রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আবূ রাফি’ ইয়াহূদীর হত্যাঘটনা র

আবূ রাফি’ ইয়াহূদীর হত্যাঘটনা	র

বদর যুদ্ধের দিন তারা ৰিশ্বস্ততা প্রদর্শন করেছে রাসুল (সা)এর সঙ্গে ৷ আর তাদের মাথার
উপরে ঝুলত্যি মৃত্যুর ছায়া আর উজ্জ্বব তরবারী ৷

রাসুল তাদেরকে আদেশ করেন আর তারা সাড়া দেন, সাতাৰুন্ত্র ডাকে, প্রতিটি ব্যাপারে তারা
সকলেই ছিলেন রাসুলের অনুগত এবং বাধ্য ৷

ভয়ে তারা ফিরে যায়নি, শেষ পর্যন্ত তারা নিজেদ্যে৷ দলে মিশে যায় আর নির্ধারিত আয়ুকে
কেবল মৃভ্যুই কর্তন করতে পারে ৷

কারণ তারা নবীজির শাফাআতের আশা পোষণ করে, যখন নৰীরা ছাড়া আর (কান
সু’পারিশকারী থাকবেন না ৷

তাই হে আল্লাহ্র নেক বন্দোরা ! এটইি ছিল আমাদের পরীক্ষা আর আমরা সাড়া দেই আল্লাহ্
সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ৷ আমাদেরকে মেনে নিতে হবে আল্লাহ্র দ্বন্কুম, আর মৃত্যুতে! অবধারিত ৷

তোমার পাং;নই আমাদের প্রথম পদক্ষেপ , আর আমাদের পশ্চাতে রয়েছে আল্লাহ্র দীনের
তার আমাংদ্যা অ ননকারীরা ৷

আমরা জানি যে, রাজত্ব কর্তৃত্ব কেবলমাত্র আল্লাহ্র , আর আল্লাহ্র সিদ্ধম্ভে অবশ্যই কার্যকরী
হবে ৷ আবল্লোহ্ আবল্লোহ্

আবু রাফি ইয়াহ্রদীর হত্যার ঘটনা

ইবন ইসহাক (র বলেন : খন্দক যুদ্ধে এবং বনু কুরায়যার ঘটনার পর আবু রাফি“ সালাম
ইবন আবুল হুকায়ক ছিল রাসুল (না)-এর বিরুদ্ধে যারা সম্মিলিত বাহিনীকে একত্র করে তাদের
অন্যতম ৷ ণ্ডহুদ যুদ্ধের পুর্বে আওস গোত্রের ণ্লাবেল্পা কাব ইবন আশরাফকে হত্যা করে ৷ তখন
খাবৃরজে পেহ্বত্রের ণ্লাকেরন্ সালাম ইবন আবুল ছ৷ কে হত্যা
করতে পােরছি ৷ এরপর আমি এক এক করে সবগুলো দরজা খুলে কক্ষের সিড়ি পর্যন্ত পীছি, ৷
আমি সিড়িতে পা স্থাপন করি ৷ আমি ধারণা করলাম যে, আমি শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌছেছি ৷ র্চাদর্নী
রাতে সিড়ি থেকে পড়ে যাই এবং এর ফলে আমার পায়ের নলা ভেঙ্গে যায় ৷ আমি পাগড়ি দিয়ে
পা বেধে নেই ৷ আমি ইাটতে ছুাটতে সিড়িাত পৌছে সেখানে বসে পান্ষ্ট্র ; আমি মনে মনে বলি,
তার হত্যা সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়া পর্বত আমি এখান থেকে আজ রা£ত বের হবােন৷ ৷ ণ্ভারে
মােরণ ডাক দিলে মৃত্যু স বাদ দানকারী দেয়ালে আরোহণ করে ঘোষণা দেয় যে, আমি
হিজাযবাসীদের সাহায্যকারী আবু রাবি চ মারা যাওয়ার কথা ঘোষণা করাছ কথা শুনে আমি
আমার বন্ধুদের নিকট গিয়ে তাদেরকে বলি, রক্ষা পেয়েছি ৷ আল্লাহ্৩ ত৷ আলা আবু রাফি কে ধ্বংস
করেছেন ৷ আমি নবী (সা) এর নিকটগ্ গিয়ে তাকে গোটা ইতিবৃত্ত অবহিত করলে তিনি বা নন
তোমার পা বাড়াও ৷ আমি প৷ বড়ো লে৩ তিনি তাতে হাত বুলান ৷ এতে আমার মনে হলো যেন পারে
কোন কষ্টই ছিল না ৷

