জিব্রাইল আলাইহিস সালামের গল্প – ৬ষ্ঠ পর্ব (সমাপ্ত)
জিব্রাইল আলাইহিস সালামের মৃত্যু। সুবহানাল্লাহ, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মৃত্যুবরণ করেছেন এবং প্রত্যেকেই মৃত্যুবরণ করবে। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
জিব্রাইল আলাইহিস সালামের মৃত্যু। সুবহানাল্লাহ, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মৃত্যুবরণ করেছেন এবং প্রত্যেকেই মৃত্যুবরণ করবে। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
রাসূল ﷺ যখন শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন তখন জিব্রিল কিভাবে সান্ত্বনা দিতেন? রাসূল ﷺ যখন অসুস্থ হয়ে পড়েন, তিনি বলেন,
খাদিজা (রা) বললেন – চলুন, ওয়ারাকার কাছে যাই। তো, তাঁরা তার নিকট গেলেন। রাসূল (সঃ) যা দেখলেন তা ওয়ারাকার নিকট
আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ (সঃ) এর সাথী ফেরেশতাদের মাঝে যিনি রাসূল (সঃ) এর সবচেয়ে নিকটবর্তী ছিলেন, যিনি রাসূল (সঃ) কে সহযোগিতা
পরিশেষে, ইমরানের পরিবারের সাথে। কোন কোন সময় জিব্রিল (আঃ) কে নবীর সাথে উল্লেখ না করে নবীর পরিবারের সাথে উল্লেখ করা
আপনি কীভাবে জিব্রাইল আঃ এর নাম বলেন, কীভাবে উচ্চারণ করেন তার নাম? জিব্রীল, জিব্রাই–ল, জিব্রাইল, জিব্রাই’ল, জিব্রিইল এই পাঁচ ভাবে
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা ও আদর্শ। ইসলামে জাগতিক, রাজনৈতিক ও মাজহাবি মতপার্থক্য থাকলেও পারলৌকিক বিশ্বাস সম্পর্কে নেই মতভেদ। কেয়ামত পর্যন্ত
যখন সফর থেকে ফিরে আসেন তখন আপনার জন্য একান্ত আবশ্যক হচ্ছে সর্বপ্রথম মায়ের সাথে সাক্ষাত করা। মায়ের সামনে গিয়ে তাঁকে
বর্তমানে আমাদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত এই “একটার বেশি বিয়ে করা যাবে না” রিচ্যুয়াল-টার জন্য এর থেকে আরো হাজারটা সুদূরপ্রসারী সমস্যা তৈরি
আরব বিশ্বের অত্যন্ত জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার, দা’ঈ ও সুবক্তা ড. শায়খ আইদ আল কারনি (হাফিযাহুল্লাহ) তার এক বক্তৃতায় বলেন, আমাকে
বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ৩৬৪ দিন মানুষকে ধোঁকায় ফেলে শয়তান যতটা না বিজয়ী হয়, তার চেয়ে শয়তান বেশি বিজয়ী হয়
জামাত.আহলে হাদীস এবং কওমী মাদ্রাসার কিছু সংখ্যক অবুঝ ভাইয়েরা “চরমোনাই” নিয়ে ফেসবুকে যেই ইস্যুটিকে নিয়ে সর্বোচ্চ তর্কে মেতে উঠেন.সেটা হলো
বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহীম “নিঃসন্দেহে তাঁরা সৎকাজে প্রতিযোগিতা করত, তাঁরা আশা ও ভীতি সহকারে আমাকে ডাকত এবং তাঁরা আমার কাছে বিনয়ী
হয়রতজী ইলিয়াস (রহঃ) মিয়াজী মুসাকে বললেন মেওয়াতে যাও মানুষকে দাওয়াত দাও। সে বলল, এটা আমার দ্বারা সম্ভব নয়, কারন আমি