হিজরী নবম বর্ষের রমজান মাস : রাসুলুল্লাহ (সা) সকাশে ছাকিফ গোত্রীয় প্রতিনিধি দলের আগমন

মোঃ লোঃ আর আজযীদের মাঝে ইসলাম ও আরবদের প্রতি বিদ্বেষ পােষণে
৷ খালিদ (রা) অগ্নবর্তী হয়ে তাকে দ্বন্দ্ব যুদ্ধের আহ্বান জানালেন
ব্লেমা মুষ্গ্!ত করে স্ফোলেন ৷ এ বিজয়ের খবর আবু বকর সিদ্দীক (রা)-কে লিখে জানান
তিনি হ্বষুব এর (ব্যক্তিগত) যুস্কোপকরণ খালিদ (রা) কে প্রদানের ঘোষণা দিলেন ৷
মুল্য নির্ণীত হল এক লাখ দিরহাম ৷ পারস্যবাসীদের নিয়ম ছিল যে, কোন
ৰ্টি তাদের মাঝে উন্নত মর্যাদার ভুষিত হলে তার মুকুট এক লাখ দিরহাম মুল্যমানের তৈরি
হত ৷

ৰর্ণনাকারী বলেন, পরে আমরা উপকুলবর্তী পথে হীরার দিকে অভিযান চালড়ালড়াম ৷ হীরাতে
মোঃ মুখে সর্বপ্রথম আমরা যার সাক্ষাত পেলাম, সে ছিল শায়মা বিবৃত নুফায়লা যেমনটি
ৰাসুলুল্লাহ্ (সা) ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন শ্যুভ্রড়াজ্জ্বল খচচরের পিঠে কাল দো-পাট্টা মাথার
জতিঃয়আমি তার সাথেই লেগে থাকলাম এবং সাথীদের বললাম, এটি আল্লাহর রাসুল (সা)
আমাকে দান করে নিয়েছেন ৷ বাহিনীর অধিনায়ক খালিদ (রা) বিষয়টির ব্যাপারে আমার কাছে
সাক্ষী তলব করলে আমি তা উপস্থাপন করলাম ৷ আমার সাক্ষী ছিলেন মুহাম্মদ ইবন মাসলামা
ও মুহাম্মদ ইবন বাশীর আল আনসারী (বা) ৷ প্রমাণ পেয়ে খালিদ (রা) মহিলাটিকে আমার
হাতে তুলে দিলেন ৷

তখন তার ভাই আবদুল মাসীহ্ সন্ধির উদ্দেশ্যে আমার কাছে এসে বলল, ওকে আমার
কাছে বেচে দাও ৷ ’ আমি বললাম, বেচতে পারি, তবে অন্তত এক হাজার দিরহামের কমে-
আল্লাহ্র কসম দেব না ৷ সে আমাকে এক হাজার দিরহাম দিয়ে দিলে আমি তাকে তার
হাতে তুলে দিলাম ৷ লোকেরা আমাকে বলল যে, তুমি এক লাখ চাইলে সে তোমাকে তাই
দিত ৷ আমি বললাম, এক হাজার এর চাইতে বড় কোন ,অংক থাকতে পারে, তা আমার
ধারণার ছিল না ৷

হিজরী নবম বর্ষের রমযান মান : রাসুলুল্লাহ্ (সা) সকাশে
ছাকীফ গোত্রীর প্রতিধিনি দলের আগমন

পুর্বেই বর্ণিত হয়েছে যে, ছাকীফ অবরোধ প্রত্যাহারকালে রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে তাদের জন্য
বদ-দৃআ করার বরখাস্ত জানালে তিনি তাদের জন্য হিদায়াতের দুআ করেছিলেন ৷ পুর্বেই এ
কথা বিবৃত হয়েছে যে, মালিক ইবন আওফ নাযারী ইসলাম গ্রহণ করলে রাসুলুল্লাহ্ (না) তাকে
অনুকম্পা ও পুরস্কারে ভুষিত করার সাথে সাথে তাকে তার কওমের মুসলমানদের আমীর
নিয়োগ করলেন ৷ সেই সাথে সাখ র ইবনুল আরলা আহমাসী (রা) থেকে গৃহীত আবু দাউদ
(র)-এর রিওয়ায়াতে এ কথাও বিবৃত হয়েছে যে, তিনি লাপাতার ছাকীফ অবরোধ করে
রম্মেলন, যতক্ষণ না তারা আল্লাহর রাসুল (সা) এর ফায়সালার কাছে আত্মসমর্থ্যণ বাধ্য হল ৷
পরে রাসুলুল্পাহ্ (না)-এর অনুমোদনক্রমে তিনি তাদেরকে নিয়ে মদীনায় উপস্থিত হলেন ৷

ইবন ইসহাক (র) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাবুক থেকে মদীনায় প্রত্যাবর্তন করে রমযান
মাসে ৷ এ মাসে ছাকীফ গোত্রের একটি প্রতিনিধি দল তার খিদমতে উপস্থিত হয় ৷ তাদের
ঘটনা ছিল এরুপ যে, হাকীষ্কের অবরোধ তুলে নিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সা) প্রত্যাবর্তন শুরু করলে

উরওয়া ইবন মাসউদ (ছাকাফী রা) তার অনুপমনে রওরান৷ হলেন ৷ তীর মদীনায় উপনীত
হওয়ার আগে পথেই তিনি তার সাক্ষাত পেয়ে গেলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করে ইসলামের
দাওয়াত নিয়োজাতির কাছে ফিরে যাওয়ার জন্য নবী করীম (সা)এর কাছে আবেদন
জানালেন ৷ তীরাগােত্রীয়দের ভাষ্য মতে রাসুলুল্লাহ্ (সা) তখন র্তীকে বলেছিলেন, “ওরা তো
তোমাকে মেরে ফেলবে” ৷

