রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

অধ্যায় : উহুদ যুদ্ধ সম্পর্কে শেষ কথা

অধ্যায় : উহুদ যুদ্ধ সম্পর্কে শেষ কথা

তবে কিছু প্ৰতিশোধ আমি নািয়ছি ৷ আমার এখানে আগমনের যতাটুকু আশা করেছিলাম তার
পুরোটা অর্জিত হয়নি ৷
এ প্ৰসংপে ইবন ইসহাক আরো বহু কবিতা উল্লেখ করেছেন ৷ দীর্ঘ হয়ে যাওয়া এবং বিরক্তি
সৃষ্টি হওয়ার আশংকায় আমরা সেগুলো বাদ দিলাম ৷ যা আমরা উা:ল্লখ করেছি তা ২ ন্যথেষ্ট হবে ৷
ইবন ইসহাক তার গ্রন্থে যতগুলো কবিত ৷ উল্লেখ করেছেন উমাভী তার মাগাযী গ্রন্থে তার চেয়ে
অধিক কবিতা উল্লেখ করেছেন ৷ত তার নিয়ম এটাই ছিল ! তার উল্লেখিত কবিতাগুলো থেকে
হযরত হাসৃসান ইবন ছাবিত (রা) এর একটি কাবত তা আমরা নিম্নে উল্লেখ করছি ৷ উহুদ যুদ্ধ
সম্পর্কে হযরত হাসৃসান (রা) বলেছেন :

ওর৷ তো শয়তানের আনুগত্য করেছে ৷ শয়তান তাদেরকে লাঞ্ছিত ও অপমানিত করেছে ৷
ফলে লাঞ্চুন৷ ও সাহসহীনতা তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল ৷

ওরা আবু সুফিয়ানের সাথে সমস্বরে যখন চীৎকার করেছিল তখনত তারা বলেছিল, হুবল
প্রতিমা র জয় হোক ৷

তখন আমরা সকলে সমস্বরে ওদের জবাব দিয়ে বলেছি “আমাদের দয়াময় প্রতিপালক
সর্বোচ্চ সুমহান ৷

দাড়াও, তোমরা অতি স শ্হুব মৃত কৃপ থেকে তিক্ত পানি পান করবে ৷ মৃত্যু তাে প্রথম বার
পান করইি ৷

া’
জেনে রাখ যে, মৃত্যু ঘোড়ার পাতিল ভর্তি করে যখন তা ফুণ্টানাে হয় তখন ওই পাতিল
টগবগ করে ফুটতে থাকে ৷
আবদুল্লাহ ইবন যাবআরীর কবিতার উত্তরে হযরত হাসৃসান ইবন ছাবিত (বা) যে কবিতা
বলেছিলেন উপরোক্ত পংক্তিগুলো ওই কবিতার অংশ বিশেষ ৷

অধ্যায় : উহুদ যুদ্ধ সম্পর্কে শেষ কথা

তৃতীয় হিজরীতে সংঘটিত ঘটনাবলী ও যুদ্ধ বিগ্রহ সম্পর্কে আমরা ইভােপুর্বে আলোচনা
করেছি ৷ ওই সব ঘটনার মধ্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ ঘটনা হল উহুদ-যুদ্ধের ঘটনা এটি সংঘটিত
হয়েছিল ৩য় হিজৰীর শাওয়াল মাসের মধর্টভাগে ৷ এর বিস্তারিত বিবরণ পুরুর্কী দেওয়া হয়েছে ৷
সকল প্ৰশ সা আল্লাহ্র ৷

ঐ যুদ্ধে আবুইয়ালা (রা) ও শহীদ হন ৷ তাকে আবু উমারাও বলা হতো ৷ ওই যুদ্ধে আল্লাহর
সিংহ এবং রাসুলের সিংহ উপাধিপ্রাপ্ত রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর চাচা হামযা (রা ) শহীদ হন ৷ হযরত
হামযা (বা) এবং আবু সালামা ইবন আবদ্যু৷ আসাদ দুজনই রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর দুধ ভাই ছিলেন ৷
আবু লাহাবের দামী ছুওয়ায়বা তাদের তিনজনকে স্তন্যদান করেছিলেন ৷ বুখারী ও মুসলিমের হাদীছ
দ্বারা তা প্রমাণিত ৷ এই তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায় যে, হযরত হামযা (রাঃ যে দিন শহীদ হন যে
দিন তার বয়স পঞ্চাশ অতিক্রম করেছিল ৷ তিনি ছিলেন সাহসী বীর এবং প্রথম কাতারের
সিদ্দীক ৷ সেদিন তিনি সহ ৭০ জন সাহাবী (রা) শহীদ হন ৷ ওই বছরই রাসুলের কন্যা হযরত
উছমানের শ্রী রুকইিয়া (রা) ইনতিকাল করেন এবং তার ইনতিকালের পর হযরত উছমান (রা)
রাসুল-কন্যা উম্মু কুলছুম (রা)-কে বিবাহ করেন ৷ এই আক্দ সম্পন্ন হয় তৃভীয় হিজরী সনের
রবীউল আওয়াল মাসে ৷ তাদের বাসর সম্পন্ন হয় ওই বছর জুমাদাল উখৃরা মাসে ৷ বিষয়টি
ইতোপুর্বে আলোচিত হয়েছে ৷

