রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

মূতার যুদ্ধ সম্পর্কে কথিত কবিতামালা

মূতার যুদ্ধ সম্পর্কে কথিত কবিতামালা

জ্ঞান-বিজ্ঞান অবতীর্ণ করেছেন এবং তাদের মধ্যেই রয়েছেন মহা পবিত্র কিতাবের ধারক ও

বাহক ৷

আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া

কাব ইবন মালিক (রা) বলেন :
সকলেই ঘুমম্ভ অবস্থায় রয়েছে অন্যদিকে তোমার নয়ন অশ্রু ঝরাচ্ছে ৷ আর তা এতই বেশী
অশ্রুপাত করছে যে, কোন সফলকাম চিকিৎসকও তা বন্ধ করতে সক্ষম নয় ৷ এ অশ্রুপাত
ঘটেছে এমন একরাতে যে রাতে আমার উপর দুঃখ নেমে এসেছে ৷ কোন কোন সময় আমি
সশব্দে র্কাদি আবার কোন কোন সময় আমি তাতে বিরতি দেই ৷ আমাকে উদ্বিগ্ন এতই নাজেহাল
করেছে যে, বিনিদ্র রাত যাপন করার সময় আমি যেন সপ্তর্ষিমণ্ডল ও মীন রাশির দায়িত্বে
নিয়োজিত ৷ আর পড়াজর ও নড়াড়িভুড়ির মধ্যভাগে অবস্থান করছে একটি উল্কা (নকশা) যা আমাকে
প্রত্যাবর্তন করতে বাধ্য করেছে এবং ৫ক্রাধাম্বিত করেছে ঐ সমস্ত লোককে যারা মুতার যুদ্ধে
সেনাপতির আদেশের অনুগত ছিল, আদেশ পালনে নিষ্ঠাবান ছিল এবং বাহিনী থেকে বিচ্ছিন্ন
হয়নি ৷ আল্লাহ্ তাআলা এরুপ তরুণদের উপর রহমত বর্ষণ করুন এবং বৃষ্টিতে পরিপুর্ণ মেঘখণ্ড

তাদের নেতাদেরকে তৃপ্ত করুক ৷ তারা আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির জন্যে মুতার যুদ্ধে ধৈর্য ধারণ
করেছিলেন ৷ নিজেদের ধ্বংসকে প্রতিহত করা এবং পালিয়ে আসার ভয়ে র্তারা প্রাণপণ যুদ্ধ
করেছেন ৷ সাহসী সেনারা সাধারণ মুসলিম সেনাদের সম্মুখভাগে অগ্রসর হলেন ৷ তারা যেন
দুঃখের পর শাহাদতের সুখ ভোগ করতে লাগলেন ৷ তাদের পরনে ছিল প্রলম্বিত লৌহবর্ম ৷ যারা
জাফর (রা) ও তার হাতে ধারণকৃত পতাকার দ্বারা সঠিক পথের দিশা পেয়েছিলেন ৷ র্তারা ছিলেন
সামনের দিকে অগ্রগামী দলের সম্মুখে ৷ সেই অগ্রগামী দল কতই না উত্তম দল ৷ এরপর যুদ্ধরত
বুহ্যগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল ৷ যেখানে সৈন্যের সারিগুলাে ভীষণ যুদ্ধে রত ছিল, সেখানে জাফরও
এ ভয়াবহ যুদ্ধে যোগদান করেন এবং শাহড়াদতবরণ করেন ৷ তার শাহাদতের কারণে উজ্জ্বল নক্ষত্র
যেন বিবর্ণ হয়ে পড়ল, সুর্য গ্রহণে পতিত হল ও আর যাওয়ার উপক্রম হল ৷ তিনি ছিলেন বনু
হাশিমের সম্মানিত ব্যক্তি, পর্বের বস্তু, সুদক্ষ প্রধান, যার কোন বিকল্প নেই ৷ তার সম্প্রদায়ের
লোকেরা ছিলেন আল্লাহর এমনি পিয়ারা বান্দা যাদের মাধ্যমে আল্লাহ্ তা আলা তীর বান্দাদেরকে
সুরক্ষিত করেছেন ৷ তাদের উপর কুরআনৃল করীম অবতীর্ণ হয়েছে ৷ র্তারা সমাজের মর্যাদা বৃদ্ধি
করেছিলেন ৷ যারা সমাজের অজ্ঞ তাদেরকে তারা চারিত্রিক মাধুর্যে গড়ে তুলেছিলেন এবং
তাদেরকে অজ্ঞতার অন্ধকারে থাকতে দেননি ৷ র্তারা তাদেরকে প্রেমপ্রীতি বন্ধনে আবদ্ধ
করেছিলেন ৷ তুমি তাদের বক্তাকে দেখবে যে সত্যবেইি জনগণের কাছে তুলে ধরে ৷ তারা
৫জ্যাতির্ময় চেহড়ারার অধিকারী ৷ যখন দেশে অনাবৃষ্টি ও দৃর্ভিক্ষ দেখা দেয়, তখন তুমি তাদেরকে
সাহায্যের হস্ত প্রসারিত করতে দেখবে ৷ প্রতিপালকের সন্তুষ্টিই তীর মাখলুকের হিদায়াতের জন্যে
তাদেরকে উৎসাহিত করে এবং প্রেরিত নবীর সাহায্যের জন্যেই র্তারা প্রচেষ্টায় রত থাকেন ৷

