রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

মক্কা হতে প্রত্যাবর্তন প্রসংগ

মক্কা হতে প্রত্যাবর্তন প্রসংগ

তবে ইমাম আহ্মদ (র)-এর রিওয়ায়াত : আবু মুআবিয়া (র), উম্মু সালামা (বা) হতে এ
মর্মে যে, রড়াসুলুল্লাহ (না) তাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন নাহর’ (দশম) দিবসে ফজর সালাতের
সময় মক্কায় নবী করীম (সা)-এর সাথে মিলিত হতে ৷ সনদের বিচারে এ হাদীস সরল এবং
বুখারী-মুসলিম সহীহ্ গ্রন্থদ্বয়ের শর্তানুরুপ ৷ কিন্তু অন্য কোন ইমাম এ হাদীসটির এরুপ পাঠ
উদ্ধৃত করেন নি ৷ তবে সম্ভবত নাহ্র দিবস ()১শ্রা ণ্ঙুন্ন্) শব্দটি কোন রড়াবীর বিচ্যুতি কিংবা
(লিপিকারের অসতর্কতার ফল ৷ শব্দটি হবে নাহ্র দিবস ( )ণ্ড্রং ণ্ঙু-)) প্ৰস্থড়ান দিবস) ৷ বুখারী
(র) হতে উদ্ধৃত আমাদের রিওয়ায়াত এ ব্যাখ্যা সমর্থন করে ৷ আল্লাহই সমধিক অবগত ৷

এ অলেড়াচনায় আমাদের লক্ষ্য হল নবী করীম (সা) ফজরের সালাত আদায় করার পর
বায়ভুল্লাহ্-এ সাতবার তাওয়ড়াফ করেন এবং বাবা ঘরের হাজারে আসওয়ড়াদ সংলগ্ন কোণ ও
কাবা ঘরের দরজার মধ্যবর্তী মুলতাযাম’-এ দাড়িয়ে মহানমহীয়ান আল্লাহ্র কাছে দুআ
করতে থাকেন এবং কাবা-র দেয়ালের সাথে নিজের শরীর লাগিয়ে রাখেন ৷ ” ছাওরী (র)
বলেন, ঘুছান্নড়া ইবনুসৃ সাব্বাহ্ (র) আম্র ইবন শৃআয়র (তার পিতা), তার দাদা হতে,
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (না)-কে আমি দেখেছি মুল্তাযাম-এ তার মুখ ও বুক লাগিয়ে
রাখতে

মন্তব্য : মুছান্না দুর্বল রাবী ৷

মক্কা হতে প্রত্যাবর্তন প্রসৎগ

তারপর নবী করীম (সা) মক্কার নিন্নাঞ্চল হতে প্ৰস্থান শুরু করলেন ৷ যেমন আইশা (বা)
বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) মক্কায় আগমন করেছিলেন, মক্কার উর্চু অঞ্চল দিয়ে এবং নির্গরন
করেছিলেন নিচু এলাকা দিয়ে ৷ বুখারী, মুসলিম (র) এ হাদীসঢি উদ্ধৃত করেছেন ৷ ইবন উমর
(র) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) (মক্কায়) প্রবেশ করেছিলেন বাত্হার দিককার উচু পাহাড়ী সােড়
দিয়ে এবং প্রস্থান করেছিলেন নিম্ন অঞ্চলের পাহাড়ী মোড় দিয়ে (বুখারী মুসলিম) ৷ অন্য একটি
ভায্যে রয়েছে কাদা’ (চড়াই) এর দিক থেকে প্রবেশ করেছিলেন এবং কুদা (উৎরাই) এর দিক
থেকে প্রস্থান করেছিলেন ৷

ইমাম আহমদ (র) বলেন, মুহাম্মদ ইবন ফুযায়ল (র) জাবির (বা) হতে ৷ তিনি বলেন,
রাসুলুল্লাহ (সা) মক্কা হতে নির্গমন করেছিলেন সুর্যাস্তের সময় এবং সারিফ পর্যন্ত না পৌছে
তিনি (মাগরিব) সালাত আদায় করেন নি ৷ সড়ারিক’ হল মক্কা হতে নয় মাইল দুরে ৷ এ
হাদীসটি অতি বিরল ধরনের; এ ছাড়া এর সনদের অন্যতম রাবী আজলাহ্ বিতর্কিত ব্যক্তি ৷
সম্ভবত এটি বিদায় হজ্জ ব্যতীত অন্য কোন সময়ের ঘটনা ৷ কেননা, নবী করীম (সা) বিদায়
হরুজ্জ বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেছিলেন ফজর সালাতের পরে (পুর্বের বংনাি দ্রষ্টব্য) তা হলে,
সুর্যাস্ত পর্যন্ত প্রস্থান ৰিলম্বিত করার কারণ কি? সুতরাং এ বর্ণনা অতি দুর্বল ৷ তবে ইবন হাঘৃম
(র) এর দাবী যদি যথার্থ বলে স্বীকৃত হয় যে, নবী করীম ’ (সা) বায়তুল্লাহ্ এ তীর বিদায়ী
তাওয়াফের পরে মক্কা হতে যুহাসৃসাবে ফিরে এসেছিলেন ৷ তবে এ ব্যাপারে তিনি আইশা
(রড়া)-এর উক্তি ব্যতীত আর কোন প্রমাণ উপস্থাপন করেন নি ৷ আইশা (বা) যখন তানৃঈশ
হতে তার উমরা সম্পাদন করে ফিরে আসছিলেন তখন তার চড়াই অতিক্রম কালে এবং নবী

