Register Now

Login

Lost Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

অনুচ্ছেদ : মিনা অভিমুখে যাত্রা ও নবী করীম (সা)- এর ভাষন ও ইহরাম তালবিয়া প্রসৎগ

অনুচ্ছেদ : মিনা অভিমুখে যাত্রা ও নবী করীম (সা)- এর ভাষন ও ইহরাম তালবিয়া প্রসৎগ

হয় ৷ নবী করীম (সা) এ দিনের আগের দিন খুতব৷ দিয়েছিলেন বলে বর্ণিত আছে ৷ পুর্ববর্তী
দিনটি যেমন কোন কোন তালীক রিওয়ায়াত আছে ইয়াওমুবৃ-যীনা সাজ-সজ্জা দিবস নামে
অভিহিত ৷ কেননা, ঐ দিন গদী-জীন, মালা ইত্যাদি পরিয়ে উট সাজানো হয়ে থাকে ৷
আল্পাহই সমধিক অবগত ৷

হাফিজ বায়হাকী বলেন, আবু আবদুল্লাহ আল হাফিজ (র) (নাকি) ইবন উমর (রা) সুত্রে
বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, তালৰিয়৷ দিবসে নবী রুয়ী-ম (সা) ভাবর্ণ দিলেতাতে তিনি ৷লাকাদর
হাজ্জর রীতি নীতি বিষয়ে অভিহিত করলেন ৷ দুপুরের আগে মতাম্ভরে দুপুাবব পরে নবী কবীম
(সা) মিনার উদ্দেশ্যে সওরাবীতে আরোহণ করলেন ৷ আর যারা হালাল হয়ে গিয়েছিলেন তারাও
মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করলেন এবং তাদের বাহন গন্তব্যভিযুখে চলার জন্য উদ্যত হলে
আবতাহে তারা হাজ্জর ইহবাম বাধলেন ৷ আবদুল মালিক (র) আতা সুত্রে জাৰির ইবন
আবদুল্লাহ্ (বা) হতে উদ্ধৃত করে বলেছেন ৷ আমরা বাসুলুল্লাহু (সা)এব সাথে আগমন করলাম
এবং (উমরা পালন করে) হালাল হয়ে গেলাম ৷ যি লহাজ্জর আট তারিখ হয়ে আমরা মক্কা পিছনে
রেখে হাজ্জয় তালৰিয়৷ উচ্চারণ করলাম ৷ বুখাবী (র) সুনিশ্চিত তা লীকরুপে এ বর্ণনা উল্লেখ
করেছেন ৷ মুসলিম (র) বলেহ্নে৷ ৷ মুহাম্মদ ইবন হাতিম (ব) জাৰির (রা) থেকে বর্ণনা করেন ৷
তিনি বলেন, আমরা হালাল হয়ে গেলে নবী করীম (সা) আমাদের হুকুম দিলেন যেন, আমরা
মিনা অভিমুখে রওয়ান৷ হওয়ার সময় হাজ্জা ইহবাম বেধে নেই ৷ জাৰিয় বলেন, আমরা
আবতাহে ইহবাম ব্া৷ধ্লাম্ ৷ উবায়দ ইবন জুরায়জ; (র) ইবন উমর (রা)-াক বললেন, আপনাকে
লক্ষ্য করলাম, আপনি মক্কায় অবস্থান কালে ৷লাকর৷ (যিলহাজ্জর) চাদ দেখা“ মাত্রই ইহবাম
বীধে কিন্তু আপনি আট তারিখ পর্যন্ত ইহবাম না বেধেই থাকেন ৷ তিনি বললেন, নবী কবীম
(সা)-াক নিয়ে তীর বাহন উঠে না র্দাড়ানাে পর্যন্ত র্তা৷ক আমি তালবিয়৷ উচ্চারণ করতে শুনি নি
(এক দীর্ঘ হাদীসের আওতায় বুখাবী (র) হাদীসে রিওয়ায়াত করেছেন) ৷ বুখাবী (র) আরো
বলেন, আতা (ব)-াক মিনা অতিক্রম কাবীর হাজ্জা তালৰিয়াপাঠ সম্পর্কে ত্তিজােস৷ করা হল ৷
তিনি বললেন, ইবন উমর (রা) আট তারিখে যুহর সালাত আদায়ের পর তার বাহান স্থির হলে
তালৰিয়৷ উচ্চারণ করতেন ৷ আমার (গ্রন্থকার ) মতে, ইবন উমর (রা) প্রথমে উমরা
পালনকাবীরুাপ হাজ্জ আগমন করলে এরুপই করতেন ৷ উমরা হতে হালাল হয়ে য়োতন এবং
আট তারিখ আগত হলে মিনা অভিমুখে রওয়ানাকালে তার বাহন তাকে নিয়ে চলতে উদ্যত না
হওয়া পর্যন্ত তালৰিয়৷ উচ্চারণ করতেন না ৷ যেভাবে রাসুলুল্লাহ্ (সা) ঘুলহুলায়ফায় যুহর সালাত
আদায়ের পরে তার বাহন তাকে নিয়ে চলতে উদ্যত না হলে ইহবাম তালবিয়৷ আদায় করতেন
না ৷ তবে নবী কবীম (সা) আট তারিখ আবতাহে যুহর সালাত আদায় করেন নি ৷ তিনি তাে তা
আদায় করেছিলেন মিনার পৌছে এবং এ বিষয়টিতে কোন মতপার্থক৷ নেই ৷

বুখাবীব অনুচ্ছেদ : শিরোনাম, তাসবিয়৷ দিবসে যুহব সালাত কোথায় আদায় কঃা৷ হবে ?

আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ (র) আবদুল আযীম ইবন রুফায় (র) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি
বলেন, আমি আসলে ইবন মালিক (বা)াক বললায, আপনি রাসুলুল্লাহ্ (না) হতে যা আয়তু

১ বুখায়ীৱ অনুচ্ছেদ শিরোনামে উদ্ধৃত সনদ বিহীন রিওয়ায়াত ৷-অনুবাদক ৷

করে রেখেছেন তা হতে আমাকে অবহিত করুন যে, আট তারিখের যুহর, আসর, কোথায়
আদায় করা হবো তিনি বললেন, মিনার ৷ আমি বললাম, তা হলে প্রত্যাবর্তন দিবস (বারতেব
তারিখে) আসর, সালাত কোথায় আদায় করেছিলেন ? তিনি বললেন, আবতাহে ৷ তারপর
(আনাস রা) বললেন, তোমার শাসকগণ যেমন করে, তুমিও তেমন করবে ৷ ইবন মাজা (র)
ব্যতীত সিহাহ্ সিত্তার সংকলকপণ এ হাদীস ইসহাক ইবন ইউসুফ আল আযরাক (র),
সুফিয়ান ছওবী থেকে (পুর্বোক্ত সনদে) বিভিন্ন সনদে উদ্ধৃত করেছেন বিধায় আহমদও অনুরুপ
বর্ণনা করেছেন ৷ তিরমিয়ী (র) মন্তব্য করেছেন ৷ তবে হাসান সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন ৷
তারপর বুখাবী (র) আলী (রা) আবদুল আবীর ইবন রুফায় (র) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি
বলেছেন ৷ আমি আনাস (রা)এর সংগে সাক্ষাত করলাম, ইসমাঈল ইবন আবাস (র)
আবদুল আবীর (র) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, আমি তালবিয়া দিবসে মিনার উদ্দেশ্যে
রওয়ানা হলাম তখন পাধায় চড়ে মমনরত অবস্থায় আনাস (রা)-এর সাথে আমার সাক্ষাত
হল ৷ আমি বললাম, এ দিনে নবী কবীম (সা) যুহর সালাত কোথায় আদায় করেছিলেন ? তিনি
বললেন, লক্ষ্য রাখৰে তোমার আমীররা যেখানে সালাত আদায় করবেন ত্নমিও সেখানে আদায়
করবে ৷

আহমদ (র) বলেছেন, আসওয়াদ ইবন আমির (র) ইবন আব্বাস (রা) সুত্রে এ মর্মে
বর্ণনা করেন যে, রাসৃলুল্পাহ্ (সা) মিনার পাচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করেছেন ৷ আহমদ (র)
আরো বলেন, আসওয়াদ ইবন আমির (র) ইবন আব্বাস (রা) সুত্রে এ মর্মে বর্ণনা করেন
যে, নবী বত্রীম (সা) তালৰিয়া দিবসে যুহর সালাত মিনার আদায় করেছেন এবং আরফো
দিবসের (নয় তারিখ) চ্যেরর সালাতও তথার আদায় করেছেন ৷ আবু দাউদ (র) এ
হড়াদীছ রিওয়ায়াত করেছেন যুহায়র ইবন হারব (র)(আমাশ সুত্রে ঐ সনদে) ৷ তবে র্তার
ভাষ্য হল যুহর সালাত আরাফা দিবসে মিনার ৷ তিরমিয়ী (র) এ হাদীস আহরণ করেছেন
আল আশাজ (র) (আমান) হতে, অনুরুপ অর্থ সম্পন্ন হাদীস ৷ তিনি মন্তব্য করেছেন যে,
তারা (র) যে সব হাদীস মিকসাম (র) হতে হাকাম (র)-এর শ্রুত বলে পরিগণিত করেছেন
এ হাদীসটি তার অন্তর্ভুক্ত নয় ৷ তিরমিয়ী (র) আরো বলেন, আবু সাঈদ আল আশাজ (র)
ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (না) আমাদের নিয়ে মিনার
যুহর, আসর, মড়াপরিব, ইশা ও (পরের দিন) মজর সালাত আদায় করলেন ৷ তারপর ভোর
বেলা আরাফাত অভিমুখে রওয়ানা হলেন ৷ তারপর তিরমিয়ী (র) বলেছেন (এ হাদীসের
মধ্যবর্তী) রাবী ইসমাঈল ইবন মুসলিম একজন বিতবিতি ব্যক্তি ৷ তবে এ প্রসংগে
আবদুল্লাহ ইবনুয যুবারর ও আনাস ইবন মালিক (রা) হতেও রিন্তয়ায়াত রয়েছে ৷ ইমাম
আহমদ (র) বলেছেন,১ নবী করীম (না)-কে দেখেছেন এমন ব্যক্তি হতে এ মর্মে যে, নবী
বল্লীম (সা) তারবিয়া দিবসের অপরাহ্নে মিনার গমন করলেন, তার পাশে ছিলেন বিলাল
(বা) একটি কাঠের মাথায় একটি কাপড় নিয়ে যা দিয়ে তিনি রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে ছায়া

১ মুল পাণ্ডুলিপিতে এ স্থানটি সাদা রয়েছে ৷

Leave a reply