রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

হযরত ইসমাঈল (আ)

হযরত ইসমাঈল (আ)

হযরত ইসমাঈল (আ)

হযরত ইব্রাহীম খলীলুল্লাহ (আ)-এর বেশ কয়েকজন পুত্র সন্তান ছিলেন যার উল্লেখ
পুর্বেই আমরা করেছি ৷ তবে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হচ্ছেন সে দু’জন যীরা ছিলেন
মহান নবী ৷ আবার এ দুজনের মধ্যে ব্য়োজেব্রুষ্ঠ ছিলেন ইসমাঈল (আ) ৷ বিশুদ্ধ মতে যিনি
ছিলেন যাবীহুল্লাহ ৷ তিনিই ছিলেন হযরত ইব্রাহীম (আ) এর প্রথম সন্তান ৷ মা৩ ৷ মিসরের
কিবভী বংশের কন্যা হযরত হাজেরা ৷ যারা হযরত ইসহাককে যাবীহুল্লাহ বলেছেন,৩ তারা বনী
ইসরাঈল থেকে এ মত প্রাপ্ত হয়েছেন ৷ অথচ বনী ইসরাঈলগণ তাওরাত ও ইনজীলের মধ্যে
পরিবর্তন-পরিবর্ধন করেছে এবং এ ক্ষেত্রে আল্লাহর কিতাবের অপব্যাথ্যা দিয়েছে ৷ তারা তাদের
কাছে রক্ষিত আসমানী কিতাবের বক্তব্যের বিরুদ্ধাচরণ করেছে ৷ হযরত ইব্রাহীম (আ)-কে
তার প্রথম পুত্র কুরব্ানী করার নির্দেশ দেয়া হয় ৷ অন্য বর্ণনা মতে, তার একমাত্র পুত্রকে যবেহ
করার আদেশ দেয়া হয় ৷ যেটাই ধরা হোক না কেন, এর দ্বারা হযরত ইসমাঈল (আ)-কেই
বোঝানো হয়েছে ৷ তাদের কিভাবে সুস্পষ্টভাবে রয়েছে যে, হযরত ইসমাঈল (আ) যখন ভুমিষ্ঠ
হন, তখন হযরত ইব্রাহীম (আ)-এর বয়স ছিল ছিয়াশি বছর ৷ আর যখন হযরত ইসহাক
(আ) এর জন্ম হয় তখন, হযরত ইব্রাহীম (আ)-এর বয়স একশশ্’ণ্ বছরের উপরে ৷ সুতরাং
সন্দেহাভীতভ৷ ৩াবে প্রমাণিত যে, ইসমাঈল (আ) ই খলীলুল্লাহর প্রথম সন্তান ৷ সুতরাং সর্বাব্স্থায়
তিনিই ছিলেন একক সন্তান ৷ বাহ্যত তের বছরের অধিক কাল পর্যন্ত ইসমাঈল (আ) ছিলেন
তার একমাত্র সন্তান ৷ এ সময়ের মধ্যে অন্য কোন সন্তানের জন্ম হয়নি ৷ আর তাৎপর্যগত দিক
থেকে একক এ হিসেবে যে, পিতা ইব্রাহীম (আ) শিশু পুত্র ইসমাঈল (আ) ও তার মা
হাজেরাকে নিয়ে হিজরত করেন এবং মক্কার ফারান পর্বতে র উপত্যকায় উভয়কে নির্বা
করেন ৷ তাদেরকে যখন তিনি রেখে আসেন তখন তাদের সাথে যৎসামান্য পানি ও রসদ
ব্যতীত কিছুই ছিল না ৷ এটা তিনি করেছিলেন আল্লাহর উপর পুর্ণ আস্থা ও ভরসা রেখে ৷
আল্লাহ তাআলা আপন অনুগ্রহ ও করুণার দ্বারা তাদেরকে বেষ্টন করে নেন ৷ ব্স্তুত তিনিই
প্রকৃত অনুথহকাবী, সাহায্যকারী ও অভিভাব্ক ৷ অতএব, প্রমাণিত হল যে, হযরত ইসমাঈল
(আ)-ই বাহ্যিক ও তাৎপর্যগত উভয় দিক থেকে একক সন্তান ৷ কিন্তু কে বুঝবে এই সুক্ষ্ম তত্ত্ব
এবং কে খুলবে এই৷ ন্ ৷ক্ত পিট ৷ আল্লাহ যাকে গভীর তত্ত্বজ্ঞা ন দা ন করেছেন, তিনিই কেবল এটা
উপলব্ধি করতে সক্ষম ৷ আল্লাহ৩ তা আল৷ হযরত ইসমাঈল (আ) এর বিভিন্ন গুণাগুণের প্রশংসা
করেছেন ৷ যেমন : তিনি ছিলেন ধৈর্যশীল, সহনশীল, ওয়াদা পালনকা ৷রী, সালাতের
হেফাজতকারী ৷ পরিব্ারব্র্পকে সালাত আদায়ের নির্দেশ দানকারী-যাতে তারা আযাব থেকে
রক্ষা পায় এবং মহা ন প্রভুর ইবাদতে র দিকে মানুষকে আহ্বানকারী ৷ আল্লাহর বাণী৪

