রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

জাফর ইবন আবূতালিব ও হাবশায় হিজরতকারী মুসলমানদের প্ৰতাগমনের বিবরণ

জাফর ইবন আবূতালিব ও হাবশায় হিজরতকারী মুসলমানদের প্ৰতাগমনের বিবরণ

১ জা ফর ইবন আবু৩ তালির আল হ শিমী ও তার শ্রী আসম৷ বিনত উমাইস (বা) ৷ তার পুত্র
আবদুল্লাহ যিনি হাবশায় জন্মগ্রহণ করেন ৷

২ খালিদ ইবন সাঈদ ইবন আল আল ইবন উম৷ ইয়৷ ইবন অ বদে ণ্া৷মস (রা) ৷৩ তার ত্রী
উমাইনা১ বিনত থালফ ইবন স৷ দ,৩ তার পুত্র সাঈদ যিনি হাবশায় জনাগ্নহণ করেন ৷
ও তার মাতা বিনত খালিদ, তার ভাই আমর ইবন সাঈদ (রা)৷

৪ মুঅড়াবঈব ইবন আবু ফাতিমা ৷ তিনি সাঈদ ইবন আল অসে এর পরিবারের সাথে
ছিলেন ৷

৫ আবু মুসা আল-অম্পেআরী আবদুল্লাহ ইবন কায়স (বা) , ইনি উতবা ইবন রাবীআর
পরিবারের মিত্র ছিলেন ৷

৬ আসওয়াদ ইবন নওফল ইবন থুয়ায়লিদ ইবন আসাদুল আসাদী

৭ জাহ্ম ইবন কায়স ইবন আবদু সুরাহ্বীল আল-আবদারী , তীর স্বী উম্মু হারমাল৷ বিন্ত
আবদুল আসওয়াদ যিনি হাবশায় মারা যান ৷ তার এক ছেলে আমর , এক মেয়ে খুযাইম৷ , দু’জনই
হাবশায় মারা যান ৷

৮ আমির ইবন আবু ওয়াক্কাস আয-যুহরী (বা) ৷

৯ উতবা ইবন মাসউদ (রা) হুযায়ল গোত্রের মিত্র ৷

১০ হারিছ ইবন থালিদ ইবন সখর আ৩ তায়মী, তার ত্রী রী৩ তা বিনত হারিছ (বা) ৷

১ ১ উছমান ইবন রা ৷বী আ ইবন আহব৷ ন আল-জুমাহী ৷

১ ২ মাহ্যীয়া ইবন জুয়৷ যুবায়দী, বনু ছাহমের মিত্র ৷

১৩ মা’মার ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন নুদলা আল-আদয়ী ৷

১৪ আবু হাতির ইবন আমর ইবন আরদে শামৃস ৷

১৫ মালিক ইবন রাবীআ ইবন কায়স ইবন আরদে শাম্স আল আমিরী , তার শ্রী আমৃরাহ
বিনত সাদী (বা) ৷

১৬ হারিছ ইবন আবদু শামস ইবন লাকীত আল-ফিহরী (রা) ৷

গ্রন্থকা র (র) বলেন, ইবন ইসহাক ঐ সকল আশআরীর নাম উল্লেখ করেননি যার৷ আবু মুসা
আল আশআরী ও তার দুই ভাই আবু বুরদা ও আবু রুহম এবং তার চাচা আবু আমরের সাথে
ছিলেন; বরং তিনি আবু মুসা আল আশআবী ব্যতীত অন্য কোন আশআরীর উল্লেখ করেননি,
এমনকি তার চাইতে বয়ােজেষ্ঠ তার দুই ভাইয়েরও কোন উল্লেখ করেননি ৷ অথচ সহীহ

বুখারীতে তাদের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে ৷ সম্ভবত ইবন ইসহাক এ সম্পর্কে আবু মুসা
(রা) এর হা ৷দীছ সম্বন্ধে অবগত ছিলেন না ৷ আল্লাহ্ত ৷লাই অধিক জ্ঞা ৷ত ৷