ইমাম বুখারী ৷ র) আহমদ ইবন উসমান ৷ আবু ইসহাক সুত্রে অনুরুপ হাদীহু বর্ণনা করেন ৷
এতে বলা হয়েছে :

ইমাম বুখারী (য়) বার৷ সুত্রে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্পাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসারাম একদল
লোকসহ আবদুল্লাহ ইবন উতবা এবং আবদুল্লাহ ইবন আভীককে আবু রাফি এর প্রতি প্রেরণ
করেন ৷ তীরা অগ্রসর হয়ে দুর্গ পর্যন্ত পৌছেন ৷ তখন আবদুল্লাহ ইবন আভীক তাদেরকে
বললেনঃ তোমরা এখানে অবস্থান কর , আমি গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবো ৷ তদনুষায়ী আমি
ভেতরে প্রবেশ করার ফন্দি আটি ৷ এ সময় তাদের একটা গাধ্৷ থাে য়া যায় ৷ তার৷ ম৷ লো নিয়ে
গাধার খোজে বের হয় ৷ আমার আশংকা হলো, তারা আমাকে চিনে ফেলতে পারে ৷ তাই আমি
মস্তক আবৃত করে বসে পড়ি, যেন আমি প্রাকৃতিক প্রয়োজন পুরণ করার জন্য বসেছি আর কি
তখন দারোয়ান বললোং যে ভেতরে প্রবেশ করতে চায়, প্রবেশ করুক ৷ দরজা বন্ধ করার
আগেই তাকে প্রবেশ করতে হবে ৷ তাই আমি ভেতরে প্রবেশ করে দুর্গের দরজার নিকটে গাধার

আস্তাবলে লুকিয়ে থাকি ৷ দুর্গের লোকেরা আবুরাফি’,এর নিকটে আহার করে এবং রাতের কিছু
সময় অবধি গল্পগুজর করে ৷ তারপর তারা নিজ নিজ গৃহে ফিরে যায় ৷ যখন কোলাহল থেমে
গেল এবং আমি কোন সাড়াপব্দ শুনতে পেলাম না তখন আমি বের হলাম ৷ তিনি বলেন, আমি
দারোয়ানকে কোথায় সে দুর্গের চাবি ব্লেখেছে তা লক্ষ্য করি ৷ আমি সেখান থেকে চাবি নিয়ে
দুর্গের দরজা খুনি ৷ আমি মনে মনে বলি ৷ কেউ আমাকে দেখে ফেললে আমি তৎক্ষণাৎ রেরিয়ে
পড়বাে ৷ এরপর গৃহের দরজার দিকে এগিয়ে বাইরে থেকে তা বন্ধ করে দেবো ৷ এরপর সিড়ি
যেয়ে উপরে উঠে আমি আবুরাফি এর কাছে পৌছি ৷ অন্ধকার গৃহ, বাতি নিবে গেছে ৷ লোকটি
কোথায়, তা আমি ঠাহর করতে পারছিলাম না ৷ আমি তার নাম ধরে ডাক দিলাম, হে আবুরাফি!
সে বলে, কে ৷ আমি আওয়াযের দিকে এগিয়ে যাই এবং তাকে আঘাত করি ৷ কিন্তু আঘাতে
কোন কাজ হলো না ৷ সে চিৎকার করে ৷ ব্যর্থ চিৎকার ৷ তারপর আমি তার শুভার্থী সেজে তার
কাছে যইি ৷ আমি বলি, আবুরাফি ৷ তোমার কী হয়েছে৷ আমি তখন আ ওযায় বদলে ফেলি ৷ সে
বলে, না, তোমার জন্য আমাকে অবাক হতে হয় ৷ তোমার নামের জন্য ধ্বং স ৷ এক ব্যক্তি আমার
গৃহে প্রবেশ করে তরৰারি দ্বারা আঘাত করেছে ৷ তিনি বলেন, পুনরায় আমি তার দিকে এগিয়ে
যাই ৷ পুনরায়৩ তার উপর আঘাত হানি ৷ কিংফু এবারও আঘাতে কোন কাজ হলো না সে চিৎকার
জুড়ে দেয় এবং তার পরিবারের লোকজন জেগে উঠে ৷ তারপর আমি কণ্ঠস্বর পরিরজ্ঞা করে
শুভাথীর মতো এগিয়ে যইি ৷ দােখ, সে চিৎ হয়ে শুয়ে আছে ৷ আমি তার পেটের উপর অস্ত্র স্থাপন
করি এবং তার উপর প্রচন্ড চাপ দেই ৷ যাতে তার পৃষ্ঠদেশের হাড়ের আওয়ায শুনতে পাই ৷
এরপর আমি ব্যতিব্যস্ত হয়ে বেরিয়ে পড়ি এবং নিচে নড়ামার উদ্দেশ্যে সিড়ির কাছে গমন করি ৷
সিড়ি থেকে পড়ে গিয়ে আমার পা ভেঙ্গে যায় ৷ আমি পা বেধে খােড়াতে খােড়াতে আমার বন্ধুদের
কাছে আমি এবং তাদেরকে বলি : তোমরা যাও এবং নবী করীম (সা) কে সুসং বাদ দাও
আমিতো মৃত্যুর সংবাদ না শোনা পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করবো ৷ প্রভ্যুষে মৃত্যু সংবাদ
ঘোষণাকারী প্ৰাচীরে আরোহণ করে বলেং; আমি আবু রাফি এর মৃত্যুর কথা ঘোষণা করছি ৷
তিনি বলেন, সাথে সাথে আমি উঠে দাড়াই এবং রওয়ানা হয়ে পড়ি ৷ এ সময় আমার পারে কোন
ব্যথা ছিলন৷ ৷ আমার বন্ধুরা রাসুল করীম (না)-এর নিকট পৌছার পুর্বেই আমি পথিমধ্যেই
তাদেরকে গিয়ে ধরতে সমর্থ হই আর আমি রাসুল করীম (সা) কে এ সুসংবাদ দান করি ৷
এসব বিস্তারিত বিবরণ দানের ক্ষেত্রে সিহাহ্ সিত্তাহ্ তথা ৬টি বিশুদ্ধ হাদীছ গ্রন্থের মধ্যে
ইমাম ৰুখারী (র) একক বৈশিাষ্ট্যর অধিকারী ৷
ইমাম যুহরী (র) উবাই ইবন কাব সুত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসুল কবীম (না) যখন মিম্বরে

