রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আলেকজান্দ্রিয়ার শাসনকর্তা মুকাওকিস জুরায়জ ইবন যীনা আল~কিবভীর কাছে পত্র প্রেরণ

আলেকজান্দ্রিয়ার শাসনকর্তা মুকাওকিস জুরায়জ ইবন যীনা আল~কিবভীর কাছে পত্র প্রেরণ

ইবন ইসহাক বলেন, “রাসুলুল্লাহ্ (সা) বনু আমির ইবন লু’য়ীর সদস্য সালীত ইবন আমর
ইবন আ বদুদ (রা) কে ইয়ড়ামামার শাসনকর্তা হাওযা ইবন আলীর নিকট প্রেরণ করেন ৷ আর আলা
ইবন হাদরামী (রা) কে ওমানের শাসক জায়ফার ইবন আল-জালান্দি আল ইয দী এবংঅ ম্মআার ১
ইবন আল-জালা ৷ন্দি আল ইযদীর নিকট প্রেরণ করেন ৷

যাতুস সালাসিদ্বপ্ন্ব২ যুদ্ধ

হড়াফিয বাযহ কী মক্কা বিজয়ের পুর্বে এ যুদ্ধটির ঘটনা উল্লেখ করেন এবং মুসা ইবন উকবা ও
উরওয়া ইবন যুবায়র (রা) এর বরাতে তিনি বলেন যে, ত ৷রা দুইজন বলেছেন , “রাসুলুল্লাহ্ (সা)
সিরিয়া এলাকায় অবস্থিত বনু বালীও বনুকুযাআর বাসভুমির অন্তর্গত যাতুস সালাসিল নামক স্থানে
আমর ইবন আস (রা) কে প্রেরণ করেন ৷ উরওয়া ইবনুয যুবায়র (রা) বলেন, বনু বালী ছিল
আস ইবন ওয়ায়েলের মাতুল বংশ ৷ যখন আমর ইবন আস (রা) এর সেনাবাহিনী সেখানে
পৌছল, তখন তারা দুশমনের সং খ্যা অধিক হওয়ায় ভীত সস্ত্রস্ত হয়ে পড়েন ৷ র্তারা রাসুলুল্লাহ্

(না)-এর কাছে লোক প্রেরণ করে সাহায্য প্রার্থনা করেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) প্রথমদিকের
মুহাজিরগণকে যুদ্ধে যাবার জন্যে ডেকে পাঠালেন ৷ শীর্ষস্থানীয় মুহড়াজিরগণের একটি দল যার
মধ্যে আবু বকর এবং উমর (রা) ও ছিলেন, যুদ্ধে অংশ্যাহণের জন্যে সাড়া দিলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্
(সা) আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ্ (রা)-কে র্তাদের আমীর নিযুক্ত করলেন ৷ মুসা ইবন উকবা
বলেন, নতুন সৈন্যদল যখন আমর (রা)-এর কাছে আগমন করেন তখন তিনি বলেন, আমি
তোমাদের আমীর ৷ আমি রাসুলুল্পাহ্ (সা)এর কাছে সাহায্য চেয়ে পাঠিয়েছিলাম ৷ মুহাজিরগণ
বললেন, আপনি আপনার সাথীদের আমীর ৷ আর আবুউবায়দা (বা) মুহাজিরগণের আমীর ৷ আমর
(বা) বললেন, আপনারা আমার সাহায্যকারী ৷ আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে সাহায্য চেয়ে
পাঠিয়েছিলাম ৷ আবু উবায়দা (রা) ছিলেন নম্র, ভদ্র ও উত্তম চরিত্রের অধিকারী ৷ তিনি এরুপ
পরিস্থিতি ৩লক্ষা করে বললেন “হে আমর ! তুমি জেনে রেখো, রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমাকে সর্বশেষ
নিদ্যেশ বলেছেন, যখন তুমি তোমার সাথীর কাছে পৌছবে, তখন তোমরা মিংল মিশে
থাকবে ৷” এখন তুমি যদিণ্ডু আমার কথা অমান্যও কর তবু আমি তোমার কথা মেনে চলব ৷
এভাবে আবুউবায়দা (বা) আমর ইবন আস (বা) এর নেতৃত্ব মেনে নিলেন ৷

মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক, মুহাম্মাদ ইবন আবদুর রহমান এর বরাতে বলেন , রাসুলুল্লাহ্ (সা)
আমর ইবন আসকে প্রেরণ করেন যাতে তিনি আরবদেরকে ইসলামের দিকে আহ্বান করেন ৷
প্রকাশ থাকে যে, আস ইবন ওয়ায়েলের মা ছিলেন বনু বালী গোত্রের ৷ এজন্যই আমর ইবন
আস (রা)-কে রাসুলুল্লাহ্ (সা) উক্ত গোত্রে পাঠালেন যাতে তিনি ইসলামের স্বপক্ষে তাদের মন
জয় করতে পারেন ৷ তাই আমর (বা) বনু জুযামের জলাশয় সালাসিলের নিকট পৌছলেন ৷ এ
কুয়ার নামানুসারে এ যুদ্ধের নাম যাতুস সালাসিল হয়েছে ৷ রাবী বলেন, তিনি উক্ত জায়গায় পৌছে
শত্রু সৈন্যের আধিক্যে ভীত হয়ে পড়েন ৷ তাই তিনি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে সাহায্য প্রার্থনা

১ অন্য বর্ণনায় তার নাম আবদ বলে উল্লিখিত হয়েছে ৷
২ একে যাতুস সুলাসিলও বলা হয়ে থাকে ৷ — সম্পাদকদ্বয় ৷

করেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) আবু উবায়দা ইবন জাররাহ্ (রা) কে শীর্ষস্থানীয় মুহাজিরগণ সহ প্রেরণ
করলেন ৷ তাদের মধ্যে আবু বকর (রা) ও উমর (রা) ও ছিলেন ৷ বিদায়কালে রাসুলুল্লাহ্ (সা)
আবু উবায়দা (রা) কে বলে দিয়েছিলেন তোমরা পরস্পর ম৩ বিরোধ করােন৷ ৷ এরপর আবু
উবায়দা (রা) রওয়ানা হলেন এবং যখন আমর (রা) এর কাছে পৌছলেন তখন আমর (রা)
বললেন, আপনি আমাকে সাহায্য করতে এসেছেন ৷ আবুউবায়দ৷ (রা) তাকে বললেন, না, বরং

আমি আম র সৈন্যদল নিয়ে আছি আর আপনি আপন র ৷সৈন্যদল নিয়ে আছেন ৷ আবু উবায়দা (রা)
ছিলেন নরম, সরল ও ভদ্র মেযাজের ৷ পার্থিব আধিপতেব্রর ব্যাপারটি ছিল তার কাছে গৌণ ৷
এরপর আমর (রা) তাকে বললেন, আপনি আমার সাহায্যকারী ৷ আবু উবায়দা (রা) বললেন, হে
আমর ৷ নিশ্চয়ই রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমাকে বলে দিয়েছেন, “ তোমরা মতবিরোধ করবে না ৷ ” তাই
আপনি আমার কথা অমান্য করলেও আমি আপনার কথা মেনে চলব ৷ আমর তখন তাকে
বললেন, “আমি আপনার আমীর ৷ আর আ৷পনি আমার সাহায্যকা৷ ৷রী ৷ আবু ট্টবায়দ৷ (রা) বললেন,
“তাহলে আপনিই নেতৃতৃ গ্রহণ করুন ৷” তারপর আমর ইবন আস মুসলমানদের নামাখে
ইমামতি ক৩রতে থাকেন ৷

