রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

বনূ লিহ্য়ান অভিমুখে অভিযান

বনূ লিহ্য়ান অভিমুখে অভিযান

আপনি হলেন আমাদের চুক্তি ও অঙ্গীক৷ ৷রে নেতৃন্থানীয় ব্যক্তি ৷ আপনি ওই নবীর অনুসরণ করলে
আমরাও র্তা র অনুসরণ করব ৷ আপনি ত কে প্রত্যাখ্যান করলে আমরাও প্রত্যাখ্যান করব ৷ আমর
ইবন সৃদ৷ কা র এর মুখোমুখি হল এবং ওদের উভয়ের আলোচনার জের ধরে বলল, হে কা র
ওই নবীর অনুসরণের ব্যাপারে আমার বক্তব্য৩ তাই না আপনি বলেছেন যে, “কারো অনুসরণকা ৷রী
ও অনুষঙ্গী হতে আমার মন চায় না ৷” বায়হ৷ কী (র) এটি বর্ণনা করেছেন ৷

বনু লিহয়ান অভিমুখে অভিযান

বায়হাকী দালাইল গ্রন্থে এ ঘটনাটির উল্লেখ করেছেন ৷ ইবন ইসহাক (রা) হিশাম সুত্রে যিয়াদ
থেকে বর্ণনা করেছেন যে, খন্দকের যুদ্ধ এবং বনু কুরায়যার যুদ্ধের পরবর্তী দ্বিতীয় বছরের
জুমাদ৷ ল উলা মাসে এই অভিযান সং ঘটিত ৩হয় ৷ এ বংনািটি বায়হাকীর বংনাি ৷র চা ৷ইতে অধিকতর
গ্রহণযোগ্য ৷ আল্লাহ্ই৩াল জানেন ৷ বায়হাকী বলেন, আবু আবদুর হ — — — আহমদ ইবন
আবদুল জাব্বার প্রমুখ বলেছেন, খুবায়ব (রা )ও তা ৷র সা ৷থিপণের শা হাদতের পর বনুলিহ্য়ান গোত্র
থেকে রক্তপণ উসুল করার দাবী নিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনা থেকে বের হলেন ৷ বাহ্যত তিনি
সিরিয়ার দিকে যাত্রা করলেন ৷ যাতে কেউ বুঝতে না পারে যে, তিনি মুলত: বনু লিহয়ানের
গোত্রের উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন ৷ বনু লিহয়ানের হুযায়লের এলাকায় গিয়ে দেখতে পেলেন যে, ওরা
আক্রমণের আশংকায় সতর্কতাস্বরুপ পাহাড়ের চুড়ায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে ৷ এ অবস্থায় রাসুলুরাহ্
(সা) বললেন, এখন আমরা যদি উছফা ৷ন অঞ্চলে অবত তরণ করি তাহলে কুরায়শরা মনে করবে যে,
আমরা মক্কা আক্রমণের উদ্দেশ্যে এসেছি, তিনি ২০০ অশ্বারোহী নিয়ে যা ত্রা করলেন ৷ উছফান
অঞ্চলে এসে তিনি র্তাবু খাটালেন ৷ দু’জন অশ্বারোহীকে তিনি প্রেরণ করলেন ৷ তারা কুরা
আল গামীম অঞ্চলে আসে ৷ত তারপর ফিরে যায় ৷