উপবিষ্ট ছিলেন তখন তারা আগমন করেন ৷ রাসুল করীম (না) বলে উঠলেন

চেহারাগুলো সফল হয়েছে ৷ অথর্ধৎ তারা সফলকাম হয়ে ফিরে এসেছে ৷ তিনি বললেন ং পেং
হে অ ল্লাহ্র নবী (সা ) আপনার চেহারা সফল
হোক ৷ তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কি তাকে হত্যা করেছ ৷৩ তারা বললেন, জী হা ৷ তিনি
বললেন, আমার কাছে তরবারি নিয়ে এসো ৷ তিনি কোষ থেকে তরবারি বের করে সেখানে
রাসৃলুল্লাহ (সা) বললেন, হ৷ ৷ এ হলো তরবা ৷বি ধারে তার আহার্যের চিহ্ন রয়েছে ৷

আমি বলি, হতে পারে আবন্মোহ্ ইবন আতীক যখন সিড়ি থেকে পড়ে যান তখন তার পায়ের
জোড়া স্থানচ্যুত হয় , গোড়ালি ভেঙ্গে যায় এবং পায়েও মােচড় লাগে; কিন্তু যখন তা বেধে দেয়া
হয় তখন ব্যথা দুর হয়ে যায় এবং চলাচলে আর কোন কষ্ট অবশিষ্ট থাকেনি ৷ কারণ , ব্যাপারটি
খুবই স্বাভাবিক এবং অতি স্পষ্ট ৷ তিনি যখন হীটা-চলার অভিপ্রায় করেন তখন এজন্য তাকে
সাহায্য করা হয় ৷ কারণ, এর মধ্যে নিহিত রয়েছে কল্যাণকর জিহাদ ৷ তারপর তিনি যখন রাসুল
করীম (না)-এর নিকট পৌছেন এবং তিনি স্বস্থি ফিরে পান তখন পুনরায় ব্যথা ফিরে আসে এবং
তিনি পা ছড়িয়ে দিলে রাসুল করীম (না) তাতে হাত বুলিয়ে দেন ৷ ফলে অসুবিধা দুর হয়ে যায়
এবং ভবিষ্যতে দেখা দিতে পারে এমন বথােও আর অবশিষ্ট জ্জি না ৷ এভা৷:ব উভয় বর্ণনার মধ্যে
সামঞ্জস্য সাধিত হয় ৷ আল্লাহ-ই ভাল জানেন ৷ মুসা ইবন উক্বা তদীয় মগাষী’ গ্রান্থ ইবন
ইসহাক অনুরুপ বর্ণনা করেছেন এবং ইব্রাহীম ও আবু উবায়দের মড়াতা তিনিও তাদের এ
অভিযানে অংশ গ্রহণকারী সাহাবীগা;ণর নাম উল্লেখ করেছেন ৷

