রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

নবী করীম (না)-এর বাদী-দাসীগণ

নবী করীম (না)-এর বাদী-দাসীগণ

হবে তার চ ৷রিওচ্ছ এবং জানতে অথবা আমার প্রতিপালকেব সাক্ষাত লাভের মধ্যে আমি
আমার প্ৰতিপালকের স গে সাক্ষাতকে গ্রহণ করেছি ৷ আবু মুওয়ায়হিব৷ (রা) বলেন, এরপরে
সাত কিৎব৷ অট দিন যেতে না যেতেই তাকে উঠিয়ে নেয়া হয় ৷

এ পর্যন্ত ছিল নবী করীম (সা) এর মাওলা ও গোলামদের বিবরণ ৷
নবী করীম (সা) এর ৰ্বা দী-দাসীগণ
এক নবী কবীম (না) এর দাসী-বাদীগণের তালিকায় রয়েছেন আম৷ তুল্লাহ বিনত রাযীনা ৷
তবে বিশুদ্ধ মতে তার মা রাযীন ই সাহাবী ছিলেন যে বর্ণনাঢি পরে আসছে ৷ ইবন আবু
আসিম (র)-এর বিওয়ায়াত রয়েছে, উকব৷ ইবন ঘুকরিম (র)নবী কবীম (না)-এর
পরিচালিকা আমাতুল্লাহ-এর না হতে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) বনু কৃরায়জা ও
বনু নাযীব ( ?) অভিযানে সাফিয়া৷ (রা) কে বন্দী করেন এবং তাকে যুক্তি দিয়ে (শ্রী রুপে গ্রহণ
করেন এবং ) আমাতুল্লাহ-র ম৷ রাযীনা (রা) কে মহররুপে দান করেন ৷ এ হাদীস অতিশয়
বিরল ৷

দুই ইবন আহীর বলেন, নবী করীম (সা) এর আযাদকৃতা অন্যতম ৰ্বাদী উমায়মা (রা) ৷
শামবাসী ঘুহাদ্দিসগণ তার বর্ণিত হাদীসে রিওয়ায়াত ৩করেছেন ৷ জুবায়র ইবন নুফায়র (বা)
তার সম্পর্কে বিওয়ড়ায়াত করেছেন যে, তিনি রাসুলুল্লাহ (না)-কে উযু করিয়ে দিতেন ৷ একদিন
এক ব্যক্তি এসে নবী করীম (না)-কে বলল, আমাকে ওসিয়ত করুন ৷ নবী করীম (সা)
বললেন-
আল্লাহর সং গে কো ন কিছুকে শবীক করবে না; তোমাকে কেটে ফেলা হলে কিংবা অ ৷গুনে
জ্বালিয়ে দেয়৷ হলেও না ৷ ইচ্ছাকৃত ভাবে কোন সালাত ত্যাগ করবে না ৷ কেননা, স্বেচ্ছায়
স্বজ্ঞানে কেউ সালাত ত্যাগ করলে তার ব্যাপারে আল্লাহর দায়শ্দায়িতু ও তার রাসুলের দায়-
দায়িতৃ রহিত হয়ে যায় ৷ তুমি অবশ ৷ব্রই মাদকদ্রব্য পান করবে না ৷ কেননা, তা সব পাপেব মুল
এবং অবশ্যই তোমার পিতা মাতার অবাধ্য হবে না৷ যদিও তারা তোমাকে তোমার পরিবার
এবং তোমার সং সার হতে সম্পর্কচ্যুত্ত হতে হুকুম করে ৷

তিন আয়মান (বা) ও উসামা ইবন যায়দ ইবন হারিছ৷ (বা) এর মা বারাক৷ (বা) ৷ তার
বংশ সুত্র বারাক৷ বিনত ছালাব৷ ইবন আমর ইবন হুসায়ন (হিসন) ইবন মালিক ইবন
সালামা ইবন আমর ইবনুন নুমান হাবাশিয়৷ ৷ তবে উম্মু আয়মান কুনিয়াত তার নামের
উপরে প্রাধান্য বিস্তার করেছে ৷ আয়মান হল তার প্রথম স্বামী উবায়দ ইবন যায়দ হাবাশী হতে
তার পুত্র ৷ পরে যায়দ ইবন হারিছ৷ (না) তাকে বিবাহ করেন এবং এ ঘরে তাদের সন্তান
উসামা ইবন যায়দ (রা) এর জন্ম হয় ৷ উম্মুজজিবা না মেও তার পরিচিতি ৩রয়েছে ৷ তিনি দু টি
হিজর৩ ই (হাবাশা ও মদীনায়) করেছিলেন ৷ রাসুলুল্লাহ (সা) এর মা আমিনা বিনত ওয়াহব

(রা)-এব সংগে তিনিও নবীজীকে লালন-পালন করেছেন ৷ তিনি ছিলেন পিতার তরফে প্রাপ্ত
রাসুলুল্লাহ (না)-এর মীরাসের অন্তর্ভুক্ত ৷ এ বর্ণনা ওয়াকিদীর ৷ অন্যদের বক্তব্য মতে বরং
মায়ের তরফে তিনি তাকে মীরাসরুগে পেয়েছিলেন ৷

কারো কারো মতে, তিনি ছিলেন খাদীজা (রা)-এব বোনের মালিকানড়ায় এবং তিনিই তাকে
রাসুলুল্লাহ (সা) এর জন্য হিবা করেছিলেন ৷ প্রথম যুগেই তিনি মুসলমান হয়েছিলেন ৷ হিজরত
করেছিলেন এবং নবী কবীম (সা)-এর পরেও জীবিত ছিলেন ৷ নবী কবীম (না)-এর ওফাতের
পরে আবু বকর (রা) ও উমর (রা)-এব সংগে সাক্ষাত করতে যাওয়ার বিষয়টি আগেও বিবৃত
হয়েছে ৷ তবে বলা হয়েছে যে, তিনি কেদে ফেললে তারা দু’জন র্তাকে বলেছিলেন, আপনি কি
অবগত নন যে, আল্লাহর নিকট যা রয়েছে তাই রাসুলুল্লাহ (না)-এর জন্য উত্তম ? তিনি
বলেছিলেন, কেন নয়; তবে কিনা আমি র্কাদছি এ কারণে যে, আসমান থেকে ওহীর ধারা
বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল ৷ তখন তারা দুজনও তার সংগে র্কাদতে লাপলেন ৷ বুখাবী (ব) তার
তারীখ’ গ্রন্থে বলেছেন, এবং আবদুল্লাহ ইবন ইউসুফ (র) বলেছেন, ইবন ওয়াহব
(ব)যুহবী (ব) থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, নবী কবীম (সা) বড় হয়ে যাওয়া পর্যন্ত
উম্মু আয়মান (বা) র্তীকে লড়ালনপালন করেছেন ৷

