Register Now

Login

Lost Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

পশ্চদবর্তীদের বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সা) এর মন্তব্য প্রসংগ

পশ্চদবর্তীদের বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সা) এর মন্তব্য প্রসংগ

রহম করুন, যে একাকী পথ চলছে, একাকী মৃত্যুবরণ করবে আর একাকী পুনরুথিত
হবে ৷ তখন তিনি বাহন থেকে নেমে এসে নিজের দায়িত্বে মৃতের জন্য জানাযা ও দাফনের
ব্যবস্থা করলেন ৷ এ হাদীসের সনদ হাসান পর্যায়ের ৷ তবে ছিহাহ গ্রন্থসমুহে এ রিওয়ায়াত
বর্ণিত হয়নি ৷

ইমাম আহমদ (র) বলেছেন, আব্দুর রা যযা ক (ব) আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন
উকায়ল (ব) অ ৷ল্লাহ্ পাকের এ ক লা৷ম- :“(যায়৷ সংকট কালে
তার অনুপমন করেছিল) প্রসং ×গে আমাদের খবর দিয়েছেন ৷ ”

তিনি বলেন, দু জন দু’ জন ও তিন তিন জনে একটি বাহন উট নিয়ে তারা তাবুক
অভিযানে বেরিয়ে পড়লেন ৷ তারা বের হয়েছিলেন প্রচণ্ড পরমের সময় ৷ একদিন গিপাসা
তাদের করে করে ফেললে তারা তাদের উটের ভুড়ি নিংড়িয়ে তার পানি পান করার
উদ্দেশ্যে সেগুলিকে যবাই করতে লাপলেন ৷ এমনই ছিল পানি সংকট, অর্থ সংকট ও বাহন
ৎকটের অবস্থা ৷

আবদুল্লাহ ইবন ওয়াহব (র) বলেছেন, আমর ইবনৃল হারিস (র)আবৃদুল্লাহ ইবন
আব্বাস (রা) সুত্রে র্বণন৷ করেছেন যে, উমার ইবনুল খাত্তাব (রা)-কে বলা হল, সংবল্টপুর্ণ
সময়ের বিষয় আমাদেরকে কিছু শুনান ৷ উমর (রা) বললেন, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে আমরা তাৰুক
অভিযানে বের হলাম ৷ আমরা মধ্যবর্তী একটি মনযিলে অবস্থান নিলাম ৷ সেখানে তীব্র পিপাসা
আমাদের করে করে ফেলল ৷ এমনকি আমাদের মনে হতে লাগল যে, পিপাসায় আমাদের
ঘাড়ের রগের বীধন ছিড়ে যাবে ৷ আমাদের কেউ তার বাহনের খোজ খবর নিতে গেলে এমন
প্রবল ধারণা না নিয়ে ফিরে আসত না যে, এখনই তার গর্দড়ানের রগ ছিড়ে যাবে ৷ এ দুর্যোগের
কারণে কেউ কেউ তীর উট যবাই করে তার ভুড়ির ণ্লদ নিংড়িয়ে পানি পান করত এবং
অবশিষ্ট কিছু থাকলে তা কলিজ৷ বরাবর বুঝে না ৷লিশ করে একটু শান্তি খুজত ৷ পরিস্থিতির এ
ভয়াবহতা দেখে আবুবকর সিদ্দীক (রা) বললেন-

ইয়৷ রাসুলা ল্লাহৰু দু আ র মাধ্যমে কল্যাণ প্রদানে আল্লাহ আপনাকে অভ্যস্ত করেছেন ৷ তাই

