buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

আমর ইবনুল আস, খালিদ ইবৃন আল-ওয়ালীদ ও উছমান ইবৃন তালুহাব ইসলাম গ্রহণ

বললাম, হে বাদশা, আপনি কি এটার সত্যতা সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছেন ? তিনি বললেন, “হীা, হে
আমর আমি এটা সম্পর্কে আল্লাহর কাছে সাক্ষ্য দিচ্ছি ৷ সুতরাং তুমি আমার অনুকরণ কর এবং
তার আনুগত্য স্বীকার করে নাও ৷ কেননা, আল্লাহ্র শপথ ! তিনি সত্যের উপর রয়েছেন ৷ আর
যারা তীর বিরোধিতা করছে তাদের উপর তিনি জয়লাভ করবেন ৷ যেমন মুসা (আ) ফিরআওন ও
তার সৈন্যদলের উপর জয়লাভ করেছিলেন ৷ আমি বললাম, আপনি কি আমার ইসলামের বায়আত
গ্রহণ করবেন ? তিনি বললেন, “হ্যা, এবং এ বলে তীর হ স্ত প্রসারিত করেন ৷ আর আমাকে
ইসলামের বাইয়াত গ্রহণ করান ৷ এরপর তিনি একটি চিলিমচী চেয়ে পাঠালেন এবং আমার রক্ত
ধুয়ে দিলেন ৷ আর আমাকে উত্তম জামা-কাপড় পরতে দিলেন ৷ আমার কাপড়গুলো রক্তে রঞ্জিত
হয়ে গিয়েছিল ৷ আমি সেগুলো ফেলে দিলাম ৷ এরপর আমি আমার সাথীদের কাছে ফিরে
আসলাম ৷ তারা আমার পরনে নাজ্জাশী প্রদত্ত জামাকাপড় দেখতে পেয়ে খুশী হলো এবং বললাে,
তুমি কি তোমার বন্ধুর নিকট কাত্তিক্ষত বন্তুটি হাসিল করতে পেরেছ ? উত্তরে আমি তাদেরকে
বললাম, “প্রথমবারে তীর কাছে এ ব্যাপারে কথা বলাটা ভাল মনে করিনি ৷ পুনরায় তার কাছে
যাব ৷” তারা বলল, “তুমি যা ভাল মনে করে তইি করবে ৷ এরপর আমি তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন
হয়ে পড়লাম ৷ মনে হচ্ছে যেন আমি অন্য কোন দরকাবে কােথায়ও যাচ্ছি ৷ সুতরাং আমি জাহাজ
ঘাটের দিকে অগ্নসর হলাম, লক্ষ্য করলাম একটি জাহাজ যাত্রীতে পুর্ণ হয়ে গেছে ও ছেড়ে
যাচ্ছে ৷ আমি যাত্রীদের সাথে জাহাজে উঠলাম ৷ মাল্লারা জাহাজ ছেড়ে দিল ৷ যখন তারা
দু’পাহাড়ের মধ্যবর্তী একটি অবতরণস্থলে পৌছলো তখন আমি জাহাজ থেকে অবতরণ করলাম ৷
আমার সাথে আমার পথ-খরচের অর্থরুসম্পদ ছিল ৷ আমি একটি উট খরিদ করলাম এবং মদীনায়
উদ্দেশ্যে বের হয়ে পড়লাম ৷ মার্কয যাহ্ৱান নামক স্থানে গিয়ে আমি পৌছলাম ৷ তারপরেও
চলতে লাগলাম ৷ যখন আল-হুদা নামক স্থানে পৌছলাম তখন দেখি দুই ব্যক্তি আমার কিছুক্ষণ
পুর্বে সেখানে পৌছেছে এবং সেখানে অবতরণের ইচ্ছা পোষণ করছে ৷ তাদের একজন তাবুর
ভিতরে প্রবেশ করেছে এবং অন্য একজন দুইটি যান বাহনকে ধরে রয়েছে ৷ এরপর আমি
তাকিয়ে দেখি খালিদ ইবন ওয়ালীদকে ৷ তীকে বললাম, “কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছ ?
