রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

মক্কা অভিযানের তারিখ ও সফরে ব্লোযা ভাঙ্গা

মক্কা অভিযানের তারিখ ও সফরে ব্লোযা ভাঙ্গা

ছিলেন ৷ তবে বায়হাকী — যুহরী প্রমুখ থেকে বর্ণনা করেন ৷ তারা বলেন, ৮ম হিজরীর
রমযান মাসের দশদিন বাকী থাকতে মক্কা বিজয় সম্পন্ন হয় ৷

আবু দাউদ আত-তায়ালিসী (ব) আবদুল্লাহ (বা) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন,
বিজয়ের বছর রাসুলুল্লাহ্ (সা) রোযার অবস্থায় অভিযানে বের হন যখন তিনি কুরাউল গামীম নামক
জায়গায় পৌছলেন, তখন লোকজন পদব্রজে ও সাওয়ারীতে রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে ছিলেন ৷
এটা ছিল রমযান মাস ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে আরয করা হল, “ইয়৷ রাসুলাল্লাহ ! রােযায়
লোকজনের খুবই কষ্ট হচ্ছে ৷ আর তারা দেখার জন্যে অপেক্ষায় আছেন যে, আপনি কি করছেন ?
রাসুলুল্লাহ্ (সা) তখন এক গ্লাস পানি চাইলেন ও তা পান করলেন ৷ আর লোকজন তার দিকে
তাকিয়ে ছিলেন ৷ এরপরও কিছু সংখ্যক লোক রোযা রাখলেন এবং কিছু সৎখ্যক লোক রোযা ভঙ্গ
করলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে সংবাদ পৌছল যে, কিছু সংখ্যক লোক রোযাদার রয়েছেন,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, “তারা হুকুম অমান্য করেছে ৷”

ইমাম আহমদ আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (বা) থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন,
বিজয়ের বছর রাসুলুল্লাহ্ (সা) রমযান মাসে অভিযানে বের হন ৷ তিনি রােযা রাখেন এবং তার
সাথে সাহাবীগণও রােযা রাখেন ৷ কাদীদে পৌছার পর রাসুলুল্লাহ্ (সা) এক পিয়ালা পানি
চাইলেন ৷ তিনি ছিলেন সাওয়ারীর উপর আরোহী ৷ তিনি যে রােযা ভাঙ্গলেন তা সকলকে দেখিয়ে
দেয়ার জন্যে পানি পান করলেন ৷ আর লোকজন তার দিকে তাকিয়ে ছিলেন ৷ এরপর
মুসলমড়ানগণ রােযা ভাঙ্গলেন ৷ এটা ইমাম আহমদ (ব)-এব একক বর্ণনা

আব্বাস ও আবু সুফিয়ান ইবন হড়ারিচ্ প্রমুখের ইসসামগ্রহণ

রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর চাচা আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিব (বা) ও তার চাচাভাে ভাই আবু
সুফিয়ড়ান ইবন আল-হারিছ ইবন আবদুল মুত্তালিব (রা) , উম্মুল মুমিনীন হযরত উম্মে সালামা
(না)-এর ভাই আবদুল্পাহ্ ইবন আবুউমাইয়া ইবন আল-মুগীরাহ আল মাখবুমী (বা) ইসলাম গ্রহণ
করে রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর দিকে রওয়ানা হন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) যখন মক্কার পথে তখন তার সাথে
তাদের সাক্ষাত হয় ৷

ইবন ইসহাক বলেন, “আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিব (রা) রাস্তায় রাসুলুল্পাহ্ (সা) এর সাথে
সাক্ষাত করেন ৷ ”

ইবন হিশাম বলেন, “আব্বাস (বা) তার পরিবার-পরিজনসহ হিজরত করার পথে জুহ্ফা
নামক স্থানে রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে মিলিত হন ৷ এবপুর্বে তিনি মক্কায় অবস্থান করছিলেন ৷
ইবন শিহাব যুহরী বলেন, “রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন ৷ কেননা, তিনি মক্কায় অবস্থান
করে হাজীদের পানির ব্যবস্থা করার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন ৷

ইবন ইসহাক বলেন, আবু সুফিয়ান ইবন আল-হারিছ ইবন আবদুল মুত্তালিব (বা) ও
আবদৃল্পাহ্ ইবন আবুউমাইয়া মক্কা ও মদীনায় মধ্যবর্তী নাইকুল উকাব’ নামক জায়গায় রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর তড়াবুতে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা
করেন ৷ তাদের এ দৃইজনের ব্যাপারে উম্মুল মু’মিনীন উম্মে সালামা (বা) রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর

সাথে কথা বলেন ৷ তিনি বলেন, “ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ! আপনার চাচার ছেলে, আপনার ফুফু ও
শ্বশুরের ছেলে আপনার সাথে দেখা করতে চান ৷ ” তিনি বলেন, “এ দুজন দিয়ে আমার কোন
কাজ সেই ৷ আমার চাচার ছেলে ইতোমধ্যে আমার ইয্যত নষ্ট করেছে ৷ আর আমার ফুফুর ছেলে
মক্কায় তার বা কিছু বলার ছিল তা আমাকে সে বলেছে ৷ ” সুহায়লী (র) বলেন, সে রাসুলুল্লাহ্
(সা) কে বলেছিল , “আল্লাহ্র শপথ, আমি তোমার উপর বিশ্বাস স্থাপন করব না যতক্ষণ না তু
আকাশে একটি সিড়ি লাপাবে যার সাহায্যে তুমি আকাশে চড়বে আর আমি তাকিয়ে দেখব ৷
এরপর তুমি একটি দলীল ও চারজন ফেরেশতা নিয়ে আসবে যারা সাক্ষ্য দেবে যে , তোমাকে
আল্লাহ্তাআলা প্রেরণ করেছেন ৷