রাবী বলেন, দুটি জাহাজের মধ্যে৩ তাদের সাথে ঐ মুসলিম মহিলারাও ছিলেন যাদের স্বামীগণ

সেখানে ইনতিকাল করেছিলেন ৷ ইমাম বুখারী (র) এ সম্পর্কে বহু চমৎকার তথ্য পরিবেশন
করেছেন ৷ তিনি বলেন, আমাদেরকে আলী ইবন আবদুল্লাহ্ (র) আমরাস৷ ইবন

১ ইসাব৷ গ্রন্থে৩ তার নাম উমায়ম৷ বলে উল্লেখ করা হয়েছে ৷

সাঈদ এর সনরুদ বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, আবু হুরায়রা (রা) রাসুলুল্লাহ্ ( সা) এর দরবারে
উপস্থিত হয়ে খায়বারের গনীমতের অংশ চা ছিলেন ৷ তখন বনু সাঈদ ইবন আলআশের এক ব্যক্তি
বলল, তাকে গনীমতের অংশ দেবেন না ৷ খনত আবু হুরায়রা (বা) বলেন, “এ লোকটি প্রসিদ্ধ
সাহাবী ইবন কুকালের হতাকা ৷রী ৷ ” তখন লোকটি বলল, “এ লিক্লিকে সাপঢির আগমনে আমি
অবাক হচ্ছি ৷ যাল নামক পর্বতের চুড়া হতে নেমে এসেছে ৷ এটা বুখারী (র)-এর একক বর্ণনা৷

বুখারী (বা) বলেন আমবাসা ইবন সাঈদের বরাতে ঘুবায়দী (র) বর্ণনা করেন ৷ তিনি
বলেন, “আবু হুরায়রা (রা) সাঈদ ইবনুল আসকে সংবাদ দেন ৷ তিনি বলেন, “রাসুলুল্লাহ্ (সা)
মদীনা হতে নজদের দিকে আবানকে একটি অভিযানের দায়িত্ব দিয়ে পাঠালেন ৷ আবু হুরায়রা (রা)
বলেন, খায়বার জয়ের পর আবান এবং তার সাথিপণ খায়বারে রাসুলুরুম্রড়াহ্ (সা)এর সাথে সাক্ষাৎ
করেন ৷ এসময় তাদের ঘোড়া র দড়ি ছিল থেজুরের পাতায় নিঃবত ৷ আবু হুরায়রা ( বা) বলেন,
আমি রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) কে বাংলায়, ইয়৷ রাসুলাল্লাহ্ ! তাদেরকে ন্াৰীমতের কোন অংশ দেবেন
না ৷ ” আবান তখন বলে উঠলেন : “এ ব্যাপারে তুমি কেন কথা বলছ ? হে খরগােস ! তুমিত
যাল নামক পর্বতের চুড়া হতে নেমে এসেছ ৷” রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন “ হে আধান, তুমি বসে
পড় ৷ ’রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) তাদেরকে কোন অংশ দিলেন না ৷

এ হাদীছটি আবু দাউদ (ব) ষুবাইদী থেকে অনুরুপ বর্ণনা করেন ৷

এরপর ইমাম বুখারী (ব) সাঈদ ইবন আমর (বা) এর সনদে বলেন, আধান ইবন
সাঈদ (রা ) রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নিকট আসলেন এবং সালাম দিলেন ৷ আবু হুরায়রা (বা) বলে
উঠলেন, ইয়৷ বাসুলাল্লাহ্ ! এ ব্যক্তিটিই ইবন কুকালের হতাকােরী ৷ আবান (বা) আবু হুরায়রা
(রা) কে বললেন, হে থেরগােস, তোমাকে নিয়ে অবাক হতে হয়, বলে নামক পর্বতের চুড়া হতে
তুমি নেমে এসে ঐ লোকটির মৃতু রে জন্যে তুমি আমাকে দায়ী ঠাওরাচ্ছে৷ ! অথচ আল্লাহ্
তাআলা আমার হাতে তাকে শাহাদতের মর্যাদা দান করেছেন এবং আমাকে তার হাতে
অপমানিত করার দায় থেকে রক্ষা করেছেন ? ইমাম বুখারী (র) এককভারে এ বর্ণনাটি পেশ
করেছেন এবং জিহাদের অধ্যায়ে হুমায়দী (রা)-এর হাদীছ বর্ণনা করার পর আবুহুরায়রা (রা)-এর
বরাতে বলেন , অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন ৷ সুফিয়ান থেকেও আবু হুরায়রা (বা) সুত্রে
অনুরুপ হাদীছ বর্ণিত রয়েছে ৷ লক্ষণীয় যে, এ হাদীছের মধ্যে আবু হুরায়রা (বা ) হতে স্পষ্টভাবে
বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি খায়বার যুদ্ধে উপ ত ছিলেন না ৷ এ অভিযানের বিবরণের শুরুতে তা
উল্লেখ করা হয়েছে ৷