সে বলল, “মুহাম্মাদের কাছে লোকজন ইসলাম গ্রহণ করে চলছে ৷ সুরুচিপুর্ণ কেউ একটা বাকী
নেই ৷ আল্লাহর শপথ ! যদি আমি নিক্রিয় থাকি তাহলে মুহাম্মাদ (সা) আমাদেরকে এমনভাবে
ধরবে, যেমন হায়েনাকে তার গুহায় আটক করা হয় ৷” আমি বললাম , আল্লাহ্র শপথ ! আমিও
মুহাম্মাদ (না)-এর উদ্দেশ্যে যেতে এবং ইসলাম গ্রহণ করতে চাই ৷ উছমান ইবন তালহা (রা)
তাবু থেকে বের হয়ে আমাকে স্বাগত জানালেন ৷ আমরা সকলেই এ মানযিলে অবতরণ ও
অবস্থান করলাম ৷ এরপর আমরা একত্রে মদীনায় আগমন করলাম ৷ মদীনায় আমরা যত লোকের
সাথে সাক্ষাত করেছি আবু উতবা এর ন্যায় আর কেউ আমাদেরকে এত উচ্চস্বরে স্বাগত
জানায়নি ৷ দেখামাত্র তিনি উচ্চস্বরে ইয়া রাবাহ ! ইয়া রাবাহ ! ইয়া রাবাহ ! স্বাগতঃ ধ্বনি বলতে
লাগলেন ৷ তীর কথায় আমরা শুভ লক্ষণ মনে করলাম এবং অত্যন্ত খুশী হলাম ৷ এরপর তিনি
আমাদের দিকে তাকালেন এবং তাকে বলতে শুনলাম ৷ তিনি বলছিলেন, “এ দুজনের ইসলাম
গ্রহণের পর নেতৃত্ব মক্কায় চলে যাচ্ছে ৷ এ দুজন দ্বারা আমাকে এবং খালিদ ইবন ওয়ালিদকে
বুঝাতে চেয়েছিলেন ৷ তখন তিনি দৌড়িয়ে মসজিদে চলে গেলেন ৷ আমি ধারণা করলাম যে,

সম্ভবত তিনি আমাদের আগমনের সংবাদ রাসুলুল্লাহ্ (সা)এর কাছে জানাবার জন্যে গিয়েছেন ৷
আমি যা ধারণা করেছিলাম তাই হল ৷ আমরা হাবৃরায় অবতরণ করলাম ও আমাদের উত্তম
পোষাক পরিধান করলাম ৷ এরপর আসরের সালাতের জন্যে আমান দেওয়া হয় ৷ আমরা রাসুলুল্লাহ্
(সা)-এর দিকে ধীর পদে অগ্রসর হলাম ৷ তার চেহারা ছিল উজ্জ্বল ৷ যুনলমানগণ চতৃর্কিংৰু থেকে
তাকে ঘিরে রেখেছেন ৷ আমাদের ইসলাম গ্রহণে তারা অতম্ভে খুশী হলেন ৷ এরপর খালিদ ইবন
ওয়ালীদ (রা) এগিয়ে আসলেন এবং বায়আত হলেন ৷ এরপর উছমান ইবন তালহা (রা) এগিয়ে
আসবেন ৷ তিনিও বায়আত হলেন ৷ এরপর আমি অগ্রসর হলাম ৷ আল্লাহ্র শপথ ৷ আমি তার
সামনে বসার পর তার দিকে লজ্জায় তাকাতে পারছিলাম না ৷ তারপর আমি বায়আত গ্রহণ কালাম
এ শর্তে যে, আমি পুর্বে যা গুনাহ করেছি তা ক্ষমা করে দেওয়া হবে, আর যা এখন করছি তার
জন্যে আমাকে কোন জবাবদিহি করতে হবে না ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, “ইসলাম তার পুর্বের