রাবী বলেন , যখন তাদের কাছে রাসুলুল্লাহ্ (সা )-এর মন্তব্যের খবর ৰু;পীছল , আবুসুফিয়ানের
সাথে তার দু পুত্র ছিল তখন সে বলল, আল্লাহ্র শপথ, আমাকে অবশ্যই তিনি অনুমতি দেবেন
নচেৎ আমার এ ছোট ছেলের হাত ধরে আমরা পৃথিবীতে ভবঘুরের ন্যায় ঘুরে রেড়াব এবং ক্ষুধাও
তৃষ্ণায় মরুভুমিতে মৃত্যুবরণ করব ৷ তাদের এই শপথের কথা যখন রার্কুণুল্লাহ্ (সা ) এর কাছে
পৌছল তখন তিনি তাদের প্ৰতি সদয় হলেন এবং তাদেরকে প্রবেশের অনুমতি দিলেন ৷ তারা
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর র্তাবুতে প্রবেশ করেন ও ইসলাম গ্রহণ করেন ৷ নিম্নবর্ণিত কবিতার মাধ্যমে
আবু সুফিয়ান তার ইসলাম গ্রহণের পুর্ববর্তী ভুল-ত্রুটির জন্যে তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন ৷
কবিতায় বলেন :

তোমার জীবনের শপথ, নিশ্চয়ই আমি যেদিন ঝাণ্ডা উত্তোলন করেছিলাম মুহাম্মাদ (সা) এর
সৈন্যদলের উপর লাত এর সৈন্যদল জয়লাভ করবে ৷ এই উদ্দেশ্যে সেদিন আমি ছিলাম রাতের
অন্ধকারে দিশেহারা ভ্রমণকারী ৷ এখন সময় এসেছে ফলে আমাকে ঠিক পথে পরিচালিত করা
হচ্ছে এবং আমি সঠিক পথে চলছি ৷ এই যে আমার জন্য রয়েছেন একজন পথ প্রদর্শক আমার
নিজ প্রবৃত্তি নয় ৷ যিনি আমাকে উঠিয়ে দিয়েছেন হিদায়াতের রাজপথে ৷ এটি আমার গোত্রের

প্রত্যেকটি পথভ্রষ্ট ব্যক্তিকে আল্লাহ্র ভৈনকট্য লাভে সক্ষম করে তৃলেছেন ৷ আমি অতীতে ছিলাম
প্রতিরোধকারী ও মুহাম্মাদ (সা) থেকে বিরত রাখার জন্যে কঠোর প্রচেষ্টায় রত ৷ মুহাম্মাদ
(সা) এর দিকে দাওয়াত দোয়া হলেও আমি তার সাথে সংশ্লিষ্ট হইনি ৷ আমার সাথী কাফিরদের
ইচ্ছেমত যারা পথ চলেনি বা অন্যায় কথা বলেনি ৷ তাদের বিরুদ্ধে যা করবার তারা তা সবই
করেছে যদিও তিনি ছিলেন সঠিক বিবেকের অধিকারী ৷ তবু তারা তাকে বুদ্ধিভ্রাম্ভ বলে আখ্যায়িত
করেছে ৷ যতক্ষণ পর্যন্ত আমি হিদায়াত পাইনি ততক্ষণ পর্যন্ত আমি আমার সম্প্রদায়ের লোকদের
সাথে প্রতিটি বৈঠকে শবীক থেকে তাদেরকে খুশী করতে প্রয়াস পেয়েছি ৷ যদিও আমি অভিশপ্ত
ছিলাম না ৷ ছাকীফ গোত্রকে বলে দাও, আমি তাদের সাথে যুদ্ধ করতে চাই না ৷ আবারও
ছাকীফকে বলে দাও , আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে তারা তহ্: দেখাক ৷ আমি এমন
সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলাম না যারা আমিরকে হত্যা করেছে ৷ কেউই আমার রসনা বা হাতের
অনিষ্টের শিকার হয়নি ৷ দুরদুরান্তের জনপদসমুহ হতে সিহাম ও সুরদৃদ থেকে এসে এরা সমবেত
হয়েছে ৷

ইবন ইসহাক বলেন, ইতিহাসবিদগণ বলেন, যখন আবু সুফিয়ান রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে
কবিতা পাঠের মধ্যে বললেন, আমি যাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলড়াম তিনিই আমাকে আল্লাহ্র সাথে
সম্পৃক্ত করলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) নিজ হাত দ্বারা তীর বুকে মৃদু আঘাত করে বললেন
অর্থাৎ তৃমিই তো আমাকে সম্পুর্ণরুপে বিতাড়িত করেছিলে ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.