রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আওতাস যুদ্ধ

আওতাস যুদ্ধ

করার জন্যে দাওয়াত দেন এবং বলেন, “হে আল্লাহ্ ! আপনি তার উপর সাক্ষী থাকুন ৷” তারপর
আবু আমির (রা) তাকে হত্যা করেন ৷ এরপর দ্বিতীয় আর একজন তাকে আক্রমণ করে ৷ ফলে
আবু আমির (রা) তাকে ইসলামের দিকে আহ্বান করে বলেন, “হে আল্লাহ ! আপনি সাক্ষী
থাকুন ৷“ তারপর প্রতি-আক্রমণ করে আবু আমির (রা) তাকে হত্যা করেন ৷ এরপর তারা
প্রতেব্রকেই একে একে আবু আমির (রা)-এর উপর হামলা করতে থাকে ৷ আর প্রতেকে বারেই
তিনি অনুরুপ দাওয়াত দিয়ে ও আল্পাহ্কে সাক্ষী রেখে প্ৰতি-হামলা করে হত্যা করতে থাকেন ৷
এভাবে তাদের নয়জন নিহত হয়ে যায় ৷ বাকী থাকে দশম ব্যক্তি এবার সেও আবু আমির (রা)
-এর উপর হামলা করে বসে ৷ ফলে তিনিও তার উপর হামলা করেন ৷ তিনি তাকে প্রথমে
ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দেন এবং বলেন “হে আল্লাহ ! আপনি সাক্ষী থাকুন ৷” তখন
আক্রমণকারী দশম লোকটি বললােষ্ হে আল্লাহ্ ! আপনি আমার উপরে সাক্ষী থাকবেন না ৷ এ
কথা শুনে আবু আমির (রা) তাকে হত্যা করা থেকে বিরত থাকেন ৷ ফলে সে প্রাণে রক্ষা পায় ৷
পরে সে ইসলাম গ্রহণ করে এবং অতি নিষ্ঠার সাথে ইসলামের আনুগত্য করে ৷ নবী করীম (সা)
যখনই তাকে দেখতেন তখনই বলাতন, এ হচ্ছে আবু আমিরকে ফীকি দেওয়া পলাতক ব্যক্তি ৷
বর্ণনাকারী বলেন, অল্পক্ষণ পর বনু জুশাম ইবন মুআবিয়া গোত্রের হারিছের দুই পুত্র আলা ও
আওফা (দুই ভাই) একযোগে আবু আমির (রা)-এর প্রতি তীর নিক্ষেপ করে ৷ একটি তীর তার
হৃৎপিণ্ডে লাগে এবং অপরটি তার হীটুতে বিদ্ধ হয় ৷ এভাবে তারা দৃজনে মিলে তড়াকে শহীদ
করে ৷ এ সময় লোকজন আবু মুসা আশআরীকে তার স্থানে আমীররুপে গ্রহণ করে ৷ তিনি
আক্রমণকারী ভ্রাতৃদ্বয়ের উপর পালটা আক্রমণ চালিয়ে তাদের দৃজনকেই হত্যা করেন ৷ বনু
জুশাম গোত্রের এক ব্যক্তি উক্ত ভ্রাতৃদ্বয়ের মৃত্যুতে নিম্নরুপ মর্সিয়া রচনা করেন :

“আনা ও আওফার হত্যাকাণ্ড একটি হৃদয় বিদারক ঘটনা ৷ তারা এক সাথেই মারা গেল,
অথচ কোন আশ্রয়ই তাদের ছিল না ৷

তারা দৃ’জনেই আবুআমিরের হভ্যাকারী ৷ আর আবু আমির ছিল এক ভয়ংকর ব্যক্তি ৷
তারা দুজনে তাকে যুদ্ধক্ষেত্রে এমন অবস্থায় পরিত্যাগ করে, যেন তার পার্শে রয়েছে
মসজিদ ৷

মানব সমাজে তাদের দু’ভাইয়ের ন্যায় লোক কোথাও দেখা যায়না ৷ প্রতিযোগিতায় তারা
কমই হেড়াচট খায় ৷ আর তীর নিক্ষেপে তারা খুবই সিদ্ধহস্ত ৷”

ইমাম বুখারী মুহাম্মাদ ইবন আলা আবু মুসা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি

বলেছেন, হুনায়ন যুদ্ধ শেষ করার পর রাসুলুল্লাহ্ (সা) আবু আমির (রা)-এর নেতৃত্বে একটি সৈন্য
দল আওতাস গোত্রের দিকে পাঠান ৷ দৃরায়দ ইবন সিমমার সাথে তার মুকাবিলা হয় ৷ লড়াইয়ে

