রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

অনুচ্ছেদ : ইহরাম ভৎগের নিদ্যেশর গুরুতৃ

অনুচ্ছেদ : ইহরাম ভৎগের নিদ্যেশর গুরুতৃ

সংগে নিয়ে তা ৷স৷ লোকদের জন্য ক্কিৱান এবং (দুই) হাদীবিহীন হুলাকহুদর জন্য তামাত্তু ৷
াল্পাহই সমধিক অবগত ৷

এ প্ৰসং গে ইমাম বুখাবী (র) বলেন, জ৷ ৷বির (র) ও ইবন আব্বাস (রা)-এর বরাহুত বলেন
যে, তারা বলেছেন, নবী করীম (সা) এবং তার সাহাবীগণ জিলহহুজ্জব চার তা ৷রিখে মক্কায়
পৌছহুলন, তার৷ হহুজ্জর ইহরাম বেহুধ ছিলেন, তার সাথে অন্য কিছু (উমরা) মিশ্রিত ছিলনা ৷
আমরা পৌছে তাওরাফ স ঈ শেষ করলে রাসুলুল্পা হ্ (সা) এর হুকুহুম আমরা সেটিকে উমরা
পরিণত করলাম ৷ তিনি আমাদের ত্রী গমহুনরও অনুমতি দিলেন ৷ একথা টি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ল

আত্বা (র) বহুলন, জা ৷বির (বা) বললেন, ফলে আম৷ দের কেউ কেউ মিন৷ অভিমুখে যেতে
লাগহুলা, অথচ তখন তারা সলমও করছিল ৷ এ ক্ষেত্রে জা ৷বির (বা) তার হাহুতর ইংগিহুত বিষয়টি
ব্যক্ত করছিলেন ৷ এ আলোচনা নবী করীম (সা) এর কাছে পৌছহুল তিনি বললেন–

আমার কাছে ণ্ খবর পৌহুছহুছ যে, একদল লোক এমন কথা বলছে ৷ আল্লাহর কলম! আমি
আল্লাহর তহুয়তাদেরচেয়ে অধিক ভীত (মুত্তার্কী) এবং তাদের হুচহুয় অধিক পুণ্য প্রত্যাশী আর
আমি আমার ব্যাপারে পরে যা বুঝেছি তা যদি আহুগ্ বুঝতামতহুব আমি হাদী নিয়ে আসতাম
না ৷ আর যদি শ্ আমারন্ণ্ন্সাথেট্ট হাদী নান্দ্বথাকতশ্নতহুব আমিওপ্ইঅ্যাশ্যই হালালহহুয় হুয়তাম ৷ তখন
সুরড়াক৷ ইবন জুওম (রা) দাড়িয়ে বললেন, ইয়া রাসুলুল্পা হ ’ এ ব্যবস্থা শুধু আমাদের জন্য নাকি
সরকাহুলর জন্য ষ্ জবাবে তিনি বললেন, বরং সর্বকালের জন্য

ইমাম মুসলিম (র) বলেন, কুতায়ব৷ (র)জ জাবির (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন,
আমরা ইফরাদন্ হহুজ্জ্বর ইহরাম করে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে এগিয়ে চললাম আ ৷ইশা (রা)
রওরনো হলেন,: উ;মরার ণ্ইহন্নাম করে: ৷ আমরা; সাবিফ’ন্এ উপনীত হলে তার রজঃস্রাব দেখা
দিল;৷ আমরা মক্কায়: পৌছে হুগহুলকাৰুব৷ এবং সাফাশ্মারওয়া প্রদক্ষিণ ন্ করলাম ৷ রাসুলুল্লাহ্
(না) আমাদের মাঝে যারমার সাহুথ হাদী ছিল না তাদের হলােল হয়ে যাওয়ার নির্দেশ
দিলেন ৷ ন্ জাবির ন্ বহুলন, আমরা বললাম কি ধরনের হালাল হওয়া? তিনি বললেন, পুর্ণাৎগ
হালাল ৷ তখন :আমর৷ শ্রী করলাম , ৷ সুগন্ধিৰু ব্যবহার করলাম“ এবং (ইহরাম কালে
নিষিদ্ধ) পােশাক৷ ৷দি পরিধান করলাম ৷ অথচ তখন আমাদের এবৎঅ আরাফ৷ দিবসের মাঝে চার
রাহুতর অবিক ব্যবধান ছিল না ৷ এ হাদীসদহুয়র স্পষ্ট ভাষ্য হল নবী করীম (সা) বিদায়
হহুজ্জ্বর, সময় জিলহজ্জ মাসের চার ত৷ ৷বিখ সকা লে মক্কায় উপনীত হয়েছিলেন এবং তা ছিল
হুরাববার সুর্য পুর্ব দিগস্তে উচু হওয়ার পরে চাশ্াত এর সময় ৷ ৫কন না, ৷বুখারী, মুসলিম সহীহ্
গ্রঢুন্থদ্বহুয় উদ্ধৃত উমার ইবনৃল থাত্তাব (রা)-এর হাদীহুলর ভাষ্য মহুত যা পরে আসবে, আরাফা
দিবস (নয় তারিখ) হ্নিব্ ওক্রার এবং এ বিষয়টি সর্ব সম্মত ৷ সুতরাং সে বছরের জিলহহুজ্জর
মাস পহেলা ছিল নিশ্চিতরুহুপ বৃহস্পতিবার (অতএব হিসাব মহুত চার ত ৷ ৷বিথ হহুর রবিবার) ৷

