Register Now

Login

Lost Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

তাবূক অভিযান কালে রাসূলুল্পাহ (সা) -এর হিজর এলাকায় অবস্থিত ছামূদ জাতির আবাসস্থল অতিক্রম করার কথা

তাবূক অভিযান কালে রাসূলুল্পাহ (সা) -এর হিজর এলাকায় অবস্থিত ছামূদ জাতির আবাসস্থল অতিক্রম করার কথা

লোকেরা তার যে নির্দেশ পালন করল ৷ তারপর তিনি তাদের নিয়ে প্রস্থান করে সেই কুয়োর
কাছে অবস্থান নিলেন, যে কুয়াে থেকে আল্লাহ্র উটনী১ পানি পান করত ৷ তিনি আযাবে
নিপতিত কওমের এলাকায় প্রবেশ করতে নিষেধ করে লোকদের বললেন, “আমার আশংকা
হয় যে, তাদের উপর যে আমার এসেছিল তা ণ্তড়ামাদের উপরও না এসে পড়ে ৷

অতএব তোমরা সেখানে প্রবেশ কর না ৷” এ সনদে হাদীসখানি বুখারী মুসলিম (র)-এর
শর্তানুরুপ তবে সিহাহ প্রহুসমুহের ইমামগণ উক্ত সনদে এ হড়াদীসখানি রিওয়ায়াত করেননি ৷
বুখারী ও মুসলিম (র) হড়াদীসখানি গ্রহণ করেছেন আনাস ইবন ইয়ার (র) নাফি ইবন উমার
(বা) সনদে ৷ বুখারী (র) উসামা (রা) থেকে এ হাদীসের সমার্থক রিওয়ায়াত থাকার কথা
উল্লেখ করেছেন ৷ আর মুসলিম (র) শুআয়ব ইবন ইসহাক (র) নাফি (র) সুত্রে হড়াদীসখানি
রিওয়ায়াত করেছেন ৷

ইমাম আহমাদ (র) বলেছেন, আব্দুর রড়াঘৃয়াক (র)জাবির (রা) সুত্রে তিনি বলেন, নবী
করীম (সা) হিজর অতিক্রম করার সময় বললেন, তােমরা মুজিযা দেখবার দাবী কর না ৷
কেননা, সালিহ (আ)-এর কওম সে দাবী করেছিল ৷ ফলে মুজিযড়ার উট এ পথ দিয়ে কুয়ােতে
নামত আর ঐ পথ দিয়ে বেরিয়ে যেত ৷ পরে তারা তাদের প্রতিপালকের হুকুমের অরাধ্য হয়ে
তাকে আঘাত করে মেরে ফেলল ৷ সে একদিন তাদের পানি পান করত, আর তারা একদিন
তার দুধ পান করত ৷ তবু তারা তাকে মেরে ফেলল ৷ ফলে এমন তীব্র নিনাদ তাদের আক্রমণ
করল যে, আল্লাহর হারামে’ অবস্থানকারী তাদের একটি লোক ব্যতীত আসমানের নীচে
বসবাসকারী তাদের প্রতিটি লোককে আল্লাহ চিরতরে নিস্তব্ধ করে দিলেন ৷ লোকেরা জিজ্ঞেস
করল, ইয়া রাসুলাল্লাহ৷ সে একটি লোক কে ? তিনি বললেন, তার নাম ছিল আবু রুগাল; সে-
ও আল্লাহর হারাম’ থেকে বেরিয়েশ্আসলে সেই আমার তাকে পাকড়াও করল, যা তার
স্বজাতিকে পাকড়াও করেছিল ৷ এ হাদীসের সনদ সহীহ্ বিশুদ্ধ ৷ তবে সিহাহ প্রন্থসমুহের
ইমামগণ তা রিওয়ায়াত করেননি ৷

ইমাম আহমাদ (র) বলেন, য়াযীদ ইবন হারুন (র)মুহাম্মদ ইবন আবু কাবশা আল

আনমারী (র)-এর পিতা সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, তাবুক অভিযানের পথে লোকেরা

হিজরবাসীদের এলাকায় প্রবেশ করতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ল ৷ রাসুলুল্লাহ (না)-এর কাছে এ

ৎবাদ পৌছলে লোকদের মাঝে ঘোষণা দেওয়া হল সালাতের জামাতে হাযির হও !