আবুআইয়াশ যুরাকী বলেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) উছফান নামক স্থানে সালাতুল খাওফ বা
ভয় কালীন নামায আদায় করেছিলেন ৷ ইমাম আহমদ (রা) বলেন, আবদুর রাঘৃযাক — ইবন
আইয়াশ বলেছেন, আমরা রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে উছফান নামক স্থানে ছিলাম ৷ মুশরিকরা
সেখানে আমাদের মুখোমুখি হয় ৷ ওদের নেতৃত্বে ছিল খালিদ ইবন ওয়ালীদ ৷ আমাদের আর
কিবলা ৷র মধ্যস্থানেত তার৷ অবস্থান করছিল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা ) আমাদেরকে নিয়ে যুহরের নামায
আদায় করলেন ৷ একই সাথে নামাযরত দেখে মুশরিকগণ বলাবলি করতে লাগলো খনত এমন
একটা সময় ছিল যে, আমরা ওদের উপর অত র্কিতে আক্রমণ করলে ওদেরকে পরাজিত করে
মালপত্র দখল করে নিতে পারতাম,তারা আরো বলল যে, একটু পরে ওদের অপর একটি
নামায়ের সময় আসবে যে নামায ওদের নিকট আ ৷পন প্রাণ এবংঅ আপন পুত্রকন্যার চেয়েও প্রিয় ৷
ওই নামাযে দাড়ালে আমরা ওদের উপর আক্রমণ করব ৷ এই প্রেক্ষাপটে তয়কালীন নামায
সম্পর্কিত কয়েকটি আয়াত নিয়ে যোহর আর আছরের মাঝামাঝি সময়ে হযরত ৩জিবরাঈল (আ )
অবশীর্ণ হলেন ৷ সে আয়াত টি হল, ( ;১াশু৷ ৷ পে৷ ণ্ ণ্স্কএে ণ্ধ্ৰু;ণ্ ;£ ৷ এ ৷ এ) এবং আপনি
যখন ওদের মাঝে অবস্থান করবেন ও তাদের সাথে সালাত কায়েম করবেন তখন তাদের একদল
আপনার সাথে যেন দাড়ায় এবং তারা যেন সশস্ত্র থাকে ৷ তাদের সিজদা শেষ হলে তারা যেন
আপনাদের পেছনে অবস্থান করে , আর অপর একদল যারা সালাতে শরীক হয়নি তার৷ আপনার

সাথে যেন সালাতে শরীক হয় ৷ এবং তারা যেন সতর্ক ও সশস্ত্র থাকে ৷ কাফিরগণ কামনা করে
যেন তোমরা তোমাদের অস্ত্রশস্ত্র ও আসবাবপত্র সম্পর্কে অসতর্ক হও, যাতে তারা তোমাদের
উপর ঝাপিয়ে পড়তে পারে ৷ যদি তোমরা বৃষ্টির জন্যে কষ্ট পাও অথচ পীড়িত থাক তবে তোমরা
অস্ত্র রেখে দিলে তোমাদের কোন দোষ নেই ৷ কিন্তু তোমরা সতর্কতা অবলম্বন করবে ৷ আল্লাহর
কাফিরদের জন্যে লাঞ্চুনাদায়ক শাস্তি প্ৰন্তুত করে রেখেছেন ৷ (৪ শ্নিসা ঘ্র ১ : ২) ৷ আসর নামায়ের
সময় হলে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নির্দেশে সকলে সশস্ত্র অবস্থায় থাবন্বন্থদ্বপ্ন্ণ্৷ ৷ আমরা তার পেছনে
দু’সারিতে দীড়ালাম ৷ তিনি রুকু করলেন আমরা সকলে র্তার সাথে রুকুতে গেলাম ৷ তিনি রুকু
থেকে মাথা তৃললেন ৷ আমরা সকলে মাথা উঠালাম ৷ তিনি ১ম সারিসরু সিজদায় গেলেন ৷ ২য়
সারি সিজদায় গেলনড়া ৷ তারা দাড়িয়ে দাড়িয়ে পাহারা দিচ্ছিলেন ৷ ১ম সারি সিজদা থেকে উঠে
দাড়ালেন ৷ ২য় সারি বসে ওদের জায়গায় সিজদা দিলেন ৷ এবার ১ম সারি গেলেন ২য় সারিতে
আর ২য় সারি গেল ১ম সারিতে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) দ্বিতীয় রাকঅ্যাংতর জন্যে রুকুতে গেলেন ৷
উভয় সারি রুকুতে গেল ৷ তিনি রুকু থেকে মাথা তৃললেন সকলে মাথা তৃললেন ৷ এরপর
এখনকার ১ম সারি সহ তিনি সিজদায় গেলেন ৷ ২য় সারি দাড়িয়ে পাহারা দিচ্ছিল ৷ ১ম সারি
সিজদা থেকে উঠে বসল ৷ এবার ২য় সারি বসে সিজদাবনত হল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা ) সালাম ফিরিয়ে
নামায শেষ করলেন ৷ বর্ণনাকারী বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) ভয়কালীন নামায বা সালাতুল থাওফ
দু’বার পড়েছেন, একবার উছফান অঞ্চলে, আরেকবার বনু সুলায়ম গোত্রে ৷