ওয়াকিদী ইয়াযীদ ইবন রুমান হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, নিশ্চয়ই যখন আবু
উবায়দা ৷(রা) আমর ইবন আস (রা) এর সাথে যোগ দেন তখন তাদের সৈন্য সং খ্যা দাড়িয়ে
ছিল ৫০০ তে ৷ তারা দিনরাত সফর করে বনু বালীর এলাকা ও তত্সংলপ্ন এলাকা অতিক্রম
করেছিলেন ৷ যখনই তারা কোন জায়গায় গিয়ে পৌছতেন তখনই শুনতে পেতেন যে, শত্রু
সেনারা কিছুক্ষণ আগেও এখানেই অবস্থান করছিল ৷৩ তারা মুসলিম সেনাদের উপস্থিতি আচ
করতে পেরেই পালিয়ে যেতে৷ ৷ এরুপে তারা বনু বালীর এলাকা র শেষ প্রান্তে উবৃরা ও বালর্কীন
অঞ্চলে পৌছে একটি ক্ষুদ্র সৈন্যদলের সাথে তাদের সংঘর্ষ হয় ৷ আর এ সংঘর্ষ কিছু সময় পর্যন্ত
চলতে থাকে ৷ তারপর কিছুক্ষণ উভয় বাহিনী তীর বিনিময় করে ৷ ঐদিন আমির ইবন রাবীয়া ভাল
হয়ে যায় ও তার একটি হাত হারান ৷ মুসলমানগণ কাফিরদের উপর হামলা করেন ও তাদেরকে
পরাজিত করেন ৷ শত্রুসেনারা পরাজিত হয়ে পলায়ন করে ও ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় ৷ সেখানে যা কিছু
পাওয়া গেল আমর (রা) তা সবই দখল করে নেন ৷ সেখানে মুসলিম সৈন্যরা কিছু দিন অবস্থান
করেন ৷ যখনই কোন জায়গায় শত্রু সেনা জমায়েত হয়েছে বলে খবর আসত সেখানেই তারা
ঝটিক৷ অভিযান৷ চ ৷লাতেন ও তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দিতেন ৷ তারা চতৃর্দিকেতাদের অশ্বারোহী
সৈন্যদের পাঠাতেন ৷ তারা গনীমতের পশুপাল নিয়ে আসতেন ও এগুলো যব ই করে থেতেন ৷
এর অতিরিক্ত তারা ওখানে আর কিছু লাভ করতে পারেননি ৷ বণ্টন করার মত কোন প্রকার
গনীমত পাওয়া যায়নি ৷

আবুদাউদ (র) আমর ইবন আস (রা) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, যাতুস

সালাসিল যুদ্ধে অত্যন্ত ঠাণ্ডা রাতে আমর স্বপ্নদোষ হয় ৷ যদি গোসল করি তাহলে জীবন নাশের
ভয় ছিল ৷ তাই আমি তায়াম্মুম করলাম ৷৩ তারপর আমার সাথীদেরকে নিয়ে ফজরের সালাত

আদায় করলাম ৷ আমার সঙ্গীগণ রাসুলুল্লাহ্ (সা) কে বিষয়টি সম্বন্ধে অবগত করলেন ৷ তখন

রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, হে আমর ! তুমি কি অপবিত্র অরস্থায়৩ তোমার সাথীদের নিয়ে সালাত

আদায় করেছ ? তিনি বললেন, যে বস্তুটি আমার গোসল করার মধ্যে অম্ভরায় সৃষ্টি করেছিল আমি
এ সম্বন্ধে তাকে সংবাদ দিলাম এবং বললাম , আমি শুনেছি আল্লাহ তাআল৷ ইরশাদ করেন ও অর্থাৎ এবং তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে
হত্যা করবে না ৷ আল্লাহ তেমািদের প্রতি পরম দয়ালু ৷ (৪ নিসা হ্র ২৯) রাসুলুল্লাহ্ (সা) হেসে
দিলেন ৷ তাকে আর কিছু বললেন না ৷