পরে তিনি তাকে যুক্তি দিয়ে দিলেন এবং যায়দ ইবন হারিছা (বা) এর সংগে তার বিয়ে
দিয়ে দিলেন এবং নবী কবীম (না)-এর পাচ মাস পরে এবং মতাম্ভরে ছয় মাস পরে তিনি ইতি
কাল করেন ৷ তবে কারো কারো মতে উমার ইবনুল খড়াত্তাব (রা)-এব শাহদােত বরণের পরেও
তিনি বেচে ছিলেন ৷ মুসলিম (ব) হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন আবৃত তাহির ও হারমালা
(ব)যুহবী (ব) সনদে ৷ তিনি বলেন, উম্মু আয়মান হাবাশিয়া ছিলেন(হাদীসটি উল্লেখ
করেছেন) মুহাম্মদ ইবন সাদ (র) ওয়াকিদী (র) সুত্রে বলেছেন ৷ উম্মু আয়মান (বা) ইন্তিকাল
করেছেন উছমান (রা)-এর খিলাফতের প্রথম দিকে ৷ ওয়াকিদী (র) বলেন, ইয়াহয়া ইবন
সাঈদ ইবন দীনার (র) বনু বকর ইবন সাদ-এৱ জনৈক শায়খ হতে-তিনি বলেন,
রাসুলুল্লাহ (সা) উম্মু আয়মান (রা)-কে বলতেন, ! : হে আত্মা!” এবং নবী যখন তাকে
দেখতেন তখন বলতেন, “এ হচ্ছেন আমার পরিবারের শেষ ব্যক্তি ৷” আবু
বকর ইবন আবু খায়ছামা (র) বলেন, সুলায়মান ইবন আবু শায়খ (র) আমাকে অবহিত
করেছেন ৷ নবী কবীম (সা) বলতেন, “উম্মু আয়মান আমার মায়ের পরে
আমার মা ৷ ” ওয়াকিদী (ব) তার মাদীনা সাহাবীদের সুত্রে বলেছেন, তারা বলেন, উম্মু আয়মান
(বা) নবী কবীম (সা) এর দিকে তাকালেন তিনি তখন (পানি) পান করছিলেন ৷ উম্মু
আয়মান বললেন, আমাকে পান করান ৷ আইশা (রা) বললেন, আল্লাহর রাসুলকে তুমি এমন
(হুকুম করে) বলছ ? তিনি বললেন, তার খিদমত আমি দীর্ঘকাল ধরে করে আসছি ৷ রাসুলুল্লাহ
(সা) বললেন, “সে যথাংইি বলেছে ৷ ” পরে তিনি পানি এসে তাকে পান করতে
দিলেন ৷ মুফাযযাল ইবন গাসসান (র) বলেন, ওয়াহব ইবন জাবীর (র)উছমান ইবনুল
কাসিম (ব) সুত্রে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, উম্মু আয়মান (রা) হিজরত করে যাওয়ার সময়
সন্ধ্যার প্রাক্কালে রাওহার কাছাকাছি মুনসারাকে পৌছেলেন ৷ তিনি সিয়াম পালন করছিলেন ৷
প্রচণ্ড পিপাসা র্তাকে কাবু করে ফেলল ৷ তখন আকাশ থেকে সাদা রশি দিয়ে একটি বালতি

ঝুলিয়ে দেয়া হল ৷ যাতে পানি ছিল ৷ উম্মু আয়মান (বা) বলেন, আমি পান করলাম ৷ ফলে
এরপর আর কখনো পিপাসা আমাকে আর কাবু করেনি ৷ অথচ সিয়ামের কারণে ভর দুপুরে
আমি পিপাসার পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি, কিন্তুকখনাে পিপাসা অনুভব করেনি ৷

হাফিয আবু ইয়ালা (র) বলেন, মুহাম্মদ ইবন আবু বকর আল মুকাদ্দাসী (র)উম্মু
আয়মান (বা) থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) এর একটি পােড়া মাটির পাত্র
ছিল যাতে তিনি (রাতের বেলা) পেশার করতেন ৷ সকাল হলে তিনি বলতেন, হে উম্মু
আয়মান! পাত্রে যা আছে তা ঢেলে ফেলে দাও ৷ এক রাতে আমি পিপাসিত হয়ে জেগে
উঠলাম ৷ পাত্রে যা ছিল তা আমি পান করে ফেললাম ৷ রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, হে উম্মু
আয়মান! পাত্রে যা আছে তা ফেলে দাও ৷ উম্মু আয়মান (বা) বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ৷ আমি
পিপাসড়ার্ত হয়ে জেগে উঠেছিলাম, তাই পাত্রে যা ছিল তা আমি পান করে ফেলেছি ৷ তিনি
বললেন- ; “আজকের দিনের পরে অবশ্যই তুমি
কখনো তোমার পেটের পীড়ায় ভুগবে না ৷ ইবনুল আন্থীর (র) উসদুল পারা গ্রন্থে বলেছেন,
হাজ্জাজ ইবন মুহাম্মদ (র) রিওয়ায়াত করেছেন উমায়মা বিনত রুকায়্যা (বা) হতে ৷ তিনি
বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা)-এর একটি কাঠের পাত্র ছিল যাতে তিনি পেশাব করতেন ৷ পাত্রটি
খাটের নীচে রেখে দিতেন ৷ বারাকাহ নাম্বী এক নারী এসে তা পান করে ফেলল ৷ নবী করীম
(সা) তা খোজ করে পেলেন না ৷ তাকে বলা হল যে, বারাকাহ তা পান করে ফেলেছে ৷

নবী করীম (সা) বললেন, )এপ্লু “একটি (বিশাল) প্রতিবন্ধক
দিয়ে তুমি জাহান্নাম থেকে অড়াত্ারক্ষাৱ ব্যবস্থা করেছ ৷ হাফিয আবুল হাসান ইবনুল আহীর
(র) বলেছেন, কারো কারো মতে নবী করীম (সা)-এর পেশার পান করেছিলেন হাবশা বাসিনী
বারাকা (বা) ৷ যিনি উম্মু হাৰীবা (রা)-এর সংগে হাবশা হতে এসেছিলেন ৷ (অর্থাৎ) তিনি এ
দুই জনকে ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি বলেছেন ৷ আল্লাহই সমধিক অবগত ৷

গ্রস্থকারের মন্তব্য : আর বারীরা (রা) ছিলেন আবু আহমদ পরিবারের দাসী ৷ তারা তীর
সাথে অর্থের বিনিময়ে মুক্তির চুক্তি করল আইশা (রা) তাকে খরিদ করে যুক্তি দিয়ে দিলেন ৷
ফলে তার ওলা’১ স্বতু আইশা (রা)-এর জন্য সাব্যস্ত হল ৷ সহীহ গ্রন্থদ্বয়ে এরুপই বর্ণিত
হয়েছে ৷ ইবন অসােকির (র) বারীরা (রা) কে বাদী তালিকায় উল্লেখ করেন নি ৷