অতংপর আমি তাকে এক ধৈর্যশীল পুত্রের সুসৎবাদ দিলাম ৷ তারপর সে যখন তার পিতা
সাথে কাজ করবার মত বয়সে উপনীত ৩হল, তখন ইব্রাহীম বলল, বৎস ! আ ৷মি স্বপ্নে দেখিব যে,
তোমাকে আমি যবেহ করছি, এখনও তামার অভিমত কি বল? সে বলল, হে আমার পিতা
আপনি যা করতে আদিষ্ট হয়েছেন৩ তা ই করুন! আল্লাহ ইচ্ছা করলে আপনি আমাকে ভৈধর্যশীল
পাবেন ৷ (৩৭ং : ১০১)

তিনি পিতার আহ্বানে সাড়া দেন এবং ওয়াদা করেন যে, তিনি ধৈর্যশীল হবেন ৷ এ ওয়াদা
তিনি পুরণও করেন এবং ধৈর্যধ৷ রণ করেন ৷ আল্লাহ বলেন ং

স্মরণ কর, আমার বান্দ৷ ৷ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়াকুবের কথা ৷ ওরা ছিল শক্তিশালী ও

সুক্ষ্মদর্ণী ৷ আ ৷মি তাদেরকে অধিকারী করেছিলাম এক বিশ্বে যে গুণের তা ছিল পরলােকের স্মরণ ৷

অবশ্যই ৷ ৷রা ছিল আমার মনাে ৷তনী ও উত্তম বান্দ৷ দের অন্তর্ভুক্ত ৷ (৩৮৪ : ৫ : ৭ )

স্মরণ কর, ইসমাঈল, আল-য়াসা-আ ও যুল-কিফ্লের কথা, ওরা প্রতে ৷বেইি ছিল সজ্জন ৷
(৩৮ং : ৪৮) ৷

অ আল্লাহর বাণী৪

এবং স্মরণ কর ইসমাঈল, ইদরীস ও ষুল কিফ্ল এর কথা তাদের প্রতেকেই ছিল
ধৈর্যশীল ৷ তাদেরকে আমি আমার অনুগ্নহভাজন করেছিলাম ৷ তারা ছিল সৎকর্যপরায়ণ ৷
(২১ : ৮৫-৮৬)
আল্লাহ্র বাণীং

আমি তামার নিকট ওহী প্রেরণ করেছি যেমন নুহ ও তার পরবর্তী নবীণণের নিকট প্রেরণ
করেছিলাম-ইবরাহীম , ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব ও তার বংশধরদের কাছে ৷ (৪ : ১৬৩)

তোমরা বল, আমরা আল্লাহতে ঈমান রাখি এবং যা আমাদের প্রতি এবং ইব্রাহীম ,
ইসমাঈল, ইসহাক ও ইয়াকুব ও তার বংশধরদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে ৷ (২ : ১৩৬)

অন্য অনেক সুরায় এ জা৩ ভীয় বহু অদ্য়ৰুত বিদ্যমান আছে !