ইবন জারীর বলেছেন, তৃতীয় হিজরীতে আলী ও ফাতিমা (রা)এর পুত্র হাসানের জন্ম হয় ৷
ওই বছরই ফাতিমা (রা) হুসায়নকে গর্ভে ধারণ করেন ৷

হিজরী চতুর্থ সন

এ বছর মুহাররম মাসে আবু সালামা ইবন আবদুল আসাদ আবু তৃলায়হা আসাদীর নেতৃত্বে
একটি অভিযান প্রেরিত হয় ৷ তারা “কাতান নামক স্থানে শিবির স্থাপন করেন ৷ এ প্রসংগে
ওয়াকিদী বলেন, উনার ইবন উছমান বর্ণনা করেছেন, সালামা ইবন আবদুল্লাহ ইবন উমার ইবন
আবুসালামা প্রমুখ থেকে ৷ তারা বলেছেন যে , হযরত আবু সালামা উহুদ যুদ্ধে ৎশ নিয়েছিলেন ৷
যুদ্ধে তিনি বাহুতে প্রচণ্ড আঘাত পান ৷ এক মাস ষাবত চিকিৎসা চলে ৷ হিজরতের ৩৫ মাসের
মাথায় মুহাররম মাসে রাসুলুল্লাহ (মা) তাকে ডেকে বললেন, এই অভিযান নিয়ে তুমি বের হও ৷
আমি তোমাকে ওদের নেতা মনোনীত করলাম ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) নিজে পতাকা বেধে দেন ৷ তিনি
বললেন, নির্ধারিত মুজাহিদদেরকে নিয়ে তুমি যাত্রা কর ৷ বনু আসাদ গোত্রে পৌছে তোমরা
ওদেরকে আক্রমণ করবে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) আবুসালামা এবং তার সাথীদেরকে তাকওয়া অবলম্বন
ও সৎ কাজের উপদেশ দিলেন ৷ ১৫০ জন মুজাহিদ নিয়ে আবু সালামা “কাতানে শিবির স্থাপন
করেন ৷ সেটি ছিল বনু আসাদ গোত্রের একটি জলাশয় ৷ ওখানে অবস্থান করছিল শত্রুপক্ষ
থুওয়াইলিদের পুত্রদ্বয় তৃলায়হা আসাদী এবং তার ভাই সালামা ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা )-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ
করার জন্যে বনু আসাদ গোত্রের সকল মিত্র গোত্রকে একত্রিত করেছিল ৷ ওদেরই একজন লোক
রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নিকট উপ ত হয়ে তৃলায়হা ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে যুদ্ধ প্রন্তুতির সংবাদ
তাকে জানায় ৷ ওই লোকের সাথেই তিনি আবু সালামার নেতৃত্বে অভিযান প্রেরণ করেন ৷

মুসলিম বাহিনী ওখানে পৌছার পর শত্রুপক্ষ ভয় পেয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায় ৷ তারা বহু
ধন-সম্পদ ফেলে যায় ৷ তার মধ্যে ছিল উট, বকরী ইত্যাদি ৷ আবুসালামা (রা) ও তার সাথীগণ
ওইসব ধন-সম্পদ দখল করে নেন ৷ তারা তিনজন ক্রীতদাসকে বন্দী করেন ৷ শত্রুপক্ষ পালিয়ে
যাওয়ার পর দলবলসহ আবুসালামা (রা) মদীনায় দিকে ফিরতি যাত্রা করেন ৷ আসাদ গোত্রের যে

ব্যক্তি গোপন সংবাদ জানিয়েছিল গনীমতের সাল থেকে প্রচুর পরিমাণ সম্পদ তাকেও দেওয়া হয় ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.