রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আবূ দাউদ (র) এর অনুচ্ছেদ শিরােনাম

আবূ দাউদ (র) এর অনুচ্ছেদ শিরােনাম

মিনার খুতবা প্রদানের দিন ও খুতবার বিষয়বস্তু ও আনুষৎগিক প্রসংপ এবং অইিয়ামে তাশরীক
এর দ্বিতীয় দিন অ্যাং মধ্যবর্তী শ্রেষ্ঠ দিনে খুগ্রা প্রদান নির্দেশক হাদীসের আলােনাে

আবুদাউদ (র)-এর অনুচ্ছেদ শিরোনাম : খুতবা প্রদানের দিন কোনটি ? মুহাম্মদ ইবনুল
আলা (র) ইবন আবু নাজী (র)-বনু বাক্র-এর দুজন লোক হতে, র্তারা বলেন, রাসুলুল্লাহ্
(না)-কে আমরা ভাষণ দিতে দেখেছি আইয়ামে তাশরীকের মাঝামাঝিতে, আমরা তখন তার
বাহনের কাছে ছিলাম ৷ এটিই তার যে (ঐতিহাসিক) ভাষণ যা তিনি মিনায় প্রদান
করেছিলেন ৷ এ রিওয়ায়াত একাকী আবু দাউদ (র)-এর আবু দাউদ (র)-এর ৷ পরবর্তী
মুহাম্মদ ইবন বাশৃশার (র)সারবা বিনত নাবৃহাম (রা)-যিনি জাহিলী যুগে একটি প্রতিমা
মন্দিরের অধিকারিনী ছিলেন ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্পাহ্ (সা) ইয়াওমুর রুউস (কুরবানীর পশুর
মাথা খাওয়ার দিন-এপার তারিখ)-এ আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন ৷ তিনি বললেন, এটি
কোন দিন ? আমরা বললাম, আল্লাহ্ এবং তার রাসুল (সা) ভাল জানেন ৷ তিনি বললেন,
“এটি আইয়ামে তাশরীক (গোশৃত শুকানাের দিনসমুহ)-এর মধ্যবর্তী
শ্রেষ্ঠ দিন নয় কি ? আবু দাউদ (র)-এর একক রিওয়ায়াত ৷ তিনি আরো বলেছেন, আবু হাবৃবা
আবৃ-রুকাশী (র)এর চাচা-ও অনুরুপ বলেছেন যে, নবী করীম (সা) আইয়্যাম-ই-তাশরীকের
মধ্যবর্তী দিনে থুতবা দিয়েছিলেন ৷

ইমাম আহ্মদ (র) এ হাদীসটি সনদযুক্ত করে বিশদ আকারে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তিনি
বলেছেন, উছমান (র)আবু হাবৃবা আবৃ-রুকাশী (র) তার চাচা থেকে, তিনি বলেন,
আইয়্যামে তাশরীকের মধ্যবর্তী দিলে আমি রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর উঃষ্টীর লাপাম ধরে রেখেছিলাম
এবং আমি তার নিকট হতে লোকদের সরিয়ে রাখছিলাম ৷ তিনি (সা) তখন বললেন—

“তোমরা জান কি, তোমরা কোন মানে, ণ্কান দিনে এবং কোন নগরীতে অবস্থান করছ ?
তীরা বললেন, (আমরা অবস্থান করছি) একটি পবিত্র দিনে, একটি পবিত্র মাসে এবং একটি
পবিত্র নগরীতে ৷ তিনি (সা) বললেন, সুতরাং তোমাদের জান, মাল, ইজ্জত পবিত্র, যেমন পবিত্র
তোমাদের এ দিনটি তোমাদের এ মাসে, তোমাদের এ নগরে ; তার (আল্লাহ্র) সাথে তোমাদের
সক্ষোত করা পর্যন্ত (এ বিদান প্রযোজ্য) ৷ তারপর বললেন,

