اسلامی فتوی

কুরআন শরীফের নামে কসম খাওয়া ৷

جواب

প্রশ্ন জনৈক ব্যক্তি একবার কুরআনের কসম খেয়ে বলল যে, আমি ... একাজটা অবশ্যই করবো। কিন্তু পরে সে আর ঐ কাজটা করতে পারেনি। জানার বিষয় হলো, তার ঐ কথার কারণে কি কসম হয়েছিল? এখন তার করণীয় কি? উত্তর জ্বী হাঁ, প্রশ্নে বর্নিত সূরতে জৈনক ব্যক্তির কসম সংঘটিত হয়েছে। পরবর্তীতে ঐ কাজটি না করার কারণে তার কসমটি ভঙ্গ হয়েছে। এখন তার জন্য আবশ্যক হলো, কসম ভঙ্গের কাফ্ফারা আদায় করা। কসমের কাফ্ফারা হলো, দশজন দরিদ্র ব্যক্তিকে দুইবেলা তৃপ্তি সহকারে খানা খাওয়ানো বা এর মূল্য দিয়ে দেওয়া। অথবা দশজন দরিদ্র ব্যক্তিকে এক জোড়া করে পোশাক দেওয়া। আর যদি এর কোনেটির সামর্থ্য না রাখে তাহলে সে লাগাতার তিনটি রোযা রাখবে। উল্লেখ্য যে, আল্লাহ তাআলার নাম ব্যতীত অন্য কোনো কিছুর কসম করা নিষেধ। তাই কেউ কসম করতে চাইলে আল্লাহর নামেই কসম করবে । সুরা মায়েদা : ৮৯; আলবাহরুর রায়েক ৪/২৮৬; ফাতহুল কাদীর ৪/৩৫৬; ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া ২/৫৩৷ মুফতী মেরাজ তাহসীন মুফতীঃ জামিয়া দারুল উলুম দেবগ্রাম ব্রাক্ষণবাড়িয়া ৷ 01756473393 উত্তর দিয়েছেন : মুফতি মেরাজ তাহসিন কোরআন ছুঁয়ে মিথ্যা বললে কি হয় কসম কাটার নিয়ম কসম ভঙ্গের শাস্তি কসমের কাফফারা কি কসমের কাফফারা কত টাকা আল্লাহর কসম করে মিথ্যা বলা কসম কাটা কি জায়েজ কসম ভাঙলে কি হয়
تمام فتاوی دیکھیں কসম-মান্নত زمرہ