কেননা, রাসুলুল্পাহ্ (সা)এ এপােত্রটির অহং বোধ ও জাত্যাভিমানের পরিচয় ইতােপুর্বে
পেয়েছিলেন ৷ উরওয়৷ (রা) বললেন, আ ৷যি তাদের কাছে তাদের কুমারীদের চাইভ্রুত ও অধিকতর
প্রিয় ৷ বাস্তবেও তিনি তাদের প্রিয় নেতা র’ আসনে আসীন ছিলেন ৷াগোত্রে তার মর্যাদার আসন
পােত্রীয় লোকদের তীর বিরুদ্ধচারণে উদ্বুদ্ধ করবে না এ ভরসা নিয়ে তিনিাগোত্রীয়দের
ইসলামের দাওয়াত দিতে লাপণেন ৷ এ কপি তার বালাখানায় দাড়িয়ে লোকদের
ইসলামের দাওয়াত দিচ্ছিলেন ৷ ততদিনে র্তার ধর্যাম্ভরের কথা তিনি প্রকাশ করে দিয়েছিলেন ৷
ল্যেকেরাচ চারদিক থেকে তাকে লক্ষ্য করে তীর বর্ষণ করতে লাপল ৷ একটি তীর তাকে বিদ্ধ করে
তার জীবনাবসান মটাল ৷ পরে বনু মালিকের লোকদের ধারণা যে, তাদের একজনই তাকে হত্যা
করেছে ৷ মৃভ্যুকালে উরওয়৷ (রা)-কে জিজ্ঞেস করা হল, এখন তোমার দিয়তের১ (রক্তপণের)
বিষয় তোমার মতামত কি ? তিনি বললেন, এ তাে এক মহান মর্যাদা যা দিয়ে আল্লাহ্ আমাকে
ভুষিত করেছেন এবং অমুল্য শাহাদাত, যা আল্লাহ আমাকে নসীব করেছেন ৷ সৃতরাৎ আমার জন্য
তাই সাবম্ভে হয়ে, যা সাব্যম্ভ রয়েছে যে শহীদানের জন্য, যারা রাসুলুল্লাহ্ (সা) তোমাদের এখান
থেকে প্ৰস্থান করার আগে তার সহয়োদ্ধ৷ হয়ে শাহাদাত বরণ করেছিলেন ৷ তোমরা আমাকে
তাদের কাছে দাফন করবে ৷ তারা ওসিয়ত অনুসায়েত তাকে শহীদদের কাছে দাফন করলো ৷ তার গে৷ ত্রীয়দের ধারণা যে , রাসুলুল্লাহ্ (সা) তা ৷র সম্বন্ধে বলেছেন-

“াগােত্রের মধ্যে তার ঘটনার অবস্থাগোত্র মাঝে ইয়াসীন (রা) (সুরা ইয়াসীন বিবৃত)-
এর সাথীর অবস্থার ন্যায় ৷” মুসা ইবন উকব৷ (র) উরওয়৷ (রা) এর খ্াটনা এ ৩৷ রেই ধিঘু৩
করেছেন ৷ তবে তার ধারণা, এ ঘটনার সময়কাল হল আবু বকর সিদ্দীক (রা) এর হজ্জ (নবম
হিজয়ী) এর পরে ৷ বায়হার্কী (ব ) এ বিষয়টিতে তার অনুপামী ৷ কিন্তু এমন হও যা প্রায়
অবাস্তব ৷ বরং ইবন ইসহাকের বংনাি নুযায়ী এ ঘটনা আবু বকর (রা) এর হজ্জ পালনের আগে
হওয়াই ৰিওদ্ধতর ৷ আল্লাহ্ই সমধিক অবগত ৷

ইবন ইসহাক বলেন, ছাকীফ গোত্রের লোকজন উরওয়৷ (রা)-কে শহীদ করার পর কয়েক
ম্স ঐ অবস্থায় অতিবাহিত করল ৷ তারপর পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে তারা এ সিদ্ধান্তে
মিঃ হল যে, আশপাশের আরব গোত্রওলোর সাথে সং বর্ষে টিকে থাকার ক্ষমতা এখন আর
ন্সে স্কেই বিশেষত ওরা যেহেতু বায়আত গ্রহণ করে করে মুসলমান হয়ে যাচ্ছে ৷৩ তাই তারা
ন্জৈ অন্যতম যেত তা আম্র ইবন উম ৷ইয়ার প্ৰম্ভাবক্রমে পুনরায় পরামর্শ বৈঠকে বসল ৷

পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে তারা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হল যে, তারা একজন প্রতিনিধি
পাঠাবে ৷ এ সিদ্ধান্ত ঘুত তাবিক তারা আ বদ ইয়৷ লীল ইবন আমর ইবন উমায়রকে প্রতিনিধি দলের
নেতা মনো ৷নীত করে পাঠ৷ ৷ল ৷ তার সহযা ৷ত্রী ছিল শাখা গোত্র আহ্লাফের আরো দুজন এবং বনু
মালিকের আরো তিনজন ৷ এরা হল ১ আল হাকাম ইবন আমর ইবন ওয়াহ্ব ইবন ঘুআত্তিব; ২

শুরাহ্বীল ইবন গায়লান ইবন সালামা ইবন মুআত্তিব; ৩ উছমান ইবন আবুল আস; : আওস
ইবন আওফ বনু স৷ ৷লিমের অন্যতম নেতা এবং ৫ নুমায়র ইবন খারশা ইবন রাবীআ ৷

মুসা ইবন উকবা (বা) তাদের স০ খ্যা দশ এর অধিক হওয়ার কথা বলেছেন ৷ তার মতে

দল নেতার নাম ছিল কিনানা ইবন আবদ ইয়ালীল ৷ আর অন্যতম সদস্য উছমান ইবন আবুল
আছ ছিলেন প্রতিনিধি দলের কনিষ্ঠত ম সদস্য ৷ ইবন ইসহাক বলেন, প্রতিনিধি দল মদীনায়
কাছাক কাছি পৌছে কানাত এলাকা ৷য় সাময়িক অবস্থান নিলে সেখানে তারা মুগীরা ইবন শু বা
(রা)-এর সাক্ষাত পেল ৷ তিনি তখন রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাহাবীগণের বাহন উট পালাক্রাম
চরাবার কাজে দায়িতৃ আঞ্জাম দিচ্ছিলেন ৷ আগন্তুক দলঢিকে দেখামাত্র তিনি রাসুলুল্ল৷ হ্ (সা)-
কে তাদের আগমনের সুসং বাদ দেয়ার প্রেরণায় দৌড়াতে শুরু করলেন ৷ পথে আবু বকর
(বা) এর সাথে সাক্ষাত হলে৩ তিনি তাকে বললেন যে, ছাকীষেক্ষ্ম কাফেলা বায়আত ও ইসলাম
গ্রহণের উদ্দেশ্যে এসে পড়েছে, যদি রাসুলুল্লাহ্ (না) তাদের কতক শর্ত মেনে নেন এবং
তাদের গোত্রের জন্য কোন চুক্তিপত্র তাদের লিখে দেন ৷ আবু বকর (বা) মুগীরা (বা)-কে
বললেন, আল্লাহর কসম তুমি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে আমার আগে যেয়ো না, আমি আগে-
ভাগে তাকে স০ বাদ পৌছাতে চাই ৷ মুপীর৷ (বা) তাতে সম্মত হলে আবু বকর গিয়ে বাসুলুল্লাহ্
(সা) কে তাদের আগমন বিষয় অবহিত করলেন ৷ ওদিকে মুগীরা (বা) তার সহকমীদের কাছে
ফিরে গিয়ে বিকালবেলা তাদের সাথে পশু চরালেন এবং ফাকে ফাকে আগত কাফেলার
লোকদের রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে অভিবাদন ও সালাম করার পদ্ধতি শেখাবার প্রয়াস পাচ্ছিলেন ৷
কিন্ত যথাসময় তারা জাহিলিয়াত যুগের পন্থাই অভিবাদন করল ৷

