কওমী মাদ্রাসার সকল বই pdf দরসি কিতাব সমূহ

  1. হ্যা, এটা কি কালেমা তাইয়্যেবার ক্যালিগ্রাফি।

    হ্যা, এটা কি কালেমা তাইয়্যেবার ক্যালিগ্রাফি।

    See less
    • 0
  2. ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রি করা জায়েয নয়। বিশেষত ওয়াকফকারী যদি বিক্রি না করার কথা উল্লেখ করেন তখন তা বিক্রি করার কোনো অবকাশ থাকে না। হাদীস শরীফে আছে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. বলেন, উমর রাযি. রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বললেন, আল্লাহর রাসূল! আমি একটি উত্তম সম্পদের মালিক হয়েছি (একটি খেজুর বাগান)। আমি তা সদকা (ওয়Read more

    ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রি করা জায়েয নয়। বিশেষত ওয়াকফকারী যদি বিক্রি না করার কথা উল্লেখ করেন তখন তা বিক্রি করার কোনো অবকাশ থাকে না। হাদীস শরীফে আছে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. বলেন, উমর রাযি. রাসূলুল্লাহ  কে বললেন, আল্লাহর রাসূল! আমি একটি উত্তম সম্পদের মালিক হয়েছি (একটি খেজুর বাগান)। আমি তা সদকা (ওয়াকফ) করতে চাই। রাসূলুল্লাহ  বললেন, তুমি মূল সম্পত্তিটি এভাবে সদকা (ওয়াকফ) কর যে,إِنَّه لَا يُبَاعُ أَصْلُهَا وَلَا يُوْهَبُ وَلَا يُوْرَثُ….তা বিক্রি করা যাবে না, কাউকে দান করা যাবে না এবং এতে উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না। এর থেকে উৎপন্ন ফলফলাদি (নির্ধারিত খাতে) ব্যয় হবে। এরপর উমর রাযি. তা ঐভাবে সদকা (ওয়াকফ) করলেন। (সহীহ বুখারী, হাদীস ২৭২৪)

    অতএব, ওয়াকফ সম্পত্তি যে উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করা হয় সেজন্যই তা ব্যবহার করতে হবে। আর মসজিদ মাদ্রাসা ও অন্যান্য দীনি প্রয়োজন দেখা দিলে মুসলমানদের স্বতঃস্ফূর্ত অনুদান থেকে তা পূরণ করতে হবে।

    والله اعلم بالصواب
    উত্তর দিয়েছেন
    মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী
    See less
    • 0
  3. দুঃখিত এমন কোন মাদ্রাসার নাম আমার জানা নেই। কেউ জানলে দয়াকরে উত্তরে জানাবেন।

    দুঃখিত এমন কোন মাদ্রাসার নাম আমার জানা নেই। কেউ জানলে দয়াকরে উত্তরে জানাবেন।

    See less
    • 0
  4. This answer was edited.

    জবাব وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته  بسم الله الرحمن الرحيم (০১) হাদীস শরীফে এসেছেঃ حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَلْقَمَةَ الْمَكِّيِّ، عَنِ ابْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ جِبْرِيلَRead more