তার : নবী করীম (না)-এর অন্যতম বীদী খাযরা (বা) ৷ ইবন ণ্মানদা (র) তার কথা উল্লেখ
করে বলেছেন ৷ ঘুআবিয়া (র) রিওয়ায়াত করেছেন, হিশাম (র) (জাফরের পিতা) মুহাম্মদ (র)
সুত্রে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন থাযরা (বা) নামে নবী করীম (না)-এর একজন খাদীমড়া ছিলেন ৷
মুহাম্মদ ইবন সাদ (র) বলেন, ওয়াকিদী (র)সালমড়া (বা) থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন,
রাসুলুল্লাহ (না)-এর খাদিমা, পরিচারিকাদের মধ্যে ছিল মড়ামি, খাযরা, রাযওয়া (রুদওয়া) ও
মড়ায়মুনা ৰিনত মাস (বা) ; রড়াসুলুল্লাহ (সা) এদের সবাইকেই মুক্তি দিয়েছিলেন ৷

১ আযাদকৃত গোলাম-র্বাদীর মৃত্যুতে মৃতের বংশগত আত্মীয়-ওয়ারিছ না থাকার ক্ষেত্রে যীরাছে অড়াযাদকারী
মনিবের অধিকার শরীঅড়াতে স্বীকৃত ৷ এ মীরাহী অধিকাবকে ওলা ( ; শ্বগ্লু) বলা হয় ৷

পাচ : খুলায়সা (রা) বিনত উমর (রা)প্-এর আযাদকৃতা বীদী ৷ ইবনৃল আহীর (র)
উসদুল পাবা-তে বলেছেন, হাফসা, আইশা ও সাওদা বিনত যামআ (রা)-এর একটি ঘটনা
প্রসঙ্গে উলায়লা বিনতুল কুমায়ত (র)ণ্তার দাদী সুত্রে হাফস৷ (রা)-এর মাওলা থুলায়স৷ (রা)
এর বরাতে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷ একবার হাফস৷ ও আইশা (বা) সাওদা (রা)এর
সংগে এই বলে কৌতুক করলেন যে, “দাজ্জাল আত্মপ্রকাশ করেছে ৷ এতে সাওদা (বা) রান্না
ঘরে আত্মগােপন করলেন এবং ঐ দুজন হাসতে লাগলেন্ ৷ ইতোমধ্যে রাসুলুল্লাহ (সা) এসে
বললেন, “তোমাদের দু’জনের কি হয়েছে ? র্তারা সাওদা (রা)-এর বিষয়টি তাকে অবহিত
করলেন ৷ তিনি তখন সাওদা (রা)-এর কাছে গিয়ে বললেন, ইয়৷ রাসুলাল্লাহা দাজ্জাল কি এসে
পড়েছে ? নবী কবীম (সা) বললেন, তবে হয়তো বের হয়ে পড়তেও
পারে ৷” তখন সাওদা (বা) বের হয়ে এসে নিজের শরীর থেকে মাকড়সার ডিম (কালিঝুলি)
ঝাড়তে লাগলেন ৷ ইবন আহীর (র) থুলায়স৷ নামে সালমান ফারিসী (রা)-এর মাওলার উল্লেখ
করেছেন এবং বলেছেন সালমান (রা)-এর ইসলাম গ্রহণ এবং খুলায়স৷ কর্তৃক তাকে মুক্তি দান
এবং তিনশতটি থে জুর চারা (কলম) লাগিয়ে দিয়ে নবী করীম (সা) কর্তৃক থুলায়সাকে বিনিময়
দান প্রসঙ্গে তার উল্লেখ পাওয়া যায় ৷ এ ক্ষেত্রে স্পষ্টতার জন্য আমি তার কথা উল্লেখ করলাম ৷

হয় : নবী করীম (না)-এর খাদিম৷ খাওলা (বা) ৷ এ বক্তব্য ইবনুল আহীর (র)-এর ৷ হাফিয
আবু নুআয়ম (র) খাওলা (রা)-এর বর্ণিত হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন ৷ হাফ্স ইবন সাঈদ আল
কুরাশী (ব)-এর ম৷ সুত্রে ৷ তিনি তার মা খাওলা (বা) থেকে যিনি নবী করীম (না)-এর
পবিচারক৷ ছিলেন ৷ ঘরের লোকদের অজ্ঞাতসারে নবী করীম (না)-এর খাটের নীচে একটি
কুকুরছানা মরে থাকার কারণে ওহী ৰিলম্বিত হওয়া সম্পর্কিত হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷
কুকুরছানাটি সরিয়ে দেয়ার পর ওহীর পুনরাগমন হল ৷ তখন নাযিল হল আল্লাহ তাআলার
বাণী, শু৯-এেঠো (সুরা দুহ৷ ১) এ হাদীসটি বিরল (গরীব শ্রেণীর) ৷ তবে এ
আয়াত নাযিল হওয়ার কারণরুপে অন্য ঘটনার প্রসিদ্ধি রয়েছে ৷ আল্লাহই সর্বাধিক অবগত

সাত : রাযীনা (বা) র্বীদীকুলের অন্যতমা ৷ ইবনু আসাকির (ব) বলেন, সঠিক তথ্য “মতে ইনি
ছিলেন সৃফিয়্যা বিনত হুয়ায় (রা)-এর বীদী এবং তিনি নবী কবীম (সা) এর খিদমত করতেন ৷

প্রন্থকারের মন্তব্য : রাযীনা-র মেয়ে অড়ামাতুল্লাহ-র আলোচনায় উল্লেখিত হয়েছে যে, নবী
করীম (না) তার মা রাযীনাকে সাফিয়্যা বিনত হুয়ায় (রা)-এর মহরানারুপে প্রদান
করেছিলেন ৷ এ তথ্যদৃষ্টে বলা যায় যে, মুলত (এক সময়) রাযীন৷ নবী করীম (সা) এর
মালিকানায়ই ছিলেন ৷ হাফিয আবু ইয়ালা (র) বলেছেন, আবু সাঈদ আল জ্বশামী (র)
রাসুলুল্লাহ (সা) এর বাদী আমা তুল্লাহ বিনত রাযীন৷ (বা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ
(সা) বনু না ৷যির ও কুরায়জা অভিযানে বিজয় লাভ করলে সাফিয়্যাকে যুদ্ধ বন্দিনী করলেন
এবং তাকে বন্দিনী রুপে নিয়ে যাওয়ার জন্য নবী করীম (না) তার কাছে আস্ল্দো ৷ মহিলারা
তাকে দেখা মাত্র সাফিয়্যা বলে উঠলেন, ১৪ন্ট্ট৷ আ ৷মি সাক্ষ্য দিচ্ছি এ কথার , যে, এক আল্লাহ
ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই এবং এ কথার যে, আপনি আ ল্লাহর রাসুল ৷ তখন নবী করীম
(না) তাকে ছেড়ে দিলেন; এতক্ষণ তার বাহু ছিল নবী করীম (সা) এর হাতে ৷ পরে নবী
করীম (সা) তাকে মুক্তি দিলেন ৷ তারপর তাকে বিয়ের পয়পাম দিলেন এবং দ্রীরুপে গ্রহণ

