রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

বুখারীর অনৃচ্ছেদ : শিরোনাম, তালবিয়া দিবসে যুহরের সালাত কোথায় আদায় করা হবে?

বুখারীর অনৃচ্ছেদ : শিরোনাম, তালবিয়া দিবসে যুহরের সালাত কোথায় আদায় করা হবে?

করে রেখেছেন তা হতে আমাকে অবহিত করুন যে, আট তারিখের যুহর, আসর, কোথায়
আদায় করা হবো তিনি বললেন, মিনার ৷ আমি বললাম, তা হলে প্রত্যাবর্তন দিবস (বারতেব
তারিখে) আসর, সালাত কোথায় আদায় করেছিলেন ? তিনি বললেন, আবতাহে ৷ তারপর
(আনাস রা) বললেন, তোমার শাসকগণ যেমন করে, তুমিও তেমন করবে ৷ ইবন মাজা (র)
ব্যতীত সিহাহ্ সিত্তার সংকলকপণ এ হাদীস ইসহাক ইবন ইউসুফ আল আযরাক (র),
সুফিয়ান ছওবী থেকে (পুর্বোক্ত সনদে) বিভিন্ন সনদে উদ্ধৃত করেছেন বিধায় আহমদও অনুরুপ
বর্ণনা করেছেন ৷ তিরমিয়ী (র) মন্তব্য করেছেন ৷ তবে হাসান সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন ৷
তারপর বুখাবী (র) আলী (রা) আবদুল আবীর ইবন রুফায় (র) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি
বলেছেন ৷ আমি আনাস (রা)এর সংগে সাক্ষাত করলাম, ইসমাঈল ইবন আবাস (র)
আবদুল আবীর (র) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, আমি তালবিয়া দিবসে মিনার উদ্দেশ্যে
রওয়ানা হলাম তখন পাধায় চড়ে মমনরত অবস্থায় আনাস (রা)-এর সাথে আমার সাক্ষাত
হল ৷ আমি বললাম, এ দিনে নবী কবীম (সা) যুহর সালাত কোথায় আদায় করেছিলেন ? তিনি
বললেন, লক্ষ্য রাখৰে তোমার আমীররা যেখানে সালাত আদায় করবেন ত্নমিও সেখানে আদায়
করবে ৷

আহমদ (র) বলেছেন, আসওয়াদ ইবন আমির (র) ইবন আব্বাস (রা) সুত্রে এ মর্মে
বর্ণনা করেন যে, রাসৃলুল্পাহ্ (সা) মিনার পাচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করেছেন ৷ আহমদ (র)
আরো বলেন, আসওয়াদ ইবন আমির (র) ইবন আব্বাস (রা) সুত্রে এ মর্মে বর্ণনা করেন
যে, নবী বত্রীম (সা) তালৰিয়া দিবসে যুহর সালাত মিনার আদায় করেছেন এবং আরফো
দিবসের (নয় তারিখ) চ্যেরর সালাতও তথার আদায় করেছেন ৷ আবু দাউদ (র) এ
হড়াদীছ রিওয়ায়াত করেছেন যুহায়র ইবন হারব (র)(আমাশ সুত্রে ঐ সনদে) ৷ তবে র্তার
ভাষ্য হল যুহর সালাত আরাফা দিবসে মিনার ৷ তিরমিয়ী (র) এ হাদীস আহরণ করেছেন
আল আশাজ (র) (আমান) হতে, অনুরুপ অর্থ সম্পন্ন হাদীস ৷ তিনি মন্তব্য করেছেন যে,
তারা (র) যে সব হাদীস মিকসাম (র) হতে হাকাম (র)-এর শ্রুত বলে পরিগণিত করেছেন
এ হাদীসটি তার অন্তর্ভুক্ত নয় ৷ তিরমিয়ী (র) আরো বলেন, আবু সাঈদ আল আশাজ (র)
ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (না) আমাদের নিয়ে মিনার
যুহর, আসর, মড়াপরিব, ইশা ও (পরের দিন) মজর সালাত আদায় করলেন ৷ তারপর ভোর
বেলা আরাফাত অভিমুখে রওয়ানা হলেন ৷ তারপর তিরমিয়ী (র) বলেছেন (এ হাদীসের
মধ্যবর্তী) রাবী ইসমাঈল ইবন মুসলিম একজন বিতবিতি ব্যক্তি ৷ তবে এ প্রসংগে
আবদুল্লাহ ইবনুয যুবারর ও আনাস ইবন মালিক (রা) হতেও রিন্তয়ায়াত রয়েছে ৷ ইমাম
আহমদ (র) বলেছেন,১ নবী করীম (না)-কে দেখেছেন এমন ব্যক্তি হতে এ মর্মে যে, নবী
বল্লীম (সা) তারবিয়া দিবসের অপরাহ্নে মিনার গমন করলেন, তার পাশে ছিলেন বিলাল
(বা) একটি কাঠের মাথায় একটি কাপড় নিয়ে যা দিয়ে তিনি রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে ছায়া