    জবাব

    وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
     بسم الله الرحمن الرحيم
    (০১)
    হাদীস শরীফে এসেছেঃ
    حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَلْقَمَةَ الْمَكِّيِّ، عَنِ ابْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ جِبْرِيلَ، جَاءَ بِصُورَتِهَا فِي خِرْقَةِ حَرِيرٍ خَضْرَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ” إِنَّ هَذِهِ زَوْجَتُكَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ ” . قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ
    আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, জিবরীল (আঃ) একখানা সবুজ রংয়ের রেশমী কাপড়ে তার (‘আয়িশাহর) প্রতিচ্ছবি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে নিয়ে এসে বলেন, ইনি দুনিয়া ও আখিরাতে আপনার স্ত্রী।
    সহীহঃ বুখারী (৫১২৫, ৭০১১, ৭০১২), মুসলিম (৭/১৩৪) তিরমিজি ৩৮৩৮
    ইমাম তিরমিজি (আবূ ঈসা) রহঃ বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব।
    অনেক মুহাদ্দিসিনে কেরামগন উক্ত হাদীসকে ছহীহ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
    (০২)
    أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لعائشة -رضي الله عنها-: «أَمَا تَرْضَيْنَ أَنْ تَكُونِي زَوْجَتِي فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ؟» قُلْتُ: بَلَى وَاللَّهِ، قَالَ: «فَأَنْتِ زَوْجَتِي فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ»
    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আয়িশাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, তুমি দুনিয়া ও আখিরাতে আমার স্ত্রী হবে? আমি বললাম, আল্লাহর কসম! অবশ্যই। তিনি বললেন, তুমি দুনিয়া ও আখিরাতে আমার স্ত্রী।
    মুসতাদরাকে হাকিম গ্রন্থে উক্ত হাদীসকে ছহীহ বলা হয়েছে।
    ইমাম যাহাবী রহঃ, শায়েখ আলবানী রহঃ, শুয়াইব আল আরনাউত রহঃ ছহীহ বলেছন।
    ,
    ★উল্লেখিত উভয় হাদীস ছহীহ।

    (আল্লাহ-ই ভালো জানেন)
    ————————
    মুফতী ওলি উল্লাহ
    ইফতা বিভাগ
    Islamic Online Madrasah(IOM)

    See less
    • 1
  5. বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার / কিংবা ফতোয়া দিতে হলে ভাল আরবির সাথে সাথে বাংলা ভাষাজ্ঞান থাকা জরুরী। নয়লে এভাবেই মানুষকে বিভ্রান্ত করবে। হাদিসের আসল অর্থ এবং উদ্দেশ্য হল পন্য মজুদ রাখা যাতে পরে বেশি দামে বিক্রি করা যায়। গুদামজাত কিংবা সংরক্ষন করাতে কোন সমস্যা নেই যদি উদ্দেশ্য হয় মানুষের চাহিদা অনুসারে সময়মRead more

    বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার / কিংবা ফতোয়া দিতে হলে ভাল আরবির সাথে সাথে বাংলা ভাষাজ্ঞান থাকা জরুরী। নয়লে এভাবেই মানুষকে বিভ্রান্ত করবে। হাদিসের আসল অর্থ এবং উদ্দেশ্য হল পন্য মজুদ রাখা যাতে পরে বেশি দামে বিক্রি করা যায়। গুদামজাত কিংবা সংরক্ষন করাতে কোন সমস্যা নেই যদি উদ্দেশ্য হয় মানুষের চাহিদা অনুসারে সময়মত বাজারজাত করা বরং এটি উত্তম কাজ যুগের চাহিদা অনুযায়ী। হাদিসের শাব্দিক অর্থের মধ্যে গুদামজাত কিংবা মজুদকরন শব্দটি উল্লেখই নেই। পারিভাষিক অর্থের মধ্যে বিশেষ অর্থে উল্লেখ করা হয়েছে।

    একচাটিয়া ব্যবসা করার লক্ষ্যে কেউ যদি বাজারের সব পন্য কিনে মজুদ করে কৃতিম সংকট তৈরি করে দাম বৃদ্ধি করে বিক্রি করলে এই হাদীসের অন্তর্ভূক্ত হবে। একই ভাবে মালামাল গোদামজাত করে রেখে বাজারে বর্তমান চাহিদা থাকা সত্বেও কিছুদিন পরে যখন বাজারে উক্ত মালামাল পাওয়া যাবেনা তখন চড়া দামে বিক্রি করলেও এই হাদীসের অন্তর্ভুক্ত হবে।