বর্ণনাকারী বলেন, আমি তখন রাসুলুল্লাহ (না)-এর কাছে আসলাম ৷ তিনি তখন তার উটের

গতি নিয়ন্ত্রণ করতে করতে বলছিলেন-

“আল্লাহ যাদের উপর গযব নাযিল করেছেন, এমন কওমের এলাকায় তোমরা প্রবেশ করছ
কেন ?” এক ব্যক্তি আওয়ায করে বলল, এ জাতির প্রতি বিস্ময়বােধের কারণে ৷ তিনি বললেন,

১ আল কুরআনে উল্লেখিত সালেহ (আ) এর উটনীষ্য়া আল্লাহর পক্ষ থেকে যুজিমা স্বরুপ র্তাকে দেওয়া
হয়েছিল ৷

আমি কি তােমাদেরকে এর চ ইতে অধিকতর বিস্ময়কর ব্যপায়ের স বাদ দেবাে না ?
(তা হল) তােমাদেরই মাঝের এক ব্যক্তি তোমাদের আগে যা হয়েছে আর পরে যা হবে তার
ৎবাদ তোমাদের কাছে পরিবেশন করেন৷ অতএব তোমরা অবিচল থাক সঠিক পথে
থাকো! কেননা, আল্পাহ্ <;তামাদের আযাব দিতে কোন কিছুর তােয়াক্কা করেন না ৷ আর
অচিরেই এমন জা ড়াতির আগমন ঘটবে যারা নিজেদের উপর থেকে কোন বিপদ প্রতিহত
করতে পারবে না ৷”

এ হাদীসের সনদ হাসান পর্যায়ের : তবে সিহাহ এর স কলকগণ তা রিওয়ায়াত করেননি ৷
ইউনুছ ইবন বুকা য়র (র) ইবন ইসহাক (র) থেকে আল আব্বাস ইবন সাহল ইবন সা দ
আস সাঈদী (রা) কিংবা (বর্ণনা সন্দেহে) আল আব্বাস ইবন মাস (বা) বর্ণনা করেন যে,
রাসুলুল্লাহ (না) যখন হিজর অতিক্রম করছিলেন, তখন সেখানকার কোন কুয়াের পানি ব্যবহার
করাতে নিষেধ করা সাথে সাথে আংরা বলেন-

কোন সংগীকে সাথে না নিয়ে আজ রাতে তোমাদের কেউ একাকী বের হবে না ৷ কিন্তু বনু
সাইদার দুই ব্যক্তি ব্যতীত লোকেরা রাসুলুল্লাহ (না)-এর এ হুকুম তালিম করল : তাদের
একজন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বের হয় অনজেন বের হয় তার একটি উটের সন্ধানে ৷
প্রথমেক্তে জনকে পথে শ্বাসরুদ্ধ করা হয় ৷ আর উটের সন্ধানে বেরিয়ে পড়া লোকটিকে প্রবল
বায়ু তুলে নিয়ে তায়’ পাহাড়ের এলাকায় ফেলে দেয় : রাসুলুল্লাহ (না)-কে এ বিষয় জানানো

হলে তিনি বললেন, “কোন সংগীকে সাথে না নিয়ে একাকী বের হতে আমি কি তোমাদের
নিষেধ করিনি ?”

তারপর শ্বাসরুদ্ধকৃত লোকটির জন্য তিনি দৃআ করলে সে আংরাগ্য লাভ করে আর দ্বিতীয়
ব্যক্তি রাসুলুল্পাহ (সা) তাবুক থেকে ফিরে আসার পর তার সাথে মিলিত হয় ৷ তবে ইবন ইসহাক
(র) সুত্রে যিয়াদ (র)-এর রিওয়ড়ায়াতে রয়েছে যে, রাসুলুল্পাহ (সা) মদীনায় ফিরে এলে তায়’-
এর বাসিন্দারা এ লোকটিকে তার খিদমতে হাদিয়া রুপে পাঠায় !