করে রাযীনাকে তার মহরানারুপে প্রদান করলেন ৷ এ বর্ণনা ধারায় এভাবেই উপস্থাপন করা
হয়েছে এবং এটি পুর্বোল্লিখিত ইবন আবু আসিম (র)-এব রিওয়ায়াতের তুলনায় অধিক উত্তম ৷

তবে যথার্থ তথ্য হল, নবী করীম (স) সাফিয়্যা (রা)-কে খায়বার যুদ্ধের গণীমত হতে
গ্রহণ করেছিলেন এবং তাকে মুক্তি দিয়েছিলেন এবং তার এ মুক্তিবেইি’ তার মহর
সাব্যস্ত করেছিলেন ৷ আর এ রিওয়ায়াতে উপস্থাপিত কুরায়জা ও নাযীর অভিযান কথাটি
পােলমােল ৷ কেননা, কুরায়জা ও নাযীর ভিন্ন ভিন্ন দুটি অভিযান এবং এ দু’টির মাঝে রয়েছে
দুই বছরের ব্যবধান ৷ আল্লাহই সৰ্বাধিক অবগত

হাফিয আবু বকর বায়হাকী (র) আদ-দালাইল গ্রন্থে বলেছেন, ইবন আবদান (ব)
উলায়লা বিনতুল কুমড়ায়ত তার মা আযীনা (র)এর করাতে বর্ণনা করেন৷ তিনি বলেন,
রাসুলুল্লাহ (সা)-এর বাদী আমাতৃল্লাহ ৰিনত রাযীনা (রা)-কে বললাম, হে আমাতুল্লাহা রাসুলুল্লাহ
(না) যে আশুরা-ব সিয়াম সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, যে বিষয় আপনার মাকে আপনি
আলোচনা করতে শুন্যেছন কি ? তিনি বললেন, ছুা, তিনি দিনটিকে সম্মান করতেন এবং তার
পরিবারের দুধের শিশুদের ও তার ক্যা৷ ফাতিম৷ (রা)-ব দুধের শিশুদের তাকিয়ে এনে তাদের

মুখে লা ৷ল৷ দিয়ে দিতেন এবং শিশুদের মায়েদের বলতে ন,
তাদের দুধ খাওয়াবে না ৷ সহীহ বুখারীতে এ হাদীসের শাহিদ (সহযোগী) রিওয়া ৷য়াত রয়েছে ৷

আট৪ অন্যতম বাদী (মাওলা) রাযওয়৷ (অথবা রুযওয়া) (রা) ৷ ইবনুল আহীর (র) বলেন,
সাঈদ ইবন(র) কাতাদা (র) সুত্রে রাযওয়া ৰিনত কা ব (বা) থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি
বলেন, ঋতুবর্তী নারীর খিযাব ব্যবহার করা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা) কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি
বলেন, গো৷ গ্রা১ ৮ “তাতে কোন দোষ নেই ৷ ” আবু মুসা আল মাদীনী (র) হাদীসটি
রিওয়ায়াত করেছেন ৷

নয় : নবী কবীম (না)-এর মাওলার্বীদী রায়হান৷ ধ্বিনত শামউন কুরাজী, মতাতরে নাযীর
গোত্রীয়৷ ৷ নবী-পত্নীগণের (রা) আলোচনার পরিশেষে তার কথাও আলোচিত হয়েছে ৷

বাদী তা ৷লিকায় আর একটি নাম যারীনাও রয়েছে ৷৩ তবে প্রামাণ্য মতে নামটি রাযীনা হবে
(পুর্বালোচনা দ্রব্যষ্ট্য)া

দশ : রাসুলুল্লাহ (সা)এয় মাওলা বীদী তালিকায় অন্যতম৷ সানিয়৷ (বা) ৷ কুড়িয়ে পাওয়া ও
হারানো মাল সম্পর্কে নবী করীম (না) হতে তার বর্ণিত একখান৷ হাদীস রয়েছে ৷ তার নিকট
থেকে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন তারিক ইবন আবদুর রহমান (র) ৷ ইবনুল আহীর (ব) তার
উসদৃল পারা: গ্রন্থে বলেছেন যে, আবু মুসা আ ল মাদীনী (র)ত তার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ৷

এগার৪ অন্যতম মাওলা-বাদী সুদায়া আনসাবী (বা) ৷ মত ৷ন্তরে হাফসা বিনত উমর (রা)-
এর আযাদকৃত বাদী ৷ নবী করীম (সা) থেকে তিনি এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷ নবী

করীম (সা) বলেন, ( উমার ইসলাম গ্রহণ
করার পর হতে শয়তান যখনই তার সামনে পড়েছে অধ৪ঘুখে পতিত হয়েছে ৷ ইবনুল আহীর

১ গনীমতের মাল বন্টনের পুর্বে আলীর বা বিশেষভাবে নিজের জন্য গ্রহণ করেন এমন সম্পদ ;সস্পাত্তে জৌ

(র) বলেন, এ হাদীসটি আবদুর রহমান ইবনুল ফাযল (ব) বওয়ড়ায়াত করেছেনসৃদায়সা
(বা) থেকে ৷ ইসহাক (ব)-ও হাদীসটি ফাযল (র) সুত্রে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তবে তিনি
বলেছেন, সৃদারসা (বা) থেকে হাফসা (বা) সুত্রে নবী করীম (সা) থেকে ৷ এ বংনাি আবু
নুআয়ম ও ইবন মানদা (র)-এর ৷

যায় : অন্যতমা মাওলা-ৰীদী সালড়াম৷ (রা); রাসুলুল্লাহ (না)-এর পুত্র ইবরাহীম (রা)-এর
ধাত্রীমাতা ৷ তিনি নবী করীম (সা) হতে গর্ভধারণ, প্রসব রেদনা, ন্তন্যদান ও (সন্তান পালনে)
বিনিদৃ রজনী যাপনের কযীলত সম্পর্কিত একটি হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন৷ অবশ্য এ
হাদীসের সনদ ও পাঠ ৰিরলত৷ দৃষ্ট ও প্ৰত্যাখ্যানযোগ্য ৷ হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন আবু
নুআয়ম ও ইবন মানদা (ব) দামিশক-এর খাতীব হিশাম ইবন আত্মার ইবন নাসীব (ব)-এর
বরাতে, আনাস (রা) সুত্রে সালামা (রা) থেকে ৷ ইবনুল আহীর (র)-ও তার কথা উল্লেখ
করেছেন ৷