    দ্বীনি ইলমে অভিজ্ঞরা আপনাদের ব্যাখ্যা দিতে পারেন।

    See less
    • 0
  6. যদি অন্য মাজহাবের ইমামের ব্যাপারে সুনিশ্চিতভাবে জানা থাকে যে, তিনি নামাজের ফরজসমূহ আদায়ের ক্ষেত্রে হানাফি মাজহাবের প্রতিও খেয়াল রাখেন তাহলে একাকি নামাজ পড়ার চেয়ে তার পেছনে ইকতিদা করাই উত্তম। আর যদি জানা থাকে যে, তিনি ফরজসমূহের ক্ষেত্রেও হানাফি মাজহাবের প্রতি খেয়াল রাখেন না তাহলে তার পেছনে ইকতিদা করাRead more

    যদি অন্য মাজহাবের ইমামের ব্যাপারে সুনিশ্চিতভাবে জানা থাকে যে, তিনি নামাজের ফরজসমূহ আদায়ের ক্ষেত্রে হানাফি মাজহাবের প্রতিও খেয়াল রাখেন তাহলে একাকি নামাজ পড়ার চেয়ে তার পেছনে ইকতিদা করাই উত্তম। আর যদি জানা থাকে যে, তিনি ফরজসমূহের ক্ষেত্রেও হানাফি মাজহাবের প্রতি খেয়াল রাখেন না তাহলে তার পেছনে ইকতিদা করা যাবে না। আর যদি কিছুই জানা না যায়, তবে এমন ব্যক্তির ইকতিদা করা মাকরূহ হলেও তার পেছনে জামাতে নামাজ পড়াই উত্তম। তবে শর্ত হলো, মুক্তাদির মাজহাব অনুযায়ী ইমাম সাহেব থেকে নামাজ ভঙ্গের কোনো কারণ (যেমন, শরীরের কোনো স্থান হইতে রক্ত, পুঁজ বা পানি বের হয়ে গড়িয়ে পড়া ইত্যাদি) প্রকাশ না পাওয়া। এমন কিছু প্রকাশ পেলে মুক্তাদির নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে।

    উল্লেখ্য, বিতির নামাজে অতিরিক্ত একটি শর্ত রয়েছে। তাহলো ইমাম সাহেবের তৃতীয় রাকাতের আগে সালাম না ফেরানো। অর্থাৎ ইমাম যদি দ্বিতীয় রাকাতের মাথায় সালাম ফেরায় তবে তার পেছনে ইকতিদা করা জায়েজ হবে না।

    দলিলসমূহ:

    ফাতাওয়ায়ে শামী ৪/২৪৮

    وإن تيقن المراعاة لم يكره أو عدمها لم يصح وإن شك كره. (الدر المختار) أي المراعاة في الفرائض من شروط وأركان في تلك الصلاة، وإن لم يراع الواجبات والسنن.

    হাশিয়াতুত তহতবী আলাদ্দুর ১/২০৫

    قال بدر الدين العيني رحمه الله تعالى: يجوز الاقتداء بالمخالف وكل بر وفاجر …….. ما لم يتحقق من إمامه مفسد لصلاته في اعتقاده، وإذا لم يوجد غير المخالف فلا كراهة في الاقتداء به والاقتداء به أولى من الانفراد على أن الكراهة لا تنافي الثواب.

    আরও দেখুন:

    রদ্দুল মুহতার ৫/১২০

    আল বাহরুর রায়েক ৪/২২৮

    See less
    • 0
  7. This answer was edited.

    উত্তরঃ আপনার দেওয়া হাদিসের পূর্ণরূপ। وَعَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عَلَيْهِ وسم: «إِنَّ أَخْوَفَ مَا أَتَخَوَّفُ عَلَى أُمَّتِي الْهَوَى وَطُولُ الْأَمَلِ فَأَمَّا الْهَوَى فَيَصُدُّ عَنِ الْحَقِّ وَأما طول الأمل فيُنسي الْآخِرَةَ وَهَذِهِ الدُّنْيَا مُرْRead more

