রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

হজ্জ ও উমরা পালনে মদীনা থেকে মক্কা গমনকালে নবী করীম (সা) এর সালাত আদায়ের স্থানসমূহের আলোচনা

হজ্জ ও উমরা পালনে মদীনা থেকে মক্কা গমনকালে নবী করীম (সা) এর সালাত আদায়ের স্থানসমূহের আলোচনা

কোন গাযওয়৷ থেকে কিৎব৷ উমর৷ বা হজ্জ হতে যখন ফিরে আসতেন তখনও উপত্যকার
নিম্নভুমিতে অবতরণের পর যখন উপত্যকার নিম্নভুমি হতে (চড় ই পথে) উঠতে শুরু করতেন,
তখন উপত্যকা প্রান্তের পুর্ব দিকের প্রশস্ত বাতহ৷ (কঙ্করভুমি) তে উট বসাতেন ৷ সেখানে
সকাল পর্যন্ত শেষ রাতের’ বিশ্রাম নিতেন ৷ এটি (বড়) পাথরের পাশের মসজিদের কাছে
কিৎবা যে ঢিবির উপরে মসজিদ রয়েছে সেখানেও নয় (সেখানে এক সময় নালার মত গর্ত
ছিল) ৷ আবদুল্লাহ (রা) সেখানে সালাত আদায় করতেন যার মধ্যে কতক বালুর ঢিবি ছিল;
(১) রাসুলুল্লাহ্ (সা) ও সেখানে সালাত আদায় করতেন ৷ পরে ঢল সে কঙ্করময় ভুমিকে
প্রসারিত করে দিয়েছে যার ফলে ঐ স্থান যেখানে আবদুল্লাহ (রা) সালাত আদায় করতেন তা
নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে ৷

ইবন উমর (রা) বলেন যে, (২) ছোট মসজিদ যেখানে, যেখানে ছোট মসজিদ, এটি
রাওহার উচু স্থানে, যে মসজিদ রয়েছে তার কা ৷ছেই ৷ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) রাসুলুল্লাহ
(সা) এর সালাত আদায় করার স্থানটি চিনতে তন ৷ তিনি বলতেন, এখানে ভোমার ভানে, যখন
তুমি (বর্তমানে বড়) মসজিদে সালাতে দাড়াও ৷ ঐ মসজিদটি তোমার মক্কা পমনকালে
সড়কের ডান পাড়ে, বড় মসজিদ ও তার মাঝে (দুরতৃ) একটি পাথর নিক্ষেপের কিৎব৷ এর
কাছাকাছি; (৩) ইব ন ৬ মর (রা) ইরক (ক্ষুদে পাহাড় বা উপতব্রকাটি) সামনে রেখে সালাত
আদায় করতেন যেটি রয়েছে রাওহার শেষ প্রান্তে ৷ আর ঐ ইরকের শেষ মাথা রয়েছে রাস্তার
, পাড়ে ৷ অর্থাৎ (রাওহার) শেষ প্রান্ত ও ইরকের মাঝে যে মসজিদ তার কাছে ৷ যখন নাকি তু
মক্কাগামী হও ৷ ওখানে মসজিদ তো নির্মাণ করা হয়েছিল ৷ কিন্তু আবদুল্লাহ (বা) যে মসজিদে
সালাত আদায় করতেন না ৷ বরং সেটিকে বামে ও পেছনে রেখে তার সামনে এগিয়ে সোজা
ইরক-এর দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতেন ৷ আবদুল্লাহ (রা) রাওহা হতে এগিয়ে
যেতেন এবং ঐ স্থানে না পৌছা পর্যন্ত যুহর সালাত আদায় করতেন না ৷ সেখানে পৌছে যুহর
সালাত আদায় করতেন ৷ আর যখন মক্কা হতে ফিরে আসতেন তখন সুবহে সাদিকের’ এবস্টু
আগে কিৎব৷ শেষ রাতে এখান থেকে অতিক্রম করতে হলে ফজরের সালাত আদায় করা পর্যন্ত
এখানে শেষ রাতের বিশ্রাম নিতেন ৷

