ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে স্মৃতিসৌধ বা স্মৃতিস্তম্ভ
আদ জাতি পৃথিবীতে অনর্থক স্মৃতিস্তম্ভ বা স্মৃতিসৌধ তৈরি করতো। তারা মহান আল্লাহ ও তার রাসুল হুদ (আঃ)-কে অস্বীকার করেছিল। মহান
আদ জাতি পৃথিবীতে অনর্থক স্মৃতিস্তম্ভ বা স্মৃতিসৌধ তৈরি করতো। তারা মহান আল্লাহ ও তার রাসুল হুদ (আঃ)-কে অস্বীকার করেছিল। মহান
কুরআন আল্লাহর কিতাব। সৃষ্টি রচিত বই নয়। আল্লাহর পাঠানো গ্রন্থ। আল্লাহ মানুষ ও জ্বীন জাতির রাহনুমা হিসেবে এ মহান কিতাব
আমরা মানুষদের আশআরি বা মাতুরিদি মতবাদের দিকে দাওয়াত দিই না। আমরা মানুষদের মহান সালাফের পথের দিকে আহ্বান করি। বিকৃত সালাফিয়াত
আলকুরআনের দ্বিতীয় সুরা। কুরআনের বৃহত্তম সুরা। দুইশত ছিয়াশি আয়াত সম্বলিত বৃহৎ সুরা। এটি মাদানি সুরা। হিজরতের পর প্রথম অবতীর্ণ সুরা।
ইসলামী জীবন বিধান তত্ত্ব ও তথ্যগতভাবে দুটি মৌলিক বুনিয়াদের উপর স্থাপিত। একটি পবিত্র কোরআন, অপরটি রাসূলের সুন্নাহ বা হাদীস। আল্লাহর
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সাম্প্রতিক বিশ্বের সর্বপ্রাচীন ও বৃহত্তর বিশ্ববিদ্যালয় আল-আযহার থেকে সর্বোচ্চ গ্রেড নিয়ে ডক্টরেট অর্জন করলেন ড.নূরুল আবছার। সময়ের ড.
মাথায় রুমাল বা স্কার্ফ পরার কারণে ইতালির একজন মুসলিম নারী এডভোকেটকে আদালত থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি বলোগনা
হাদীসে কুদ্সী কী? হাদীস হচ্ছে— আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম)-এর মুখনিঃসৃত বাণী ও কর্ম এবং রাসূল রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম)
বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেই আসমান-জমিনের রব্ব আল্লাহ রব্বুল আ’লামীন তা হালাল করেছেন। নিশ্চয়ই স্বয়ং আল্লাহর নির্ধারিত হালালকে হারাম আর হারামকে
১। প্রতিরাতে সুরাহ মুলক তিলায়াত করা (কুরআন দেখে দেখে বা মুখস্ত যে কোন ভাবেই হোক)। রাসূল (সাঃ) বলেন : “যে
একজনের মারাত্মক রোগ হল। কোনও ওষুধেই কাজ হচ্ছে না। দিন দিন লোকজটার অবস্থা অবনতির দিকে যাচ্ছে। তার প্রভাবে বাড়ির অন্যরাও
গতকাল জামিয়া মাহমূদিয়া ইসহাকিয়া মানিকনগর–ঢাকা’র একজন মুহাদ্দিস সাহেব ফোন করে জিজ্ঞাসা করলেন, সাআদ সাহেব নাকি বাংলাদেশ থেকে সরাসরি দেওবন্দ গিয়েছেন
বিশ্ববিখ্যাত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দারুল উলূম দেওবন্দের স্বনামধন্য মুহতামিম ও শাইখুল হাদীস, উস্তাদুল আসাতিযা মাওলানা মুফতি আবুল কাছিম নু’মানী আগামী ১৪
এই সেই মাসজিদ,যেটা দেখার জন্যে দৈনন্দিন অসংখ্য দর্শনার্থি ভীড় করে৷ বলা যায় সমান্য ব্যবধান ছাড়া ঐতিহাসিক তাজমহলের হুবহু কপি৷ এটি
আমাদের দেশে ভিক্ষুকরা তাদের ভিক্ষাবৃত্তির ক্ষেত্রে প্রায়শই আল্লাহর নাম ব্যবহার করে। দুনিয়ার সামান্য পরিমাণ তুচ্ছ সম্পদ অর্জনের জন্য আল্লাহর নাম