দুম্মায়দ নিহত হয় এবং তার বাহিনী আল্লাহ্ তাআলার ইচ্ছার পরাজিত হয় ৷ আবু মুসা (বা) বলেন,
রাসুলুল্পাহ্ (সা) আবু আমির (ৱা)-এর সাথে আমাকেও প্রেরণ করেন ৷ এ মুকাবিলায় আবু আমির
(রা) এর হীটুতে একটি তীর বিক্ষিপ্ত হয় ৷ জুশাম গোত্রের এক লোক তীর নিক্ষেপ করে তার হীর্টু
তীরবিদ্ধ করে ৷ আমি তখন তার কাছে গিয়ে বললাম, “চাচা ! কে আপনাকে তীর যেরেছে ?”
তিনি আবুমুসাকে ইংগিতে জানালেন, ঐ যে লোকটি সে আমার হত্যাকারী এবং সেই আমাকে
তীর মেরেছে ৷ আমি তার উদ্দেশ্যে এগিয়ে গেলাম এবং তার কাছে গিয়ে পৌছলাম ৷ সে
আমাকে দেখা মাত্রই পালাতে শুরু বরোলা ৷ আমিও তার পশ্চড়াদ্ধাবন করলাম এবং বললাম, “কি
হে, লজ্জা করে না ? র্দাড়াও না কেন ? এ কথা শুনে সে থেমে গেল ৷ তখন আমরা দৃজনে
পরম্পরকে তলোয়ার দ্বারা আঘাত করি ৷ অবশেষে আমি তাকে হত্যা করে ফেলি ৷ এরপর আমি
এগিয়ে নিয়ে আবু আমির (রা)-কে বললাম, “আল্লাহ আপনার ঘাতককে হত্যা করেছেন ৷ আবু
আমির (বা) বললেন, “এখন তুমি আমার হীটু থেকে এ তীর বের করে দাও ৷” আমি তীরটি
টেনে বের করে দিলাম ৷ তখন ক্ষত স্থান থেকে কিছু পানি বেরিয়ে আসলো ৷ আবু আমির (বা)
তখন বললেন, ভাতিজা ! তুমি রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে আমার সালাম পৌছিয়ে দিও এবং আমার
মাগফিরাতের জন্যে দুআ করতে বলবে ৷ এ কথা বলে আবু আমির (রা) আমাকে দলের নেতা
নিযুক্ত করেন ৷ এর কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি ইনতিকাল করেন ৷ আমি অভিযান থেকে ফিরে এসে
রাসুলুল্লাহ্ (সা)এর বাড়িতে গিয়ে তার সাথে সাক্ষাৎ করি ৷ দেখতে পাই, তিনি পাকান রশি দিয়ে
তৈরি একটি খাটিয়ার উপর বিছানায় শুয়ে আছেন ৷ খাটিয়ার রশি তীর পিঠে ও পার্শ্বদেশে স্পষ্ট
দেখা যাচ্ছে ৷ আমি তীকে আমাদের অবস্থা ও আবু আমির (রা)-এর ঘটনা জানালাম এবং তার
জন্যে মাগফিরাতের দৃআর আবেদন করার কথাও জানালাম ৷ তখন তিনি একটু পানি আনতে
বললেন ৷ এরপর উয়ু করে দৃহাত তুলে বললেনঃ “হে আল্লাহ্! তোমার প্রিয় বান্দা আবুআমিরকে
ক্ষমা করে দাও ৷ দুআ করার সময় তিনি হাত এতদুর উপরে উঠান যে, আমি তার বগলদ্বয়ের
সাদা অংশ দেখতে পাই ৷ তিনি আরও বললেন, “হে আল্লাহ্ ! কিয়ামতের দিন তোমার অনেক
বন্দোর উপর তাকে মর্যাদা দিও ৷ অথবা বলেছেন, “তোমার অনেক সৃষ্টির উপর তাকে সম্মান
দিও ৷” তখন আমি বললাম, “আমার জন্যেও একটু মাগফিরাতের দৃআ করুন ৷ ” তিনি বললেন,
হে আল্লাহ্ ! আবদুল্লাহ ইবন কায়সের গুনাহ্গুলোও মাফ করে দিও এবং কিয়ামতের দিন তাকে
সম্মানজনক স্থানে প্রবেশের সুযোগ দিও ৷ আবু বুরদা (রা) বলেন, রাসুলুল্পাহ্ (না)-এর একটি
দৃআ ছিল আবু আমির (রা)-এর জন্যে ৷ আর একটি ছিল আবু মুসা (রা)-এর জন্যে ৷