ইমাম আহমদ (র) আবুহুরায়রা (বা) হতে বণ্টা৷ করেন ৷ তিনি বলেন, খায়বার
বিজয়ের পর তিনি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে আগমন করেন এবং মুসলমানদের সাথে এ
ব্যাপারে কথা বলেন ৷ তাতে মুসলমানগণ তাকে তাদের পনীমতের অংশে অন্তভুক্ত করেন ৷

ইমাম আহমদ (ব) আমার ইবন আবুঅ৷ ৷ম্মার (বা )-এর বরাতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি
বলেন, যে যুদ্ধে গনীমত পাওয়া ৷গিয়েছে এরুপ যে কোন যুদ্ধেই আমি অ×শ নিয়েছি, বাসুলুল্লাহ্
(সা) আমাকে গনীমতের অংশ দিয়েছেন ৷ কিন্তু খায়বার যুদ্ধে দেন ন ই ৷ কেননা ৷,হুদায়বিয়া
সন্ধিতে যারা উপস্থিত ছিলেন৩ ৷দেরই জন্যে খায়বায়ের গনীমত স০ ×বক্ষিত ছিল ৷

গ্রন্থকার বলেন, “আবুহুরায়রা (রা) ও আবুঘুসা (রা) হুদায়বিয়৷ ও খায়বারের মধ্যবর্তী সময়ে
বাসুলুল্লাহ (সা) এর কাছে আগমন করেছিলেন ৷ ইমাম বুখারী (ব ) আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ
আবু হুরায়রা (রা) সুত্রে বংনাি করেন ৷ তিনি বলেন, “আমরা খায়বার বজয় করি; কিন্তু আমরা তাতে
স্বর্ণ ও রৌপোর কোন গনীমত লাভ করিনি ৷ আমরা গনীমত লাভ করেছি উট,গ্ গরু, আসবাবপত্র
ও রাগ-বাপিচা ৷ এরপর আমরা রাসুলুল্লাহ (সা) এর সাথে ও যা৷দল করায় যাই ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)
-এর সাথে মিদআম নামক তার এক দাস ছিল ৷ বনুদাবীবের এক ব্যক্তি ওরাসুলুল্লাহ ( না) কেত
উপচৌকন স্বরুপ দিয়েছিলেন ৷ সে রাসুলুল্লাহ (সা) এর উটের গদি নামাবার সময় একটি তীর
এসে তার উপর পড়ল এবং যে তাতে মারা যায় ৷ জনতা তাকোহীদ জ্ঞানে অঙিনন্দিত করল,
কিভু রাসুলুল্লাহ (সা) বলেন, কখনও না ৷ কেননা, খ যবারেব দিন যে গনীমত বণ্টনের পুর্বেই
একটি চাদর চুরি করেছিল ৷ এ চা ৷দরটি তার উপর আগুন ঝরাচ্ছে৷ একথা শোনার পর কেউ কেউ
জুতার একটি ফিতা কিৎব৷ দুটি ফিতা নিয়ে হাযির হয়ে বহুন্ারুত লাগল, “এ জিনিসটি আমি
নিয়েছিলাম ৷” বাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, “এটি জাহান্নামের একটিাইৰুতা বা দুইটি ফিত৷ ৷”

বিষ মিশ্রিত বকরীর ঘটনা ও নবুওয়াতের জলজ্যাম্ভ প্রমাণ

বুথারী (র) বলেন, উরওয়৷ (র) উম্মুল মু’মিনীন আইশ৷ (রা)-এর মাধ্যমে রাসুলুল্লাহ (সা)
হতে বর্ণনা করেছেন ৷ অপর সনদে তিনি আবুহুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি
বলেন, খায়বার বিজয় কালে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর কাছে একটি বিষ মিশ্রিত ভোন৷ বকবী হাদীয়া
স্বরুপ দেওয়া হয়েছিল ৷ এরুপে তিনি ঘটনাটির একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ পেশ করেন ৷