, সুতরাং মাহুসরঢ়ার তারিখ রবিবার নবী কয়ীম (সা) আগমন প্ বল্মার পরের ৷য়ভুল্লা হ্র তাওয়াফ
ও:সাফামারওয়ায় সাঈ:দিহুয় :সুচন৷ বললেন, যেমনটি পুর্বে বহুল এসেছি ৷ মারওয়ায় তার তাওয়াফ

(সাঈ) সম্পন্ন হলে তিনি হ দী সাথে না নিয়ে অস ণ্লাকাদ্র হাল লাল হওয়ার অলৎঘ ঘনীয় নির্দেশ
দিলেন ৷ ফলে ঐ নির্দেশ পালন করা তাদের জন্যঅ আবশ্া৷কীয় সাব্যস্ত হল৷ ৷তাই, ত ৷রা তাই
করলেন ৷ তবে নবী করীম (সা) হাদী সাথে নিয়ে আমার লোঃতি তে তার হালাল না হওয়ার

কা ণে তাদের কেউ কেউ অঙ্ক ক্ষেপ করছিলেন ৷ কেননা, ত ৷র৷ সব কিছুতে নবী করীম (সা) এর
অযুগমন অনুসরনে উদ্গীব ছিলেন ৷ নবী করীম (না) তা ৷দের এ মর্যবেদনা প্রত্যক্ষ করে তাদেরকে
লক্ষ্য কার বললেন, আমার যে ব্যাপার আ ৷মি পরে বৃঝেছি তা যদি আগে বুঝগ্লুম তবে অঙ্ক
নিয়ে আসতাম না এবং এটিকে অবশ্যই উমরা ৷য় পরিণত করতাম ৷ অর্থাং অঙ্ক মিমদি জানতাম যে,
এ ব্যাপারটি তোমাদের জন্য মনঃকষ্টের কারণ হয়ে তবে অবশ্যই আমি হাদীনিঘ্নে আসাণ্ বর্জন
কয়তাম এবং তোমাদের মত হালাল হয়ে যেতাম ৷ এ ব্যাখ্যা অনুসারে তামাত্তু সর্বোক্তাহ্ওয়ায়
প্রমাণ উজ্জ্বল হয়ে উঠে ৷ “ যা এ হাদীন্সেরংভিত্তিতেট্মাম্ আহস্মদ গ্রহণ করেছেন৷ তিনি বলেছেন,
নবী করীম (সা) যে কিরাংন হজ্জ পালনকারী ছিলেন তাতে আমার বিন্দু মাত্র সন্দেহ নেই ৷ তার
(এহুতও সন্দেহ নেই যে) তামাভুই সর্বোত্তম ৷ কেননা, নবী কবীম (সা)তামাক্কুয় জন্যআফসােস
করেছিলেন ৷ তবে (আমাদের পক্ষে) এর জবাব হল নবী করীম (সা) হাদী সাথে না নিয়ে আসা
লোকদের জন্য কিরানের তুলনায় তামাত্ত্ব শ্রেষ্ঠ হওয়ারকারণে আফহুসাস করেন নি৷ বরং তিনি
আহ্মেপ করেছিলেন নিজে ইহরাম অবস্থায় অব্যাহত থেকে তার সংগীদেরহালাল হয়ে যাওয়ার
আদেশ দেয়ার ফলে উাদের মনকােষ্টর কারণে ৷ এবং এ কারণেই গভীর নিরীক্ষ্যণ এ ততু
অনুধাবন কার ইমাম আহম্মদ (র) তার দ্বিতীয় উজািত অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, যার হাদী না
নিয়ে যাবে তাদের জন্য তামাত্ত্ব উত্তম ৷ যেহেতু নবী করীম (সা) তার সাহাবীকুহুলর মাহুঝ হাদী না
নিয়ে আসা দোকাদর ঐ মর্মে হুকুম দিয়েছিলেন ৷ পক্ষাম্ভরে বাক হাদী নিয়ে যাবেন তাদের জন্য
কিংানই উত্তম ৷ যেমন, মহান মহীয়ান আল্লাহ বিদায় হজ্জ তার প্রিয়নবীয় জন্য পসন্দ করেছিলেন
এবং যুল-হ্না৷য়কায় তাহুক সে মতে আদেশ দিয়েছিলেন যা পুর্বেই অ ৷হুল৷ ৷চিত হয়েহুছ ৷
আল্লাহ্ই সমধিক অবগত ৷ ণ্
অনুচ্ছেদ সাঈ