করীম (না)-এর মক্কার দিকে উতরাই পথে অবতরণ কালে, কিৎবা আইশা (রা)-এর অবতরণ
কালে এবং নবী করীম (না)-এর চড়াই অতিক্রম কালে তার সাথে আইশা (রা)-এর সাক্ষাত
হয়েছিল ৷ এখন ইবন হাঘৃম (র) এর দাবী হল এটা সন্দেহাতীত যে, আইশা (রা) মক্কা হতে
চড়াই পথে উঠে আসছিলেন এবং নবী করীম (না) অবতরণ করছিলেন ৷

কেননা, আইশা (রা) উমরার জন্য চলে গেলে নবী করীম (না) তার ফিরে আসা পর্যন্ত তার
জন্য প্রভীক্ষ৷ করতে থাকলেন ৷ তারপর নবী কৰীম (না) বিদায়ী তাওয়াফ সম্পাদনের উদ্যোগ
নিলে মক্কা হতে তার (আইশা ৷র) মুহাসৃসাব ফিরে আসা র সময় তার সাথে নবী করীম (সা) এর
সাক্ষাত হয়েছিল ৷ ণ্

বুখারী (র) এর অনুচ্ছেদ শিরােনাম৪ মক্কা হতে প্রত্যাব্র্তন্ কালে
ৰু তুওয়ায়’ অবতরণক৷ রীদের প্রসংগ্

মুহাম্মদ ইবন ঈসা (র) বলেছেন, হাম্মাদ ইবন যায়দ (র) ইবন উমর (রা) সর্ম্পকে এ মর্মে
বর্ণনা করেন যে, তিনি (মক্কায়) আগমন কালে য়ু-তুওয়ায় রাত কাটাতেন এবং সকাল হলে
(মক্কায়) প্রবেশ করতেন এবং প্রত্যাগমন কালেও যু-তুওয়ায় অবতরণ করে সেখানে সকাল
পর্যন্ত অবস্থান করতেন এবং উল্লেখ করতেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) অনুরুপ করতেন ৷ বুখারী
(র) হাদীসটি এভাবেই সনদ বিহীন (তালীক) রুপে নিশ্চয়তা সুচক ভায্যে উল্লেখ করেছেন ৷
আবার বুখাবী ও মুসলিম (র) হাম্মাদ ইবন ষায়দ (র)-এর বরাতে মুসনাদ (সনদ যুক্ত) রুপেও
উল্লেখ করেছেন ৷ তবে তাতে প্রত্যাবর্তন কালে য়ু-তুওয়ায় রাত যাপনের কথা উল্লিখিত হয়
নি ৷ আল্লাহই সমধিক অবগত ৷

একটি দুর্লভ তথ্য ও রাসুলুল্পাহ্ (না) নিজের সাথে করে
যমৃযমের বিন্দু পানি নিয়ে গিয়েছিলেন

হাফিজ আবু ঈসা তিরমিঘী (র) বলেন, আবু কুরায়ব (র) অ ৷ইশা (বা) হতে এ মর্মে বর্ণনা
করেন যে, তিনি নিজের সং গে যমৃযমের পানি বহন করে নিয়ে যেতেন ৷ এ তথ্যও জানাতেন
যে, রড়াসুলুল্লাহ (না) নিজেও তা বহন করে নিতেন” ৷ এরপর তিরমিঘী (র) মন্তব্য করেছেন,
এটি একটি হাসান গারীব একক সুত্রীয় উত্তম হাদীস; এ সুত্র ভিন্ন অন্য কোন সুত্রে আমরা
এর পরিচিতি লাভ করি নি ৷

বুখারী (র) আ ৷রো বলেন, মুহাম্মদ ইবন যুক৷ ৷তিল (র) আবদুল্লাহ ইবন উমর (বা) হতে এ
মর্মে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) যখন কোন গাঘৃওয়৷ (সমরাভিযান), হজ্জ কিং বা উমরা
থেকে প্রত্যাবর্তন করতেন তখন প্রথমে তিনবার তাক্বীর (আল্লা হু আকবার) ধ্বনি উচ্চারণ
করতেন, এরপর বলতেন-

“এক আল্লাহ ব্যতীত আর কো ন ইলাহ্ নেই, র্তার কো ন শ্ ৷রীক যেই, রাজতু ত ৷রই, হায্দ

তারই ৷ তিনি, সব কিছুতে ক্ষমতাবান ৷ (আমরা) প্রভ্যা বক্তাকা ৷রী, প্রত্যাধাবন (তাওবা) কারী,

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.