রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

হিজরী নবম সাল

হিজরী নবম সাল

“হে মুমিনগণ! কাফিরদের মধ্যে যারা তোমাদের নিকটবর্তী তাদের সাথে যুদ্ধ কর এবং
তারা যেন তোমাদের মাঝে কঠোরতা দেখতে পায় ৷ জেনে য়েখো, আল্লাহ মুত্তাকীদের সাথে
রয়েছেন” (৯ং ১২৩) ৷
তাবুক যুদ্ধের বছরে যখন রাসুলুল্লাহ (না) বোমকদের সাথে যুদ্ধাভিযানের সিদ্ধান্ত নিলেন,
তখন প্রচণ্ড গরম পড়েছিল এবং মুসলমানদের তখন অনটন চলছিল তইি তিনি বিষয়টি মুসলিম
জনতার কাছে স্পষ্ট ভাষায় প্রকাশ করে দিলেন এবং প্রত্যন্ত এলাকার আরব গোত্রওলিকে তার
সহগামী হওয়ার জন্য আহ্বান জানালেন ৷ ফলে প্রায় ত্রিশ হাজারের এক বিশাল বাহিনী তার
সাথে যোগ দিলষ্যেমনটি শীঘ্রই বর্ণিত হবে ৷ কিন্তু কিছু লোক তার এই উদাত্ত আহ্বানে সাড়া
দিল না ৷ বিনা ওযরে পিছিয়ে থাকা এ মুনাফিক ও শিথিলতা প্রদর্শনকারী মুসলমানাদরকে
আল্লাহ্ পাক ভর্চুসনা করলেন ৷ তাদের এরুপ আরােণর নিন্দা করে কঠোর হুশিয়ারী উচ্চারণ
করলেন এবং তাদের চরম লাঞ্চুনার হুশিয়ারী দিয়ে কুরআনের আয়াত নাযিলশ্রুকরলেন ৷ জন-
সাধারাণ্য যারত্বিলাওয়াভ হতে থাকল ৷ তাদের বিষয়ে বর্ণনা রয়েছে সুরা তাওনায় বার বিশদ
বিবরণ আমি তাফসীর গ্রন্থে পেশ করেছি ৷ সাথে সাথে আল্লাহ্ তাআলা ঈমানদারদের সৰ্বাবস্থায়
যুদ্ধাভিযানে বেরিয়ে পড়ার নির্দেশ দিলেন ৷ যেমন ইরশাদ করেছেন-

“অভিযানে বেরিয়ে পড়, হাসক৷ অবস্থায় কিংবা ভারী অবস্থায় এবং তোমাদের সম্পদ ও
তোমাদের জীবন দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ সাধনায় রত থাকে৷ ৷ এটাই তোমাদের জন্য উত্তম,
যদি তোমরা জানতে ৷ আশু লাভের সম্ভাবনা থাকলে ও সফর সহজ হলে তারা অবশ্যই আপনার
অনুসরণ করত ৷ কিন্ত যাত্রা পথ তাদের কাছে সুদীর্ঘ মনে হল ৷ তারা আল্লাহর নামে শপথ করে
বলল, পারলে আমরা অবশ্যই আপনাদের সাথে বের হতাম ৷’ ওরা নিজেদের ধ্বং স করছে ৷
আর ওরা যে মিথ্যাবাদী তা তো আল্লাহ্ জানেনই” (৯ন্ত্র : ১ ৪২) ৷ এর পরবর্তী আয়াতসমুহও
এ বিষয় সংশ্লিষ্ট ৷ এ সুরারই অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে

মুষিনরা যেন সকলে এক সংগে যুদ্ধাভযানে বের না হয় ৷ তাদের প্রত্যেক দলের একটি
অংশ বেরিয়ে পড়ে না বেল ? যাতে করে তারা দীনের জ্ঞান আহরণ করতে পারে এবং তাদের
স্বজাত্যিক সতর্ক করতে পারে-যখন তারা তাদের কাছে ফিরে আসবে, যাতে তারা সঙ্ঘর্শ্ব হয়’

কোন কোন মনীষীব মতে এ শেষোক্ত আয়াত পুর্ববর্তী আয়াতের বিধান রহিত করেছে ৷
আর কারো কারো মতে ভেমনটি নয় ৷ আল্লাহ্ই সমধিক অবগত ৷

ইবন ইসহাক বলেন-, তারপর রাসৃলুল্লাহ (সা) নবম হিজ্জীর জিলহজ্জ থেকে রজব মাস পর্যন্ত
মদীনায় অবস্থান করার পর রােমক্যদর বিরুদ্ধে অভিযান প্রস্তুতির নির্দেশ দিলেন ৷ প্রাথমিক

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.