রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

গাওরাছ ইবন হারিছের ঘটনা

গাওরাছ ইবন হারিছের ঘটনা

রিকা ৷ হযরত আবু মুসা আশআরী (রা)-এর হাদীছে আছে যে, ওই অভিযানে প্রচণ্ড তাপ ও
গরমের কারণে মুজাহিদগণ পায়ে কাপড়ের টুকরা ও পট্টি বেধেছিলেন বলে ওই যুদ্ধকে যাতুর
রিকা বলা হয় ৷

ইবন ইসহাক বলেন, মুসলিম বাহিনী ওই স্থানে গিয়ে গাতফান গোত্রীয় শত্রুদের মুখোমুখি
হয় ৷ পরস্পর একে অন্যের উপর আক্রমণ করার উপক্রম হয় ৷ তবে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ সংঘটিত
হয়নি ৷ উভয় পক্ষ একে অন্যকে ভয় পেয়েছিল ৷ ওখানে রাসৃভুলুল্লাহ্ (সা) সাহাবীগণকে নিয়ে
সালাতুল খাওফ আদায় করেন ৷
ইবন হিশাম (র) সালাতুল খাওফ এর হাদীছটি আবদুল ওয়ারিছ জাবির (না) থেকে
এবং আবদুল ওয়ারিছ ইবন উমর (রা) সুত্রে বর্ণনা করেছেন ৷ তবে এই হাদীছে নজদের
যুদ্ধ কিৎব৷ যাতুর রিকা যুদ্ধ কােনটাই উল্লেখ করেননি ৷ তেমনি এই ঘটনার সময়-স্থান কিছুই
উল্লেখ করেননি ৷ অবশ্য গাতফান গোত্রের বনুমুহারিব ও ন্ধ্রনু ছালাবাকে শায়েস্তা করার জনেবু
পরিচালিত যাতুর রিকা যুদ্ধ যদি খন্দকের যুদ্ধের পুর্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলা হয় তবে তা প্ৰশ্নাতীত
নয় ৷ বুখারী বলেছেন যে, যাতুর বিকা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে থায়বার যুদ্ধের পর ৷ তিনি এভাবে
দলীল পেশ করেছেন যে, হযরত আবুমুসা আশআরী (বা) ওই ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন ৷ অথচ
আবু মুসা আশআরী (বা) হযরত জাফর ও অন্যান্যদের সাথে মদীনায় এসে উপস্থিত হন খায়বার
যুদ্ধের সময়ে ৷ অনুরুপ একটি দলীল হল হযরত আবু হুরায়র৷ (রা)-এর হাদীছ ৷ তিনি বলেছেন
নজদ অঞ্চলে আমি রাসুলুল্লাহ (সা) এর সাথে সালাতুল খাওফ আদায় করেছি৷ এছাড়া যাতুর
বিক৷ যুদ্ধ যে খন্দক যুদ্ধের পরে হয়েছে৩ তার একটি দলীল হযরত ইবন উমার ও এর হাদীছ ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাকে যুদ্ধ করার প্রথম অনুমতি দেন খায়বারের যুদ্ধে ৷ ইবন উমার (বা) থেকে
বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত আছে তিনি বলেছেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথী হয়ে নজ্বদের যুদ্ধে
ৎশ নিয়েছি ৷ এ প্রসংগে তিনি সালাতু ল খাওফের ঘটনা বর্ণনা ৷করেন ৷ ওয়াকিদী বলেছেন,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) ৪০০ কিহুব৷ ৭০০ মুজাহিদ নিয়ে ৫ম হিজরীর মুহাররম মাসের ১০ তারিখ
শনিবার রাতে যাতুর বিকা এ-র উদ্দেশ্যে৷ যা ত্রা করেছিলেন৩ ৷ত ৷র এই বক্তব্য আলোচনা সাপেক্ষ ৷
সালাতুল খাওফ খন্দকের যুদ্ধের পর বিধিবদ্ধ হয়েছে শুধু এটুকু বলে উপরোক্ত সমস্যা থেকে
মুক্তি পাওয়া যাবে না ৷ কারণ, খন্দকের যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রসিদ্ধ ম৩ তানুসারে ৫ম হিজরীর
শাওয়াল মাসে ৷ কেউ বলেছেন, খন্দকের যুদ্ধ হয়েছিলেন : র্থ হিজয়ী সনে ৷ এই ব্যাখ্যানুসারে
ইবন উমার (রা)-এর হাদীছের প্রশ্নের সমাধা হয়; কিন্তু আবু মুসা (রা) ও আবু হুরায়র৷ (রা) এর
হাদীছ থেকে উদ্ধৃত সমস্যার সমাধান হয় না ৷