১ মুল পাণ্ডুলিপিতে এ স্থানটি সাদা রয়েছে ৷

দিচ্ছিলেন অর্থাৎ উত্তাপের কারণে ৷ এটি একাকী আহমদ (র)-এর রিওয়ায়াত ৷ আর
শাফিঈ (র) তো স্পষ্ট ভাষ্য দিয়েছেন যে, নবী করীম (সা) আবতাহ হতে মিনার উদ্দেশ্য
আরোহণ করেছিলেন দৃপুরের পরে ৷ তবে তিনি যুহর সালাত আদায় করেছিলেন মিনার ৷
সুতরাং এ হাদীসটি বিষয়টির প্ৰমাণস্বরুপ পেশ করা যায় ৷ আল্লাহ্ই সমধিক অবগত ৷

জাফর (র) জাবির (রা)-এর সনদের হাদীসে আগেই উল্লিখিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন,
নবী করীম (না) এবং অন্য যাদের সাথে হাদী ছিল তারা ব্যতীত সকল লোক হালাল হয়ে গেল
এবং চুল ছোট নিল ৷ তারবিয়৷ (অষ্টম) দিবস আগত হলে তারা মিনার যাওয়ার প্রস্তুতি নিল
এবং হাজ্জর ইহরাম-তালবিয়া শুরু করল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) সওয়ারীতে আরোহণ করলেন এবং
মিনার যুহর, আসর, মাগরিব, ইশা ও (পরের দিনের) ফজর সালাতসমুহ আদায় করলেন ৷
তারপর সুর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত অল্প সময় অপেক্ষা করে রইলেন এবং পশমের তৈরী তার
একটি তাবু খাটাবার নির্দেশ দিলে তার জন্য তা খটিানাে হল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) এগিয়ে
চললেন ৷ কুরায়শীরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল যে, তিনি মাশআরুল হারামে (মুযদালিফায়)-ই
অবস্থান করবেন (হরমের সীমা ছাড়িয়ে আরাফাতে যাবেন না) , যেমন কুরাইশীরা জাহিলী যুগে
(তাদের জাত্যাভিমানের কারণে) করত ৷ কিন্তু রাসুলুল্লাহ্ (সা) (হরমের সীমানা) অতিক্রম
করে আরাফায় উপনীত হলেন ৷ সেখানে নামিরায় তার জন্য র্তাবু তৈরী করা হয়েছে দেখতে
পেয়ে তিনি সেখানে অবতরণ করলেন ৷ সুর্য পশ্চিমে ঢলে পড়লে তিনি তার বাহন কাসওয়া
নিয়ে আসতে বললে তাতে ণদী বসানো হল ৷ তিনি উপত্যকার নিম্মতুমিতে এসে লোকদের
সামনে ভাষণ দিলেন ৷ তিনি বললেন, তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ, তোমাদের জন্য
মর্যাদা সম্পন্ন তোমাদের এ নগরে, তোমাদের এ মাসে তোমাদের এ দিনটির মর্যাদার ন্যায় ৷
শুনে রেখ জাহিলী যুগের প্রতিটি বিষয় আমার দুপায়ের তলায় দলিত ৷ জাহিলী যুগের সব
রক্তপণ রহিত, প্রথম যে রক্তপণ রহিত ঘোষণা করছি তা আমাদের প্রাপ্য রক্তপণ রাবীআ
ইবনুল হারিছ-এর পুত্রের রক্তপণ, যে বনু সাদে স্তন্য পানরত ছিল ৷ হুলায়লীরা তাকে খুন
করেছিল ৷ জা ৷হিলী যুগের সুদ রহিত, প্রথম যে সুদ রইিত করছি তা আমাদের প্রাপ্য সুদ
আব্বাস ইবন আবদুল ঘুত্তা ৷লিবের পাওনা সুদ, তার সম্পুইি রহিত ৷ তোমরা গ্রীদের ব্যাপারে ,
আল্লাহর ভয় করে চলবে ৷