ইমাম আহমদ (র) হাজ্জাজ — আবু হুরায়রা (রা) সুত্রে বংনি৷ করেন ৷ তিনি বলেন,
“যখন খায়বার বিজয় হয় তখন রাসুলুল্লাহ (সা) এর কাছে একটি বিষ মিশ্রিত ভোন৷ বকবী হ৷ ৷দিয়া
দেওয়া হয়েছিল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বলেন, এখানে যত ৩ইয়াহদী আছে সকলকে আমার কাছে ডেকে
নিয়ে আস ৷ তাদের সকলকে সমবেত করা হলে বাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, আমি তোমাদেরকে
কিছু প্রশ্ন করব , তোমরা কি সত্য বলবে ? তারা বলল, “হী৷ , হে আবুল কাসিম !” বাসুলুল্লাহ (সা)
তাদেরকে বললেন, “ (শ্তামাদের পিতা কে ? তারা বলল, অমুক আমাদের পিতা ৷ রাসুলুল্লাহ (সা)
বললেন, তোমরা মিথ্যা বলেছ; বরং তোমাদের পিতা হচ্ছে অমুক ব্যক্তি ৷ তারা বলল, “আপনি
যথার্থ বলেছেন ৷ রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, তামরা কি আম৷ ৷র সাথে সত ৷ কথা বলবে, যদি আমি
তোমাদেরকে আরো একটি কথা জিজ্ঞেস করি ? তারা বলল, জী হ্যা হে আবুল কাসিম ৷ আর
আমরা যদি মিথ্যা বলি তাহলেও আপনি আমাদের মিথ্যা বুঝতে পারবেন ৷ যেমন আমাদের পিতা
সম্বন্ধে মিথ্যা উক্তিটি আপনি বুঝতে পেরেছেন ৷ তখন রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, “জাহান্নামের
বাসিন্দা কারা ?ত তারা বলল, আমরা কিছু দিনের জন্যে জাহান্নামে থাকব ৷ এরপর আপনারা ৷
রাসুলুল্লাহ (সা) তাদেরকে বললেন, আল্লাহর শপথ ! আমরা কখনো তোমাদের পরে জাহান্নামে
থাকবন৷ ৷ এরপর রাসুলুল্লাহ ( সা) তাদেরকে বললেন, “৫৩ আেরা কি আমার কাছে সত্য কথা
বলবে যদি আ ৷মি তোমাদেরকে আরো একটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করি ? ” তারা বলল, জী হ্যা হে আবুল
কাসিম ! তখন রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, “এ বকরীতে কি তোমরা বিষ প্রয়োগ করেছ ? তারা

বলল, “জী হীড়া ৷ ” রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, কেন তোমরা এ কাজটি করতে গেলে ? তারা
বলল, “আমরা এটা এ উদ্দেশ্যে করেছিলাম যে, যদি আপনি মিথ্যাবাদী হয়ে থাকেন তাহলে
আমরা আপনার করল থেকে পরিত্রাণ পার আর যদি আপনি সত্য নবী হা;য় থাকেন, তাহলে এটা
আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না ৷ ”

উপরোক্ত হাদীছটি ইমাম বুথারী (র) জিঘৃইয়া অধ্যায়ে আবদুল্লাহ ইবন ইউসুফ এবং মাপাযী
অধ্যায়ে কুতায়বা থেকে বর্ণনা করেছেন ৷