ইবন ইসহাক (র) বলেন, অবৃদুল্লাহ ইবন আবু বকর (র) আমাকে বলেছেন যে, আব্বাস

ইবন সাহল (বা) তার কাছে ঐ লোক দুজনের নাম ব্যক্ত করেছিলেন ৷ তবে সাথে সাথে তিনি
তা গোপন রাখতেও বলেছিলেন ৷ তাই তিনি আর আমার কাছে নাম দুটি ব্যক্ত করেন নি ৷

ইমাম আহমাদ (র) বলেন, আফ্ফড়ান (র)আবু হুমায়দ আস সাঈদী (রা) থেকে বর্ণনা
করেন, তিনি বলেন যে, তা অভিযানড়া কা লে আমরা ওয়া দিল কুরা’য় পৌছলে সেখানে এক
মহিলাকে তার বাগানে দেখতে পেলাম ৷ রাসুলুল্লাহ (সা) তা ড়ার সহচরদের বললেন,

“এ বাগানের ফল-ফসলের পরিমাণ অনুমান কর তো ৷ ” লোকেরা যে যার মত অনুমান করল ৷
রাসুলুল্লাহ (সা) অনুমান করলেন দশ ওয়াসক ৷ ১ রাসুলুল্লাহ (সা) মহিলাঢিকে বললেন-

“আমরা ফিরে আসা পর্যন্ত এ বাগানের উৎপন্ন ফল-ফসলের সংরক্ষণ করে রাখবে ৷

বর্ণনড়াকারী বলেন, তারপর তিনি তাবুকে উপনীত হওয়া পর্যন্ত সফর অব্যাহত রাখলেন ৷
সেখানে পৌছে রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন,

“শোন ! আজ রাতে তোমাদের উপর দিয়ে প্রচণ্ড ঝড় বয়ে যাবে ৷ সুতরাং কেউ যেন এ
রাতে বের না হয় ৷ যাদের উট রয়েছে, তারা যেন সেগুলির বীধন মযবুত করে রাখে ৷

(বর্ণনড়াকারী) আবু হুমায়দ (বা) বলেন, আমরা মযবুত করে উট বেধে রাখলাম ৷ রাতের
বেলা প্রচণ্ড বায়ু প্রবাহ আমাদের উপর দিয়ে বয়ে গেল ৷ এক ব্যক্তি তার মাঝে বের হলে
বাতাসের ঝাপটা তাকে তায়’ পাহাড়ের কাছে নিয়ে গেল ৷

এ সময় আয়লা২-র সামন্ত রাজা (-র দুত) রাসুলুল্লাহ (সা)এর দরবারে হাজিরী দিলেন ৷
রাজা রাসুলুল্লাহ (না)-কে একটি সাদা রঙের খচ্চর হাদিয়া দিলেন ৷ রাসুলুল্লাহ (না) তাকে
খেলাত স্বরুপ চাদর’ দিলেন এবং তাকে নিরাপত্তাপত্র লিখে দিলেন ৷ এরপর তিনি আমাদের
নিয়ে ফিরে চললেন ৷ ফিরতি পথে ওয়াদিল কুরায় পৌছলে তিনি বাগানের মালিক সেই মহিলাকে
বললেন, তোমার বাগানে কি পরিমাণ ফসল হল ? সে বলল, দশ ওয়াসক যা রাসুলুল্লাহ (সা)
অনুমাণ করেছিলেন ৷ তখন রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, আমি একটু দ্রুত ফিরতে চাই; ণ্তামাদের
কেউ দ্রুত যেতে চাইলে সে যেন দ্রুত চলে ৷ বর্গনাকারী বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) রওয়ানা হলেন ৷
আমরাও তার সাথে চললাম ৷ মদীনায় কাছাকাছি পৌছলে তিনি বললেন-

এ হল তাবা (পবিত্র মদীনা) ৷ উহুদ পাহাড় দৃষ্টি গোচর হলে তিনি বললেন, এ হল উহুদ ৷
যে আমাদের ভালৰাসে, আমরাও তাকে ভালবাসি ৷ আমি ভোমাদেরকে আনসায়ীদের মাঝে
শ্রেষ্ঠ গোত্র সম্পর্কে অবহিত করব কি ? আমরা বললাম, অবশ্যই ইয়া রাসুলল্লোহা

তিনি বললেন-

“আনসারীদের শ্রেষ্ঠ গোত্র হচ্ছে নাজ্জার গোত্র ৷ তারপর আব্দুল আশহাল গোত্র, তারপর

বনু সাঈদা, তারপর আনসারীদের প্রতিটি গোত্রেই কল্যাণ রয়েছে ৷ বুখারী ও মুসলিম (র)
আমর ইবন রাহয়া (র) থেকে একাধিক সুত্রে রিওয়ায়াত করেছেন ৷