ইমাম মুসলিম এ ঘটনা আবু কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবন আলা ও আবদুল্লাহ্ ইবন অড়াবী বারাদের
সুত্রে আবুউসামা থেকে অনুরুপ বর্ণনা করেছেন ৷ ইমাম আহমদ আবদুর রাঘৃযাকের সুত্রে
আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন : আওতাস যুদ্ধে অনেক নারী বন্দী
হিসেবে আমাদের হস্তগত হয় ৷ এ সব নারীর স্বামীরা জীবিত ছিল ৷ তাই স্বামী থাকার কারণে
তাদের সাথে মিলিত হতে আমাদের মনে খটকা লাগে ৷ তখন এ বিষয়ে পরিষ্কার জানার জন্যে
আমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে জিজ্ঞেস করি ৷ এ পরিপ্রেক্ষিতে নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয় :

“এবং নারীর মধ্যে ণ্তামাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্যে
নিষিদ্ধ (৪ নিসা : ২৪) ৷

আবু সাঈদ খুদরী (রা) বলেন, এ আয়াতের কারণে আমরা তাদের সাথে মিলিত হওয়া বৈধ
মনে করি ৷ তিরমিযী এবং নাসাঈও এ হাদীছ উছমান বাত্তী থেকে বর্ণনা করেছেন ৷ মুসলিম তার
সহীহ গ্রন্থে শুব৷ আবু সাঈদ খুদরী (রা) সুত্রে এ হাদীছ বর্ণনা করেছেন ৷ ইমাম আহমদ,
মুসলিম, আবু দাউদ ও নাসাঈ এ হাদীছ সাঈদ ইবন আবুআরুবা থেকে বর্ণনা করেছেন ৷ এ ছাড়া
মুসলিম, শু’বা ও তিরমিযী হুমাম আবু সাঈদ (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে , তিনি বলেছেন :
আওতাস যুদ্ধে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাহাবীগণ অনেক বন্দী দাসী প্রা হন ৷ এসব দাসীর মুশরিক
স্বামী বর্তমান ছিল ৷ রাসুলুল্পাহ্ (সা)-এর কিছু সংখ্যক সাহাবী এ সব দাসীদের ভোগৃ সস্তোগ
থেকে বিরত থাকেন এবং এ কাজকে তারা পাপ মনে করেন ৷ তখন এ প্রসংগে নিম্নোক্ত আয়াত
নাযিল হয় :

“এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দামী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্যে
নিষিদ্ধ (৪ নিসা : ২৪) ৷

হাদীছের উপরোক্ত বর্ণনাটি আহমদ ইবন হাম্বলের পাঠ থেকে গৃহীত ৷ বর্ণিত হাদীছের এ
সুত্রে আলকামা হাশিমীর নামটি তিনি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন ৷ তিনি একজন নির্ভরযোগ্য (ছিকা)
রাবী এবং হাদীছটি মাহফুয শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ৷

উপরোক্ত আয়াত থেকে দলীল গ্রহণ করে প্রাথমিক যুগের একদল আলিম বলেন যে, দাসী
বিক্রী করলে তালাক হয়ে যায় ৷ ইবন মাসউদ, উবাই ইবন কা’ব, জাবির ইবন আবদুল্লাহ্, ইবন
আব্বাস (বা) , সাঈদ ইবন মুসায়িাব ও হাসান বসরী (র) থেকে এরুপ মত বর্ণিত হয়েছে ৷ কিন্তু
অধিকাৎশ আলিম এ মতের বিরোধী ৷ তারা বারীরার ঘটনাকে দলীল হিসেবে পেশ করেন ৷
কেননা, বারীরাকে বিক্রী করে দেওয়ার পর তার বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার ব্যাপারে তাকে
ইখতিয়ার দেওয়া হয় ইচ্ছে করলে সে তার বিবাহ রেখে দিতে পারে অথবা ইচ্ছে করলে
ভেৎগে দিতে পারে ৷ যদি কেবল বিক্রী করার দ্বারইি তালাক হয়ে যেত , তা হলে তাকে এখতিয়ার
দেওয়া হতো না ৷ এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আমি তাফসীর গ্রন্থে করেছি ৷ অবশ্য আহকামুল
কাবীর” অধ্যায়ে আমি এ সম্পর্কে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ্ ৷ এ ছাড়া আওতাস যুদ্ধের
বন্দী দাসীদের ঘটনা থেকে দলীল গ্রহণ পুর্বক প্রাথমিক যুগের আলিমদের একটি দল এ মত
পোষণ করেন যে, ঘুশরিক বীদীর সাথে মিলন-ক্রিয়া বৈধ ৷ কিন্তু জমহুর উলামা এ মতের
বিরোধী ৷ তারা বলেন, এ ঘটনা একটি ব্যতিক্রমী বিষয় ৷ হতে পারে তারা হয়তো বা ইসলাম
গ্রহণ করেছিল ; কিৎবা তারা ছিল আহলে কিতাব ৷ এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার স্থান
“আহকামুল কাবীর অধ্যায় ৷