আবদুল্লাহ (বা) আরো বলেছেন যে, (৪) নবী করীম (না) বা ৷স্তা বরাবর সড়কের ডানে
রুওয়ায়ছার’ কাছের বিশাল গাছের নীচে অবতরণ করতেন ৷ সম৩ ল বিস্তীর্ণ কঙ্করময় ক্ষেত্রে ৷
তারপর সেই ঢিল৷ ধরে এগিয়ে যেতেন, যেটি রয়েছে রুওয়ায়ছার ভাকঘরের একেবারে কাছে
দুমাইলের মধ্যে ৷ সে গাছের উপরের অংশ ভেন্সে গিয়ে মাঝ বরাবর ভীজ হয়ে পড়েছিল, তবে
গাছটি তার কাণ্ডের উপরে র্দাড়ানে৷ ছিল এবং তার গোড়ার অনেকগুলো বালির ঢিবি ছিল ৷

(৫) আবদুল্লাহ ইবন উমর (বা) আরো বলেন যে, নবী কৰীম (না) পাহাড়ী বাধ’এর
প্রান্তে সালাত আদায় করেছেন, যা হাযব৷ পমনকালে আরজ-এর পেছনের দিকে পড়ে ৷ ২ সে

১ রুওয়ায়াছ৷ রাওহা ও মদীনায় মধ্যবর্তী রাওহা হতে তেব মাইল দুরে মদীনা হতে প্রায় চব্বিশ
মাইল ৷ অনুবাদক
২ আরজ মদীনা হতে হাযব৷ অতিমুথী পথের পাচ মাইল দুরত্বে ৷

মসজিদের কাছে দু’টি কিৎবা তিনটি কবর রয়েছে; কবরগুলোর উপরে বড় বড় পাথরের চীই
রয়েছে; এগুলো হল রাস্তার ডান পাশে সড়কের পাথরখণ্ডসমুহের কাছে ৷ দুপুরে সুর্য ঢলে পড়ার
পরে আবদুল্লাহ (বা) আরজ হতে ৰিকালে সফর শুরু করে ঐ পাথরগুলাের মাঝে এসে
ওখানকার মসজিদে যুহর সড়ালাত আদায় করতেন ৷

(৬) আবদুল্লাহ ইবন উমর (বা) আরো বলেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) রাস্তার বাম দিকে
হারশার’১ কাছের (ঢল প্রবাহের) নালায় বড় বড় পাছগুলোর কাছে অবতরণ করেছেন ৷ এ
নালাটি হাবশা পাহাড়শ্রেণীর পাশে সমাতবালভড়াবে বিন্তুত এবং এ নানা ও সড়কের মাঝের
দুরতৃ এক তীর নিক্ষেপের দুরৎ পরিমাণ ৷ আবদুল্লাহ (বা) সড়ক প্রান্তের গ“াছগুলাের মাঝে
যেটি সবগুলোর মাঝে সর্বাধিক দীর্ঘকায় গাছ সেটির কাছে সালাত আদায় করতেন ৷

(৭) আবদুল্লাহ ইবন উমর (বা) আরো বলেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) মাররুজ জাহরানৰু এর

কােছি মদীনায় দিকের নালায় অবতরণ করতেন ৷ যখন তিনি উচু স্থান থেকে নেমে
আসতেন তখন এ নালায় অবতরণ করতেন, যা, মক্কা গমনকালে পথের বাম পাশে পড়ে ৷
রাসুলুল্লাহ (না)-এর অবতরণক্ষেত্র ও জনগণের মাঝের দুরতৃ এক ঢিল নিক্ষেপের অধিক
হবেনা ৷

আবদুল্লাহ ইবন উমর (বা) আরো বলেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) মক্কাগমনকালে যু-তুওয়ায়৩
অবতরণ করতেন এবং সকাল হওয়া পর্যন্ত রাত যাপন করে ফজরের সালাত আদায় করতেন ৷
বাসুলুল্লাহ (স)-এর সালাত আদায়ের এ স্থনটি একটি বিশাল প্রশস্ত ঢিলার উপরে; সেখানে যে
মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে সেখানে নয়; বরং তার নিয়ে ঐ ঢিলার উপরে ৷