আপনি আমাদের জন্য আল্লাহর ক ৷ছে দু আ করুন ৷ তিনি বললেন, তোমারও ত ৷ই পসন্দ ?
তিনি বললেন, জী হা, বর্ণনাক ৷রী বলেন, তখন নবী করীম (সা) তা ৷র দু হতে আকাশের দিকে
তুলে ধরলেন এবং আসমানের বা ৷রী বর্ষণের উপক্রম না হওয়া পর্যন্ত হাত নামালেন না
তারপর আকাশ মুষলধারে বারি বর্ষণ করল এবং লোকেরা যার কাছে যা ছিল তা পানি ভর্তি
করে ফেলল ৷ আমরা এ ব্যাপারটি প্রত্যক্ষ করতে গিয়ে দেখলাম যে, তা বাহিনীর বেষ্টনী
সীমা অতিক্রম করেনি ৷ এ হাদীসের সনদ উত্তম তবে সিহ৷ ৷হ গ্রন্থসমুহের ইমামপণ এ সনদে
হাদীসখানি রিওয়ায়াত করেন নি ৷

আসিম ইবন উম৷ ৷র ইবন৷ কাত ৷দা (র)-এর গোত্রীয় একদল লোকের উপস্থিতিতে ইবন ইসহাক
উল্লেখ করেছেন যে, এ ঘটনা ঘটেছিল তাবুক বাহিনীর ’হিজর’ এলাকায় অবস্থানকালে ৷ সে সময়
তারা তাদের জনৈক মুনাফিক সাথীকে বলেছিল, রে দৃর্ভাপা! এ বারি বর্ষণের ঘটনার পরেও কি
তীর রাসুল হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ আছে ? জবাবে লোকটি বলে উঠল, ও তো একখান৷ চলম্ভ

মেঘের কাণ্ডা (এতে রাসুল হওয়ার প্রমাণের কি আছে?) তিনি আরো উল্লেখ করেছেন যে,
রাসুলুল্লাহ (না)-এর উটনী হারিয়ে গেলে সাহাবীগণ তার সন্ধানে বেরিয়ে পড়লেন ৷ রাসুলুল্লাহ
(না) তার কাছে উপস্থিত উমার৷ ইবন হাযম আল আনসারী (বা) কে বললেন, এক ব্যক্তি বলেছে,
এই মুহাম্মদ তোমাদেরকে তার নবী হওয়ার দাবী করে এবং আসমানের খবর শুনায় অথচ তার
নিজের উটনীটি কোথায় তা সে জানে না ৷ একথা শুনে রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন-

“আমি তো আল্লাহ্র কসম ! আল্লাহ আমাকে যা জানিয়ে দেন তা ছাড়া কোন কিছুই জানি
না ৷ আর আল্লাহ অবশ্যই উপত্যকায় তার হদীস আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন ৷ একটি গাছ তার
লাপামের দড়ির সাথে জড়িয়ে তাকে আটকে ব্লেখেছে ৷” তখন তারা সেখানে গিয়ে উটনীটি নিয়ে
আসলেন ৷ পরে উমার৷ (বা) জানতে পারলেন যে, এ উক্তি করেছিল যায়দ ইবনুল লুসায়ত ৷ আর
উমার৷ (রা) রাসুলুল্লাহ (না)-এর খিদমতে হাযির হওয়ার পুর্বক্ষাণও উক্ত যায়দ উমারা (রা) এর
তাবুতেই অবস্থান করছিল ৷ তাই উমার৷ (রা) ফিরে গিয়ে ক্রোধে যায়দের ঘাড় মটকাৰ্ত উদ্ধত
হলেন ৷ তিনি বললেন-

আমার তাবুতে একটা আস্ত বিভিষীকা অবস্থান করছে আর আমি তার বিন্দুমাত্র খবর রাখি
না ৷ আল্লাহর দুশমন৷ আমার এখান থেকে বেরিয়ে যা ৷ আর কখনো যেন (তার ছায়া দেখতে না
পাই ৷ কেউ কেউ বলেছেন যে, এ যায়দ পরে তওবা করে র্থাটি ঈমানদার হয়েছিলেন ৷ আবার
কেউ কেউ বলেছেন যে, আমৃভ্যু সে অকল্যাণের জন্য অভিযুক্ত ছিল ৷