মুহাম্মাদ ইবন সালামা আমর ইবন আস (রা) এর আযাদকুত দাস আবু করেন (বা)
হতে অনুরুপ হাদীছ বর্ণনা করতে গিয়ে অতিরিক্ত বলেন, “এরপর তিনি লজ্জান্থান ধৌত করেন,
সালাতের জন্যে উয়ু করেন এবং উপস্থিত সাহাবায়ে কিরামকে দিয়ে সালাত আদায় করেন ৷ এ
বর্ণনায় তিনি তায়াম্মুমের কথা উল্লেখ করেননি ৷ তবে আবু দাউদের বর্ণনায় তায়াম্মুমের উল্লেখ
আছে ৷

ওয়ড়াকিদী আবু বকর ইবন হাযাম (রা) হতে বর্ণনা কদ্:রন, তিনি বলেন, যুদ্ধ থেকে
ফেরত আসার পথে অত্যন্ত ঠাণ্ডা রাতে সেনাপতি আমর ইবন আস (বা ) এর স্বপ্নদোষ হয় ৷ তিনি
তার সাথীদেরকে বললেন, আমার স্বপ্নদোষ হয়েছে তোমরা কী বল ? যদি আমি গোসল করি,
তাহলে আমার মারা যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে ৷ তারপর তিনি পানি আনিয়ে লজ্জাস্থান বৌত
করলেন, উয়ু করলেন এবং তায়াম্মুমও করলেন ৷ তারপর তাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন,
তারপর সর্বপ্রথম আওফ ইবন মালিক (রা) কে সংবাদ বাহকরুপে মদীনায় প্রেরণ করেন ৷ আওফ
(বা) বলেন, “আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে ভোর রাতে সাক্ষাত করলাম ৷ তিনি ঘরে স ৷লাত
আদায় করছিলেন ৷ সালাত শেষে আমিও তাকে স৷ লা৷ম দিলাম ৷ তিনি বললেন, “ (ক ? আওফ ইবন
মালিক (বা) নাকি ? আমি বললাম , “জী হা” ৷ “আমি আ ওফ ইবন মালিক ইয়া রড়াসুলাল্লাহ্ ৷
তিনি বললেন, যবাইকারী আওফ ? ’শু উত্তরে আমি বললাম, জী ই৷ ৷ এরপর তিনি অতিরিক্ত আর
কিছু বলেননি ৷ তারপর বললেন, তারপর সংবাদ কী ? “আমি আমাদের সফরকালে যে যে ঘটনা
ঘটেছিল, আবু উবায়দা (বা) ও আমর ইবন আস (রা ) এর মধ্যে মতবিরোধ এবং আবু ওবায়দা
(বা ) কর্তৃক আনুগত্য স্বীকার ইত্যাদি সবিস্তারে বর্ণনা করলাম ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, “আবু
উবায়দা ইবনুল জাবৃরাহ এর প্রতি আল্লাহ রহমত বর্ষণ করুন ! রাবী বলেন, এরপর আমি সংবাদ
দিলাম যে, আমর (রা) জানাবাত অবস্থায় ণ্লাকজনকে নিয়ে সালাত আদায় করেছেন ৷ তার কাছে
পানি ছিল ৷ তিনি শুধুমাত্র লজ্জান্থান ধৌত করেন এবং উয়ু করেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) নীরব
থাকলেন ৷ যখন আমর (বা) রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে আগমন করেন ৷ তখন তিনি তাকে তার
সালাত সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলেন ৷ তখন তিনি বললেন, যে সত্তা আপনাকে সত্য সহকারে প্রেরণ
করেছেন তার শপথ, যদি আমি সেদিন গোসল করতাম৩ তাহলে আমি মারা যেতাম ৷ এ ধরনের
প্রচণ্ড ঠাণ্ডা আর আমি কোন দিন দেখিনি ৷ আল্লাহ্৩ তা জানা ইরশাদ করেনং :
৷ অর্থাৎ এবং তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে হত্যা

করবে না ৷ নিশ্চয়ই আ ল্লাহ্ তা আলা তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু ৷ (৪ নিসাং : ২৯) ৷

রাবী বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) এতে হেসে দিলেন ৷ আর এর অতিরিক্ত কোন কিছু বলেছেন
বলে আমাদের কাছে কোন প্রমাণ নেই ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.