সাফা মারওয়ায় সাঈ সমাপ্তি ও হাদীবিহীন লোকদের হ্জৌ ইহরা ৷ম মোঃ যেল্পা র নির্দেশ

দেয়ায় পরে নবী কবীম্ (না) তার সহযাত্রীদের নিহুয় এগিয়ে চললেন এবং মক্কা নগ ৷রীর পুব প্রা ন্তেৱ

আব্তাহ্-এ অবস্থান নিলেন ৷ সেখানে রােববা হুরর অবগ্রিষ্টি সময় সোমবার, মঙ্গলবা র ও বুধবার
অবস্থ ন করে বৃহস্পতিবার সকলে ফজহুরর সালাত আদায় করলেন ৷ এ দিনওলি হুত তিনি সেখ৷ ৷য়ে
তার সহযাত্রী সাহাৰীগ্যাকে নিয়ে জ ৷ম৷ আহুত সালার্ত আর যে করলেন এবং এ সব দিহুনব কো নও
সময় তিনি (তাওয়ার্ফ ইত্যাদির উদ্দেশ্যে) কা রায় ফিরে য়াননি ৷ এ প্রসংগে ইমাম বুখ৷ ৷বী (র) বলেন,

অনুচ্ছেদং : প্রথম বারের তাওয়াফের পহুর মারা অ ৷রাফায় গিয়ে ফিরে না আস৷ পর্যন্ত
পুনরায় বা আর সান্নিধ্য গমন ও তাওয়াফ করেন না তাদের প্রসৎগ ৷

ঘৃহাম্মদ ইবন আবু বকর আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রা) থেকে ; বর্ণনা ৰু করেন তিনি, বলেন,
নবী, করীম (সা) মক্কায় আগমন করে সাতৃবার তাওয়াফ করলেন ও সাফা-মারওয়ায় সাঈ

১ আবতাহ ,বাতহ৷ কংকরময় ভুমি ৷ অনুবাদকণ্

করলেন এবং আবার সে তাওয়াফের পরে আরাফা হতে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত কারার
কাছে আর পেলেন না ৷ এটি বুখায়ী (র)-এর একক বর্ণনা ৷