তারা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সমীপে উপস্থিত হলে তাদের জন্য মসজিদেই একটি তীবু
খাটানাে হল ৷ এ সময় রাসুলুল্লাহ্ (না) এবং প্রতিনিধি দলের মাঝে দুতিয়ালী করছিলেন খালিদ
ইবন সাঈদ ইবনুল আস (বা) ৷ ফলে তিনি রাসুল (সা)-এর তরফ থেকে তাদের জন্য কোন
খাবার নিয়ে আসলে খালিদ ইবন সাঈদ (বা) নিজে তা মুখে ন৷ দেয়৷ পর্যন্ত তারা যে খাদ্য
গ্রহণ করত ন৷ ৷ তিনিই তাদের জন্য চুক্তিপত্র লিখে দিয়েছিলেন ৷

বর্ণনাকারী (ইবন ইসহাক) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর কাছে পেশকৃত তাদের শর্তাবলীর
মধ্যে একটি ছিল এরুপ ৷“পরবর্তী তিন বছরের জন্য ত কৃাদর বিগ্রহটি অক্ষত থাকতে দিতে
হবে ৷’ ’(কিন্তু রাসুলুল্লাহ্ (না) তাতে সম্মত ন৷ হলে)ত ৷র৷ দুবছর, এক বছর করে অবশেষে
এক মাসের শর্তে নেমে আসলে৷ এবং বলল যে, তাদের প্রত্যাগমনের পরে অন্তত সময়র্টুকু
দেয়৷ হলে কওমের নিবেধিদের মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা হবে ৷ কিন্তু রাসুলুল্লাহ্ (সা) এ ব্যাপারে
কোন নির্দিষ্ট সময়ের অঙ্গীকার প্রদানে অস্বীকৃত হয়ে বললেন যে, তার এতটুকু ছাড় দেয়া
যেতে পারে যে, তোমাদের নিজেদের হাতে ওটাকে তাঙতে হবে না বরং এজন্য তিনি আবু
সুফিয়ান ইবন হারব (বা) ও মুগীর৷ (রা)-কে তাদের সাথে পাঠাবেন ৷ তারা আরো আবেদন

করেছিল যে, তারা সালাত আদায় করবে না এবং বাড়ি-ঘরের মুর্তিগুলো নিজেদের হাতে
ভ্যঙবে না ৷ তিনি বললেন-

নিজ হাতে পৃউ ভাঙ্গার ব্যাপারটিতে তোমাদের অব্যাহতি দিতে পারি; কিন্তু সালাতের
ব্যাপার ভিন্ন; কোনা, যে ধর্মে সালাত নেই, তাতে কোনও কল্যাণ নেই ৷ তারা বলল, ঠিক
আছে, এটা অপমানজনক হলেও অগত্যা আমরা আপনার খাতিরে এ শর্ত মেনে নিচিছ ৷

ইমাম আহমদ (র) এ প্রসঙ্গে রিওয়ায়াত করেছেন, আফ্ফান (র)উছমান ইবন আবুল
মাস (না) থেকে বর্ণনা করেনছাকীফ গোত্রের প্রতিনিধি দল রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সকাশে
উপনীত হলে তিনি তাদের অন্য মসজিদে অবস্থানের ব্যবস্থা করলেন; যাতে তাদের হৃদয় মনে
হোমলতার প্রভাব বিন্তুত হয় ৷ তারা রাসুলুল্পাহ্ (সা) এর কাছে শর্তারোপ করল যে, তাদের
(ক) কান বাহিনীতে তালিকাবদ্ধ করা হবে না; (খ) তাদের কাছ থেকে উশৃর নেয়া হবে না;
(গ) তাদের উপরে কর আরোপ করা যাবে না এবং (ঘ) বাইরের কাউকে তাদের উপরে
কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে না ৷

রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন-
;তামাদের এ শর্ত মঞ্জুব্র করা হল যে, তোমরা যুদ্ধে তালিকাবদ্ধ (বা অভিযানের লক্ষ্য)

হবে না, তোমাদের উপর কর ধার্য করা হবে না এবং বাইরের কাউকে ণ্তড়ামাদের শাসনকর্তা
নিয়োগ করা হবে না; তবে যে ধর্মে রুকু সিজদা (স্রষ্টার সমীপে চরম বিনয় প্রকাশ) নেই,

তাতে কোন ক ংঢন্ণ থাকতে পারে না ৷ এ সময় উছমড়ান ইবন আবুল আস (বা) বললেন,
ইয়া রাসুলাল্লাহ্! আমাকে কুরআনের তালীম দিয়ে আমার কওমের ইমাম নিয়োগ করুন ৷ ”

আবু দাউদ (র) আবু দাউদ তায়ালিসী (র) সুত্রে উল্পিখিত সনদে হাদীসখানি রিওয়ায়াত
করেছেন ৷ আবু দাউদ (র)এর অন্য একটি সনদ হাসান ইবনুস সাব্বাহ্ (র) ওয়াহ্ব (র)
থেকেতিনি বলেন, আমি জাবির (রা)-এর কাছে ছাকীফ প্রতিনিধি দলের বারআতকালীন
অবস্থার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম ৷ তিনি বললেন, তারা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর কাছে এ শর্ত
আংরড়াপ করেছিল যে, “তাদের উপর সাদাকা ও জিহাদের বিধি প্রযোজ্য হবে না ৷ তার
(জাবিরের) রিওয়ায়াতে আরও রয়েছে যে, পরবর্তী সময়ে রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে বলতে
ঢেশুলোঃ অচিরেই তারা সাদাকা আদায় করবে, আর
জিহাদেও অংশ গ্রহণ করবে যখন তারা মুসলমান’ হয়ে যাবে ৷

ইবন ইসহাক (র) বলেন, যেটিকথা, তারা ইসলাম ধর্মের প্ৰতি আনুগত্য ঘোষণা করলে
এবং তাদের সাথে ঢুক্তিপত্র লিপিবদ্ধ হয়ে গেলে রাসুলুল্লাহ্ (সা) উছমড়ান ইবন আবুল আল
(রা)-কে তাদের আমীর নিয়োগ করলেন ৷ তিনি ছিলেন বয়সে সকলের চাইতে তরুণ এ
নিয়ােগের কারণ ছিল এই যে, সিদ্দীক (আবু বকর রা ) বললেন, ইয়ড়া রাসুলাল্লাহ্! কুরআন
শিক্ষা ও ইসলামী ফিকহে বুৎপত্তি লাভের বাসনায় এ তরুণকে আমি তাদের মাঝে সর্বাধিক
অগ্রেহী দেখতে পেয়েছি ৷ এ প্রসঙ্গে মুসা ইবন উকবার বর্ণনা এ প্রতিনিধি দলের লোকেরা