    উত্তরঃ
    আপনার দেওয়া হাদিসের পূর্ণরূপ।
    وَعَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عَلَيْهِ وسم: «إِنَّ أَخْوَفَ مَا أَتَخَوَّفُ عَلَى أُمَّتِي الْهَوَى وَطُولُ الْأَمَلِ فَأَمَّا الْهَوَى فَيَصُدُّ عَنِ الْحَقِّ وَأما طول الأمل فيُنسي الْآخِرَةَ وَهَذِهِ الدُّنْيَا مُرْتَحِلَةٌ ذَاهِبَةٌ وَهَذِهِ الْآخِرَةُ مُرْتَحِلَةٌ قَادِمَةٌ وَلِكُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا بَنُونَ فَإِنِ اسْتَطَعْتُم أَن لَا تَكُونُوا بَنِي الدُّنْيَا فَافْعَلُوا فَإِنَّكُمُ الْيَوْمَ فِي دَارِ الْعَمَلِ وَلَا حِسَابَ وَأَنْتُمْ غَدًا فِي دَارِ الْآخِرَةِ وَلَا عَمَلَ» . رَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ فِي «شُعَبِ الْإِيمَان» اسنادہ ضعیف جذا ، رواہ البیھقی فی شعب الایمان (10616 ، نسخۃ محققۃ : 10132) * فیہ علی بن ابی علی اللھبی : منکر الحدیث متروک ۔ (ضَعِيف)

    জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: আমি আমার উম্মার্তের ওপর দু’ ব্যাপারে খুব বেশি ভয় করি। প্রবৃত্তির কামনা আর দীর্ঘ হায়াতের আকাঙ্ক্ষা। অতঃপর প্রবৃত্তি সত্য থেকে বাধা দেয় আর দীর্ঘ আকাঙ্ক্ষা পরকালকে ভুলিয়ে দেয়। এই যে দুনিয়া! এটা প্রবহমান প্রস্থানকারী এবং ঐ আখিরাত! তা প্রবহমান আগমনকারী। আর এদের প্রত্যেকটির সন্তানাদিও রয়েছে। অতএব যদি তোমার সাধ্য হয়, দুনিয়ার সন্তান না হওয়ার তোমাদের সাধ্যে কুলায় তবে তাই করো। কেননা আজ তোমরা ‘আমলের গৃহে রয়েছ, (এখানে কোন হিসাব-কিতাব নেই। আর আগামীকাল তোমরা পরকালের অধিবাসী। হবে, আর তথায় কোন ‘আমাল নেই। (বায়হাকী’র শুআবুল ঈমান)

    হাদিসের মানঃ যঈফ; আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী ১০৬১৬, সানাদে মুনকাদির ইবনু মুহাম্মাদ য’ঈফ, আর ‘আলী ইবনু আবূ ‘আলী আল লাহবীও য’ঈফ। ফাতহুল বারী ১১/২০২, হিদায়াতুর রুওয়াত রুওয়াতি ৫/২৩ পৃ.।

    ব্যাখ্যা : নফস্ বা প্রবৃত্তির খাহেশাত অনেকটাই মানুষের প্রকৃতিগত স্বভাব। এটা যখন বিপথে পরিচালিত হয় তখন সেটা হয় নিন্দনীয় এবং আল্লাহর অনভিপ্রেত, দীর্ঘ আশাও মানুষের স্বভাবজাত প্রবৃত্তি। এটাও যখন হয় হিদায়াত শূন্য এবং দুনিয়ার ভোগ-বিলাস সর্বস্ব তখন সেটাও হয় নিন্দনীয়।
    নফস্ বা প্রবৃত্তি মানুষকে সত্যগ্রহণ ও তার আনুগত্য থেকে ফিরিয়ে রাখে। আর দীর্ঘ আশা আল্লাহর স্মরণ ও তার আনুগত্য থেকে দূরে রাখে। যেমন- অনেক মুসলিমকে বাড়ী-ঘর নির্মাণে ব্যস্ত অবস্থায় সালাতে ডাকলে উত্তর দেয় মসজিদে যাওয়ার সময় নেই, ফকীর ভিক্ষা চাইলে বলে ব্যস্ত আছি দেখ না? দুনিয়া এবং আখিরাতের দৃষ্টান্ত হলো চলমান দুটি বাহনের ন্যায়। তবে এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্য হলো দুনিয়া তোমার নিকট থেকে তোমার হায়াতকে নিয়ে দ্রুত চলে যাচ্ছে আর আখিরাত তোমার নিকট দ্রুত চলে আসছে। এ দুনিয়ার পোষ্য সন্তান রয়েছে, সে সন্তান হলো মানুষ। অর্থাৎ যে দুনিয়ার পিছনে দৌড়ায়, তা কঠিনভাবে আঁকড়ে ধরে এবং আখিরাত ভুলে যায় সেই দুনিয়ার সন্তান। পক্ষান্তরে যারা প্রকৃত মুমিন তারা হবে আখিরাতমুখী, এদের জন্য দুনিয়া হলো ‘আমলের গৃহমাত্র।