সব কিছু মিটিয়ে দেয় আর হিজরতও তার পুর্বের সবকিছু মিটিয়ে দেয় ৷” আল্লাহর শপথ ৷ যতদিন
থেকে আমরা মুসলমান হয়েছি আমাদের দলের কাউকে দলীয় কাজে আমার ও খালিদ ইবন
ওয়ালীদ (রা)-এর ন্যায় রাসুলুল্লাহ্ (সা) বেশী মর্যাদা দান করেননি ৷ এ মানৃযিলে আমরা হযরত
আবু বকর (রা)-এর সান্নিধ্যে ছিলাম এবং হযরত উমর (রা)-এর নিকটবর্তী ছিলাম ৷ তবে উমর
(রা) খালিদ (রা)-এর ক্ষেত্রে মৃদু ভর্ণসনকােরীর ন্যায় ছিলেন ৷ ওয়াকিদীর ওস্তাদ আবক্যু হামীদও
আমর ইবন আন-আস (বা) হতে অনুরুপ বর্ণনা করেছেন ৷

আল্পামা ইবন কাহীর (র) বলেন, মুহাম্মাদ ইবন ইসহাকও অনুরুপভাৰে আমর ইবন
আল আস (বা) হতে বর্ণনা করেছেন ৷ তিনি আবু রাফি নিহত হবার পর ৫ম হিজরীতে সংঘটিত
ঘটনাদিরও একটি বর্ণনা দেন ৷ তবে ওয়াকিদীর বর্ণনা বিস্তারিত ও অধিকতর প্রাণবন্ত ৷ তিনি আমর
(রা) খালিদ (রা) ও উছমান ইবন তালহা (রা)-এর আগমনের তারিখ ৮ম হিজরীর সফর মাসের ১
তারিখ বলে উল্লেখ করেছেন ৷ মুসলিম শরীফে হযরত আমর (না)-এর ইসলাম গ্রহণ, রাসুলুল্লাহ্
(সা)-এর সাথে সুমধুর ব্যবহার এবং মৃত্যুর অবস্থা ও রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর ইনতিকালের পর
কর্তব্য সম্পাদ্দাকালে ত্রুটি-বিচ্যুতির জন্যে অনুশোচনা ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা এসেছে ৷

খালিদ ইবন ওয়ালীদ (না)-এর ইসলাম গ্রহণ

ওয়াকিদী খালিদ ইবন ওয়ালীদ (বা) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, আল্লাহ্
তাআলা যখন আমার প্রতি কল্যাণের ইচ্ছা করলেন, তখন আমার অতরে ইসলামের প্ৰতি
ভালবাসা ঢেলে দিলেন ও আমাকে সঠিক পথ অবলম্বনের তাওফীক দিলেন ৷ মনে মনে আমি
বলতে লাগলাম, মুহাম্মাদ (না)-এর সব ঘটনাইতে৷ অবলােকন করলাম প্রতেকটি ঘটনাতেই
তিনি সষ্ণাকাম ৷ তবে আমি কেন ভ্রান্ত পথে চলুছি ? মুহাম্মাদ (সা) অবশ্য অচিরেই জয়লাভ
করবেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) যখন হুদায়ৰিয়ায় আগমন করেন তখন আমি মুশরিকদ্যেশ্ব সৈন্য ৷লােক