রায়হাকী (র) আবুআবদুল্লাহ হাফিয — — আবুহুরায়র৷ (বা) সুত্রে বর্ণনা করেন ৷ তিনি
বলেন, “একজন ইযাহুদী রমণী রাসুলুল্লাহ্ (সা)-কে একটি বিষ মিশ্রিত বকরী হাদিয়া স্বরুপ
দিয়েছিল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার সাহাবীপণকে বললেন, “ এটা খ;শ্ওয়া থােহুৰু বিরত থাক ৷ কেননা,
এটাতে বিষ মিশ্রিত রয়েছে ৷” এবং রমণীটিকে বললেন, “তুমি <কন এটা করতে গেলে ?
রমণীটি বলল, “আমি আপনাকে পরীক্ষার মাধ্যমে জানবার ইচ্ছা পোষণ করেছিলাম ৷ যদি আপনি
সত্য সত্য নবী হয়ে থাকেন তাহলে আল্লাহ তাআলা আপনাকে এ ব্যাপারে সংবাদ দেবেন ৷ আর
যদি আপনি মিথ্যারাদী হন তাহলে আমি জনগণকে আপনার অনিষ্ট থেকে পরিত্রাণ পাবার ব্যবস্থা
করতে পারবো ৷ এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাকে আর কিছু বললেন না ৷

আবু দাউদ (র) ও ইমাম রায়হাকী (র) ভিন্ন ভিন্ন সুত্রে অনুরুপ বর্ণনা করেছেন ৷

ইমাম আহমদ (র) ওরায়হ ইবন আব্বাস (রা) সুত্রে অনুরুপ বর্ণনা করেন ৷ তবে
এতে অতিরিক্ত আছে এরপর হতে যখনই রাসুলুল্লড়াহ্ (সা ) কোন প্রকার বিষক্রিয়া অনুভব করতেন
তখনই রক্ত মোক্ষণ করাতেন ৷ একবার তিনি উমরা আদায়ের জন্যে বের হন ৷ যখন তিনি ইহরাম
র্বাধেন তখনই বিয়ের ক্রিয়া অনুভব করতে লাপলেন, তখন তিনি রক্ত মােক্ষণ করালেন ৷ ইমাম
আহমদ (র) এককভাবে এ রর্ণনাটি পেশ করেন ৷

ইমাম বুখারী ও মুসলিম ণ্ড’বা আনাস ইবন মালিক (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন ৷ তিনি
বলেন, “একজন য়াহ্রদী মহিলা একটি বিষমিশ্রিত বকরী সহকারে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে
সাক্ষাত করে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বকরীর গোশত খান এবং তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন ৷
সে বলল, “আমি (চয়েছিলাম আপনাকে হত্যা করার জন্যে ৷ রাসুণুদ্বুত্রাহু (সা) বল ণে ন “আং;া৷হু
তাআলা কোন দিনও তোমাকে আমার উপর প্রভাব বিস্তার করতে দোবন না ৷ সাহাবায়ে কিরাম
বললেন, “আমরা কি ৩াকে হত৷ করব ?” রাসুপুপ্লাহু (সা) রলপেন, “না” আনম্পে (বা) বলেন,
“আমি সব সময়ই রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর আলজিভে এ বিষক্রিয়া প্রত্যক্ষ করতাম ৷

ইমাম আবু দাউদ (র) সুলায়মান ইবন দাউদ জাৰিব ইবন আবদুল্লাহ (রা) সুত্রে
বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, “খায়বারের একজন ইয়াহ্রদী মহিলা একটি ভুনা বকরীতে বিষ মিশায়
ও পরে তা রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর কাছে হাদিয়া স্বরুপ পাঠায় ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) একটি সামনের
রানের গোশত নিলেন ও খেলেন এবং তার সাহাবীরা কয়েকজন খেলেন ৷ এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা)
সাহাবাপণকে বললেন, “ তোমরা হাত গুটিয়ে নাও ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) মহিলাটিকে ডেকে পড়াঠালেন
এবং তাকে বললেন, “তুমি কি এ বকরীতে বিষ মিশিয়েছ ? য়াহ্রদী মহিলাটি বলল, “আপনাকে