১ এক ওয়াসক ( প্রুশু) ৬০ না অর্থাৎ পড়াচ মনের কিছু অধিক; ২০০ কিলোগাম ৷
২ ঈলা বা আয়লা তৎকালীন আরবের উত্তর সীমান্তে রোমান সীমান্ত বন্দর ৷ বর্তমান জর্দানের বন্দর
আয়লা’ বা আয়লাত এর কাছাকাছি অবস্থিত ছিল ৷ অনুবাদক

বনু আমির-এর প্রতিনিধি দল
আমির ইবনুত তুফায়ল ও আরবাদ ইবন মাকীস এর ঘটনা

ইবন ইসহ!ক বলেন, বনু আমির গোত্রের প্রতিনিধি দল ব!সুলুল!হ (সা) এর দরবারে
এলো ৷ দলের মাঝে ছিল আমির ইবনুত তৃফায়ল, আরব!দ ইবন মার্কীল ইবন জ!য্ ইবন
জ! ফর ইবন খ!লিদ ও স্ফো!ৱ (মত ত!ন্তার হ!র!!ন) ইবন সালমা ইবন মালিক ইবন জাফর ৷ এ
তিনজনই ছিল গোত্রপতি ! আল্লাহর দৃশমন আমির ইবনুত তুফায়ল রাসুলুল্লাহ (সা) এর কাছে
এসেছিল প্ৰত !রণ!র মাধ্যমে তাকে হত্যা করার উদ্দেশে! ৷ তার গোত্রের লোকেরা তাকে
বলেছিল, আবু আমির ! লোকের! দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করছে,৩ তুমিও মুসলমান হয়ে যাও !
যে বলছিল, আল্লাহর কলম ! আমি (তা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে, গোটা আরব আমার পসাংক
অনুসারী না হওয়া পর্যন্ত আমি ক্ষান্ত হব না ৷ আর তোমরা এখন আমাকে এ কুরায়শী যুবভ্রুকর
অকু!!মী হতে বলছে! ? পরে সে আরব!দকে বললে! , গ্লুল!কর্টির কাছে আমরা পৌছে গেলে আমি
তাকে তােমার ব!!পারে অমনােয়ে!পী করে ফেলব ৷ আর তা করা মাত্র তুমি তরব!রি নিয়ে তার
উপরে চড়াও হবে ! রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে আমির ইরণু৩ ঙুক!রল র লল , হে
মুহাম্মদ! চল, আমরা এক!স্তে কথা বলি ! তিনি বললেন, না, আল্লাহর কলম! যত ক্ষণ না তুমি একমাত্র আল্লাহর প্ৰতি ঈমান আনবে ৷ আমির
আবার বলল, মুহাম্মদ ! চল, একটু একাকী কথা বলি ৷ এভাবে কথা বলে সে র!সুলুল্লাহ (স!)-
এর মনযােগ নিজের দিকে আকৃষ্ট করে এবং আরব!দ তার উপর অর্পিত কাজটি সমাধা করবে
এ প্রভীক্ষ!য় থাকলে! ৷ কিন্তু আরবদে যেন কোন কিছুর দিশা করে উঠতে পারছিল না ৷ আ !মির
আববদ্যোক সাড়াহীন দেখতে পেয়ে আবার বলল, মুহাম্মদ, চল নির্জনে কথা বলি ৷ নবী কবীর
(স!) বললেন, না, যতক্ষণ না তুমি ল! শরীক একক আল্লাহকে বিশ্বাস করছে! !! র!সুলুল্লাহ (সা)
বার বার অস্বীকৃতি ৩জ্ঞাপন করলে আমির বলে উঠল, আল্লাহর কলম! ঘোড় সওয়!র ও
পদাতিক বাহিনী দিয়ে আমি এ শহর ঘের!ও করে ফেলব ৷ এ হুমর্কী দিয়ে চলে যেতে ল!পলে
র!সুলুল্লাহ (স!) বললেন,“ইয়! আল্লাহ! আমির ইবনৃত তুফায়লের
ব্যাপারে আমার জন্য আপনিই যথেষ্ট হোন ! ” প্রতিনিধি দল ব!সুলুল্লাহ্ (সা) এর দরব!র থেকে
অতিক্রা !ত হওয়ার পরে আমির আরব!দকে বলল, আমি তে !মাকে য! বলেছিল!ম আর কী হল !
আল্লাহর কলম ! পৃথিবীর বুকে আমার জীবনের জন্য তোমার চ! !ইতে অধিক ভীতিপ্ৰদ আর
কোন লোক ছিল না ৷ আর এখন আল্লাহর দোহ!ই! আজকের দিনের পরে তে !মাকে বিন্দুম!ত্র
ভয় আমি আর পাব ন! ৷ আরব!দ বলল, নিবেধি হয়ে! ন! ! তাড়!হুড়া করে! ন! ৷ অল্লোহ্র
কলম! যতব!রই আমি তোমার নির্দেশ!নুসারে কাজ করতে উদ্যত হয়েছি, ততবড়ার তুমি আমার
ও £লড়াকটির মাঝে ঢুকে পড়ে বার সেধেছে! ! তুমি ছাড়! আর কোন লোক তখন আমার
দৃষ্টিন্থগাচর হচ্ছিল ন! ৷ বল, অবশেষে তরব!রি দিয়ে আমি কি তোমাকে আঘাত হ!নতাম?
আঃশৰে তার! স্বদ্যেশর উদ্দেশে! পাড়ি জমাল ৷ পথে আল্লাহ পাক আমিবকে প্লেগে আক্রান্ত
এবং এভাবে সালুল গোত্রীয় এক রমণীর বাড়িতে তার মৃত্যু হয় ! আমির

