রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

হযরত আনাস থেকে বর্ণিত এরূপ একটি হাদীস

হযরত আনাস থেকে বর্ণিত এরূপ একটি হাদীস

তারপর যখন দৃপুরের উত্তাপ তীব্র হল তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) দৃশ্যমান হলেন ৷ তারা তখন
বলল, ইয়৷ রাসুলাল্লাহ্! আমরা পিপাসার মরে গেলাম, আমাদের ঘাড়সমুহ অর্থাৎ ঘাড়ের
শিরাসমুহ ছিড়ে যাচ্ছে ৷ তখন তিনি বললেন, তোমরা মরবে না ৷ এরপর আবু কাতাদাকে ,
বললেন, হে আবু কাতদাে ! সেই উবুর পাত্রটি নিয়ে এসো ৷ আমি সেটা তার কাছে নিয়ে
আসলাম ৷ তিনি বললেন, আমার পেয়ালাটি খুলে নিয়ে এসো! তখন আমি তা খুলে তার কাছে
নিয়ে আসলাম ৷ তখন তিনি তাতে সেই (উবুর পাত্রের) পানি ঢালতে লাগলেন এবং
লোকদেরকে পান করাতে থাকলেন ৷ এ সময় লোকজন ভিড় করল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন,
হে লোকসকল৷ তোমরা পরস্পর সদাচারের সাথে ধীরস্থিরভাবে পান কর, কেননা, তোমাদের
প্রত্যেকেই তৃপ্তি ভরে পান করতে পারবে ৷ এভাবে লোকেরা সকলে পান করল ৷ শুধু মাত্র আমি
এবং রাসুলুল্লাহ্ (সা) বাকি থা কলাম ৷ তখন তিনি পানি ঢেলে আমাকে বললেন, আবুকাতাদা !
তুমি পান করে নাও ৷ আবুকাতাদা বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ্! আপনি আগে পান
করুন তিনি বললেন, যে পান করায় তাকে সবশেষে পান করতে হয় ৷ তখন আমি পান করলাম
এবং তিনি আমার পর পান করলেন, আর যে পরিমাণ পানি ছিল তার সমপরিমাণ অবশিষ্ট রয়ে
গেল ৷ এ সময় সাহাবাদের সংখ্যা ছিল তিনশ’ ৷

আবদুল্লাহ বলেন, ইমরান ইবন হুসায়ন আমাকে জামে মসজিদে এই হাদীস বর্ণনা করতে
শুনে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার পরিচয় বল ৷ আমি বললাম, আমি আবদুল্লাহ ইবন রাবাহ আল
আনসারী ৷ তিনি বললেন, ঘরের খবর ঘরের ল্যেকই বেশি জানে, ভেবে-চিত্তে হাদীস
রিওয়ায়াত করবে, কেননা আমি ঐ রাত্রের সেই সাতজনের একজন ৷ আমি যখন হাদীস বর্ণনা

শেষ করলাম, তিনি বললেন, আমার ধারণা ছিল না যে, আমি ছাড়া অন্য কেউ এই হাদীস
সংরক্ষণ করেছে ৷
হাম্মাদ ইবন সালামা, হুমায়দ আত তবীল আবু কাতদাে আল-মাওসেল সুত্রে এরুপ
রিওয়ায়াত করেছেন এবং অতিরিক্ত একথা বলেছেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) যখন সফরে রাত্রিকালে
যাত্রা বিরতি করে বিশ্রাম করতেন তখন তার ডান হাতকে বালিশ রুপে ব্যবহার করতেন, আর
প্রভাতকালে যাত্রা বিরর্তিকালে তার মাথা রাখতেন ডান হাতের তালুতে এবং কনুই পর্যন্ত হাত
খাড়া রাখতেন ৷ মুসলিম ও শায়বান ইবন ফাররুখ আ বু কাতদাে আলহারিছ ইবন রিরঈ
(রা) সুত্রে সম্পুর্ণ হড়াদীসখানি রিওয়ায়াত করেছেন এবং হাম্মাদ ইবন সালামার হাদীস সংগ্রহ
থেকে তার সর্বশেষ সনদেও তা রিওয়ায়াত করেছেন ৷

হযরত আনাস থেকে বর্ণিত এরুপ একটি হাদীস

বায়হাকী আবু ইয়ালার হাদীস সংগ্রহ থেকে আনাস ইবন মালিকের বরাতে বর্ণনা
করেন যে, একবার রাসুলুল্লাহ্ (সা) মুশরিকদের বিরুদ্ধে এক বাহিনী প্রস্তুত করলেন ৷ এদের
মাঝে আবু বকর (রা)ও ছিলেন ৷ তিনি র্তাদেরকে বললেন, তোমরা দ্রুত চলে যাও ৷ কেননা
তোমাদের ও মুশবিকদেরমড়াঝে একটি পানির উৎস রয়েছে ৷ মুশরিকরা যদি তোমাদের আগে
সেই পানির উৎসের দখল নিয়ে নেয় তাহলে তা সকলের জন্য কষ্টদায়ক হবে আর তোমরা
তোমাদের বাহনসমুহ ভীষণ পিপাসার শিকার হয়ে ৷ আনাস (রা) বলেন, আর রাসুলুল্লাহ্
(সা) আটজনকে নিয়ে পিছিয়ে রইলেন ৷ আমি ছিলাম তাদের নবম জন ৷ তিনি তার এ

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.