কে এ স বাদ দিল ? ” বাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, “আমার হাতে যা আছে এটা ই আমাকে সং বাদ
দিয়েছে অর্থাৎ বাশেব গােশত৷ ” মহিলাঢি বলল জী হ্যা রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন “তুমি কেন এ
কাজটি করতে গেলে ?” মহিলাটি বলল, “আমি মনে করেছিলাম, আপনি যদি নবী হয়ে থাকেন
তাহলে এ বিষ আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না আর যদি নবী না হয়ে থাকেন তাহলে
আমরা আপনার অনিষ্ট থেকে অব্যাহতি অর্জন করব ৷” রাসুলুল্লাহ্ (স৷ ) এ যহিলাটিকে ক্ষমা করে
দেন, তাকে কোন শাস্তি দেননি ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাহাবীদের মধ্যে হারা এ গোশত
থেয়েছিলেন তাদের কেউ কেউ মৃতু ভ্যু মুখে পতিত হন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বিষ মিশ্রিত বকরী
খাওয়ায় পিঠের উপরিভাগ থেকে রক্ত মােক্ষণ করান ৷ এক সাহাবী আবু হিন্দ (রা), একটি ছুরি ও
সিৎগার সাহায্যে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর রক্ত মােক্ষণ করেন ৷ তিনি ছিলেন অন্যেসারের বনু বায়াদার
একজন আযাদকৃত দাস ৷

এরপর আবু দাউদ (ব) ওহব ইবন বাকিয়্যা আবু সালাম৷ (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন ৷
তিনি বলেন, “ খায়বারে এক ইয়াহুদী মহিলা একটি ভুন৷ বকবী হাদিয়৷ স্বরুপ প্রেরণ
করেছিলেন ৷ বাকী হাদীছ পুর্বরুপ জাবিরের হাদীছের ন্যায় বর্ণনা করেন ৷ এরপর আবু সালামা (রা )
বলেন, এরপর বিশর ইবন বারা ইবন মা’রুর (রা)-এর বিষক্রিয়ায় ইন্তিকাল করেন ৷ এরপর
রাসুলুল্লাহ্ (সা) ইয়াহুদী মহিলার কাছে লোক প্রেরণ করেন ও তাকে বলেন, তুমি এ কাজটি
কেন করলে ? ” এরপর রাসুলুল্লাহ্ (না) এ মহিলাটিকে হত্যা করার হুকুম দিয়েছিলেন ৷ এ হাদীছে
রক্ত মােক্ষণের কোন উল্লেখ নেই ৷

বায়হাকী (র) আবু হুরায়রা (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, প্রথমে
যহিলাটিকে হত্যা হয়ত করা হয়নি ৷ এরপর যখন বিশর ইবন বার৷ ইনতিকাল করেন তখন তাকে
হত্যা করার হুকুম দেওয়া হয় ৷

বায়হাকী( ব ) আবদুর রহমান ইবন কা ৷’ব ইবন মালিক (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন ৷ তিনি
বলেন, একজন ইয়াহ্রদী মহিলা রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে খায়বারে একটি ভুনা বকরী হাদিয়া
প্রেরণ করল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) জিজ্ঞেস করলেন, “এটা কি ? সে বলল, “হাদিয়৷ ৷” সে সাদকা
না বলার ব্যাপারে সতর্ক ছিল, কেননা, তাহলে রাসুলুল্লাহ্ (সা ) খাবেন না ৷ রাবী বলেন, “এরপর
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এবং তার সাহাবীগণ তা থেকে খেলেন ৷ এরপর তিনি বলেন, খাওয়া থেকে
বিরত থাক ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) মহিলাটিকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কি বিষ মিশ্রিত করেছ ?
মহিলাটি বলল, “আপনাকে কে এ সংবাদটি দিল ? তিনি বললেন, এ হাড়টি, যা৩ তার হাতে ছিল ৷
মহিলাটি বলল, “জী হ্যা” ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, কেন ?” মহিলাটি বলল, নামি ইচ্ছে
করেছিলাম যে, যদি আপনি মিথুাক হন তাহলে আমরা আপনার উপদ্রব থেকে পরিত্রাণ পাব ৷ আর
যদি আপনি সত্যিক৷ ৷র নবী হন তাহলে এটা আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না ৷ রাবী বলেন
এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) পিঠের উপরিভ৷ ৷গ থেকে রক্ত মােক্ষণ করান এবং সাহাবায়ে কিরামকেও
এরুপ করতে হুকুম দেন ৷ সাহাবায়ে কিরামও রক্ত মোক্ষণ করান ৷ তবে তাদের একজন মারা
যান ৷ যুহরী (র ) বলেন, “মহিলাটি পরে মুসলমান হয়ে গিয়েছিল এবং রাসুলুল্লাহ্ (সা) মহিলাটিকে
ক্ষমা করে দিয়েছিলেন ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.