আমার কথা গোন! (যতদিন বেচে থাকবে) যুলুম করবে না শ্যেন যুলুম করবে না ! গােন
যুলুম করবে না ! কোন মুসলমানের মাল তার সন্তুষ্টি ব্যতিরেকে হালড়াল হয় না ৷ শুনে (রখো
খুনেব প্রতিটি দাবী সম্পদও (আবব) জ্যহিলী যুগের রাবি পদ্ধতি কিয়ামত পর্যন্তকালের জন্য
আমার এ পদ তলে দলিত (রহিত) ৷ প্রথম যে খুনের দাবী রহিত ঘোষণা করা হচ্ছে তা
(ইবন) রাবীআ ইবনৃল হারিছ ইবন আবদুল মুত্তালিরের থুনের দাবী, যে বনু সা দ গোত্রে দুধ
পান করছিল ৷ তখন হুযায়লীরা তাকে খুন করেছিল ৷ শুনে রেখো; জাহিলিয়ড়াতের সব সুদ
রহিত ৷ আল্লাহ্ হুকুম দিয়েছেন যে, প্রথম সুদ রহিত করা হল আব্বাস ইবন আবদুল
যুত্তালিরের সুদ ৷ তোমাদের মুলধনে তোমাদের অধিকার অব্যাহত থাকবে ৷ তোমরা যুলুম
করবে না ৷ যুলুমের শিকারও হবে না ৷

শুনে রেখো সময় ও কাল আবর্তিত হয়ে সে দিনের অবস্থায় পৌছেছে যে দিন আল্লাহ্
আসমান সমুহ এবং যঘীন সৃষ্টি করেছিলেন ৷ তারপর তিলাওয়ায়াত করলেন অর্থাৎ)
“আকাশসমুহ এবং পৃথিবীর সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর বিধানে আল্লাহর নিকট মান গণনায়
মাস বারটি, যার মধ্যে চারটি পবিত্র (সংঘাত নিষিদ্ধ) মাস, এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং
এগুলির মধ্যে তোমরা নিজদের প্রতি যুলুম করবে না (৯ : ৩৬) ৷ (তারপর বললেন) শোনা
আমার পরে কড়াফির দলে প্রত্যাবর্তন করো না যে, তোমরা পরস্পরােক হত্যা করতে শুরু
করবে ৷ শোনা ঘুসল্লীগণ শায়তানের পুজা করবে এ ব্যাপারে সে নিরাশ হয়েছে ৷ তবে কিনা
তোমাদের পরস্পরে উস্কানী ও সংঘাত সৃষ্টিতে (সে লেগে থাকবে ) নারীদের ব্যাপারে
আল্লাহকে ভয় করে চলবে ৷

কেননা, তারা তো তোমাদের হাতে অসহায়, নীিজদের জন্য যারা কোন ৰিযেশ কিছুর
অধিকার সংরক্ষণ করে না ৷ তোমাদের কাছে তাদের অবশ্যই কিছু অধিকার রয়েছে ৷ (যেমন)
তাদের কাছে তোমাদের অধিকার রয়েছে যে, তোমাদের ব্যতীত অন্য কাউকে তোমাদের
ৰিছানড়া মাড়াতে দেবে না ৷ তোমাদের ঘরে এমন কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেবে না ৷ যাকে
তোমরা অপসন্দ কর ৷

তবে যদি তাদের অবথ্যেতার আশংকা কর, তবে তাদের উপদেশ দেবে ৷ ৰিছানড়ায় তাদের
পরিত্যাগ করবে এবং (প্রয়োজনে) তাদের প্রহার করবে, যখন সৃষ্টিকারী প্রহার নয় ৷ আর

তাদের অধিকার হল সংপত পরিমাণে তাদের থােরপােষ ৷ তোমরা তাদেরকে গ্রহণ করেছ
আল্লাহর আমানত’ সুত্রে এবং তাদের লজ্জাস্থান হালাল করেছ আল্লাহর কালিমার বদৌলতে ৷
শুনে রখো! যার কাছে কোন আমানত থাকবে যে তার আমানত দাতার কাছে প্রত্যার্পণ
করবে ৷ এরপর নবী কয়ীম (সা) তার হাত প্রসারিত করে বললেন, ওহে পৌছিয়ে দিলাম কী ?
শ্যেন! পৌছিয়ে দিলাম কী ? তারপর বললেন, উপন্থিতরা অনুপস্থিতদের পৌছিয়ে দিবে ৷
কেননা, এমনও হয় যে, অনেক অনুপস্থিত (পরোক্ষ) শ্রোতা অনেক প্রত্যক্ষ শ্রোতড়ার চাইতে
(শ্রুত বিষয়ের মমার্থ অনুধাবনে অধিকরতর) ভাগ্যবান হয় ৷ রাবী হুমায়দ (র) বলেন, বর্ণনায়
এ অংশ পৌছলে (শায়খ) হাসান (র) বললেন, নিশ্চয়, আল্লাহর কলম! র্তারা এমন অনেক
লোকের কাছে পৌছিয়ে দিয়েছেন যীরা ঐ বিষয়ে অধিক তাগ্যবান প্ৰতিপন্ন হয়েছেন ৷ আবু
দাউদ (র) তার সুনড়ান গ্রন্থের নিকাহ’ অধ্যায়ে মুসা ইবন ইসমাঈল (র) আবু হাররা অর
রুকাশী (হানীফা)এর চাচা হতে শ্রী অবাধ্যতড়া বিষয়ক অংশ বিশেষ রিওয়ড়ায়ড়াত করেছেন ৷