তোমরা কি বল যে, ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব ও তার বংশধরগণ ইহুদী
কিংবা খৃক্টান ছিল? বল ৫৩ তড়ামরা কি বেশি জন, না আল্লাহ? (২০ ১৪০)

এসব আয়াতে আল্লাহ হযরত ইসমাঈল (আ)-এর উত্তম গুণাবলীর কথা উল্লেখ করেছেন,
তাকে নবী ও রাসুল বানিয়েছেন এবং অজ্ঞ লোকেরা তার প্রতি যেসব মিথ্যা ও অলীক
কথা-বার্তা আরোপ করেছে তা থেকে তার মুক্ত থাকার কথা ঘোষণা করেছেন ৷ মুমিনদের প্রতি
নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, তারা যেন সেই সব বিধানের উপর বিশ্বাস রাখে যা ইসমাঈল
(আ)-এর উপর নাযিল হয়েছিল ৷ নসব-নামা ও বংশ পঞ্জিকার পণ্ডিতগণ এবং মানব জাতির
ঐতিহাসিক ঘটনা ও সভ্যতা বংনািকারিগণ লিখেছেন যে, তিনিই ছিলেন সর্বপ্রথম ঘোড়ার
আরোহণকারী ব্যক্তি ৷ এর পুর্বে ঘোড়া ছিল নেহায়েতই একটি বন্য প্রাণী ৷ তিনি তা পােষ
মানান ও তাতে আংরাহণ করেন ৷ সাঈদ ইবন ইয়াহয়া উমাবী (র)৩ তার ম’াগাযী গ্রন্থে ইবন
উমর (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন, রসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন, তোমরা ঘোড়া পুষবে এবং তার
আদর-যত্ন করবে ৷ কেননা এটা ওে তামাদের পিতা ইসমাঈল (আ) এর মীরাছ বা উত্তরাধিকার
তদানীন্তন আরবরা ছিল বেদুঈন ৷ হযরত ইসমা ঈল (আ) আল্লাহর নিদেশে তাদেরকে দাওয়াত
দেন ৷ তারা তার ডাকে সাড়া দেয় ৷ তিনিই সর্বপ্রথম প্রাঞ্জল আরবী ভাষায় কথা বলেন ৷
আদি আরবদের কাছ থেকে তিনি এ ভাষা শিখেছিলেন ৷ তারা হল হযরত ইবরাহীম (আ )-এর
পুর্বেকার জুরহুম, আমালিক ও ইয়ামানবাসী আরব যারা মক্কায় এসে বসবাস শুরু করেছিল ৷

ঐতিহাসিক উমাবী (র) মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন হুসড়ায়নের পুর্ব-পুরুযগণের বরাতে বর্ণনা
করেন, নবী করীম (সা) বলেছেন : স্পষ্ট আরবী ভাষায় যিনি সর্বপ্রথম কথা বলেন, তিনি
ছিলেন ইসমাঈল (আ) ৷ তখন তার বয়স মাত্র চৌদ্দ বছর ৷ আলী ইবন মুপীরা (র) এ কথা
বর্ণনা করার সময় উপস্থিত জনৈক ইউনুস বললেন : হে আবু সাইয়ার ! আপনি সত্য বলেছেন,
আবু জাবীও আমার কাছে ঠিক এরুপই বর্ণনা করেছেন ৷ ইতিপুর্বে আমরা বলে এসেছি যে,
হযরত ইসমাঈল (আ) যৌবনে পদার্পণ করে আমালিকা সম্প্রদায়ের জনৈকা মহিলাকে বিবাহ
করেন এবং পরে পিতার নির্দেশক্রমে তাকে তালাক দেন ৷ উমাবী ঐ মহিলার নাম বলেছেন
আম্মারা বিনত সা দ ইবন উসামা ইবন আকীল অ ল আমালিকা ৷ তারপর তিনি অপর এক

মহিলাকে বিবাহ করেন ৷ পিতার আদেশ অনুযায়ী এই ন্তীকে তিনি বহাল রাখেন ৷ এই শ্ৰীর নাম
সাব্যিদা বিন্ত মাদাদ ইবন আমব আল-জুরহুমী ৷ কেউ কেউ বলেছেন, হযরত ইসমাঈল
(আ)-এর ইনি ছিলেন তৃতীয় শ্রী ৷ এই শ্ৰীর গর্ভে বড়ারজন পুত্র সন্তান জন্মলাভ করেন ৷ মুহাম্মদ
ইবন ইসহাক (র) তাদের নাম বর্ণনা করেছেন ৷