ইমাম মালিক (র) বলেন, আবুয যুবড়ায়র (র)মুআয ইবন জাবাল (রা) সুত্রে খবর
দিরেহ্নে৷ যে, তারা তাবুক অভিযানে রাসুলুল্লাহ (সা) এর সহযাত্রী ছিলেন ৷ এ সফরে তিনি যুহর
ও আসর সালাতদ্বয় একত্রিত করে এবং মাগরিব ও ইশা’র সালাতদ্বয় একত্রিত করে আদায়
ব্বতেন ৷ ১ বর্ণনাকায়ী বলেন, একদিন তিনি সালাত বিলম্বিত করলেন ৷ যুহরের শেষ ওয়াক্তে
তিনি তাবু থেকে বের হয়ে যুহর ও আসর একত্রে আদায় করলেন ৷ তারপর তিনি তাবুতে ফিরে
াগলেন এবং পুনরায় (মাপরিবের শেষ ওয়াক্তে) বের হয়ে মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায়
ক্যালেন ৷ তারপর বললেন,
“ইনশাআল্লাহ্ আগামীকাল তোমরা তাবুকের কুয়াের কাছে পৌছবে ৷ তবে পুবাহ্নের আলো
ছড়িয়ে পরার আগে তোমরা সেখানে পৌছবে না ৷ তোমাদের যে কেউই সেখানে আগে
পৌছাক না কেন, সে যেন আমার পৌছড়ার পুর্বে সেখানকার পানি স্পর্শ না করে ৷

বর্ণনাকারী বস্তু ন, ভ্রন্বড়ামবা সেখানে পৌছে দেখলাম, দু’ব্যক্তি আমাদের আগেই সেখানে
পৌছে গিয়েছে, আর কুয়াে থেকে জুতার চিকন ফিতার ন্যায় পানির একটি ক্ষীণ ধারা প্রবা ত
হচ্ছে ৷ রাসুলুল্লাহ (না) ঐ দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা এর পানি এবস্টুও স্পর্শ
করেছ কি ? তারপর রাসুলুল্লাহ (সা ) তাতে তীর মুখমণ্ডল ও দুই হাত ধুয়ে হাত মুখ ধোয়া
পানি কুয়োর মুখে ঢেলে দিলেন ৷ কুয়ােটি প্রবল ধারায় প্রবাহিত হতে লাগল এবং লোকেরা
সেখান থেকে পানি তুলে নিতে লাগল ৷ পরে রাসুলুল্লাহ (না) বললেন,