ইবন হাযম (র) বলেছেন, হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী করীম (সা) মাথা খাওয়া দিবসে
(ইয়াওমুর রুউস) ভাষণ দিয়েছেন ৷ মক্কাবাসীদের ঐকমত্যে দিনটি হল মাহর (কুরবানী)দিবস
হতে দ্বিতীয় দিন (অর্থাৎ এপার তারিখ) ৷ তবে কোন কোন বর্ণনায় দিনটিকে আইয়ামে
তাশৰীকের মধ্যবর্তী (ঐ ণ্গু) দিবস বলা হয়েছে ৷ সে ক্ষেত্রে ১ ,৷ (মধ্যম) শব্দটিকে (জন
ভাষায় ব্যবহৃত) শ্রেষ্ঠ অর্থে প্রয়োগ করা যেতে পারে ৷ যেমন আল্লাহ্ পাক ইরশাদ করেছেন
এভাবে অৰুমি তােমাদেরকে এক মধ্যপন্থী (উত্তম) জাতিরুপে
প্রতিষ্ঠিত করেছি (১) (২ : ১৪৩)

মন্তব্য : আল্লামা ইবন হাযম (র)-এর গৃহীত এ অভিমত বাস্তবতা বর্জিত ৷ আল্লাহই
সমধিক অবগত ৷

হাফিজ আবু বকর আল বাঘৃযার (র) বলেন, ওলাদ ইবন আমর ইবন মিসর্কীন (র)
আবদুল্লাহ ইবন উমর (বা) হতে তিনি বলেন, এ সুরাটি মিনড়ায় রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর উপরে
অবতীর্ণ দিনে হয়েছিল ৷ তখন তিনি বিদায় হভৈজ্জ্বর আইয়ামে তাশরীকের মধ্যবর্তী দিনে
অবস্থান করছিলেন ৷যেমন এসে গেল আল্লাহর সাহায্যে ও
বিজয় (১১০ : ১) ৷

তখন তিনি বুঝতে পারলেন যে, এ হচ্ছে বিদায়ের পুর্বাভাষ ৷ তিনি তখন তীর বাহন
কাসওয়ড়া প্রস্তুত করার নির্দেশ দিলে তাতে গদী লাগাংনা হলে ৷ তারপর তিনি আরোহণ করে
লোকদের উদ্দেশ্যে আকাবায় অবস্থান নিলেন ৷ তখন দলে দলে মুসলমানদের তার কাছে

সমবেত হলে আল্লাহর হামদ-ছানা পাঠের পরে তিনি বলেন, তারপর লোক সকল ৷ জাহিলী
যুগের সব থুনের দাবী বাতিল ৷

আর তোমাদের প্রথম যে খুনেব দাবী বাতিল করছি তা (ইবন) রাবীআ ইবনুল হারিছের
থুনের দাবী বনু লায়ছ গেড়াত্রে দুধ পান করতে থাকা কালে হুয়ড়ায়লীরা তাকে খুন করেছিল ৷
জাহিলী যুগের যে সব সুদ তা রহিত আর তোমাদের প্রথম যে সুদ রহিত করছি তা আব্বাস ইবন
আবদুল মুত্তালিবের সুদ ৷ লোক সকল ৷ সময় ঘুরে ফিরে এসেছে যে অবস্থায়, যেদিন আল্লাহ্