    নাবী (সা.)-এর বাণী : (فَإِنِ اسْتَطَعْتُم أَن لَا تَكُونُوا بَنِي الدُّنْيَا فَافْعَلُو) “যদি তোমার সাধ্য হয়, দুনিয়ার সন্তান না হওয়ায় তবে তাই কর।” এ বাক্যে দুনিয়া বর্জনের পরিপূর্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করা হয়েছে। এবং আখিরাত গ্রহণের অধিকতর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। অতএব মু’মিন আখিরাতই কামনা করে থাকে। আল্লাহ তা’আলা বলেন : “যে পরকালের ক্ষেত্রে পুণ্যফল কামনা করে আমি তাকে তার ক্ষেত্রে উন্নতি দান করি, আর যে দুনিয়ার ক্ষেত্র কামনা করে আমি তাকে দুনিয়ার কিছু অংশ প্রদান করি কিন্তু পরকালে তার জন্য কোনই অংশ নেই।” (সূরা আশ শূরা- ৪২ : ২০)
    রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর বাণী : (فَإِنَّكُمُ الْيَوْمَ فِي دَارِ الْعَمَلِ) “তোমরা আজ ‘আমলের ঘরে রয়েছে।” অর্থাৎ দুনিয়ায় আজ তোমরা এমন অবস্থানে রয়েছে যে, আখিরাতে তোমাদের নিকট এই দিনের ‘মাল তলব করা হবে। অতএব দুনিয়ার দায়িত্ব পালনের জায়গা মৃত্যু আসার আগেই গ্রহণ কর। তোমার অবস্থান দুনিয়ায় এক ঘণ্টা মাত্র, তাই উচিত তাকে আল্লাহর ইবাদতে ব্যয় করা ।

    হাদীসের বাণী : “আগামীকাল তোমরা এমন ঘরে যাবে যেখানে কোন ‘আমাল নেই।” আগামীকালের ঘর হলো আখিরাতের ঘর। সেখানে হিসাব দিয়ে সাওয়াব অথবা শাস্তি গ্রহণ করতে হবে। সেখানে কোন ‘আমল করার সুযোগ নেই। আল্লামাহ্ ত্বীবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, এ দৃষ্টান্ত দ্বারা দুনিয়ার তুচ্ছতা এবং দ্রুত ধ্বংস হওয়ার প্রতি ইশারা করা হয়েছে। পক্ষান্তরে আখিরাতের প্রতি তা’যীম ও প্রস্তুতির প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে। কেননা আখিরাতের ঘর চিরস্থায়ী এবং চির সুন্দর। (মিরকাতুল মাফাতীহ; আল কাশিফ আন্ হাকায়িকিস্ সুনান ১০ম খণ্ড, পৃষ্ঠাঃ ৩৩০২ পৃ., লু’আতুত্ তানকীহ ৮ম খণ্ড, পৃষ্ঠাঃ ৪৪২

    See less
    • 0