ইমাম আহমদ (র) জুনদার মানসুর থেকে অনুরুপ বংনাি করেছেন ৷ আবুদাউদ (র)
ও নাসায়ী নিজ নিজ সনদে অনুরুপ বর্ণনা করেছেন ৷ এই হাদীছের সনদদ বুথাবী ও মুসলিমের
শর্ভে উত্তীর্ণ তবে, তারা এটি উদ্ধৃত করেননি ৷ তবে মুসলিম (র) আবু খায়ছামাহ — — — জাৰির
(বা) সুত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা ) এর সাথী হয়ে জুহায়না
সম্প্রদায়ের একটি গোত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম ৷ সেখানে উভয় পক্ষে প্রচণ্ড যুদ্ধ হয় ৷
যথাসময়ে রাসুলুল্লাহ্ (সা) জামাতের সাথে যুহরের নামায আদায় করেন ৷ এ অবস্থায় কাফিরগণ
বলেছিল , আমরা যদি ওই সময়টুকুতে তাদের উপর ঝাপিয়ে পড়তড়াম তাহলে ওদেরকে ছত্রভঙ্গ ও
পরাজিত করে দিতে পারতাম ৷ তাদের কথোপকথন জিববাঈল (আ) এসে রাসুলুল্লাহ্ (সা) কে
জানিয়ে দেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) তা আমাদেরকে অবগত করলেন ৷ তিনি বললেন যে, মুশরিকরা
নিজেদের মধ্যে বলাবনি করেছিল যে, অবিলম্বে মুসলমানদের নিকট আরেকটি নামায়ের সময়,
উপস্থিত হয়ে যে নামায ওদের কাছে নিজ নিজ সন্তান-সম্ভতিদের চাইতেও বেশী প্রিয় ৷ এরপর
হাদীছের অবশিষ্ট অংশ পুর্বের ন্যায় বর্ণনা করেছেন ৷

আবু দাউদ তায়ালিসী বলেন, হিশাম বর্ণনা করেছেন আবু যুবায়র এর বরাতে জাৰির ইবন
আবদুল্লাহ (বা) থেকে ৷ তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) এক থেজুর বাগানে সাহাবীগণকে নিয়ে
যােহরের নামায আদায় করেছিলেন ৷ মুশরিকরা র্তাদের উপর হামলার পরিকল্পনা করেছিল ৷
তারপর নিজেরাই বলাবলি করে যে, এ বেলা থাকুক মুসলমানদের আরেকটি নামায আছে এই
নামায়ের পর ৷ সেটি তাদের নিকট নিজেদের সন্তান-সম্ভতি অপেক্ষা অধিকতর প্রিয় ৷ ওই

নামায়ের সময় আমরা হামলা করব ৷ হযরত জিবরাঈল (আ) অবতীর্ণ হয়ে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর

নিকট তা অবহিত করলেন ৷ ফলে তিনি সাহাবীপণকে দু’সারিতে দীড় করিয়ে আসরের নামায
আদায় করলেন ৷ তিনি র্দাড়ালেন সবার সামনে ৷ তার সম্মুখ দিকে শত্রু দল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)
তাকবীর-ই তাহরিমা বললেন, সবাই তকবীর বললেন ৷ তিনি রুকু করলেন সবাই রুকুতে
গেলেন ৷ তিনি সিজদায় গেলেন তার সাথে সিজদায় গেল শুধু প্রথম সারি ৷ দ্বিতীয় সারির
লোকজন দাড়িয়ে রইলেন ৷ প্রথম সারি সিজদা থেকে উঠার পর তারা পাহারায় থাকল, ২য় সারি
সিজদায় গেল ৷ এরপর স্থান বদল করে ১ম সারি গেল ২য় সারির স্থানে আর ২য় সারি গেল ১ম
সারির স্থানে ৷ সবাই এক সাথে তাকবীর বলল ৷ সবাই এক সাথে রুকু করল ৷ এরপর এখনকার
১ম সারি রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে সিজদায় গেল আর ২য় সারি দাড়িয়ে রইল ৷ সিজদারত সারি
সিজদা শেষে মাথা উঠানাের পর ২য় সারি সিজদায় গেল ৷ বুখড়াবী তার সহীহ গ্রন্থে হিশাম সুত্রে
জাবির (রা ) থেকে বর্ণিত এই হাদীস উল্লেখ করে এর ৷র্দু সালাংচুল খ ওফের ) দলীল পেশ
করেছেন ৷