খালিদ ইবন সুফিরান হুযালনী হত্যার ঘটনা

হাফিয বায়হাকী (র) দালাইল গ্রন্থে আবু রাফি এর হত্যার ঘটনা উল্লেখ করার পর ইমাম
আহমদ (র)-এর বরাতে ইয়াকুব আবদুল্লাহ ইবন উনাইস তদীয় পিতা সুত্রে বর্ণনা করে
বলেন

রাসুল করীম (সা) আমাকে ডেকে বললেন : আমি জানতে পেয়েছি যে, খালিদ ইবন
সুফিয়ান ইবন নাবীহ্ হুযালী আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হওয়ার জন্য লোকজনকে সমবেত
করেছে ৷ এখন সে উরানা’ নামক স্থানে অবস্থান করছে ৷ তুমি সেখানে গিয়ে তাকে হত্যা কর ৷
তিনি নিবেদন করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ! আমার জন্য তার কিছু বৈৰিষ্ট্য উল্লেখ করুন যাতে আমি
তাকে চিনতে পারি ৷ তিনি বললেন, তুমি যখন তাকে দেখবে, তখন লক্ষ্য করবে যে, সে কম্পন
ব্যাধিতে আক্রান্ত আছে ৷ তিনি বলেন, আমি তলওয়ার কােষবদ্ধ করে উরানায় তার কাছে গিয়ে
পৌছি ৷ তখন ছিল আসরের নামায়ের সময় ৷ রাসুল (না) তার কম্পনের যে বর্ণনা দেন, আমি
তাকে তেমনটিই পেলাম ৷ তখন যে স্তীদেরকে নিয়ে বাসন্থানের সন্ধানে ছুটাছুটি করছিল ৷ আমি
তার দিকে এগিয়ে যাই ৷ আমার আশংকা হয় যে, আমার এবং তার মধ্যে ধস্তাধ্স্তি হতে পারে ৷
যা আমাকে যথাসময়ে সালাত আদায় থেকে বিরত রাখতে পারে ৷ তাই আমি তার দিকে হাটতে
হাটতে ইশাৱায় সালাত আদায় করলাম ৷ মাথার ইশাৱায় আমি রুকু সিজদা আদায় করছিলাম ৷
আমি তার কাছে পৌছলে সে জিজ্ঞেস করলো কে ৷ আমি বললাম, আমি একজন আরব ৷ এ
ব্যক্তির উপর হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে আপনার লোকজন সমবেত করার কথা শুনতে পেয়ে এ
উদ্দেশ্যে আপনার কাছে এসেছি ৷ সে বললো, হ্যা, আমিতো সে চেষ্টায় প্রবৃত্ত আছি ৷ আমি কিছু
দুর তার সঙ্গে অগ্রসর হই ৷ সুযোগ বুঝে আমি তরবারি চালিয়ে তাকে হত্যা করি এবং তার
ত্রীদেরকে সেখানে ফেলে রেখে বেরিয়ে আসি ৷ তার ত্রীরা তার জন্য বিলাপ করছিল ৷ আমি রাসুল
করীম (সা)এর নিকট এগিয়ে গেলে আমাকে দেখে তিনি বলেন : চেহারা এতো
দেখছি সফল হোক ৷ কর্ম সিদ্ধ হয়েছেত ? তিনি বলেন, আমি বললাম , ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ৷ আমি
তাকে হত্যা করেছি ৷ তিনি বললেন, সত্য বলছ ৷ এরপর রাসুলুল্লাহ্ আমার পাশে দাড়ালেন এবং

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.