সৃষ্টি করেছিলেন আসমানসমুহ এবং যমীন ৷ আর মাসের গণনা ৷ আল্লাহর নিকট বার মাস; যার
মধ্যে চারটি মাস নিষিদ্ধ ও পবিত্র-

মৃযার গোত্রীয় রজব জুমাদাল মা ৷খির ও শাবানের মাঝে, যিলকাদ, যিলহজ্জ্ব ও মুহাররম ৷
এই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান সুতরাং এগুলির মধ্যে তোমরা নিজেদের প্ৰতি জুলুম করো না (৯০
৩৬) ৷ এই যে কোন মাসকে পিছিয়ে দেয়া তা তো কেবল কুফরী বাড়িয়ে দেয়া, যা দিয়ে
কাফিরদের বিভ্রান্ত করা হয় ৷ তারা তাকে কোন বছর বৈধ করে এবং কোন বছর অবৈধ করে,
যাতে তারা আল্পাহ্ যে গুলিকে নিষিদ্ধ করেছেন সেগুলির গণনা পুর্ণ করতে পারে (৯ : ৩৭) ৷

তারা এক বছর সফর মাসকে (যুদ্ধ কািহের জন্য) বৈধ ঘোষণা করত এবং মুহাররমকে অবৈধ
তালিকাভুক্ত রাখত ৷

আবার এক বছর ষুহাররম মাসকে বৈধ ঘোষণা করে সফর মাসকে অবৈধ ঘোষণা করত ৷
এটইি নাসী ৰিলম্বিত ও আগ পাছ করা নবী করীম (না) আরো বললেন-

লোক সকল; যার কাছে কোন গচ্ছিত বিষয় থাকবে ৷ সে যেন তা যে তার কাছে আমানত
ব্লেথ্যেছ তাকে প্রত্যার্পণ করে ৷ লোক সকল; আখেরী যামানা পর্যন্ত তোমাদের দেশে পুজা
পাওয়ার ব্যাপারে শায়তান নিরাশ হয়েছে ৷ তবে অনেক তুচ্ছ ও ক্ষুদ্র আমলে সে তুষ্টি লাভ
করবে ৷ তাই ক্ষুদ্র ও তুচ্ছ বিষয়গুলিতে তোমাদের দীনের ব্যাপারে তার সম্পর্কে সতর্ক
থাকবে ৷ লোক সকল ! নারীর৷ তোমাদের করতলগত; আল্লাহর আমানত সুত্রে তোমরা তাদের
গ্রহণ করেছ এবং আল্লাহর কালিমার বদৌলতে তোমরা তাদের লজ্জাস্থান হালাল করেছ ৷
তাদের উপরে তোমাদের অধিকার রয়েছে ৷ তাদেরও তোমাদের উপরে অধিকার রয়েছে ৷
তাদের উপরে তোমাদের অধিকারের অন্যতম হচ্ছে তোমাদের ব্যতীত কাউকে তোমাদের
বিছানা ম ৷ড়াতে না দেয়৷ এবং তোমাদের কোন সংগত আদেশে অবাধ্যতা না করা ৷ তারা
যদি এতটুকু পালন করে চলে তবে তাদের বিরুদ্ধে ণ্তামাদের আর কো ন ৷অতিযাে গের অবকাশ

নেই ৷ আর তাদের অধিকার হল সংগত পরিমাণ তাদের খােরস্বপাষ যদি তাদের প্রহার কর ৷
তবে যখন সৃষ্টি না করে তা করবে ৷ কোনও মানুষের জন্য তার অন্য ভাইরুয়র সম্পদ অতটুকুই
বৈধ্ গ্তটুকুত্বে তার মনের তুষ্টি থাকে ৷ লোক সকল ! আমি তোমাদের নিকট এমন বিষয় রেখে
যাচ্ছি যে, ণ্তামরা তা ধরে থাকলে পথ হারা হবে না (তা হল) আল্লাহর কিতাব, সুতরাং
তোমরা সে অনুযায়ী আমল করতে থাকবে ৷ (তিনি আরো বলেছেন) লোক সকল এটি কোন
দিন? লোকেরা বলল, পবিত্র দিন ৷ নবী কবীম (সা) বললেন, তবে এটি কোন নগর? তারা
বলল, পবিত্র নগর ৷ নবী কবীম (সা) বললেন, তবে এটি কোন মাস? তারা বলল, পবিত্র মাস ৷
নবী কবীম (সা) বললেন, সুতরাং আল্লাহ্ তোমাদের জীবন, সম্পদ ও ইজ্জতকে পবিত্র ও
নিষিদ্ধ করেছেন ৷ এ মাসে এ নগরে এ দিনটির পবিত্রতা ও নিষিদ্ধতার ন্যায় ৷ গােন তোমাদের
উপস্থিতরা তোমাদের অনুপস্থিতদের পৌছিয়ে দেবে ৷ ণ্র্ন্ত১ম্ষ্ হ্শ্ণ্ষ্ শ্ব,ষ্ ;দ্র১ম্-ষ্ ,-ও শ্ব আমার
পরে কোন নবী নেই এবং তোমাদের পরে আর কোন (নতুন) উম্মতও নেই ৷ তারপর নবী
কবীম (সা) তার দুহতে তুলে বললেন, ইয়া আল্পাহ্ সাক্ষী থাকুন ৷