(৮) আবদুল্লাহ (বা) আরো বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) কাবামুথী গিরিপথদ্বয়ের বরাবরে
দাড়িয়েছেন, যা তার ও কা বার দিকের দীর্ঘ পর্বতে র মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত (না ড়াফি (র)
বলেন)৩ তিনি (ইবন উমর) ওখানে নির্মিত মসজিদটি টিলা প্রান্তের মসজিদের বাম পাশে
রাখলেন ৷ অর্থাৎ নবী করীম ( সা) এর সালাতে র স্থান হল ঐ মসজিদের পাদদেশে ক ল টিলার
উপরে ঢিলা হতে তুমি দশ হাত বা এর কাছাকাছি ছেড়ে দিয়ে তে মোর ও কা বার মধ্যবর্তী
পর্বতের ফটিলদ্বয়ের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করবে ৷

বুখারী (র) এ দীর্ঘ হাদীসটি এককভাব বনাি করেছেন ৷ তবে মুসলিম (র) এ হাদীসের
শেষ অংশ (আবদুল্লাহ ইবন উমর) নাফি (র) হতে এ হাদীসও শুনিয়েছেন যে, রড়াসুলুল্লাহ (সা)
যু-তুওয়ায় অবতরণ করতেনহতে হাদীসের শেষ পর্যন্ত রিওয়ায়াত করেছেন মুহাম্মদ ইবন
ইসহাক আল মুসায়িদ্রবী (র) (আনার, মুসা, নাফি) ইবন উমর (রা) সনদে ৷ আর ইমাম
আহমদ (র)-ও ভিন্নসুত্রে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷

মন্তব্য : তবে এ সব স্থানের অনেকগুলো বরং এর অধিকাংশ্ইি আজ আর চেনা যায় না ৷
কেননা, এ সব স্থানে বসবাস রত যেদুঈনদের কাছে এগুলির অধিকাৎশের নাম পরিবর্তিত

১ জাহ্ফার কাছে মদীনা ও শাম-এর সড়ক সংগমে একটি পর্বতশ্রেণী ৷ অনৃবাদক
২ মক্কা হতে ষোল মাইল দুরে বিখ্যাত সড়ক সংগম ও মড়ানযিল জনভাষায় এটি মার নিম্নতুমি ৷
৩বাবে মক্কা (মক্কা তােরণ) এর পাদদেশে তানঈমের কাছে একটি উপত্যকা ৷

হয়ে গিয়েছে ৷ এ কারণে যে, তাদের অধিকাং শ র উপরে অজ্ঞতা প্রভাব বিস্তার করে
রয়েছে ৷ তবুও বুখাবী (র) ভী র কিতা ৷বে এগুলি উপস্থাপন করেছেন এ উদ্দেশ্যে যে, কেউ
পভীর অতিনিবেশ সহকারে ঘোজাখুজি ও অনুসন্ধাবে লেগে থাকলে হয়তোবা এগুলির
সঠিক সন্ধান পেয়ে যেতে পারে ৷ কিৎরা এমনও হতে পারে যে, এর অনেকগুলি বা
অধিকাৎশ বুখারী (র)-এর যুগে পরিচিত ছিল ৷ অ ৷ল্লাহ্ তা ৷আল৷ সমধিক অবগত ৷