আহলি কিতাবগণ তাদের গ্রন্থাদিতেও এরুপই উল্লেখ করেছেন ৷ তবে তাদের মতে , এই
বাবজন ছিলেন সমাজপতি যাদের সম্পর্কে পুর্বেই সুসংবাদ দেয়া হয়েছিল ৷ কিন্তু তাদের এ
ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে ৷ হযরত ইসমাঈল (আ) মক্কা ও তার পার্শ্ববর্তী জুরহুম,
আমান্সিক ও ইয়ামানবাসীদের প্রতি রসুলরুপে প্রেরিত হন ৷ মৃতৃক্যেলে তিনি আপন ভাই
ইসহাকের প্রতি ওসীয়ত করে যান ৷ ইসমাঈল (আ) তার কন্যা নাসমাকে তার ভাতিজা ঈস
ইবন ইসহাকের সাথে বিবাহ দেন ৷ এই দম্পতির পুত্র সন্তানের নাম রুম ৷ রুম-এর
আওলাদদেরকে বানুল আসফার বলা হয় ৷ কারণ, তাদের পিতা ঈস-এর গায়ের রং ছিল
গেরুয়া ৷ যাতে আরবীতে সুফর ( ঐওপ্রু) বলা হয়ে থাকে ৷ অপর বর্ণনা মতে, ঈসৃ-এর আরও
দুই পুত্র ছিল ইউনান ও আশবান ৷ ইবন জারীর (র) এ ব্যাপারে কিছুই বলেননি ৷

হযরত ইসমাঈল (আ) কে হিজর নামক স্থানে মায়ের কবরের পাশে সমাহিত করা হয় ৷
মৃতৃদ্রকালে তার বয়স ছিল ১৩৭ বছর ৷ উমর ইবন আবদুল আঘীয থেকে বর্ণিত : ইসমাঈল
(আ) মক্কার প্রচণ্ড গরম সম্পর্কে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করেন ৷ আল্লাহ ওহীর মাধ্যমে তাকে
জানান যে, যেখানে তোমাকে দাফন করা হবে সে স্থানের দিকে আমি জান্নাতের একটি দরজা
খুলে দেব ৷ কিয়ামত পর্যন্ত সেখানে জান্নড়াতের সুশীতল হাওয়া প্রবাহিত থাকবে ৷

হেজাযী আরবদের সকলেই নাবিত ও কায়জারের বংশ বলে নিজেদেরকে দাবি করে ৷
পরবর্তীতে আমরা আরব জাতি, তাদের বংশ, গোত্র, সমাজ ও কবীলা ও তাদের কৃষ্টি, সভ্যতা
সম্পর্কে আলোচনা করব ৷ হযরত ইসমাঈল (আ) থেকে রাসুলুল্লাহ (সা) পর্যন্ত সম্পুর্ণ সময়ের
যাবতীয় বর্ণনা এতে থাকবে ৷ হযরত ঈসা ইবন মারয়াম (আ) পর্বত বনী ইসরাঈলের
উথান পতন, তাদের নবীদের আলোচনা শেষে উক্ত বিষয়ে আলোচনা করা হবে ৷ অতঃপর বনী
ইসরাঈলের যুগ এবং পরে আইয়ামে জাহিলিয়ার ঘটনাবলী এবং সবশেষে বিশ্বনবী (না)-এর
সীরাত যুবারক সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আসবে ইনৃশাআল্লাহ্ ৷

ইসহাক ইৰ্ন ইব্রাহীম (আ)
পুইে বলা হয়েছে যে , হযরত ইব্রাহীম (আ)-এর একশ’ বছর বয়সকালে এবং ইসমাঈল