গাওরাছ ইবন হারিছের ঘটনা

যাতুর রিকা যুদ্ধ প্রসংগে ইবন ইসহাক বলেন, আমর ইবন উবায়দ — জাবির ইবন
আবদুল্লাহ (বা) থেকে বর্ণিত ৷ বনু ঘুহারিব গোত্রের এক লোক তার নাম ছিল পাওরাছ ৷ সে তার
স্বীয় সম্প্রদায় পাতফান ও মুহারিব গোত্রকে বলেছিল অ মি কি তোমাদের পক্ষ থেকে মুহাম্মাদ
(সা) কে হত্যা করব ? ওরা বলল, ই৷ তুমি তাই করবে, তবে কীভ৷ ৷বে তুমি তা করবে ? সে
বলল, আমি কুট কৌশলের আশ্রয় নিয়ে৩ তাকে হত্যা করব ৷ বর্ণনাকারী বলেছেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা)
একটি গাছের ছায়ায় বসা ছিলেন ৷৩ তার তরবারিটি ছিল তার কোলে ৷ সে বলল, হে মুহাম্মাদ !
আমি কি আপনার তরবারিটি দেখতে পারি ? রালুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, হা, দেখতে পার ৷ সে
তরবারিটি হাতে নিল এবং সেটি নাড়৷ চাড়া করতে লাগল ৷ আল্লাহ তাকে অপদস্ত করলেন ৷ সে
বলল, হে মুহাম্মাদ ! আ ৷পনি কি এখন আমাকে ভয় পান না ? তিনি বলরুদ্ব ৷ন, না ৷ আমি তোমাকে
ভয় পাচ্ছি না ৷ সে বলল, আশ্চর্য, আমার হাতে তরবারি রয়েছে তবু আপনি আমাকে ভয় করছেন
না ৷ তিনি বললেন, না, মোটেই ভয় পাচ্ছি না ৷ মহান আল্লাহ তোমার হাত থেকে আমাকে রক্ষা

করবেন ৷ এরপর সে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর তরবারি তাকে ফেরত দেয় , এ প্ৰসংপে আল্লাহ
তাআলা নাযিল করলেন ৰু’