হাফিয বায়হাকী (র) বলেন, আমরা ইবনু মাসউদ (রা) থেকে বাহন হারানোর ঘটনার
সাথে সাদৃশ্যপুর্ণ হাদীস রিওয়ায়াত করেছি ৷ তারপর তিনি আমাশ (র) সুত্রে বর্ণিত হাদীস
রিওয়ায়াত করেন ৷ ইমাম আহমাদ (র) সে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন আবু মুআবিয়া
আবু হুরায়রা (রা) সুত্রে অথবা আবু সাঈদ থুদরী (রা) থেকে ৷ তিনি বলেন, তাবুক অভিযান
কালে তীব্র ক্ষুৎ পপাসা লোকদের পর্বুদস্ত করলে তারা বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ ! আপনি কি
আমাদের অনুমতি দেবেন? তাহলে আমরা আমাদের পানিবাহী উটগুলি যবাই করে যেতে পারি
এবং আমাদের পায়ে যেগুলির চর্বি মালিশ করতে পারি ৷ রাসুলুল্পাহ (সা) বললেন-

তা ই কর ৷ তখন উমর (রা) এসে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! এমন করা হলে তো বাহনের
স্বল্পতা দেখা দেবে ৷ তার চ ইতে বরং আপনি এখনো পর্যন্ত লোকদের কাছে বিদ্যমান
যৎসামান্য পাথেয় নিয়ে এক স্থানে সঞ্চিত করতে বলুন এবং তাতে তাদের জন্য বরকতের
দু আ করে দিন ৷ আল্লাহর কাছে আমাদের আশ ৷,৩ তিনি তাতে বরকত দেবেন ৷ রাসুলুল্লাহ (সা)
বললেন, হী তাই ঠিক ৷ তিনি চামড়ার একটি দস্তরখান আনিয়ে তা বিছিয়ে দিলেন ৷ তারপর
লোকদের তাদের কাছে থাকা অবগ্রিষ্টি পাথেয় নিয়ে আসতে বললেন ৷ লোকেরা মার কাছে যা
ছিল তা নিয়ে আসতে লাগল ৷ কেউ এক মুঠাে ভুট্টা নিয়ে আসলেন, কেউ আনলেন এক মুঠাে
খেজুর, আবার কেউ কেউ নিয়ে অ্যাসলেন রুটির টুকরো ৷

এভাবে বিছানাে চামড়ার উপরে সামান্য পরািমণ জমা হয়ে গেলে রাসুলুল্লাহ (না) তাতে
বরকতের দুআ করলেন ৷ তারপর তাদের বললেন, তোমরা তোমাদের পাত্রগুলোতে তুলে
নিতে থাক ৷ ভীর৷ যার র্ষার পাত্র ভরে নিতে থাকলেন ৷ এমনকি বাহিনীর কাছে বিদ্যমান সব

পাত্রই র্তীরা ভরে ফেললেন ৷ এছাড়া র্তীরা যখন তৃপ্তি ভরে খাওয়ার পরও কিছু বেচে রইল ৷
তখন রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, আমি সাক্ষ্য দেই যে, এক আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন ইলাহ
নেই; এবং আমি অবশেই আল্পাহ্র রসুল দ্বিধাহীনভড়াবে যে কেউ এ বিশ্বাস নিয়ে আল্লাহর
সাথে মিলিত হবে ভীকে জান্নড়াতে প্ৰবেশে বাধা দেওয়া হবে না ৷ ’

ইমাম মুসলিম (র) এ হাদীসখানি আবু কুরায়ব (র) আমাশ (র) সুত্রে উল্লেখিত সনদে
রিওয়ায়াত করেছেন ৷ ইমাম আহমদ (র) হড়াদীসখানি আবু হুরায়রা (বা) থেকে রিওয়ায়াত
করেছেন ৷ তবে এ রিওয়ায়াতে তিনি তড়াবুক’ নামটি উল্লেখ না করে বলেছেন “রাসুলুল্লাহ
(সা) স্বয়ং অংশ গ্রহণ করেছিলেন এমন কোন যুদ্ধে এ ঘটনাটি ঘটেছিল ৷

তাবুক অভিযান কালে রাসুলুল্লাহ (সা) এর হিজর এলাকায় অবস্থিত ছামুদ
জাতির আবাসস্থল অতিক্রম করার কথা

