রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

হিনদ বিনত উছাছার কবিতা

হিনদ বিনত উছাছার কবিতা

তখন তুমি এমন উটের পৃষ্ঠে আরোহণ করেছিলে, যার পা ছিল দীর্ঘকায়, ভাল বংশজাত,
দ্রুতগামী ও প্রশস্ত পিঠ বিশিষ্ট

সম্প্রদায়ের লোকজন তোমার পিছনেই ছিল, কিন্তু বেচে থাকার আশায় তুমি যুদ্ধ ত্যাগ
করে চলে আসলে ! অথচ ঐ সময়টি পলায়নের সময় ছিল না ৷

হায় ! তুমি তোমার সহোদরের দিকেও ফিরে তাকলে না ৷ যখন সে বর্শার আঘাতে মাটিতে
পড়ে মরে যাচ্ছিল এবং তার সঙ্গের আসবাবপত্র সব থােয়া যাচ্ছিল ৷

আল্লাহ (মালিক) তার (আবু জাহলের) ব্যাপারে দ্রুত ফায়সালা দিলেন ও তার দলবলকে
লাঞ্চুনাকর কলং ক দিয়ে ও জঘন্য শাস্তি দিয়ে ধ্বং স করে দিলেন ৷
তিনি আরও বলেন :
অর্থ৪ বদর যুদ্ধের প্রাত ংকালে কুরায়শরা নির্বিচারে কঠিন ভাবে বন্দীতৃ ও হত্যাকাণ্ডের
শিকা ড়ার হয় ৷

আবুলং ওয়ালীদের নেতৃত্বে পরিচালিত সে দিনের লড়াইয়ে যুদ্ধের সাহায্যকারী লোকজনের
মধ্যে বাদ নুবাদের সময় আমরা প্রন্তুত হলাম ৷ যেদিন রাবীআর দুই পুত্র বিপুল অস্ত্র সাজে
সজ্জিত হয়ে আমাদের দিকে এগিয়ে আসলেন, সে দিন আমরা তাদেরকে হত্যা করলাম ৷

আর যখন বনু নাজ্জার সিংহের ন্যায় গত্তনি করে যুদ্ধক্ষেত্রে বাড়াপিয়ে পড়ল, তখন হাকীম
সেখান থেকে পালিয়ে গেল ৷

সে দিন গোটা ফিহ্র গোত্র পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পালিয়ে যায় ৷ আর হুয়ায়রিছ তাে দুর থেকে
তাদেরকে ত্যাগ করে চলে যায়

তোমরা অপমান ও হত্যার সম্মুখীন হয়েছিলে যা তোমাদের কণ্ঠশিরার মধ্যে প্রবেশ
করেছিল ৷

বাহিনীর সমস্ত লোকই দৌড়ে পালিয়ে গেল এবং পুর্ব পুরুষদের মান-সম্মানের দিকে কেউ
ফিরেও তাকলে না ৷
হিন্দ বিনত উছাছার কবিতা

হিন্দ বিনত উছাছা ইবন আব্বাদ ইবন মুত্তালিব উবায়দা ইবন হারিছ ইবন মুত্তালিবের
মৃত্যুতে নিম্নোক্ত শোকগাথা রচনা করেন :

অর্থ : সাফ্রা নামক স্থানটি নিজের মধ্যে সমবেত করেছে সম্মান, নেতৃত্ব, স্বভাবগত
সহনশীল এবং জ্ঞান ও প্রজ্ঞাসম্পন্ন গুণ গরিমার লোকদেরকে ৷

সেই সাফরা এলাকার একজন হচ্ছেন উবায়দা, তুমি তার জন্যে র্কাদো যিনি ছিলেন
যেহমান মুসাফিরের জন্যে নিবেদিত এবং বিপদকালে দুঃস্থ বিধবারা তার কাছে আসতাে ৷ তিনি
ছিলেন অসহড়ায়দের জন্যে বৃক্ষ স্বরুপ ৷

তুমি র্কার্দো সে সব লোকের উদ্দেশ্যে যারা প্রতেব্রক শীতের মওসুমে দুর্ভিক্ষের কারণে
দিগন্তরেখা লাল হয়ে যাওয়ার সময় তার নিকট আসতাে ৷

আর তুমি ইয়াডীমদের স্মরণে র্কাদো যারা ঝঞাবায়ু প্রবাহিত হলে তার কাছে এসে
আশ্রয় নিত ৷ আরও র্কড়াদো ডেগের নীচে আগুন জ্বালানাের জন্যে, যা দীর্ঘ দিন যাবত টগবগ
করে ফুটতেড়া ৷

এরপর যদি কখনও আগুনের তেজ কমে যেত, তখন তিনি মোটা মোটা কাঠ দিয়ে সে
আগুন আবার প্ৰজ্বলিত করে দিতেন ৷

এই ব্যবস্থা তিনি করতেন রাত্রিকালে আগমনকারী পথিক কিৎবা আপ্যায়নের প্ৰত্যাশী
লোকদের জন্যে এবং সেসব পথহারা পথিকদের জন্যে যারা কুকুরের আওয়াজ শুনে সেদিকে
অগ্রসর হয়ে তার কাছে উপস্থিত হত ৷

আতিকার কবিতা

উমাবী তার মাপাযী গ্রন্থে সাঈদ ইবন কুতৃন থেকে বর্ণনা করেন : আতিকা বিনত আবদুল
ঘুত্তালিব পুর্বে এক স্বপ্ন দেখেছিলেন ৷ বদর যুদ্ধের পর স্বপ্নের সাথে মিলে যাওয়ায় নিম্নোক্ত
কবিতা আবৃত্তি করেন :
অর্থ : আমার স্বপ্ন কি বাস্তবে পরিণত হয়নি এবং তার ব্যাখ্যা কি তোমাদের সামনে
আসেনি ? যখন সম্প্রদায়ের একদল লোক পলায়ন করল ৷

যে ব্যক্তি স্বচক্ষে দেখেছে যে, ধারাল তরবারি কী ভাবে সঞ্চালিত হয়েছে, তখন তােমাংদর
কাছে আমার যে স্বপ্ন বিশ্বাসযেগ্যে হয়েছে ৷

আমি তোমাদের নিকট সত্য কথা বলেছিলড়াম, মিথ্যা কথা বলি নাই ৷ বন্তুত আমাকে
মিথ্যাবাদী ঠাওরিয়েছে সে, যে নিজে,মিথুক্লক ৷

হাকীম তাে এমনিতে পালায়নি বরং মৃত্যুর ভয়ে সে পালিয়েছে ৷ অবশ্য পালিয়ে যাওয়ার
সকল পথই তার রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল ৷

সে দিন তোমাদের মাথার উপরে ছিল ভারতীয় তরবারি এবং বাহরায়নের খৎ গোত্রে
নির্মিত বর্শা যা দেখতে চকমকে ও প্রতিপক্ষের উপর বিজয় নিশ্চিত করে ৷

সে তরবারির ধারাল অংশটি উজ্জ্বলতায় এমন ঝলমল করে যে, যদি কোন গর্জনকান্নী
সিংহরুপ বীরের হাতে পড়ে, তবে তা অগ্লিস্ফুলিঙ্গের ন্যায় মনে হয় ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.