হে মুআয ! তোমার জীবন দীর্ঘ হলে অদুর ভবিষ্যতে তুমি দেখতে পারে যে, এর আশপাশ
সবুজ বা৩বোগিচায় ভরে গিয়েছে ৷ মুসলিম (র) এ হড়াদীসখানি মালিক (র) সুত্রে রিওয়ায়ড়াত
করেছেন ৷

১ সাধারণত যুহরের শের ওয়াক্তে ঘুহর এবং আসরের শুরু ওয়াক্তে আসর; অনুরুপ মাগরিবের শেষ
ষ্!!ন্তে মাশরিব এবং ইশার শুরু ওয়াক্তে ইমোঃমোঃলোঃপ্রুল্লুরিঃৰুল্গুব্লে জন্য এভাবে দুই ওয়াক্তের সালাত একত্রিত

তাবুকের পথে খেজুর কাণ্ডে হেলান দিয়ে
রাসুলুল্লাহ্ (সা) — এর খুতবা দান প্রসৎগ

ইমাম আহমাদ (র) রিওয়ায়াত করেছেন, আবুন নাঘৃর হাশিম ইবনুল কাসিম, ইউনুস ইবন
মুহাম্মদ আল যুআদ্দিব ও হাজ্জাজ ইবন মুহাম্মদ (র) আবু সাঈদ আল থুদরী (রা ) থেকে
বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, রড়াসুলুল্লাহ (সা) তাবুক অভিযান কালে থু৩ তব৷ দিলেন ৷ তখন
তিনি একটি খেজুর কাণ্ডে (হলান দিয়ে বলেছিলেন ৷ থুতবড়ায় তিনি বললেন,

আমি কি তােমাদেরকে সর্বোত্তম ব্যক্তি ও সর্ব নিকৃষ্ট ব্যক্তি সম্পর্কে অবহিত করব না ? যে
ব্যক্তি তার ঘোড়ার পিঠে কিংবা তার উটের পিঠে কিংবা পদব্রজে আমৃত্যু আল্লাহর পথে জিহাদ
করে যায় সে সঝোওম ব্যক্তিদের অড়র্ভু জ; আর যে যে পরােয়া পাপাচাবী ব্যক্তি আল্লাহর
কিতাব পড়ার পরেও তার কোন কিছুরণ্ তায়াক্কা করে না , সে সর্ব নিকৃষ্টদের অন্তর্ভুক্ত ৷ নাসাঈ
(র) এ হাদীসখানি কুতায়ব৷ (র) থেকে উল্লেখিত ননদে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তিনি বলেছেন,
এ সনদে অন্যতম বাৰী আবুল খাত্তাব সম্পর্কে আমি অবগত নই ৷

রায়হড়াকী (র) ইয়াকুব ইবন মুহাম্মদ আর যুহরী (র) সুত্রে উকব৷ ইবন আমির আল জুহানী
(রা) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তিনি ব ণে ন , যুদ্ধে আমরা রাসুলুল্লাহ (সা)এব সহগামী
হলাম ৷ পথে কােন এক মনযিলে রাসুলুল্লাহ (সা ) ঘুমিয়ে পড়লেন এবৎ সকালের সুর্য এক বন্ধুর
বরাবর উচু হওয়ার আগ পর্যন্ত তার চো ৷খ খুলল না ৷ এ স্যার জেগে উঠা তই তিনি বললেন, হে
বিলালৰু আমাদের পক্ষে কজরের ওয়াক্তের প্ৰতি নজর বাখবে এ কথা কি তোমাকে আগেই
বলে রাখিনি ? ৰিলাল (বা) বললেন, ইয়৷ রাসুলাল্লাহশু ঘুম আমাকে তেমনই পেয়ে বসেছিল,
যেমনটহ্অ আপনাকে পেয়ে বসেছিল ৷ বর্ণনাকারী বলেন, তখন রাসুলুল্লাহ (সা) জ তার যে অবস্থান
ক্ষেত্র ছেড়ে একটু সরে এসে সেখানে স্যলাত আদায় করলেন এ বা দিনের অধিকাৎ শ সময় ও
রাতম্ভব স্ফর করে সকাল রেলা তাৰুকে উপনীত হলেন ৷ সেখানে যথাথোগ্য ভাষায় আল্লাহ্
পাকেরহ প্হ্ ও ছানা পাঠ করার পর তার তাতিভাবণে তিনি বললেন,

Leave a reply