ইব ন ইসহাক (র) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) হিজর অতিক্রমকালে সেখানে অবতরণ
করলেন ৷ লোকজন সেখানকার কুয়াে থেকে পানি ভুললেন ৷ বিকেল হলে রাসুলুল্লাহ (না)
বললেন, এ কুয়োর পানি তোমরা এতটুকুও পান করবে না, তা দিয়ে সালারুতর জন্য উযুও
করবে না ৷ আর তা দিয়ে রুটি তৈরীর যে আটা মড়াখিয়েছ তা উটকে খাইয়ে দাও ৷ €তড়ামরা
নিজেরা তার কিছুই খাবে না ৷” ইবন ইসহাক (র) এ বিবরণটি সনদ বিহীনভাবে এভাবে উদ্ধৃত
করেছেন ৷ আর ইমাম আহমাদ (র) বলেছেন, ইয়ামুর ইবন বিশর (র) আবদুল্লাহ ইবন উমার
(রা) থেকে র্বণনা করেন যে, হিজর অতিক্রমকালে রাসুলুল্লাহ (সা) বললেন, “যারা নিজেদের
উপর জুলুম অনাচার করেছিল, তাদের বাসস্থানে তোমরা কান্নারত অবস্থা ব্যতিরেকে প্রবেশ
কর না এ অড়াশংকায় যে, যে দুর্দশা তাদেরকে পেয়ে বলেছিল, তা তােমাদেরকেও যেন
পাের না বলে ৷ ”তিনি নিজে হড়াওদড়ায় থেকেই চাদরে চেহারা ঢেকে নিলেন ৷ বৃখারী (র)ও
হাদীসখানি উল্লেখিত সনদে অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন ৷ ইমাম মালিক (র) ইবন উমার
(রা) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ (না) তার সংপীদের বললেন, “কড়ান্নড়ারত
হওয়া ব্যতীত এ আযাবে নিপতিতদের মাঝে প্রবেশ কর না; আর কান্নারত হতে না পারলে
ওদের এলাকায় প্রবেশই কর না এ আশংকায় যে, যে বিপদ তাদের উপর পতিত হয়েছিল
তা তোমাদের উপরও যেন পতিত না হয় ৷ বৃখারী (র) এ হাদীসখানি উল্লেখিত সনদে ইমাম
মালিক ও সুলায়মান ইবন বিলাল (র) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন ৷ মুসলিম (র) অন্য একটি
সুত্রে অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন ৷ তবে সকলের রিওয়ায়ড়াতই আব্দুল্লাহ ইবন দীনার (র)
সুত্রে বর্ণিত ৷

ইমাম আহমদ (র) বলেন, আবদুস সামাদ (র) ইবন উমার (রা) সুত্রে বলেন, তাবুক
অভিযানে রাসুলুল্লাহ (সা) লোকদের নিয়ে হিজার ছামুদের পরিত্যক্ত বাড়ি ঘরের কাছে অবস্থান
নিলেন ৷ ছামুদ জাতি যে সব কুয়াের পানি ব্যবহার করতো লোকজন সেগুলি থেকে পানি তুলে
আটা মাখড়াল এবং উনানে গোশতের হাড়ি চড়াল ৷ তখন রাসুলুল্লাহ (সা) হাড়িগুলো উলটিয়ে
ফেলে দেওয়ার হুকুম দিলেন এবং মাখড়ান আটা উট পালকে খাইয়ে দেওয়ার হুকুম দিলেন ৷

লোকেরা তার যে নির্দেশ পালন করল ৷ তারপর তিনি তাদের নিয়ে প্রস্থান করে সেই কুয়োর
কাছে অবস্থান নিলেন, যে কুয়াে থেকে আল্লাহ্র উটনী১ পানি পান করত ৷ তিনি আযাবে
নিপতিত কওমের এলাকায় প্রবেশ করতে নিষেধ করে লোকদের বললেন, “আমার আশংকা
হয় যে, তাদের উপর যে আমার এসেছিল তা ণ্তড়ামাদের উপরও না এসে পড়ে ৷