(আ)-এর জন্মের চৌদ্দ বছর পর ইসহাক (আ)-এর জন্ম হয় ৷ তার মাতা সারাহ্কে যখন পুত্র
হওয়ার সুসংৰাদ দেওয়া হয় তখন তার বয়স ছিল নব্বই বছর আল্লাহ্ বলেন :

আমি ইব্রাহীমকে ইসহাষ্কের সু-সংৰাদ দিয়েইিপড়াম যে স্থিণ একজন নবী ও সৎকর্ম
পরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত ৷ আমি ইৰ্রাহীমের গ্রত্তি ও ইসহাকের প্রতি বয়কত দান করেছিলাম ৷
তাদের বংশয্রদের মধ্যে কতক সত্কর্মশীল এবং কতক নিঙ্গেদের প্রতি স্পষ্ট অত্যাচারী ৷
(৬৭ : ১১২-১১৩)

আল্পড়াহ্ কুরআনের অনেক আয়াতে ইসহাক (আ)-এর প্রশংসা করেছেন ৷ আবু হুরড়ায়রা (রা)
বর্ণিত এ মর্মের হড়াদীসে পুর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রসুসুরাহ (যা) বলেছেন : একজন
সম্মানিত বাতি, যার পিতাও ছিলেন সম্মানিত, তার পিতাও ছিলেন সশ্বাষিত এবং তার পিতাও
ছিলেন সম্মানিত ৷ তিনি হলেন ইউসুফ ইবন ইরাকুর হবৃন ইসহাক ইবন ইব্রাহীম ৷ আহলি
কিতাবগণ বলেন, ইসহাক (আ) তার চল্লিশ বছর বয়সে পিতার জীবদ্দশায় রষ্ফাকা বিনত
বাৎওয়াইলকে বিবাহ করেন ৷ রুফাকা ছিলেন বন্ধ্যড়া ৷ তাই ইসহড়াক (আ) সন্তানের জন্যে
আল্লাহ্র কাছে দৃআ করেন ৷ এরপর শ্রী সন্তান-সারা হল এবং তিনি জময় দুই পুত্র সন্তান প্ৰসব
করেন ৷ তাদের প্রথমজম্মেৱ নাম রাখা হয় ঙ্গসু’ যাকে আরবরা ঈস’ বলে তাকে ৷ এই ঈস
হচ্ছেন রুমের পিতা ৷ দ্বিতীয় সন্তান তুমিষ্ঠ হবার সময় থাকে তার ভাইয়ের পায়ের গোড়ালি
আকড়ে থাকতে দেখা যায় ৷ এই কারণে তার নাম রাখা হয় ইয়াকুব ৷ কেননা এ শব্দটির মুল
ধাতু ( ন্ন্;) অর্থ গোড়ালি বা পঢাতে আগমনকারী ৷ তার অপর নাম ইসরাঈল, যার নামে
বনী-ইসরাঈল বংশের নামকরণ করা হয়েছে ৷

কিতাৰীপণ বলেন, হযরত ইসহড়াক (আ) ইয়াকুৰের তুলনায় ঈসুকে অধিকতর
ভালবাসতেন; কারণ তিনি ছিলেন প্রথম সন্তান ৷ পক্ষাস্তরে তাদের মা রুফাকা ইয়াকুবকে বেশি
ভালবাসতেন; কেননা, তিনি ছিলেন কনিষ্ঠ ৷ ইসহাক (আ) যখন বযােবৃদ্ধ হন এবং তার
দৃষ্টি-শক্তিহ্রড়াস পায়, তখন তিনি পুত্র ঙ্গসেয় নিকট একটি উত্তম আহার্য চান ৷ তিনি একটি পশু
শিকার করে রান্না করে আমার জন্যে ঈসক্ষে নির্দেশ দেন ৷ যা আহার করে তিনি তার জন্যে
বরকত ও কল্যাণের দৃআ করবেন ৷ ঈস শিক্ষায় কাজে পারদর্শী ছিলেন ৷ তাই তিনি শিকারে
বেরিয়ে পড়লেন ৷ এদিকে রুফাকা তার প্রিয় পুত্র ইয়াকুবকে পিতার দুআ লাভের জন্যে পিতার
আল-ৰিদায়া ওয়ান নিহায়া (১ম খণ্ড) ৫৫-

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.