ণ্ঙ্ঘ : অন্যতম! মাওলাৰীদী সালমা (বা) ৷ তিনি হলেন আবু রাফি (রা)-এর শ্রী এবং
বাকি (বা)এব মা ৷ যেমন তার সুত্রে ওয়াকিদীর রিওয়ায়াতে রয়েছে ৷ তিনি বলেন, আমরা
রাসুলুল্পাহ (না)-এর খিদমত করতামষ্আমি, খাযরা, রাযওয়া ও মায়মুন৷ ৰিনত সাদ (বা) ৷
রাসুলুল্লাহ (না) আমাদের সকলকে যুক্তি দিয়ে দিলেন ৷ ইমাম আহমদ (র) বলেন, আবু আমির
ও বনু হাশিমের মাওলা আবু সাঈদ (র)ইবন আবু রাফি (র)-এর মাওলা সাঈদ (র) সুত্রে
তীর দাদী ও নবী করীম (ব)-এর পরিচারিকা সালমা (রা) সুত্রে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন,
রাসুলুল্লাহ (না)-এর নিকটে কেউ তার মাথাব্যথার অনুযােগ করলে তাকে আমি এ কথাই
বলতে শ্যুনছি যে, ৷ ” আর পায়ে রাখার কথা বললে তিনি এ কথাই
বলতেন যে , “পা দুটিকে মেহেদী দিয়ে খিযাব লাপাও ৷ আবু দাউদ (র)-
ও হাদীসটি অনুরুপই রিওয়ায়াত করেছেন ইবন আবুল মাওয়ালী (র) এর বরাতে ৷ আর
তিরমিষী ও ইবন মাজা (র) রিওয়ায়াত করেছেন যায়দ ইবনুল হুবড়াব (র)-এর সংগ্রহ
হতেসালমা (বা) থেকে ৷ তিরমিষী (ব) মন্তব্য করেছেন, হাদীসটি গরীব ৷ শুধু সাঈদ (ব)
সুত্রেই আমরা এর পরিচিতি লাভ করেছি ৷ সালমা (বা) নবী করীম (না) হতে বেশ কয়েকটি
হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন ৷ মার উল্লেখ ও পুর্ণাঙ্গ বিবরণ দীর্ঘ পরিসরের দাবী রাখে ৷ মৃসআব
আম যুবড়াররী (র) বলেছেন, সালমা (রা) হুনায়ন যুদ্ধে অংশ্যাহণকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন ৷

গ্রহকারেব মন্তব্য : এমন বিবরণ পাওয়া যায় যে, সালমা (রা) নবী করীম (না)-এর জন্য
হারীরা হালুয়া রান্না করে দিতেন, যা তার পসন্দনীয় ছিল ৷ তিনি নবী করীম (না)-এর
ওফাতের পর পর্যন্ত বেচে ছিলেন এবং ফাতিমা (রা)-এব মৃত্যুর সময় উপস্থিত ছিলেন ৷ প্রথম
দিকে তিনি ছিলেন নবী করম (না)-এর ফুফী সাফিয়্যা (রা)-এর মালিকানাধীন ৷ পরে তিনি
নবী করীম (না)-এর মালিকানায় আসেন ৷ তিনি ফাতিমা (রা)-এর সন্তানদের ধাত্রী ছিলেন
এবং রাসুলুল্লাহ (না)-এর পুত্র ইবরাহীমের প্রসবকালে ধাত্রীরুপে কাজ করেছিলেন তিনি
ফাতিমা (রা)-এর লাশের গোসলের সময় উপস্থিত ছিলেন এবং তার স্বামী আলী ইবন আবু
তালিব ও (আবু বকর) সিদ্দীক (রা)-এর পত্নী আসমা (রা)-এর সংগে তিনিও তার সেস্ফো

দানে অংশ্চাহণ করেছিলেন ৷ ইমাম আহমদ (র) বলেন আবুল নামর (ব)সালমা (ক্স) থেকে

বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, ফাতিমা (বা) তার মৃভ্যুকালীন রোগে আক্রান্ত হলেন ৷ আমি তার
সেবা-আঃষা করতাম ৷ তিনি তার এ রোগে একদিন তেমনই (কৃশকায়) হলেন যেমন অসুস্থতা
কালে তিনি হয়ে যেতেন ৷ সালমা বলেন, আলী (বা) তার কোন প্রয়োজনীয় কাজে বাইরে
গিয়েছিলেন ৷ ফাতিমা (বা) বললেন, মা ৷ আমার জন্য পােসলের ব্যবস্থা কর ৷ আমি তার জন্য
গোসলের পানির ব্যবস্থা করলে তিনি তার জীবনের সৃন্দরতম গোসল করলেন ৷ তারপর তিনি
বললেন, মা ! আমাকে আমার নতুন কাপড়গুলি দাও ৷ তিনি তা পরিধান করার পরে বললেন,
মা ! আমার বিছানাটা ঘরের মাঝ বরাবর এগিয়ে দাও ৷ আমি তা করলাম এবং তিনি শুয়ে
পড়লেন এবং কিবলা মুখী হয়ে নিজের হাত নিজের গালের নীচে রাখলেন ৷ পরে বললেন, মা ৷
আমার এখন অন্তিম মুহুর্তা আমি পবিত্রতা অর্জন করেছি ৷ সুতরাং কেউ আমাকে অনাবৃত
করবে না ৷ সালমা (বা) বলেন, পরে আলী (রা) এসে পড়লে আমি র্তীকে তা অবহিত
করলাম ৷ হাদীসটি অতিশয় বিরল পর্যায়ের ৷

চৌদ্দ : অন্যতমা বীদী শীরীন ৷ মতান্তরে সীরীন-মারিয়্যা কিবতীয়া (রা)-এর বোন এবং
ইবরাহীম (রা) এর খালা ৷ আমরা আগেই উল্লেখ করে এসেছি যে, অড়ালেকজাব্বিয়ার শাসক
মুকাওকিস-যার নাম ছিল জুরায়জ ইবন মীনা এ দুবােনকে রাসুলুল্লাহ (সা) এর জন্য
হড়াদীয়ড়াস্বরুপ পাঠিয়েছিলেন এবং এদের সংগে ছিল মাবুর নামের একটি গোলাম ও দুলদুল
নামের একটি খচচরী ৷ পরে রাসুলুল্লাহ (সা) শীরীনকে হিবা করে দিয়েছিলেন হাসসান ইবন
ছাবিত (রা) এর জন্য এবং সেখানে তার পুত্র আবদুর রহমান ইবন হাসসান (রা) এর জন্ম
হয়েছিল ৷

পনের : অন্যতম বীদী উম্মু মালীহ উনকুদা হাবশিয়া; তিনি ছিলেন আইশা (বা) এর র্বাদী ৷
তার নাম ছিল ইনারা (আৎগুবী) ৷ রাসুলুল্লাহ (সা) তার নাম বদলিয়ে রাখলেন উনকুদা
(থােকা) ৷ এ বর্ণনা আবু নুআয়ম (র)-এর ৷ মতান্তরে তার নাম ছিল গাফী (রা) ৷

সােল : নবী করীম (সা)এব ধাত্রী অর্খাৎ তার দুধ মা-ফারওয়া (বা) ৷ তিনি বলেন,
রাসুলুল্লাহ (সা) আমাকে বললেন,

তোমার ৰিছানায় শয়ন করতে যাবে তখন কুল যা আয়ুহােল কাফিরুন পাঠ করবে ৷ কেননা
তাতে শিরক হতে সম্পব২হীনতার ঘোষণা রয়েছে ৷ ” আবু আহমদ আল আসকারী (র) তার
কথা উল্লেখ করেছেন ৷ এ বর্ণনা উসদুল পারা গ্রন্থে ইবনৃল আহীর (র) এর ৷