ইমাম আহমদ (র) বলেন, আবদুস সামাদ আবু হুরায়রা (বা ) থেকে বর্ণনা করেন
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এক সফরে গিয়ে দাজনান ও উছফান স্থানদ্বয়ের মধ্যবর্তী স্থানে র্তাবু খাটালেন ৷
মুশরিকরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগল যে, মুসলমানদের এমন একটি নামায আছে যা
তাদের নিকট নিজেদের সত্তানাদি ও তাদের কুমারী কন্যাদের চাইতেও প্রিয়তর ৷ সেটি হল
আসরের নামায ৷ তোমরা প্রস্তুত থাক ৷ ওদের নামাযের সময় একযোগে আক্রমণ চালাবে ৷ এই
পরিস্থিতিতে হযরত জিবরাঈল (আ) এলেন রাসুলুল্লড়াহ্ (সা)-এর নিকট ৷ তিনি সাহাবীপণকে
দৃভাগে ভাগ করিয়ে নামায আদায়ের নির্দেশ দিলেন ৷ এক সারি নিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সা) নামায আদায়
করবেন ৷ অপর সারি পেছনে দীড়িয়ে পাহারা দেবে ৷ ওরা থাকবে পুর্ণ সতর্ক এবং সাথে থাকবে
অস্ত্রশস্ত্র ৷ ১ম দলের এক রাকঅড়াত শেষে হবার পর ২য় দল নড়ামায়ে এসে র্দাড়াবে রাসুলুল্লাহ্
(সা)-এর সাথে ৷ ১ম দল চলে যাবে ২য় দলের স্থানে এবং পুর্ণ সতর্কতা গ্রহণ ও অস্ত্র-শ্যস্ত্র
সজ্জিত থাকবে ৷ তাহলে প্ররুতব্রক দলের রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে এক রাকআত করে আদায়
করা হবে আর রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর হবে দৃরাকআত ৷ (পরে প্রতেব্রক দল নিজেরা এক রাকআত
করে আদায় করে মোট দৃ’রাকআত পুর্ণ করবে) ৷ ইমাম তিরমিযী ও নাসাঈ (র) এই হাদীছ
আবদুস সামাদ থেকে উদ্ধৃত করেছেন ৷ তিরমিযী (বা) বলেছেন, এটি হাসান এবং সহীহ হাদীছ ৷

আমি বলি, বর্ণনাকারী আবু হুরায়রা (রা) যদি উক্ত ঘটনায় উপস্থিত থেকে থাকেন তবে
বলতে হবে যে, এই ঘটনাটি ঘটেছে খায়বার যুদ্ধের পর ৷ নতুবা এটি সাহাবী থেকে বর্ণিত
মুবসড়াল হাদীছ ৷ জমহুর তথা অধিকাৎশ উলামা-ই-কিরামের মতে এ প্রকারের মুবসাল বর্ণনা
দোষাবহ নয় ৷ আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷ ইমাম মুসলিমের উদ্ধৃত হযরত জাবির (রা)-এর হাদীছে
এবং আবু দাউদ তড়ায়ালিসীর উদ্ধৃত হাদীছে উছফান অঞ্চলের কথাও নেই থালিদ ইবন ওলীদের
কথাও নেই ৷ তবে স্পষ্ট বুঝা যায় ঘটনা অভিন্ন ৷ তবে বিচার্য বিষয় হল, উছফানের অভিযান
খঃন্দকের যুদ্ধের পুর্বে পরিচালিত হয়েছে না কি পরে পরিচালিত হয়েছে ৷ ইমাম শাফিঈ (ব) প্রমুখ
আলিমপণ বলেছেন যে, সালাতুল থাওফ এর বিধান এসেছে খন্দকের যুদ্ধের পরে ৷ কারণ, খন্দক
যুদ্ধের দিন মুজাহিদগণ যুদ্ধের প্রচণ্ডতার কারণে নির্ধারিত ওয়াক্তের পরে নামায আদায় করেছেন
তখন সালাতুল খাওফের বিধান থাকলে তারা খন্দকের যুদ্ধের দিন নামায বিলম্বিত না করে

সালাতুল খাওফের নিয়মে নামায আদায় করতেন ৷ এ জন্যে কতক যুদ্ধ বিষয়ক ইতিহাসবিদ
বলেছেন যে, বনু লিহয়া ন যুদ্ধ , যে যুদ্ধে রাসুলুল্লাহ্ (সা) উছফান অঞ্চলে য়কালীনভ নামায আদায়
করেছেন ওই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল বনু কুরায়যা যুদ্ধের পর ৷