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শাসকদের কাছে রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর পত্র ও দুত প্রেরণ

ওয়াকিদী উল্লেখ করেন যে , ব্যাপারটি হুদায়বিয়ার উমরা পালনের পর ৬ষ্ঠ হিজরীর শেষ
ষিলহজ্জ্ব মাসে সংঘটিত হয়েছিল ৷ বায়হাকী মুতার যুদ্ধের পর এ অধ্যায়টি উল্লেখ করেছেন ৷
আল্লাহ অধিক পরিজ্ঞাত ৷ তবে এ ব্যাপারে কোন মতভেদ নেই যে এটি মক্কা বিজয়ের পুর্বে এবং
হুদায়বিয়ার পর সংঘটিত হয়েছে ৷ তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ হল যে, আবু সুফিয়ানকে রোমের সম্রাট
হিরাক্লিয়াস যখন জিজ্ঞেস করেন, “তিনি কি চুক্তি ভঙ্গ করেন ? তখন আবু সুফিয়ান বলেন, না,
তবে আমরা তীর সাথে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অৎগীকারাবদ্ধ আছি, সে ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে
কতটুকু পালন করবে তা আমি জানি না ৷ ইমাম বুখড়ারীর ভাষায় : এ ঘটনাটি ঘটেছিল ঐ সময়ে
যখন আবু সুফিয়ান রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে একটি চুক্তিতে আবদ্ধ ছিলেন ৷

মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক বলেন, এ ঘটনাটি ঘটেছিল হুদায়বিয়া এবং রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর
ওফাতের মধ্যবর্তী সময়ে ৷ আমরা এ ঘটনাটি এখানেই বর্ণনা করব ৷ ওয়াকিদীর মত সঠিক
হওয়ার সম্ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না ৷ আল্লাহ্ই অধিক পরিজ্ঞাত ৷

মুসলিম আনাস ইবন মালিক (বা) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা)
মুতার যুদ্ধের পুর্বে পারস্যের সুমাট কিসৃরা, রোমের সম্রাট কায়সার, নাজাশী ও প্রতিটি প্ৰতাপশালী
শাসককে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে পত্র দিয়েছেন ৷ উল্লিখিত নাজাশী ঐ নাজাশী নয় যার
জানাযা রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনায় আদায় করেছিলেন ৷