মিনার অবস্থানের প্রতি রাতে রাসুলুল্পাহ্ (না)-এর রায়তুল্লাহ
যিয়ারত সম্পর্কিত হাদীসের আলোচনা

বুথারী (র) বলেন, আবু হাসৃসান (র) ইবন আব্বাস হতে উল্লিখিত হয়েছে যে, রাসুলুল্লাহ
(সা) মিনার দিন গুলিতে বায়তুল্লাহ্ যিয়ারত করতেন ৷ বুথাবী (র) বিষয়টিকে এভাবেই উল্লেখ
করেছেন ৷ দৃর্বলতা সুচক ভাবে সনদভাবে ৷ এ প্রসত্গে হাফিজ বায়হাকী (র) বলেছেন ৷
আবুল হাসান ইবন আবাদান (র)ইবন আর আরা (র) সুত্রে বলেন, যুআয ইবন হিশাম (র)
আমাদের কাছে একটি লিপি অর্পণ করলেন ৷ তিনি বললেন, আমি আমার পিতার কাছে
বিষয়টি শুনেছি ৷ তিনি তা পাঠ করেন নি ৷ তিনি বলেন, তাতে বলা হয়েছিল কতোদা (র)
আবু হাসৃসান ইবন আব্বাস (বা) হতে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্পাহ্ (সা) যতদিন
মিনার অবস্থান করেছিলেন তার প্ৰতি রাতে তিনি বড়ায়ভুল্লাহ্ যিয়ারাত করতেন ৷ বায়হাকী (র)
বলেন, এ হড়াদীসের ব্যাপারে কাউকে আমি আবু হাসৃসানের সমর্থন পাই নি ৷ বায়হাকী আরো
বলেন, আমি এ ছাওবী (র) তাউস ইবন আব্বাস (রা) সনদে রিওয়ড়ায়াত করেছেন যে,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) প্রতি রাতে ইফামা (বায়তৃল্লাহ্ গমন) করতেন অর্থাৎ মিনার অবস্থানের
রাতগুলিতে ৷ এ সনদটি অবশ্য মুরসাল ৷

মুহাসৃসার-এ অবতরণ-অবস্থান ও বিদায়ী তাওমাফ প্রসৎগ

যিলহজ্জ মাসের ষষ্ঠ দিনের নাম কারো কারো মতে ইয়াওযুয ষীনা সাজ-সজ্জা দিবস ৷
কেননা, এ দিন উটওলিকে জিন-গদী ইত্যাদি দিয়ে সাজানো হয় ৷ সপ্তম দিনকে বলা হয়
ইয়াওমুৎ তার বিয়া পানি আহরণ ও সঞ্চয় দিবস ৷ কেননা, এদিন হাজীগণ পর্যাপ্ত পানি সংগ্রহ
করে আরাফায় অবস্থান ও পরবর্তী দিনওলির প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি বহন করার ব্যবস্থা
করে থাকেন ৷ অষ্টম দিনকে বলা হয় মিনা দিবস ৷ কেননা, ঐ দিন তারা আবতাহ হতে মিনা
অভিমুখে প্রস্থান করে থাকেন ৷ নবম দিন হল আরাফা দিবস ৷ যেহেতু ঐ দিন তারা আরাফাতে

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.