ৰ্াসুবুল্পাহ্ (সা)-এৰ্ মজলিসে উপন্থিতিঃালে উছমান ইবন আবুল আল (রা)-যেচ তাদের র্তাবু
পাহরোয় মোঃ আসত ৷ মধ্যাত্নে তারা ফিরে গেলে একাকী তিনি রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর খিদমতে
হাযির হয়ে তীর কাছে বিজ্যি বিষয়ে প্রশ্ন করতেন এবং কুরআন শিক্ষাদানের দরথাস্ত
করতেন ৷ কোন দিন নবী করীম (সা)কে বিশ্রাম রত দেখলে তিনি আবু বকর সিদ্দীক (রা)-
এর কাছে হাযিরা দিতেন ৷ তার এ অ্ভ্যাসের দরুন ইসলামী ফিকহে তার বুৎপত্তি জন্মাল এবং
এ কারণেই রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাকে অধিক মহববত করতে লাগলেন ৷

ইবন ইসহাক (র) বলেন, সাঈদ ইবন আবু হিন্দ (র)উছমান ইবন আবুল আস (রা)
থেকে, তিনি বলেন, আমাকে ছাকীফে নিয়োগ প্রদানকালে রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমাকে যে শেষ
উপদেশগুলো দিয়েছিলেন যে সরের মধ্যে একটি তিনি বললেন

উছমান! সালাত লঘু করবে, সবচেয়ে দুর্বল সোকঢিকে দিয়ে মানুষের ধৈর্যের মাত্রা নির্ণয়
করবে; কেননা, ওদের (জামাআতের) মাঝে থাকবে বৃদ্ধ, শিশু, দুর্বল ও কোন প্রয়োজনে ব্যস্ত
লেকে

ইমাম আহমদ (র) বলেন, আফ্ফান (র)উছমান ইবন আবুল জন্য (বা) থেকেতিনি
বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ্! আমাকে আমার কওমের ইমাম নিয়োগ করুন ! তিনি
বললেন-

“তৃযিই তাদের ইমাম; তাদের দুর্বলতম ব্যক্তির পরিমাণে ইমামাত করবে; আর একজন
যুআয্যিন নিয়োগ করবে, যে তার আযানের জন্য মজুরী নিয়ে না ৷ আবু দাউদ ও তিরমিষী
(র ) এ হাদীসখানি উল্লিখিত সনদে হদ্যোদ ইবন সালামা (র) সুত্রে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ ইবন
মাজা (র) এ হাদীসখানা রিওয়ায়াত করেছেন আবু বকর ইবন আবু শায়বা (র) পুখোল্লিখিত
মুহাম্মদ ইবন ইসহাক (র) সুত্রে ৷ ণ্ডদিকে আহমদ (র) আফ্ফান (র)ও মুআবিয়া ইবন
আমৃৱ (র), এ দ্বৈত সুত্রে উছমান ইবুন আবুল আস (রা) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন যে,
তাকে তায়েফে’ কর্মকর্তা নিয়োগকালে রাসুলুল্লাহ্ (সা) শেষ যে কথা বলে বিদায় দিয়েছিলেন,
তা হল, তিনি বললেন

“তুমি কোন জামাআতের ইমাম হয়ে সালাত আদায় করলে তাদের জা সহজ করবে;

এমনকি তিনি আমাকে সুরা “ইক্রা ৰিসমি”এবং আল কুরআনের বা অনুরুপ সুরাগুলো
নির্ণীত করে দিলেন ৷
আহমদ (র) আরও বলেন, মুহাম্মদ ইবন জাফর (র)উছমান ইবন আবুল আস (র)
সুত্রে বলেন, রাসুলুল্পাহ্ (সা) আমাকে সর্বশেষ যে উপদেশ দিলেন, তিনি বললেন, “তুমি যখন
কোন কওয্যে ইমামতি করবে, তখন তাদের জন্য হালকা-সহজ সালাত আদায় করবে ৷
মুসলিম (র) এ রিওয়ান্নাত গ্রহণ করেছেন মুহাম্মদ ইবন যুছান্না ও বুনদার (র) আবৃদ রাব্বিহী

(বা) থেকে ৷ আহমদ (র) আরও বলেন, আবু আহমদ আয্ যুবায়রী (র) ল্যাং
হকোম (র) উছমান ইবন আবুল আস (বা) কে বলতে শুনেছেন, বাসুলুল্পাহ্ দো)

তারেফের আমিল নিয়োগ করলেন, তার প্রদত্ত সর্বশেষ উপদেশ বাণীতে তিনি বলদ্যে,
“মান্যুষর জন্য সালাত হালকা করবে ৷ এ সুত্রে আহমদ (র) এককভারে এ বর্ণনা দিয়েছেন ৷

আহমদ (র) ইয়াহ্য়া ইবন সাঈদ (র)মুসা ইবন তালহা সুত্রে হাদীসটিতে অতিরিক্ত
যোগ করেন, হা, যখন সে একাকী সালাত আদায় করবে, তখন সে তার যেমন ইচ্ছা (দীর্ঘ
কিরআতে) সালাত আদায় করতে পারে ৷ মুসলিম (র) উল্লিখিত সনদে আম্য় ইবন উছমান
(র) থেকে এ হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন ৷

আহমদ (র) আরও বলেন, মুহাম্মদ ইবন জাফর (র) সুত্রেও এ হাদীসঢি বংনিড়া করেছেন ৷

আহমদ (র) বলেন, ইবরাহীম ইবন ইসমাঈল (র)উছমান (বা) থেকে বর্ণনা করেন,
তিনি বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ্! “শয়তান আমার সালাত ও কিরআতের মাঝে প্ৰতিবন্ধক হয়ে
আনাগোনা করে ৷ তিনি বললেন

“ওটা শয়তান গোষ্ঠীর একটি শাখা যার নাম খিনৃযাব; তুমি তার উপস্থিতি অনুভব করলে

তার অনিষ্ট থেকে আল্লাহর পানাহ চাইবে এবং তোমার বাম দিকে তিনবার থুথু ফেলবে ৷ ”

উছমান (বা) বলেন, আমি সেভাবে আমল করলে আল্লাহ আমার তরফ থেকে ঐ আপদ দুর
করে দিলেন ৷ মুসলিম (র) উক্ত সনদে সাঈদ আল জুরায়রী (র) থেকে হাদীসখানি রিওয়ড়ায়াত

করেছেন ৷
মালিক, আহমদ, মুসালন (র) ও সুনান গ্রন্থকারপণ নাফি ইবন জুবায়র ইবন যুতইম (র)
থেকে একাধিক সুত্রে উছমান ইবন আবুল আস (বা) এর এ বিওয়া“য়াতটি বণ্নিড়া করেছেন যে,
তিনি রাসুলুল্পাহ্ (না)-এর কাছে তার দেহের কোনও স্থানে যেদনানুভুতির করিয়াদ জানালেন,
তিনি তাকে বললেন, তােমার দেহের যে স্থান রেদনগ্রেস্ত হয়, সেখানে তোমার হাত রেখে ষ্
বলবে শুড্যা ণ্ণ্ও (বিসমিল্পাহ্) তিনবার এবং সাতবার বলবে

