হালাল
হওয়ার অবকাশ রয়েছে ৷” তবে তীর এ অভিমত একটি বিরল বক্তব্য যার উৎস হাদীসের বাহ্য
পাঠ ৷ আল্লাহই সমধিক অবগত ৷

পক্ষান্তরে আবু হানীফা (র)এর অনুগামীগণ তামাভু হন্বজ্জর ক্ষেত্রে মালিকী ও শাফিঈ
মতাবলম্বীদের অভিমত দুই তাওয়াফ ও দুই সাঈর ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করছেন কিন্তু,
তারা এ বিধান টি কিরান হভ্রুজ্জর ক্ষেত্রে পর্যন্ত সম্প্রারিত করে বলেছেন যে, কিরান পালনকারীও
(হজ্জ উমরার জন্য ভিন্ন ভিন্ন) দুই তাওয়াফ দৃই সাঈ করবে ৷ এটি তাদের একক মড়াযহাব এবং
এটির স্বপক্ষে আলী (রা) পর্যন্ত মাওকুফ রিওয়ায়াত উদ্ধৃত করেছেন ৷ আবার আলী (বা) হতে
মারফু নবী করীম (সা) পর্যন্ত সনদ উন্নীত) রিওয়ায়াত ও বর্ণিত হয়েছে ৷ তাওয়াফ পরিচ্ছেদে
এ সব রিওয়ায়াতের উপরে আমরা আলোচনা করে এসেছি এবং এ কথাও বিবৃত করেছি যে ঐ
সব রিওয়ড়ায়াতের সনদ দুর্বল এবং সেগুলি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রাপ্ত বিশুদ্ধ হাদীসসমুহের পরিপন্থী ৷
আল্লাহই সৰ্বাধিক অবগত ৷

দশ তারিখের যুহ্র সালাজ্যে স্থান প্রসত্গে

মক্কায় যুহর সালাত আদায়ের পরে নবী কবীম (সা) মিনায় প্রত্যাগমন করলেন ৷” এ হল
জাবির (রা)-এর হাদীসের প্রতিপাদ্য ৷ পক্ষান্তরে ইবন উমর (না)-এর ভাষ্য ফিরে এসে
মিনায় যুহ্র সল্দোত আদায় করলেন ৷ উভয় রিওয়ায়াত মুসলিম (র)-এর ৷ যেমনটি ইত্যেপুর্বে
বর্ণিত হয়েছে ৷ মক্কা ও মিনায় দৃ’ৰার সড়ালাত আদায় করার কথা মেনে নিয়ে এ দৃয়ের মাঝে
সমন্বয় বিধান করা যায়্ ৷ ইবন হাঘৃম (র) এ বিষয়টিতে সিদ্ধান্ত প্রদানে বিরত রয়েছেন ৷
বিশুদ্ধ উদ্ধৃতিতে পরস্পর বিরোধিতার কারণে তার এ অপরাগতা বিবেচ্য ও গ্রহণাযাগ্য ৷ তবে,
আল্লাহই সমধিক অবগত ৷ এ ছাড়া মুহাম্মদ ইবন ইসহাক (র) বলেছেন, আবদুর রহমান
ইবনুল কাসিম তীর পিতা সুত্রে অইিশা (বা) হতে, তিনি বলেন, যে দিনের ৷:শয়ে ঘুহ্র সালাত
আদায়ের সময়’ তিনি ইফাযা (ফরম তাওয়াফের উদ্দেশ্যে মক্কায় গমন) করলেন, তারপর
মিনায় ফিরে এলেন এবং আইয়ামে তাশরীকের (১১, ১২, ১৩ তারিখের) রাতগুলি সেখানে
অবস্থান করে প্রতিদিন সুর্য পশ্চিম সুখী হওয়ার সময় আমরা সমুহে কংকর মারলেন ৷ প্রতি
জামরায় সাত কংকর এবং প্রতি কংকরের সাথে তাকবীর ধ্বনি দিলেন ৷ ” এ রিওয়ায়াত
একাকী আবু দাউদের ৷ এ হাদীস প্রতীয়মান করে যে, দশ তারিখে নবী করীম (না)-এর মক্কা
গমন হয়েছিল দৃপুরের পরে ৷ সুতরাং এ হাদীস নিশ্চতরুপেই ইবন উমর (রা)-এর হাদীসের
সাথে সংঘটিত ৷ তবে এটি জাবির (রা)এর হাদীসের পরিপন্থী কিনা সে ব্যাপারে আিমতের
অবকাশ রয়েছে ৷ আল্লাছু সমধিক অবগত ৷

মিনায় নবী করীম (সা) এর তাবগ প্রসৎগ

এ মহান দিবসে রাসুলুল্লাহ (সা) একটি গুরুত্বপুর্ণ ভাষণ দিয়েছিলেন ৷ হাদীসের বহুল ও
উপর্বুপরি ধারাবাহিক (যুতাওয়াতির) রিওয়ায়াত বিষয়টি প্রমাণিত ৷ আমরা এখানে মহান
মহীয়ান আল্লাহর উপরে ভরসা করে যথা সম্ভব তা উল্লেখ করার প্রয়াস পাব ৷ বুথাবী (র)-এর

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.