“হে মু মিনগণ তোমাদের প্রতি ৩আল্লাহ্র অনুগ্রহ স্মরণ কর, যখন এক সম্প্রদায় তোমাদের
বিরুদ্ধে হস্ত উত্তোলন করতে ৩চেয়েছিল ৷ তখন আল্লাহ্ তাদের হাত সষ্ যত করেছিলেন এবং
আল্লাহ্কে ভয় কর ৷ আর মু মিনদের অ ৷ল্লাহ্র উপরই নির্জা করা ব ৷ঞ্চুনীয় (৫ মায়িদ৷ : ১১) ৷
ইবন ইসহাক বলেন ইয়াযীদ ইবন রুমান আমাকে জানিয়েছেন যে, উক্ত আয়াত নাযিল
হয়েছিল বনু নাযীর গোত্রের আমর ইবন জাহ্হাশ ও তার যড়যন্ত্রমুলক পরিকল্পনা উপলক্ষে ৷
এভাবে ইবন ইসহ ক গাওর৷ ৷ছের ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন ণ্গামরাহ ফিরকাহ্ কাদরিয়্যা ৷হ্ সম্প্রদায়ের
নেতা আমর ইবন উবায়দ কাদারী থেকে ৷ হাদীছে মিথ্যাচারের অভিযোগে সে অভিযুক্ত না হলেও
যেহেতু সে একটি বিদআতের অনুসরণক৷ ৷রী এবং মানুষকে সেদিকে আহ্বানকারী সেহেতু তার
থেকে হাদীছ বর্ণনা করা ৷উচিত নয় ৷ অবশ্য তা ৷লোচ্য হাদীছ৩৷ার নিকট থেকে বংনাি হওয়া ছাড়াও
অন্যান্য সনদে বর্ণিত হয়েছে ৷ সহীহ্ বুখারী ও সহীহ্ মৃসলিমে এই হাদীছ রয়েছে ৷ সকল প্রশংসা
আল্লাহর, হাফিয় বায়হাকী (র) বিভিন্ন স্থান থেকে এই হাদীছের একাধিক সনদ উল্লেখ করেছেন ৷
সহীহ্বুখারী ও সহীহ্ মুসলিংম এটি বর্ণিত হয়েছে যুহরী জাবির (রা) সুত্রে ৷ হযরত জাবির
(রা) বলেছেন, তিনি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এব সাথে নজদ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন ৷ যুদ্ধ শেষে
মদীনায় ফেরার পথে তার খুবই তন্দ্র৷ পায় ৷ ন্থানটি ছিল বড় বড় কাটা বিশিষ্ট বৃক্ষরাজিতে পরিপুর্ণ ৷
সাহারা-ই-কিরাম বিভিন্ন বৃক্ষের ছায়ায় গিয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) নিজে
একটি গাছের ছায়ায় বিশ্রামরত ছিলেন ৷ তার তরবারি ঝুলানাে ছিল ওই গাছের সাথে ৷ হযরত
জাবির (বা) বলেন, আমরা সবাই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলাম ৷ হঠাৎ শুনতে পাই যে, রাসুলুল্লাহ্
(সা) আমাদেরকে ডাকছেন ৷ আমরা ত ৷র ৷নিকট এলাম ৷ সেখানে দেখতে পেলাম একজন আরব
বেদুঈন বসে রয়েছে ৷ র ৷সুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, এই বেদুঈন লোক আমার র৩বাবিটি কো ষমুক্ত
করেছিল ৷ আমি ছিলাম ঘুমম্ভ ৷ ঘুম থেকে জেগে দেখি তার হাতে আমার মা পমুক্ত তরবারি, :স
আমাকে লক্ষ্য করে বললাে , আমার হাত থেকে এখন আপনাকে কে রক্ষ৷ করবে ? আমি বললাম,
“রক্ষা করবেন আল্লাহ ৷ ” সে আবার বলল, আপনাকে রক্ষ৷ করবে কে ? আমি বললাম, রক্ষা
করবেন আল্লাহ ৷ এবার সে তরবারিটি খাপবদ্ধ করে বসে পড়ে ৷ সে এত গুরুতর অপরাধ করা
সত্বেও রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাকে কোন শাস্তি দেননি ৷

মুসলিম (র) বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবন আবুশায়বা জাবির (বা) থেকে ৷ তিনি
বলেছেন, আমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে সফরে বের হলাম, যাতুর রিকা নামক স্থানে এসে
পৌছলাম আমরা ৷ আমাদের নিয়ম ছিল যে, কোন ছায়াময় বৃক্ষ পেলে সেটি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর
জন্যে ছেড়ে দিতাম ৷ তিনি ওই ছায়ায় বিশ্রাম নিতেন ৷ এই যাত্রায় তিনি ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন ৷
সেখানে উপস্থিত হয় জনৈক মুশরিক ব্যক্তি ৷ রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর তরবারিটি গাছের সাথে ঝুলানো
ছিল ৷ সে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর তরবারিটি হাতে তুলে নিয়ে <ব্রুকাষমুক্ত করে এবং ওই খোলা
তরবারি উচিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে বলে, আপনি কি আমাকে ভয় পাচ্ছেন ? তিনি উত্তর দিলেন,
না ৷ ভয় পাচ্ছি না ৷ সে বলল, আমার হাত থেকে এখন আপনাকে কে রক্ষা করবে ? তিনি
বললেন, আমাকে রক্ষা করবেন, আল্লাহ ৷ এমতাবস্থায় সাহাবীগংং এসে তাকে ধমক দেন এবং
সে কােষবদ্ধ করে তরবারিটি ঝুলিয়ে রাখে ৷ বংনািকাবী বলেন , তখন নামাষের আমান দেওয়া
হল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) একদল সাহাবীকে সাথে নিয়ে দু’রাকঅক্তে নামায আদায় করলেন ৷ এরপর

তিনি এ দলকে সাথে নিয়ে দু রাকাআত আদায় করলেন ৷ ফলে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর : রাকআত
পুর্ণ হল আর প্ৰতেব্রক দলের হল ২ রাকআত ২ রাকআত করে ৷ ইমাম বুখারী (র) জোরালো শব্দ
ব্যবহার করে এই হাদীছ সনদ বিহীনভাবে আবান সুত্রে বপ্টা৷ করেছেন ৷