“আমি বা অনুভব করি এবং যাতে শৎকিত হই, তার অকল্যাণ থেকে তা ড়াল্লাহ্র ইয্যত ও
তার কুদরতের আশ্রয় গ্রহণ করছি ৷” কোন কো ন বিওয়ায়াতে রয়েছে, আমি অমন করলাম ৷
ফলে আল্লাহ ঐ বেদনা দুর করে দিলেন ৷ তইি আমি আমার পরিবার ও অন্যান্যদের এ দৃআ
আমল করার কথা বলতে থাকি ৷

ইবন মাজা (র) বলেন, মুহাম্মদ ইবন ইয়াসার (র)উছমান ইবন আবুল আস (বা) থেকে
কানা করেন, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমাকে তায়েফের আযিল নিয়োগ করলে (সেখানে
ৰ্ওেয়ার পর) আমার সালড়াতে কিছু (অদৃশ্য) বিপত্তি দেখা দিতে লাগল, এমন কি কী পরিমাণ
সালাত আদায় করেছি, তাও আমার মনে থাকত না ৷ এ অবস্থায় আমি রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর
ৰিদমতে গিয়ে উপস্থিত হলাম ৷ তিনি বললেন, ইবন আবুল আস? (এ সময়ে?) আমি বললাম,
হা, ইরা রাসুলাল্লাহ্ ! তিনি বললেন, কী বিষয় (তোমাকে আসতে বাধ্য করল)? আমি বললাম,

ইন্না ক্ষাং! আমার সাল!তে আমার মনে ওয়াসওয়াসা’ আসতে থাকে, এমন কি আমি
ন্দা আদার ৰ্ল্মহি তা খেয়াল রাখতে পারি না ৷ ’ তিনি বললেন, “ওটা তাে শয়তান; কাছে
এসো ৷ আমি তীর কাছে এগিয়ে আমার পায়ের পাতায় ভর করে বসলড়াম, বর্ণনাকারী (উছমান
রা) বলেন, তিনি তখন তার হাত আমার বুকে রাখলেন এবং আমার মুখে থুথু দিয়ে বললেন-
“আল্লাহর দৃশমন! বেরিয়ে যাও ! তিনবার এরুপ করার পরে তিনি বললেন,
“তোমার কর্মস্থলে ফিরে যাও ৷” বর্ণনাকায়ী বলেন, উছমান (রা) বলেছেন, আমার জীবনের
কসমৰু এরপরে আর কোন দিন যে আমাকে ঝামেলা করেছে; এমন মনে পড়ে না৷ এ
রিওয়ায়াতঢি ইবন মাজা (র) এককতাবে বণ্নাি করেছেন ৷ ইবন ইসহাক বলেন, ঈসা ইবন
আবদুল্লাহ (র) ছাকীফ প্রতিনিধি দলের জনৈক সদস্য থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন,
আমরা (প্রতিনিধি দল) ইসলাম গ্রহণ করলে এবং রমমানের অবশিষ্ট দিনগুলো রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর সাথে থেকে বোমা রাখতে শুরু করলে ৰিলাল (রা) প্রতিদিন আমাদের সাহ্রী ও
ইফতারী নিয়ে আসতেন ৷ সাহ্রী নিয়ে আসলে (বেশ বিলন্বিত সময়ে হওয়ার কারণে) আমরা
বলতাম, মনে তাে হচ্ছে, যেন সৃবহে সাদিক হয়ে গিয়েছে ৷ ৰিলাল (রা) বলতেন, আমি তো
রাসুলুল্লাহ্ (সা )-£ক এইমাএ সাহ্রী প্রহণরত অবস্থায় রেখে আসলামন্ যেহেতু তিনি শেষ সময়
সেহ্রী খােতন ৷ আবার তিনি আমাদের ইফতারী নিয়ে আসলে আমরা রলতাম, সুর্য এখনও
পুরোটা অস্তনিত হয়েছে বলে তো মনে হচ্ছে না ৷ তিনি বলতেন, রাসুলুল্পাহ (সা) ইফতার
করার পরেই আমি তোমাদের কাছে এসেছি ৷ তারপর তিনি পাত্রের জ্যিরে হাত ঢুকিয়ে মুঠাে
ভরে ভরে আমাদের দিতেন ৷

আহমদ, আবু দাউদ ও ইবন মাজা (র) আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান ইবন ইয়ালা আত্
তাইফী (র) থেকেআওস ইবন হুযায়ফ (রা) সুত্রে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, ছাকীফ প্রতিনিধি
দলের সাথে আমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর দরবারে হাযির হলাম ৷ তিনি বলেছেন, দলের
আহলাফ’ গোত্রীয়রা (স্বগােত্রের) মুগীরা ইবন শুবা (রা)-এর ৫মহমান হল ৷ আর মালিক
গোত্রীয় সদস্যদের রাসুলুল্পাহ্ (সা) একটি জবুতে অবস্থানের ব্যবস্থা করে দিলেন ৷ প্রতি রাতে
ইশা-র পরে তিনি আগমন করতেন এবং দাড়িয়ে র্দাড়িয়েই আমাদের সাথে কথাবার্তা
বলতেন এবং দীর্ঘ সময় র্দীড়িরে থাকার কারণে মাঝে মাঝে পায়ের ডঃ বদল করতেন ৷ প্রড়ায়শ
তিনি তার সাথে স্বগােত্র কুরায়শীদের কৃত আচরণের বিবরণ দিতেন; আবার বলতেন–

সে জন্য আক্ষেপ করি না; তবে আমরা মক্কায় দুর্বল ও হীন অবস্থায় ছিলাম ৷ মদীনায় চলে

আসার পর তাে তাদের ও আমাদের মাঝে লড়াইয়ের পালা চলল; কখনো আমরা তাদের উপর
বিজয়ী হতাম ৷ আবার কখনো যা তারা আমাদের উপর ভারী হয়ে যেত ৷

এক রাতে তিনি আমাদের কাছে আগমনের নির্ধারিত সময় থেকে বিলম্ব করলেন ৷ আমরা
মোঃ, আজ তো আপনি দেরী করে ফেলেছেন? তিনি বললেন, “আমার কুরআন তিলাওয়াতের
ৰির্ধৰিত ল্পা আল কোন কারণে বাকী রয়ে গিয়েছিল , তা পুর্ণ না করে কোথাও যাওয়া আমার
ৰ্ৰ্হে ভাল র্পো ন৷ ৷ বর্ণনাকারী আওস বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাহাবীগণের

কাছে জিজ্ঞেস ন্সরহি; আপনারা কুরআন তিলাওয়াতের (নিত্য দিনের) পরিমাণ কিভাবে নির্ধারণ
করে থাকেন? তারা এক তিন সুরা (আল বকােরা, আল ইমরান ও আন নিসা) ৷ দুই
পরবর্তী পচে সুরা; তিন পরবর্তী সাত সুরা; চার পরবর্তী নয় সুরা; পাচ পরবর্তী এগার সুরা;
হয় পরবর্তী তেব সুরা এবং সাত দ্বুফাসৃসাল২ সুরাসমুহের সমন্বিত অংশ ৷ এ রিওয়ায়তের পাঠ
আবুদাউদ (র)-এর ৷