নিয়ে উসফানে যইি ৷ সেখানে রাসুলুল্লাহ্ (মা) ও তার সাহাবীদের সাথে আমাদের সাক্ষাত হয় ৷
আমি তার মুকাবিলায় র্দাড়ালায এবং তার সামনে বীধার সৃষ্টি করলাম তখন তিনি আমাদের
সামনেই তার সাহাবীগণকে নিয়ে যুহরের সালাত আদায় করেন ৷ আমরা তখন তাদের উপর
হামলা করতে মনস্থ করলাম; কিন্তু তিনি আমাদের প্রতি হামলার আগ্রহ প্রকাশ করলেন না ৷ আর

এটাতে ছিল মহাকল্যাণ ৷ তবে তিনি আমাদের মনোভাব আচ করতে পেরে তার সাথীবর্পকে নিয়ে
আসরের সালাত, সালাতে-খাওফ’ হিসেবে আদায় করলেন ৷ এটা আমাদের মাঝে একটা
আলোড়ন সৃষ্টি করল ৷ আমি মনে মনে বললাম ইনি তাে অত্যন্ত সুরক্ষিত মনে হচ্ছে ৷ তাই
আমরা সরে র্দহ্ড়ালাম ৷ তিনিও আমাদের সেনাবাহিনীর গতিপথ থেকে অন্য দিকে ফিরলেন ও ডান
দিকের রাস্তা ধরলেন ৷ যখন তিনি হুদায়বিয়ায় কুরায়শদের সাথে সন্ধি করলেন এবং কুরায়শরা
র্তাকে এবার চলে যেতে ও পরের বছর আগমন করতে অনুমতি দিল তখন আমি মনে মনে
বললাম, এখন আর কি বাকী থাকল ? এখন আমি কোথায় যাব ? নাজ্জাশীর কাছে ? তিনিত
মুহাম্মাদের আনুগত্য অবলম্বন করেছেন এবং মুহাম্মাদের সাহাবীপণ তীর কাছে নিরাপদে রয়েছেন ৷
তাহলে কি হিরাক্লিয়াসের কাছে চলে যাব ? তাহলেত নিজ ধর্ম পরিতা৷গ করে খৃণ্টান কিংবা
ইয়াহ্রদী হতে হবে ৷ তাহলে কি আমি অনারব দেশে বসবাস করব ? অথবা আমার দেশেই আমি
অবশিষ্ট লোকদের সাথে থেকে যাবো ? এরুপ চিন্তা ভাবনার মধ্যে আমি দিন কাটাতে লাগলাম ৷
এর মধ্যে কাযার উমরা পালনের জন্য রাসুলুল্পাহ্ (না) মক্কা প্রবেশ করলেন ৷ আমি আত্মগােপন
করলাম ৷ তীর প্রবেশ করার দৃশ্যটি আমি অবলোকন করলাম না ৷ আমার ভাই ওয়ালীদ ইবন
ওয়ালীদ রাসৃলুল্লাহ্ (সা )-এর সাথে কন্যার উমরা পালন করার জন্যে মক্কা প্রবেশ করে ৷ সে
আমার খোজ করল; কিন্তু সে আমাকে গেল না ৷ এরপর সে আমাকে একটি পত্র লিখল ৷ পত্রটি
ছিল নিম্নরুপ ? পরম দাতা ও দয়ালু আল্লাহ্র নামে শুরু করছি ৷ বাদ সংবাদ এই; ইসলামকে
প্রত্যাখ্যান করার তোমার অভিমত ও সিদ্ধান্তে আমি অত্যন্ত অবাক বোধ করছি ৷ তোমার
বুদ্ধিমত্তার আশ্রয় গ্রহণ কর ৷ ইসলামের মত ব্যাপার কি কারো কাছে অবিদিত থাকতে পারে ?