বুথারী বলেন, মুসাদ্দাদ আবু আওয়ানা থেকে বর্ণিত যে ওই মুশরিক ব্যক্তির নাম
ছিল গাওরাছ ইবন হারিছ ৷ বায়হাকী (র) আবু আওয়ানড়াহ্ জাবির (রা) সুত্রে বর্ণনা
করেছেন ৷ তিনি বলেছেন যে, এক খেজুর বাগান অঞ্চলে রাসুলুল্লাহ্ (সা) মুহারিব ও গাতফান
গোত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অভিযান পরিচালনা করেন ৷ শত্রুপক্ষ কৌশলে ও প্রতারণা করে
মুসলমানদেরকে পরাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়, পাওরাছ ইবন হারিছ নামে তাদের জনৈক ব্যক্তি
রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নিকট আসে হাতে তরবারি নিয়ে ৷ সে বলল, আমার হাত থেকে এখন
আপনাকে রক্ষা করবেন কে ? রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, আমাকে রক্ষা করবেন আল্লাহ ৷ একথা
শুনে তার হাত থেকে তরবারি খসে পড়ল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) ওই তরবারি হাতে নিয়ে বললেন,
এবার আমার হাত থেকে তোমাকে রক্ষা করবে কে ? সে বলল, “আপনি সর্বোত্তম তরবারি
ধারণকারী হোন ৷” রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, তুমি কি এ সাক্ষ্য দিয়ে যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন
ইলাহ্ নেই ? সে বলল, না ৷ তবে আমি অঙ্গীকার করছি যে, আমি কখনও আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ
করব না এবং যারা আপনার বিরংদ্ধে যুদ্ধ করবে আমি ৩াপের দলে থাকর না ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)
তাকে ছেড়ে দিলেন ৷ সে ফিরে গেল তার সাথীদের নিবল্ট ৷ সে বলল, আমি এখন সর্বশ্রেষ্ঠ
মানুষটির নিকট থেকে এসেছি ৷ এরপর বর্ণনকোরী যাতুর রিকা অঞ্চলে সালাতুল খাওফ আদায়ের
ঘটনা বপ্টা৷ করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা ) উভয় দলকে সাথে নিয়ে দু রাকআত করে নামায আদায়
করেছেন ৷ ফলে ওদের হল দু’রাকআত করে আর তার হল চার রাকআত ৷

বড়ায়হাকী (র) যাতুর রিকা অঞ্চলে সালাতুল খাওফ আদায়ের ঘটনা বর্ণনা করেছেন সালিহ্
ইবন খাওয়াত ইবন জুবায়র সুত্রে সাহ্ল ইবন আবু হাছামাহ থেকে ৷ তিনি সালিম সুত্রে তার পিতা

থেকে বর্ণিত নজদ অঞ্চলে সালাতুল খাওফ আদায় সম্পর্কিত যুহরীর হাদীছটিও উল্লেখ করেছেন ৷
এগুলো আবুলাচনার উপযুক্ত স্থান হল “কিতাবুল আহকাম” আল্লাইে ভাল জানেন ৷