অতএব তোমরা সেখানে প্রবেশ কর না ৷” এ সনদে হাদীসখানি বুখারী মুসলিম (র)-এর
শর্তানুরুপ তবে সিহাহ প্রহুসমুহের ইমামগণ উক্ত সনদে এ হড়াদীসখানি রিওয়ায়াত করেননি ৷
বুখারী ও মুসলিম (র) হড়াদীসখানি গ্রহণ করেছেন আনাস ইবন ইয়ার (র) নাফি ইবন উমার
(বা) সনদে ৷ বুখারী (র) উসামা (রা) থেকে এ হাদীসের সমার্থক রিওয়ায়াত থাকার কথা
উল্লেখ করেছেন ৷ আর মুসলিম (র) শুআয়ব ইবন ইসহাক (র) নাফি (র) সুত্রে হড়াদীসখানি
রিওয়ায়াত করেছেন ৷

ইমাম আহমাদ (র) বলেছেন, আব্দুর রড়াঘৃয়াক (র)জাবির (রা) সুত্রে তিনি বলেন, নবী
করীম (সা) হিজর অতিক্রম করার সময় বললেন, তােমরা মুজিযা দেখবার দাবী কর না ৷
কেননা, সালিহ (আ)-এর কওম সে দাবী করেছিল ৷ ফলে মুজিযড়ার উট এ পথ দিয়ে কুয়ােতে
নামত আর ঐ পথ দিয়ে বেরিয়ে যেত ৷ পরে তারা তাদের প্রতিপালকের হুকুমের অরাধ্য হয়ে
তাকে আঘাত করে মেরে ফেলল ৷ সে একদিন তাদের পানি পান করত, আর তারা একদিন
তার দুধ পান করত ৷ তবু তারা তাকে মেরে ফেলল ৷ ফলে এমন তীব্র নিনাদ তাদের আক্রমণ
করল যে, আল্লাহর হারামে’ অবস্থানকারী তাদের একটি লোক ব্যতীত আসমানের নীচে
বসবাসকারী তাদের প্রতিটি লোককে আল্লাহ চিরতরে নিস্তব্ধ করে দিলেন ৷ লোকেরা জিজ্ঞেস
করল, ইয়া রাসুলাল্লাহ৷ সে একটি লোক কে ? তিনি বললেন, তার নাম ছিল আবু রুগাল; সে-
ও আল্লাহর হারাম’ থেকে বেরিয়েশ্আসলে সেই আমার তাকে পাকড়াও করল, যা তার
স্বজাতিকে পাকড়াও করেছিল ৷ এ হাদীসের সনদ সহীহ্ বিশুদ্ধ ৷ তবে সিহাহ প্রন্থসমুহের
ইমামগণ তা রিওয়ায়াত করেননি ৷

ইমাম আহমাদ (র) বলেন, য়াযীদ ইবন হারুন (র)মুহাম্মদ ইবন আবু কাবশা আল

আনমারী (র)-এর পিতা সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, তাবুক অভিযানের পথে লোকেরা

হিজরবাসীদের এলাকায় প্রবেশ করতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ল ৷ রাসুলুল্লাহ (না)-এর কাছে এ

ৎবাদ পৌছলে লোকদের মাঝে ঘোষণা দেওয়া হল সালাতের জামাতে হাযির হও !

বর্ণনাকারী বলেন, আমি তখন রাসুলুল্লাহ (না)-এর কাছে আসলাম ৷ তিনি তখন তার উটের

গতি নিয়ন্ত্রণ করতে করতে বলছিলেন-

“আল্লাহ যাদের উপর গযব নাযিল করেছেন, এমন কওমের এলাকায় তোমরা প্রবেশ করছ
কেন ?” এক ব্যক্তি আওয়ায করে বলল, এ জাতির প্রতি বিস্ময়বােধের কারণে ৷ তিনি বললেন,

১ আল কুরআনে উল্লেখিত সালেহ (আ) এর উটনীষ্য়া আল্লাহর পক্ষ থেকে যুজিমা স্বরুপ র্তাকে দেওয়া
হয়েছিল ৷

Leave a reply