ইউনুস ইবন বুকায়র আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (বা) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন,
আবু সুফিয়ান নিজ মুখে আমার নিকট বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, “আমরা ছিলাম ব্যবসায়ী
সম্প্রদায় এবং যুদ্ধ ছিল আমাদের দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত ৷ আর আমাদের সম্পদ ছিল প্রায় শেষ হওয়ার
পথে ৷ এরপর যখন রাসুলুল্লাহ্ (মা) ও আমাদের মধ্যে হুদায়বিয়ার সন্ধি সম্পাদিত হল ঐ মুহুর্তে
আমরা কারো থেকে নিরাপত্তা পেলেও আমরা কাউকে নিরাপত্তা দিতাম না ৷ সন্ধির পর আমি
কুরায়শদের কিছু সংখ্যক ব্যবসায়ীসহ ব্যবসার উদ্দেশ্যে সিরিয়ার দিকে বওয়ানা হলাম ৷ আল্লাহর
শপথ, আমার জানামতে মক্কায় এমন কোন নারী পুরুষ বাকী ছিল না যায় ব্যবসা সামগ্রী আমার
সাথে ছিল না ৷ সিরিয়া অঞ্চলে ফিলিস্তীনের পাজা এলাকায় ছিল আমাদের বাণিজ্য কেন্দ্র ৷ আমরা
সেখানে উপস্থিত হলাম ৷ সে সময় রোম সম্রাট তীর সাম্রারুজ্য অবস্থিত বিদ্রোহী পারস্য বাসীদেব
উপর জয়লাভ করেছিলেন ৷ ও তাদেরকে দখলকৃত এলাকা থেকে বহিষ্কার করেন এবং তারা
সম্রাটকে তার প্রধান ক্রুশ ফেরত দান করে যা তারা পুর্বে তার নিকট থেকে ছিনিয়ে নিয়ে

গিয়েছিল ৷ যখন সম্রাট তা ফেরত পেলেন , তখন তিনি তার তখনকার অবস্থানন্থল সিরিয়ার হিঘৃস
থেকে সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে পদব্রজে বায়তুল মুকাদ্দাসে রওয়ানা হন ৷ তাকে সেখানে
স্বাগত জানানো হয় এবং তার উপর পুষ্পবৃষ্টি করা হয় ৷ তিনি ইলিয়ায় গিয়ে পৌছলেন এবং
সেখানে তিনি সালাত আদায় ও রাতযাপন করলেন ৷ সকালে তিনি যিমর্য হয়ে ঘুম থেকে
উঠলেন ৷ নজর তার আকাশের দিকে ছিল ৷ তার চেহারা মলিন দেখে পাদ্রীরা বললেন, জাহাপনা
আপনাকে যে বিমর্য মনে হচ্ছে ! হিরাক্লিয়াস জবাব দিলেন : হী৷ ৷ তারা তাকে এর কারণ জিজ্ঞেস
করলে তিনি বললেন : গত রাতে তারকারাজি পর্যবেক্ষণ কংন্র আমি দেখতে পেলাম যে,
খাতনাকারীদের বাদশাহ্ আত্মপ্রকাশ করেছেন ৷ উপস্থিত সতাসদগণ বললেন, “আপনার ভয়ের
কোন কারণ নেই ৷ কেননা, আমরা জানি যে, শুধু ইয়াহ্রদীরাই খাতনা করে ৷ তারা কোন শক্তিশালী
জাতি নয় ৷ তারা আপনার অধীনস্থ প্রজড়া মাত্র ৷ তারপরেও যদি আপনি তাদের পক্ষ থেকে কোন
প্রকার আশংকাবােধ করেন, তাহলে সারা দেশে লোক প্রেরণ কার সকল ইয়াহ্রদীকে হত্যা করে