ওয়াকিদী আপন সনদে খালিদ ইবন ওয়ালীদ থেকে বর্ণনা করাে,ছ:ন , তিনি বলেছেন যে,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) হুদায়বিয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন যে যাত্রায় ওই মাত্রায় উছফান অঞ্চলে আমি
তার মুখোমুখি হই ৷ এবং তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিই ৷ তিনি আমদ্দর মুখোমুখি হয়ে
সাহাবীদেরকে নিয়ে যুহরের নামায আদায় করেন ৷ পরের নামাযে আমরা র্ভপ্জাণ্র উপর হামলা করার
সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ৷ কিন্তু আমার সিদ্ধ৷ ৷ম্ভ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা তাকে অবহিত করে দেন ৷
ফলেত তিনি তার সাহাবীদেরকে নিয়ে আসরের নামায আদায় করেন সালাতুল খাওফ এর বিধান
অনৃয৷ ৷য়ী ৷

আমি বলি, রাসুলুল্লাহ্ (সা) উমর৷ আদায়ের নিয়ব্রুতে হুদায়বিয়৷ পৌছেছিলেন যার সুত্রে
হুদায়বিয়ার সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা ছিল ৬ষ্ঠ হিজরীর যিলকদ মাসে খন্দকের যুদ্ধ ও বনু
কুরায়যার যুদ্ধের পর, এর বিস্তারিত বিবরণ পরে আসবে ৷ অন্যদিকে আবুআইয়াশ যুরাকীর বর্ণনা
থেকে বুঝা যায় যে, ভয়কালীন নামায সম্পর্কিত আয়াতগুলো নাযিল হয়েছে বনু লিহয়ান
অভিযানে উছফান যুদ্ধের দিবসে ৷ এবং এদিনের ভয়কালীন নামায-ই ইতিহাসের প্রথম
ভয়কালীন নামায ৷ আল্লাহ্ইভ ৩াল জানেন ৷ সালাতুল খাওফ এর নিয়ম কানুন ও এত তদসম্পর্কিত
বিভিন্ন বর্ণনা আমরা ইন্শা আল্লাহ “কিতাবুল আহকামুল কাবীর” গ্রন্থে উল্লেখ করব ৷ সকল
নির্ডরত৷ আল্লাহর উপর ৷

যাতুর বিকা অভিযান

ইবন ইসহাক বলেন, বনু নাযীর যুদ্ধের পর রাসুলুল্লাহ্ (সা) রবিউল আউয়াল, রবিউছ ছানী
এবং জুমাদাল উলা মাসের কয়েক দিন মদীনায় অবস্থান করেন ৷ তারপর নজদ অঞ্চলের দিকে
যাত্রা করেন ৷ পাতফান গোত্রের বনু মুহাবির ও বনু ছালাব৷ উপগাে ৷ত্রদ্বয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার
জন্যেই তিনি এ অভিযানে বের হয়েছিলেন ৷ এ সময়ে মদীনায় তার স্থলাভিষিক্ত করে যান হযরত
আবু যারর পিফ৷ রী (রা) কে ৷ ইবন হিশাম বলেন, কারো কারো মতে, তখন উছমান ইবন
আফ্ফান (রা)-কে ৷

ইবন ইসহাক বলেন, মুজাহিদ বাহিনী নিয়ে পথ চলতে চলতে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এক খেজুর
বাগানে এসে শিবির স্থাপন করেন ৷ এই যুদ্ধ যাতুর বিকা নামে পরিচিত ৷ এই নামের যৌক্তিকতা
সম্বন্ধে ইবন হিশাম “বলেন, মুজাহিদগণ টুকরো টুকরো কা ৷পড় জোড়া দিয়ে তাদের পতাকা ৷তৈরী
করেছিলেন বলে ওই যুদ্ধ যাতুর “বিকা জোড়াত তালি বিশিষ্ট যুদ্ধ” নামে প্রসিদ্ধ ৷ কেউ কেউ
বলেন, ওখানে যাতুর বিকা ৷নামে একটি গাছ ছিল বলে সেটি যাতুর বিকা ৷যুদ্ধ নামে পরিচিত
হয়েছে ৷ ওয়াকিদী বলেন, ওখানে একটি পাহাড় ছিল ৷ সেটির কিছু অংশ ছিল লাল কিছু অংশ কাল
এবং কিছু অংশ ছিল সাদা ৷ বিভিন্ন রংয়ের সমন্বিত রুপ ছিল বলে পাহাড়টির নাম ছিল যাতুর

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.