তোমার সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন ৷ আমাকে বলেছেন, খালিদ কোথায়
? আমি প্রতি উত্তরে বলেছি, আল্লাহ তাকে আমার তাওফীক দেবেন ৷ তিনি বলেনঃ, তার মত
লোক কি ইসলামকে উপেক্ষা করতে পারে ? নিজের শৌর্য-বীর্যের মােহ ও অহংকার ছেড়ে যদি
সে মুসলমানদের সাথে মিশে যেত তাহলে এটা তার জান্য মঙ্গলজনক হত ৷ আর আমরা তাকে
অন্যের চাইতে বেশী মর্যাদা দিতাম ৷” হে আমার ভাই ! তোমার যেসব সুযোগ সুবিধা চলে (গছে
সে সবের ক্ষতি পুষিয়ে নাও ৷”

খালিদ ইবন ওয়ালীদ (বা) বলেন, “যখন আমার ভাইয়ের পত্র আমার হ্স্তগত হন, তখন
আমি ঘর থেকে বের হবার উৎসাহ পেলাম ৷ ইসলামের প্ৰতি আমার আগ্নহ বৃদ্ধি পেল ৷ আমরা
সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর প্রশ্ন আমাকে আরো বেশী খুশী করে ৷ আমি স্বপ্নে দেখলাম, আমি
যেন একটি অনুর্বর ও সংর্কীর্ণ ভুমিতে অবস্থান করছি ৷ এরপর আমি একটি বিস্তীর্ণ চির সবুজ
ভুমিতে নেমে এসেছি ৷ আমি মনে মনে বললাম, এটা একটি স্বপ্ন বটে ৷ যখন আমি মদীনায়
আসলাম, মনে করলাম যে, আমি আবু বকর (রা)-এর কাছে এ স্বপ্নের কথা উল্লেখ করব ৷ আবু
বকর (রা) বললেন, “ তোমার বিস্তীর্ণ সবুজ ভুমিতে নেমে আসার অর্থ হচ্ছে, ইসলামের সুশীতল
ছায়াতলে তোমার আশ্রয় নেয়ার জন্যে আল্লাহ্ তোমাকে পথ প্রদর্শন করেছেন ৷ আর সংকীপতার
অর্থ হচ্ছে তোমার শেরেকী ও কুফরীতে লিপ্ত থাকা ৷” খালিদ বলেন, “যখন আমি রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর কাছে যাওয়ার সুদৃঢ় সিদ্ধান্ত নিলাম তখন ভাবলাম, রাসৃলুল্লাহ্ (না)-এর কাছে যেতে ত্’ক

আমার সাখী হবে ৷ এরপর আমি সাফওয়ান ইবন উমাইয়ার সাথে সাক্ষাৎ করলাম ৷ আমি বললাম,
হে ওহাবের পিতা ! তৃমিত আমাদের করুণ অবস্থা দেখতেই পাচ্ছ ৷ আমরা পেষকদন্তের ন্যায় ৷
মুহাম্মাদ আরব ও অনারৰের উপর বিজয় লাভ করেছেন ৷ আমরা যদি নৃহগ্যেদের দলভৃক্ত ইে এবং
তীর আনুগত্য স্বীকার করি তাহলে মুহন্মোদের মর্ষাদাই হবে আমাদের মর্যাদা ৷ কিত্তু সে
কঠোরভাবে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করল এবং বলল, “আমি ব্যতীত যদি আর কেউ মুসলমান হওয়া
ছাড়া বাকী না থাকে তবু কখনও আমি তার আনুগত্য স্বীকার করব ন একথা শোনার পর আমি
তার থেকে বিদায় নিলাম এবং নিজের মনে বললাম, এ এমন একজন লোক যায় ভাই ও পিতা
বদরের যুদ্ধে নিহত হয়েছে ৷ এরপর আমি ইকরামা ইবন আবৃ জাহ্লের সাথে সাক্ষাত করলাম
এবং সাফওয়ানকে যা বলেছিলাম তাকেও অনুরুপ বললাম ; কিন্তু সেও সাফওয়ানের ন্যায় জবাব
দিল ৷ এরপর আমি মনে মনে বললাম, এটা গোপন থকােই আমার জন্যে ভাল ৷ আমি এটা আর