আপনি স্বস্তি বো ধ করতে পারেন ৷ তারা যখন নিজেদের মধ্যে এরুপ সলা পরামর্শ করছিল তখনই
বুশরার শাসনকর্তার একজন দুত আরবের এক ব্যক্তিকে নিয়ে সম্রাটের নিকট আগমন করল ৷ দুত
বলল, হে সম্রাট ! এ লোকটি আরব থেকে এসেছে ৷ তারা বকরী ভেড়া উট ইত্যাদির মালিক ৷
তাদের দেশে এক নতুন ঘটনা ঘটে গেছে আপনি তাকে জিজ্ঞেস করলে সে তার বর্ণনা দেবে ৷
লোকটি যখন সম্রাটের কাছে আগমন করল তখন সম্রাট দােতাষীকে বললেন, তাকে প্রশ্ন কর,
তার দেশে কী ঘটনা ঘটে গেছে ? তাকে প্রশ্ন করা হল ৷ উত্তরে সে বলল, আরব দেশের কুরায়শ
বংশের এক ব্যক্তি নিজেকে নবী বলে দাবী করেন ৷ কিছু সংখ্যক লোক তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন
করে এবং অন্যান্যরা তার বিরোধিতা করে ৷ বহু জায়গায় তাদের মধ্যে সংঘর্ষ সংঘটিত হয় ৷
তারা এরুপ অবস্থায় আছে ৷ আমি তাদেরকে এ অবস্থায় রেখেই আমি আপনার নিকট এসেছি ৷
এ সংবাদ দেয়ার পর সম্রাট তাকে ৰিবস্ত্র করার হুকুম দিলেন ৷ দেখা গেল তার খাতনা করা
হয়েছে ৷ সম্রাট বললেন, আল্লাহর শপথ, এটাই আমি স্বপ্নে দেখেছি ৷ তোমরা যা বলছ তা’ ঠিক
নয় ৷ তাকে তার বস্ত্র ফেরত দাও ৷ হে আগন্তুক ! তুমি তোমার কাজে চলে যাও ৷ তারপর তিনি
তার পুলিশ প্রধানকে ডাকলেন এবং সমগ্র সিরিয়ার খোজাখুজি করে তার গোত্রের এমন একজন
লোককে খুজে আনার জন্যে হুকুম দিলেন যে, ঐ কথিত নবী সম্বন্ধে সবকিছু বলতে পারবে ৷ আবু
সুফিয়ান বলেন, আমি আমার সাথীদের সহ গাজায় অবস্থান করছিলাম ৷ আমাদের কাছে একজন
এসে আমাদেরকে প্রশ্ন করলেন, তোমরা কােথাকার লোক ? ’আমরা তাকে আমাদের সম্পর্কে
বিস্তারিত জানালাম ৷ তিনি তখন আমাদের সকলকে ম্মাড়াটের কাছে নিয়ে গেলেন ৷ আমরা সকলে
সম্রাটের কাছে গেলাম ৷ আল্লাহর শপথ, আমি তাকে অত্যন্ত চিন্তিত দেখতে পেলাম ৷ আমরা
যখন তার কাছে পৌছলাম, তখন তিনি আমাদেরকে লক্ষ্য করে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের
মধ্যে আত্মীয়তার দিক দিয়ে, কে ঐ ব্যক্তির সর্বাধিক ঘনিষ্ট ?” আবু সুফিয়ড়ান (রা ) উত্তরে বললেন,
”আমি” ৷ সম্রাট বললেন, তাকে আমার নিকটে নিয়ে এসো ৷ ’ তখন তিনি আমাকে নিজের
সামনে বসালেন এবং আমার সংগীদেরকে আমার পিছনে বসাবার হুকুম দিলেন আর তাদেরকে
লক্ষ্য করে বললেন, যদি তোমাদের সংপী মিথ্যা বলে তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে’ ৷
আবু সুফিয়ান বলেন, “আমি জানতাম যে, যদি আমি মিথ্যে বলি তাহলে আমার সংপীরা প্রতিবাদ