নবী কবীম (সা) এর মক্কা শরীফে প্রবেশ প্রসৎ গ

বুখারী (র) বলেন, মুসাদ্দাদ (র) ইবন উমর (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন,৩ তিনি বলেন, নবী
কবীম (সা) ষুতুওয়ায় রাত যাপন করলেন সকাল পর্যন্ত ৷ ইবন উমর (রা) ও তা করতেন ৷
মুসলিম (র) এ হাদীস রিয়ায়াত করেছেন ৷ ইয়াহয়া ইবন সাঈদ আল বাত্তান (র) সুত্রে ৷ তবে
এতে এভাবে বেশী রয়েছে ৷ সেখানে ফজর সালাত আদায় করা পর্যন্ত ণ্কিংবা (বর্ণনা সন্দেহ )
সকাল হওয়া পর্যন্ত ৷ মুসলিম (র) আরো বলেন, আবুর রাবী আয-যাহরানী (র) ইবন উমর
(রা) সম্পর্কে যে, তিনি মক্কায় আগমন করলেই ষু-তুওয়ায় রাত কটিারুতন ৷ শেষে সকাল হলে
গোসল করতেন ৷ পর দিনের বেলা মক্কায় প্রবেশ করতেন এবং নবী কবীম (সা) সম্পর্কে
উল্লেখ করতেন যে, তিনি ও তাই করতেন ৷ বৃখারী (র) এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন হাম্মাদ
ইবন যায়দ (র) সুত্রে ৷ বুখারী মুসলিম (র)-এর আর একটি সুত্রে বর্ণিত আছে যে, ইব ন উমর
হারাম শরীফের প্রান্ত সীমায় প্রবেশ করলে তা ৷লবিয়া পাঠ বন্ধ করে দিতেন, পরে ঘু তুওয়ায়
রাত কাটাতে তন (পরবর্তী অংশ ৷উল্লেখ করেছেন) ৷ তা ছাড়া মুসা ইবন উকর৷ ইবন উমর (রা)
সনদে আহরিত বুখারী মুসলিমের এ হাদীস পুর্ববর্তী অনুচ্ছেদে উল্লিখিত হয়েছে যে, রাসুলুল্লাহ্
(সা) মক্কা গমন কালে বু-তৃয়ায় সকাল পর্যন্ত রাত যাপন করে সেখানে ফজর সালাত আদায়
করতেন ৷ এবং রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সালাত আদায় করার স্থান কো ল ঢিলার দশ হাত দুরত্বে
সামনের পাহাড়ের দুই ফটিলের দিকে মুখ করে ৷

এ সব বর্ণনা ৷র সা র কথা হল, নবী কবীম (সা) যখন তার সফরে ষুতুওয়ায় উপনীত হন,

বা না ৷কি মক্কার নিকটবর্তী এবং হারাম শরীফের সীমান্তবভী তখন তিনি তালবিয়৷ পাঠ বন্ধ
করেছেন ৷ কেননা, তিনি ৫৩ ৷ তখন অতিষ্টের কাছাকাছি পৌছে গিয়েছেন এবং ঐ স্থানে৩ তিনি
রাত যাপন করেন ৷ অবশেষে সকাল হলে সেখানে ফজর সালাত আদায় করেন যে স্থানে যার
বর্ণনা দিয়েছেন বর্ণনাকারীগণ অর্থাৎ সেখানকার দীর্ঘ পাহাড়ের ফাটল দু’টির মাঝে ৷ কেউ ঐ
সব স্থান বুদ্ধিদীপ্ত চোখে গভীরভাবে নিরীক্ষণ করলে উত্তম ভাবেই তা চিনতে পারবে এবং তার
কাছে নবী কবীম (সা)-এর সালাত আদায়ের স্থান নিণীত হয়ে যাবে ৷ তারপর রাসুলুল্লাহ্ (সা)
মক্কায় প্রবেশের (প্রন্ততির) জন্য গোসল করেন ৷ তারপর বাহবে আরোহণ করেন এবং বাতহার
অন্তর্গত ছ৷ ৷নিয়রুতু ল উলিয়া চড়াই দিকের পার্বত্য সােড় হতে প্রকাশ্য দিবালোকে খােলাথুলি
ভাবে মক্কায় প্রবেশ করলেন ৷ বলা হয়ে থাকে যে, এভাবে প্রবেশ করার উদ্দেশ্য ছিল যাতে
লোকেরা তাকে দেখতে পায় এবং তিনিও তাদের প্রতি নজর দিতে পারেন ৷ মক্কা বিজয়ের
দিনও তিনি এভাবেই প্রবেশ করেছিলেন (পুর্বে আলো ৷চিত হয়েছে) ৷ মালিক (র) ইবন উমর
(রা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) ছানিয়া৩ তল উলিয়ার পথে মক্কায় প্রবেশ করেছিলেন

এবং ছানিয়াতুস সুকলার পথে বের হয়েছিলেন (বুখড়াবী মুসলিম মালিক) ৷ ইবন উমর ও

আইশা (বা) থেকে বখাবী মুসলিম (র) এর অনুরুপ আরো দুটি রিওয়ায়াত রয়েছে ৷ মোট

কথা নবী কবীম (সা ) এর দৃষ্টি বায়তুল্লাহর উপরে পড়লে তিনি বললেন, শাফিঈ (র)-এর

রিওয়ায়াত সাঈদ ইবন সালিম (র) ইবন জুরায়জ সুত্রে বর্ণনা করেন যে, নবী কবীম (না)