তবে ফিযযা আন নুবিয়্যা নামের বীদী সম্পর্কে ইবনুল আহীর (র) তার উসদুল গাবা গ্রন্থে
উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ছিলেন রাসুলুল্লাহ (সা) এর কন্যা ফাতিমা (রা) এর বীদী ৷ তারপর
তিনি এক অথ্যাত অজ্ঞাত সনদে (মাহবুব ইবন আব্বাস হতে) আল্লাহ পাকের কালাম-
– “খাদ্যের প্রতি আসক্তি সত্বেও তারা
যিসর্কীন, ইয়ার্তীম ও বন্দীকে খাবার দান করে” (৭৬ : ৮)শ্সম্পর্কে একটি হাদীস রিওয়ায়াত
করেছেন ৷ যার সারাংশ হাসান ও হুসায়ন (রা) অসুস্থ হয়ে পড়লেন ৷ রাসুলুল্লাহ (সা) তাদের
দেখতে গেলেন এবং জনসাধারণও তাদেরকে দেখতে গেল ৷ তারা আলী (রা)-কে বলল,

আপনি যদি মানত করতেন! তখন আলী (বা) বললেন, ওরা দুজন ওদের এ রোগ থেকে সুস্থ
হলে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তিন দিন সিয়াম পালন করব ৷ ফাতিমা (রা)-ও অনুরুপ বললেন ৷
ফিযযা (রা)-ও অনুরুপ বললেন ৷ আল্লাহ তাদের সুস্থতা দান করলেন ৷ তখন তারা সিয়াম
পালন করলেন ৷ ওদিকে আলী (রা) গিয়ে শামউন খড়ায়বারীর নিকট হতে তিন সা যব ধার
করে আনলেন ৷ ঐ রাতে তারা তার এক সা দিয়ে খাবার তৈরী করলেন ৷ রাতের আহারের
জন্য তৈরী খাবার নিজেদের সামনে রাখলে এক ভিক্ষুক দরজায় দাড়িয়ে আওয়ায দিল,
মিসর্কীনকে খাবার দিন ৷ আল্লাহ আপনাদের জান্নাতের দম্ভরখানে খাওয়াবেন ৷ ’ তখন আলী
(বা) তাদের আদেশ করলে র্তীরা ভিক্ষুককে ঐ খাবার দিয়ে দিলেন এবং তারা নিজেরা
অনাহারে রইলেন ৷ পরবর্তী রাতে তারা আর এক সা দিয়ে খাবার তৈরী করে নিজেদের
সামনে রাখলেন ৷ তখন এক ভিক্ষুক দরজায় দাড়িয়ে বলল, য়াতীমকে খাবার দিন ৷ তারা
ঐ খাবার তাকে দিয়ে দিলেন এবং নিজেরা অনড়াহড়ারে কটিালেন ৷ অনুরুপ ঘটনা তৃতীয় রাতেও
ঘটল ৷ ভিক্ষুক এসে বলল, বন্দীকে খাবার দিন ৷ তখন তারা তা দান করে দিলেন এবং তিন
দিন তিন রাত অনাহারে কটিালেন ৷ তখন আল্লাহ তাআলা তাদের সম্পর্কে নাযিল করলেন,

কালপ্ৰবাহে মানুষের উপর এমন একটা সময় অবশ্যই এসেছিল যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছু
ছিল না ৷ আমি তো মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্রিত শুক্র বিন্দু হতে, তাকে পরীক্ষা করার জন্য ৷
এ জন্য আমি তাকে করেছি শ্রুতিধর ও দৃষ্টিবান ৷ আমি তাকে পথের নির্দেশ দিয়েছি, হয় সে
হবে কৃতজ্ঞ, নয় তো সে হবে অকৃতজ্ঞ ৷ আমি অকৃতজ্ঞদের জন্য প্রস্তুত রেখেছি শিকল, বেড়ি
ও প্রজ্জ্বলিত আগুন ৷ সৎ কর্মশীলরা পান করবে এমন পান-পাত্রে যাতে মিশ্রণ রয়েছে কপুরের ৷
কপুর এমন এক প্রস্রবণ যা হতে আল্লাহর বান্দাগণ পান করবেন ৷ তারা এ প্রস্রবণকে যেমন
ইচ্ছা প্রবাহিত ক্যবে ৷ তারা মানত-কর্তব্য পালন করে এবং সে দিনকে ভয় করে যে দিনের
মন্দ অবস্থা হবে ব্যাপক ও বিন্তুত ৷ আহারের প্রতি আপত্তি সত্বেও তারা মিসকীন, ইয়াতীম ও
বন্দীকে খাদ্য দান করে ৷ (এবং বলে) কেবল আল্লাহর সম্ভষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আমরা
তোমাদের আহার দান করি; আমরা তোমাদের নিকট হতে প্রতিদান চাই না , কৃতজ্ঞতাও না”
( ৭৬ : ১ ৯) ৷ কিন্তু হাদীসটি ঘুনকার প্রত্যাখ্যাত ৷ এমনকি হাদীস বিশারদ ইমামগণের কেউ
কেউ এটিকে মাওযু বা জালও সাব্যস্ত করেছেন ৷ এ বর্ণনার শব্দমালায় নিম্নমান এবং সেই
সাথে সুরাটি মক্কায় অবতীর্ণ ও হাসান-হুসায়ন (রা)-এর মদীনায় জন্ম হওয়ার বিষয়টি
ইমামপণের এ দাবীর প্রমাণ বহন করে ৷ আল্লাহ্ই সর্বাধিক অবগত ৷

সতের : আইশা (রা)-এর বাদী লায়লা (বা) ৷ তিনি বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ ! আপনি
যখন বায়তুল পালা (পায়খানা) থেকে বেরিয়ে আসেন ৷ আপনার পরপরই আমি সেখানে গিয়ে
কিছু দেখতে পাই না ৷ তবে কিনা আমি মিশৃকের সৃঘাণ পাই ৷ নবী করীম (না) তখন
বললেন,“আমরা নবীকুল আমাদের দেহের উম্মেষ-উদ্ভব ঘটে জান্নড়াভীদের আত্মার উপর ৷
সুতরাং তেমােদের থেকে অবাঞ্ছিত’ কিছু বের হলে ভুমি তা গিলে ফেলে ৷ আবু নুআয়ম (র)

আবু আবদুল্লাহ আল মাদানীর বয়াতে লায়লা (বা) থেকে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তবে
এ আবু আবদুল্লাহ অজ্ঞাত’নামা রড়াবী ৷