হুনায়ন ও আওতাস যুদ্ধে যারা শহীদ হন

১ রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর মুক্তদাস আয়মান ইবন উবায়দ ৷ যিনি আয়মান ইবন উষ্মে আয়মান
নামে খ্যাত ৷

২ যায়দ ইবন যামআ ইবন আসওয়াদ ইবন মুত্তালিব ইবন আসাদ ৷ তার জানাহ্ নামক ঘোড়া
তাকে পিঠ থেকে ফেলে দিলে তিনি ইনতিকাল করেন ৷

৩ বনুআজ্যান গোত্রের সুরাকা ইবন মালিক ইবন হারিছ ইবন আদী আনসারী ৷
৪ আবু আমির আশআরী ৷ ইনি ছিলেন আওতাস যুদ্ধের সেনাপতি ৷
এ চারত্তনেই উক্ত যুদ্ধে শাহাদত বরণ করেন ৷

হুনায়ন যুদ্ধ সম্পর্কে রচিত কবিতা
এ প্রসংগে বুজায়র ইবন যুহায়র ইবন আবু সুলামী বলেন :

মর্মার্থ : “যদি আল্লাহ্ ও তার বন্দোহ না থাকতো তা হলে তোমরা অবশ্যই পালিয়ে যেতে,
যখন ভীতি সকল কাপুরুষকে দুর্বল করে দিয়েজ্জি ৷

উপত্যকার মােড়ে আমাদ্যে৷ সমকক্ষ দল যখন আমাদের মুকাৰিলা করে ৷ তখন ক্ষীপ্রপতি
সম্পন্ন ণ্ঘাড়াগুলো মুখ থুবড়ে পড়ে যাচ্ছিল ৷

তখন কেউ কেউ দৌড়ে যাচ্ছিল কাপড় হাতে নিয়ে ৷ আর ঘোড়াগুলো খুর ও বুক উল্টিয়ে
পড়ে গড়াগড়ি খাফ্লি ৷

আল্লাহ্ আমাদেরকে মর্যাদার ভুষিত করলেন, আমাদের দীনাক বিজয়ী করলেন এবং
রাহমানের আনুগত্য করার তিনি আমাদেরকে সম্মান দান করলেন ৷

আর আল্লাহ্ ওদেরকে ধ্বংস করে দিলেন, তাদের দলকে ছিন্নভিন্ন করে দিলেন এবং
শয়তানের গোলামী করার কারণে তাদেরকে লাঞ্ছিত করলেন ৷

ইবন হিশাম বলেন : কোন কোন বর্ণনাকারী এ কবিতার সাথে আরও কিছু উল্লেখ করেন
যথা :

“যখন ণ্তামাদের নবীর চাচা ও তার অভিভাবক দাড়িয়ে আহ্বান করে বললেন, হে ঈমানের
সৈন্যদল ৷ কোথায় সে সব লোক ! যারা তাদের প্রতিপালকের ডাকে সাড়া দিয়েছিল করে প্রাভার
ও বয়েআতুর রিযওয়ানে”?

হুনায়নের যুদ্ধ প্রসংপে আব্বাস ইবন মিরদাস সুলামীর কবিতা :

“যুদ্ধের দিনের তেজি ঘোড়ার কসম এবং রাসুল (সা) কিতাব থেকে যা পাঠ করেন তার
কসম ! নিশ্চয়ই আমি

আনন্দ পেয়েছি ৷ গতকাল গিরিপথ প্রান্তে ছাকীফ গোত্র যে শাস্তি ভোগ করেছে তা দেখে ৷

নজদবাসীদের মধ্যে তারাই মুল শত্রু ৷ তাই তাদের নিধন হওয়া মদ পান করার চইিতেও
অধিক সুস্বাদু ৷

আমরা বনু কড়াসিয়োর সৈন্য দলকে পরাজিত করেছি এবং বনু রিয়াবের উপরেও তার চাপ
পড়েছে ৷

আওতাস যুদ্ধ থেকে পরিত্যক্ত হিলাল গোত্রের একটি মহল্লা মাটির ধুলায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় ৷

তাদের নারী সমাজ যদি বনু কিলাবের সৈন্যদের দেখতো এবং উড়ন্ত ধুলােবালি লক্ষ্য
করতো, তবে তারা অবশ্যই উঠে যেতো ৷

বাস হতে আওরাল পর্যন্ত সমগ্র এলাকায় তাদের মাঝে আমরা অশ্ব হীকিয়েছি এবং
গনীমতের মাল কুড়িয়েছি ৷

সর্বদা গােরগােলে মুখরিত এ এলাকায় রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার বাহিনী নিয়ে তাদেরকে আঘাত
হানাত এগিয়ে যান ৷

আব্বাস ইবন মিরদাস কবিতায় আরও বলেন :

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.