ইবন ইসহাক (র) বলেন, প্রতিনিধি দল তাদের কাজ সেরে নিজেদের অঞ্চলের উদ্দেশ্যে
প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি নিলে রাসুলুল্পাহ্ (সা) আবু সুফিয়ান ইবন হড়ারব (বা) এবং ঘুগীরা ইবন
শুবা (রা)-ণ্ক তাদের সহযাত্রী করে পাঠালেন ৷ র্তাদের দায়িত্ব ছিল ৰিগ্রহ ধ্বংস করা ৷ তারা
দু’জন কাফেলার সহযাত্রী হলেন ৷ তায়েফ পৌছলে যুগীরা (রা) (নিজে স্থানীয় গোত্রের লোক
হওয়ার কারণে) আবু সুফিয়ান (রা)-£ক আগেভাগে রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন ৷ আবু
সুফিয়ান (রা) তাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন, তোমার স্বগোত্রে তৃমিই আগে যাও ৷ এ কথা
বলে আবু সুফিয়ান (বা) তার মালপত্র নিয়ে যুল-হারামে’ অবস্থান নিলেন ৷ মুগীরা (রা)
এলাকার প্রবেশ করেই ৰিগ্রহবেদীতে উঠে গাইতির আঘাতে মুর্তিটি ঢুরঘার করে ফেলতে
লাপলেন ৷ তার কওম বনু মুআত্তিব-এর লোকেরা র্দাড়িয়ে তাকে আড়াল দিতে লাগল ৷ কারণ,
তাদের আশঙ্কা ছিল যে, উরওয়া ইবন মাসউদ (বা) যে পরিণতির সম্মুখীন হয়েছিলেন ৷ তাকে
তেমনি তীরৰিদ্ধ করে বা অন্য কােনরুগে আঘাত করা হতে পারে ৷

বর্ণনাকারী বলেন, ৰিগ্রহের দৃরবস্থা দেখে ছাকীফের নারীরা নগ্ন মাথায় বিলাপ করতে
করতে বেরিয়ে পড়ল আর মাতমের সুরে গাইতে লাগল

“র্কাদো র্কাদেড়া দিফা’ লাগি ইতরেরা করলো না যে প্রতিরোধপারলো না যে করতে
আঘাত ৷ ইবন ইসহাক (র) বলেন, আবু সুফিয়ান বলছেন, ঘুগীরা (বা) প্রতিমার গায়ে কুঠার
মড়ারছিলেন আর আওয়ায দিচ্ছিলেন, আফসােস ! তোমার জন্য, আফস্যেসা
তোমার জন্যে ৷ অবশেষে যুগীরা (রা) সেটি ধবসিয়ে দিয়ে সেখানে সঞ্চিত সম্পদ ও
অলংকারপত্র আহরণ করে তা আবু সুফিয়ান (রা)-এর্ব কাছে পাঠিয়ে দিলেন ৷ তিনি বললেন,
আল্লাহর রাসুল (সা) তাে আমাদের হুকৃম দিয়ে রেখেছেন, আমরা যেন ৰিমহ মন্দিরে লব্ধ
সম্পদ দিয়ে উরওয়া ইবন মাসউদ (বা) এবং তার ভাই আসওয়াদ ইবন মাসউদ-কারিব

ইবনুল আসওয়াদের পিতা এ দুজনের ঋণ পরিশোধ করে দেই ৷ সুতরাং এ দিয়ে তাদের ঋণ
পরিশোধ করা হবে ৷

আমি বলি, আসওয়াদ যুশরিক অবস্থায়ই মারা গিয়েছিল ৷ কিন্তু তার ছেলে কারিব ইবনুল
আসওয়াদ ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ৷ মুসলমান ছেলের মনোরঞ্জন ও মর্যাদা দানের উদ্দেশ্যে
নবী করীম (সা) কাফির পিতার ঋণ পরিশোধ করার হুকৃম দিয়েছেলেন ৷

১ অনেক সাহারায়ে কিরড়াম তিসাওরাতের নিরমানুবর্তীতা রক্ষার জন্য আর কুবআনকে (সপ্তাহের সাত দিনে
মে মরে উদ্দেশ্যে) সাত অংৰ্:শ ভাগ করতেন ৷ প্রচলিত ব্যবহারে এ সাত ভাগকেই সাত মনযিল বলা হয় ৷
২ আল কুরআনের সুরা আল হুজুরাতে অংশকে আল ঘুফাসৃসাল বলা হয় ৷