আংঠার : মারিয়া কিবভীয়া (রড়া)ইবরাহীম (রা)-এর মা ৷ উন্মুল মুমিনীনগণের প্রসংগে তার
কথাও আলোচিত হয়েছে ৷ তবে ইবনৃল আহীর (র) এ মারিয়া ও উন্মুর বাবার মারিয়ার মাঝে
পার্থক্য রেখা ণ্টনেছেন ৷ তিনি বলেছেন, ইনিও নবী করীম (না)-এর অন্যতম৷ দাসী ৷ তার
হাদীস বর্ণনা করেছেন বসরার রড়াবীগণ ৷ তা রিওয়ায়াত করেছেন আবদুল্লাহ ইবন হাবীব (র)
মারিয়া (বা ) থেকে ৷ তিনি বলেন, নবী করীম (সা) যে রাতে যুশরিকদের চোখে বুলো দিয়ে
পলায়ন’ করলেন, যে রাতে আমি তার জন্য নীচু হয়ে বসলাম যাতে তিনি একটি দেয়ালে
চড়তে পারেন ৷ ইবনুল আহীরের পরবর্তী মন্তব্য-এবং মারিয়া (রা) নবী করীম (সা)এর
খাদিম৷ ৷ আবু বকর (বা) ইবন আব্বাস (র) মুছান্না ইবন সালিহ (র)-এর দাদী মারিয়া (রা )
থেকে তিনি নবী করীম (না)-এর খাদিমা ছিলেন ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্পাহ (না)-এর হাতের
(তালুর) চেয়ে কোমল কোন কিছু আমি আমার হাত দিয়ে স্পর্শ করি নি ৷ আল ইসতীআব’-এ
আবু উমর ইবন আবদুল বাবৃর (র) বলেছেন, আমি অবগত নই যে, এ মারিয়া এবং পুর্ববর্তী
মারিয়া অভিন্ন কিনা ৷

উনিশ : মায়মুনা বিনত সাদ (রা)-অনতেম৷ মাওলা-র্বীদী ৷ ইমাম আহমদ (র) বলেন,
আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন যুহরিয (র)যিয়াদ ইবন আবু সাওদা (রা)-এর ভাই সুত্রে বর্ণনা
করেন যে, নবী করীম (না)-এর বীদী মায়মুনা (রা) বললেন, ইয়া রাসুলড়াল্লাহ ! বায়তুল
ঘুকাদ্দাস সম্পর্কে আমাদের অবহিত করুন ৷ জবাবে তিনি বললেন, আে৷
তোমরা সেখানে যাবে এবং সেখানে সালাত আদায় করবে ৷ কেননা, সেখানে এক সালাত
হাজার সালাতের তুল্য ৷ মায়মুনড়া বলেন, যদি কেউ সেখানে যেতে কিত্বা সফর করতে সক্ষম
না হয় তবে যে কী করবে তা বলে দিন ৷ নবী করীম (সা) বললেন, তবে যে সেখানে তেল
হাদিয়াস্বরুপ পাঠাবে ৷ কেননা, যে সেখানে হাদিয়া পঢািবে সে যেন সেখানে সালাত আদায়
করল ৷” ইবন মাজা (র) আবু দাউদ ও আহমদ (র) হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন, মায়মুনড়া
(না) থেকে ভিন্ন ভিন্ন সুত্রে ৷ আহমদের বর্ণনায় আছে মড়ায়মুন৷ (বা) বলেন, নবী করীম (সা)-
কে জারজ-সত্তান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল ৷ তিনি বললেন,

“তাতে কোন কল্যাণ নেই ৷ এক জোড়া চপ্পল যা দিয়ে আমি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করব
তা জারজ সন্তানকে মুক্তি দেয়ার চেয়ে আমার নিকট অধিক পসন্দীয় ৷” নড়াসাঈ (র) আব্বাস
আদ দুরী (র) সুত্রে এবং ইবন মাজা (র) আবু বকর ইবন আবু শায়রা (র) সুত্রে দৃকারন (র)
ঐ সনদে অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন ৷ আবু য়ালা আল মড়াওসিলী (র) বলেন, আবু বকর ইবন
আবু শায়বা (র)মায়মুনা (বা) থােক-তিনি নবী কবীম (না)-এর খিদমত করার্লো ৷
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) বলেন,
– “সেত্তোগুজে পর-পুরুষের মাঝে বিচরণকারিণী-কিয়ামতের দিন আধাৰের ন্যায় ৷
তার কোন জোাতি থাকবে না ৷” তিরমিষী (র) হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন মুসা ইবন

উবায়দা (র) সুত্রে ৷ তিনি মন্তব্য করেছেন, মুসা ব্যতীত অন্য কে ন সুত্রে আমরা হাদীসটি
পাইনি ৷ আর হাদীস বর্ণনায় মুসাকে দুর্বল গণ্য করা হয় ৷ আরো কেউ কেউ মুসা থেকে এ
হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তবে তা মারকু রুপে নয় ৷

বিশ : অন্যমতা বাদী মায়মুনা বিনত আবু আসীবা (কিৎব৷ আবু আমবাসা) (বা) ৷ এ তথ্য
আবু আমর ইবন মানদা (র)-এর ৷ আবু নুআয়ম (র) বলেছেন, এতে বিভ্রাট হয়েছে ৷ সঠিক
নাম হল মায়মুনা বিনত অ ৷বু আসীব ৷ আবু আবদুল্লাহ মুশাজজা ইবন মুসআব আল আ ৷বদী
(র) এরুপ নামেই তার হা ৷দীস রিওয়ায়াত করেছেন ৷ রাৰী আ বিনত ইয়াষীদ (র) নবী
করীম (সা) এর বাদী মায়মুনা বিনত আবু আ ৷সীব (রা) থেকে মতাম্ভরে বিনত আবু আমবাসা
থেকে, এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, হুরায়শ গোত্রের এক নারী নবী কৰীম (সা) এর দরবারে এসে
আওয়ায দিল ৷ হে আইশা ! রাসুলুল্লাহ (সা) এর নিকট হতে একটি দুআ এনে দিয়ে আমাকে
সাহায্য করুন; যা দিয়ে আপনি আমাকে সান্তুন৷ দিবেন এবং আমাকে নিশ্চিন্ত করবেন ৷ নবী
করীম (না) তাকে বললেন,

“ তোমার ডান হাত তোমার হৃদপিণ্ডের উপরে রাখবে তারপর তা মসেহ করবে এবং বলবে
আল্লাহর নামে! ইয়৷ আল্লাহ ! আপনার দাওয়াই দিয়ে আমাকে চিকিৎসা করে দিন
এবং আপনার শিফা দিয়ে আমাকে শিফা দান করুন ৷ ”
আপনার কয়লা ও যেহেরবাণী (রিযিক) দিয়ে আপনি ব্যতীত অন্যদের থেকে আমাকে অভাব
যুক্ত করুন” রাবীআ (র) বলেন, আমি এ দুআ দিয়ে দুআ করলাম এবং তা কার্যকর পেলাম ৷

একুশ : অন্যতমা বাদী আবু যুমায়রা (রা)-এর শ্রী উম্মু যুমায়রা (বা) ৷ এ পরিবার সম্পর্কে
আলোচনা ইতোপুর্বে করা হয়েছে ৷