কেননা তােমরা তাদের গ্রহণ করেছে৷ আল্লাহর আমানত সুত্রে; তাদের লজ্জাস্থান হালাল
করেছে৷ আল্লাহর কালিমার মাধ্যমে ৷ তাদের উপরে তোমাদের হক ও দাবী হল তারা
তোমাদের অপসন্দনীয় কাউকে তোমাদের শয্যা মাড়াতে দিয়ে না ৷ এমন করলে তোমরা
তাদের যখম সৃষ্টি না করে প্ৰহার করতে পারবে ৷ আর তোমাদের উপরে তাদের হক ও দাবী
হল সংণতভাবে তাদের থােরপোঘের ব্যবস্থা করা ৷ তোমাদের মাঝে এমন কিছু রেখে যাচ্ছি
যে, যদি তোমরা তা আকড়ে থাক, তবে আমার পরে কক্ষণো পথহারা হবে না, (তা হল)
আল্লাহর কিতাব ৷ আর তোমরা আমার বিষয় জিজ্ঞাসিত হবে, তোমরা তখন কী বলবে ? তারা
বললেন আমরা সাক্ষ্য দেব যে, আপনি পৌছিয়ে দিয়েছেন, আপনি দায়িত্ব পালন করেছেন,
আপনি কল্যাণ কামনা করেছেন ৷ নবী কৰীম (না) তখন তার শাহাদাত আং গুল দিয়ে ইংগিত
করে আং গুলটি আক৷ ৷শের দিকে উচু করছিলেন আবার জনতার দিকে না ৷মিয়ে আনছিলেন ৷

তিনি ৰলহ্যিলন, হে আল্লাহ! সাক্ষী থাকুন ৷ হে আল্লাহ্ ৷ সাক্ষী থাকুন ৷ হে আল্লাহ ৷ সাক্ষী
থাকুন ৷ তিনবার ৷

আবু আবদুর রহমান (ইমাম) নাসাঈ (র) বলেন, আলী ইবন হুজ্যা (র) আমৃর আস সাদী
সুত্রে, তিনি বলেন, বিদায় হন্জ্জা আরাফা দিবসের খুতৰায় আমি রাসুলুল্পাহ (না)-কে বলতে

শুনেছি-
জােন রেখো তোমাদের জান, তোমাদের মান ও তোমাদের সম্মান তোমাদের জন্য মর্যাদা

সম্পন্ন তোমাদের এ দিনের মর্যাদাও ন্যায় ৷ তোমাদের এ মাসের মর্যাদার ন্যায় এবং তোমাদের
নগরীর মর্যাদার ন্যায় ৷

আবুদাউদ (র) এ অনুচ্ছেদ শিরোনাম ও আরফোর মিনারের উপরে খুতবা প্রদান প্রসংপ

হড়ান্নাদ (ব) বনু যামরাৱ জনৈক ব্যক্তি তার পিতা কিৎবা চাচার বরাতে বলেন, আমি
বাসুলুল্লাহ্ (সা)-ণ্ক দেখেছি ৷ তিনি আরফোয় একটি মিম্বারের উপরে উপবিষ্ট ছিলেন ৷ এ
হাদীসের সনদ দুর্বল ৷ কেননা, এতে একজন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি রয়েছে ৷ তা ছাড়া জাবিব
(না)-এর পুর্বোল্পিখিত্ত দীর্ঘ হাদীস বিবৃত হয়েছে যে, নবী করীম (না) তার কাসওয়া ট্ষ্টীর
পিঠে থেকে খুতবা দিয়েছিলেন ৷ আবু দাউদ (র) তারপর বলেছেন, মুমাদ্দাদ (র) নুবায়ত (রা)
সুত্রে এ মর্মে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসুলুল্লাহ (না)-কে আরাফায় অবস্থানকালে একটি লাল
উটের পিঠে উপবেশনরত অবস্থায় ভাষণ দিতে দেখেছেন ৷ এ সনদে ও অজ্ঞাত পরিচয় রাবী
রয়েছেন ৷

তবে জাৰির (না)-এর হাদীসে তার সমর্থন রয়েছে ৷ আবু দাউদ (ব)-এর পরবর্তী বক্তব্য
হান্নাদ ইৰ্নুস নারী ও উহুমান ইবন আবু শায়বা (র) উছমান বর্ণনা করেন যে, আল ইদা ইবন
খাদিদ ইবন হাওয়া অথবা খালিদ ইবনুস ইদা ইবন হাওযা (রা) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা)-
£ক দেখেছি আরফো দিবসে উটের পিঠে দুই পাদানীতে দাড়িয়ে জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ
দিতে ৷ আবু দাউদ (র) বলেন, আল আশা (র) ও ওয়াকী সুত্রে হান্নাদ (র) এ বর্গনানুরুপ
ৰিওয়ায়াত করেছেন ৷ অনুরুপ আব্বাস ইবন আবদুল আষীম (র) আল ইদা ইবন খালিদ (বা)
হতে অনুরুপ অর্থ সম্পন্ন ৷ সহীহ্ বুখাৰী মুসলিম ইবন আব্বাস (না) হতে বর্ণিত হয়েছে ৷ তিনি
বলেন, আমি রাসুলুল্পাহ্ (না)-কে আরাফাত খুতবা দিতে শুনেছি-