মুসা ইবন ট্যাং৷ (র) বলেছেন, ছাকীক প্রতিনিধি দলের সদস্য সংখ্যা ছিল দশের উভ্রুর্ধ্ব ৷
তার! এসে পৌছলে রাসুলুল্লাহ্ (সা) মসজিদে তাদের অবস্থানের ব্যবস্থা করলেন, যাতে তারা
বুদ্মআন শরীফ শোনার সুযোগ পায় ৷ তারা তার কাছে সুদ, ব্যতিচার ও মদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস
করলে তিনি এর সবগুলোই তাদের জন্য হারাম হওয়ার কথা বললেন ৷ অবশেষে তারা জিজ্ঞেস
করল যে , তিনি তাদের দেবমুর্ডিং সাথে কী আচরণ কররে ন ? তিনি ব ল লে ন, ওটিকে তোমরা
ভেঙ্গে ফেল ৷ তারা বলল, বলেন কী? হায় ! দেবী যদি ঘুণাক্ষরেও টের (পরে যায় যে, আপনি
তার বিনাশ করতে যাচ্ছেন, তাহলে আর রক্ষে নেই, সে তো সব ধ্বংস করে ফেলবে ৷ এ কথা
শুনে উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) বললেন, ছি৷ ছি ৷ , তুমিই না গোত্র প্রধান আবৃদ ইয়ালীল ৷ বৃদ্ধির
মাথা রাও ৷ ঐ দেবী তো পাথর বৈ কিছু নয়৷ তারা বলল, খড়াত্তাবের পাে! আমরা তো তোমার
কাছে আমি নি ৷ অন্য দিকে রাসুলুল্লাহ্ (সা) কে বলল, “আপনি নিজেই ওটা ধ্বংসের দায়-
দায়িতু নিন ৷ আমরা তো কক্ষা;ণা ওর পায়ে হাত তুলতে পারব না ৷ তিনি বললেন, এ প্রুা
ঠিক আছে, আমি তোমাদের ওখানে এমন কাউকে পাঠাচ্ছি যে,
তোমাদের পক্ষ থেকে ঐ কাজটি সুচারুরুপে সম্পন্ন করবে ৷ আলোচনা (পরে তারা এ সব
বিষয় চুক্তিবদ্ধ হল এবং রাসুল করীম (সা)এর পাঠানো দৃওদের আগে কওমের কাছে ফিরে
যাওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করল ৷ তারা কওমের কাছে ফিরে গেলে কওমের লোকেরা তাদের
সক্ষোতে এগিয়ে এসে পিছনের খবর’ জিজ্ঞেস করল ৷ জবাবে তারা তাদের আকার ইঙ্গিতে
দুঃখদুঘেগৈর কথা প্রকাশ করে বলল, তারা এক কঠোর স্বতাব কর্কশতাষী লোকের কাছ
থেকে ফিরে আসছে যে নাকি তররারির জোরে প্রাধান্য বিস্তার করে সেচ্ছাচারিতায় মত্ত হয়েছে
এবং গোটা আরবকে পদড়ানত করে ফেলেছে ৷ সুদ , ব্যভিচার, মদ নিষিদ্ধ করে দিয়েছে;
এমনকি দেবীর মুর্তি ভেঙ্গে দেয়ার হুকুম দেয়ার দুঃসাহস দেখিয়েছে ৷ এ বর্ণনা শুনে ছাকীফীরা
তেল্যেরগুনে জ্বলে উঠে বলল, আমরা কিছুতেই এ লোকের অধীনতা মেনে নেবাে না ৷
বর্ণমাকাবী বলেন, ওরা লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে সমরােপকরণ সংগ্রহে ব্যস্ত হল ৷ এ অবস্থায়
দুই দিন কিৎব৷ তিন দিন অ০িবাইি৩ হলে ৩া৷প্লাহু তা পের অওরে ডীণ্ডি সঞ্চারিত করে দিলেন ৷
ফলে তারা সিদ্ধান্ত থেকে পিছপ৷ হয়ে সত্যের দিক রাৰিত হল এবং নেতাদের বলল, তোমরা
গিয়ে ঐ সব শর্ত মেনে নিয়ে তার সাথে সন্ধি কর এবং চুক্তিবদ্ধ হয়ে যাও ৷ প্রতিনিধিরা বলল,
আমরা তো তা করেই এসেছি; আসলে আমরা তাকে পেয়েছি একজন শ্রেষ্ঠ ঘুত্তাকী
থােদাভীক, সর্বাধিক অঙ্গীকার রক্ষাকারী, দয়াব সাগর এবং পরম সতাবাদীরুপে ৷ তার কাছে
আমাদের এ সফর এবং আমাদের ও তার মাঝে সম্পাদি৩ চুক্তি আমাদের ও তোমাদের
সকলের ওম্পো৷ বরক৩ ও কণ্যাণ বয়ে আনবে ৷

অতএব, তোমরা চুক্তির মর্য অনৃধাবনে সচেষ্ট হও এবং আল্লাহর দান শান্তিঢুক্তি’ কে স্বাগত
জানাও ৷ তারা বলল, তা হলে প্রথমে (তামরা এ সব গোপন করার ঢৎ করণে শ্যেন ? ৩ার৷ বং৷ ণ ,
আমরা চাচ্ছিলাম , তোমাদের মন-মগজ থেকে শয়তানী অহংবােধের পস্কিলতা আল্লাহ্ পাক
বিদুরিত করে দিন ৷ তখন অবিলম্বে তারা ইসলাম গ্রহণ করল ৷ এরপরে কয়েকদিন অতিরা ত
হলে আল্লাহর রাসুল (সা) এর পাঠানো দুতপণ সেখানে উপস্থিত হলেন ৷ এ দলের প্রধান
নিয়োজিত হয়েছিলেন খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রা) এবং অ্যাংা৩ম স প স ৷ ছিলেন (ঐ অঞ্চলের
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব) মুগীর৷ ইবন শুরা (রা) ৷ তারা প্রথমে লাত দেবীর দফারফার পরিকল্পনা

নিলেন ৷ ছাকীফের নারী-পুরুষ, আবাল বৃদ্ধ সকলেই ভিভৃ জমাল দেবী ফ্লিশন প্রত্যক্ষ করার
জন্যে; এমন কি লজ্জাবতী নব কুমারীরা আজ তাদের অবপুণ্ঠন থেকে ব্লেব্লিয়ে এল, ছাকীফের
জনসাধারণ এ কথা বিশ্বাস করে উঠতে পড়ারছিল না যে, দেবীর ৰিনাশ সাধিত হবে ৷ তাদেও
প্রবল বিশ্বাস ছিল যে, আত্মরক্ষায় দেবী তার শক্তির বহিঃপ্রকাশ মটাবে ৷ রইহোক, ঘুগীরা ইবন
শুবা (রা) প্রথমে উদেত্তো নিলেন এবং র্গইিতি হাতে র্দাড়িয়ে (চুপিসারে) নিজের সাথীদের
বললেন, আল্লাহর কলম! ছাকীফদের তামাশা দেখিয়ে তােমাদেরকে আনন্দে হাসাব ৷ এ কথা
বলে তিনি দেবীর গায়ে পইিতির আঘাত হানলেন ৷ একটু পরে গড়িয়ে পড়ে ত্যুস্থিরতার সাথে
পায়ের পােড়ালী দিয়ে তিনি মাটিতে আঘাত করতে লাগলেন ৷ তীর দুরবস্থা দেখে
তায়েফবাসীরা আনন্দ উদ্বেলিত হয়ে সমস্বরে দেবীর জয়গান গেয়ে উঠল, তাদের সে আনন্দের
সীমা ছিল না ৷ তারা বলে উঠল, “আল্লাহ মুর্গীরাকে অতিসম্পাত করুন ! দেবী তাকে বিনাশ করে
ফেলেছে ৷ ” তার অন্যান্য সাথীদের লক্ষ্য করে তারা বলল, যার হিম্মত ;হর, দেবীর দিকে
আগাও ! একটু পরে মুগীরা (রা) শান্ততারে দাড়িয়ে বললেন, আল্লাহর বন্সমৰুর্শ্ব আমার স্বদেশী
ছাকীফ তাইয়েরা ! এটা মাটি আর পাথরের একটা মুর্তিই মাত্র ৷ তইি তে ছেঃর আল্লাহর ক্ষমা
গ্রহন্বণ আগ্রহী হও এবং তারই ইবাদতে নিমগ্ন হও ! এরপর তিনি জোরদার আঘাতে মন্দিরের
দরজা ভেঙ্গে ফেলে চতুরের দেয়ালে চড়ে বললেন ৷ তার সাথীরা দেয়ালে চড়ে একটা একটা
করে পাথর ভেঙ্গে ফেলতে লাগলেন ৷ অবশেষে স্থানটিকে সমতলে পরিণত করে ক্ষাম্ভ হলেন ৷
পাণ্ডা-পুরােহিতেরা ভয় দেখাতে লাগল ৷ মন্দিরের বুনিয়াদ ক্রোধান্ধ হয়ে এয়ুল্ম সবটাকে মাটি
চাপা দেবে ৷ ঘুর্গীৱা (বা) এ কথা শুনে নেতা খালিদ (রা)-৫ক বললেন-