বইিশ : অন্যতমা র্বীদী উম্মু আয়্যাশ (বা) ৷ রাসুলুল্লাহ (না) উছমান (রা) এর সংগে তার
কন্যাকে বিয়ে দিলে র্তার খিদমত সহযোগীতার জন্য তার মা গে এ বাদীকে পাঠিয়েছিলেন ৷
আবুল কা ৷সিম বাগাবী (র) বলেন, ইকরিমা (র)উম্মু আয়্যাশ (রা) সুত্রে বর্ণনা ৷করেন ৷ তিনি
নবী করীম (সা) এর খাদিমা ছিলেন ৷ নবী করীম (সা)৩ তাকে নিজের কন্যার স০ গে উছমান
(না) এর বা ৷ড়িতে পাঠিয়েছিলেন ৷ তিনি বলেন, আমি উছমান (রা)-এর জন্য থুরমা দলা ৷ই-
মলাই করে সকালে (ভিজিয়ে) রাখতাম ৷ তিনি তা বিকেলে পান করতেন এবং বিকেলে
তিজিয়ে রাখলে তিনি তা সকালে পান করতেন ৷ একদিন তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন,
এতে তুমি কিছু (পুরাতনের সংগে নতুন পানির) মিশ্রণ কর নাকি? আমি বললাম, জী হী ৷ তিনি
বললেন, এমনটি আর করবে না ৷

এরাই হলেন নবী করীম (না)-এর বাদী-দ্দাসী (বা) ৷ ইমাম আহমদ (র) বলেন, ওয়ার্কী
(র) ছুমামা (র) সুত্রে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, আমি আইশা (রা)-ণ্ক নাবীয’১ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা

১ পানিতে খুরম৷ (কিশমিশ ইত্যাদি) তিজিয়ে রেখে তৈরী পানীয় ৷ শ্অনুবাদক

করলাম ৷ তিনি এক হড়াবশী কিশোরী (দাসী)-কে দেখিয়ে বললেন, এটি রড়াসুলুল্লাহ (না)-এর
পরিচারিকা , একে জিজ্ঞেস কর ৷ তখন সে বীদীটি বলল, আমি বিকেলে রাসুলুল্লাহ (সা) এর
জন্য একটি পড়াত্রে (মশকে) থুরমা তিজিয়ে সেটির মুখ বেধে রাখতাম ৷ সকাল হলে তিনি তা
থেকে গান করতেন ৷ মুসলিম ও নাসাঈ (র) হাদীসটি রিওয়ড়ায়াত করেছেন ৷ করেছেন কাসিম
ইবনৃল কাঘৃল (র) এর বরড়াতে, ঐ সনদে ৷ বংনািকারীগণ হাদীসটি এভাবে আইশা (রা)-এর
মুসনাদে’ উল্লেখ করেছেন ৷ কিন্তু তা নবী করীম (সা) এর খিদমতকারিণী অন্যতমা হড়াবশী
বীদীর মুসমাদরুগে উল্লেখিত হওয়াই অধিক সমীচীন ৷ তবে সে বীদী আমাদের উল্লেখিত
বীদীদের একজনও হতে পারেন ৷ আবার তাদের অতিরিক্ত অন্য কউও হতে পারেন ৷
আল্লাহই সর্বাধিক অবগত ৷

নবী করীম (না)-এর সেবার আত্মনিয়োজিত তার সাহাবী খাদিমপণ
(যারা পালড়ামও মাওলাও নয়)

এক : এ তালিকার শীর্ষে রয়েছেন আনড়াস ইবন মালিক (বা) ৷ তার বংশ সুত্র আনাস ইবন
মালিক ইবনৃয নড়ামর ইবন যমযম (ণ্-ঞাশ্এ) ইবন যায়দ ইবন হড়ারাম ইবন জুনদাব ইবন আসিম
ইবন পনম ইবন আদী ইবনুন নড়াজ্জার-নড়াজ্জার গোত্রের আনসাবী ৷ তার কুনিয়াত ছিল আবু
হামযা , বাসস্থান মদীনায়, পরে বসরায় বসতি স্থাপন করেন ৷ রাসুলুল্লাহ (সা)-এর মদীনায়
অবস্থানকাল দীর্ঘ দশ বছর পর্যন্ত তার খিদমত করেন ৷ এ ধীর্ঘ দিন নবী করীম (সা) কখনো
তাকে ভভুসনা করেননি এবং তিনি করেছেন এমন কোন কাজের ব্যাপারে বলেননি, তা
করলে কেন ? এবং তিনি করেননি এমন কোন বিষয়ে তিনি বলেননি, এটা করলে না কেন ?
তার মা হলেন উম্মু সুলায়ম বিনত মিলহান ইবন খালিদ ইবন মায়দ ইবন হারড়াম ৷ এ মা-ই
তাকে রড়াসুলুল্লাহ (সা ) এর হাতে তুলে দিয়েছিলেন এবং তিনি তা কবুল করেছিলেন ৷ যা তার
এ সন্তানের জন্য নবী করীম (না)-এর কাছে দুআর আবেদন করলে নবী করীম (সা)
বলেছিলেন,

“হে আল্লাহ ৷ তার বন-দৌলত ও সন্তান-সওতি বাড়িয়ে দিন এবং তাকে দীর্ঘ্যয়ু করুন এবং
তাকে জান্নড়াতে দাখিল করুন ৷” আনাস (বা) বলেন, এর দুটি ৰিবয় আমি দেখেছি এবং
ভৃভীয়টির (জান্নড়াতে প্রবেশ) প্ৰর্তীক্ষায় রয়েছি ৷ আল্লাহর কসমৰু আমার রয়েছে অবশ্যই অধিক
সম্পদ এবং আমার সন্তান ও সন্তানের সন্তান-সম্ভতির সংখ্যা একশ ছাড়িয়ে গেছে ৷ ’ অন্য একটি
র্যণনড়ায় রয়েছেষ্আমার আৎগুর বাগান বছরে দদুবার করে ফল দেয় ৷ আর আমার ঔরবজাত
সন্তানের সংখ্যা একশ ছয় জন ৷

তার বদরে অংশ্যাহণ সসম্পর্কে মতানৈক্য রয়েছে ৷ আনসাবী (র) তার পিতা সুত্রে ছুমামা
(র) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তিনি বলেন, আনড়াস (রা)-কে বলা হল, আপনি কি বদরে
উপস্থিত ছিলেন ? তিনি বললেন, মা-মরা কােথাকার, বদর হতে অনুপস্থিত থেকে আমি
কোথায় যাব ? তার প্রসিদ্ধ মতে তিনি বয়সের স্বল্পতার কারণে বদরে অংশ্যাহণ করেন নি
এবং একই কারণে উহুদেও অংশ্যাহণ করেননি ৷ তবে হুদড়ায়বিয়া, খ্যয়বর, উমরাতুল কাযা ,
মক্কা বিজয়, হুনায়ন ও তাঈফ এবং এর পরবর্তী অভিযান সমুহে অংশ্যাহণ করেছিলেন ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.