যখন আল্লাহর মর দেখতেন তখন তার দু’হাত তুলতেন এবং বলতেন-

হে আল্লাহ; এঘরের মর্যাদা মড়াহাত্মা সম্মান ও প্রতিপত্তি বাড়িয়ে দিন এবং যারা এ ঘরের
সম্মান করে মর্যাদা দেয়, যারা এ ঘরে হজ্জ ও উমরড়া করে তাদের মর্যাদা সম্মান, মড়াহাত্ম্য ও
পুণ্য বাড়িয়ে দিন (ঘুসন্যদে শাফিঈ) ৷ হাফিজ বায়হাকী (র) বলেন, এ হাদীসটি বনকাতি’১
তবে সুফিয়ান ছাওবী (র) (আবু সাঈদ আশশামী মাধ্যমে) মড়াকহুল (বা) থেকে এর সমর্থনে
(শাহিদ) একটি মুরসাল’২ রিওয়ায়পুত রয়েছে ৷ মড়াকহুল (বা) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) যখন
মক্কায় প্রবেশ করতেন এবং আল্লাহর ঘর দেখতে পেতেন তখন দু’হাত উপরে তুলে আল্লাহ
আকবার ধ্বনি দিতেন এবং বলতেন ৷

হে আল্লাহ আপনিই শান্তি (এর উৎস), আপনার নিবল্ট হতেই শান্তি আসে; তাই সমৃদ্ধ
রাখুন, হে আমাদের প্রতিপালক ! আমাদের জীবনকে শান্তিময় করে দিন ৷ হে আল্লাহ্ এ ঘরের
মর্যাদা মড়াহাত্ম্য সম্মান প্রতিপত্তি ও পুণ্য বাড়িয়ে দিন এবং যারা এ ঘরের হজ্জ বা উমরড়া করে
তাদের মর্যাদা মহ্যেত্ম্য সম্মান ও পুণ্য বাড়িয়ে দিন ৷ শাফিঈ (র) আরো বলেন, সাঈদ ইবন
সালিম (র) (ইবন জুরড়ায়জ হতে তিনি ইবন আব্বাস (বা) সুত্রে বর্ণনা করেন (তিনি) নবী
কবীম (সা) বলেহেন হা৩ উচুওে (৩ালা হবে (১) সালাতে; (২) বায়তুল্লাহ দর্শনকালে; (৩)
সফোয়; (৪) মড়ারওয়ায় ; (৫) আরড়াফাতে অবস্থানের অপরাহে (৬) মুযদালিফাতে; ( ৭৮ ) দুই
আমরা-র কাছে এবং (৯) মৃত ব্যক্তির জন্য (জানাবায়) ৷ হাফিজ বায়হাকী (র) বলেন, মুহাম্মদ
ইবন আবদুর রহ্মম্পে ইবন আব্বাস (বা) সুত্রে এবং (বাকি সুত্রে ) ইবন উমর (রা) সুত্রে এ
হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন এবং তা কখনো মড়াওকুক রুপে আবার কখনো মড়ারফু রুপে বর্ণনা
করেছেন ৷ তবে এ রিওয়ায়াতে মৃত ব্যক্তির কথা (৯বং) উল্লেখিত হয়নি ! ইবন আবু লায়লা
(র) বলেছেন, এ রিওয়ায়াতটি সরল নয় ৷

তারপর নবী কবীম (সা) বনু শায়বা দরজা দিয়ে মসজিদুল হারড়ামে প্রবেশ করলেন ৷
হাফিজ বায়হাকী (র) বলেন ইবন জুবারয়জ (র ) অতো ইবন আবু রড়াবাহ (বা) সুত্রে আমরা
রিওয়ায়াত করেছি ৷ তিনি (আতা) বলেন, ইহরামকরীি যে দিক দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে

১ তাবিঈ পর্যন্ত সনদ সীমিত তার উধের্ধ ৰিছিন্ন ৷
২ সড়াহাবী পর্যন্ত সনদ ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.