করবে না, কিন্তু আমি ছিলাম একজন সর্দার ও নেতৃস্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তি ৷ কাজেই আমি মিথ্যা
বলাটাকে লজ্জাজনক মনে করলাম ৷ আমি আরো জানতাম যে, যিথ্যার মত সামান্য কিছু ত্রুটিও

যদি তারা আমার মধ্যে দেখতে পায়, তাহলে তারা এটা নিয়ে মক্কায় সমালোচনা করবে, এজন্যে
আ ৷মি মিথ্যা বলিনি ৷

তারপর সম্রাট জিজ্ঞেস করলেন, ৩৫ আমাদের মধ্যে যিনি নুবুওতের দা ৷বী করেছেন তার সম্বন্ধে
আমাকে বিস্তারিত সংবাদ পরিবেশন কর ৷ আবু সুফিয়ান বলেন, আমি তাকে খাটো করে
দেখাবার প্রয়াস পেলাম ৷ তা ই আমি বললাম, আপনার যা কিছু জান র দরকার মনে করেন, তা
জিজ্ঞেস করতে পারেন ৷ তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যেত তার বংশ মর্যাদা কেমন ? উত্তরে
আমি শুধুমাত্র বললাম, আমাদের মধ্যে তার বংশ মর্যাদা উত্তম ৷ তিনি ন্,ৱললেন আমাকে তুমি
সংবাদ দাও যে, তা ৷র পরিবারের মধ্যে পুর্বে কেউ এরুপ দ ৷বী করেছিল কি না ? তাহলে বুঝা যেত
যে, তিনি৩ তার অনুকরণ করছেন ৷’ আমি বললাম, না’ ৷ তিনি বললেন আমাকে সংবাদ দাও যে
তার কোন রাজত্ব ছিল কি না-য৷ তোমরা তার থেকে জােরপুর্বক ছিনিয়ে নয়েছ ? সুতরাং এটাকে
তোমাদের থেকে ফেরত নেবার জন্যে৩ তিনি নুবুওভ্রুত র দাবী করছেন ৷ আমি বললাম, না ৷ তিনি
বললেন, তাহলে তার অনুসারীদের ব্যাপারে আমাকে সংবাদ দাও যে তারা কারা ? অ৷ ৷মি বললাম ,
কিশোর , দুর্বল এবং নিঃস্ব গোত্রের লোকেরা ৷ তবে তাদের মধ্যে যারা ভদ্র ও উচ্চ বংশের তারা
তাকে বিশ্বাস করছেন৷ ৷ ’ তিনি বললেন, অড়ামাকে সংবাদ দাও যে, তার অনুসারীরা তাকে
ভালবাসে এব× সম্মান করে কি না ? নাকি তাকে ঘৃংা৷ করে কিৎবা তার থেকে পৃথক হয়ে যায় ?
আমি বললাম, এমন কোন অনুস৷ ৷রী তার নেই যেত তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ৷ তিনি বললেন
এখন আমাকে তুমি তোমাদের ও তার মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধের খবর দাও খতন আমি তাকে
বললাম, যুদ্ধ হচ্ছে একটি পানির বালতির ন্যায় কখনও আমাদের দখলে থাকে আবার কখনও
তার দখলে থাকে ৷ অর্থাৎ পালাক্রমে জয় পরাজয় চলছে ৷ ’ তিনি বললেন, আমাকে সংবাদ দাও
তিনি ওয়াদ৷ ভঙ্গ করেন কি ?’ আবু সুফিয়ান (রা) বললেন “তাকে ওয়াদ৷ ভৎগকারী হিসেবে
চিহ্নিত করার কোন সুযোগ না পেয়ে শুধুমাত্র বললাম, না৩ তবে আমরা তার সাথে একটি চুক্তির
মধ্যে আছি, এ ব্যাপারে কোন নিশ্চয়তা নেই যে, তিনি কোন প্রকার ওয়াদ৷ ভৎগ করবেন না ৷
আল্লাহর শপথ, রোম সম্রাট আমার এ কথার প্রতি কোন কর্ণপাতই করলেন না ৷ ’ আবুসুফিয়ান
র(া) বলেন, তারপর আব৷ র৩ তিনি কথা শুরু করলেন এব× বললেন তুমি বলেছ তিনি তোমাদের
মধ্যে উত্তম ব×শের সন্তান ৷ এরুপে আল্লাহ্ তা আলা নবীপণকে উত্তম ব ×শ হতে মনোনীত
করেন ৷ আমি ওে তামাকে প্রশ্ন করেছিলাম যে তার পরিবার পবিজনের মধ্যে কেউ কি তার মত
এরুপ দাবী করেছে ? তাহলে বুঝতাম যে, তিনিও অনুরুপ বলছেন ৷ তুমি বলেছ, না’ আবার
তোমাকে আমি প্রশ্ন করেছিলাম৩ তার ৷কি কো ন রাজত্ব আছে যা তোমরা তার থেকে ছিনিয়ে নিয়েছ
? সুতরা× তিনি তার রাজত্ব ফিরে পাবার জন্যে নুবুওয়াতের দাবী করছেন ৷ তুমি উত্তরে বলেছ
না ৷ তোমাকে আমি তার অনুসারীদের সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করেছি ৷ উত্তরে তুমি বলেছ, তারা
কিশোর, দুর্বল ও নিঃস্ব গোছের লোকজন ৷ আর সকল যুগের নবীদের অনুসারীর৷ এরুপই
ছিলেন ৷ আবার আমি৫ তামাকে প্রশ্ন করেছি যে, যারা তার অনুসারী তারা কি ভাবে ভালবাসে
এবং সম্মান করে ? না তাকে ঘৃণা করে ও তার থেকে পৃথক হয়ে যায় ? তুমি বলেছ, যারা তার

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.