অনুচ্ছেদ ! আবতাহে অবস্থান ও আলী (না)-র আগমন প্ৰসৎগ

এ সময় মক্কার বইিরে রাতহার কং করময় ভুমিতে নবী করীম (সা) এর অবস্থান কালে
ইয়ামান হতে হযরত আলী (রা) আগমন করলেন ৷ নবী কয়ীম (সা) খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ
(না)-এর স্থানে তাকে আমীর নিয়োগ করে ইয়ামানে পাঠিয়েছিলেন (যেমন, আমরা পুর্বে বলে
এসেছি) ! তিনি এসে দেখলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এব সহধর্মিনীগণ এবং হাদীৰিহীন হজ্জ
যড়াত্রীদের মত তার শ্রী ও রাসুল তনয়! ফাতিমা (রা) ও হাসান হয়ে গিয়েছেন এবং সুরমা
ব্যবহার ও রংগীন কাপড় পরে সাজ লজ্জা করেছেন ৷ আলী (রা) বললেন, তোমাকে এসব কে
করতে বলেছে? ফাতিমা (রা) বললেন, আমার আব্বাজান ৷ আলী (রা) তখন শ্রীর প্ৰতি ক্রোধে
উত্তেজিত হয়ে রাসুলুল্লাহ (সা)-এর কাছে গিয়ে তাকে অবহিত করলেন যে, ইয়া রাসুলুল্লাহ্
ফাতিমা হালড়াল হয়ে গিয়েছেন, রংগীন কাপড় পরেছেন, সুরমা লাগিয়েছেন এবং বলেছেন যে,
আপনিই নাকি তাকে এসব করতে বলেছেন ৷ জবাবে নবী করীম (সা) বললেন,
সে সত্য বলেছে! সে সত্য বলেছে! সে সত্য বলেছে! তারপর রাসুলুল্পাহ্
(সা) বললেন, হজ্যে বিরত করার সময় তুমি কী বলে ইহরাম বেধেছিলে ? আলী (রা)
বললেন নবী করীম (না)-এর ইহরামের ন্যায় ইহরামের নিয়ত করেছি ৷ নবী করীম (সা)
বললেন, তবে আমার সাথে তো হাদী রয়েছে, সুতরাং তৃমিও হালাল হবে না ৷ তখন ইয়ামান
হতে আলী (রা)-রনিয়ে আসা হাদী এবং মদীনা হতে ও পরে খরিদ করে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর
নিয়ে আসা হাদীর সমষ্টি ছিল একমত উট ৷ তড়ারা উভয়ের এসব হাদীতে পরস্পরে শরীক
হলেন ৷ সহীহ্ মুসলিমের বরাতে এ সব বিবরণ আগেই উল্লেখিত হয়েছে ৷ এ বিবরণ হাফিজ
আবুল কাসিম আত তাবারানী (র)-র বর্ণনাকে প্ৰভ্যাখান করে যা তিনি ইকরিমা ইবন আব্বাস
(রা) সুত্রে উল্লেখ্য করেছেন, এ মর্মে যে, আলী (রা) জুহফায় নবী করীম (সা) এর সাথে
মিলিত হয়েছিলেন ৷ আল্লাহই সমধিক অবগত ৷

আবু মুসা (রা) ছিলেন আলী (রা)-এর সহযাত্রীদের অন্যতম ৷ কিন্তু তিনি হাদী নিয়ে
আসেন নি ৷ তাই তিনি উমরায় জন্য তাওরাক ও সাঈ করার পরে নবী করীম (সা) তাকে
হলোল হয়ে যেতে বললেন, তিনি হজ্জ (এর ইহরাম) বাতিল করে তা উমরায় পরিণত করে
তামাত্তু আদায়কারী হলেন ৷ তাই, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা)-এর খিলফোতকালে তিনি এরুপ
করার ফাতওয়া দিতে লাগলেন ৷ তবে উমর (রা) উমর) হতে হজ্জাক পৃথক করার অভিমত
গ্রহণ করলে আমীরুল যুমিন উমর (রা) এর প্ৰতিপত্তির স্বীকৃতি দিয়ে এবং তাকে সন্তুষ্ট করার
মানসে তিনি এ ফাতওয়া প্রদান থেকে রিবত রইলেন ৷

ইমাম আহমদ (র) বলেন, আবদুর রাঘৃযাক (র) আবু জুহায়ফা (রা) সুত্রে বষ্নাি করেন,
তিনি বলেন, আমি বিলাল (রা) কে নবী করীম (সা) এর রাতহায় অবস্থানকালে আমান দিতে
দেখেছি ৷ তিনি তখন ঘুরে ঘুরে এদিকে ওদিকে সুখ করছিলেন এবং তার দৃআংওলছিলর্তার
দু কানে ৷ (বর্ণনা কারী বলেন,) রাসুলুল্লাহ (সা) তার একটি লাল বর্ণের, আমার যতদুর মনে
পড়ে চামড়ার তৈরী র্তাবুতে অবস্থান করছিলেন ৷ রাবী বলেন, ৰিলাল (রা) একটি ণ্কটি বর্শা

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.