যারচ প্পল নেই যে (চামড়ার) সোজা পরবে ৷ যার ইযার (খোলা লুত্গী) নেই যে পাজামা
পরবে (মুহরিম ব্যক্তির জন্য বলছিলেন) ৷

মুহাম্মদ ইবন ইসহাক (ব) বলেন, ইয়াহয়া ইবন আব্বাস ইবন আবদুল্লাহ ইবনুয যুবায়র
(র) তার পিতা আব্বাস (র) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর আরাফাতে
অবস্থানকালে যে ব্যক্তি রাসুলুল্পাহ্ (না)-এর বাণী উচ্চস্বরে লোকদের গােনাচ্ছিলেন তিনি
হলেন, রাবীআ ইবন উমায়্যা ইবন বালাক (বা) ৷ রাসুলুল্পাহ্ (সা) বললেন-

বল লোক সকল! আল্লাহর রাসুল বলছেন, তোমরা জান কী এটি কোন মাস ? তারা বলল,
আশ শাহরুল হরােম, পবিত্র মাস ৷ তারপর বললেন-

তাদের বলে দাও, আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের জান মাল মর্যাদা সম্পুর্ণ করেছেন এ

মাসের মর্যাদার ন্যায় ৷ তারপর বললেন-

বল, লোক সকল ৷ তৌমরা জান কী এটি কোন নগরী ? (পুর্ণ হাদীস উল্লেখ্য করেছেন)
মুহাম্মদ ইবন ইসহাক (র) আরো বলেন, লায়ছ ইবন আবু সুলায়মান (শাহর ইবন হাওশার
সুত্রে) আমর ইবন খারিজা (বা) হতে ৷ তিনি বলেন, অত্তোব ইবন আসীদ (বা) কোন প্রয়োজনে
আমাকে রাসুলুল্পাহ্ (সা) এর নিকট পাঠালেন ৷ তিনি তখন আরাফাতে অবস্থানঃ করছিলেন ৷
আমি তাকে বিষয়টি পৌছে দিলাম ৷ তারপর তার জ্জীর (মুখের) নীচে দাড়িয়ে গেলাম এভাবে
যে, তার লালা আমার মাথায় ঝরছিল ৷ আমি তখন ভাবে বলতে শুনলড়াম-

লোক সকল ! আল্লাহ পাক প্রতিটি হকদারের অধিকার আদায়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন
(অর্থাৎ যীরাছের অংশ নির্ধারণ করে দিয়েছেন) ৷ আর ওয়ারিছের জন্য ওসিয়ত করা বৈধ নয় ৷
সন্তান ৰিহানার (অধিকারীর) জন্য (অর্থাৎ অইিনগত স্বামীর জ্যাইি) ৷ ব্যভিচারীর জন্য পাথর ৷
যে তার পিতা ব্যতীত কারো নামে বংশ সুত্রে দাবী করবে কিং বা নিজের মনিব ব্যতীত অন্য
কাউকে মনিব সাব্যত করবে তার উপরে আল্লাহর লা নত এবং সকল ফিরিশতা ও মানুষের
অভিশাপ; আল্লাহ তার কোন নকল কিংবা ফরম (ইবাদত) কবুল করবেন না ৷ তিরমিযী, নাসাঈ
ও ইবন মজাে (র) এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন কাতাদা (র) এর বরাতে (শাহব ইবন হাওসাব
সুত্রে): আমর ইবন খারিজ৷ (বা) হতে অনুরুপ ৷ তিরমিযী (র) হাদীসটি হাসান সহীহ্ বলে মত
ব্য করেছেন ৷

(আমার মতে) কাতাদা (র)-এর সাথে এ হাদীলেয় সনদ সংযুক্ত থাকার ব্যাপারে মতপার্থক্য
রয়েছে ৷ অল্লোহ ই সমধিক অবগত ৷ (এ খুতবার পরে দশ তারিখে নবী করীম (না) যে
গুরুতুপর্ণ ভাষণ দিয়েছিলেন তা তার উপদেশমালা, প্রজ্ঞাপুর্ণ বাণী ও নবী আদর্শের নীতি
বাণীসহ অনতিবিলম্বে আলোচনা কবর ৷ ইনশআল্লাহ) ৷

বুখারী (ব) প্রদত্ত অনুচ্ছেদ শিরোনাম

প্ৰতৃয্যে আরাফার উদ্দেশ্যে মিনা হতে প্ৰস্থান কালে তালবিয়া ও তাকৰীর প্ৰসংগ ৷ আবদৃল্পাহ্
ইবুন ইউসুফ (র) বলেন, আনাস ইবন মালিক (রা)-ক সকাল বেলা মিন! হতে আরাফার দিকে
যাওয়ার সময় ডিজােসা করা হলো এ দিনে আপনারা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সংগে থেকে কী রুপ

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.