এ অভিযানে এক সাহাবীর ইবাদতে একাগ্রত৷ ও একটি পাথী ডাকার ঘটনা

মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক ববুলন, আমার চাচা সাদাকা ইবন ইয়াসার জাবির ইবন
আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেছেন, আমরা রাসুলুল্লাহ্ ৷’সা) এর সাথী হয়ে যাতুর
বিকা অভিযানে বের হলাম ৷ যা তুর রিকা অঞ্চলটি ছিল প্রচুর থেজুর বৃক্ষ বিশিষ্ট ৷ জনৈক সাহাবী
এক মৃশ ৷বিকের ত্রীবুক বন্দী করেন ৷ অভিযান শেষে রাসুলুল্লাহ্ (সা) যখন মদীনার উদ্দেশ্যে ফিরতি
যাত্রা করবুলন তখন ওই মুশ ৷রিক ব্যক্তি বাড়ী আসে ৷ মহিলাটিকে বন্দী করার সময় সে বাড়ী
ছিলনা ৷ বাড়ীতে এসে সে তার ত্রী বন্দী হবা র ৷যটনা শুনতে পড়ায় ৷ সে শপথ করে বলে যে, ঘটনার
প্ৰতিবুশাধ হিসেবে সে ঘুহ ৷ষ্মাদ (সা) এর সা ৷হাবীদের মধ্যে কারো ন ৷ কারো রক্তপাত ঘটাবে ৷ সে
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর পদচিহ্ন অনুসরণ করে অগ্রসর হয় ৷ এদিকে রাসৃলুল্লাহ্ (সা) এক জায়গায়
এসে শিবির স্থাপন করেন ৷ সাহাবীগবুণর উদ্দেশে তিনি বললেন বুক আছ আজ রাতে
আমাদেরকে পাহ৷ ৷রা দিবুব ? সাথে সাথে একজন মুহাজির ও একজন আনসারী সাহাবী বললেন,
ইয়া রাসুলা ল্লাহ্ (সা) আমরা পাহার৷ দেব ৷ তিনি নির্দেশ দিয়ে বললেন, তবুব বুত তামর৷ গিরিপবুথর
প্রবেশ দ্ব৷ রে গিয়ে অবন্থ ন গ্রহণ কর ৷ সাহাবী দুজন ছিলেন আম্মা র ইবন ইয়াসির ও আব্বাদ ইবন
ৰিশৃর ৷ গিবিপবুথর প্রবেশ দ্বাবুর গিয়ে আনসারী সাহাবী তার মুহাজির ভাইটিকে বললেন, আপনি
রাতের কোন অংশে বিশ্রাবুমর সুযোগ বুনবুবন আর আমি দায়িতৃ পালনকরব ? ঘুহাজির সাহাবী
তখন বললেন, রাতের প্রথম অ শে আপনি আমাকে বিশ্রাবুমর সুযোগ দেবেন ৷ত তারপর তিনি
ঘুমিয়ে পড়লেন ৷ আনসারী সাহাবী নামায়ে দাড়াবুলন ৷ উক্ত মুশবিক ব্যক্তি সেখানে এসে পৌছে ৷
নামাযরত সাহাবী দেবুখ সে বুঝে নিয়েছিল যে এ ব্যক্তি পাহারাদার ৷ সে তাকে লক্ষ্য করেত তীর
নিক্ষেপ করে ৷ তীর তার গায়ে বিদ্ধ হয় ৷ তিনি দেহ থেকে ভীরটি খুবুল ফেলে দেন এবং
নামাবুযই দ৷ ৷ড়িবুয় থাবুকন ৷ ওই ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে দ্বিতীয় বার ভীর নিক্ষেপ করে ৷ ভীরটি
সাহাবীর দেবুহ বিদ্ধ হয় ৷ এবারও তিনি ভীর থুবুল পাশে বুরবুখ দিবুলন এবং যথারীতি দ ডিবুয
নামায আদায় করতে থাকলেন ৷ মুশবিক ব্যক্তিটি র্তাকে লক্ষ্য কবুরত তস্বীয় বার ভীর নিক্ষেপ
করল ৷ বুসঢি তার শরীরে বিদ্ধ হল ৷ এবারও তিনি ভীরটি খুবুল পাশে রেবুখ দেন ৷ এবং নিয়ম
মাফিক রুকু সিজদা ৷কবুর নামায শেষ করেন ৷ তারপর তার সাথী আনসারী সাহাবীকে ঘুম থেকে
তুলে বলবুলন, উঠুন , আমি আমার দায়িত্ব পালন কবুরছি ৷ তাদের দুজনবুক কথা বলতে দেবুখ
মুশরিক ব্যক্তি ধারণা করে যে, তারা তাকে ধরার জবুন্য পরামর্শ করবুছন ৷ সে দ্রুত পালিয়ে যায় ৷
যখন আনসারী সাহাবী দেখলেন যে, মুহাজির সাহাবীর দেহ থেকে রক্ত ঝরবুছ ৷ তখন তিনি
বলবুলন, সুবহানাল্লাহ! আপনি আমাকে প্রথম ভীর বিদ্ধ হওয়ার সাথে সাথে ঘুম থেকে জাগাননি
কেন ? মুহাজির সাহাবী বলবুলন, আমি একটি বিশেষ সুরা পাঠ করছিলাম ৷ সুরাটি শেষ না করে
তিলাওয়াত ছেড়ে দিবুত আমার মন চায়নি ৷ কিন্তু সে যখন বার বার ভীর নিক্ষেপ করছিল তখন
আমি রুকু সিজদার মাধ্যমে নামায বুশষ করি ৷ আল্লাহর কসম ! রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমাকে গিবিপথ
পাহারার দায়িতৃ দিয়েছিলেন তা পালনে ত্রুটি হবার আশং ৷ না থাকবুল আমি নামায পড়েই যেতাম

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.