কারো কাছেউল্লেখ করব না ৷ আমি আমার ঘরে গেলাম এবং বাহন প্রস্তুত করার নির্দেশ দিলাম ৷
আমি সাওয়ারী নিয়ে বের হয়ে পড়লাম এবং উছমান ইবন তালহার সাথে সাক্ষাত করলাম ৷ মনে
মনে বলতে লাগলাম, ইনিত আমার বন্ধুই, যা ইচ্ছে তার কাছে উল্লেখকরতে পারি ৷ এরপর তার
বাপ দাদাদেরও নিহত হওয়ার বিষয়টি স্মরণে আসল তখন তার কাছে সব কিছু উল্লেখ করা
সযীচীন মনে করলাম না ৷ আবার মনে মনে ভাবলাম ৷ এতে আমার কি ? এখনই আমি চলে
যাচ্ছি ৷ কাজেই আমি তার কাছে উল্লেখ করব যা হবার হবে ৷ এরপর আমি বললাম , দেখ আমরা
গর্তের শিয়ালের ন্যায়, যদি এ গর্ভে বেশী পরিমাণে পানি ঢালা হয় তাহলে আমরা বের হয়ে
আসতে বাধ্য হবো ৷ আমার পুর্বের দৃই বন্ধুর কাছে যা বলেতািন্থম তৃতীয় বন্ধুর কাছেও তাই
বললাম ৷ এবং তিনি সাথে সাথেই আমার অনুকুলে সাড়া দিলেন ৷ তাকে আমি বললাম, আজকে
আমি এখানে আছি ৷ আগামী কাল ভোরে মুহাষ্মাদের কাছে পৌছার ইচ্ছা রাখি ৷ আমার সাওয়ারী
তৈরী রয়েছে ৷ ইয়াজিজে পৌছার জন্যে আমি ও আমার বন্ধুটি তৈরী হতে লাগলাম ৷ সিদ্ধান্ত হল
যে আমার পুর্বেই পৌছলে আমার জন্যে অপেক্ষা করবে ৷ আর আমি তার আগে পৌছলে আমি
তার জান্য অপেক্ষা করব ৷ এরপর আমরা শেষরাতে সেখানে গিয়ে পৌছলাম ৷ তখনও ভোর
হয়নি ৷ ইয়াজিজে আমরা একে অন্যের সাথে মিলিত হলাম ৷ আমরা আল-হুদায় পৌছণাম এবং
সেখানে আমর ইবনুল আস (রা)-কে দেখতে পেলাম ৷ আমর বললেন তােমাদেরকে
স্বাগতম ৷ ” আমরা বললাম, ণ্তামান্বকও স্বাগতম ৷ আমর (বা) বললেন, “তোমাদের গস্তব্যস্থল
কোথায় ? আমরা বললাম, তৃমি কিসের অভিযানে বের হয়েছ ?” তিনি বললেন, “তোমরা
কিসের অভিযানে বের হয়েছ ?” আমরা বললাম, “ইসলামে প্রবেশ করার জন্যে এবং মুহস্ফোদের
আনুগত্য স্বীকার করার জন্যে আমরা এসেছি ৷” তিনি বললেন, ঐ একই উদ্দেশে আমিও
এসেছি ৷” আমরা সকলে মিলে ভোরে মদীনায় প্রবেশ করলাম ৷ হাৰ্বায় আমাদের কাফেলা
থামল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)–কে আমাদের আগমনের সংবাদ দেওয়া হল ৷ তিনি আমাদের আগমনে
খুশী হলেন ৷ আমি আমার ভাল জামা কাপড় পরিধান করলাম এবং রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর খিদমতে
পৌছার জন্যে রওয়নাে হলাম ৷ আমার ভইি আমার সাথে সাক্ষাত করলেন এবং বললেন তাড়া
ণ্তাড়ি কর, রাসুলুল্লাহ্ (সা)-কে তোমার আগমনের খবর দেওয়া হয়েছে ৷ তোমার আপমনে তিনি
খুশী হয়েছেন ৷ তিনি তোমাদের জন্যে অপেক্ষা করছেন ৷ তাড়াতাড়ি চল ৷ আমি রাসৃলুল্লাহ্ (সা)

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Pin It on Pinterest