আপনি আমাকে এর ভিত্তি খুড়ে ফেলার অনুমতি দিন ৷ তারপর তার মাটি খুৰুডু তিনি তার
তিতসহ উপড়ে দিলেন এবং ত্যিতর ইট-বালুমাটি উঠিয়ে ন্তুপ করে দিলেন ৷ মন্দিরের এ
দুরবস্থা ছাকীফদের বিমুঢ় ও নিবাক করে দিল ৷ ওদিকে রাসুল কবীম (সা)-এর দুতগণ তার
কাছে ফিরে গেলেন ৷ প্রত্যাবর্তনের দিলেই লব্ধ সম্পদ ঘোকজনের মধ্যে বন্টন করে দেয়া
হল ৷ অভিযানের সফল সমাপ্তিতে আল্লাহ তাআলার দীনের মহােত্ম্য প্রকাশ পাওয়ায় এবং তার
রাসুলের সাহায্যপ্রাপ্তির জন্য তারা আল্লাহর হড়ামৃদ আদায় করলেন ৷

ইবন ইসহড়াক (র) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাদের জন্য যে, ফরমান লিখিরে দিয়েছিলেন
তার ভাষ্য ছিল নিম্নরুপ

ৰিসমিল্পাহির রাহমানির রাহীম, আল্লাহর রাসুল-নবী মুহাম্মদের পক্ষ হতে ঘু’মিনদের

“ওরাজ্জ-এর বৃক্ষ্ৱাজী ও শিকার আহরণ করা যাবে না ৷ কাউকে এমন কর্মে লিপ্ত

প্রচলিত নাম, ভিনদেশীদের জন্য ওয়াজ্জ এর গাছপালা ইত্যাদি হর্শ্বরামায়ন

পাওয়া গেলে তাকে চাবুক লাগানো হবে এবং তার পরিধেয়-পরিচ্ছেদ বাজেয়াপ্ত হবে ৷
পুনঃপুনঃ সীমালঙ্ঘন করলে তাকে ধরে নবী মুহাম্মদ (সা)এর আদালতে উপস্থিত করা
হবে ৷ এ হচ্ছে নবী মুহাম্মদ (সা)এর ঘোষিত ফরমান (নবী দরবারের লিখক নিবন্ধক)
খালিদ ইবন সাঈদ মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ্ রাসুলেৱ নির্দেশে এ লিপি লিখে দিচ্ছে ৷ কেউ
তা লঙ্ঘন করলে সে নিজ দায়িত্বে আল্লাহর রাসুল মুহাম্মদ এর আইন অমান্য করেছে বলে
সাব্যস্ত হবে ৷”

ইমাম আহমদ (র) বলেন, মক্কাবাসী মাখয়ুম গোত্রের আবদৃল্লাহ্ ইবনুল হারিছউরওয়া
ইবনুয যুবায়র (না) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমরা লিয়্যা১ থেকে ৱাসুলুল্লাহ্ (না)-এর
সাথে এগিয়ে চলছিলাম ৷ সিদরাহ্ বৃক্ষের কাছাকাছি পৌছে রাসুলুল্লাহ্ (সা) গাহটির বরাবরের
টিলাপ্রাস্তে থেমে গিয়ে সম্মুখে উপত্যকা পানে দৃষ্টি প্রসারিত করে র্দাড়ক্রোন ৷ তার র্দাড়ানাের
ফলে গেটিড়া কাফেলার গতি থেমে গেল ৷ তখন তিনি বললেন-“ওয়াজ্জ্ব-
এর শিকার ও বৃক্ষরাজী হারাম আল্লাহ্ব উদ্দেশ্যে নিবেদিত ম্মিবধাজ্ঞাযুক্ত ৷ এ ঘোষণা দেয়া
হয়েছিল তার তায়েফে উপনীত হওয়ার আগে এবংঘকীফ্ মোঃ পুর্বে ৷

ইমাম আবু দাউদ (র)ও হাদীসখানি উল্টিত সনদেমুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন
আনসান আত্-তইিফী (র) সুত্রে বর্ণনা মোঃ ৷ ইবন হাব্বান (র) রাৰী মুহাম্মদ (র)-কে
ছিকা ও নির্ত্যযােপ্য বলে মন্তব্য করেছেন ৷ তার সম্পর্কে ইবন মাঈন (র)-এর মন্তব্য “তীর
বিরুদ্ধে কোন অত্যিমাগ নেই ৷ কোন কোন হাদীস ৰিশ্নেবক তার বিরুপ সমালোচনা
করেছেন ৷ আহমদ ও বুখারী (র) প্রমুখ ইমামগণ এ হাদীসকে জঈফ’ বলেছেন ৷ অপরদিকে
ইমাম শাফিঈ এটিকে বিশুদ্ধ আখ্যা দিয়ে এর মর্স কথাকে মাযহাবরুপে গ্রহণ করেছেন ৷
আল্লাহ্ই সমধিক অবগত ৷

অভিণপ্ত আবদুল্লাহ ইবন উবাইর মৃত্যু

মুহাম্মদ ইবন ইসহাক (র) বলেন, যুহরী (র)উসামা ইবন যায়দ (রা) সুত্রে বর্ণনা
করেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবন উবাইর অন্তিমশয্যায় আল্লাহর রাসুল (সঃ) তাকে দেখতে
গেলেন ৷ তার মৃত্যু সন্নিকট হওয়ার আলামত দেখতে পেয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সঃ)তাকে বললেন,
আল্লাহর কসম ! আমি তো তোমাকে ইয়াহুদী প্রীতি বর্জন করতে বলতাম ৷ সে বলল, আসআদ
ইবন যুরারা তো তাদের নাখোশ করেছিল; তাতে তার কীইবা জুটেছে?

ওয়াকিদী (র)-এর বিবরণ : শাওয়াল মাসের কয়েকদিন বাকী থাকতে আবদুল্লাহ্ ইবন
উবাই অসুস্থ হয়ে পড়ল এবং যিলকদ সালে মারা গেল ৷ তার রোগভোগোর ব্যাপ্তি ছিল বিশ
দিন ৷ এদিনগুলোতে রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) তাকে প্রায়ই দেখতে যেতেন ৷ তার মৃত্যুর দিনও
রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) যথারীতি তাকে দেখতে গেলেন ৷ তখন তার অন্তিম অবস্থা ৷ তিনি বললেন,
“ইয়াহুদী প্রীতি থেকে তোমাকে আমি বিরত রাখার প্রয়াস পেরেছিলাম ৷ সে বলল, আসআদ
ইবন যুরারা তো ওদের ক্ষেপিরে রেখেছে? কিন্তু তাতে কি তার খুব লাভ হয়েছে? পরে বলল,

১ লিয়া; তায়েফের উপকণ্ঠ ও শহরতলী ৷

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.